ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

শ্রেণিকক্ষে গান ছেড়ে ধূমপান, চার ছাত্রছাত্রী বহিষ্কার

প্রকাশ: ০৪:০৬ পিএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail শ্রেণিকক্ষে গান ছেড়ে ধূমপান, চার ছাত্রছাত্রী বহিষ্কার

শ্রেণিকক্ষে সিগারেট টানছে শিক্ষার্থীরা। এক ছাত্রী ধোঁয়া দিচ্ছে আরেক ছাত্রের মুখে। সুখটানের পাশাপাশি অশ্লীল অঙ্গিভঙ্গি চলছে। মোবাইলে বাজছে পছন্দের গান। হাসাহাসি, খুনসুঁটির সেই ভিডিওই এখন ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়।

শুক্রবার এমনই একটি ভিডিও পশ্চিমবঙ্গের চন্দ্রকোনা এলাকায় ভাইরাল হয়েছে। নিন্দার ঝড় ওঠতেই চার শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করেছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

তবে এর আগেও স্কুলের ভেতরে ক্লাস চলাকালীন ছাত্রীদের মদপানের বিষয়ও প্রকাশ্যে এসেছিল। বার বার এমন ঘটনা শিক্ষকদের গাফিলতির কারণেই ঘটছে বলে মনে করছেন অভিভাবকরা।

পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার চন্দ্রকোনা নম্বর ব্লকের জাড়া হাইস্কুলে শুক্রবার ক্লাস ইলেভেনের ছাত্র-ছাত্রীদের ধূমপানসহ অশ্লীল আচরণের ছবি ভাইরাল হতে শনিবার থেকে এলাকায় দেখা দিয়েছে চরম ক্ষোভ।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, এই ঘটনায় ক্লাস ইলেভেন টুইলেভ মিলিয়ে জন ছাত্রছাত্রী যুক্ত রয়েছে। করোনা লকডাউনে দীর্ঘদিন স্কুল বন্ধ থাকার পরেও স্কুল খুললে ছাত্র-ছাত্রীরা এখনও উশৃঙ্খল জীবনযাপন থেকে স্বাভাবিক ছন্দে ফিরতে পারেনি বলে মনে করছেন একাংশ।

তারপরও বিষয়টাকে ছোট করে দেখতে চায়নি বিদ্যালয়ের পরিচালন কমিটি। শনিবারই পরিচালন কমিটির বৈঠকে বসে এক বছরের জন্য ওই ছাত্র-ছাত্রীদের বহিষ্কার করার কথা ঘোষণা করেছে। তবে তাদের ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে যেন পরীক্ষা দিতে পারে সেদিকে লক্ষ্য রাখা হয়েছে।

এরই মধ্যে গ্রামবাসীর ক্ষোভের মুখে পড়ে ওই ছাত্রদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করলেও এতে খুশি নয় শাসকদলের নেতাকর্মী থেকে শুরু করে অভিভাবকরা। সবাই চাচ্ছেন এই ঘটনা প্রথম নয় এর আগেও অনেক ঘটনা ঘটেছে শুধুমাত্র এর জন্য দায়ী স্কুলের শিক্ষকরা।

ঘটনার কথা স্বীকার করে নিয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বলেন, খারাপ এই ঘটনাটি ঘটেছে বিদ্যালয়ের মধ্যে। এটা অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই। আমরা আরও সতর্ক হবো যেন ভবিষ্যতে ধরনের ঘটনা পুনরায় না ঘটে। একইসঙ্গে ওই ছাত্র-ছাত্রীদের বিরুদ্ধে শাস্তিযোগ্য ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

অবৈধভাবে আটক ইরানি তেল ট্যাংকার ছেড়ে দিল গ্রিস সরকার

প্রকাশ: ০১:২৯ পিএম, ২৭ Jun, ২০২২


Thumbnail

ইরানি-পতাকাবাহী একটি তেল ট্যাংকার ছেড়ে দিয়েছে গ্রিস। ইরানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার স্বার্থে দুই মাস আগে আমেরিকার চাপে তেল ট্যাংকারটি আটক করেছিল দেশটি।

রবিবার (২৬ জুন) গ্রিসের বন্দর পুলিশ সূত্রের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, ইরানি-পতাকাবাহী ট্যাংকার ‘পেগাস’ এর ওপর আরোপিত আটকাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং তেল ট্যাংকারটি এখন মুক্তভাবে সাগরে চলাচল করতে পারবে। খবর পার্সটুডের। 

গত ১৯ এপ্রিল রাশিয়ার ১৯ জন ক্রুবাহী ইরানি ট্যাংকারটি গ্রিসের দক্ষিণাঞ্চলীয় ইভিয়া দ্বীপের উপকূল থেকে আটক করে গ্রিস। আটকের সময় ট্যাংকারটিতে ১০ লাখ ৩৫ হাজার ব্যারেল তেল ছিল। এরপর খবর প্রকাশিত হয় যে, জাহাজটি থেকে সাত লাখ ব্যারেল তেল নিয়ে গেছে আমেরিকা।

এরপর এপ্রিল মাসেই ইরান পারস্য উপসাগর থেকে গ্রিসের দু’টি তেল ট্যাংকার আটক করে। দু’টি জাহাজের আটক ক্রুদের মধ্যে নয় জন ছিল গ্রিসের নাগরিক। এ অবস্থায় গ্রিসের একটি উচ্চ আদালত চলতি মাসের গোড়ার দিকে ইরানের আটক তেল ট্যাংকারটি ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দেয়। এবার সেই নির্দেশ কার্যকর করল দেশটির সরকার।

গ্রিসের বন্দর পুলিশ সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, এর বিনিময়ে ইরানও গ্রিসের আটক দুই ট্যাংকার ছেড়ে দেবে বলে এথেন্স আশা প্রকাশ করেছে।

ঐতিহাসিকভাবে গ্রিসের সঙ্গে ইরানের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিল। তবে সম্প্রতি আমেরিকা ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার পর তা কার্যকর করতে গিয়ে তেহরানের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি ঘটনায় এথেন্স। মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে গ্রিসে ইরানের তেল রফতানি বন্ধ রয়েছে। 

ইরান   গ্রিস   তেল ট্যাংকার   যুক্তরাষ্ট্র  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

চীনের উত্থান ঠেকাতে জি৭-এর ৬০ হাজার কোটি ডলারের তহবিলের ঘোষণা

প্রকাশ: ১২:৫৯ পিএম, ২৭ Jun, ২০২২


Thumbnail চীনের উত্থান ঠেকাতে জি৭-এর ৬০ হাজার কোটি ডলারের তহবিলের ঘোষণা

চীনকে ঠেকাতে তহবিল গঠনের ঘোষণা জি৭-এ। ৬০ হাজার কোটি ডলারের তহবিল তৈরি করা হবে। এই অর্থ দিয়ে নিম্নআয়ের দেশগুলোতে এমন পরিকাঠামো গড়ে তোলা হবে, যা যে কোনও আবহাওয়া সহ্য করে টিকে থাকতে পারবে।

রবিবার (২৬ জুন) জার্মানিতে গ্রুপ অব সেভেন (জি৭) দেশের শীর্ষ নেতারা আলোচনায় বসেন। ৬০ হাজার কোটি ডলারের পরিকাঠামো তহবিলই ছিল সেখানে প্রথম ঘোষণা। চীন ইতোমধ্যে বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (বিআরআই) নিয়েছে। তারই মোকাবিলায় জি৭ এই প্রকল্প হাতে নিল। খবর ডয়েচে ভেলের।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেন জানিয়েছেন, “এই বিনিয়োগের ফলে সকলে লাভবান হবে। আমেরিকার মানুষও লাভবান হবে। সার্বিকভাবে আমাদের অর্থনীতি লাভবান হবে।”

বেইজিংয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তারা এই বিআরআই চাপিয়ে দিয়ে কম আয়ের দেশগুলোকে ঋণজালে আবদ্ধ করছে। এর ফলে চীনের লাভ হচ্ছে। কারণ, তারা এশিয়া, আফ্রিকা ও ইউরোপে বাণিজ্য বিস্তার করতে পারছে।

নতুন জি৭ তহবিল থেকে অ্যাঙ্গোলায় ২০০ কোটি ডলার দিয়ে সোলার ফার্ম গড়ে তোলা হবে, ৩২ কোটি ডলার দিয়ে আইভরি কোস্টে হাসপাতাল গড়ে তোলা হবে। দক্ষিণপূর্ব এশিয়ায় চার কোটি ডলার দিয়ে আঞ্চলিক স্তরে বিকল্প শক্তি বাণিজ্যকে উৎসাহ দেওয়া হবে।

বাইডেন-শলৎস বৈঠক

আলপাইন অঞ্চলের এলমাউ দুর্গে বৈঠকের প্রথম দিনেই জার্মান চ্যান্সেলর শলৎস ভাষণ দেন। তিনি বলেছেন, বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই পরিকাঠামোগত পরিকল্পনা খুব জরুরি। জার্মান চ্যান্সেলর জানিয়েছেন, রাশিয়া এখন শক্তিকে (তেল-গ্যাস-কয়লা) একটা অস্ত্র হিসাবে ব্যবহার করছে। তাদের মোকাবিলায় এই পরিকল্পনা নেওয়া দরকার ছিল।

শলৎস ও বাইডেন দ্বিপাক্ষিক বৈঠকও করেছেন। সেখানে প্রতিরক্ষাবাজেট বাড়ানোর জন্য বাইডেন শলৎসের প্রশংসা করেছেন। বাইডেন বলেছেন, জার্মানি হল আমেরিকার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বন্ধু ও শরিক দেশ। বাইডেন জানিয়েছেন, জি৭ ও ন্যাটো দেশগুলো যেন এক হয়ে রাশিয়ার মোকাবিলা করে।

জি৭ শীর্ষ সম্মেলনের আগে যুক্তরাজ্য ঘোষণা করে, আমেরিকা, জাপান, কানাডা ও যুক্তরাজ্য রাশিয়া থেকে স্বর্ণ আমদানি নিষিদ্ধ করছে। এর ফলে রাশিয়ার উপর আরও চাপ তৈরি করা যাবে বলে যুক্তরাজ্য মনে করছে। এর ফলে পুতিন সরাসরি ধাক্কা খাবেন বলে তারা মনে করছে। আমেরিকা জানিয়েছে, মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে জি৭ বৈঠকে এই নিষেধাজ্ঞার কথা ঘোষণা করা হবে।

জি৭   জার্মানি   যুক্তরাষ্ট্র   রাশিয়া  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

গর্ভপাত নিষিদ্ধের সুপ্রিম কোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আমেরিকাজুড়ে বিক্ষোভ-আন্দোলন

প্রকাশ: ১০:৫৯ এএম, ২৭ Jun, ২০২২


Thumbnail গর্ভপাত নিষিদ্ধের সুপ্রিম কোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আমেরিকাজুড়ে বিক্ষোভ-আন্দোলন

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র গর্ভপাত নিষিদ্ধ করে রায় দিয়েছে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। সম্প্রতি প্রায় ৫০ বছর আগের ‘রো ভার্সেস ওয়েড’খ্যাত মামলার রায় বাতিল করে সমগ্র দেশে গর্ভপাত নিষিদ্ধের এই রায় দিলো কোর্ট। তবে এই রায় ঘোষণার পরপরই দেশটিতে শুরু হয়ে বিক্ষোভ-আন্দোলন যা ক্রমেই আগ্রাসী ধারণ করছে।

শুক্রবার (২৪ জুন) গর্ভপাত বন্ধের এই রায় দেন দেশটির সর্বোচ্চ আদালত।

রায়ের পরেই শুক্রবার রাত থেকেই দেশটির বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছে বিক্ষোভ। তবে অনেক জায়গায় এই রায়ের পক্ষে এবং বিক্ষোভের বিপক্ষেও কিছু মানুষকে অবস্থান করতে দেখা গেছে। অনেকে জায়গায় মানুষ মোমবাতি হাতে নিয়ে নিজেদের বিক্ষোভের কথা জানান দিচ্ছেন। 

গর্ভপাত নিষিদ্ধের রায়ের পর বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠে অ্যারিজোয়ানা। গর্ভপাতের অধিকার রক্ষার দাবিতে শনিবার মূল প্রশাসনিক ভবনের সামনে বিভোক্ষ দেখাচ্ছিলেন এক দল আন্দোলনকারী। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পক্ষ নিয়ে অন্য একটি দলও হাজির হয় সেখানে। পাল্টা প্রতিবাদ জানান তারাও। দু’পক্ষের মধ্যে বচসা বেধে যায়। বিক্ষোভকারীদের কয়েক জন প্রশাসনিক ভবনের কাচের দরজার ঘা দিলে কাঁদানে গ্যাসের গোলা ছুড়তে বাধ্য হয় পুলিশ। সব মিলিয়ে ঘোলাটে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ভবনের ভিতরে তখন প্রশাসনিক বৈঠক চলছিল। নিরাপত্তার খাতিরে সরকারি কর্মকর্তাদের ২০ মিনিটের জন্য মাটির নিচে বাঙ্কারে নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে যেতে হয়।

সুপ্রিম কোর্ট রায় ঘোষণার দিনই এই আইন কড়াভাবে চালু করেছে দেশটির মিসৌরি অঙ্গরাজ্য। ধর্ষণের ফলে অন্তঃসত্ত্বাদের ক্ষেত্রেও ছাড় মিলবে না সেখানে। এরপরই আলাবামা, আরকানস, কেন্টাকি, লুইজিয়ানা, ওকলাহোমা, সাউথ ডাকোটা, উটার মতো আটটি প্রদেশ আইন কার্যকর করেছে। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে অন্তত আরও ছ’টি প্রদেশে গর্ভপাত নিষিদ্ধ হতে চলেছে।

পশ্চিম ভার্জিনিয়ার চার্লসটনে গর্ভপাতের অধিকার ফিরিয়ে দিতে মোমবাতি মিছিল করেন অন্তত ২০০ জন। তাদের একজন কেটি কিনোনিজ। কেটি ওই প্রদেশের নারী স্বাস্থ্য কেন্দ্রের শীর্ষকর্তা। তিনি বললেন, “রায় শোনার পর রাগের চোটে ফোনটা দেওয়ালে ছুড়ে দিয়েছিলাম।”

কেটি জানান, এই রায়ের প্রেক্ষিতে গর্ভপাতের জন্যে স্লট বুকিং করেছিলেন, এমন ৭০ জন অন্তঃসত্ত্বাকে ফোন করে অ্যাপয়েন্টমেন্ট বাতিল করতে হয়েছে। তারা হয় আর গর্ভপাত করতে পারবেন না অথবা যেখানে এখনও তা নিষিদ্ধ হয়নি, তেমন কোথাও যেতে হবে।

তবে মিনেসোটা, মিসিসিপির মতো কয়েকটি প্রদেশে অন্য ছবিও রয়েছে। মিসিসিপির একমাত্র গর্ভপাত কেন্দ্রটি শুক্রবারেও কাজ বন্ধ করেনি। মিনেসোটায় এখনও গর্ভপাত আইনত স্বীকৃত। গর্ভপাত করাতে যারা সেখানে আসতে চান, তাদের আইনি রক্ষাকবচ দিতে একটি বিশেষ নির্দেশ জারি করেছেন গভর্নর টিম ওয়ালজ। তিনি বলেন, “জনন-স্বাস্থ্য সংক্রান্ত স্বাধীনতা রক্ষায় আমরা লড়াই চালিয়ে যাব।”

সুপ্রিম কোর্টের রায়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন আমেরিকান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। আগামী মধ্যবর্তী নির্বাচনে বিষয়টি বিলক্ষণ নজরে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।

গর্ভপাত   আন্দোলন   যুক্তরাষ্ট্র  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

৪০ বছরে ৪৪ সন্তানের মা!

প্রকাশ: ১০:০২ এএম, ২৭ Jun, ২০২২


Thumbnail ৪০ বছরে ৪৪ সন্তানের মা!

মরিয়ম নাবাতানজি। ৪০ বছরের পূর্ব আফ্রিকার দেশ উগান্ডার বাসিন্দা এই নারী এখন সারা বিশ্বে বেশ চর্চিত। কারণ তিনি তার সারা জীবনে জন্ম দিয়েছেন ৪৪টি সন্তানের! ভাবা যায় একাই ৪৪। যার মাঝে তিনি শুধু একবারই একটি সন্তানের জন্ম দিয়েছিলেন আর বাকি প্রতিবারই দুই থেকে চারটি করে বাচ্চার জন্ম দিয়েছেন তিনি। খবর নিউইয়র্ক পোস্ট'র। 

স্বামী তাকে ছেড়ে গেলেও ৪৪ জন সন্তানের দেখা শোনা এখন একাই সামলাচ্ছেন এই নারী। 

প্রতিবেদনে বলা হয়, মরিয়মের বয়স যখন ৩ বছর, তখন তার মা তাকে ফেলে চলে যান। তারপর থেকে দাদির কাছেই মানুষ। ১২ বছর বয়সে বিয়ে হয় মরিয়মের। বছর না ঘুরতেই যমজ সন্তানের জন্ম দেন তিনি। প্রথমবার যমজ সন্তান হওয়ায় মরিয়মসহ পুরো পরিবার অত্যন্ত খুশি হয়েছিল। কিন্তু তারপর টানা চারবার যমজ সন্তানের জন্ম দেন মরিয়ম।

মরিয়ম বুঝতে পারেন, কোথাও একটা সমস্যা হচ্ছে। তার ওপর অভাবের সংসার। সদস্য সংখ্যা ক্রমেই বাড়তে থাকায় অভাব-অনটন যেন আরও গ্রাস করে বসে। সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে মরিয়ম ছুটে যান চিকিৎসকের কাছে। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসক তাকে জানান, তার ডিম্বাশয়ের আকার স্বাভাবিকের তুলনায় বড়। এমনকি তার প্রজনন ক্ষমতাও স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি। পুরো বিষয়টি নিয়ে স্বামীর সঙ্গে আলোচনা করেন মরিয়ম। তখন মরিয়মের কথায় গুরুত্ব দেননি তার স্বামী।

এরপর চারবার একসঙ্গে তিন সন্তান ও পাঁচবার একসঙ্গে চার সন্তানের জন্ম দেন মরিয়ম। সব মিলিয়ে ৪০ বছরের মরিয়ম ৪৪ জন সন্তানের মা হন। তবে এর মধ্যে পাঁচ সন্তান মারা যায়। বর্তমানে ৩৮ ছেলেমেয়ে নিয়ে মরিয়মের সংসার। স্বামী তাকে ছেড়ে গেছে।

এদিকে এতগুলো সন্তান জন্ম দেয়ার বিষয়টিকে স্বাভাবিক হিসেবে দেখছেন না চিকিৎসকরা। তারা বলছেন, বিরল একটি স্বাস্থ্যগত সমস্যায় ভুগছেন মরিয়ম। আর এ কারণেই কোনো ‘পরিবার পরিকল্পনাই’ তার কাজে আসেনি।

উগান্ডা   আফ্রিকা  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

তৈরি পোশাক শিল্পে রপ্তানির নতুন রেকর্ড তৈরি করলো ভিয়েতনাম

প্রকাশ: ০৯:৪২ এএম, ২৭ Jun, ২০২২


Thumbnail তৈরি পোশাক শিল্পে রপ্তানির নতুন রেকর্ড তৈরি করলো ভিয়েতনাম

তৈরি পোশাক শিল্পে ভিয়েতনামের জয় জয়কার যেনো দিন দিন আরো সুসংহত হচ্ছে। দেশটি তৈরি পোশাক রপ্তানিতে প্রতিনিয়তই নিজেদের তৈরি রেকর্ড ভেঙ্গে চলেছে। বিশ্বে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা দেশটি চলতি বছরের প্রথমার্ধেই নিজেদের প্রথম ছয় মাসের রপ্তানি রেকর্ড ভাঙতে চলেছে।

সম্প্রতি ভিয়েতনাম টেক্সটাইল অ্যান্ড অ্যাপারেল অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান ভু ডুক গিয়াং জানান,চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুনের মধ্যে ভিয়েতনামের বস্ত্র ও পোশাক রফতানি ২ হাজার ২০০ কোটি ডলার ছাড়াতে পারে। আর এটি হলে তা হবে ছয় মাসের সময়সীমায় দেশটির ইতিহাসে রেকর্ড সর্বোচ্চ রফতানি। খবর নিক্কেই এশিয়া’র। 

নিক্কেই তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, চীনের সাংহাইয়ের দীর্ঘ লকডাউনে বিভিন্ন উপকরণ সংগ্রহে সমস্যা দেখা দিলেও ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ (ইইউ) বিভিন্ন অঞ্চল ও দেশের সঙ্গে বেশ কয়েকটি বাণিজ্য চুক্তির ফলে ভিয়েতনামের বৈদেশিক বাণিজ্য চাঙ্গা ছিল।

সম্প্রতি দেশটির সাক্ষরিত কমপ্রিহেনসিভ অ্যান্ড প্রোগ্রেসিভ এগ্রিমেন্ট ফর ট্রান্স-প্যাসিফিক পার্টনারশিপে (সিপিএটিপিপি) স্বাক্ষরের ফলেও দেশটির রফতানিতে রেকর্ড প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

ভু ডুক গিয়াং বলেন, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বাণিজ্য চুক্তির ফলে গত পাঁচ বছরে ভিয়েতনামের তৈরি পোশাক শিল্পে আকর্ষণীয় প্রবৃদ্ধি হচ্ছে। কোভিড-১৯ সংক্রমণ হ্রাস, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের বাজারে পোশাকের চাহিদা বৃদ্ধিতে ভিয়েতনামের উৎপাদনমুখী খাত চাঙ্গা হয়েছে। তবে সাম্প্রতিক মূল্যস্ফীতি ও ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসন তাদের জন্য মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলে চলতি বছরের তৃতীয় ও চতুর্থ প্রান্তিকে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপের ক্রয়াদেশ হ্রাসের আশঙ্কা করছেন ভু ডুক গিয়াং। 

ভিয়েতনাম   তৈরি পোশাক   রপ্তানি  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন