ক্লাব ইনসাইড

হিযবুত তাহরীর ও শিবির যেভাবে কাজ করছে বুয়েটে

প্রকাশ: ০৬:০০ পিএম, ০১ এপ্রিল, ২০২৪


Thumbnail

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় দেশের সেরা বিদ্যাপীঠ। সেখানে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ করার জন্য আন্দোলনকারী ছাত্রদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। অন্যদিকে ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে, ছাত্ররাজনীতি বিশ্ববিদ্যালয়ে বন্ধ করা যাবে না। বুয়েটের উপাচার্য বলেছেন, শিক্ষক, শিক্ষার্থীরা চাইলে আবার চালু হতে পারে ছাত্ররাজনীতি। 

আজ বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত বলেছে, বুয়েটে ছাত্ররাজনীতি কোন বাধা নেই। সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠে কেন রাজনীতি থাকবে না সেটি একটি বড় প্রশ্ন বটে। ছাত্ররাজনীতি যারা বন্ধ করতে চাইছে, তারা আসলে কারা? তারা কি আসলে সাধারণ ছাত্রছাত্রী, নিরীহ নাকি তার পিছনে অন্য কোন রাজনৈতিক অভিপ্রায় রয়েছে। 

বাংলা ইনসাইডারের অনুসন্ধানে দেখা যাচ্ছে, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে যারা ছাত্ররাজনীতির বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহণ করেছেন তাদের সঙ্গে জামায়াত এবং হিজবুত তাহরীর গোপন সম্পর্ক রয়েছে। সরেজমিন অনুসন্ধানে দেখা যায়, সামনে নেতৃত্বে রাখা হয়েছে একেবারে সমস্ত ছাত্ররাজনীতির সঙ্গে সম্পর্কহীন নিরীহ মেধাবী শিক্ষার্থীদের। যাদের সাথে কোনো রাজনৈতিক দল এমনকী জামায়াত বা হিযবুত তাহরীরের সম্পর্ক নেই। কিন্তু তাদেরকে নেতৃত্বের সামনে এনেছে কারা? তাদেরকে নেতৃত্বের সামনে এনেছে হিযবুত তাহরীর এবং এবং ছাত্রশিবির। 

ছাত্রশিবির এবং হিজবুত তাহরীরের কর্মীরা, নেতারা এমন সব ছাত্রদেরকে আন্দোলনকারী শক্তি হিসেবে সামনে এনেছে, যারা আসলে ছাত্রদের মাঝে নিরপেক্ষ এবং মেধাবী হিসেবে পরিচিত। সেই সমস্ত শিক্ষার্থীদেরকেই আনা হয়েছে, যাদের আওয়ামী বিরোধী একটি রাজনৈতিক পরিচয়ও রয়েছে। পারিবারিক সূত্রে তারা আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে বিরোধপূর্ণ অবস্থানে রয়েছেন, তাদেরকেই বাছাই করা হয়েছে। 

গত ১০ বছর ধরে হিযবুত তাহরীর প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের নিবিড়ভাবে কাজ করছে বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে। প্রতিটি হলে হিযবুত তাহরীর একাধিক কমিটির খবরও পাওয়া গেছে। এই সমস্ত কমিটি গুলো কাজ করছে মূলত ছাত্ররাজনীতির বিরোধী একটি নেতিবাচক মনোভাব তৈরি করার জন্য। হিযবুত তাহরীর পাশাপাশি ইসলামী ছাত্রশিবিরও হিযবুত তাহরীর ছায়াতলে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে সংগঠন তৈরি করছে। হিজবুত তাহরীর এবং ইসলামি ছাত্রশিবিরের মধ্যে এক ধরনের ঐক্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, যে ঐক্য অনুযায়ী তারা হলগুলোতে আসন ভিত্তিক আসন বণ্টন করেছে। প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি হলে হিযবুত তাহরীর তাদের নিয়মিত লিফলেট বিতরণ করছে। নামাজের দাওয়াত দিচ্ছে এবং প্রতি বৃহস্পতিবার অন্তত চারটি হলে হিযবুত তাহরীর তাদের ইসলামি চিন্তাভাবনা প্রচারের জন্য জলসার মতো বৈঠকের আয়োজন করছে। এই বৈঠকগুলোতে উগ্র ইসলামি চিন্তা ভাবনা শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। 

বিশ্ববিদ্যালয়ের চত্বরে ঘুরে দেখা যায়, প্রতিটি হলে এবং প্রতিটি কক্ষে নামাজ পড়া এবং নামাজের নিয়ম এবং নামাজ না পড়লে কী ধরনের শাস্তি হবে ইত্যাদি নানা রকম বক্তব্য এবং প্রচারণা বা দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি প্রতিটি হলে ছাত্ররাজনীতির অপকর্ম এবং ছাত্ররাজনীতির বিরুদ্ধে নানারকম বক্তব্য বিবৃতি সম্পর্কিত অবস্থান দেয়া হচ্ছে।  

হিযবুত তাহরীর প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে দু ধরনের কাজ করছে। প্রথমত তারা হিযবুত তাহরীরের পক্ষে নীরবে প্রচার প্রচারণা করছন এবং সাধারণ ছাত্রছাত্রীদেরকে তারা বুঝাতে চাচ্ছেন যে, ধর্ম ভিত্তিক ন্যায় সঙ্গত জীবন যাপনই হলো শিক্ষা জীবনের শ্রেষ্ঠ অর্জন। পাশাপাশি তারা ছাত্রলীগ সহ বিভিন্ন সংগঠনের বিরুদ্ধে নেতিবাচক বক্তব্য প্রচার করছে যাতে ছাত্রদের মধ্যে ছাত্ররাজনীতি সম্পর্কে খারাপ ধারণা তৈরি হচ্ছে। সবকিছু মিলিয়ে শিবির এবং হিযবুত তাহরীর সিটি করে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়কে দখল করে ফেলেছে। এখনই তাদের প্রতিরোধ করা না গেলে সামনের দিনগুলোতে বড় ধরনের সঙ্কট তৈরি হবে দেশ সেরা এই বিশ্ববিদ্যালয়ে।

হিযবুত তাহরীর   শিবির   বুয়েট   ছাত্রলীগ  


মন্তব্য করুন


ক্লাব ইনসাইড

রাবিতে স্ব-শরীরেই চলবে ক্লাস-পরীক্ষা

প্রকাশ: ০৪:১৬ পিএম, ২১ এপ্রিল, ২০২৪


Thumbnail

সারাদেশে বয়ে চলেছে তীব্র তাপদাহ। এরইমধ্যে শনিবার (২০ এপ্রিল) থেকে দেশের স্কুল কলেজ সাত দিনের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় অনলাইনে ক্লাস নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। তবে, স্ব-শরীরে ক্লাস চালু রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তপক্ষ।

 

রবিবার (২১ এপ্রিল) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক প্রণব কুমার পাণ্ডে এ তথ্য জানান। 

 

তিনি বলেন, ‘সারাদেশে চলমান হিটওয়েভের কারনে গতকাল থেকে দেশের স্কুল কলেজ আগামী ১ সপ্তাহ বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। সেই ঘোষণার পর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সকলের মধ্যে একটি উৎকণ্ঠা তৈরি হয়। আজ রবিবার মাননীয় উপাচার্যের নেতৃত্বে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সিদ্ধান্ত হয় আগামী ৩০ তারিখ পর্যন্ত ক্লাস পরীক্ষা যথারীতি চলবে।’


এদিকে রবিবার (২১ এপ্রিল) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় চলমান তাপদাহের কারনে অনলাইনে ক্লাস নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। ওই দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে প্রকাশিত পৃথক দুটি বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা যায়।


তীব্র তাপদাহ   রাবি   স্কুল কলেজ বন্ধ ঘোষণা   হিটওয়েভে  


মন্তব্য করুন


ক্লাব ইনসাইড

তীব্র গরমে ঢাবিতে অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত, চলবে পরীক্ষা

প্রকাশ: ০২:১৬ পিএম, ২১ এপ্রিল, ২০২৪


Thumbnail

দেশজুড়ে চলমান তীব্র তাপদাহের কারণে আগামী ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত মাধ্যমিক পর্যায়ের বিদ্যালয়, কলেজ ও মাদ্রাসায় ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। এবার তীব্র তাপদাহের কারণে ঢাবিতেও অনির্দিষ্টকালের জন্য অনলাইন ক্লাসের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

রবিবার (২১ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দফতরের পরিচালক মাহমুদ আলম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সারাদেশের উপর দিয়ে প্রবহমান তীব্র তাপদাহ (হিট ওয়েভ)-এর কারণে স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনলাইন ক্লাস অনুষ্ঠিত হবে। তবে পরীক্ষাসমূহ যথারীতি চলমান থাকবে। উল্লেখ্য, বর্তমানে প্রচলিত ১০% অনলাইন ক্লাসের পরিবর্তে শতভাগ অনলাইন ক্লাস অনুষ্ঠিত হবে।

এছাড়াও বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষার্থীদের হল অথবা বাসার বাইরে আসতে চাইলে স্বাস্থ্য ঝুঁকি এড়াতে কিছু পরামর্শও দেওয়া হয়।

পরামর্শগুলো হলো, সাদা বা হালকা রঙের ঢিলেঢালা সুতির পোশাক পরিধান করা, যথাসম্ভব ছায়াযুক্ত স্থানে থাকা, বাইরে যেতে হলে মাথার জন্য চওড়া কিনারাযুক্ত টুপি, ক্যাপ বা ছাতা ব্যবহার করা, বিশুদ্ধ পানি পান করা, প্রয়োজনে লবনযুক্ত তরল যেমন- খাবার স্যালাইন ইত্যাদি পান করা, তাপমাত্রা বৃদ্ধিকারী পানীয় যেমন- চা কফি পান থেকে বিরত থাকা।

প্রসঙ্গত, শনিবার (২০ এপ্রিল) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, আগামী ৭ দিন সারা দেশে প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ থাকবে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চলমান তাপদাহে শিশু শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য ও সুরক্ষা বিবেচনায় আগামী ২১ থেকে ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শিশু কল্যাণ ট্রাস্টের বিদ্যালয় ও উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর লার্নিং সেন্টারগুলো বন্ধ থাকবে। এর আগে, সকালে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শুধু অ্যাসেম্বলি বন্ধ রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল।

এছাড়া, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চলমান তাপদাহ ও আবহাওয়া দপ্তরের সতর্কতা জারির পরিপ্রেক্ষিতে আগামী ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের সব স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।


অনলাইন ক্লাস   পরীক্ষা   তাপদাহ  


মন্তব্য করুন


ক্লাব ইনসাইড

তীব্র গরমে জবিতে চলবে অনলাইন ক্লাস, বন্ধ পরীক্ষা

প্রকাশ: ০১:১৩ পিএম, ২১ এপ্রিল, ২০২৪


Thumbnail

সূর্যের প্রখর তাপ ও তীব্র গরমে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে শিক্ষার্থীসহ সারা দেশের মানুষ। চলমান দাবদাহে শনিবার ( ২০ এপ্রিল ) শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (প্রাথমিক, মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং সরকারি-বেসরকারি কলেজ, মাদরাসা, কারিগরি) আর ৭ দিন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। তবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিয়ে দেয়া হয়নি কোনো নির্দেশনা।

তবে, আজ রোববার (২১ এপ্রিল) তীব্র গরমে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস-পরীক্ষা চলবে কিনা সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত এসেছে। যেখানে আগামী বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) পর্যন্ত অনলাইনে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এ সময়ের মধ্যে পূর্বনির্ধারিত সকল ধরনের পরীক্ষা না নেয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়েছে। এসব পরীক্ষার সময় পুননির্ধারণ করা হবে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, আপাতত চলতি সপ্তাহের জন্য আমরা এ সিদ্ধান্ত নিয়েছি। গরমের তীব্রতার উপর নির্ভর করে আগামী সপ্তাহে আবারও মিটিং করা হবে। সেখানে পরবর্তী সপ্তাহে বিশ্ববিদ্যালয়ে সশরীরে ক্লাস-পরীক্ষা হবে কিনা অথবা হলেও কীভাবে নেয়া হবে সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসবে।


জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়   তীব্র গরম   অনলাইন ক্লাস   বন্ধ পরীক্ষা  


মন্তব্য করুন


ক্লাব ইনসাইড

ইবির বঙ্গবন্ধু হলের দায়িত্ব নিলেন নতুন প্রভোস্ট


Thumbnail ইবি বঙ্গবন্ধু হলের দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব গ্রহণ করছেন নতুন প্রভোষ্ট

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হলের নতুন প্রভোস্ট হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্বগ্রহণ করেছেন ফলিত পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক ড. শফিকুল ইসলাম।

শনিবার (২০ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১২ টায় দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে গত ৩০ মার্চ এক বছরের জন্য ড. শফিকুল ইসলামকে প্রভোস্ট হিসেবে নিয়োগ দেয় কর্তৃপক্ষ।

দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠানে হলটির সদ্য সাবেক প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মাহবুবুল আরফিনের সভাপতিত্বে অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দীন, সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর হোসেন, শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন। এছাড়াও জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. রেজওয়ানুল ইসলাম, প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহাদাৎ হোসেন আজাদ, ছাত্র-উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. বাকি বিল্লাহ বিকুল, প্রভোস্ট কাউন্সিলের সভাপতি অধ্যাপক ড. আসাদুজ্জামান ও শেখ রাসেল হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. দেবাশীষ শর্মাসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

নতুন প্রভোস্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর ড. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমি এই হলে ৭ বছর থেকেছি। আর এই ৭ বছরে একবেলাও ডায়নিংয়ের বাইরে খাইনি। যেহেতু হলে ছিলাম তাই এই বিষয়ে অনেক কিছু জানাও আছে। প্রায় ২৫ বছর পরে একই হলে প্রভোস্ট হিসেবে ছাত্রদের জন্য কাজ করার সুযোগ পেলাম। আমি এই হলের ছাত্রদের স্বপ্ন দেখাতে চাই। তাদের সুখ-দুঃখে পাশে থাকতে চাই। ‘


ইবি   বঙ্গবন্ধু হল   নতুন প্রভোস্ট  


মন্তব্য করুন


ক্লাব ইনসাইড

জবিতে বিতর্কিত রেজিস্ট্রারকে নিয়ে শিক্ষকদের পাল্টাপাল্টি বিজ্ঞপ্তি


Thumbnail

বিতর্কিত শিক্ষককে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার নিয়োগ শিরোনামে অধ্যাপক ড. আইনুল ইসলামের বিরুদ্ধে জাতীয় দৈনিকে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর শিক্ষক সমিতিতে তার পক্ষের ও বিপক্ষের  শিক্ষক নেতারা পাল্টাপাল্টি প্রতিবাদলিপি দিয়েছে।

বুধবার বিতর্কিত শিক্ষক আইনুল ইসলামের পক্ষের শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মোঃ জাকির হোসেন ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. মো. মহসীন রেজা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অধ্যাপক ড. মোঃ আইনুল ইসলাম এর নামে প্রকাশিত একটি খবর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির দৃষ্টিগোচর হয়েছে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি প্রকাশিত খবরটির নিন্দা জানাচ্ছে এবং এই ধরনের মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন খবর প্রকাশের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছে।

শিক্ষক সমিতির সহ-সভাপতি অধ্যাপক ড. মোঃ মমিন উদ্দীন ও সাধারণ সম্পাদক ড. শেখ মাশরিক হাসান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো: আইনুল ইসলামকে নিয়ে গত ১৬ এপ্রিল দৈনিক জনকণ্ঠে প্রকাশিত খবরের প্রেক্ষিতে অদ্য ১৭ এপ্রিল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির নামে প্রচারিত প্রতিবাদপত্রের সাথে শিক্ষক সমিতির সকল সদস্য একমত নন এবং প্রতিবাদপত্রের সাথে আমরা সংশ্লিষ্ট নই।

উল্লেখ্য, অধ্যাপক ড. আইনুল ইসলামকে যৌন কেলেঙ্কারির ঘটনায় নিয়ম ভঙ্গ করায় ২০১১ সালের ১৫ মার্চ ময়মনসিংহের ত্রিশালে অবস্থিত জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষের পদ থেকে অপসারণ করা হয়। বিভিন্ন ঘটনায় বিতর্কিত এ শিক্ষককে এ বছরের ১২ মার্চ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রারের দায়িত্ব দিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন