কালার ইনসাইড

পপিকে বিয়ে করতে চেয়েছিলেন নায়ক জসিমের ছেলে রাহুল

প্রকাশ: ০২:১২ পিএম, ২৭ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail পপিকে বিয়ে করতে চেয়েছিলেন নায়ক জসিমের ছেলে রাহুল

১৯৭২ সালে দেবর চলচ্চিত্রের মধ্য দিয়ে চলচ্চিত্রে পা রাখেন জনপ্রিয় অ্যাকশন হিরো জসিম। পরে দেওয়ান নজরুলের দোস্ত দুশমন চলচ্চিত্রে খলনায়ক হিসেবে অভিনয় করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান।এরপর সবুজ সাথী চলচ্চিত্রের মধ্য দিয়ে নায়ক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন জসিম। অল্প কয়েকটি সিনেমায় অভিনয় করেই অ্যাকশন হিরো হিসেবে প্রতিষ্ঠা পান। দর্শকমহলে তুমুল জনপ্রিয় থাকাকালীন ১৯৯৮ সালে মস্তিস্কে রক্তক্ষরণজনিত কারণে তার মৃত্যু হয়।

নন্দিত অভিনেতাকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করলেন ছোট ছেলে এ কে রাহুল। তিনি জানান, বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অ্যাকশন হিরো জসিমকে জীবদ্দশায় অনেকেই ভয় পেতেনজ্যেষ্ঠ অভিনয়শিল্পী হিসেবে তার সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে অনেক অভিনয়শিল্পীর মধ্যে নার্ভাসনেস কাজ করত; ফলে অনেকেই ভয় পেতেন।

ছোটবেলায় বাবার হাত ধরে তার শুটিং সেটে যেতেন রাহুল। সেই স্মৃতি নিয়ে বাবার সম্পর্কে রাহুল বলেন, বাবা সব কাজ খুব সিরিয়াসলি নিতেন। অ্যাকশন দৃশ্যগুলো বাস্তবিকভাবে ফুটে তুলতে চাইতেন। একটা ঘুষি মারতে হলেও ব্যাপারটা রিয়েলস্টিকভাবে তুলে আনার চেষ্টা করতেন। তার ধারণাও ছিল, জোরে মারতে হবে, বেশি ফেইক করা যাবে না। ফলে সবাই খুব ভয়ে থাকতেন।

রাহুল আরও বলেন, বাবার সাথে আসলে আমার তেমন বেশী স্মৃতি নেই। কারণ আমি তখন অনেক ছোট ছিলাম। তবে আমার এখনও মনে পরে বাবা বাসায় আস্লেই তার গাড়ির হর্ণ শুনেই আমি বাবার কাপড় নিয়ে এক্সেতাম দোউর দিয়ে। বাবা বাসায় লুকগি পড়তেন।

পপিকে বিয়ে করার ইচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, আমাদের বাসায় অনেক অভিন্তা-অভিনেত্রী আস্তেন। যেমন, শাবানা আন্টি, রোজিনা আন্টি, মিশা আংকেল, শাকিব আংকেল, পপি আন্টি সহ অনেকেই। পপি আন্টি আসলেই আমি বলতাম তাকে বিয়ে করবো আমি।

জমিসের তিন ছেলেরই সিনেমায় নয় সঙ্গীতে আগ্রহ। তাই ব্যান্ডদল গঠন তাদের। জাসিমপূত্র সামী মিউজিশিয়ান হওয়ার গল্পও  বললেন। কেনো গানের প্রতি আগ্রহ সে কথা জানিয়ে বললেন, গান শুনতে শুনতেই এক সময় নিজেদের বন্ধুবান্ধব মিলে একটি ব্যান্ড দল গড়ার চিন্তা মাথায় আসে। তিনি জানান, ৫ জন সদস্য নিয়ে ২০০৭ সালে ব্যান্ডদল ওন্ড তৈরি হলেও ২০১১ সাল থেকে নতুনভাবে ৪ সদস্য নিয়ে যাত্রা শুরু করে দলটি। ওন্ড ব্যান্ডের প্রথম অ্যালবাম ওয়ান প্রকাশ হয়েছিল ২০১৪ সালে। দ্বিতীয় অ্যালবাম টু প্রকাশ হয়েছিল ২০১৭ সালের আগস্ট মাসে৷

তাদের রক মেটাল ব্যান্ডদলের নাম ওন্ড’ (Owned) জসিমের জৈষ্ঠপুত্র সামী (ড্রামার) ও মেঝছেলে রাতুল (ভোকালিস্ট, বেজ) এবং আরও দুজন গিটারিস্ট মিলে মোট ৪ জনে গড়েছেন এই দলটি। যার নেতৃত্বে আছেন সামী।

 



মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

সিনে স্টার ফোরাম'র সাধারন সম্পাদক নায়িকা মৌসুমী

প্রকাশ: ০৬:০৫ পিএম, ০৩ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

চলচ্চিত্রের তারকা শিল্পী-কুশলীদের নিয়ে  সংগঠন 'বাংলাদেশ সিনে স্টার ফোরাম'। শনিবার (৩ ডিসেম্বর) সকাল দশটায় এফডিসির জহির রায়হান প্রজেকশন হলে সংগঠনটির ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। ফোরামের সভাপতি বিশিষ্ট চলচ্চিত্রকার শফি বিক্রমপুরী এবং ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক চলচ্চিত্র পরিচালক কাজী হায়াৎ। 

অনুষ্ঠানে নতুন করে সাধারন সম্পাদক হিসেবে চিত্রনায়িকা মৌসুমীর নাম ঘোষণা করেন সংঘঠনটির সাবেক সাধারন সম্পাদক ইলিয়াস কাঞ্চন। ফোরামের ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এফডিসির জহির রায়হান প্রজেকশন হলে সকাল দশটায় এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। এতে সভাপতিত্ব করে সংগঠনের সভাপতি বিশিষ্ট চলচ্চিত্র ব্যাক্তিত্ব শফি বিক্রমপুরী। অনুষ্ঠান পরিচালনা করবেন সিনেস্টার ফোরামের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক কাজী হায়াৎ। এসময় উপস্থিত ছিলেন চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি,সাধারন সম্পাদক,পরিচালক সমিতির সাধারন সম্পাদকসহ চলচ্চিত্র অঙ্গনের ব্যক্তিবর্গ। প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে সিনেস্টার ফোরাম একটি স্মরণিকা প্রকাশ করেছে। এতে সংগঠনের সার্বিক কর্যক্রমসহ নানা বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। এ ছাড়া তাদের কার্যক্রমের একটি ফটো অ্যালবামও এ স্মরণিকায় রয়েছে।

ফোরামের সভাপতি বিশিষ্ট চলচ্চিকার শফি বিক্রমপুরী জানান, গত ২০১৬ সালের ২৩শে জানুয়ারি মরহুম নায়করাজ রাজ্জাকের ৭৫তম জন্মদিনের অনুষ্ঠানে চলচ্চিত্রের অতীত ও বর্তমান বিষয় নিয়ে আলোচনার একপর্যায়ে চলচ্চিত্রকার শফি বিক্রমপুরী একটি সংগঠন করার প্রস্তাব করেন । তার প্রস্তাবের ফলেই গঠিত হয়েছে 'সিনে স্টার ফোরাম'। শফি বিক্রমপুরী আরো জানান, ১৯৫৬ সাল থেকে ১৯৮০ সাল পর্যন্ত চলচ্চিত্রের প্রথম ২৫ বছরে যে সকল পরিচালক, প্রযোজক, সংগীত পরিচালকসহ নানান শাখায় শিল্পী-কলাকুশলীরা বেঁচে আছেন তাদের নিয়েই এই সংগঠন করার উদ্দেশ্য ছিল। এরই মধ্যে আমরা নায়করাজ রাজ্জাক, গায়ক আবদুল জব্বার, গায়িকা শাম্মী আখতার, অভিনেতা সিরাজ হায়দারসহ অনেককে হারিয়ে ফেলেছি। 

নতুন সাধারন সম্পাদক দায়ীত্বপ্রাপ্ত চিত্রনায়িকা মৌসুমী বলেন, এই ফোরামের কার্যক্রম অনেক আগে থেকেই দেখেছি। আমার অনেক ভালো লেগেছে। আমি এবার এই ফোরামের সদস্য পদ পেয়েছি ,ওমর সানীও এবার সদস্য হয়েছে এই ফোরামে। আমি সত্যিই কৃতজ্ঞ এই বরেণ্য মানুষদের সাথে থাকতে পেরে। প্রথমেই একটা কথা বলতে চাই এই ফোরাম থেকে অনুপ্রাণিত হওয়া বা না হওয়া খুব বেশি জরুরী তানা। কিন্তু এই ফোরামের সাথে যুক্ত হওয়াটা খুব বেশি জরুরী সেটা আমার কাছে মনে হয়েছে। প্রত্যেকটা স্বপ্ন একটা মানুষ দেখে যখন সাথে সাথে সফল হয়ে যায় না। এই ফোরামের যা স্বপ্ন রয়েছে আমরা সবাই যখন যুক্ত হব কেউ না কেউ সফলতা একদিন আনবেই ইনশআল্লাহ । এটা আমার বিশ্বাস। আমরাতো শিল্পী মানুষ আমরা জানি স্বপ্ন গুলো সবসময় সুপ্ত থাকে না কখনো কখনো জেগে উঠে সেটা সফল হয়েই ছাড়ে। এই ফোরামের আর একটা সুন্দর বিষয় হচ্ছে এখানে শুধু সিনিয়রদের আড্ডাবাজীর একটা জায়গা শুধু তা না, এখানে সুন্দর বাণিজ্যের একটা ব্যাপার রয়েছে। আমি শুনছিলাম আমার খুব ভালো লেগেছে। এখানে সফল ব্যবসায়ীরা আছেন, তারা সফলতার সাক্ষর রেখেছেন স্ব স্ব জায়গা থেকে । সেসব মানুষদের সান্নিধ্যে আসতে পেরে খুব ভালো লেগেছে। আমরা যারা চলচ্চিত্র শিল্পী কলাকুশলীরা আছি আমরা আমাদের কাজের মধ্য দিয়েই এই ফোরামের সাথে থেকে এই মানুষগুলোর পাশে থেকে তাদের সাহায্য সহযোগিতা নিয়ে এগিয়ে যেতে পারব এটাই অনেক বড় ব্যাপার।আমাদের শিল্পী সমিতি এটা শুধুই চ্যারিটি এখানে আমাদের বিশেষ কিছু করার নেই। বিশেষ কিছু করতে গেলেও পা ধরে টেনে নিয়ে যাবে এটাই স্বাভাবিক। আমার ছোট বোন নিপুন কাজ করছে বর্তমানে সে ভালো বলতে পারবে। এখানে কাজ করতে কতটা দখল নিতে হচ্ছে এবং কতটা কঠিন।  তারপরও আমাদের করতে হবে। কারন আমরা শিল্পী। এখান থেকেই আমাদের শুরু । এখানে যারা কাজ করছেন তাদের সকলের ভালোবাসা নিয়েই আজকে আমরা এখানে এসেছি। চলচ্চিত্র থেকে অনেক কিছু পেয়েছি। তাই এখানে কিছু করা আমাদের দায়ীত্ব। যেমন ছোট বেলায় বাবা মা আমাদের লালন পালন করতেন এখন আমরা বাবা মাদের লালন পালন করব এটাই হওয়া উচিত। চলচ্চিত্রে যাদের হাত ধরে আমরা এসেছি প্রত্যেকটা মানুষদের এখানে দেখতে পাচ্ছি। আমার খুব ভালো লাগছে। 

অনুষ্ঠানে সংগঠনের সভাপতি শফী বিক্রমপুরী, ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক কাজী হায়াৎ,সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস কাঞ্চন, চিত্রনায়িকা মৌসুমী ছাড়াও আরও উপস্থিত ছিলেন দেলোয়ার ঝাহান ঝন্টু,নাদের খান, খুরশিদ আলম,অনুপম হায়াৎ, সুচন্দা,অঞ্জনা, রিনা খান, ডিপজল, ওমর সানী, বাপ্পা রাজ, শাহিন সুমন, আনোয়ার সিরাজী,নিপুন, সায়মন সাদিক সহ চলচ্চিত্র অঙ্গনের ব্যাক্তিবর্গ।
]

নায়িকা   মৌসুমী   সিনে স্টার ফোরাম  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

প্রয়াত হলেও ফের টিভি পর্দায় নিয়মিত দেখা যাবে ঐন্দ্রিলাকে

প্রকাশ: ০৫:২৩ পিএম, ০৩ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

পশ্চিমবঙ্গের টেলিভিশন অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলা শর্মা আজ ১৩ দিন হলো পাড়ি দিয়েছেন না ফেরার দেশে। মাত্র ২৪ বছর বয়সি এই অভিনেত্রীর মৃত্যুর শোক আজও ভুলতে পারছে না ভক্তরা। 

ঐন্দ্রিলা দ্বিতীয়বার ক্যানসার জয় করার পর তাকে আবারও ছোটপর্দায় দেখতে মুখিয়ে ছিল তার ভক্তরা। একটু একটু করে কাজের জগতে ফিরছিলেন অভিনেত্রী। ‘ভাগাড়’ ওয়েব সিরিজে অভিনয় করেন, কালার্স বাংলার মহালয়া-তে হাজির হোন তিনি। এইসবের মাঝে হঠাৎ পাল্টে গেল সবকিছু। গত ১ নভেম্বর ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার বিশ দিন পর প্রয়াত হলেন ঐন্দ্রিলা।

কিন্তু কথায় আছে শিল্পীর মৃত্যু হয় না। নিজেদের কাজের মধ্যে দিয়েই বেঁচে থাকেন। মাত্র কয়েক বছরের অভিনয় জীবনে বাংলা টেলিভিশনে কিছু না-ভোলবার মতো কাজ উপহার দিয়েছিলেন ঐন্দ্রিলা।

হিন্দুস্তান টাইমসের খবরে বলা হয়েছে, ঐন্দ্রিলাকে শ্রদ্ধা জানিয়ে সান বাংলায় আবারও সম্প্রচারিত হতে যাচ্ছে ‘জিয়ন কাঠি’। এই সিরিয়ালে জাহ্নবীর চরিত্রে দেখা গিয়েছিল ঐন্দ্রিলাকে। দ্বিতীয়বার ক্যানসার আক্রান্ত হওয়ার পর নিজের অসুস্থতা সত্ত্বেও এই ধারাবাহিকের শুটিং করেছিলেন তিনি। তার অভিনীত শেষ সিরিয়াল এটি। 

শুক্রবার (২ ডিসেম্বর) সান বাংলা কর্তৃপক্ষ সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে ‘জিয়ন কাঠি’র কিছু অবিস্মরণীয় মুহূর্তের কোলাজ তুলে ধরে জানানো হয়, “ঐন্দ্রিলা আমাদের মধ্যেই আছে, আমাদের মন-প্রাণ জুড়ে, জাহ্নবীর রূপে। চলুন আরেকবার দেখি জাহ্নবীর গল্প ‘জিয়নকাঠি’, ৫ ডিসেম্বর সোমবার থেকে বিকেল ৫.৩০টায়।”

অর্থাৎ আগামী সোমবার থেকেই সান বাংলার পর্দায় আবারো দেখা যাবে ‘জিয়ন কাঠি’। চ্যানেলের এই সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছেন ঐন্দ্রিলার ভক্তরা। ‘জিয়ন কাঠি’র পরশেই টেলিভিশনের পর্দায় ফের ‘জীবন্ত’ হবেন প্রয়াত অভিনেত্রী।

দুইবার ক্যানসার জয় করা ঐন্দ্রিলা গত ১ নভেম্বর হঠাৎ ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হোন। এরপর কোমায় চলে যান অভিনেত্রী। গত ২০ নভেম্বর দুপুরে মাত্র ২৪ বছর বয়সে মৃত্যু হয় ঐন্দ্রিলা শর্মার।

অভিনেত্রী   ঐন্দ্রিলা শর্মা  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

এককোটি দর্শকের ভালোবাসা পেলো আলমের 'বেশরম'

প্রকাশ: ০৫:০০ পিএম, ০৩ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

সময়ের ব্যস্ততম নাট্যনির্মাতা জিয়াউদ্দিন আলম। একের পর এক নাটক নির্মাণ করে দর্শক হৃদয়ে পাকাপোক্ত অবস্থান তৈরি করে নিচ্ছেন তিনি। তাঁর নির্মিত নাটকগুলো ইউটিউবে প্রকাশ করতে না করতেই পাচ্ছেন মিলিয়ন মিলিয়ন ভিউ। এমনকি মন্তব্যের ঘরে জমা হচ্ছে দর্শকদের অকৃত্রিম ভালোবাসার প্রকাশ।

সম্প্রতি জিয়াউদ্দিন আলমের নির্মিত 'বেশরম' নামের নাটকটি এক কোটি (১০ মিলিয়ন) ভিউ পার করেছে। এই অর্জনে জিয়াউদ্দিন আলম 'বেশরম' নাটকের দর্শক ও নাটকটি নির্মাণের সাথে জড়িত সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

আলম বলেন, আমি সর্বশক্তিমান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি যে তিনি আমাকে এই সাফল্য দিয়েছেন এবং আমার দর্শকদের বিনোদন দেওয়ার সুযোগ দিয়েছেন। আমার সমস্ত দর্শক এবং নাটকটির নির্মাণ সহ সার্বিক কাজে আমাকে যারা সহযোগিতা করেছেন, প্রত্যেককে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।

লেজার ভিশন এর ব্যানারে নির্মিত  'বেশরম' নাটকটির চিত্রগ্রহন করেছেন নাহিয়ান বেলাল, সম্পাদনা করেছেন হাবিবুর রহমান।

এতে অভিনয় করেছেন নিলয় আলমগীর, হিমি, সাবেরী আলম, রকি খান, শাহবাজ সানী, বাসরী অনন্যা সহ আরো অনেকে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি জিয়াউদ্দিন আলমের নির্মিত প্রায় সবগুলো নাটকই ইউটিউব ট্রেন্ডিং-এ রয়েছে। তারমধ্যে উল্লেখযোগ্য-জামাই VS শাশুড়ি, ক্যাচাল জামাই, তাফালিং, ভেজা বিড়াল, ডেয়ারিং বউ, ক্রেজি লাভার, মফিজের সুন্দরী বউ, সেকেন্ড ম্যারেজ ইত্যাদি।

জিয়াউদ্দিন আলম  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

‘কারাগার টু’ নিয়ে বিরক্ত চঞ্চল

প্রকাশ: ০৪:৫১ পিএম, ০৩ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

চঞ্চল চৌধুরী অভিনীত জনপ্রিয় ওয়েব সিরিজ ‘কারাগার টু’ মুক্তি দেওয়ার কথা ছিল বৃহস্পতিবার (১৫ ডিসেম্বর)। নভেম্বরের শুরুতে এমনটাই জানিয়েছিল নির্মাতা সৈয়দ আহমেদ শাওকী। কিন্তু হঠাৎ পিছিয়ে গেছে ছবি মুক্তির তারিখ। এতে ব্যাপক বিরক্তি প্রকাশ করেছেন চঞ্চল।

মুক্তির তারিখ পিছিয়ে যাওয়াটা একেবারেই মেনে নিতে পারেননি ‘হাওয়া’ খ্যাত অভিনেতা। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিরক্তি প্রকাশ করে তিনি লিখেছেন, ‘কারাগার-২’ সিনেমার মুক্তির তারিখ এক সপ্তাহ পেছানোয় আমারও মেজাজ অনেক খারাপ হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২২ ডিসেম্বর) মুক্তি পাবে সিরিজটির দ্বিতীয় কিস্তি ‘কারাগার টু’। বিষয়টি নিশ্চিত করে তিনি আরও লিখেছেন, মূলত বিশ্বকাপ ফুটবলের কারণেই তারিখ পেছানো হয়েছে। ২২ ডিসেম্বর শুধু হইচইতে মুক্তি পাবে সিরিজটি।

সিরিজটিতে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন চঞ্চল চৌধুরী। তাকে একজন বন্দির চরিত্রে দেখা গেছে ওয়েবটিতে। সিরিজটির প্রথম কিস্তিতে দেখা যায়, কারাগারে ২৫০ বছর ধরে বন্দি রয়েছেন চঞ্চল। পর্দায় তাকে মীরজাফরের খুনি বলে দাবি করেন অভিনেতা।

প্রসঙ্গত, চঞ্চল ছাড়াও ওয়েব সিরিজে আরও অভিনয় করেছেন বিজরী বরকতুল্লাহ, ফারিণ, আফজাল হোসেন, ইন্তেখাব দিনার, নাঈম প্রমুখ।


চঞ্চল চৌধুরী   কারগার ২  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

বিতর্কের মুখে পড়ে ক্ষ্মা চাইলেন অভিনেতা-রাজনীতিবিদ পরেশ রাওয়াল

প্রকাশ: ০৪:৪২ পিএম, ০৩ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

বাঙালির খাদ্যাভ্যাস নিয়ে মন্তব্য করে বিতর্কের মুখে পড়েছেন বলিউড অভিনেতা-রাজনীতিবিদ পরেশ রাওয়াল। গুজরাটের বিধানসভা নির্বাচন উপলক্ষে কয়েক দিন আগে বিজেপির হয়ে ভালসাদে গিয়েছিলেন পরেশ। সেখানে এ বিষয়ে মন্তব্য করেন ‘হেরা ফেরি’খ্যাত এই অভিনেতা।

গুজরাটের স্থানীয় সংবাদমাধ্যম দেশ গুজরাটের টুইটারে পরেশের বক্তব্যের ভিডিও পোস্ট করা হয়েছে। তাতে তাকে বলতে শোনা যায়, গ্যাস সিলিন্ডারের দাম বাড়লে তা আবারো সস্তা হয়ে যাবে, যদি মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধি পায়, তাহলে তা কমে যাবে। মানুষ চাকরিও পাবে। কিন্তু রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশিরা যদি আপনার আশেপাশে থাকতে শুরু করেন, তাহলে? কখনো কখনো গুজরাটের মানুষ মুদ্রাস্ফীতির জ্বালা সহ্য করতে পারেন। কিন্তু এটা সহ্য করতে পারেন না। যেভাবে রোহিঙ্গারা কুরুচিকর ভাষা ব্যবহার করে, তাতে ওদের মধ্যে একজন ব্যক্তির মুখে ডায়াপার পরা উচিত।’

তারপর বাঙালিদের খাদ্যাভ্যাস নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেন আমদাবাদ পূর্বের প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ। পরেশ রাওয়াল বলেন, গ্যাস সিলিন্ডার নিয়ে কী করবেন? প্রথমে বাঙালিদের (রোহিঙ্গা) জন্য মাছ ভাজবেন?’ এ মন্তব্যের জেরে পরেশকে আক্রমণ করেছেন বাংলা পক্ষের নেতা কৌশিক মাইতি। তিনি বলেন, ‘শিল্প ও শিল্পীর নাকি ভাষা হয় না। কিন্তু ওদের এত বাঙালি বিদ্বেষ কেন? বাঙালিকে দেশজুড়ে টার্গেট করছে বিজেপি?

এরপর খেপেছেন নেটিজেনদের একাংশ। যদিও এই মন্তব্য আম আদমি পার্টির নেতা অরবিন্দ কেজরওয়ালের উদ্দেশ্যে করেছিলেন পরেশ। কিন্তু তা বাঙালিদের গায়ে লেগে যায়। নেটদুনিয়ায় নিন্দার ঝড় ওঠে। অনেকের মতে, এই মন্তব্য করে বাঙালিদের অপমান করেছেন।’ আবার কেউ কেউ বলছেন, ‘বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গাদের প্রতি বিদ্বেষমূলক মন্তব্য করেছেন পরেশ।

জনরোষে পড়ে এই মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চেয়ে টুইট করেছেন পরেশ। এক টুইটে তিনি বলেন, মাছ নিয়ে আলাদা করে বলা ঠিক হয়নি। গুজরাটের মানুষও মাছ খান। বাঙালি বলতে আমি কী বুঝিয়েছি, সেটা স্পষ্ট করি এবার। আমি শুধু বেআইনিভাবে গেঁড়ে বসা বাংলাদেশি এবং রোহিঙ্গাদের কথাই বলতে চেয়েছি। কারো অনুভূতিতে আঘাত দেওয়া আমার উদ্দেশ্য ছিল না। এজন্য আমি ক্ষমা চাচ্ছি।

বলিউড   অভিনেতা   রাজনীতিবিদ   পরেশ রাওয়াল  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন