কালার ইনসাইড

২০ কোটি টাকা ঘুষের বিনিময়ে বলিউডে সুযোগ পেয়েছিলেন রণবীর

প্রকাশ: ০১:২৩ পিএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail ২০ কোটি টাকা ঘুষের বিনিময়ে বলিউডে সুযোগ পেয়েছিলেন রণবীর

টাকার বিনিময়ে বলিউডে কাজের সুযোগ পেয়েছিলেন সুপারস্টার রনবীর সিং। আর এমনি এক বিতর্কিত মন্তব্য করে আবারো আলোচনায় এসেছেন স্বঘোষিত ছবি সমালোচক কমল আর খান। তিনি এ কাজের পিছনে যশরাজ ফিল্মসের দিকে আঙ্গুল তুলেন।

২০১০ সালে ‘ব্যান্ড বাজা বারাত’ ছবির মাধ্যমে বলিউডে আত্মপ্রকাশ করেছিলেন রনবীর। তিনি জোর গলায় দাবি করেন, আদিত্য চোপড়া রণবীরকে বলিউডে নিয়ে আসেননি। সেই ছবিতে অভিনয়ের জন্য অভিনেতার বাবার কাছ থেকে ২০ কোটি টাকা নেয় যশরাজ ফিল্মস।

‘বান্টি অউর বাবলি ২’ ছবির সমালোচনা করতে গিয়ে আচমকাই রণবীরের প্রসঙ্গ তোলেন তিনি।

হাসিখুশি, প্রাণোচ্ছ্বল বিট্টু শর্মার চরিত্র করে পেয়েছিলেন ভূয়সী প্রশংসাও। কিন্তু কেআরকে-র মতে, নিজের প্রতিভার জন্য নয়, অঢেল অর্থের জোরেই বলিউডে নিজের জায়গা তৈরি করেছিলেন পর্দার ‘খিলজি’।

তবে এই প্রথম নয়, অতীতেও বলিউডের নানা তারকাকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন কমল। এমনকি সালমনের সঙ্গেও বিতণ্ডায় জড়িয়েছিলেন। মাস কয়েক আগে সালমনের ‘রাধে: ইয়োর মোস্ট ওয়ান্টেড ভাই’ ছবি নিয়ে একটি ভিডিয়ো করেছিলেন কমল। কিন্তু ছবির প্রসঙ্গ ছাড়াও কোভিড পরিস্থিতিতে সালমনের ভূমিকা নিয়ে তোপ দাগতে ছাড়েননি কমল। এর পরেই তাঁর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেছিলেন সালমন। টুইট করে কমল জানিয়েছিলেন, আর কখনও সালমনের ছবি নিয়ে কোনও ভিডিয়ো করবেন না তিনি।



মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

যে কারণে বক্স অফিসে বাজিমাত 'তুফান' এর

প্রকাশ: ০২:৩৫ পিএম, ২৪ জুন, ২০২৪


Thumbnail

"তুফান" সিনেমার মুক্তির আগে থেকেই বক্স অফিসে সাফল্যের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলছিল, যা একেবারে সত্য প্রমাণিত হয়েছে। ১৭ জুন ঈদুল আজহার দিন মুক্তির পর থেকেই রায়হান রাফী পরিচালিত এবং শাকিব খান অভিনীত এই সিনেমাটি দর্শকদের মাঝে বিশাল সাড়া ফেলেছে। মাল্টিপ্লেক্সের ওয়েবসাইটে টিকিট মিলছে না, এমনকি রাজধানীর একক হলে টিকিট না পেয়ে কালোবাজারি এবং ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে। দুই দশক পর মধ্যরাতে শো চালানোর খবরও পাওয়া গেছে।

কেন "তুফান" নিয়ে এত মাতামাতি?  

শাকিব খানের তারকাখ্যাতি: শাকিব খান বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের সবচেয়ে বড় তারকা। তার সিনেমা মানেই ভক্তদের জন্য বিশেষ আকর্ষণ। পর্দায় শাকিব খানের উপস্থিতি দর্শকদের মাঝে উল্লাস ছড়িয়ে দেয়, যা "তুফান"-এর ক্ষেত্রেও প্রমাণিত হয়েছে।

রায়হান রাফীর নির্মাণশৈলী: রায়হান রাফীর নির্মাণশৈলী দর্শকদের মুগ্ধ করেছে। "তুফান"-এ তার সিগনেচার ওয়ান টেক শট এবং অন্যান্য নির্মাণশৈলী দর্শকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে। পরিচালকের নামেই সিনেমা হিট হওয়ার ধারণা তিনি আগেই দিয়েছেন, এবার তার সাথে বড় তারকারা যুক্ত হওয়ায় সিনেমাটির সাফল্য ছিল অনুমেয়।

টিজার, গান, এবং ট্রেলারের প্রভাব: "তুফান"-এর টিজার, গান এবং ট্রেলার সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচিত হয়েছে। "লাগে উরাধুরা" এবং "তুফান এল রে" গান দুটি এবং ট্রেলারের প্রতিটি কনটেন্ট ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পেয়েছে। দেশীয় দর্শকদের পাশাপাশি ভারতীয় দর্শক ও ইউটিউবাররাও প্রশংসা করেছেন।

শাকিব খানের অভিনয়ে নতুনত্ব: "তুফান"-এ শাকিব খানের অভিনয় দক্ষতা দর্শকদের মুগ্ধ করেছে। বিভিন্ন চরিত্রে তার বৈচিত্র্যময় পারফরম্যান্স এবং শারীরিক ভাষা দর্শকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে।

অ্যাকশন এবং লুক: "তুফান"-এ শাকিব খানকে এক ভিন্ন লুকে দেখা গেছে, যা তার লুক এবং অ্যাকশনের বৈচিত্র্য উল্লেখযোগ্য ছিল এবং এটি মানুষের মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়েছে।

দুই ধরণের দর্শকের আকর্ষণ: "তুফান" শাকিব খান এবং চঞ্চল চৌধুরী উভয়ের ভক্তদের আকর্ষণ করেছে। শাকিব খানের কমার্শিয়াল সিনেমার ভক্তরা যেমন সিনেমাটি দেখতে গেছেন, তেমনি চঞ্চল চৌধুরীর ভিন্নধর্মী কাজ দেখতেও অনেকে হলে গেছেন।

কারিগরি দিকের উৎকর্ষতা: সিনেমার কস্টিউম, সেট এবং নব্বইয়ের দশকের প্রেক্ষাপট তুলে ধরার কাজটি সফলভাবে করা হয়েছে। তাহসিন রহমানের সিনেমাটোগ্রাফি এবং অন্যান্য কারিগরি দিকগুলোও প্রশংসিত হয়েছে।

মূলত এসব কারণেই "তুফান" মুক্তির পর থেকে ব্যাপক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে এবং বক্স অফিসে এখন পর্যন্ত সাফল্যের ধারা অব্যাহত রেখেছে।


তুফান   শাকিব খান   রায়হান রাফি   মিমি   নাবিলা   চঞ্চল চৌধুরী   ফজলুর রহমান বাবু   ঈদ সিনেমা  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

মৃত্যুর ২৭ বছর পর নুসরাত ফতেহ আলী খানের অ্যালবাম

প্রকাশ: ১১:৫৬ এএম, ২৪ জুন, ২০২৪


Thumbnail

উপমহাদেশের কিংবদন্তি কাওয়ালি শিল্পী নুসরাত ফতেহ আলী খান। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মাত্র ৪৮ বছর বয়সে ১৯৯৭ সালে তিনি প্রয়াত হন। তাঁর মৃত্যুর ২৭ বছর পর, ব্রিটিশ রেকর্ড লেবেল রিয়েল ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস তাঁর হারানো অ্যালবাম ‘চেইন অব লাইট’ প্রকাশের ঘোষণা দিয়েছে। নুসরাত ফতেহ আলী খান ১৯৯০ সালে রিয়েল ওয়ার্ল্ড স্টুডিওতে এই অ্যালবামটি রেকর্ড করেছিলেন।

প্রায় সাড়ে তিন দশক পর আগামী ২০ সেপ্টেম্বর রিয়েল ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস অ্যালবামটি শ্রোতাদের সামনে আনতে যাচ্ছে। এটি সিডি এবং স্ট্যান্ডার্ড এলপি আকারে পাওয়া যাবে। ১৯ জুন পিটার গ্যাব্রিয়েলের রেকর্ড লেবেল থেকে অ্যালবামের একটি টিজার প্রকাশ করা হয়।

পিটার গ্যাব্রিয়েল এক বিবৃতিতে বলেন, “বিশ্বের অনেক বড় শিল্পীর সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেয়েছি। তাঁদের মধ্যে সম্ভবত শ্রেষ্ঠ নুসরাত ফতেহ আলী খান। অ্যালবামটি খুঁজে পেয়ে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। এটি একটি দুর্দান্ত রেকর্ড। দীর্ঘ সময় ধরে এই অ্যালবামের কোনো হদিস ছিল না। রিয়েল ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের গুদামে এটি সংরক্ষিত ছিল। ২০২১ সালে আর্কাইভ স্থানান্তরের সময় অ্যালবামের অ্যানালগ টেপ পাওয়া যায় এবং গানগুলো উদ্ধার করা হয়।”

২০২৩ সালে রোলিং স্টোনের সর্বকালের সেরা ২০০ সংগীতশিল্পীর তালিকাতে রয়েছেন নুসরাত ফতেহ আলী খান। এছাড়াও, তাকে বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাওয়ালি সংগীতশিল্পী হিসেবে অভিহিত করেছে নিউইয়র্ক টাইমস।


মিউজিক   অ্যালবাম   নুসরাত ফতেহ আলী খান   চেইন অব লাইট  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

গোলাম মামুন: আদৌ কী সবকিছুর হুকুমদাতা অদৃশ্য 'হুকুমত'?

প্রকাশ: ০২:০০ পিএম, ২৩ জুন, ২০২৪


Thumbnail

গেল বছর নিজের প্রথম স্পিন-অফ সিরিজ ‘মাইশেলফ অ্যালেন স্বপন’ তৈরি করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন নির্মাতা শিহাব শাহীন। এরই ধারাবাহিকতায় এবার তানিম রহমান অংশুর ওয়েব সিরিজ ‘বুকের মধ্যে আগুন’-এর পুলিশ অফিসার গোলাম মামুনকে কেন্দ্র করে আরও একটি স্পিন-অফ সিরিজ নির্মাণ করেছেন, যার নাম ‘গোলাম মামুন’। আর এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের ওয়েব সিরিজ জগতে পরপর দুটি স্পিন-অফ তৈরি করে নিজেকে আলাদা পরিচিতি দিলেন শিহাব শাহীন। 

‘গোলাম মামুন’ সিরিজটি মুক্তি পায় গেল ১৩ জুন হইচই প্ল্যাটফর্মে। সিরিজটির গল্প লিখেছেন অয়ন চক্রবর্তী এবং স্ক্রিনপ্লে লিখেছেন শিহাব শাহীন ও মেজবাহ উদ্দিন সুমন। দেশের সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী কী কেবলই সরকার, নাকি তাদেরও ঊর্ধ্বে কোন হুকুমতদাতা আছে? যাদের কথায় চলে  রাষ্ট্রের প্রায় সবকিছু হয়। কিন্তু কেউ দেখতে পায় না অদৃশ্য এই হুকুমতদাতাদের। তারা সবসময়ই থেকে যায় ধরাছোঁয়ার বাইরে। অনেক সময় এই হুকুমদাতাদের কারণেই দোষ না করেও দোষী হতে হয় অনেককে। তাদেরই একজন গোলাম মামুন।

গল্পে দেখা যায়, পুলিশের ডিটেকটিভ ব্রাঞ্চের অফিসার গোলাম মামুনকে মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসানো হয় নাসির নামে একজনকে হত্যার অভিযোগে। একই সময়ে তার সহকর্মী সাকিব এবং তার স্ত্রী সাংবাদিক তানিয়াও একে একে খুন হন এবং এই হত্যাকাণ্ডগুলোর দায় এসে পড়ে মামুনের ওপর। 

নিজেকে বাঁচাতে পালিয়ে বেড়ান মামুন এবং পলাতক থেকেই প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের চেষ্টা করেন। তদন্ত করতে গিয়ে মামুন আবিষ্কার করেন, এই হত্যাকাণ্ডগুলোর সাথে তার দুলাভাই এবং অপর এক পুলিশ অফিসারের হত্যাকাণ্ডের যোগসূত্র রয়েছে। রহস্য উদঘাটনের এক পর্যায়ে তিনি এক কঠিন সত্যের মুখোমুখি হন, যার নাম হুকুমত। দেশের প্রায় সবকিছু পরিচালিত হয় এই হুকুমতের ইশারায়। কে বা কারা এই হুকুমত, তারা কি সরকারের চেয়েও বেশি শক্তিশালী? মুখোশধারী এসব মানুষের কবল থেকে নিজেকে রক্ষা করে মামুন কী পারবেন রহস্যের উদঘাটন করতে? নাকি ধরা পড়বেন অফিসার রবিনের হাতে? এসব প্রশ্নের উত্তরই পাওয়া যায় সিরিজটিতে।

'গোলাম মামুন' সিরিজটিতে বেশকিছু কঠিন সত্য ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উপস্থাপন করা হয়েছে, যা বর্তমান পেক্ষাপটে একদিকে যেমন প্রশংসনীয়, ঠিক তেমনি সিরিজটিতে রয়েছে বেশ কিছু ত্রুটিও। 

প্রশংসনীয় দিকসমূহ:

- সিরিজটির প্রতিটি পর্বেই কোন না কোন রহস্য থাকে যা দর্শককে পুরোটা সময় বুঁদ করে রাখবে। 

- দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, অর্থ-পাচার ইত্যাদি দৈনন্দিন নানা সমস্যা যেভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, তাতে সহজেই দর্শকরা এর সঙ্গে বর্তমান প্রেক্ষাপটকে মেলাতে পারবেন। 

- অ্যাকশন দৃশ্যগুলো ওয়েব সিরিজ প্রেক্ষাপটে প্রশংসনীয়। বিশেষ করে অপূর্ব ও সাবিলা নূরের হ্যান্ড টু হ্যান্ড কমব্যাট ফাইট বেশ দুর্দান্ত ছিলো।  

- অপূর্ব এর গাড়ি ও বাইক চালানো এবং চরিত্রের প্রয়োজনে চুল ফেলে দেওয়া বেশ মানানসই ছিল। 

- সিরিজটির অন্যান্য চেজিং দৃশ্যগুলোর দৃশ্যায়ন ছিল এক কথায় চমৎকার। 

- সিরিজটিতে সবাই খুব সাবলীল অভিনয় করেছেন। বিশেষ করে অপূর্ব, সাবিলা নূর, ইমতিয়াজ বর্ষণ প্রত্যেকে নিজের সেরাটা দেয়ার চেষ্টা করেছেন বলেই মনে হয়েছে। এছাড়াও মাসুম বাশার, সুষমা সরকার, সৈয়দ নাজমুস সাকিব, শরীফ সিরাজ, নাফিস, লাবণ্যসহ এই সিরিজের প্রায় সব চরিত্রগুলোকে বেশ ভালোভাবে রপ্ত করতে পেরেছেন শিল্পীরা, যা স্ক্রিনে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। 

ত্রুটিপূর্ণ দিকসমূহ:

- ‘বুকের মধ্যে আগুন’ সিরিজে গোলাম মামুনের চরিত্রটি যতটা 'রাফ অ্যান্ড টাফ' ছিল, ‘গোলাম মামুন’ এ মামুনের চরিত্রে কিছুটা ঘাটতি মনে হয়েছে। যদিও, এই সিরিজে তার যে আত্মত্যাগ, যে চ্যালেঞ্জ তিনি মোকাবিলা করেছেন সে কারণে চরিত্রেও কিছুটা পরিবর্তন আনার চেষ্টা করেছেন নির্মাতা। 

- পরিচালক মূলত গোলাম মামুনের সংকটের দিকে বেশি ফোকাস করেছেন। আর এজন্য গোলাম মামুনের সাথে কিছু কিছু চরিত্র যেমন ‘মিলন’-এর যথেষ্ট স্ক্রিন টাইম ছিলোনা বলে মনে হয়েছে। ফলে কিছু কিছু সিক্যুয়েন্সে ইমোশন বিল্ডআপে ঘাটতি মনে হয়েছে।

- দীর্ঘ বিরতির পর শার্লিন ফারজানা ভালো ব্রেকথ্রু দিতে পারেননি। কিছু জায়গায় ডায়লগ ডেলিভারিতে আরো নজর দেয়া প্রয়োজন ছিলো। 

- সাউন্ডে কিছু সমস্যা লক্ষণীয়। ডাবিংয়ে লিপ সিংক মিসিং আছে বেশ কিছু জায়গায়। রবিনের ফোন কল রিসিভ করার পরও রিংটোন বাজছিলো। 

- মাইক্রোতে দুলাভাই আর মামুনের ডায়লগের পরের লোকেশানের সিনক্রোনাইজেশন ঘটেনি।  লাইটিংয়ের তারতম্যের সাথে ট্রানজিশনের অভাবও পরিলক্ষিত হয়েছে অনেক জায়গায়।

তবে, কিছু  ত্রুটি থাকলেও সবমিলিয়ে ‘গোলাম মামুন’ একটি সাহসী নির্মাণ। এর প্রত্যেকটি পর্ব দর্শকদের জন্য বেশ উপভোগ্য হবে। মূলত, এই সিরিজটি দিয়ে নির্মাতা শিহাব শাহীন আমাদের বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপট, সামাজিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতাকে ফিকশন আকারে দেখাতে চেয়েছেন। যদিও, সবকিছুর পেছনে এক অদৃশ্য ছায়া তথা ‘হুকুমত’কে দায়ী করা নিয়েও যথেষ্ট বিতর্ক থাকতে পারে। কেননা এই অদশ্য শক্তি কারা তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়!


ওয়েব সিরিজ   গোলাম মামুন   অপূর্ব   সাবিলা নূর   শিহাব শাহীন  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

গতি বাড়ছে 'তুফান' এর, আঘাত হানছে পশ্চিমবঙ্গেও

প্রকাশ: ১১:১৬ এএম, ২২ জুন, ২০২৪


Thumbnail

যত সময় গড়াচ্ছে ততই যেন গতিবেগ বাড়ছে 'তুফান' এর! অথচ এটি কোনো প্রাকৃতিক তুফান নয়, এটি একটি ম্যানমেইড ঝড়। এর পেছনে আছেন সময়ের জনপ্রিয় চলচ্চিত্র নির্মাতা রায়হান রাফী ও মেগাস্টার শাকিব খান। ফলে ঈদের দিন থেকে দেশের প্রেক্ষাগৃহে ক্রমশ 'তুফান' এর তাণ্ডব বেড়েই চলেছে।

খবর পাওয়া যাচ্ছে, এবার সেই 'তুফান' আঘাত হানতে যাচ্ছে ভারত তথা পশ্চিমবঙ্গের প্রেক্ষাগৃহে। নির্মাতা রায়হান রাফী নিশ্চিত করেছেন, ২৮ জুন ছবিটি পশ্চিমবঙ্গে মুক্তি পাবে। সেখানে দর্শকের প্রচণ্ড আগ্রহ রয়েছে ছবিটি দেখার জন্য। তাছাড়া ছবিটির অন্যতম অংশীদার ও পরিবেশক ভারতের এসভিএফ। বাংলাদেশের সাফল্য থেকে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, পশ্চিমবঙ্গেও ছবিটি ব্লকবাস্টার হিট হবে এবং বাংলা সিনেমার বাণিজ্যে নতুন ইতিহাস গড়বে।

ঈদের দিন থেকে দেশব্যাপী ১২৯টি প্রেক্ষাগৃহে চলছে 'তুফান'। সিঙ্গেল স্ক্রিন থেকে মাল্টিপ্লেক্স, সবখানেই ছবিটির টিকিট পেতে হিমশিম খাচ্ছেন দর্শক। ছবিতে শাকিব খানের বিপরীতে আছেন টলিউডের মিমি চক্রবর্তী ও বাংলাদেশের নাবিলা। এছাড়াও অভিনয় করেছেন চঞ্চল চৌধুরী, মিশা সওদাগর, গাজী রাকায়েত, সালাউদ্দিন লাভলু, শহীদুজ্জামান সেলিম প্রমুখ। 


তুফান   শাকিব খান   রায়হান রাফি   মিমি   নাবিলা   চঞ্চল চৌধুরী   ফজলুর রহমান বাবু   ঈদ সিনেমা  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

ভিক্টোরিয়ার কাছ থেকে বিনামূল্যে পোশাক চেয়েছিলেন মেগান মার্কেল

প্রকাশ: ১০:১১ এএম, ২২ জুন, ২০২৪


Thumbnail

মেগান মার্কেল প্রিন্স হ্যারির সঙ্গে বাগদানের সময় ভিক্টোরিয়া বেকহামের কাছ থেকে বিনামূল্যে পোশাক ও হাতব্যাগ চেয়েছিলেন বলে জানা যায়। তবে বাকিংহাম প্যালেস এ ধরনের অনুরোধকে নীতিবিরুদ্ধ বলে মনে করায় তা মঞ্জুর করা হয়নি। নতুন একটি বইয়ে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। তারকা জীবনীকার টম বোওয়ারের "দ্য হাউস অব বেকহাম" বইয়ে এই দাবি করা হয়েছে।

বইটিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, একটি ফ্যাশন ফটোশুটের পর মেগান মার্কেলের বিরুদ্ধে এক জোড়া অ্যাকুয়াজুরা জুতা ফেরত না দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। বেকহাম পরিবার এবং ডাচেস অব সাসেক্সের মধ্যকার সম্পর্কের জটিল দিকগুলোও বইটিতে তুলে ধরা হয়েছে।

একসময় মেগান ও ভিক্টোরিয়া ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন। বইয়ের তথ্য অনুযায়ী, মেগান মার্কেল বেভারলি হিলসে বেকহামদের বাড়িতে থেকেছেন এবং ভিক্টোরিয়া বেকহামের মেকআপ দলের কাছ থেকে মেকআপ করিয়েছেন। যুক্তরাজ্যে থাকার সময় সৌন্দর্যবিষয়ক পরামর্শও নিয়েছেন।

মেগান মার্কেলের পরিবারের গোপন তথ্য গণমাধ্যমে ফাঁস হওয়ার পর ভিক্টোরিয়া বেকহামকে সন্দেহ করার কারণে তাদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে প্রিন্স হ্যারিকে ডেভিড বেকহামের কাছে অভিযোগ করতে হয়। ভিক্টোরিয়া অবশ্য এ অভিযোগ অস্বীকার করেন এবং এক বিউটিশিয়ানকে দোষারোপ করেন। তথ্য ফাঁসের অভিযোগ শুনে ডেভিড বেকহাম বেশ ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন। 


মেগান মার্কেল   ভিক্টোরিয়া বেকহাম   ডেভিড বেকহাম   প্রিন্স হ্যারি   দ্য হাউস অব বেকহাম  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন