ইনসাইড আর্টিকেল

মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলীর মৃত্যুবার্ষিকী আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৮:১৫ এএম, ০৮ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail

প্রখ্যাত সাহিত্যিক, সাংবাদিক মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলীর ৬৭তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০ শতকের মধ্যভাগে প্রবন্ধ রচনা করে যারা খ্যাতি অর্জন করেছিলেন, তাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী। তিনি উন্নত মানের জীবনী, নকশা, সম্পাদকীয়, নিবন্ধ প্রভৃতি রচনা করে খ্যাতি অর্জন করেন।

‘মরুভাস্কর’-এর রচয়িতা এই লেখক ও সাংবাদিকের জন্ম ১৮৯৬ সালের ৪ সেপ্টেম্বর সাতক্ষীরার বাঁশদহ গ্রামে। শিক্ষাজীবন শুরু বাঁশদহের মধ্য ইংরেজি বিদ্যালয়ে। স্থানীয় বাবুলিয়া উচ্চ ইংরেজি বিদ্যালয় থেকে বৃত্তিসহ এন্ট্রান্স পাসের পর কলকাতা গিয়ে ভর্তি হন বঙ্গবাসী কলেজে। মওলানা মোহাম্মদ আকরম খাঁ এবং ইংরেজি ‘দি মুসলমান’ পত্রিকার সম্পাদক মৌলভী মুজীবুর রহমানের সংস্পর্শে এসে তিনি জাতির সেবা করার আদর্শে উদ্বুদ্ধ হন। 

পরীক্ষার আগেই পড়াশোনা চুকিয়ে সাংবাদিকতাকে পেশা হিসেবে নেন। একই সাথে যোগ দেন ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনবিরোধী অসহযোগ আন্দোলনে। সাংবাদিক জীবনের শুরুতে ১৯০৬ সালে ওয়াজেদ আলী চাকরি নেন ‘দি মুসলমান’ পত্রিকায়। এরপর ১৯০৮ সালে কাজ করেছেন আকরম খাঁর সাপ্তাহিক মোহাম্মদীর সম্পাদকীয় বিভাগে। ১৯২১ সালে দৈনিক সেবকে কর্মরত ছিলেন। একই বছর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন দৈনিক মোহাম্মদীর। ১৯২২-এ দ্বিপাক্ষিক সাম্যবাদী সম্পাদনা করেছেন। ১৯২৬ সালে সাপ্তাহিক খাদেম এবং ’২৮ সালে সাপ্তাহিক সওগাতের সম্পাদকীয় বিভাগে ছিলেন। এর মধ্যে ১৯২৪ সালের দিকে বিয়ে করেন শাহের বানুকে।

তিনি নবযুগ, বুলবুল, সহচর এবং বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য পত্রিকার সাথেও সংশ্লিষ্ট ছিলেন। স্বাস্থ্যহানির দরুন ১৯৩৫ সালে নিজ গ্রামে ফিরে যান। জীবনের বাকি দুই দশক কাটিয়ে দেন সেখানেই। বিংশ শতাব্দীর মধ্যভাগে প্রাঞ্জল ভাষার প্রবন্ধকার হিসেবে বাংলা সাহিত্যে যে ক’জন ব্যক্তিত্ব খ্যাতিমান হয়েছেন, ওয়াজেদ আলী তাদের একজন। প্রজ্ঞাপূর্ণ প্রতিভাবলে উন্নতমানের জীবনী, সম্পাদকীয়, নকশা প্রভৃতি রচনা করা তার পক্ষে সম্ভব হয়েছিল। দুই শতাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রবন্ধ লিখলেও জীবদ্দশায় তার বই বেরিয়েছিল খুব কম। তাঁর লেখা ছোট বা মাঝারি আটটি গ্রন্থের হদিস পাওয়া যায়। তার বিষয়বস্তু ছিল ইসলামের আদর্শ-ঐতিহ্য-মূল্যবোধ। শিক্ষা, সাহিত্য, ধর্ম ও ভাষা সম্পর্কে তিনি অনেক মূল্যবান প্রবন্ধ লিখে গেছেন।

তার রচনার একটি বড় বৈশিষ্ট্য, সহজ-সাবলীল প্রকাশভঙ্গি। তার গ্রন্থগুলোর মধ্যে মরুভাস্কর ১৯৪১, মহামানুষ মুহসীন ১৯৪০, সৈয়দ আহমদ, হজরত মোহাম্মদ ১৯৪৮, কায়েদে আযম মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ১৯৪৯, মনিচয়নিকা ১৯৫১, ডন কুইকজোটের গল্প ও স্মার্না-নন্দিনী।

বাংলা একাডেমি তার রচনাবলির অংশবিশেষ দুই খণ্ডে প্রকাশ করেছে। আদর্শনিষ্ঠ ওয়াজেদ আলী এতই দৃঢ়চেতা ছিলেন যে, সরকারি চাকরি পেয়েও তা করেননি। বরং সাংবাদিকতা ও সাহিত্যের মাধ্যমে সমাজসেবাকে জীবনের ব্রতরূপে গ্রহণ করেছিলেন। তিনি ছিলেন যুক্তিবাদী মানস এবং পরিচ্ছন্ন চিন্তার অধিকারী। মাত্র ৫৮ বছর বয়সে ১৯৫৪ সালের ৮ নভেম্বর  ইন্তেকাল করেন তিনি।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড আর্টিকেল

নদী, মৃত্যু এবং আমরা সাধারণ

প্রকাশ: ০৯:১৭ এএম, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail

নৌকাডুবি, ট্রলার ডুবি কিংবা লঞ্চ ডুবি দেশের এখন নিত্যদিনের ঘটনা। কয়েক দিন আগে পঞ্চগড়ের বোদায় নৌকাডুবে নিহত হয়েছে অনেক। এ ঘটনায় এখনো লাশের সংখ্যা বাড়ছে হু হু করে। কিন্তু মনে প্রশ্ন জাগতে পারে এই নৌকাডুবি কিংবা ট্রলার ডুবির সংখ্যা এত বাড়ছে কেন?

শুধুমাত্র সরকারের ওপর দোষ চাপালেই হয়না বরং দেশে ঘটা অনেক দুর্ঘটনা এবং প্রাণহাণীর জন্য  দায়ী  থাকি আমরা নিজেরাই। নিজেদের সচেতনতার অভাব এবং দায়িত্বহীনতা আমাদের দেশের ঘটা অনেক অঘটনের জন্যে দায়ী। সদ্য পঞ্চগড়ে নৌকাডুবিও তারই ইঙ্গিত দেয়।

দেশে নৌ দুর্ঘটনা কমছেই না। দেশে থাকা অগণিত হাওর বাওরে প্রতিনিয়ত চলছে ট্রলার, নৌকা, লঞ্চ, জাহাজ, স্প্রিডবোর্ড। শুধুমাত্র বড় কোন দুর্ঘটনা ঘটলেই পত্রিকায় তা ফলাও করে ছাপানো হয় কিন্তু ছোটখাট দুর্ঘটনাগুলো চাপা পরেই থাকে। কিন্তু গত কয়েক বছরে বাংলাদেশে যে হারে নৌ দুর্ঘটনা ঘটেছে তা রীতিমত চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর এইসব দুর্ঘটনা ঘটছে যত টানা নদীর স্রোত কিংবা বৈরি আবহাওয়ার জন্য, ততটাই আমাদের নিজেদের অসচেতনতা আর অব্যবস্থাপনার জন্যেই ঘটছে।

পঞ্চগড়ের বোদায় ঘটা দুর্ঘটনার দিকে তাকালে শুরুতেই বলা যায় অসচেতনতাই এই নৌকাডুবির কারণ। নৌকায় যাত্রী ওঠানোর আগ মুহুর্তের একটা ছোট ক্লিপ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঘুরে বেড়াচ্ছে বেশ কিছুদিন ধরেই। এই ভিডিওটিতে দেখলেই বোঝা যায় এই ছোট নৌকাটি কতজন লোক উঠেছিল। আপাত দৃষ্টিতে দেখা যায় নিজেদের বিপদ নিজেরাই যেন ডেকে নিয়ে এসেছিল সবাই। তিল ঠাই দেয়ার জায়গা ছিল না নৌকাটিতে।ঘাট থেকে শতাধিক যাত্রী নিয়ে শ্যালো ইঞ্জিনচালিত নৌকাটি বড়শশী ইউনিয়নের বোদেশ্বরী মন্দিরের দিকে যাচ্ছিল। নদীর মাঝে গিয়ে স্রােতে দুলতে শুরু করে নৌকা। কিছুক্ষণের মধ্যেই উল্টে যায় নৌকাটি। যেখানে নৌকাডুবির ঘটনা ঘটেছে করতোয়া নদীর এই জায়গাটি এমনিতে খুব খরস্রােতা নয়; গভীরতাও খুব বেশি নয়। কিন্তু সাম্প্রতিক টানা বর্ষণের পর উজানের ঢলে নদীতে পানি বেড়েছে অনেকটা। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, নৌকায় ধারণক্ষমতার চেয়ে কয়েক গুণ বেশি মানুষ যাচ্ছিল। দুর্ঘটনায় পড়া নৌকায় ধারণক্ষমতার চেয়ে অনেক বেশি যাত্রী ওঠায় এবং মাঝনদীতে নৌকাডুবির কারণে মৃত্যু এত বেশি হয়েছে বলে মনে করছে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা।

এত গেল পঞ্চগড়ের বোদার ঘটনা। বাংলাদেশে ভূরি ভূরি লঞ্চ বা স্টিমার দুর্ঘটনা ঘটে অসম প্রতিযোগিতা করে লঞ্চ চালানোর কারণে। আর এসকল লঞ্চে কখনো থাকে অভিজ্ঞ আবার কখনো অনভিজ্ঞ চালকগণ। যাদের কাছে লঞ্চ, নৌকা কিংবা স্টিমারে থাকা মানুষের জানমালের চেয়ে প্রতিযোগিতাটাই বড় হয়ে দাঁড়ায়। এছাড়া যেখানে নদী বন্দরের এইসব চালক থেকে শুরু করে মালিক পক্ষের আবহাওয়া বার্তা পড়া বা শোনা বাধ্যতামূলক, তার তোয়াক্কা তো তারা করেই না। আর এসবের খেসারত দিতে হয় অনেকগুলো মৃত্যু দিয়ে, অনেক গুলো পরিবারের দুঃস্বপ্ন দিয়ে।

এখন তো নৌকাডুবি কিংবা ট্রলার লঞ্চ ডুবি খুব স্বাভাবিক ব্যপার হয়ে দাঁড়িয়েছে । মাসে  একটা দুটো  এমন দুর্ঘটনা ঘটে, মাঠ গরম হয়, তদন্ত কমিটি গঠন হয়, লাশ নিয়ে ছোটাছুটি শুরু হয়। কেউবা আবার ক্ষতিপূরনের টাকা নিয়ে দৌড়ায়। কিন্তু কিছুদিন যেতে না যেতেই পরিস্থিতি ঠান্ডা 
 হয় এবং একই ঘটনার পূনরাবৃত্তি। কিন্তু এইসব দুর্ঘটনা থেকে শিক্ষা নেয়া, সচেতনতা তৈরি হওয়ার কোন লক্ষন কোথাও দেখা যায় না। ক্ষতিপূরণের টাকা সরকার থেকে দেয়া হলেও সেগুলো কার পকেটে যায় তারও আর কোন খবর থাকে না।

বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ, এদেশের পণ্য ও যাত্রী পরিবহনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম নদীপথ। কিন্তু আমাদের অসেচতনতার অভাবে প্রতিনিয়ত প্রাণ হারাচ্ছে অনেক মানুষ। নদীপথ নিরাপদ করতে যেমন সরকারি ভাবেও উদ্যোগ নিতে হবে, তেমনি আমাদেরকেও সচেতন হতে হবে। আমরা সচেতন হলেই বাঁচবে দেশ, কমবে দুর্ঘটনা, বাঁচবে প্রাণ।

নৌকাডুবি   অসচেতনতা   প্রাণহানী  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড আর্টিকেল

পূজোয় বাঙালি রসনা

প্রকাশ: ০৯:২৪ এএম, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail পূজোয় বাঙালি রসনা

বাঙালির রসনা বিলাসের শেষ নেই। বাঙালির যেমন আছে বার মাসে তের পার্বণ তেমনি আছে এর সাথে রসনার যোগসূত্র। বাঙালির যেন উৎসবই জমে না টেবিল ভর্তি বাঙালি খাবার ছাড়া। মহালয়া দিয়ে পূজার বাদ্যি বেজে গেল, এখন শুধু তাই পূজার দিনে বাঙালির রসনা বিলাসের বহিঃপ্রকাশ ঘটবে প্রত্যেকটি বাড়িতে। পেট পূজা ছাড়া কি আর পূজোর আনন্দ জমে?

পূজার মূল আকর্ষণ হল পূজায় তৈরি প্রত্যেক বাড়ির মিষ্টি খাবার গুলো। কি নেই এতে? নাড়ু, সন্দেশ, বাহারি লাড্ডু, খঁই, বিভিন্ন রকমের মোয়া, পাটালি, পায়েস। মিষ্টি ছাড়া যেন জমেই না দুর্গাপূজা। তবে দুর্গাপূজায় যে জিনিসটি সব বাসাতেই তৈরি হয় তা হলো নারিকেলের নাড়ু। গুড়ের কিংবা চিনির, নাড়ু ছাড়া যেন দুর্গাপূজা কল্পনাই করা যায় না। ষষ্ঠী থেকে দশমী পূজার প্রসাদ তো থাকেই, সাথে থাকে আরও নানান ভিন্ন স্বাদের খাবার। আমিষ থেকে নিরামিষ সবই খাওয়া চলে রীতি নিয়ম মেনে।


পূজায় নিরামিষ আমিষের একটা ঝক্কি অবশ্য থাকেই। যারা পূজার আয়োজক থাকেন, তারা নিয়ম মেনে নিরামিষ খান। ষষ্ঠির সকালে তাই বাসায় চলে ফুলকো লুচি, সবজি , বুটের ডাল কিংবা  মিষ্টি। পূজার আয়োজকে যারা থাকেন তারা পুরো সময় জুড়ে নিরামিষ খান। দশমীর দিন কিংবা অষ্টমঙ্গলার দিনে গিয়ে তারা নিয়ম বা শাস্ত্র মেনে আমিষ খেতে পারেন। 

মূলত পূজায় যারা পূজার আয়োজকে থাকেন না তারা আমিষ খেতে পারেন। দেখা যায় দুপুরে হয়তো পোলাওয়ের সাথে কচি পাঁঠার মাংস, কিংবা গাঢ় ঝোলে ডুবে থাকা পনিরের টুকরো দিয়ে চলে দুপুরের ভোজ। এছাড়া পূজোয় আবার তৈরি হয় নানা পদের চমকপ্রদ খাবারও যেগুলো কিনা শুধুমাত্র পূজারই আকর্ষণ। এই চমকপ্রদ খাবারের তালিকায় প্রথম নাম যেটি আসে, সেটি হল ভূনা খিচুড়ী। খিচুড়ীর সাথে কয়েক পদের ভাজা খাবার না থাকলেও যেন  জমে না। তাই ভূনা খিচুড়ীর সাথে পাতে পরে বেগুনি কিংবা পিয়াজু, কিংবা কুরকুরে আলুর ভাজা। এছাড়া আরেকটি আকর্ষণ হলো আলুর দম। গোটা গোটা আলুর সাথে যখন ফুলকো লুচিগুলো  ছিড়ে মুখে পুড়ে দেয়া যায়, স্বাদের একটা গোলা যেন মুখে একটা নাড়া দিয়ে যায়।

পূজার দিনের আরও  নানান পদে থাকে আমড়ার চাটনি, লাবড়া,  সরশে পটোল, পোস্ত বেগুনি, চিতল মাছের কোপ্তা কারি, ভাঁপে ইলিশ, নারকেল দিয়ে ছোলার ডাল, সরষে ইলিশ।এই খাবারগুলো পরিবেশন করাও হয় আমিষ, নিরামিষ এসকল ভেদে । দুর্গাপূজার খাবার দাবারের মূল পর্ব দশমীর দিন শুরু হয় এক  কথায়। মাকে বিদায় দেয়ার কষ্ট যেন বাঙালি ভুলে যেতে চায় কব্জি ডুবিয়ে খাবারের মাধ্যমে। কারণ ষষ্ঠি থেকে নবমী এই দিন গুলোতে কেউ নিরামিষ, কেউ আমিষ খায়। কিন্তু দশমীর দিনটি যেন হয়ে ওঠে আমিষের। মাছ মাংসের সব পদই খাওয়া যায় এই দিনে।

দশমীর দিন কেউ শুরু করেন ঘরে পাতানো সাদা দইয়ে চিড়া ভিজে খেয়ে। সাদা টক দইয়ের সাথে চিড়া আর চিনি যখন মাখানো হয়, মিষ্টি ঘ্রাণ যেন নাকে সুড়সুড়ি দিয়ে যায়। এরপর চলে কব্জি ডুবিয়ে দই চিড়া খাওয়ার পব। দুপুরের দিকে খাওয়া হয় কচি পাঠাঁর মাংস। কাসার থালে যখন মাংসের লাল ঝোল মেখে ধোয়া ছড়ায়, পেটের ক্ষুধা যেন হঠাৎই বেড়ে যায় দশ গুণ। এছাড়া আবার রান্না হয় ঘণ পেয়াজ কুচির সাথে রুইয়ের ঝোল। আবার অনেক সময় তৈরি হয় মাছের মুড়ো দিয়ে মূড়িঘন্ট। সোনা মুগ ডাল যখন ভেজে মাছের মাথার কষানো ঝোলে গিয়ে পরে দেখলেই যেন অর্ধেক ভোজন তখনি হয়ে যায়। আর পূজোর বিকেলটা তো চলে যায় পূজো মন্ডবের নানান খাবার  দিয়েই।


দুর্গাপূজা বাংলার ঐতিহ্য। ঐতিহ্যের সাথে বাংলার রসনা বিলাসের যে যোগসূত্র তা দুর্গাপূজার আয়োজনে দেখা মেলে। প্রতিদিনের শাস্ত্রীয় রীতি মেনে পূজার বিভিন্ন স্বাদের খাবার পূজার আনন্দ বাড়িয়ে দেয় আরও অনেক গুণ।

পূজা   খাবার   ঐতিহ্য  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড আর্টিকেল

বাংলায় মহালয়া থেকে দুর্গাপূজা

প্রকাশ: ০৮:০১ এএম, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail বাংলায় মহালয়া থেকে দুর্গাপূজা

আসছে দুর্গাপূজা। আজ ২৫ সেপ্টেম্বর মহালয়ার মধ্য দিয়ে সূচনা হবে এ বছরের দুর্গা উৎসব। তাই দুর্গাপূজাকে সামনে রেখে এতোদিন ভীষণ ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রতিমা শিল্পীরা। তাদের সুনিপুণ হাতের কারূ কার্যে তৈরি হচ্ছে মা দুর্গার অপরূপ আকৃতি।

বলা হয় দুর্গাপূজা সর্বজনীন মহাউৎসব। শান্তির বার্তা নিয়ে যখন দেবী মত্যে আসেন, সবার জন্য নিয়ে আসেন আনন্দ, মহাউৎসব।