ইনসাইড আর্টিকেল

বিশ্ব নিউমোনিয়া দিবস

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৮:০৪ এএম, ১২ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail

আজ বিশ্ব নিউমোনিয়া দিবস। সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও পালিত হচ্ছে দিবসটি। প্রথমবারের মতো নিউমোনিয়া দিবস পালিত হয়েছিল ২০০৯ সালের ২ নভেম্বর। পরবর্তীতে ২০১০ সাল থেকে তা প্রতিবছর পালিত হচ্ছে ১২ নভেম্বর। 

এ বছর করোনা মহামারির কারণে শিশু ও বয়স্কদের এ রোগের প্রকোপ বেশি বৃদ্ধি পাবে, সারা বিশ্বে কোটি কোটি মানুষকে শ্বাসতন্ত্রের জটিল এ অসুখ থেকে বাঁচানোর লক্ষ্যে জনগণের মধ্যে ব্যাপক সচেতনতা তৈরি করতে দিবসটির গুরুত্ব অনেক। সারা পৃথিবীতে নিউমোনিয়ায় প্রতিবছর প্রায় ৪৫ কোটি লোক আক্রান্ত হয়। মারা যায় প্রায় ৪০ লাখ রোগী। উন্নয়নশীল দেশে নিউমোনিয়ার ব্যাপকতা বেশি। পাঁচ বছরের কম বয়সের শিশু ও বৃদ্ধরাই নিউমোনিয়ায় বেশি আক্রান্ত হয় এবং শিশুরা বেশি মারা যায়। তুলনামূলকভাবে নারীদের চেয়ে পুরুষরা এতে বেশি আক্রান্ত হয়। ফুসফুস বা শ্বাসতন্ত্রের প্রদাহজনিত জটিল একটি রোগ নিউমোনিয়া। ফুসফুসের প্যারেনকাইমা বা বায়ুথলিতে জীবাণু যেমন- ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস ইত্যাদি সংক্রমণের ফলে বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, কাশি এসব উপসর্গ দেখা দেয়। যা নিউমোনিয়া নামে পরিচিত। এটি ফুসফুসের অত্যন্ত প্রচলিত ও প্রাচীন একটি রোগ। আধুনিক চিকিৎসাশাস্ত্রের জনক হিপোক্রেটস আড়াই হাজার বছর আগে এ রোগের বর্ণনা দিয়েছেন। শিশুদের ক্ষেত্রে বয়সভেদে রোগজীবাণুতে কিছু পার্থক্য থাকে। ক্রনিক ঠাণ্ডালাগা, বুকে শ্লেষ্মা জমে থাকার সূত্র ধরেই আক্রান্ত হয় নিউমোনিয়ায়। 

ঠাণ্ডা লাগলেই যে সবার নিউমোনিয়া হবে তা কিন্তু নয়, তবে যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, মূলত বয়স্ক ও শিশুরাই এই রোগে বেশি আক্রান্ত হয়। তাদের মতে, নিউমোনিয়ার প্রাথমিক লক্ষণ খুব জ্বর। ওষুধে জ্বর নামলেও আবার ওষুধের প্রভাব কাটলেই হু হু করে বেড়ে যায়। ১০৩-১০৪ ডিগ্রি উঠতে পারে জ্বর। এর সঙ্গে শ্বাসকষ্ট, বুকে ব্যথা ইত্যাদি তো থাকেই। অনেক সময় মাথায় যন্ত্রণা, ক্রমে দুর্বল হয়ে পড়া, খাওয়া-দাওয়ায় অনীহা এসবও নিউমোনিয়ার লক্ষণ। নিউমোনিয়া আক্রান্ত রোগীকে ছুঁলেই নিউমোনিয়ার জীবাণু শরীরে ছড়ায় না। আক্রান্তের কাশি বা হাঁচি থেকে তা ছড়াতে পারে। তবে সর্দিজ্বরের সঙ্গে নিউমোনিয়ার বেশকিছু পার্থক্য থাকে।

একটু লক্ষ্য রাখলেই রোগ নির্ণয় করা সহজ। চিকিৎসকদের মতে, প্রাথমিকভাবে সাধারণ জ্বর-সর্দি-কাশি দিয়ে এই রোগ শুরু হলেও দেখা যায় সময়ের সঙ্গে সঙ্গে জ্বর, শ্বাসকষ্ট বাড়ছে, কাশিও বাড়ছে। অনেক সময় জ্বরের ওষুধের কড়া ডোজে জ্বর নামলেও ফিরে ফিরে আসে তা। অবস্থা গুরুতর হলে কাশির সঙ্গে রক্তও উঠতে পারে। এসব লক্ষণ দেখা দিলেই দেরি না করে চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে। একমাত্র চিকিৎসকই বুঝতে পারেন ব্যক্তি নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়েছে কি না। তবু নিশ্চিত হতে কিছু পরীক্ষা করাতে হয়।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড আর্টিকেল

ড. সুশীল কুমার দে'র জন্মবার্ষিকী আজ

প্রকাশ: ০১:২৭ পিএম, ২৯ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃতী শিক্ষক ড. সুশীল কুমার দে একজন  বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও গবেষক ছিলেন। আজ  শনিবার(২৯ জানুয়ারি) এই বিশিষ্ট  সাহিত্যিক ও গবেষকের জন ১৮৯০ সালের ২৯ জানুয়ারি কলকাতায় তাঁর জন্ম। পিতার নাম ছিলেন  সতীশচন্দ্র দে  এবং পেশায় ছিলেন সিভিল সার্জন।

১৯০৫ সালে ডাক্তার পিতার কর্মক্ষেত্র কটকের র‌্যাভেন শ কলেজিয়েট স্কুল' থেকে বৃত্তিসহ প্রথম বিভাগে এন্ট্রান্স পাশ করেন। তারপর কলকাতার  প্রেসিডেন্সী কলেজে ভর্তি হন। এই কলেজ থেকে ১৯০৭ সালে এফ.এ বা ফার্স্ট আর্টস পরীক্ষায় পাস করেন এবং বৃত্তি পান এই  বিশিষ্ট সাহিত্যিক এবং একই কলেজ থেকে তিনি ১৯০৯ সালে ইংরেজীতে প্রথম শ্রেণীতে অনার্স ও বৃত্তিসহ বি.এ, ১৯১১ সালে ইংরেজীতে প্রথম শ্রেণীতে এম.এ পাস করে বিশ্ববিদ্যালয়ের পদক ও পুরস্কার পান। পরের বছর অর্থাৎ ১৯১২ সালে বি.এল পাশ করেন।

১৯১২ সালের ৩ বছরে পর সেই পূর্বে অধ্যয়নকৃত প্রতিষ্ঠান প্রেসিডেন্সী কলেজেই ইংরেজীর অধ্যাপক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন সুশীল কুমার দে।পরবর্তীতে ১৯১৩ থেকে ১৯২৩ সাল পর্যন্ত কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজী, ভারতীয় ভাষা এবং সংস্কৃতের লেক্‌চারার ছিলেন তিনি। এছাড়াও তিনি ১৯২৩ সালে প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজীর রীডার ও ক্রমে সংস্কৃতের প্রধান অধ্যাপক হিসেবে নিযুক্ত হন এবং ১৯৪৭ সালে শিক্ষকতা জীবন থেকে অবসর নেন সুশীল কুমার দে।

এর মধ্যেই ইউরোপে গিয়ে লণ্ডন স্কুল অফ ওরিয়েন্টাল স্টাডিজে সংস্কৃত অলঙ্কার সাহিত্যের ইতিহাসের অভিসন্দর্ভের জন্য 'ডি.লিট' উপাধি পান। 'বন ইউনিভার্সিটিতে' ভাষাতত্ত্ব বিষয়ে আলোচনা করেন এবং পুস্তক-সম্পাদনার পদ্ধতি বিষয়ে শিক্ষালাভ করেন।

এরপর ঢাকায় ফিরে গিয়ে শিক্ষকতা পেশার পাশাপাশি পুঁথি সংগ্রহ করা তাঁর অন্য কাজ ছিল। সরকারের সাহায্যে মাত্র ১০ হাজার টাকায় তিনি ২০ হাজার পুঁথি সংগ্রহ করেন। পরবর্তীতে তাঁর এই সংগ্রহশালা ২৫ হাজারে উঠেছিল। সংগৃহীত ৯ হাজারের বেশি বাংলা প্রবাদ অর্থসহ সঙ্কলন করেছিলেন সুশীল কুমার দে।

বিভিন্ন ভাষায় তাঁর শতাধিক প্রবন্ধ আছে। রচিত বাংলা ৯টি গ্রন্থের মধ্যে ৬টি কাব্যগ্রন্থ। এছাড়াও, ৮টি গ্রন্থ সম্পাদনা করেছেন।

তাঁর রচিত ৫টি ইংরেজী রচনা হচ্ছে -
    Studies in the History of Sanskrit poetics (2 Vols. 1923, 1925)
    History of Bengali Literature in the Nineteenth century
    History of Sanskrit Literature (1947)
    Treatment of Love in Sanskrit Literature
    Early History of the Vaishnava Faith and Movement in Bengal

রচিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ হচ্ছে -
    কাব্যলীলায়তা (১৯৩৪)
    প্রাকতনী (১৩৪১)
    অদ্যতনী (১৩৪৮)
    ক্ষণদীপিকা (১৩৫৫)
    সায়ন্তনী (১৩৬১)
    বাংলা প্রবাদ (১৩৫২)
    নানা নিবন্ধ (১৩৬০)

এছাড়াও, 'দীনবন্ধু মিত্র' (১৩৫৮) তাঁর রচিত একটি উল্লেখযোগ্য জীবনী গ্রন্থ।

বাংলা সরকারের প্রধান গবেষক ছিলেন তিনি। অবসর গ্রহণের পর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে কিছুকাল বাংলা বিভাগের প্রধান ছিলেন সুশীল কুমার দে। এছাড়াও, পুনার ডেকান রিসার্ট ইন্‌স্টিটিউটের ইতিহাসভিত্তিক সংস্কৃত অভিধান রচনায় সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি ও লণ্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিজিটিং লেক্‌চারার ছিলেন তিনি।

দীর্ঘদিন বাংলার সাহিত্য পরিষদের সাথে যুক্ত ছিলেন ড. দে। ১৯৫০ এবং ১৯৫৬ সালে - দু'বার এর সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি।

সরকারী ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠান থেকে তিনি বহু সম্মান পেয়েছেন।
তন্মধ্যে -
    ১৯১৫ সালে গ্রিফিথ পুরস্কার এবং
    ১৯১৭ সালে পি.আর.এস উপাধি লাভ অন্যতম।

এই বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও গবেষক ১৯৬৮ সালের ৩১ জানুয়ারি তাঁর মৃত্যুবরণ করেন।

ড. সুশীল কুমার দে   শিক্ষাবিদ ও গবেষক   জন্মবার্ষিকী  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড আর্টিকেল

বয়সে ছোট পুরুষদের প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছেন নারীরা, যা বলছে সমীক্ষা

প্রকাশ: ০১:৩৭ পিএম, ২৪ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

বয়সে ছোট পুরুষদের সাথে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ছেন মধ্য বয়স্ক নারীরা। মধ্যবর্তী বয়সে দাঁড়িয়ে একঘেয়েমি দূর করতে পরকীয়ার সম্পর্কে সমাজের চিরাচরিত নিয়মকে উপেক্ষা করছেন তারা। ৪০ বছর ছুঁইছুঁই বয়সী নারীদের ক্ষেত্রে এমন মানসিকতা বেশি পরিলক্ষিত হচ্ছে। 

বয়সের এই মধ্যগগনে এসে বয়সে ছোট পুরুষের প্রতি নারীদের প্রেমে পড়ার পেছনে কিছু কারণ বের হয়ে এসেছে সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায়। সমীক্ষা বলছে, শুধু একঘেয়েমি দূর করাই মূল লক্ষ্য নয়। জীবনের ফেলে আসা দিনগুলোতে পৌঁছে যেতেই কম বয়সী পুরুষের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান তারা।

কম বয়সী পুরুষের প্রতি প্রেমে জড়ানোর পেছনে যে কারণগুলো কাজ করে তার পেছনে রয়েছেন, 

১. আত্মবিশ্বাস বাড়াতে বয়সে ছোট পুরুষের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িত হন অনেকে। বয়সের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে নিজের সঙ্গীকে সন্তুষ্ট করতে পারার আনন্দ ভোগ করেন তারা। 

২. শুধু মানসিক চাপ দূর করতেই না, শারীরিক সম্পর্কও নারীদের এখানে ক্ষেত্রে একটি বিষয়। 

৩. বয়সে ছোট পুরুষের উদ্দীপনা ভীষণ পছন্দ করেন মহিলারা। সাময়িকভাবে জড়িত হলেও, এমন ব্যক্তিত্বের পুরুষ পছন্দ বয়সে বড় নারীদের। 

৪. কমবয়সী পুরুষের শারীরিক গঠন এবং ব্যক্তিত্বও আকৃষ্ট করে বয়সে বড় মহিলাদের। 

পরকীয়া   প্রেম   সম্পর্ক  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড আর্টিকেল

সংগ্রামী নেতা সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মবার্ষিকী আজ

প্রকাশ: ০৮:০৫ এএম, ২৩ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

ভারতের দেশপ্রেমী ও সংগ্রামী নেতা সুভাষ চন্দ্র বসুর জন্মদিন আজ। এই মহান দেশ নেতার হাত ধরে পরাধীন ভারতবাসী স্বাধীনতার স্বপ্ন দেখেছিল। ১৮৯৭ সালের আজকেই এই দিনে জন্মগ্রহণ করেন এই কিংবদন্তি। তাঁর মায়ের নাম ছিলেন  প্রভাবতী বসু এবং পিতা  জানকীনাথ বসু। তাঁর বাবা পেশায় ছিলেন একজন সফল ও সরকারি আইনজীবী। সুভাষচন্দ্র বসু ছিলেন তাঁর বাবা-মায়ের ১৪ সন্তানদের মধ্যে ৯ তম সন্তান। প্রান্ত কলকাতার স্ব-প্রতিষ্ঠিত এই মানুষটি নিজের শিকড়রের সঙ্গে সংযোগ অটুট রেখেছিলেন, প্রত্যেক দুর্গা পূজার ছুটিতে তিনি নিজের গ্রামে ফিরে যেতেন। 

১৯০২ সালে শিক্ষা জীবন  শুরু হয় এই কিংবদন্তি নেতার। পাঁচ বড় ভাইয়ের সাথে কটকের প্রোটেস্ট্যান্ট ইউরোপীয় স্কুলে ভর্তি হন। বিদ্যালয়টিতে তিনি ষষ্ঠ শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেন। বিদ্যালয়টিতে ইংরেজী—সঠিকভাবে লিখিত ও কথ্য—লাতিন, বাইবেল, সহবত শিক্ষা, ব্রিটিশ ভূগোল এবং ব্রিটিশ ইতিহাস অন্তর্ভুক্ত ছিল, কোনও ভারতীয় ভাষা শেখানোর ব্যবস্থা ছিল না।
তিনি এই বিদ্যালয়টিতে শুধু মাত্র তাঁর বাবার পছন্দের ছিলো, তাঁর বাবা চেয়েছিলো ছেলেরা যেন নির্দ্বিধায় ত্রুটিহীন ইংরেজি বলতে পারে। এছাড়া বাড়ির বিপরীত বৈশিষ্ট্যের তাঁর বাড়িটি। কারন,তাঁর বাড়িতে কেবলমাত্র বাংলা ভাষায় কথা বলা হতো।

ছোট থেকেই  বিপ্লবী মন্ত্রে দিক্ষীত ছিলেন তিনি। পড়াশোনার সময় থেকেই ব্রিটিশ শক্তির বিরুদ্ধে তিনি যে সংগ্রাম শুরু করেন, তাকে এখনও স্মরণ করেন গোটা দেশের মানুষ। বাবা, মায়ের চোখে এড়িয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান এই কিংবদন্তি নেতা। সেই থেকে প্রত্যক্ষভাবে বিপ্লবী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন তিনি। এরপর আজাদ হিন্দ ফৌজ গঠন করে গোটা ভারতবর্ষ তোলপাড় করে দিয়েছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত নেতাজির কি হয়, তা নিয়ে স্বাধীনতার এত বছর পরও জল্পনা অব্যাহত। সেই নেতাজির, ভারতের বীর যোদ্ধার জন্মদিন আজ। এই কিংবদন্তি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ভারতবাসীরা নানাভাবে উদযাপন করে থাকেন। 

এই সংগ্রামী, দেশপ্রেমী নেতার দেশের মানুষের জন্য কিছু বিখ্যাত উক্তি রয়েছে, যা সবসময় মানুষের মনে গাঁথা রয়ে যাবে। যেমন- 

-> "সবাই একত্রিত হয়ে যদি কোও সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে চাওয়া হয়, তাহলে তা সম্পূর্ণ হবেই" 

-> "তোমরা আমায় রক্ত দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেব" ব্রিটিশদের ভারত থেকে উৎখাত করতে বলেন।

-> "জীবনে ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করার জন্য সাহসী হতে হবে" বলেও মন্তব্য করেন সুভাষ চন্দ্র বসু

-> "ভারত ডাকছে। রক্ত ডাকছে। আমাদের জেগে উঠতে হবে, সময় নষ্ট করা যাবে না।"

১৯১৮ সালে দর্শনে স্নাতক হন সুভাষ চন্দ্রবসু। ১৯২০ সালে সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন তিনি। সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর ব্রিটিশ সরকারের অধীনে চাকরি করেননি সুভাষ। উলটে ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে গোটা দেশের মানুষকে একত্রিত করে সংঘবদ্ধ লড়াই শুরু করেন। যা চিরস্মরণীয় ভারতবাসীর কাছে।

সুভাষচন্দ্র বসু  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড আর্টিকেল

শহীদ আসাদ দিবস আজ

প্রকাশ: ০৮:০০ এএম, ২০ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

আজ  বৃহস্পতিবার (২০ জানুয়ারি) শহীদ আসাদ দিবস। ১৯৬৯ সালের এই দিনে পাকিস্তানি স্বৈরশাসক আইয়ুব খান সরকারের বিরুদ্ধে গণআন্দোলনকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজের সামনের সড়কে পুলিশের গুলিতে শহীদ হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অকুতোভয় এই ছাত্রনেতা। সেই থেকে দিনটি শহীদ আসাদ দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। এই দিনটি বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রামের ইতিহাসে একটি তাৎপর্যপূর্ণ  দিন।

 পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের নেতা ছিলেন শহীদ আসাদ। পুলিশের গুলিতে নিহত হওয়ার সময় তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্র এবং 
তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের (মেনন গ্রুপ) কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও ঢাকা হল শাখা সভাপতি ছিলেন। 

এই ছাত্রনেতা আসাদুজ্জামান শহীদ হওয়ার পর তিন দিনের শোক পালন শেষে, ওই বছরের ২৪ জানুয়ারি আওয়ামী লীগের ছয় দফা ও ছাত্রদের ১১ দফার ভিত্তিতে সর্বস্তরের মানুষের বাঁধভাঙা জোয়ার নামে ঢাকাসহ সারা বাংলার রাজপথে। সংঘটিত হয় উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান। পতন ঘটে আইয়ুব খানের। আরেক স্বৈরশাসক ইয়াহিয়া খান ক্ষমতায় বসে সাধারণ নির্বাচনের ঘোষণা দেন।

সত্তর সালের সেই অভূতপূর্ব নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়। কিন্তু ইয়াহিয়া ক্ষমতা না ছাড়াতে নানা টালবাহানা শুরু করেন। এরই ধারাবাহিকতায় একাত্তর সালে শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ।

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে আত্মত্যাগকারী শহীদ আসাদ এদেশের গণতন্ত্রপ্রেমী মানুষের মাঝে চির জাগরুক থাকবেন। তার আত্মত্যাগ ভবিষ্যতেও আমাদের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে পথ দেখাবে।

তিনি আরও বলেন, ঊনসত্তরের গণআন্দোলনে শহীদ আসাদের আত্মত্যাগ আন্দোলনে নতুন মাত্রা যোগ করে। স্বাধিকারের দাবিতে সোচ্চার সব শ্রেণি পেশার মানুষ জেল-জুলুম উপেক্ষা করে রাজপথে নেমে আসে। পর্যায়ক্রমে আন্দোলন তীব্র থেকে তীব্রতর আকার ধারণ করে।  সে দিনের সেই আন্দোলন পরবর্তীতে গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয় এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত হয় স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ।

শহীদ আসাদের পুরো নাম আমানুল্লাহ মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান আসাদ। ১৯৪২ সালে নরসিংদী জেলায় তার জন্ম। ছাত্রনেতা আসাদ তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিহাস বিভাগে স্নাতকোত্তর শ্রেণির ছাত্র ছিলেন। আসাদ ছাত্র রাজনীতিতে অত্যন্ত সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন।

শহীদ আসাদ দিবস  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড আর্টিকেল

অনলাইন উপর্জনই হতে পারে টেকসই কর্মক্ষেত্র

প্রকাশ: ০৮:০০ এএম, ১৯ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

বর্তমান কাজের নতুন নতুন দিগন্ত উন্মোচন করছে অনলাইন। ঘরে বসেই অনলাইনের মাধ্যমে উপার্জন করার সুযোগ তৈরি করে দিচ্ছে। আর তাই ঘরে বসেই ইন্টারনেট ব্যাবহারের মাধ্যমে বিভিন্ন ভাবে বা উপায়ে উপার্জন করছে অনেকে। কিন্তু অনলাইনে যেমন উপার্জন করার বিভিন্ন মাধ্যম রয়েছে ঠিক তেমনি রয়েছে ফাঁদে ফেঁসে যাওয়ার ভয়। তাই অনলাইনে উপার্জন করার জন্য বাছাই করুন সঠিক প্ল্যাটফর্মটি।
তাই অনলাইনের মাধ্যমে উপার্জন করার ইচ্ছে বা আগ্রহ থাকলে , আমাদের আজকের প্রতিবেদনটি আপনার জন্য।

চলুন তাহলে আজ দেখে নেই অনলাইনে উপার্জন করার প্ল্যাটফর্মগুলো-

 ফ্রিল্যান্সিং:

এখনকার সময়ে খুব জনপ্রিয় উপার্জন করার অনলাইন প্ল্যাটফর্ম হলো ফ্রিল্যান্সিং। সহজ ভাষায় বলতে গেলে, ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন কাজ করিয়ে নেওয়াটাই ফ্রিল্যান্সিং। এছাড়াও বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সারদের দক্ষতার ওপর ভিত্তি করে ফ্রিল্যান্স কাজের সুযোগ দেয় কয়েকটি ওয়েবসাইট। এসব সাইটের মধ্যে ফাইভার ডটকম, আপওয়ার্ক ডটকম, ফ্রিল্যান্সার ডটকম ও ওয়ার্কএনহায়ার ডটকমে ফ্রিল্যান্সিং কাজ পাওয়া যায়। 
ফ্রিল্যান্সিং কাজ করতে হলে আপনাকে বেশ দক্ষ এবং অভিজ্ঞ হতে হবে । তাহলে আপনাকে জানতে হবে ফ্রিল্যান্সিংয়ে কি কি কাজ করতে হয়। ফ্রিল্যান্সিং কাজ গুলো হলো: ওয়েব ডিজাইনিং, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, গ্রাফিক্স ডিজাইন, লেখা-লেখি বা অনুবাদ, গ্রাহক সেবা বিক্রয় ও বিপণন, ব্যবসা সেবা ইত্যাদি।

উপরোক্ত কাজ গুলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান আপনাকে দিবে। আপনি কাজ গুলো করে দিতে পারলেই অনলাইন থেকে আয় করা সম্ভব। তাই আপনি যে কাজে বেশি দক্ষ এবং অভিজ্ঞ সেই কাজটাই করুন।

 ইউটিউব:

অনলাইনে উপার্জনের আরেকটি প্ল্যাটফর্ম হলো ইউটিউব। ভিডিও কনটেন্ট এর জনপ্রিয়তার সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ইউটিউবের জনপ্রিয়তা। এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে উপার্জন করা কারোরই অজানা নেই।  নিজের ইউটিউব চ্যানেল খুলে তাতে ভিডিও আপলোড করে সেখান থেকে আয় করতে পারেন। আপনার চ্যানেল কোন ক্যাটাগরির এবং তাতে কোন ধরনের ভিডিও রাখবেন, তা আগেই ঠিক করে রাখুন। যে বিষয়ে মানুষের আগ্রহ বেশি, সেই বিষয়ে ভিডিও না রাখলে মানুষ তা দেখবে না। ভিডিও না দেখলে আয় হবে না। চ্যানেলের সাবসক্রাইবার ও ভিডিও দেখার সময় বাড়লে আয়ের সম্ভাবনা বাড়বে। প্রতি হাজার ভিউয়ের হিসাবে গুগল থেকে অর্থ পাবেন।

তবে আপনার ইউটিউব চ্যানেলের মনিটাজেশন প্রক্রিয়া চালু হওয়ার পর  আপনার ইউটিউব চ্যানেল থেকে উপার্জন করতে পারবেন। আপনার চ্যানেলের মনিটাজেশন প্রক্রিয়া চালু হলে আপনার আপলোড করা ভিডিওতে এড দেখাবে। সেই এডের উপর ভিত্তি করে আপনি এডসেন্সের একাউন্টে টাকা জমা হবে। 

 ব্লগিং: 

অনেকেরই লেখালেখির অভ্যাস আছে। এই অভ্যাসটা যদি পেশাগত কাজে লাগাতে পারেন, তবে অনলাইনে আয় করতে পারবেন। ব্লগিং করেও আয় করার সুযোগ আছে। দুই উপায়ে ব্লগ থেকে আয় করা যায়। একটি হচ্ছে নিজের ব্লগ সাইট তৈরি। ওয়ার্ডপ্রেস বা টাম্বলার প্ল্যাটফর্মে বিনা মূল্যে ব্লগ শুরু করতে পারেন। আবার চাইলে নিজে ডোমেইন হোস্টিং কিনে ব্লগ চালু করতে পারেন। 

তবে নিজে ব্লগ চালু করতে গেলে কিছু বিনিয়োগ করার দরকার হবে। ডোমেইন, হোস্টিং কিনতে হবে। নিজের ব্লগ শুরু করাটাই ভালো। কারণ, এতে নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী অনেক পরিবর্তন করার সুযোগ আছে। বিজ্ঞাপন, ফেসবুকের ইনস্ট্যান্ট আর্টিকেল, পণ্যের পর্যালোচনা প্রভৃতি নানা উপায়ে ব্লগ থেকে আয় করতে পারেন। কিন্তু ব্লগ লিখে আয় করতে গেলে তাড়াতাড়ি আয় আসবে না। এর জন্য প্রচুর সময় ও ধৈর্য থাকতে হবে। অনেকের ব্লগ থেকে আয় করতে কয়েক বছর পর্যন্ত লেগে যায়। ব্লগে নিয়মিত কনটেন্ট আপডেটসহ তা সক্রিয় রাখতে কাজ করে যেতে হয়।

কনটেন্ট রাইটিং: 

যারা লেখালেখিতে ভালো এবং একাধিক ভাষায় সাবলীল লিখতে পারেন, তাঁদের কাজের জন্য বসে থাকতে হয় না। অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোতে কাজ করে বা লিখে দক্ষতা অর্জন করতে পারেন। আর্টিকেল লেখার মানের ওপর ভিত্তি করে আয় আসে। কাজদাতা নির্দিষ্ট নীতি মেনে লেখার জন্য বলতে পারেন। নির্দিষ্ট বিষয় ধরে নিজের দক্ষতা বাড়াতে পারলে আয়ের ধারা বেড়ে যায়।

অনুবাদ:

ইংরেজির পাশাপাশি অন্য কোনো ভাষা ভালোভাবে জানা থাকলে সেই দক্ষতা কাজে লাগিয়ে আয় করতে পারেন। বেশ কিছু ওয়েবসাইট আছে যেখানে বিভিন্ন ডকুমেন্ট অনুবাদ করে আয় করতে পারেন। যাঁদের স্প্যানিশ, ফ্রেঞ্চ, আরবি, জার্মানসহ অন্যান্য ভাষা জানা আছে এবং এগুলো থেকে ইংরেজিতে অনুবাদ বা ইংরেজি থেকে এসব ভাষায় অনুবাদ করতে পারলে ভালো আয় করতে পারবেন। অনেক সময় কাজদাতারা নিজে সময়ের অভাবে অনুবাদের কাজ ফ্রিল্যান্সারদের দিয়ে করিয়ে নেন। ফ্রিল্যান্সিং সাইটগুলোতে এ ধরনের কাজ পাবেন।

সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম:

ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম, স্ন্যাপচ্যাট এখন আর শুধু বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য নয়। এগুলো কাজে লাগিয়ে আয় করতে পারেন।

বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্র্যান্ডের পক্ষ থেকে সোশ্যাল মিডিয়া পরিকল্পকদের প্রচুর অর্থ দেওয়া হয় তাদের ব্র্যান্ডের প্রচার করার জন্য। অনলাইনে গ্রাহক টানা, প্রচার করার জন্য অবশ্য সৃজনশীলতা দরকার। বিভিন্ন পোস্ট তৈরি, ভিডিওর মাধ্যমে ফেসবুক বা অন্যান্য মাধ্যমে প্রকাশ করে তা ভাইরাল করতে পারলে ভালো অর্থ আসে। তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় ফ্যান-ফলোয়ার তৈরিসহ তাঁদের ধরে রাখতে প্রচুর ধৈর্য ও প্রাসঙ্গিক বিষয় হওয়া জরুরি।


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন