ইনসাইড বাংলাদেশ

৭০ বছরেও ঘুরে দাড়াতে পারেনি চট্টগ্রামের কাস্টমস হাউস

প্রকাশ: ১০:০২ পিএম, ২৬ জানুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

চট্টগ্রামের কাস্টমস হাউস হচ্ছে সরকারের সবচেয়ে বেশী আমদানী - রপ্তানী খাতে রাজস্ব আদায়কারী প্রতিষ্টান।

৭০ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো আধুনিকতার ছোঁয়া লাগেনি। পুরোপুরি ডিজিটালাজিষ্টের সক্ষমতা অর্জন করতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটি। জনবল সংকট আর অপর্যাপ্ত ল্যাবের বিষয়ে অভিযোগ দীর্ঘদিনের। আধুনিকায়নের নামে দশ বছর আগে চালু হওয়া অ্যাসাইকুডা ওয়ার্ল্ড সিস্টেমটি এখন স্টেক হোল্ডারদের জন্য ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দশ বছরেও হয়নি সার্ভার সমস্যার সমাধান। উল্টো কাস্টমস অফিসার কম্পিউটার খুললেই বলে সার্ভার সমস্যা। ফলে অর্থ ও সময় অপচয় রোধের পাশাপাশি স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে চলমান সংকট সমাধানে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার দাবি জানিয়েছেন স্টেক হোল্ডাররা। 

চট্টগ্রাম কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের জন্য অনুমোদিত পদ রয়েছে ১ হাজার ২৪৮টি। এর বিপরীতে বর্তমানে কাজ করছেন ৬১২ জন। এরমধ্যে প্রথম শ্রণির ২১০ পদের বিপরীতে ১১৫ জন, দ্বিতীয় শ্রেণির ৪৯৭ পদের বিপরীতে ২৫৮, তৃতীয় শ্রেণির ৪২৩ পদের বিপরীতে ১৬৮ জন ও চতুর্থ শ্রেণির ১১৮ পদের বিপরীতে কর্মরত আছেন ৯৫ জন। এভাবে চলতে থাকলে স্মাট বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করার ক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকবে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস। এমনটা মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। 



মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

গাজীপুরে ঝুট গুদামে ফের আগুন

প্রকাশ: ০৮:২২ এএম, ০৩ মার্চ, ২০২৪


Thumbnail

গাজীপুরের সদর উপজেলার পিরুজালী ইউনিয়নের মনিপুর এলাকায় তিনটি ঝুট গুদামে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

শনিবার (৩ মার্চ) দিবাগত রাত ২টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৪টি ইউনিটের চেষ্টায় দুই ঘণ্টা পর রাত ৪টা ৭ মিনিটের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এখন পর্যন্ত  প্রাথমিকভাবে আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গাজীপুর ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক মো. আব্দুল্লাহ আল আরেফিন।

তিনি বলেন, অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে রাত ২টা ২০ মিনিটের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে কাজ শুরু করে রাজেন্দ্রপুর মর্ডান ফায়ার স্টেশন ও শ্রীপুর ফায়ার স্টেশনের ৪টি ইউনিটের কর্মীরা।


আগুন   অগ্নিদণ্ড  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

সেমিনারে যোগ দিতে যুক্তরাজ্যের পথে ডিএমপি কমিশনার

প্রকাশ: ০৮:১৩ এএম, ০৩ মার্চ, ২০২৪


Thumbnail

ট্রান্সপোর্ট ফর লন্ডনের আয়োজনে একটি সেমিনারে যোগ দিতে যুক্তরাজ্যের পথে রয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমান।

শনিবার (২ মার্চ) রাতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে যুক্তরাজ্যের উদ্দেশ্যে রওনা দেন তিনি।

জানা গেছে, তিনি লন্ডনে আগামী ৪ মার্চ থেকে ৮ মার্চ পর্যন্ত Transport for London (TFL, Consulting) কর্তৃক আয়োজিত সেমিনারে অংশগ্রহণ করবেন।


ডিএমপি কমিশনার  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য আরব আমিরাত ও লন্ডন গেলেন রাষ্ট্রপতি

প্রকাশ: ০৮:০৪ এএম, ০৩ মার্চ, ২০২৪


Thumbnail

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) এবং যুক্তরাজ্যের (ইউকে) উদ্দেশে শনিবার (২ মার্চ) দিবাগত রাত ১টা ১৫ মিনিটে ঢাকা ত্যাগ করেছেন।

হযরত শাহজালাল (র.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে যাত্রা করে রাষ্ট্রপতি ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি নিয়মিত ফ্লাইট।

এ সময় বিমানবন্দরের ভিভিআইপি লাউঞ্জে রাষ্ট্রপতিকে বিদায় জানান, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, ব্রিটিশ হাইকমিশনার, বাংলাদেশে নিযুক্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, তিন বাহিনী প্রধানগণ, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, পররাষ্ট্র সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শকসহ (আইজিপি), ঊর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা।

রাষ্ট্রপতি পত্নী ড. রেবেকা সুলতানা এবং বঙ্গভবনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ মেডিক্যাল চেকআপের সময় তার সঙ্গে থাকবেন।

আগামী ১৩ মার্চ  রাষ্ট্রপতি দেশের উদ্দেশে লন্ডন ত্যাগ করবেন বলে বঙ্গভবনের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন।


রাষ্ট্রপতি   মো. সাহাবুদ্দিন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

৩ মার্চ ১৯৭১: স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ ঘোষণা

প্রকাশ: ০৮:০০ এএম, ০৩ মার্চ, ২০২৪


Thumbnail

মার্চ ১৯৭১ পশ্চিমের শাসকরা জাতীয় পরিষদের অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ঘোষণা করার পর থেকেই উত্তাল হয়ে ওঠে গোটা পূর্ব পাকিস্তান।  আর স্বাধীনতার মাসের ০৩ তারিখে বেগবান হয় বাঙালী জাতীর গৌরবময় ঐতিহাসিক পথচলা। সেদিন ঘোষিত হয় স্বাধীনতা সংগ্রামের পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা। ১৯৭১ সালের মার্চ পল্টন ময়দানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উপস্থিতিতে 'স্বাধীনতার ইশতেহার' ঘোষণা করে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ।  ১৯৭১ এর এই দিনে ঘোষণা হয় পূর্ব পাকিস্তানের সাত কোটি মানুষের স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের নাম হবে বাংলাদেশ।

 এর আগে একাত্তরের পহেলা মার্চ পাকিস্তানের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান হঠাৎ করে ৩রা মার্চের জাতীয় পরিষদ অধিবেশন বাতিল ঘোষণা করলে, পরিষ্কার হয়ে যায় ক্ষমতার ছাড়ছেন না তিনি। সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা বঙ্গবন্ধুর ডাকে উত্তাল হয়ে উঠে পূর্ব বাংলা। বিক্ষোভ ঠেকাতে জারি করা হয় কারফিউ। স্বাধীনতাকামী জনতার মিছিলে পাক সেনাদের গুলিতে প্রাণ হারান অসংখ্য বাঙ্গালি।

 স্বাধীনতার জন্মলগ্নের সেই দিনে, আগামীর বাংলাদেশ রাষ্ট্রীয় মূলনীতির রূপরেখা জানাতে, পল্টন ময়দানে জনসভা ডাকে, স্বাধীন বাংলা কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ।  লাখো মানুষের সেই সভায় যোগ দেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তাঁর উপস্থিতিতে স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ করেন ছাত্রলীগের তখনকার সাধারণ সম্পাদক শাজাহান সিরাজ এবং সভাপতিত্ব করেন ছাত্র নেতা নূরে আলম সিদ্দিকী।

সমাবেশে উত্তোলন করা হয় স্বাধীন বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা। ঘোষণা করা হয়, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা আমার সোনার বাংলা গানটিই হবে জাতীয় সংগীত।

 লাখো জনতার উপস্থিতিতে ইশতেহার পাঠের পর স্বাধীনতার স্বপক্ষে শপথ নেন স্বাধীন বাংলা কেন্দ্রীয় ছাত্র-সংগ্রাম পরিষদের চার নেতা নূরে আলম সিদ্দিকী, শাজাহান সিরাজ, আবদুর রব আবদুল কুদ্দুস মাখন।

 জনসভায় দেয়া বক্তব্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের নেতাদের বিভ্রান্ত না হয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার আহবান জানান, একইসঙ্গে ৭ই মার্চ জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেবেন বলেও জানান বঙ্গবদ শেখ মুজিবুর রহমান।  পাঁচ দশক পেরিয়েও যে ভাষণ এখন বিশ্বজুড়ে নিপীড়িত মানুষের মুক্তির প্রেরণা।


৩ মার্চ ১৯৭১   স্বাধীন   বাংলাদেশ   ঘোষণা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

ডিসিদের জবাবদিহিতার আওতায় আনবে কে?

প্রকাশ: ১১:০০ পিএম, ০২ মার্চ, ২০২৪


Thumbnail ফাইল ছবি

আগামীকাল শুরু হচ্ছে জেলা প্রশাসক সম্মেলন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জেলা প্রশাসকদের সম্মেলনে বক্তব্য রাখবেন, তাদেরকে দিক নির্দেশনা দেবেন। নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর মাঠ প্রশাসনের সর্বোচ্চ কর্মকর্তাদেরকে এবারই প্রথম ঢাকায় নিয়ে আসা হচ্ছে। এই সম্মেলনের মাধ্যমে মাঠ প্রশাসনে আওয়ামী লীগ সরকারের অভিপ্রায় এবং লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য সুষ্পষ্ট পথ নির্দেশনা দেওয়া হবে। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, জেলা প্রশাসক হিসেবে যারা আছেন উপসচিব পদমর্যাদার সেই কর্মকর্তাদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করবে কে? 

গত কয়েক বছর ধরে জেলা প্রশাসকদের নিয়ে নানারকম অভিযোগ উঠছে। নারী কেলেঙ্কারি থেকে শুরু করে সাংবাদিক পেটানো, জনপ্রতিনিধিকে অপমান করা থেকে শুরু করে দুর্নীতি নানারকম অভিযোগে অভিযুক্ত হয়ে জেলা প্রশাসকরা শাস্তি পাচ্ছেন মোটেও কম। যাও বা শাস্তি দেওয়া হচ্ছে সেটি আবার পরবর্তীতে মওকুফ করে দেওয়া হচ্ছে। 

একজন জেলা প্রশাসক নারী কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে পড়লেন, তার ভিডিও ভাইরাল হয়ে গেল তাকে তার কর্মস্থল থেকে সরিয়ে আনা হল, শাস্তি দেওয়া হল তার ইনক্রিমেন্ট স্থগিত করা এবং পদাবনতি। এটি একটি ফৌজদারি অপরাধ। কিন্তু এই ফৌজদারি অপরাধে তিনি সামান্য প্রশাসনিক শাস্তিতেই বেঁচে গেলেন। 

আরেকজন জেলা প্রশাসকের কাণ্ড আরও ভয়ঙ্কর। তিনি রীতিমতো মাফিয়া ডনদের মতো আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং ম্যাজিস্ট্রেটকে ব্যবহার করে এক সাংবাদিকের বাড়ি আক্রমণ করলেন। সাংবাদিককে পেটালেন। তারপর তাকে প্রত্যাহার করা হল বটে, তার পদাবনতি হল কিন্তু শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রপতির করুণায় তিনি দণ্ড মওকুফ পেলেন। এখন তিনি বহাল তবিয়তে চাকরি করছেন। 

পরকীয়ার সাথে জড়িত আরেক জেলা প্রশাসককে তার কর্মস্থল তাকে ঢাকায় নিয়ে এসে শুধুমাত্র সতর্ক করা হল। 

বাংলাদেশের প্রশাসনের লোকজনের এখন জবাবদিহিতা নেই। তারা বিচারের ঊর্ধ্বে উঠে গেছেন। সরকার কিছুদিন আগে আইন করেছে যে, সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন মামলা করতে গেলে অনুমতি নিতে হবে। তাদের গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রেও আছে হাজার রকমের বাধা। ফলে অনেক জেলা প্রশাসক বা মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তারা হয়ে উঠেছেন অপ্রতিরোধ্য। তারা যেন কাউকেই মানছেন না। বিভিন্ন স্থানে জেলা প্রশাসকরা জনপ্রতিনিধিদেরকে পাত্তা দেন না এমন অভিযোগ রয়েছে। জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে জনপ্রতিনিধিদের দূরত্বের খবরও এখন নতুন কিছু নয়। 

নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। মাঠ প্রশাসনের আমলাদেরকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা এখন সরকারের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ। না হলে এই সরকারের রাজনৈতিক চরিত্র থাকবে না বলে অনেকে মনে করেন। জেলা প্রশাসকের প্রধান দায়িত্ব হল প্রশাসনের মধ্যে একটা সমন্বয় সাধন করা, জনপ্রতিনিধি এবং প্রশাসনের মধ্যে সমন্বয় করে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালিত করা। কিন্তু জেলা প্রশাসকরা এখন জনপ্রতিনিধিদের জবাবদিহিতার বাইরে। জেলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সচিবদেরকে। ফলে জেলা প্রশাসকরা প্রতিনিধিদেরকে কেয়ার করেন না। যে সমস্ত স্থানে জনপ্রতিনিধিরা ক্ষমতাবান বা তাদের প্রভাবপত্তি বেশি সেখানে তারা জনপ্রতিনিধিদেরকে কিছু তোয়াক্কা করেন বটে কিন্তু অন্যান্য স্থানে তারা যেন জনপ্রতিনিধিদের চেয়ে অনেক বেশি ক্ষমতাবান। আর এবারের জেলা প্রশাসক সন্মেলনে মাঠ প্রশাসনকে অবশ্যই জবাবদিহিতার আওতায় আনার একটি সুনির্দিষ্ট রূপকল্প তৈরি করতে হবে, সুনির্দিষ্ট রূপকল্প নির্দেশনা দিতে হবে। না হলে মাঠ প্রশাসন পরিণত হবে দানবে।



জেলা প্রশাসক সম্মেলন  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন