ইনসাইড বাংলাদেশ

শহীদ বুদ্ধিজীবীর তালিকায় কিশোরগঞ্জের শামসুদ্দীন আহমেদ

প্রকাশ: ০৭:১৫ পিএম, ১২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বুদ্ধিজীবীর'র তালিকায় কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার শহীদ বুদ্ধিজীবী শামসুদ্দীন আহমেদ এর নাম অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের গেজেট অধিশাখা মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের তালিকা প্রকাশ করেছে। এ তালিকার তৃতীয় পর্বে গেজেট ৪২৭, ক্রমিক নং ৯২ এ শহীদ বুদ্ধিজীবী শামসুদ্দীন এর নাম অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।

 

জানা যায়, প্রথম জীবনে তাড়াইল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক ছিলেন শহীদ বুদ্ধিজীবী শামসুদ্দীন আহমেদ।১৯৬৪ সালে পূর্ব পাকিস্তান সুপিরিয়র্স সার্ভিসে কুমিল্লার ডেপুটি মেজিস্ট্রেট হিসাবে যোগ দেন।

 

তারপর ঢাকা অতঃপর রাজশাহীতে পোষ্টিং হয় সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার হিসাবে। তখন মুক্তিযুদ্ধ। তানোর থানায় সংগ্রাম পরিষদের মিটিং'এ যাওয়ার পথে পাক বাহিনীদের দ্বারা গ্রেফতার হয় তিনি।তারপর আর খোঁজ মিলেনি তার।

 

পরবর্তীতে ১৯৭২ সালে কেবিনেট এফেয়ারস মন্ত্রনালয় পরিবারকে কোনডোলেন্স জানিয়ে শামসুদ্দীন আহমেদ শহীদ হওয়ার বিষয় গেজেটের মাধ্যমে প্রকাশ করেন।

 

মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বুদ্ধিজীবী শামসুদ্দীন আহমেদ এর সন্তান ক্যাপ্টেন সালাহ উদ্দিন আহমেদ সেলু জানান,সুদীর্ঘ ৫৩ বছর অপেক্ষার পর প্রকৃত স্বাধীনতা এলো পরিবারে।আজকের দিনটার জন্য আম্মা অনেক পরিশ্রম করে গেল।৫২ বছর পর স্বীকৃতি, এ এক বিরল অভিজ্ঞতা।সংশ্লিষ্ট সকলকেই ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।


শহীদ বুদ্ধিজীবী   শামসুদ্দীন আহমেদ   মুক্তিযুদ্ধ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

ড. ইউনূসের মামলা: ওবামা-হিলারি কেন ঢাকায় আসছেন না?

প্রকাশ: ১০:০০ পিএম, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

গতকাল ডয়েচ ভেলের সাথে সাক্ষাৎকারে ড. ইউনূস দাবি করেছেন যে, সরকার হিলারি ক্লিনটন এবং বারাক ওবামাকে তার মামলার কাগজপত্র দেখার জন্য ঢাকায় আসতে দিচ্ছেন না। এ নিয়ে সরকারের আগ্রহ নেই। সরকারের বাঁধার কারণে তারা আসতে পারছেন না। প্রশ্ন ছিল যে, বারাক ওবামা এবং হিলারি ক্লিনটন যে ইউনূসের ব্যাপারে বিবৃতি দিয়েছিল এবং তার প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী তাদেরকে এসে সরেজমিনে মামলার কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করার আহ্বান জানিয়েছিলেন সেটির কী হলো? জবাবে ইউনূস এই বক্তব্যটি দিয়েছেন। কিন্তু ড. ইউনূসের এই বক্তব্যের সঙ্গে বাস্তবতার কোনো মিল নেই।

বারাক ওবামা এবং হিলারি ক্লিনটনের ব্যক্তিগত ওয়েবসাইট পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায় যে, তারা বাংলাদেশে আসার ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন এবং বাংলাদেশে আসতে চান বা বাংলাদেশে আসার জন্য ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ মিশনে কোনো রকম চিঠি বা মৌখিক আবেদন করেছেন এমন কোনও প্রমাণ নেই। হিলারি ক্লিনটন বা বারাক ওবামা যদি বাংলাদেশে আসতে চান তাহলে তাদের ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসের সঙ্গে নিশ্চয়ই যোগাযোগ করার কথা। সেখান থেকে বাংলাদেশের জন্য ভিসা নেওয়ার কথা। এ রকম কোনো ভিসার আবেদন তারা করেননি।

তাছাড়া যদি এই সমস্ত আবেদন তারা নাও করেন, তবুও তাদের টুইটার একাউন্টে তারা বাংলাদেশে যাবার ঘোষণা দিতে পারেন। কিন্তু হিলারি ক্লিনটন এবং বারাক ওবামা যখন প্রথম বিবৃতি দিয়েছিলেন, সেই বিবৃতিতে তারা ড. ইউনূস এর মামলার ব্যাপারে স্বচ্ছতা দাবি করেছিলেন এবং একটি নিরপেক্ষ কাউন্সিল গঠনের মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগগু্লো তদন্ত করার আহ্বান জানিয়েছিলেন। এর পরপরই প্রায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাদেরকে মামলার কার্যক্রম দেখার জন্য আমন্ত্রণ জানান এবং সমস্ত কাগজপত্র তাদের দেখানো হবে বলেও প্রধানমন্ত্রী আগ্রহ প্রকাশ করেন।

এরপর ড. ইউনূসের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মাহবুব জানান যে, তারা বাংলাদেশে আসবেন। কিন্তু তার এটি ছিলো একটি চতুরতা, প্রতারণামূলক বক্তব্য। কারণ বারাক ওবামা বা হিলারি ক্লিন্টন কেউই বাংলাদেশে আসবেন এমন কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন নাই।

সাধারণত এই ধরণের বিশ্ব নেতাদের যে কোনও দেশ সফরের আগে থেকেই আগাম ঘোষণা দেওয়া হয়। ওই সমস্ত নেতারাই বক্তব্য দেন। তারা জানান যে, তারা একটি দেশে যাচ্ছেন, কেন যাচ্ছেন? বারাক ওবামা পৃথিবীর যে প্রান্তেই যান না কেন তার বহু আগে থেকেই তিনি এ ব্যাপারে তার টুইটার অ্যাকাউন্টে নিজে ঘোষণা দেন। একই রকম অভ্যাস আছে সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটনেরও। তিনিও কোনো কর্মকাণ্ড করলে বা কোনো বিষয়ে বক্তব্য রাখতে গেলে বা কোনো দেশ সফরে যেতে গেলে তার টুইটার একাউন্টে এ বিষয়ে জানান দেন। কিন্তু বাংলাদেশের ব্যাপারে বারাক ওবামা বা হিলারি ক্লিনটন কেউই তাদের টুইটার হ্যান্ডেলে কিছু বলেননি।

বাংলাদেশ সরকার কি করতে পারে, প্রধানমন্ত্রী যখন আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দিয়েছেন তারপর ড. ইউনূস সেন্টার বারাক ওবামা বা হিলারি ক্লিনটনের সঙ্গে যোগাযোগ কুড়িয়েছিলো? বারাক ওবামা বা হিলারি ক্লিনটন কি বাংলাদেশের পররাষ্ট্র দপ্তর বা ওয়াশিংটনে বাংলাদেশের দূতাবাস বা কোনো মহলে তাদের আসার আগ্রহের কথা বলেছিলেন? তারা কিছুই বলেননি। তার মানে এটি ইউনূসের আরেকটি প্রবঞ্জনা। সরকারকে হেউ করা এবং সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচারে যে তিনি সবসময় মিথ্যার আশ্রয় নেন, বারাক ওবামা এবং হিলারি ক্লিনটন ইস্যুটি তার একটি জলজ্যান্ত প্রমাণ।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

সাতক্ষীরায় সড়কে প্রাণ গেলো দুই হজ্বযাত্রীর

প্রকাশ: ০৮:১১ পিএম, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

সাতক্ষীরায় পিকআপ ও ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে ওমরা হজ্ব পালনের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়া দুই ব্যক্তি নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও তিন জন।  

শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারী) সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা ইউনিয়নের নোয়াপাড়া ঢালরি মোড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, খুলনার পাইকগাছা উপজেলার গজালিয়া গ্রামের আরশাদ আলী সরদারের স্ত্রী ফজিলা খাতুন (৬০) ও একই উপজেলার লক্ষ্মীখোলা গ্রামের কাশেম গাজীর স্ত্রী আছিয়া খাতুন খাতুন (৫৫)। 

আহতরা হলেন, পাইকগাছা উপজেরার গজালিয়া গ্রামের আসাদ আলী গাজীর ছেলে মিজানুর রহমান (৪৭), মুজিবুর রহমানের স্ত্রী রেশমা খাতুন (৩৯) ও আব্দুস সামাদ গাজীর ছেলে হুমায়ন কবীর (৪৮)।

প্রত্যক্ষদর্শীরা ও স্থানীয়রা জানায়, খুলনার পাইকগাছা থেকে অটোরিকশা যোগে পাঁচজন সাতক্ষীরার আশাশুনিতে যাচ্ছিলো। পতিমধ্য আশাশুনি উপজেলা সড়কের নেয়াপাড়া গ্রামের ঢালিপাড়া এলাকায় পৌঁছালে অপরদিক থেকে আসা পিকআপের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলে দুই ব্যক্তি নিহত হয়। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে সাতক্ষীরা মেডিকেল হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।  নিহত ও আহত সকলে পবিত্র ওমরা হজ্ব পালনের উদ্দেশ্যে বাড়ী থেকে রওনা হয়েছিলেন। সাতক্ষীরার আশাশুনিতে তাদের আত্নীয় রয়েছে যিনি সঙ্গে যাবেন তাই তাকে নেওয়ার জন্য আশাশুনিতে যাচ্ছিলো তারা। 

আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিশ্বজিত কুমার অধিকারী ঢাকা পোস্টকে বলেন, অটোরিকশা ও পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়েছেন। আহত তিনজনকে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, তারা সকলে পবিত্র ওমরা হজ্ব পালেনের উদ্দেশ্য বাড়ী থেকে রওনা হয়েছিলেন। প্রতিমধ্য দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে তাদের বাহনটি।


সড়ক দূর্ঘটনা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

লক্ষ্মীপুরে জাতীয় পাঠ্যক্রম প্রজন্মের শীর্ষক আলোচনা সভা

প্রকাশ: ০৭:৫৮ পিএম, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

লক্ষ্মীপুরে জাতীয় পাঠ্যক্রম প্রজন্মের প্রকৃত শিক্ষা ভাবনা শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদ লক্ষ্মীপুর জেলা শাখার উদ্যোগে শহরের ওয়েলকাম কমিউনিটি সেন্টারে এ সভার আয়োজন করা হয়। জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের লক্ষ্মীপুর জেলা শাখা সভাপতি আব্দুর রহিমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন, সংগঠনটির কেন্দ্রীয় শরীয়াহ বিষয়ক সম্পাদক মুফতি লুৎফুর রহমান ফরায়েজি।

সংগঠনটির জেলা সাধারণ সম্পাদক সালেহ আহমদের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন, হাজিরহাট কামিল মাদরাসার সাবেক অধ্যক্ষ জায়েদ হোসাইন ফারুকী, লক্ষ্মীপুর দারুল উলূম কামিল মাদরাসার উপাধ্যক্ষ ইসমাঈল হোসেন, বটতলী মাদরাসার মুহাদ্দিস মুফতি ইউনুস আহমদ, রামগঞ্জ কাশিমনগর মাদরাসার সহকারী অধ্যাপক মহি উদ্দিন ও বেফাক বোর্ড লক্ষ্মীপুর জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক নোমান সিরাজী। 

এসময় অতিথিরা সরকারের কাছে সর্বাধুনিক, মননশীল ও জীবনমুখী পাঠ্যক্রমের মাধ্যমে সিলেবাস প্রণয়নের দাবি করেন।


আলোচনা সভা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

দ্রব্যমূলের পর বিদ্যুৎ: সরকার কি ঝুঁকি নিচ্ছে

প্রকাশ: ০৯:০০ পিএম, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

সরকার বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সরকারের এই নীতিগত সিদ্ধান্তের ইঙ্গিত দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। আজ গণমাধ্যমের সাথে আলাপকালে তিনি বলেছেন যে, বিদ্যুতের মূল্য সমন্বয় করা হবে। কিন্তু মুদ্রাস্ফীতির চাপে চিঁড়েচ্যাপ্টা থাকা সাধারণ মধ্যবিত্ত মানুষ এমনি অসহনীয় জীবন যাপন করছেন। দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি কিছুতেই নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। এই মুহূর্তে বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির ঝুঁকি সরকার কেন নিচ্ছে- সেটি নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে অর্থনীতির সূচকগুলোতে আবার একটা ইতিবাচক লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আবার ২০ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছে। তাছাড়া বাংলাদেশের রপ্তানি আয় জানুয়ারি মাসে উল্লেখযোগ্য ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এরকম পরিস্থিতিতে অর্থনৈতিক সংস্কারকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত বলে বিশ্লেষকরা মনে করেন।  

তারা মনে করেন, খেলাপি ঋণ বন্ধ, অর্থ পাচার বন্ধ এবং দুর্নীতি যদি বন্ধ করা যায় তাহলে বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি করা উচিত নয়। তাছাড়া মূল্য সমন্বয়ের যে বিষয়টি বলা হচ্ছে সেটি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন সংশ্লিষ্ট মহল। তারা বলছেন, সমন্বয় মানে হল আন্তর্জাতিক বাজারে যখন দাম কমে, তখন তেলের দাম কমাতে হবে, গ্যাসের দাম কমাতে হবে। আবার আন্তর্জাতিক বাজারে যখন বাড়বে তখন সেটা বাড়াতে হবে। কিন্তু বিদ্যুৎ এবং জ্বালানি মন্ত্রণালয় কখনোই তেলের দাম আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে না। শুধুমাত্র যখন মূল্য বৃদ্ধি হয় তখন এটির দাম বাড়িয়ে দেওয়া হয়। কদিন আগে গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়েছে। এখন আবার যদি বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয় তাহলে এটি সাধারণ মধ্যবিত্তদের জন্য মরার ওপর খাঁড়ার ঘা হিসেবে বিবেচিত হবে।   

বিভিন্ন মহল মনে করছে যে, বিদ্যুৎ এবং জ্বালানি খাতে যে অনিয়ম এবং আমদানি নির্ভরতা এবং কিছু কিছু ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠানকে মুনাফা দেওয়ার প্রবণতা বিশেষ করে কুইক রেন্টাল বিদ্যুতের নামে যে স্বেচ্ছাচারিতা হচ্ছে এগুলো যদি বন্ধ করা যায় তাহলে পরে বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকির প্রয়োজন হয় না। কিন্তু ক্যাপাসিটি চার্জের নামে কিছু ব্যক্তির হাতে রাষ্ট্রের কোটি কোটি সম্পদ তুলে দিয়ে সাধারণ মানুষের জন্য বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি করা কতটুকু নৈতিক সিদ্ধান্ত তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। আর এসব কারণেই সাধারণ মানুষজন বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধিতে ফুঁসে উঠতে পারে বলেও কোন কোন মহল মনে করছেন। অন্যদিকে বিএনপি সহ বিরোধী দলগুলো বিদ্যুতের মূল্য নিয়ে আন্দোলনের পরিকল্পনা তৈরি করেছে। ইতোমধ্যে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি হলে তারা আন্দোলনে নামবে।

বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলো বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছে এবং এ নিয়ে আন্দোলন করার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। সরকার নির্বাচনের পর একটি স্বস্তিদায়ক অবস্থায় রয়েছে। সামনে রমজান এবং গ্রীষ্মের শুরু হচ্ছে। এ সময় বিদ্যুতের নিরবিচ্ছিন্ন সংযোগ দিতে পারবে কিনা তা নিয়েও অনিশ্চিয়তা রয়েছে। রমজানে এমনিতেই দ্রব্যমূল্যের বাজার অস্থিতিশীল হয়ে উঠে। সার্বিক পরিস্থিতিতে এরকম একটি সময়ে সরকার কি বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি করে ঝুঁকি নিচ্ছে? এই প্রশ্নটি উঠেছে।  নাকি সরকারের ভিতর কিছু লোক আছেন যারা ইচ্ছা করেই সরকারকে বিপদে ফেলতে চান। কারণ বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি এই সময় কতটা যৌক্তিক হবে এবং সরকারের জন্য কতটা নিরাপদ হবে সেই প্রশ্নটি সবচেয়ে বড় হয়ে উঠেছে। কিছু মানুষ সরকার যখন একটি স্বাভাবিক অবস্থায় আছে, একটি স্বস্তিদায়ক অবস্থায় আছে তখন সরকারকে অস্থির করার দায়িত্ব নিয়েছে কিনা সেই প্রশ্নটি এখন বড় হয়ে উঠেছে।  



মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

ঢাবিতে আসন সংখ্যা আরও কমানোর ইঙ্গিত উপাচার্যের

প্রকাশ: ০৭:৪৫ পিএম, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল বলেছেন, ইতোমধ্যে আমরা স্নাতক পর্যায়ে ভর্তির আসন সংখ্যা যৌক্তিক পর্যায়ে নিয়ে আসার চেষ্টা করেছি। ভবিষ্যতে এ সংখ্যা আরও যৌক্তিক পর্যায়ে নিয়ে আসার চেষ্টা করব।

শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ সব কথা বলেন।

ঢাবিতে ভর্তিতে আসন সংখ্যা বাড়বে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে উপাচার্য বলেন, আমাদের দেশে পঞ্চাশের অধিক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ আছে। শিক্ষার্থীরা যারা উচ্চশিক্ষা নিতে চায়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা বৃদ্ধি করছেন, যেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা দিয়ে যারা ভর্তির সুযোগ না পাবে, তারা যেন অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পায়।

তিনি বলেন, একটি মানসম্মত বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা যখন বলা হবে, সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের সক্ষমতা বিবেচনায় রেখে স্নাতক পর্যায়ে কতজন ভর্তি করা হবে সেটা নির্ধারণ করতে হবে।

২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষ থেকে স্নাতক পর্যায়ে ভর্তিতে ১ হাজার ১১৩টি আসন কমিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বিশ্ববিদ্যালয়ের অপ্রতুল বাজেট, আবাসন ব্যবস্থার তীব্র সংকট, ক্লাসরুম সংকট ও বর্তমান চাকরির বাজারে কিছু বিভাগের অপ্রাসঙ্গিকতা বিবেচনায় আসন সংখ্যা আরও কমানোর দাবি করছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। এর পরিপ্রেক্ষিতে উপাচার্য আসন আরও কমানোর ইঙ্গিত দিলেন।

কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে অধ্যাপক মাকসুদ কামাল ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে আয়োজিত ও অনুষ্ঠিত হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, অত্যন্ত স্বচ্ছ ও সুশৃঙ্খলভাবে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ ভর্তি পরীক্ষায় ১ হাজার ৫০টি আসনের জন্য ভর্তিচ্ছু আবেদনকারীর সংখ্যা ৩৭ হাজার ৬৭৯ জন। এদের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের ৫৯টি কেন্দ্রে ২৬ হাজার ১১০ জন এবং ঢাকার বাইরে ৭টি বিভাগীয় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ১১ হাজার ৫৬৯ আবেদনকারী ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। এ বছর প্রতিটি আসনের বিপরীতে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৩৫ দশমিক ৮৮ জন।

ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের গুজব নিয়ে তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অপপ্রচারকারীদের বিষয়ে কিছু খোঁজখবর পেয়েছেন। আশা করি, যারা এ কাজগুলো করছে তাদের ধরা সম্ভব হবে।

ঢাবি উপাচার্য বলেন, আগামী বছর থেকে এসব প্রতারক চক্রের বিষয়ে আমরা বসে সিদ্ধান্ত নেব। কেউ যদি এগুলো করে তাহলে তাকে আগেই ধরার ব্যবস্থা রাখা হবে।


ঢাবি উপাচার্য  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন