ইনসাইড বাংলাদেশ

১৩ ফেব্রুয়ারি: প্রস্তুত হচ্ছিল ছাত্রজনতা

প্রকাশ: ০৮:০০ এএম, ১৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

ফেব্রুয়ারি বাঙালির আত্মজাগরণের মাস। ভাষা আন্দোলনের চেতনা আজও বাঙালি জাতির জীবনে প্রবহমান। ভাষা আন্দোলনের চূড়ান্ত পরিণতি লাভ করে বায়ান্নর একুশে ফেব্রুয়ারি। যেদিন পাকিস্তানি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গুলিতে নিহত হয় দেশের দামাল ছেলেরা। তবে এই আন্দোলন হঠাৎ করে বা অল্প কয়েকদিনে চূড়ান্ত অবস্থায় রূপ লাভ করেনি। বরং দীর্ঘ সময়ের প্রচেষ্টা আর তৎপরতার মাধ্যমেই এসেছে বায়ান্নর একুশ। ১৯৫২ সালে ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠায় সব ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত হচ্ছিল ছাত্রজনতা।

ভাষা প্রতিষ্ঠার দাবিতে ১৯৫২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি পতাকা দিবস পালন করা করা হয়। ১৩ ফেব্রুয়ারিও একই কমর্সূচির সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এর আগে ফেব্রুয়ারি মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সবর্দলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল। রাজধানীসহ আশপাশের এলাকাগুলো তখন ভাষার দাবিতে প্রতিবাদমুখর। দেশজুড়ে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ‘রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই’ দাবিতে স্লোগান তোলে। সবর্ত্রই তখন বাংলা ভাষা প্রতিষ্ঠার আওয়াজ। উল্টোদিকে আন্দোলনকারীদের ঠেকাতে সরকারও নানা কূটকৌশলের আশ্রয় নেয়। কিন্তু কোনো কিছুকে তোয়াক্কা করে না ভাষার মযার্দা রক্ষার দাবিতে আন্দোলনরতরা। আন্দোলনকারীদের পিছু হটাতে না পেরে ক্ষোভে দমনপীড়নের মাত্রা বাড়িয়ে দেয় পাকিস্তানি সরকার। চলে গ্রেপ্তার ও নিযার্তন। কিন্তু অদম্য বাঙালি সব কিছু তুচ্ছ করে আন্দোলন চালিয়ে যেতে থাকে। ১১ ফেব্রুয়ারি পতাকা দিবসে রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে ঢাকার নবাবপুর রোডে ছাত্র-জনতার বিশাল মিছিল বের হয়। মিছিল আর স্লোগানে উত্তাল রাজধানী।

যত দিন যাচ্ছিল ততই গতি পাচ্ছিল ভাষার আন্দোলন। প্রকাশ্যে ও গোপনে চলছিল মিটিং মিছিল সভা–সমাবেশ। সর্বত্রই উচ্চারিত হচ্ছিল রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই। ৬ ফেব্রুয়ারি মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের সভায় ১১ ও ১৩ ফেব্রুয়ারি পতাকা দিবস পালনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

সে অনুযায়ী চলে কর্মসূচি সফল করার প্রস্তুতি। এরপর ১৯৫২ সালের আজকের দিনে পালিত হয় পতাকা দিবস। এদিন পুরুষের পাশাপাশি নারী কর্মীরা পতাকা বিক্রি করে ভাষা আন্দোলনের জন্য তহবিল গঠনের কাজ করেন। একই সঙ্গে ২১ ফেব্রুয়ারির কর্মসূচি সফল করার জন্য গণসংযোগের কাজ করেন। এভাবে পরিণতির দিকে এগোতে থাকে বাঙালির ভাষা আন্দোলন। এভাবে ধীরে ধীরে ভাষার প্রশ্নে সফলতা।


ভাষা   আন্দোলন   বাংলা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

'যারা নিজেদের রাজাকার বলে, তাদের কপালে পতাকা বাঁধার অধিকার নেই'

প্রকাশ: ১০:২৬ এএম, ১৫ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

যারা নিজেদেরকে রাজাকার বলে পরিচয় দেয়, কপালে লাল সবুজের পতাকা বেঁধে মিছিল করবার কোনো অধিকার তাদের নেই বলে মন্তব্য করেছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. দীপু মনি। 

রোববার (১৪ জুলাই) রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তার ভেরিফায়েড আইডিতে এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন। 

ফেসবুক ভেরিফায়েড আইডির পোস্টে দীপু মনি বলেন, ‘যারা নিজেদেরকে রাজাকার বলে পরিচয় দেয়, তাদের মুক্তিযুদ্ধের শহীদের রক্তস্নাত লাল সবুজের পতাকা হাতে নিয়ে বা সে পতাকা কপালে বেঁধে নিয়ে মিছিল করবার কোনো অধিকার থাকতে পারে না।’

জানা গেছে, কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চীন সফর পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে এক বক্তব্যের জেরে নতুন মাত্রা পেয়েছে চলমান এই আন্দোলন। গেল রাত ১১টার পর থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ সারাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, ক্যাম্পাস এবং হলগুলোতে মিছিল করেছেন শিক্ষার্থীরা।

এ সময় মিছিল থেকে বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায় শিক্ষার্থীদের। এর মধ্যে ‘তুমি কে আমি কে, রাজাকার রাজাকার’, ‘কীসের তোমার অধিকার, তুমি একটা রাজাকার’ ইত্যাদি স্লোগান দেওয়া হয়। 

উল্লেখ্য, চীন ফেরত পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে কোটা সংস্কার আন্দোলন কেন্দ্রিক এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে এত ক্ষোভ কেন? তাদের নাতি-নাতনিরা পাবে না, তাহলে কি রাজাকারের নাতি-নাতনিরা পাবে? এটা আমার দেশবাসীর কাছে প্রশ্ন। তাদের অপরাধটা কী? নিজের জীবন বাজি রেখে, নিজের পরিবার সব ফেলে যারা মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন, দিনরাত খেয়ে না খেয়ে, কাদামাটি পেরিয়ে, ঝড়বৃষ্টি সব মোকাবিলা করে যুদ্ধ করে এ দেশে বিজয় এনে দিয়েছিলেন। বিজয় এনে দিয়েছিল বলেই তো আজ সবাই উচ্চপদে আসীন। আজ গলা বাড়িয়ে কথা বলতে পারছে। তা না হলে পাকিস্তানিদের বুটের লাথি খেয়ে থাকতে হতো।’


সমাজকল্যাণমন্ত্রী   ডা. দীপু মনি   ফেসবুক  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

এক বছরে ৭৭ শতাংশ বেড়েছে পেঁয়াজের দাম

প্রকাশ: ১০:২৫ এএম, ১৫ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

রাজধানীর বাজারে পেঁয়াজের দাম এক মাসে ৩১ শতাংশ বেড়েছে। এক বছর আগের তুলনায় যা ৭৭ শতাংশ বেশি। বর্তমানে এক কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১১০ থেকে ১২০ টাকা।

রোববার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এবং ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) তথ্য বিশ্লেষণ করে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

পেঁয়াজ ছাড়াও সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে চালের দাম। ডিমের দামও গত সপ্তাহের তুলনায় গতকাল বেশি ছিল। অবশ্য আলু, আদা, জিরা, লবঙ্গের দাম কিছুটা কমেছে। চড়া কাঁচা মরিচের দর।

পাইকারি ও খুচরা পেঁয়াজ বিক্রেতারা বলছেন, এবার কাঁচা পেঁয়াজ যখন বাজারে আসে, তখন থেকেই দাম বেশি। সম্প্রতি দেশজুড়ে হওয়া ভারী বৃষ্টি পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে। বৃষ্টির কারণে সরবরাহ ব্যবস্থায় ব্যাঘাত ঘটেছে। এছাড়া এতদিন ভারতীয় পেঁয়াজ বাজারে ছিল না। এসব কারণেও দাম একটু বেশি।

কারওয়ান বাজার ঘুরে দেখা গেছে, পাইকারি দোকানে মানভেদে ও দোকানভেদে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ ১০০ থেকে ১০৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। খুচরা বাজারে মানভেদে দেশি পেঁয়াজ ১১০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর ভারতীয় পেঁয়াজ পাইকারি বিক্রি হচ্ছে ৯৫ থেকে ১০০ টাকা কেজি।

আমদানি (ভারতীয়সহ) করা পেঁয়াজ আরো বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে। টিসিবি জানিয়েছে, আমদানি করা পেঁয়াজ ১১০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এক মাস আগে এ পেঁয়াজ ৮৫ থেকে ৯০ টাকা কেজি ছিল। এক বছর আগে আমদানি করা পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি। অর্থাৎ গত বছরের তুলনায় এখন আমদানি করা পেঁয়াজের দাম ১৫৬ শতাংশ বেশি।

পাইকারি বিক্রেতারা বলছেন, বাজারে এতদিন ভারতীয় পেঁয়াজ না থাকলেও কয়েক দিন ধরে আসতে শুরু করেছে। এ কারণে ভারতীয় পেঁয়াজের দাম পাইকারি বাজারে কিছুটা কমেছে।


পেঁয়াজ   দাম   রাজধানী   টিসিবি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

ঢাবির ছাত্রলীগের ৫ নেতার আকস্মিক পদত্যাগ

প্রকাশ: ১০:১৮ এএম, ১৫ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

কোটা সংস্কার আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার করা মন্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে নিজ পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শাখা ছাত্রলীগের বিভিন্ন ইউনিটের অন্তত পাঁচজন নেতা।

রোববার (১৪ জুলাই) রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া পোস্টে পদত্যাগের ঘোষণা দেন তারা।

পদত্যাগ করা ছাত্রলীগ নেতারা হলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ শাখার গণযোগাযোগ ও উন্নয়ন সম্পাদক মাছুম শাহরিয়ার, শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট শাখার মুক্তিযুদ্ধ ও গবেষণাবিষয়ক উপসম্পাদক রাতুল আহামেদ ওরফে শ্রাবণ, কলাভবন ছাত্রলীগের এক নম্বর সহসম্পাদক মো. মুহাইমিনুল ইসলাম, আইন অনুষদ শাখার গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক আশিকুর রহমান ওরফে জিম এবং রাসেল হোসেন।

ছাত্রলীগের এই পাঁচ নেতা নিজেদের ফেসবুক আইডিতে পোস্ট দিয়ে পদত্যাগের ঘোষণা দেন।


আশিকুর রহমান জিম তার পোস্টে লেখেন, ‘আমি আশিকুর রহমান জীম, মাস্টার দ্য সূর্যসেন হল ছাত্রলীগের কার্যকরী সদস্য থেকে পদত্যাগ ঘোষণা করছি এবং আইন অনুষদ ছাত্রলীগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক থেকে পদত্যাগ ঘোষণা করছি।’

মাছুম শাহরিয়ার তার পোস্টে লেখেন, ‘জীবনে অনেক পাপ করছি। পাপের বোঝা বয়ে নিয়েও চলেছি। কিন্তু রাজাকার হয়ে ছাত্রলীগ করার পাপ বয়ে নিয়ে যেতে চাই না। আমি, মাছুম শাহরিয়ার, সামাজিক অনুষদ ছাত্রলীগ এর গণযোগাযোগ ও উন্নয়ন সম্পাদক থেকে পদত্যাগ করছি। ধন্যবাদ।’


মুহাইমিনুল ইসলাম লেখেন, ‘পদত্যাগ করলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কলাভবন শাখা ছাত্রলীগের এক নম্বর সহসম্পাদক পদ থেকে।

এদিকে, কোটা সংস্কারের দাবিতে রাত ১১টার দিকে বিক্ষোভে নামেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থীরা। এ সময় বিভিন্ন হল থেকে  শিক্ষার্থীরা বেরিয়ে এসে কোটা সংস্কারের পক্ষে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।

রোববার (১৪ জুলাই) এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে এত ক্ষোভ কেন? মুক্তিযোদ্ধার নাতি-নাতনিরা কোটা পাবে না, তাহলে কি রাজাকারের নাতিরা কোটা পাবে? তা তো আমরা দিতে পারি না।

মূলত এই বক্তব্যের প্রতিবাদে এ দিন রাতে বিক্ষোভে নামেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা। বক্তব্যের প্রতিবাদে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি হল থেকে শিক্ষার্থীরা মিছিল নিয়ে বের হন। মিছিল নিয়ে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্ত্রাস বিরোধী রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে জড়ো হন।


ছাত্রলীগ   পদত্যাগ   ঢাবি   কোটা আন্দোলন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহারে আল্টিমেটাম কোটা বিরোধী আন্দোলনকারীদের

প্রকাশ: ১০:১৬ এএম, ১৫ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

চলমান কোটা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি বক্তব্য নিয়ে ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। প্রধানমন্ত্রীর সেই বক্তব্যকে ‘অপমানজনক’ উল্লেখ করে তা প্রত্যাহারের আল্টিমেটাম ও এক দফা দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল-সমাবেশ কর্মসূচী ঘোষণা করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।

ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আজ সোমবার (১৫ জুলাই) দুপুর ১২টার মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহার করা না হলে ১২টার পর সারাদেশে বিক্ষোভ মিছিল সমাবেশ করা হবে। সোমবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে এক ভিডিওবার্তার মাধ্যমে কর্মসূচির ঘোষণা দেন আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ।

তিনি বলেন, ‘রাত ১০টার পর থেকে ৩টা পর্যন্ত বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান, বিক্ষোভ মিছিল কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, শিক্ষার্থীদের জন্য যে অপমানজনক মন্তব্য তিনি (প্রধানমন্ত্রী) করেছেন, অবশ্যই সোমবার দুপুর ১২টার মধ্যে সেই বক্তব্য এক্সপাঞ্জ (প্রত্যাহার) করতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রী যে বক্তব্য দিয়েছেন তা অপমানজনক উনার সেই বক্তব্যের পর (রোববার) সন্ধ্যা থেকেই চাকরিপ্রার্থী কোটা বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থীরা রাস্তায় নেমে আসেন। তারা সেই বক্তব্যের প্রতিবাদে স্বতঃস্ফূর্তভাবে হল থেকে নেমে আসেন। সারাদেশের প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের শিক্ষার্থীরা রাজপথে নামেন।’

আসিফ মাহমুদ বলেন, দুপুর ১২টার মধ্যে প্রধানমন্ত্রী যদি তার বক্তব্যটি প্রত্যাহার না করেন, তাহলে সারাদেশের সব শিক্ষার্থীকে সোমবার দুপুর ১২টায় দেশের সব স্থানে বিক্ষোভ মিছিল পালনের আহ্বান করছি। এছাড়া কেন্দ্রীয়ভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে সমাবেশ আয়োজন করা হবে বলেও ওই ভিডিওবার্তায় জানান তিনি।

উল্লেখ্য, রোববার (১৪ জুলাই) বিকেলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবনে সম্প্রতি নিজের চীন সফর নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন। সেখানে প্রসঙ্গক্রমে কোটা সংস্কার আন্দোলনের বিষয়টিও উঠে আসে। ওই সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে এত ক্ষোভ কেন? মুক্তিযোদ্ধার নাতি-নাতনিরা কোটা পাবে না, তাহলে কি রাজাকারের নাতিরা কোটা পাবে? তা তো আমরা দিতে পারি না।

সরকারপ্রধানের এমন বক্তব্যের প্রতিবাদে কোটা এদিন রাতেই বিক্ষোভে নামেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালসহ অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।


কোটা আন্দোলন   আল্টিমেটাম   প্রধানমন্ত্রী   বক্তব্য  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

মধ্যরাতে উত্তাল চুয়েট

প্রকাশ: ১০:০৩ এএম, ১৫ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

দেশব্যাপী সরকারি চাকরিতে কোটাব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের অবমাননা করা হয়েছে। এ দাবি করে রোববার দিবাগত রাতে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

জানা যায়, রবিবার সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া বক্তব্যের জেরে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল করেন। এরই রেশ ধরে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি হলে চুয়েট শিক্ষার্থীরা মিছিল বের করেন।

গতকাল রবিবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে বিভিন্ন হল থেকে ছাত্ররা এসে জড়ো হন বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলচত্বর এলাকায়। এরপর সমবেত হয়ে বিভিন্ন ছাত্র হলের সামনে দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলচত্বর পর্যন্ত মিছিল করেন শিক্ষার্থীরা। এসময় বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায় তাদেরকে।

 পুরকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মাহাফুজার রহমান মোহাব্বত বলেন, ‘বৈষম্য বিরোধী কোটা আন্দোলন শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবি না মেনে যেভাবে রাজাকারের বংশধর বলা হয়েছে এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনকারী ভাইদের হামলার প্রতিবাদ স্বরুপ আমাদের মাঝ রাতে মিছিল।

আমরা মনে করছি সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকারের ব্যাপারে তাদের কটাক্ষ করা হয়েছে। তাই কোটার সুষ্ঠু সামাধান না হওয়া পর্যন্ত আমরা চুয়েটিয়ানরা মাঠে থাকবো ইনশাআল্লাহ। সামনে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে বৃহৎ আন্দোলন গঠনে সহায়তা করবো।’


চুয়েট   উত্তাল   শিক্ষার্থী   মিছিল  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন