ইনসাইড বাংলাদেশ

১৩ ফেব্রুয়ারি: প্রস্তুত হচ্ছিল ছাত্রজনতা

প্রকাশ: ০৮:০০ এএম, ১৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

ফেব্রুয়ারি বাঙালির আত্মজাগরণের মাস। ভাষা আন্দোলনের চেতনা আজও বাঙালি জাতির জীবনে প্রবহমান। ভাষা আন্দোলনের চূড়ান্ত পরিণতি লাভ করে বায়ান্নর একুশে ফেব্রুয়ারি। যেদিন পাকিস্তানি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গুলিতে নিহত হয় দেশের দামাল ছেলেরা। তবে এই আন্দোলন হঠাৎ করে বা অল্প কয়েকদিনে চূড়ান্ত অবস্থায় রূপ লাভ করেনি। বরং দীর্ঘ সময়ের প্রচেষ্টা আর তৎপরতার মাধ্যমেই এসেছে বায়ান্নর একুশ। ১৯৫২ সালে ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠায় সব ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত হচ্ছিল ছাত্রজনতা।

ভাষা প্রতিষ্ঠার দাবিতে ১৯৫২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি পতাকা দিবস পালন করা করা হয়। ১৩ ফেব্রুয়ারিও একই কমর্সূচির সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এর আগে ফেব্রুয়ারি মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সবর্দলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল। রাজধানীসহ আশপাশের এলাকাগুলো তখন ভাষার দাবিতে প্রতিবাদমুখর। দেশজুড়ে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ‘রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই’ দাবিতে স্লোগান তোলে। সবর্ত্রই তখন বাংলা ভাষা প্রতিষ্ঠার আওয়াজ। উল্টোদিকে আন্দোলনকারীদের ঠেকাতে সরকারও নানা কূটকৌশলের আশ্রয় নেয়। কিন্তু কোনো কিছুকে তোয়াক্কা করে না ভাষার মযার্দা রক্ষার দাবিতে আন্দোলনরতরা। আন্দোলনকারীদের পিছু হটাতে না পেরে ক্ষোভে দমনপীড়নের মাত্রা বাড়িয়ে দেয় পাকিস্তানি সরকার। চলে গ্রেপ্তার ও নিযার্তন। কিন্তু অদম্য বাঙালি সব কিছু তুচ্ছ করে আন্দোলন চালিয়ে যেতে থাকে। ১১ ফেব্রুয়ারি পতাকা দিবসে রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে ঢাকার নবাবপুর রোডে ছাত্র-জনতার বিশাল মিছিল বের হয়। মিছিল আর স্লোগানে উত্তাল রাজধানী।

যত দিন যাচ্ছিল ততই গতি পাচ্ছিল ভাষার আন্দোলন। প্রকাশ্যে ও গোপনে চলছিল মিটিং মিছিল সভা–সমাবেশ। সর্বত্রই উচ্চারিত হচ্ছিল রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই। ৬ ফেব্রুয়ারি মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের সভায় ১১ ও ১৩ ফেব্রুয়ারি পতাকা দিবস পালনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

সে অনুযায়ী চলে কর্মসূচি সফল করার প্রস্তুতি। এরপর ১৯৫২ সালের আজকের দিনে পালিত হয় পতাকা দিবস। এদিন পুরুষের পাশাপাশি নারী কর্মীরা পতাকা বিক্রি করে ভাষা আন্দোলনের জন্য তহবিল গঠনের কাজ করেন। একই সঙ্গে ২১ ফেব্রুয়ারির কর্মসূচি সফল করার জন্য গণসংযোগের কাজ করেন। এভাবে পরিণতির দিকে এগোতে থাকে বাঙালির ভাষা আন্দোলন। এভাবে ধীরে ধীরে ভাষার প্রশ্নে সফলতা।


ভাষা   আন্দোলন   বাংলা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

রমজানে দ্রব্যমূল্যে কারসাজি করলে কঠোর ব্যবস্থা: আব্দুর রহমান

প্রকাশ: ১০:৪৯ পিএম, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোঃ আব্দুর রহমান এমপি বলেছেন, কয়েকদিন পরেই রমজান শুরু হচ্ছে। রোজার সময় সাধারণ মানুষ যাতে দ্রব্য সঠিক দামে কিনতে পারে সে ব্যাবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, রমজান বরকতময় মাস, রহমতের মাস। সুতরাং ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি থেকেও প্রতিটি মানুষের উচিত হবে সকলে যেন স্বাচ্ছন্দে ইবাদত বন্দেগী করতে পারে সেজন্য দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে যার যার জায়গা থেকে ভূমিকা রাখা।

সোমবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায়  ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার কামারখালী ইউনিয়নে মধুমতি নদীর তীর সংরক্ষণ বাধ ও ড্রেজিং প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন মন্ত্রী।

তিনি জানান, সরকার ইতিমধ্যেই কিছু পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।  রমজান শুরু হওয়ার একদিন আগে থেকেই সেই কাজটি শুরু করা হবে। দেশে ২৫ টি জায়গায় কম মূল্যে মাংস, ডিম, দুধসহ অন্যান্য দ্রব্য বিক্রি করা হবে।

তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, অসাধু ব্যবসায়ীরা বাজারের দ্রব্যমূল্যে কোন কারসাজি করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এর আগে মন্ত্রী ফলক উন্মোচন করেন। এসময় পানি পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক এস এম শহিদুল ইসলাম, প্রধান প্রকৌশলী শাজাহান সিরাজ, নির্বাহী প্রকৌশলী পার্থপ্রতিম সাহাসহ প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ ও আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী মধুমতি নদীর ভাঙন রোধ ও ড্রেজিং এর ১২ গ্রুপের কাজের উদ্বোধন করেন । 

রমজান   দ্রব্যমূল্য   আব্দুর রহমান   মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

পুলিশ আধুনিক ও জনবান্ধব বাহিনীতে পরিণত হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ: ১০:৩০ পিএম, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

সরকারের সময়োচিত উদ্যোগ গ্রহণ ও বাস্তবায়নের ফলে পুলিশ বাহিনী আজ একটি আধুনিক, যুগোপযোগী, দক্ষ, গতিশীল ও জনবান্ধব বাহিনীতে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ যখনই সরকার গঠন করেছে তখনই জাতির পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে বাংলাদেশ পুলিশের উন্নয়ন ঘটিয়েছে।

পুলিশ সপ্তাহ-২০২৪ উপলক্ষে সোমবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দেয়া এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে কর্তব্যরত অবস্থায় নিহত হয়েছেন অনেক পুলিশ সদস্য। কোভিড-১৯ মহামারির সময়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা বিশ্বস্ত বন্ধুর মতো জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছেন, যা অত্যন্ত প্রশংসনীয়।
 
স্বাধীনতার পর যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের পুনর্গঠনে জাতির পিতা যে বাহিনীর পুনর্গঠন ও উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছিলেন তা হলো পুলিশ বাহিনী। আওয়ামী লীগ যখনই সরকার গঠন করেছে তখনই বঙ্গবন্ধুর পদাঙ্ক অনুসরণ করে পুলিশের উন্নয়ন ঘটিয়েছে, বলেন প্রধানমন্ত্রী।
  
আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ১৯৯৬-২০০১ মেয়াদে আমরা পুলিশের বাজেট বৃদ্ধি, ঝুঁকিভাতা চালু, রেশন প্রাপ্তির হার দ্বিগুণ এবং প্রয়োজনীয় যানবাহনের ব্যবস্থা করি। ১৯৯৮ সালে আমরাই প্রথম পুলিশ সুপার পদে একজন নারী কর্মকর্তাকে নিয়োগ দেই। ৫ কোটি টাকা সিড মানি দিয়ে পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্ট গঠন, পুলিশ স্টাফ কলেজ প্রতিষ্ঠা, পুলিশের জনবল বৃদ্ধি ও অবকাঠামো উন্নয়নসহ বহুমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করি।
 
‘আমরা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই), শিল্প পুলিশ, ট্যুরিস্ট পুলিশ, এন্টি টেরোরিজম, কাউন্টার টেরোরিজম, নৌপুলিশ, এমআরটি পুলিশ ও এসপিবিএনসহ অনেকগুলো নতুন বিশেষায়িত পুলিশ ইউনিট প্রতিষ্ঠা করেছি। রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও পার্বত্য জেলাগুলোর নিরাপত্তা রক্ষায় কয়েকটি ব্যাটেলিয়ন গঠন করা হয়েছে। আমরা পুলিশ স্টাফ কলেজকে আন্তর্জাতিকমানের প্রতিষ্ঠানে উন্নীত করেছি। আমরা থানা, ফাঁড়ি তদন্ত কেন্দ্র, ব্যারাক, আবাসিক ভবন নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় জমি বরাদ্দ দিয়েছি।’
 
প্রধানমন্ত্রী মনে করেন, সব সময় জনগণের সেবা করাই প্রতিটি পুলিশ সদস্যের পবিত্র দায়িত্ব। আমার প্রত্যাশা, মানবীয় মূল্যবোধ সমুন্নত রেখে সততা, নিষ্ঠা, পেশাদারিত্ব, দক্ষতা, নিরপেক্ষতা, ত্যাগ, বীরত্ব ও দেশপ্রেমের সাথে পুলিশ সদস্যরা তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করবেন।
  
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আমরা বাংলাদেশকে ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত-সমৃদ্ধ, জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ তথা স্মার্ট বাংলাদেশে পরিণত করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি। রূপকল্প-২০৪১ এর সেই স্মার্ট বাংলাদেশে পুলিশকেও হতে হবে আধুনিক, যুগোপযোগী এবং স্মার্ট।

পুলিশ আধুনিক   প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা   পুলিশ সপ্তাহ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

মেডিকেলে ভর্তিতে সেরাদের নিয়ে কোচিং সেন্টারগুলোর প্রতারণা

প্রকাশ: ১০:১০ পিএম, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

দেশের সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজে এমবিবিএস কোর্সে ভর্তির নামে প্রতারণায় একজন সদ্য সাবেক অতিরিক্ত সচিবের নাম এসেছে।

দেশে কোচিং সেন্টারগুলো শিক্ষার্থীদের টানতে পাতছে প্রতারণার ফাঁদ। আর এ জন্য ব্যবহার করছে মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম হওয়া শিক্ষার্থীদের নাম ও ছবি। যা দিয়ে পুরো ছেয়ে যাচ্ছে তাদের পোস্টার আর ব্যানারে।

চলতি বছর মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় হয়েছেন তানজিম মুনতাকা সর্বা, তাজওয়ার হাসনাত তোহা ও আহমদ আব্দুল্লাহ জামিকে নিয়ে এবার প্রতারণায় মেতে উঠেছে কোচিং সেন্টারগুলো। এই তিন শিক্ষার্থীকেই নিজেদের দাবি করে প্রতারণা করছে উন্মেষ, মেডিকো এবং রেটিনা নামের তিনটি কোচিং সেন্টার।

উন্মেষের অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার আলিফ মুন্সী বলেন, ক্লাস এইট থেকে আমাদের প্রোগ্রামগুলো চলে। একটা স্টুডেন্ট এইটে থাকে, নাইনে থাকে এরপরে টেন, ফার্স্ট ইয়ার সেকেন্ড ইয়ার থাকে। তখন থেকেই সে মেডিকেল কোর্স শুরু করে। অথচ অষ্টম শ্রেণি থেকে কোচিং করার এই দাবি পুরোটাই মিথ্যা। অষ্টম শ্রেণির কোনো শিক্ষার্থী মেডিকেল বিষয়টি বোঝেই না। সেখানে কোচিং করা তো দূরের কথা।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে রেজাউল নামে এক ব্যক্তি লেখেন, ‘এটা তো নতুন কিছুই না। প্রতিবছরই কোচিং সেন্টারগুলো এ রকম পোস্টার ছাপায়। সবই ধান্দাবাজি।’

উন্মেষ, উদ্ভাস, মেডিকো এবং রেটিনার প্রতারণা নিয়ে এমন প্রতিক্রিয়া রয়েছে হাজার হাজার মানুষের।


মেডিকেলে ভর্তিতে সেরা   কোচিং সেন্টার   প্রতারণা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

সাবেক বামদের প্ররোচনায় বিভ্রান্ত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র?

প্রকাশ: ১০:০০ পিএম, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

বাংলাদেশ সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্রের এক ধরনের নেতিবাচক এবং বিভ্রান্তি মূলক মনোভাব তৈরি হয়েছিল। বাংলাদেশের মানবাধিকার, সুশাসন, আইনের শাসন ইত্যাদি নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অনেকগুলো নেতিবাচক ধারণা পোষণ করেছিল। আর এই নেতিবাচক ধারণাগুলো প্রধান কারণ ছিল বাংলাদেশ সম্পর্কে তাদের ভুল তথ্য এবং বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রাপ্তি। এই তথ্য প্রাপ্তির যে উৎসগুলো ছিল তার উৎসের একটি বড় অংশই দিয়েছিল ব্যাধিগ্রস্ত বামরা। 

সাবেক বাম হিসেবে পরিচিত যারা বামপন্থার বাল্য ব্যাধিতে আক্রান্ত, এখন তারা পুঁজিবাদের ধারক বাহক হয়েছেন এরকম কিছু উচ্চাভিলাষী দুর্বৃত্ত বাম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এজেন্ট হিসাবে কাজ করেছিল এবং তাদের দেওয়া তথ্যগুলো ছিল বিভ্রান্তিমূলক। একাধিক সূত্র এই তথ্য জানিয়েছে যে, সমস্ত ব্যক্তিরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে গত দুই বছর ধরে অবিরল ধারায় সরকারের বিরুদ্ধে নানা রকম মিথ্যা, অসত্য ও ভিত্তিহীন তথ্য দিয়ে আসছিল। আর এই সমস্ত ব্যক্তিরা যে এখনও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ, বিশেষ করে ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন দূতাবাসের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ তার প্রমাণ পাওয়া গেল মার্কিন প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকের মধ্য দিয়ে। এই বৈঠকে যে কয়েকজনকে ডাকা হয়েছিল তারা সবাই পরিত্যক্ত বাম থেকে আসা নব্য পুঁজিবাদ এবং উদার গণতন্ত্রের ধারক বাহক হয়েছেন। অথচ তারা জীবনেও গণতান্ত্রিক ধারার প্রতি ন্যূনতম শ্রদ্ধা দেখেননি। 

গত দুই বছরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যাদের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যাপারে তথ্য সংগ্রহ করেছে, তাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন  ইলিনয় স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আলী রীয়াজ। আলী রীয়াজ বাসদের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। এক সময় হয় বিপ্লবের মাধ্যমে সরকার পতন করে সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখতেন। কিন্তু সেই স্বপ্ন বিভ্রান্তি চোরাগলিতে আটকে গেছে। এখন তিনি বিশ্বের পুঁজিবাদের ধারক বাহক। আর এই সুযোগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ। বাংলাদেশের অনেক বিষয় নিয়ে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ করেন, নালিশ করেন, পরামর্শ দেন। সাবেক এই বাম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রদানের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে বিবেচনা করা বিবেচনা করা যায়। 

আরেক বিভ্রান্ত বাম জিল্লুর রহমান। জিল্লুর রহমান মূলত আলী রীয়াজের শিষ্য হিসাবেই পরিচিত। বলা যায় যে বাংলাদেশে আলী রীয়াজের স্বার্থরক্ষাকারী। তিনি এখন সুশীল সমাজ হলেন কী ভাবে সে নিয়ে হাস্যকৌতুক সৃষ্টি হয়েছে বিভিন্ন মহলে। সাবেক এই বিভ্রান্ত বামও বাসদের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিল। তার সঙ্গে জামাতেরও একটা গভীর সংযোগ রয়েছে। আর এই কারণেই মার্কিন দূতাবাসের কিছু বাঙালি কর্মকর্তার সাথে জিল্লুরের সম্পর্কের ঘনিষ্ঠতার প্রমাণ পাওয়া যায়। 

আদিলুর রহমান খান: আদিলুর রহমান খান এক সময় বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রে বিশ্বাসী বাম ছিলেন। এই বামরাই গণবাহিনী তৈরি করেছিল। সন্ত্রাস, সহিংসতার রাজনীতি বাজারজাত করেছিল। আদিলুর রহমান খান এখন অধিকার নামে একটি বিতর্কিত মানবাধিকার সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা এবং এই সংগঠনটি নানা সময়ে অসত্য মিথ্যা, বিভ্রান্তিমূলক তথ্য দেওয়ার জন্য আলোচিত। বিশেষ করে ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতকে নিয়ে তথ্য প্রদানের ক্ষেত্রে অধিকারের ভূমিকা প্রশ্ন সৃষ্টি করেছে। 

দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য: বাকি তিন জন চৈনিক বাম হলেও দেবপ্রিয় সোভিয়েত বাম ছিল। সোভিয়েত ইউনিয়নে তিনি পড়াশোনা করেছেন। কিন্তু বিভ্রান্ত হয়ে এখন তিনি বিশ্বে ধনতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রবর্তক কিন্তু তিনি যে সমস্ত তথ্য উপাত্ত প্রদান করেন তা সবই ভুলে ভরা। কোন বৈজ্ঞান ভিত্তিক ডাটা বা গবেষণা তার নেই। তবে তাকে একজন কথক অর্থনীতিবিদ বলা হয়। মৌলিক কোন গবেষণা ছাড়া শুধুমাত্র জ্যোতিষীর মতো বিভিন্ন বিষয়ে ঢালাও মন্তব্য করার জন্য তিনি সমালোচিত বিতর্কিত। এই সমস্ত বামদের খপ্পর থেকে যদি ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস বেরিয়ে না আসে তাহলে সামনের দিনগুলোতে বাংলাদেশ-মার্কিন সম্পর্কের যে অংশীদারিত্বের ধারা এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ঘোষণা করা হয়েছে তা কখনো বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না। মার্কিন দূতাবাসের উচিত অবিলম্বে নির্মোহ নিরপেক্ষ এবং দায়িত্বশীল সূত্রের সাথে একটা সুসম্পর্ক এবং সেতুবন্ধন তৈরি করা। তাহলেই বাংলাদেশ-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক নতুন মাত্রা পাবে।


সাবেক বাম   যুক্তরাষ্ট্র   আলী রীয়াজ   জিল্লুর রহমান   আদিলুর রহমান খান   দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

শিক্ষা সফরে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মদপান, ভিডিও ভাইরাল

প্রকাশ: ০৯:১১ পিএম, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

মাদারীপুরের শিবচরে স্কুল থেকে শিক্ষা সফরে গিয়ে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা একত্রে মদ্পান করছেন। শিক্ষার্থী বিদেশি মদের বোতল থেকে শিক্ষককে মদ ঢেলে দিচ্ছেন, আবার শিক্ষকের সামনেই শিক্ষার্থীরা আনন্দ উল্লাস করে মদ্যপান করছেন। এমন ভিডিও সামাজিক মাধ্যম ফেসবুক ও টিকটকে ছড়িয়ে পড়েছে।

গত শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) শিবচর উপজেলার বন্দরখোলা ইউনিয়নের শিকদার হাট উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষা সফরে এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, শনিবার ভোরে বিদ্যালয়ের ১৬ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা ও ৪১ জন শিক্ষার্থী শিক্ষা সফরের উদ্দেশ্য নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও যায়। তবে সঙ্গে নেওয়া হয়নি কোনো শিক্ষার্থীর অভিভাবককে।

ভিডিও ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শিক্ষা সফর থেকে এলাকায় ফেরার পর ফেসবুক ও টিকটকে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মদ্পানের ভিডিও ছড়িয়ে পরে। ভিডিওতে স্পষ্ট দেখা যায়- বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. ওয়ালিদ মদের বোতল হাতে নিয়ে মদ ঢালছেন এবং শিক্ষার্থীদের হাতে মদের বোতল দিচ্ছেন। এমন ভিডিও দেখে অভিভাবকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।

বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী বলেন, আমার বন্ধুরা শিক্ষা সফরে গিয়েছিলো। ওরা ফেসবুক স্টোরি দিয়েছে। আমি ভিডিওতে দেখেছি ওরা ফরেন মদ পান করেছে। ওরা স্যার-ম্যাডামদের সামনেই খেয়েছে মদ। মদপান করছে কয়েকজন ছাত্র।

বিদ্যালয়ের ইংরেজির শিক্ষক মো. ওয়ালিদ বলেন, ‘বাসে আমার পরিবার ছিল। আমরা বাসের মধ্যে থাকা অবস্থাতেই বিষয়টি শুনে বোতলটি নিয়ে আসি। আমি আসলে একা ছিলাম তখন। আর শিক্ষার্থীরা বলেছে-বোতলে মদ ছিল না। বিভিন্ন জিনিস দিয়ে মিক্সার বানাইছে। আমি ওদের শাসন করেছিলাম। এখন আমাকে ষড়যন্ত্র করে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে।’

এ বিষয়ে ব্যাপারে বন্দরখোলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান খাঁন বলেন, শিক্ষা সফরের ব্যাপারে আমি কিছুই জানি না। শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা মদপান করে নেচেছে, বিষয়টি শুনেছি ও ভিডিও দেখেছি।

শিবচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, এটি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য না। এটা নিয়ে তদন্ত কমিটি করে দেবো। যদি শিক্ষকরা এর সঙ্গে জড়িত থাকে, তবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শিক্ষা সফর   ভিডিও ভাইরাল  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন