ইনসাইড বাংলাদেশ

অবসরের পর বিদেশে ঠিকানা করছেন আমলারা

প্রকাশ: ০৮:০০ পিএম, ০৩ এপ্রিল, ২০২৪


Thumbnail

আমলারা এখন সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী। একদিকে যেমন তারা চাকরির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পর চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ নিচ্ছেন। অনেকে বিভিন্ন সেক্টর, করপোরেশন কমিশনের দায়িত্ব গ্রহণ করছেন। আর যারা কিছুই পাচ্ছেন না, তারা বিদেশে ঠিকানা করছেন। তবে শুধু না পাওয়ারাই বিদেশে ঠিকানা করছেন না, বরং যারা চুক্তি ভিত্তিক নিয়োগ পাচ্ছেন বা বিভিন্ন সেক্টর করপোরেশন এর দায়িত্বে থাকছেন, সেই দায়িত্ব শেষ হওয়ার পরও তারা বিদেশে তাদের ঠিকানা তৈরি করছেন। 

বর্তমান সময়ে যারা সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, তাদের অনেকেরই বিদেশে ঠিকানা হয়েছে। শুধু তাদের অবসর গ্রহণের পালা। অবসর গ্রহণ হলেই তারা বিদেশে পাড়ি দেবেন এমন একটি পরিস্থিতি তৈরি করে রেখেছেন। 

একজন আমলা যিনি প্রায় ১০ বছর সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন, তিনি জেলা প্রশাসক ছিলেন। ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার, সচিব হিসেবে তিনটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। এখন তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করেন। সেখানে তিনি গ্রিন কার্ড গ্রহণ করেছেন এবং সম্পত্তি গড়েছেন। 

সরকারের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ একজন সচিব, যিনি চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেয়েছিলেন। তিনি এখন লন্ডনে তার ঠিকানা করেছেন। যখন তিনি সচিব ছিলেন তখনই তার স্ত্রী এবং পরিজনরা লন্ডনে অবস্থান করছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ একজন সচিব তিনি সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্ব ব্যাংকের চাকরি ছেড়েছেন। কিন্তু চাকরি ছাড়ার পরও তিনি দেশে আসেননি। বিদেশি একটি লবিস্ট ফার্মে চাকরি নিয়েছেন। 

কানাডায় অবস্থান করছেন বর্তমান সরকারের সময়ে সচিব হওয়া এ রকম প্রায় চারজন সচিব। তারা কানাডায় তাদের ঘরবাড়ি তৈরি করেছেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সাবেক সচিবদের মধ্যে ১২ জন মোটামুটি স্থায়ী ঠিকানা করেছেন। তারা সেখানে থাকেন। মাঝে মাঝে দেশে আসা যাওয়া করেন। সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সচিব ছিলেন। পরে একটি গুরুত্বপূর্ণ কমিশনের দায়িত্ব পালন করেছেন। দায়িত্ব পালন শেষে তিনি আবার বিদেশে ঠিকানা গড়েছেন। 

হিসাব করে দেখা গেছে যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এবং কানাডা এই তিনটি দেশেই প্রাক্তন সচিবদের মধ্যে অন্তত ৬৭ জন আছেন। যারা বর্তমান সচিব আছেন তাদের ২৫ জনেরই সন্তানসন্ততিরা এই তিনটি দেশে পড়াশোনা করে। সচিবদের মধ্যে সাম্প্রতিক সময়ে নতুন প্রবণতা দেখা দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। কয়েকজন সচিবের সন্তানরা অস্ট্রেলিয়াতে লেখাপড়া করছেন। অস্ট্রেলিয়াতেও এই সমস্ত আমলারা বিভিন্ন রকম সম্পত্তি তৈরি করেছেন। 

অবসরের পর আমলাদের দেশে থাকার হার অত্যন্ত কমে যাচ্ছে। মুষ্টিমেয় কিছু আমলা দেশে থাকছেন। একটি বড় অংশ আমলাই বিদেশে চলে যাচ্ছেন। এখন এই বিদেশে যাওয়ার হার আরও বেড়ে গেছে। গত মেয়াদে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন দাবি করেছিলেন যে, কানাডাতে বেগম পাড়ায় যারা বাড়ি করেছেন তাদের মধ্যে আমলাদের বাড়ি ঘরই বেশি। এখন দেখা যাচ্ছে শুধু কানাডাতে নয়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যে যারা বাড়ি ঘর করেছেন তাদের মধ্যে আমলাদের সংখ্যাই বেশি। ইদানিং কোন কোন আমলা সিঙ্গাপুর সংযুক্ত আরব আমিরাততেও তাদের সম্পদ গড়ছেন এবং বাড়ি ঘর করছেন। আমলাদের এই বিদেশ প্রবণতার সঙ্গে দুর্নীতির কোন সম্পর্ক আছে কিনা সেটাই দেখার বিষয়।

আমলা   কানাডা   মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

নোয়াখালীর বাণিজ্যিক শহর চৌমুহনিতে আগুন

প্রকাশ: ০৯:০৬ পিএম, ২১ এপ্রিল, ২০২৪


Thumbnail

নোয়াখালীর অন্যতম প্রধান বাণিজ্যকেন্দ্র বেগমগঞ্জের চৌমুহনী বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এরই মধ্যে আগুনে প্রায় ১৫-১৬টি দোকান সম্পূর্ণরূপে পুড়ে গেছে।

রোববার (২১ এপ্রিল) রাত পৌনে ৮টার দিকে চৌমুহনী বাজারের বাদমতলা রোডের মসজিদ মার্কেটে এ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। আগুন নিয়ন্ত্রণে নোয়াখালী ফায়ার সার্ভিসের সাতটি ইউনিট কাজ করছে।

স্থানীয়রা জানান, রাত পৌনে ৮টার দিকে চৌমুহনী বাজারের বাদমতলা রোডের মসজিদ মার্কেটের ভূঞা হোসিয়ারি নামক কাপড় দোকানে প্রথমে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে জুয়েলারির দোকানসহ আগুন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনাস্থলে পানি সঙ্কট, ব্যবসায়ী এবং সাধারণ জনগণের অত্যাধিক জটলা থাকায় আগুন নিয়ন্ত্রণে বিঘ্ন ঘটে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডে প্রায় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে বলে ধারণা করছেন তারা।

নোয়াখালী ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক ফরিদ আহমেদ বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি ১৫-১৬টি দোকান আগুনে পুড়ে গেছে। তবে অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্ত শেষে বলা যাবে। আগুন এখনো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের সাতটি ইউনিট কাজ করছে।

নোয়াখালী  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

সারাদেশে হিটস্ট্রোকে ৭ জনের মৃত্যু

প্রকাশ: ১০:১০ পিএম, ২১ এপ্রিল, ২০২৪


Thumbnail

তীব্র দাবদাহে শরীয়তপুর সদরে হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে হারুন চৌকিদার (৪৩) নামে অটো রিকশাচালকের মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২১ এপ্রিল) দুপুর ১টার দিকে জেলা পরিষদের সামনে অটো রিকশার গ্যারেজে তার মৃত্যু হয়। এ ছাড়া সারাদেশে হিটস্ট্রোকে ২৪ ঘণ্টায় এখন পর্যন্ত মোট ৬ জন মারা গেছেন। এর মধ্যে দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে দুজন, মেহেরপুরে একজন, নরসিংদীর মাধবদীতে একজন, ঝালকাঠি ও সিলেটে একজন করে রয়েছেন।

রোববার (২১ এপ্রিল) বিভিন্ন সময় তাদের মৃত্যু হয়। প্রতিনিধিদের পাঠানো সংবাদ থেকে হিটস্ট্রোকে সারাদেশে মৃত্যুর এসব তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

দিনাজপুর

তাপপ্রবাহে দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে হিটস্ট্রোকে দুজন মারা গেছেন। তারা হলেন- পৌর এলাকার চকসাবাজপুর গ্রামের মৃত মোশারফ হোসেনের ছেলে সাবেক পৌর কাউন্সিলর মোতাহার আলী (৫৮) এবং অপরজন যশোর কোতোয়ালি থানা এলাকার রাজারহাট গ্রামের ট্রাকচালক বিল্লাল হোসেন (৫২)।

দুজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মশিউর রহমান।

মেহেরপুর

মেহেরপুরের গাংনীতে হিটস্ট্রোকে শিল্পী খাতুন (৪৫) নামের এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে।

উপজেলার ষোলটাকা ইউনিয়নের রুয়েরকান্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

শিল্পী খাতুন রুয়েরকান্দি গ্রামের আবু তাহেরের স্ত্রী এবং পার্শ্ববর্তী আমতৈল গ্রামের বিল্লাল মালিথার মেয়ে।

মেহেরপুর জেলা প্রশাসক শামীম হাসান বলেন, শিল্পী খাতুনের মৃত্যু হিটস্ট্রোকে হয়েছে কি না সেটা নিশ্চিত করতে ইউএনও এবং স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে জেলায় দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বইছে। তীব্র গরমে অতি প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাইরে বের না হতে এবং নিজেকে সুস্থ রাখার নির্দেশনা দিয়ে মাইকিং করা হয়েছে।

নরসিংদী

নরসিংদীর মাধবদীতে হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

নরসিংদী সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

সাফকাত জামিল ইবান (৩২) সদর উপজেলার মাধবদী থানার ভগীরথপুর এলাকার মৃত জাকারিয়া জামিলের ছেলে এবং শেখেরচর বাজারের কাপড় ব্যবসায়ী ছিলেন।

নরসিংদী সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকলে অফিসার (আরএমও) ডা. মাহমুদুল কবির বাশার বলেন, পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয় প্রচণ্ড রোদের মাঝে চলাফেরা এবং প্রচুর ঘামের ফলেই অজ্ঞান হয়ে যান ইবান। তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই তার মৃত্যু হয়। পরিবারের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে প্রাথমিকভাবে তার মৃত্যু হিটস্ট্রোকে হয়েছে বলে মনে হচ্ছে।

শরীয়তপুর

হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে হারুন চৌকিদার (৪৩) নামে এক অটোরিকশাচালকের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

দুপুরে জেলা পরিষদের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

হারুন চৌকিদার নড়িয়া উপজেলার মোক্তারেরচর ইউনিয়নের নয়ন মাদবরকান্দি এলাকার আলী হোসেন চৌকিদারের ছেলে।

এ বিষয়ে সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. সাবিকুন নাহার বলেন, স্বজনদের কাছ থেকে জানতে পারি অতিরিক্ত গরমে কাজ করার ফলে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে যান হারুন নামের ওই ব্যক্তি। রোগীর স্বজনরা তাকে অ্যাম্বুলেন্সে করে সদর হাসপাতালে সামনে নিয়ে আসলে, আমি অ্যাম্বুলেন্সে গিয়ে তাকে দেখি। হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।

ঝালকাঠি

ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলার কাঠালিয়া সদর ইউনিয়নের পশ্চিম আউরা গ্রামে মো. আফজাল তালুকদার (৪৫) নামের এক যুবক হিটস্ট্রোকে মারা গেছেন।

আফজালের মৃত্যুর বিষয়টি হিটস্ট্রোকে হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় পল্লী চিকিৎসক দিলীপ চন্দ্র হাওলাদার।

সিলেট

সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় হিটস্ট্রোকে এক রিকশাচালকের মৃত্যু হয়েছে। দুপুরে দক্ষিণ সুরমা পুলিশ বক্সের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

রিকশাচালকের পরিচয় এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

হিটস্ট্রোক   তীব্র দাবদাহ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

দুবাই পৌঁছেছে এমভি আবদুল্লাহ

প্রকাশ: ০৬:১২ পিএম, ২১ এপ্রিল, ২০২৪


Thumbnail

জিম্মিদশা থেকে মুক্ত বাংলাদেশি পতাকাবাহী জাহাজ এমভি আবদুল্লাহ পৌঁছেছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই আল হামরিয়া বন্দরে।

বাংলাদেশ সময় রোববার (২১ এপ্রিল) বিকেল ৪টায় জাহাজটি আল হামরিয়া বন্দরে বহির্নোঙর করা হয়।

জাহাজের অবস্থান নির্ণয়কারী বৈশ্বিক সংস্থা মেরিন ট্রফিক এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

মেরিন ট্রফিক সূত্র বলছে, শনিবার রাতে এমভি আবদুল্লাহ ওমান সাগর পাড়ি দিয়ে পারস্য উপসাগরে প্রবেশ করে। বাংলাদেশ সময় বিকেল ৪টায় জাহাজটি দুবাই আল হামরিয়া বন্দরে পৌঁছে।

এ বিষয়ে এমভি আবদুল্লাহর ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ আবদুর রশিদ বলেন, জাহাজের ২৩ নাবিকের সবাই সুস্থ আছেন। দুবাই পৌঁছানোর পর নাবিকদের দুজন ফ্লাইটে বাংলাদেশে ফিরবেন। বাকি ২১ জন কয়লা খালাসের পর মে মাসের প্রথম সপ্তাহে জাহাজ নিয়ে দেশে ফিরবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

এ দিকে জাহাজের মালিকপক্ষের একটি সূত্র বলছে, হামরিয়া বন্দরে ৫৫ হাজার টন কয়লা খালাস করা হবে। এরপর জাহাজটি বাংলাদেশের উদ্দেশে রওনা দেবে। ২৩ নাবিকের ২১ জন সেই জাহাজেই ফিরবেন। ১৭-১৮ দিন পর তারা দেশে এসে পৌঁছাতে পারেন। অপর দুই নাবিক দুবাই থেকে ফ্লাইটে দেশে আসার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

উল্লেখ্য, সোমালীয় দস্যুরা গত ১২ মার্চ বাংলাদেশি ২৩ নাবিকসহ এমভি আবদুল্লাহ জাহাজটি জিম্মি করে। দেশটির উপকূল থেকে ৬০০ নটিক্যাল মাইল দূরে ভারত মহাসাগরে জাহাজটি জিম্মি করা হয়। এর ৩২ দিন পর গত ১৪ এপ্রিল জাহাজটি মুক্ত করে দেয় জলদস্যুরা। এরপরই সেটি সোমালিয়া উপকূল থেকে আরব আমিরাতের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। জাহাজটি ৫৫ হাজার মেট্রিক টন কয়লা পরিবহন করছে।

দুবাই   এমভি আবদুল্লাহ   আরব আমিরাত  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

বরিশালে বৃদ্ধাকে ধর্ষণের পর হত্যা, ৭ মাস পর লাশ উদ্ধার

প্রকাশ: ০৫:৩৬ পিএম, ২১ এপ্রিল, ২০২৪


Thumbnail বৃদ্ধাকে ধর্ষণের ঘটনায় দুই জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ

মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় ষাটোর্ধ্ব বৃদ্ধাকে ধর্ষণের পর হত্যা করে লাশ পুঁতে রাখা হয় তারই ঘরের মেঝেতে। বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার চরামদ্দি ইউনিয়নের মধ্য কাটাদিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

রবিবার (২১ মার্চ) বরিশাল জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সাংবাদিকদের এসব তথ্য দেন পুলিশ সুপার ওয়াহিদুল ইসলাম।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার ওয়াহিদুল ইসলাম বলেন, ইউনিয়নের মধ্য কাটাদিয়া গ্রামের মৃত জয়নাল গাজীর স্ত্রী রিজিয়া বেগম (৬০) একাই বসবাস করতেন। প্রায় ৭ মাস আগে নিখোঁজ হন রিজিয়া বেগম। গত ১৩ এপ্রিল রিজিয়া বেগমের ছেলে রাসেল বাড়িতে এলে ঘরের ভেতরে মাটির স্তূপ দেখতে পান। বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করলে তারা আদালতের নির্দেশে ঘরের ভেতর থেকে রিজিয়া বেগমের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে পাঠান।

এ ঘটনায় বাদী হয়ে ওই দিন মামলা করেন নিহতের ভাই হাওলাদার মাসুদ। মামলার সূত্র ধরে তদন্তে নামে বরিশাল জেলা পুলিশ। প্রযুক্তির ব্যবহার করে এ ঘটনায় জড়িত দু জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

গ্রেফতারকৃতরা হলো, একই ইউনিয়নের মধ্য কাটাদিয়া গ্রামের মৃত আইউব আলীর ছেলে মো. ফয়সাল (৩৫) ও মৃত কালাম হাওলাদার কালুর ছেলে লালচাঁন (৩২)।

 এ প্রসঙ্গে পুলিশ সুপার ওয়াহিদুল ইসলাম  বলেন, ফয়সাল ও লালচাঁন প্রতিনিয়ত ওই বৃদ্ধার ঘরে ও আশপাশে মাদক সেবন করত। সেই ঘটনায় বাধা দেওয়ায় ঘটনার দিন অর্থাৎ প্রায় ৭ মাস আগে পরিকল্পিতভাবে ধর্ষণের পর গলায় কাপড় পেঁচিয়ে হত্যা করে ফয়সাল ও লালচাঁন। এর পর বৃদ্ধার ঘরেই মাটি খুঁড়ে তাকে চাপা দেয় তারা। ফয়সাল ও লালচাঁন দুজনেই মাদকসেবী বলে জানিয়েছে পুলিশ সুপার। গ্রেফতারকৃত দুজনকে রবিবার (২১ এপ্রিল) আদালতে সোপর্দ করা হয়।


ধর্ষণ   লাশ উদ্ধার  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

তীব্র তাপপ্রবাহ নিয়ে এবার মুখ খুললেন হিট অফিসার

প্রকাশ: ০৫:২৬ পিএম, ২১ এপ্রিল, ২০২৪


Thumbnail

রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে বইছে তীব্র তাপপ্রবাহ। প্রচণ্ড গরমে জনজীবন হাঁসফাঁস। ঘরে-বাইরে কোথাও স্বস্তি নেই। প্রখর রোদে পথঘাট সব কিছুই উত্তপ্ত। কোথাও সড়কের পিচ গলতে শুরু করেছে। গরমের কারণে বাড়ছে হিটস্ট্রোকের মতো স্বাস্থ্যঝুঁকি। ডায়রিয়াতেও আক্রান্ত হচ্ছেন অনেকে। এরইমধ্যে হিট অ্যালার্ট জারি করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

পরিস্থিতি যখন এমন তখন স্বভাবতই প্রশ্ন উঠছে, কী করছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের চিফ হিট অফিসার বুশরা আফরিন?

তিনি জানিয়েছেন, দায়িত্ব পেয়ে বসে নেই তিনি। চেষ্টা করে যাচ্ছেন কেন ঢাকায় তাপমাত্রা বাড়ছে তা খুঁজে বের করার। পরিস্থিতি মোকাবিলায় আরও কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া যায়, সেটার চেষ্টা করছেন।

রোববার (২১ এপ্রিল) গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপে এসব পরামর্শ তুলে ধরেন বুশরা আফরিন।

তিনি বলেন, পরিবার ও সমাজের সবার অংশগ্রহণের মাধ্যমে সচেতনতা বৃদ্ধি সম্ভব। খুব সাধারণ কিছু পন্থা অবলম্বন করে আমরা নিজেদের ঝুঁকিমুক্ত রাখতে পারি। যেমন, বেশি বেশি পানি পান করা, ঢিলেঢালা পোশাক পরিধান করা, যথাসম্ভব ছায়ার মধ্যে থাকার চেষ্টা করা এবং অসুস্থ বোধ করলে বিশ্রাম নেওয়া বা বেশি খারাপ বোধ করলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া।

খাবার পানির সুব্যবস্থা ও ছায়াযুক্ত স্থান বাড়াতে সিটি কর্পোরেশন যথাসাধ্য চেষ্টা করছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘কুলিং স্পেস’-এর ব্যবস্থা করার জন্য, যেন পথচারীরা বিশ্রাম নেওয়ার সুযোগ পায়, চেষ্টা করা হচ্ছে। আমাদের অবশ্যই আরও বেশি করে গাছ লাগাতে হবে এবং পরিবেশবান্ধব অবকাঠামো নির্মাণে এগিয়ে আসতে হবে।

গত এক বছরে বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে জানিয়ে বুশরা আফরিন বলেন, এর মধ্যে অন্যতম হলো বস্তি এলাকায় জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা। কারণ তারা অন্যতম প্রবল ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী। সেসব জায়গায় গাছ লাগানোর মাধ্যমে তাদের সম্পৃক্ত করা হয়েছে, সেসব গাছের রক্ষণাবেক্ষণের জন্যও সচেতন করা হয়েছে। 

তিনি বলেন, এছাড়া, আবহাওয়া অধিদপ্তরসহ আরও বেশ কিছু সরকারি-বেসরকারি ও এনজিওর সঙ্গে আমরা যুক্ত হয়ে বেশ কিছু কার্যক্রম শিগগিরই চালু করতে যাচ্ছি। এগুলো সম্পর্কে আপনাদের বিশদভাবে অবহিত করা হবে। কল্যাণপুর ও বনানীতে পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে আমরা নগর বন তৈরি করতে যাচ্ছি, যা একই সঙ্গে শীতলকরণ, বায়ু দূষণ রোধ ও মাটির গুণাগুণ বৃদ্ধি করবে।

তীব্র তাপপ্রবাহ   হিট অফিসার  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন