ইনসাইড বাংলাদেশ

কী রকম ভালো মানুষ সংসদে গেছে, আনার প্রসঙ্গে কাদের সিদ্দিকী

প্রকাশ: ০৫:২০ পিএম, ২৭ মে, ২০২৪


Thumbnail

কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম বলেছেন, ‘দেশটা কেমন যেন ধ্বংসের পথে যাচ্ছে। শুনলাম কয়েক দিন আগে কলকাতায় এক এমপিকে নাকি ৮০ টুকরা করছে। আমরা এ রকম মানুষ যে আমাদের ৮০ টুকরা হতে হয়। তাহলে আমরা কী রকম ভালো মানুষ, কী রকম ভালো মানুষ সংসদে গেছে। কী রকম ভালো মানুষ আওয়ামী লীগের এমপি হইছে।

রোববার (২৬ মে) রাতে উপজেলার হারিঙ্গাচালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ মনোনীত উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সানোয়ার হোসেনের (গামছা প্রতীক) পক্ষে আয়োজিত এক পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন। 

দেশের উন্নয়ন প্রকল্পের নানা অনিয়মের চিত্র তুলে ধরে বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী আরও বলেন, 'দেশে কোন উন্নয়ন হয় নাই, কিছু দালানকোঠা হয়েছে। বিদেশে ছেলেরা থাকে তারা কিছু টাকা পাঠায়। ওই টাকা দিয়ে সরকার ফুটানি করে। যখন একটা সরকারি প্রজেক্ট হয়, তারা অর্ধেক চুরি করে। যদি কোন প্রকল্পে টাকা লাগে এক কোটি, তারা ধরে রাখে ৪ কোটি। দুই কোটিই চুরি করে। এক কোটিরও (টাকা) কাজ করে না। কীভাবে যে দেশটা চলছে-একটু গভীরভাবে না ভাবলে চলে না।' 

পথসভায় আরও বক্তব্য রাখেন টাঙ্গাইলের কালিহাতী থেকে সদ্য নির্বাচিত উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আজাদ সিদ্দিকী, উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সানোয়ার হোসেন, উপজেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি আব্দুস সবুর খান প্রমুখ। 

উল্লেখ্য, আগামী ৫ জুন টাঙ্গাইলের সখীপুরে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের চারজনসহ ৬ জন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪ জন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪ জনসহ মোট ১৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ   বঙ্গবীর   কাদের সিদ্দিকী  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

দেশের যেসব জায়গায় ঈদুল আজহা কাল

প্রকাশ: ০৯:৪২ পিএম, ১৫ জুন, ২০২৪


Thumbnail

দেশের প্রায় অর্ধশত গ্রামে এবারও আগাম পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন হবে। সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রোববার (১৬ জুন) ঈদুল আজহা পালন করবে এসব গ্রামের মানুষ। ঈদ ঘিরে এসব গ্রামে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। 

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ, ফরিদগঞ্জ, শাহরাস্তি এবং মতলব উত্তর উপজেলা মিলিয়ে প্রায় অর্ধশত গ্রামে আগাম রোজা ও ঈদ উদযাপন হয়ে আসছে। জানা গেছে, ১৯২৮ সাল থেকে সৌদি আরবসহ আরব দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে রোজা, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা উদযাপনের নিয়ম চালু হয়। হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা দরবার শরীফের মরহুম পীর মাওলানা ইসহাক (রহ.) প্রথমে তার নিজ গ্রামে এবং পরে তার অনুসারীরা এমন নিয়ম মেনে রোজা রাখা শুরু করেন। সেই ধারাবাহিকতায় ঈদুল ফিতর এবং ঈদুল আজহা উদযাপন হয়ে আসছে। 

হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা, সমেশপুর, অলিপুর, বলাখাল, মনিহার, প্রতাপুর, বাসারা, ফরিদগঞ্জ উপজেলার লক্ষ্মীপুর, কামতা, গল্লাক, ভুলাচোঁ, সোনাচোঁ, উভারামপুর, উটতলি, মুন্সিরহাট, কাইতাড়া, মূলপাড়া, বদরপুর, আইটপাড়া, সুরঙ্গচাইল, বালিথুবা, পাইকপাড়া, নূরপুর, সাচনমেঘ, শোল্লা, হাঁসা, গোবিন্দপুর, মতলব উত্তর উপজেলার দশানী, মোহনপুর, পাঁচানী এবং কচুয়া ও শাহরাস্তি উপজেলার কয়েকটি গ্রামের প্রায় অর্ধলাখ মুসুল্লি এই নিয়ম অনুসরণ করে আসছেন।

সাদ্রা দরবার শরীফ মাঠের পীরজাদা আল্লামা জাকারিয়া চৌধুরী আল মাদানী জানান, দরবার শরীফ মাঠে রোববার সকাল ৯টায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এতে তিনিই ইমামতি করবেন। এছাড়া সাদ্রা হামিদিয়া ফাজিল ডিগ্রি মাদরাসা মাঠে জামাত হবে সকাল সাড়ে ৯টায়।

হাজীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুর রশিদ ও ফরিদগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইদুল ইসলাম জানান, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা এসব গ্রামে একদিন আগে হয়ে আসছে। ঈদের জামাতসহ সব নিরাপত্তায় পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

ঈদুল আজহা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

সীমান্তে সেনাবাহিনীর কঠোর নজরদারি রয়েছে: সেনাপ্রধান

প্রকাশ: ০৯:০৪ পিএম, ১৫ জুন, ২০২৪


Thumbnail

বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে সেনাবাহিনীর কঠোর নজরদারি রয়েছে বলে জানিয়েছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, পরিস্থিতি এখনও নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। যেকোনো পরিস্থিতিতে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী ও নৌবাহিনী প্রস্তুত রয়েছে।

শনিবার (১৫ জুন) দুপুরে শরীয়তপুরের শেখ রাসেল সেনানিবাসে নবগঠিত ১২৯ ব্রিগেড সিগন্যাল কোম্পানির পতাকা উত্তোলন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

সেনাপ্রধান বলেন, ভবিষ্যতে দেশে যদি আক্রমণ হয়, সেক্ষেত্রে প্রতিহত করতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী যে প্রস্তুত সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। বর্ডার ভায়োলেশন, যেমন রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে ওইখানে কোস্টগার্ড ও বিজিবি রয়েছে। তারা বিষয়টি সম্পূর্ণ তদারকি করছে। সরকারের নিদের্শনা অনুযায়ী ব্যবস্থাও নিচ্ছে। আমরা প্রস্তুত আছি, যদি লেভেল ক্লোজ করে তাহলে সমুচিত ব্যবস্থা আমরা নেব।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী জাতিসংঘ মিশনে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করে আসছে। বর্তমানে কুয়েত ও কাতারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যরা সফলতার সঙ্গে কাজ করছে। ভবিষ্যতে এসব দেশে সেনাসদস্য সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে। পদ্মা সেতুর নিরাপত্তায় সার্বক্ষণিক কাজ করছে শেখ রাসেল সেনানিবাস।

বিদায়ী সেনাপ্রধান বলেন, আমার দায়িত্বকালীন সময়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে সেবার মানসিকতা নিয়ে প্রদত্ত দায়িত্বসমূহ যথাযথভাবে পালন করতে পারায় আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। বিশ্বব্যাপী বাংলাদেশের মর্যাদা সমুন্নত ও স্বাধীন ভূখণ্ড নিরাপদ রাখতে অর্পিত দায়িত্ব পালন করতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অঙ্গীকারবদ্ধ। দেশের সংকটময় মুহূর্তসহ যেকোনো পরিস্থিতিতে অকুতোভয় দায়িত্ব পালনে সেনাবাহিনী সদা প্রস্তুত।

আগামী ২৩ জুন অবসরে যাবেন সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ। দীর্ঘ ৪৩ বছর সফলতার সঙ্গে একটি বাহিনীতে কাজ করে প্রধান হিসেবে দায়িত্ব শেষ করা ভাগ্যের ব্যাপার বলে উল্লেখ করেন তিনি।

সেনাবাহিনী   সেনাপ্রধান   এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

মন্ত্রিসভা বড় হচ্ছে বাজেটের পর: বদল হতে পারে গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীদের দপ্তর

প্রকাশ: ০৯:০০ পিএম, ১৫ জুন, ২০২৪


Thumbnail

প্রধানমন্ত্রী আগামী ২১ জুন দু'দিনের সফরে ভারত যাচ্ছেন। ২৩ জুন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। এ উপলক্ষে সপ্তাহব্যাপী নানা রকম অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হচ্ছে। ২৯ জুন জাতীয় সংসদে বাজেট পাশ করা হবে। ৩০ জুন পাস হবে অর্থবিল। সবকিছু মিলিয়ে গোটা জুন মাস জুড়েই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার টানা ব্যস্ততা, দম ফেলার সময় নেই তার। আর এই বাজেট অধিবেশনের পরপরই মন্ত্রিসভার রদবদল হতে যাচ্ছে। 

আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে যে, প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভা বড় করার জন্য সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন। ইতোমধ্যে তিনি প্রাথমিক আলাপ আলোচনা শুরু করেছেন। মন্ত্রিসভার এই রদবদলে এবারও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজন আওয়ামী লীগের ত্যাগী নেতা মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত হতে পারেন বলে বিভিন্ন মহলে গুঞ্জন রয়েছে। 

তবে আওয়ামী লীগের একজন প্রেসিডিয়াম সদস্য বলেছেন যে, মন্ত্রিসভার রদবদলের বিষয়টি তিনিও শুনেছেন। তবে এটি প্রধানমন্ত্রীর একক এখতিয়ার। তিনি কখন কীভাবে মন্ত্রিসভা রদবদল করবেন তা একান্তই তার সিদ্ধান্ত। কিন্তু মন্ত্রিসভার রদবদলের ব্যাপারে ক্ষমতাসীন দলের মধ্যে নানা রকম আলাপ আলোচনা এবং উত্তেজনা এখন দৃশ্যমান।

আওয়ামী লীগের বিভিন্ন মহল থেকে প্রাপ্ত তথ্য জানা গেছে যে, যারা রাজনীতিবিদ আছেন, এরকম বেশ কয়েকজনকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে বলে গুঞ্জন রয়েছে। বিশেষ করে আওয়ামী লীগের দুজন সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম এবং এস এম কামাল হোসেন মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত হতে পারেন বলে বিভিন্ন মহলে আলাপ আলোচনা রয়েছে।এছাড়াও আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক সেলিম মাহমুদ মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত হতে পারে বলে আলোচনা আছে। এর বাইরেও দু একজনের নাম শোনা যাচ্ছে, যারা নতুন মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত হতে পারেন। 

নতুন মন্ত্রিসভায় আমলাদের মধ্যে থেকে অন্তত একজনের অন্তর্ভুক্তির সম্ভাবনা রয়েছে বলে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন নেতারা ইঙ্গিত দিয়েছেন। তবে আওয়ামী লীগের নেতারা বলছেন যে, এ সমস্ত নেতাকর্মীদের আকাঙ্খা। শেখ হাসিনা কী করবেন সেটি সম্পর্কে সকলেই অন্ধকারে রয়েছেন। সংবিধান অনুযায়ী এটি প্রধানমন্ত্রীর একক এখতিয়ার। 

মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণের পাশাপাশি বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন নিয়ে জোর আলোচনা চলছে। একাধিক মন্ত্রী ধারণা করছেন যে, সামনে যে মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ হবে সেখানে কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীর দপ্তর পরিবর্তন হতে পারে। বিশেষ করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে একজন পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী আসতে যাচ্ছেন এটা মোটামুটি নিশ্চিত। তবে কে পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্য মন্ত্রী হবেন- এ সম্পর্কে নিশ্চিত করে কেউ কিছু বলতে পারেননি। 

অন্যদিকে তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত পূর্ণমন্ত্রী হচ্ছেন- এটা মোটামুটি নিশ্চিত বলে একাধিক সূত্র জানিয়েছে। তবে মোহাম্মদ আলী আরাফাত পূর্ণমন্ত্রী হলে তিনি তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে থাকবেন নাকি অন্য কোন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ে যাবেন সেটি নিয়েও বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে। 

বিভিন্ন নেতাদের সঙ্গে কথা বলে যে ধারণা পাওয়া গেছে, তাতে একাধিক রকমের সম্ভাবনার কথা তারা বলছেন। কেউ কেউ মনে করছেন যে, বর্তমান স্থানীয় সরকারমন্ত্রী তাজুল ইসলামকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। আর স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব আসতে পারেন বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। আর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে পারেন মোহাম্মদ আলী আরাফাত। 

আবার কারও কারও মতে ড. হাছান মাহমুদ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালন করছেন এবং তিনি ইতিবাচক ভূমিকা পালন করছেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে তিনি যথেষ্ট সুনাম কুড়িয়েছেন স্বল্প সময়ে। এ কারণে তার চটজলদি অন্য মন্ত্রণালয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা নেই। তিনি একই মন্ত্রণালয়ে থাকবেন। তবে সেখানে ড. সেলিম মাহমুদকে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। মোহাম্মদ আলী আরাফাত পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে থাকতে পারেন বলে কেউ কেউ বলছেন। 

অন্যদিকে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে একজন পূর্ণমন্ত্রীকে দেওয়া হতে পারে। বর্তমান পরিকল্পনা মন্ত্রী শারীরিক ভাবে বেশ অসুস্থ। তিনি দপ্তরবিহীন মন্ত্রীর দায়িত্ব পেতে পারেন বলেও বিভিন্ন মহল থেকে শোনা যাচ্ছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে একজন টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী দেওয়া হতে পারে বলে বিভিন্ন মহলে আলোচনা রয়েছে। অথবা রাজনৈতিক কোন নেতাকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী হিসেবে দেওয়া হতে পারে বলেও গুঞ্জন রয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত মন্ত্রিসভার রদবদল কীভাবে হয় সেটি বুঝতে আরও অপেক্ষা করতে হবে।

মন্ত্রিসভা   বাজেট   প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

ভারত কেন চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক নিয়ে মাথা ঘামাতে রাজী না?

প্রকাশ: ০৮:০০ পিএম, ১৫ জুন, ২০২৪


Thumbnail

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ২১ জুন দিল্লি সফরে যাচ্ছেন। টানা চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি হবে তার প্রথম দ্বিপাক্ষিক সরকারি সফর। ভারত সফরে তিনি তিস্তার পানি চুক্তি, অভিন্ন নদীগুলোর পানিবণ্টন সহ বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন বলে জানা গেছে। 

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে যে, নরেন্দ্র মোদি টানা তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর এটি কোন প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ভারত সফর। আর এই সফরকে ভারত সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। ভারতের পররাষ্ট্র দপ্তরের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে যে, ‘নেইবর ফাস্ট।’ নরেন্দ্র মোদির এই নীতির অংশ হিসেবেই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ভারত সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। 

এই সফর নানা কারণেই গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শুধু ভারত সফরই করছেন না। আগামী ২১ জুন দুইদিনের ভারত সফরের পর তিনি আগামী ৯ জুলাই চীন সফর করবেন এবং চীনের সঙ্গে অর্থনৈতিক, বিনিয়োগ এবং নানা রকম বাণিজ্যিক বিষয় নিয়ে সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নেওয়া হবে। যদিও চীন এবং ভারত সম্পর্কের টানাপোড়েন দীর্ঘদিনের এবং দুটি দেশ এখন পরস্পরের শত্রু হিসেবে বিবেচনা করে, তবুও বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের অতিরিক্ত মাখামাখি নিয়ে ভারত মোটেও বিব্রত নয়, বিরক্ত নয়। বরং ভারতের কূটনৈতিক মহল বাংলাদেশ-চীনের সম্পর্ককে পাশ কাটিয়ে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পক্ষে। এটি বিশ্ব কূটনীতিতেও একটি বিরল ঘটনা বলে মনে করা হচ্ছে।

এটি কেন সম্ভব হচ্ছে?- এর ব্যাখ্যা হিসেবে কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা একাধিক কারণ খুঁজে পেয়েছেন। প্রথমত, শেখ হাসিনার দূরদর্শী। নেতৃত্ব শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বের কারণেই তিনি ভারত এবং চীনের মধ্যে একটি বড় ভারসাম্য রক্ষা করতে পেরেছেন। শেখ হাসিনার কূটনীতির একটি বড় দিক হল বিশ্বস্ততা। তিনি যে কথা দেন সে কথা তিনি রাখেন। তিনি বাংলাদেশকে কারও ক্ষতি করার জন্য ব্যবহার করতে দেন না। তিনি বাংলাদেশে সুনির্দিষ্ট পররাষ্ট্র নীতি অর্থাৎ ‘সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সাথে বৈরিতা নয়’- এটি অক্ষরে অক্ষরে মেনে চলেন। তিনি যেমন বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ককে ভারত বিরোধিতার জন্য ব্যবহৃত হতে দেন না, তেমনি বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ককে যেন চীন বিরোধী প্রপাগান্ডা পরিণত না হয় সে জন্য সতর্ক থাকেন। আর এ কারণেই এই সম্পর্কগুলোকে সকলেই ইতিবাচকভাবে লক্ষ্য করে। কারও জন্যই ক্ষতিকারক নয় বাংলাদেশ-  এই ধারণাটি বিশ্ব নেতৃবৃন্দের কাছে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছেন শেখ হাসিনা।

দ্বিতীয়ত, ভারতের বাংলাদেশকে অত্যন্ত দরকার এবং বাংলাদেশ ভারতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর গত ১৫ বছর ভারত লাভবান হয়েছে সবচেয়ে বেশি। বিশেষ করে ভারতীয় বিচ্ছিন্নতাবাদীদের দমন করা, বাংলাদেশে তাদেরকে জায়গা না দেওয়া, ভারতের জন্য ট্রানজিট সুবিধা দেওয়া এবং অবাধ বাণিজ্য সহ বিভিন্ন সুবিধা দেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ যে ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছে তাতে ভারত উপকৃত হয়েছে। এর ফলে ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন প্রায় দমন হয়ে গেছে। ভারতের হাজার হাজার কোটি রুপি বেচেছে। এ কারণে ভারত শেখ হাসিনার কোন বিকল্প দেখছে না বা দেখতেও চায় না।

তৃতীয়ত, বাংলাদেশে শেখ হাসিনার কোন বিকল্প নেই। ভারত সুস্পষ্ট ভাবে অনুধাবন করতে পেরেছে যে, বাংলাদেশে নেতৃত্ব দেওয়ার মতো আর কোন যোগ্য নেতা নেই। অর্থাৎ শেখ হাসিনার কোন বিকল্প নেই। আর এ কারণেই ভারত মনে করে যে, বাংলাদেশ-চীনের সম্পর্ক যেভাবেই এগিয়ে নিক না কেন তা ভারতের স্বার্থের জন্য কখনোই ক্ষতিকর হবে না। শেখ হাসিনা সেটি করবেন না। বরং চীনের সঙ্গে বাংলাদেশ সম্পর্ক রাখছে তার নিজের প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধির জন্য, অর্থনৈতিক উন্নতির জন্য। আর এ কারণেই শেখ হাসিনার এই কূটনীতি প্রশংসিত হচ্ছে। ভারত যেমন বাংলাদেশকে এখন এই অঞ্চলের প্রথম বন্ধু হিসেবে বিবেচনা করছে তেমনি চীনও বাংলাদেশের ব্যাপারে আগ্রহ বাড়াচ্ছে প্রতিনিয়ত।

ভারত   দিল্লি   চীন-বাংলাদেশ   শেখ হাসিনা   নরেন্দ্র মোদি   চীন সফর  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

প্রধানমন্ত্রী ডাকল ‘আয় আয়’, ছুটে এলো খরগোশের দল

প্রকাশ: ০৭:১৮ পিএম, ১৫ জুন, ২০২৪


Thumbnail

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কণ্ঠ শুনেই ছুটে এলো খরগোশের দল। শনিবার (১৫ জুন) গণভবনে কৃষক লীগের তিন মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ অভিযানের উদ্বোধন উপলক্ষে গণভবন প্রাঙ্গণে বৃক্ষ রোপণ শেষে খরগোশের ঘরের সামনে গেলে এমন দৃশ্য দেখা যায়। এসময় প্রধানমন্ত্রী ‘আয় আয়’ বলে ডাক দিলে ছুটে আসে খরগোশের দল।

গণভবনে কৃষক লীগের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ২০২৪ কর্মসূচি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি মূলত নির্ভর করে কৃষির ওপর। আমাদের অর্থনীতি কৃষি নির্ভর। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের স্বাধীনতা দিয়েছেন। স্বাধীনতার পর পরই তিনি সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়েছিলেন। কৃষিকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন।  

শেখ হাসিনা বলেন, স্বাধীনতার পরে বঙ্গবন্ধু যে উদ্যোগ নিয়েছিলেন তার ফলে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছিল। যখন তিনি এই ঘুনেধরা সমাজ ভেঙে নতুন সমাজ গড়ার পদক্ষেপ নেন এবং বাংলাদেশকে সম্পূর্ণভাবে আত্মমর্যাদাশীল করে গড়ে তোলার বিপ্লবের কর্মসূচি ঘোষণা দেন। আমাদের দুর্ভাগ্য সেই সময় জাতির পিতাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। 



গাছ লাগানোর গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ জলবায়ুর ক্ষতি করে না। কিন্তু জলবায়ু অভিঘাতে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত। গাছ আমাদের প্রাণ, শ্বাস-প্রশ্বাস দেয়। ফল ও ঔষধি গাছের উপকারিতা অনেক। এজন্য গাছ লাগাতে হবে। নদীর পাড়, উপকূলে এবং ঘরবাড়িতে গাছ লাগান। তবে ফসলি জমি নষ্ট করা যাবে না। শহরে ছাদেও ছোট ছোট গাছ লাগাতে পারেন। উপকূলীয় অঞ্চলে সবুজ বেষ্টনি তৈরি করা। কৃত্রিম উপায়ে বৃক্ষরোপণ করা। ঘূর্ণিঝড়সহ প্রাকৃতিক দুর্যোগে মানুষকে বাঁচাতে আমাদের ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট করতে হবে।

মাটির গুণ রক্ষায় পরামর্শ দিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, বারবার একই ফসল করতে করতে মাটির গুণ নষ্ট হয়ে যায়। এজন্য মাঝখানে আরেকটা করলে মাটি পুষ্টি ফিরে পায়। যেমন- আমরা বারবার ধান করছি, এটার মাঝখানে আরেকটা করতে পারলে মাটির পুষ্টি বাড়বে।

শেখ হাসিনা বলেন, পেঁয়াজ নিয়ে এত ঝামেলা। আমরা কেন উৎপাদন করি না? ৪০ শতাংশ আমরা জোগান দেই। এটা আরও বাড়বে। পেঁয়াজ উৎপাদন করে কৃষাণী অনেক টাকা আয় করে। ভুট্টাও চাষ হতো না, সেটাও করছি। আগে সবজি শীতকালে পাওয়া যেত, কিন্তু এখন আমরা গবেষণা করে বারোমাসি সবজির জাত উদ্ভাবন করেছি। এখন এটার ফল পাওয়া যাচ্ছে।

কৃষক লীগের সভাপতি কৃষিবিদ সমীর চন্দের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে কৃষক লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক বিশ্বনাথ সরকার বিটুসহ মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, আওয়ামী লীগের নেতা, সরকারের পদস্থ কর্মকর্তা ও কৃষক লীগের নেতারা অংশ নেন।

শেখ হাসিনা   গণভবন   কৃষক লীগ   বৃক্ষরোপণ  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন