ইনসাইড বাংলাদেশ

হঠাৎ করেই পাকিস্তান দূতাবাসের রহস্যময় তৎপরতা

প্রকাশ: ১০:০১ পিএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail হঠাৎ করেই পাকিস্তান দূতাবাসের রহস্যময় তৎপরতা

পাকিস্তান দূতাবাস হঠাৎ করে রহস্যময় তৎপরতা শুরু করেছে। বিশেষ করে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিভিন্ন বিষয়ে পাকিস্তান দূতাবাসের অতি আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিজয়ের মাস ডিসেম্বর সমাগত। আমাদের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করব আমরা। আর এই সময় পাকিস্তান দূতাবাস বিভিন্ন ইস্যুতে কেন সরব হয়েছে তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে। অবশ্য বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এখন পর্যন্ত এ বিষয় নিয়ে কোনো রকম প্রতিক্রিয়া দেখায়নি, তারা কোনো মন্তব্য করেনি। কিন্তু পাকিস্তান দূতাবাসের সাম্প্রতিক তৎপরতায় উদ্যোগে বিভিন্ন মহল বিস্ময় প্রকাশ করেছে। কিছুদিন আগে পাকিস্তান দূতাবাস একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ তৈরি করেছিল। হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের মাধ্যমে বিভিন্ন মৌলবাদী, বুদ্ধিজীবীদেরকে একাট্টা করার চেষ্টা করেছিল। গত ৯ নভেম্বর লাহোরে বাংলাদেশ-পাকিস্তান বন্ধুত্ব সম্মেলনের নামে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল, যেখানে বাংলাদেশের কিছু বিতর্কিত ব্যক্তি যোগদান করেছিল।

সাম্প্রতিক সময়ে আবার পাকিস্তান দূতাবাস বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তানের উদ্যোগে খেল খেল নামে একটি চলচ্চিত্র প্রকাশিত হয়েছে, চলচ্চিত্রটি ঘটা করে দেখানোর আয়োজন করছে পাকিস্তান দূতাবাস। এই ছবিটিও অত্যন্ত বিতর্কিত, আপত্তিকর। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের তথ্য মন্ত্রণালয় বা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ ছবির ব্যাপারে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি কেন সেটি একটি বড় বিস্ময়। কারণ, এই ছবিটিতে পাকিস্তান বাংলাদেশের ক্ষমা প্রসঙ্গটি এসেছে ভিন্নভাবে, পরস্পর পরস্পরের কাছে ক্ষমা চেয়েছে এবং বন্ধু হয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে। এটি আমাদের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের উপর সুস্পষ্ট আঘাত বলেই মনে করা হচ্ছে।

ডিসেম্বর মাসে পাকিস্তান ক্রিকেট দল ঢাকায় দ্বিতীয় টেস্ট খেলবে। সেই খেলায় পাকিস্তানি দর্শকরা যেন মিরপুর স্টেডিয়ামে যান এবং তাদের পতাকা উত্তোলন করেন তাঁর ব্যবস্থাও করছে পাকিস্তান দূতাবাস। এজন্য টিকেট সংগ্রহের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে দূতাবাসের কর্মকর্তারা। সাম্প্রতিক সময়ে স্টেডিয়াম পাকিস্তানের পতাকা নিয়ে যাওয়ার প্রেক্ষিতে কিছু ব্যক্তি হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন। তখন বলা হয়েছে যে, পাকিস্তানের কোন নাগরিক তাদের দলকে সমর্থন জন্য পতাকা নিয়ে যেতে পারে। আর এই সুযোগটি নিতেই পাকিস্তান দূতাবাস এবার ঘটা করে মিরপুর স্টেডিয়ামে পাকিস্তানি পতাকা নিয়ে যাওয়া পাঁয়তারা করছে। আমাদের বিজয়ের মাস মিরপুর স্টেডিয়ামে পাকিস্তানের পতাকা উড়বে এটি ভয়ংকর একটি আপত্তিকর বিষয় বলে মনে করছেন মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী সকল মানুষ। আর এজন্যই পাকিস্তান দূতাবাসের তৎপরতা বন্ধের জন্য বিভিন্ন মহল সরকারের কাছে আবেদন জানাচ্ছে। আবার ১৬ ডিসেম্বর মাওলানা ভাসানী হকি স্টেডিয়ামে পাকিস্তান-ভারত হকি ম্যাচ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এই ম্যাচটি বন্ধ করার জন্য বিভিন্ন মহল সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছে। বিজয় দিবসের দিনে বাংলাদেশে পাকিস্তানের পতাকা উড়বে এটি অবিশ্বাস্য এবং কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না বলে বিভিন্ন মহল মনে করছেন। এছাড়াও পাকিস্তান সাম্প্রতিক সময়ে সাহিত্য সভা, সাংস্কৃতিক সভা ইত্যাদির আয়োজন করছে। হঠাৎ করে পাকিস্তান দূতাবাসের এই তৎপরতার রহস্য কি এই নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

পদ্মা সেতু পারাপারে যাত্রীদের দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান সেতুমন্ত্রীর

প্রকাশ: ০২:৪৪ পিএম, ২৭ Jun, ২০২২


Thumbnail পদ্মা সেতু পারাপারে যাত্রীদের দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান সেতুমন্ত্রীর

পদ্মা সেতু পারাপারে যাত্রী সাধারণকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

সোমবার (২৭ জুন) এক বিজ্ঞপ্তিতে তিনি এ আহ্বান জানান।

সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, পদ্মা সেতু অবকাঠামো একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় স্থাপনা এবং দেশের এক বড় সম্পদ। এর নিরাপত্তা ও স্থায়িত্ব রক্ষা করা আমাদের সবার দায়িত্ব।

সেতু পারাপারে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ যে সব নির্দেশনা জারি করেছে, তা যথাযথভাবে পালন করে শৃঙ্খলা বজায় রাখারও আহ্বান জানান তিনি।

সেতুমন্ত্রী   পদ্মা সেতু  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

পদ্মা সেতুর নাট-বল্টু খোলার জন্য সরঞ্জাম ব্যবহার করা হয়েছে: সিআইডি

প্রকাশ: ১২:৫৩ পিএম, ২৭ Jun, ২০২২


Thumbnail পদ্মা সেতুর নাট-বল্টু খোলার জন্য সরঞ্জাম ব্যবহার করা হয়েছে: সিআইডি

সিআইডির সাইবার ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট বিভাগের বিশেষ পুলিশ সুপার রেজাউল মাসুদ বলেছেন, পদ্মা সেতুর নাট-বল্টু হাত দিয়ে খোলা সম্ভব নয়। এ বিষয়ে আমরা সেতু কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে জেনেছি, এত বড় একটা স্থাপনার নাট-বল্টু হাত দিয়ে খোলা যাবে না। এতে বোঝা যায় নাট-বল্টু হাতে দিয়ে খোলা হয়নি, নাট-বল্টু খোলার জন্য সরঞ্জাম ব্যবহার করা হয়েছে।

সোমবার (২৭ জুন) মালিবাগে অবস্থিত সিআইডির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। গ্রেপ্তার হওয়া বায়েজিদের বিরুদ্ধে পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলা করা হয়েছে বলেও জানান সিআইডির সাইবার ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট বিভাগের বিশেষ পুলিশ সুপার।

এর আগে রোববার (২৬ জুন) বিকেলে যুবক বায়েজিদ তালহাকে আটক করে সিআইডি। এ বিষয়ে সিআইডির সাইবার ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট বিভাগের বিশেষ পুলিশ সুপার রেজাউল মাসুদ বলেন, পদ্মা সেতুর রেলিংয়ের নাট খুলে টিকটক ভিডিও তৈরি করে ভাইরাল হওয়া ৩০ বছর বয়সী যুবক বায়েজিদ তালহাকে বিকেলে রাজধানীর শান্তিনগর থেকে আটক করা হয়েছে। তার বাড়ি পটুয়াখালীতে।

৩৪ সেকেন্ডের ওই ভাইরাল টিকটক ভিডিওতে দেখা যায়, বায়েজিদ তালহা সেতুর রেলিংয়ের পাশে দাঁড়িয়ে দুটি বল্টুর নাট খুলছেন। ভিডিও ধারণকারীকে বলতে শোনা যায়, ‘এই লুজ দেহি, লুজ নাট, আমি একটা ভিডিও করতেছি, দেহ।’

নাট হাতে নিয়ে বায়েজিদ বলেন, ‘এই হলো পদ্মা সেতু, আমাদের... পদ্মা সেতু। দেখো আমাদের হাজার হাজার কোটি টাকার পদ্মা সেতু। এই নাট খুইলা এহন আমার হাতে।’

সিআইডি   পদ্মা সেতু  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

পিকআপে পদ্মা পাড়ি দিচ্ছে মোটরসাইকেল আরোহীরা

প্রকাশ: ১২:০৪ পিএম, ২৭ Jun, ২০২২


Thumbnail পিকআপে পদ্মা পাড়ি দিচ্ছে মোটরসাইকেল আরোহীরা

উদ্বোধনের পর দিন অর্থাৎ গত ২৬ তারিখ সেতু দিয়ে সকল ধরণের যানবাহন চলাচলের অনুমতি দেওয়ার পরই সেতুটি দিয়ে ৫১ হাজার ৩১৬টি যানবাহন পার হয়েছে। যা থেকে সরকারের টোল আদায় হয়েছে দুই কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার ৩০০ টাকা। পারাপার হওয়া যানবাহনের মাঝে বেশির ভাগই ছিলো মোটরসাইকেল। তবে প্রথম দিন শেষেই সেতু দিন মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সেতু কর্তৃপক্ষ। 

সোমবার (২৭ জুন) সকাল থেকেই সেতু পারাপারে নিষেধাজ্ঞার ফলে মোটরসাইকেল নিয়ে বেশ বিপাকে পড়েছেন সেতুটি পার হতে আসা মোটরসাইকেল আরোহীরা। তবে নতুন বুদ্ধি বের করে এখন পিকআপে বাইক তুলে পদ্মা সেতু পার হচ্ছেন বাইকাররা।    

সেতু পারাপারে আসা পদ্মা সেতুর জাজিরা প্রান্তে এক বাইকার বলেন, স্বপ্নের পদ্মা সেতু দেখার জন্য এসেছিলাম ময়মনসিংহ থেকে। গতরাতে ফরিদপুরে ছিলাম। এখন যাওয়ার পথে যাওয়ার জন্য এসেছি। কিন্তু আসার পর এত বড় দুর্ভোগ পোহাতে হবে সেটা বুঝতে পারেনি। এখন গাড়ি পিকআপে করে স্বপ্নের সেই পদ্মা সেতু পার হতে হবে। 

আজ সকাল থেকে টোল প্লাজার আশপাশে মোটরসাইকেল আসতে দেওয়া হচ্ছে না। যারা আসছে তাদের পিছনে পাঠিয়ে দিচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।  

সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, টোল প্লাজার আগেই আটকে দেওয়া হচ্ছে মোটরসাইকেলগুলো। টোল প্লাজার আশপাশে তেমন গাড়ির জটলা নেই। বাইকগুলো পিকআপে তুলে সেতু পার করা হচ্ছে। প্রতিটি পিকআপে ৫ থেকে ৬টি করে মোটরসাইকেল ওঠানো হচ্ছে। এর জন্য ১৩০০ থেকে ১৫০০ টাকা করে নিচ্ছেন পিকআপ চালকরা।  

পদ্মা সেতু নিয়ে আরেক বাইকার ব্যক্তি বলেন, পদ্মা সেতু হলে চাকরি করবো ঢাকায় গিয়ে রাতে ঘুমাবো বাড়িতে এসে, এমনটা ভেবেছিলাম। কিন্তু এখন তো দেখছি বড় ভোগান্তিতে পড়েছি। সরকারিভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে মোটরসাইকেল। 

ফরিদপুর থেকে পদ্মা সেতু দেখতে আসা আলম বলেন, দাদা পদ্মা সেতু দেখবে। তাই তাকে পেছনে নিয়ে ফরিদপুর থেকে এসেছি, কিন্তু এখন দেখি পদ্মা সেতুতে উঠতে দেয় না। তাই এখন চলে যাওয়া ছাড়া উপায় নেই।

সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আবুল হোসেন বলেন, পদ্মা সেতুতে গতকাল দুই কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার ৩০০ টাকা টোল আদায় হয়েছে। প্রথমদিন মোট ৫১ হাজার ৩১৬টি যানবাহন পার হয়েছে। 

পদ্মা সেতু   মোটরসাইকেল   পারাপার  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

উদ্বোধন হয়ে গেলেও থেমে নেই ষড়যন্ত্র

প্রকাশ: ১০:০২ এএম, ২৭ Jun, ২০২২


Thumbnail উদ্বোধন হয়ে গেলেও থেমে নেই ষড়যন্ত্র

গত ২৫ জুন স্বপ্নের পদ্মা সেতুর উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দ্বার খুলেছে পদ্মা সেতুর। পারাপার শুরু করেছে মানুষ। বিশ্বে নতুন পরিচয়ে বাংলাদেশ। সে নতুন পরিচয় হলো সক্ষমতার পরিচয়। নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু। অনেক প্রশ্ন আর অনেক ষড়যন্ত্রের সরষ ও নীরব উত্তর এখন এই সেতু। পদ্মা সেতু যেন না হয় সেজন্য যেমন দেশি-বিদেশি নানা ষড়যন্ত্র হয়েছে, তেমনি উদ্বোধনী অনুষ্ঠান যেন না হয় তার জন্যও হয়েছে নানা ষড়যন্ত্রের তৎপরতা। বিলি করা হয়েছিল পদ্মা সেতু বিরোধী প্রচারপত্র। উদ্বোধন হয়ে গেলেও থেমে নেই ষড়যন্ত্র, শুরু হয়েছে নতুন করে। জনসাধারণের জন্য সেতু উন্মুক্ত করে দেওয়ার প্রথম দিনেই আবার নানা আলোচনা-সমালোচনা চলছে। সবার জন্য সেতু ‍খুলে দেওয়ার পর এক অসুস্থ প্রতিযোগিতা লক্ষ্য করা গেছে সেতুকে কেন্দ্রে করে। কে প্রথম টোল দিল, কে প্রথম সেতু পাড়ি দিল-এ রকম নানা চর্চা চলছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে। তবে সবচেয়ে বড় উদ্বেগের কারণ হলো সেতুতে উঠে নোংরামি করা। সামাজিক মাধ্যম এবং গণমাধ্যমগুলোতে দেখা গেছে যে, অনেকে নিষেধাজ্ঞা অবজ্ঞা করেছে সেতু ব্যবহারের নির্দেশনা। 

নির্দেশনা অমান্য করে অনেকে সেতুতে মোটরসাইকেল নিয়ে উঠে সেতুর মাঝ পথে থেমে করেছেন টিকটক ভিডিও। এই উচ্ছ্বাসের ভিড়ে ঘটেছে একাধিক অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাও। দুজন টিকটকার সেতুর মেটাল ব্যারিয়ারের নাট-বল্টু খুলে নেওয়ার ভিডিও করে তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়েছেন। সেতুতে একজনের মূত্রত্যাগের ছবিও ছড়িয়েছে। এসব নিয়ে দিনভর আলোচনা হয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। অবশ্য নাট-বল্টু খুলে নেওয়া এক টিকটকার ধরাও পড়েছেন। অন্যদেরও ধরতে কাজ করছে পুলিশ প্রশাসন। 



জানা গেছে, পদ্মা সেতুর রেলিংয়ের নাট-বল্টু খুলে গ্রেফতার হওয়া মো. বায়েজিদ মৃধা বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। বায়েজিদ পটুয়াখালী সদর উপজেলার বদরপুর ইউনিয়নের তেলীখালী গ্রামের আলাউদ্দিন মৃধার ছেলে। পটুয়াখালীতে থাকাকালে তিনি ছাত্রদলের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। তিনি জেলা ছাত্রদলের সা‌বেক সভাপ‌তি গাজী মো. আশফাকুর রহমান বিপ্লবের অনুসারী ছিলেন বলে নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় বিএন‌পি ও ছাত্রদ‌লের একাধিক নেতা।
 
মোটরসাইকেল নিয়ে সেতুর উপরে উঠে মাঝ পথে থেমে টিকটিক ভিডিও করাকে অতি উৎসাহী হিসেবে মেনে নিলেও সেতুতে উঠে নাট-বল্টু খোলা কখনোই মেনে নেওয়ার মতো নয় বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। এটি শুধু নিছক কোনো ঘটনাই নয়, একটি নাশকতা। আমরা পদ্মা সেতু ‍উদ্বোধনের আগে লক্ষ্য করেছি যে, বিভিন্ন জায়গায় একের পর এক অগ্নিকাণ্ড। আমরা নিছক দুর্ঘটনা হিসেবে নিয়েছিলাম সে সব ঘটনা। কিন্তু গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সেতু উদ্বোধনের আগে নাশকতার সংশ্লিষ্টতা পেয়েছিলেন। কাজেই এটাকে নিছক ঘটনা হিসেবে নেওয়া যায় না। বিশ্লেষকরা বলছেন, পদ্মা সেতু নিয়ে একটি মহল অনেকদিন ধরে অপপ্রচার চালিয়ে আসছে। পদ্মা সেতুর স্ক্রু খোলার বিষয়টি তারই নমুনা। এটিকে একটি পরিকল্পিত এবং নাশকতা হিসেবেই দেখছেন তারা। তারা বলছেন যে, সেতু নিয়ে বিতর্ক তৈরি করে সরকারকে বেকদায় ফেলার পূর্ব কল্পিত চেষ্টা এটি।

ষড়যন্ত্র   পদ্মা সেতু  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

শরীয়তপুর-ঢাকা রুটে বিআরটিসি বাস বন্ধ করে দিল পরিবহন মালিকরা

প্রকাশ: ০৯:৫১ এএম, ২৭ Jun, ২০২২


Thumbnail

পদ্মা সেতু চালু হওয়ায় শরীয়তপুর-ঢাকা রুটে বাস সার্ভিস চালু করেছিল বিআরটিসি বাস। রোববার (২৬ জুন) সকাল থেকে উৎসবমুখর পরিবেশে সেতুর ওপর দিয়ে ঢাকার ফুলবাড়িয়া বিআরটিসি বাসস্ট্যান্ড থেকে যাত্রী নিয়ে বিআরটিসির আটটি বাস ছেড়ে শরীয়তপুরের প্রেমতলা ও বাস টার্মিনাল এলাকায় যায়। এ সময় শরীয়তপুর জেলা সড়ক পরিবহন মালিক গ্রুপ গাড়ির যাত্রীদেরও জোর করে নামিয়ে দিয়ে বাস বন্ধ করে দেওয়া হয়।

শরীয়তপুর জেলা সড়ক পরিবহন মালিক গ্রুপের একটি সূত্রের দাবি, তাদের সঙ্গে সমন্বয় না করার কারণে বিআরটিসির বাস চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বাস মালিক গ্রুপ শরীয়তপুর সুপার সার্ভিস নামে একটি বাস সার্ভিস চালু করেছে। তারা শরীয়তপুর থেকে ঢাকা ননএসি বাসে ভাড়া নিচ্ছে ২৫০ টাকা করে। আর বিআরটিসি এসি বাস জনপ্রতি ৩০০ টাকা নিয়েছিল।

বাসের যাত্রীদের দাবি, পরিবহন সিন্ডিকেট মুক্ত হোক শরীয়তপুর। বিআরটিসির বাস শরীয়তপুরের সব উপজেলায় চলুক।

বিআরটিসি বাস পরিচালনাকারী গোসাইরহাটের বাবলু মৃধা জানান, বিআরটিসি আমাদের অনুমতি দিয়েছে। বাস মালিক সমিতির সঙ্গে কথা হয়নি। শরীয়তপুর আসার পর বাস মালিক সমিতির লোকজন আমাদের বাস আটকে দেয় ও যাত্রীদের নেমে যেতে বলে।

তবে এ ব্যাপারে কথা বলতে শরীয়তপুর জেলা সড়ক পরিবহন মালিক গ্রুপের কেউ রাজি হননি।

পালং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আক্তার হোসেন বলেন, এ বিষয়ে সোমবার (২৭ জুন) সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে বসে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

বিআরটিসি বাস   পদ্মা সেতু  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন