ইনসাইড বাংলাদেশ

বাংলাদেশ নিয়ে দুই মেরুতে মার্কিন-ভারত

প্রকাশ: ১০:০০ পিএম, ১২ ডিসেম্বর, ২০২১


Thumbnail বাংলাদেশ নিয়ে দুই মেরুতে মার্কিন-ভারত

২০০৭ সাল থেকে বাংলাদেশের ব্যাপারে অভিন্ন অবস্থানে ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারত। বাংলাদেশের ব্যাপারে যেকোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে এই দুটি দেশ অভিন্ন অবস্থান গ্রহণ করতো। বিশেষ করে ওয়ান-ইলেভেন পরবর্তী উত্তরণের সময় ভারত যা বলেছে সেটিই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মেনে নিয়েছে। আস্তে আস্তে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক এবং বাংলাদেশকে পর্যালোচনার ব্যাপারে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পুরোপুরি ভারত নির্ভর হয়ে পরে। ভারত বাংলাদেশের গণতন্ত্র, রাজনীতি ইত্যাদি ব্যাপারে যে ধরনের মনোভাব পোষণ করবে সেটিই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মনোভাব, এরকম একটি অলিখিত নীতি চালু হয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘ ১৩ বছর পর সেই অবস্থান থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরে এসেছে। এখন ভারত যেটি বলছে সে ব্যাপারে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সবক্ষেত্রে অভিন্ন মত পোষণ করছে না। বরং কোন কোন ক্ষেত্রে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভারতের সম্পূর্ণ বিপরীত মেরুতে অবস্থান করছে বলেই জানা গেছে। 

২০০৭ সালে ওয়ান-ইলেভেন আনার ক্ষেত্রে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারতসহ আরো পশ্চিমা দেশগুলোর ভূমিকা ছিল। তারাই সহিংসতার রাজনীতি বিপরীতে একটি স্থিতিশীলতা আনার জন্য অনির্বাচিত সরকারকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল এবং সেনাসমর্থিত তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার আসার পিছনে যে দুটি দেশ সবচেয়ে বেশি ভূমিকা পালন করেছিল তা হল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত। পরবর্তীতে ভারত আস্তে আস্তে গণতন্ত্রের পক্ষে অবস্থান গ্রহণ করে এবং গণতান্ত্রিক নির্বাচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রবর্তনের ব্যাপারে জোরালো অবস্থান নেয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সেই অবস্থানকে সমর্থন করে। ২০০৮ এর নির্বাচনের পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ভারতের প্রভাব বাড়ে এবং এই সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভারতের উপর অনেকটাই নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। বাংলাদেশের যেকোনো নীতি ও অবস্থানের ব্যাখ্যা ভারত যেটি দিতো সেটিই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে গ্রহণযোগ্য হতো। আর এই অবস্থা ২০১৪ এর নির্বাচনে সুস্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয়। ওই নির্বাচনে বিএনপি-জামায়াত জোট বর্জন করে। কিন্তু তারপরও ভারত এ নির্বাচনকে সমর্থন জানায়। শেষ পর্যন্ত ২০১৪ এর নির্বাচনে বিরোধী দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করলেও আন্তর্জাতিক মহলে গ্রহণযোগ্য হয়। ওই নির্বাচন আন্তর্জাতিক মহলে গ্রহণযোগ্য হয়। আওয়ামী লীগ পাঁচ বছর ক্ষমতায় থাকে। 

২০১৮ সালেও ভারতের অবস্থানই ছিল বাংলাদেশের ব্যাপারে চূড়ান্ত। ভারত যে অবস্থান গ্রহণ করে, সেই অবস্থানের প্রতি সমর্থন জানায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জো বাইডেন প্রেসিডেন্ট হবার পর বাংলাদেশের ব্যাপারে তাদের আগ্রহ বাড়ে। এতদিন ধরে বাংলাদেশের রোহিঙ্গা ইস্যুতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অকুণ্ঠ সমর্থন জানাচ্ছিল এবং দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি সুবাতাস বইছিল। কিন্তু বাইডেন প্রশাসন দায়িত্ব গ্রহণের পর বাংলাদেশের বিভিন্ন ব্যাপারে মার্কিন হস্তক্ষেপ এবং নজরদারি বাড়তে থাকে। বিশেষ করে বাংলাদেশের মানবাধিকার ইস্যু, গণমাধ্যম ইস্যু এবং বিরোধী মত দমনের অভিযোগগুলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আমলে নিতে শুরু করে। কিন্তু ভারত সবসময় মনে করে বাংলাদেশ এখনো সঠিক পথেই আছে। গণতন্ত্র, মানবাধিকার এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা অন্য অনেক দেশের তুলনায় ভালো। বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় আস্তে আস্তে উন্নতি করছে বলেও ভারত মনে করে এবং দুই দেশের সম্পর্ক অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে একটি অন্য উচ্চতায় গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যে সিদ্ধান্তগুলো বাংলাদেশের ব্যাপারে নিয়েছে সেই সিদ্ধান্তগুলোর ব্যাপারে ভারত একমত নয় বলেও একাধিক কূটনৈতিক সূত্র নিশ্চিত করেছে। ফলে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে ভারতের মনোভাব এবং দৃষ্টিভঙ্গি, আর মার্কিন মনোভাব এবং দৃষ্টিভঙ্গি এখন সম্পূর্ণ বিপরীত মেরুতে অবস্থান করছে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।


মার্কিন-যুক্তরাষ্ট্র   ভারত   বাংলাদেশ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

সিরাজগঞ্জে হিটস্ট্রোকে ২ কৃষকের মৃত্যু

প্রকাশ: ০৩:১৪ পিএম, ১৬ মে, ২০২৪


Thumbnail

উল্লাপাড়ায় ধান কাটতে গিয়ে হিট স্ট্রোকে দুই কৃষকের মৃত্যু হয়েছে । এরা হলেন, উপজেলার বাঙ্গালা ইউনিয়নের রহিমপুর গ্রামের কৃষক বিষ্ণুপদ মজুমদার (৫১) ও বিনায়েকপুর গ্রামের ছাইদুল ইসলাম লাবলু (৫৭) । এরা দুইজনই তাদের গ্রামের পাশের মাঠে প্রচন্ড রোদ ও তাপদাহের মধ্যে ধান কাটছিলেন।

 

নিহতদের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার ভোর বেলা থেকে উভয় ব্যক্তি একই মাঠে তাদের নিজেদের জমিতে অপর শ্রমিকদের সঙ্গে ধান কাটছিলেন। বেলা ১২ টার দিকে এরা তাপদাহের কারণে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। স্থানীয়রা তাদেরকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যায়। তবে হাসপাতালে পৌঁছার আগেই তারা মারা যান। 

বাঙ্গালা ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ সোহেল রানা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, প্রচন্ড রোদ গরমে ধান কাটার সময় বিষ্ণুপদ মজুমদার ও ছাইদুল ইসলাম লাবলু হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাদেরকে হাসপাতালে নেবার পথে দুজনই মারা যান। 


হিটস্ট্রোক   কৃষক  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

প্রকল্প পরিচালকদের আলাদা প্রশিক্ষণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশ: ০৩:০২ পিএম, ১৬ মে, ২০২৪


Thumbnail

উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রকল্প পরিচালকদের আলাদা প্রশিক্ষণ দিতে নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার (১৬ মে) রাজধানীর শেরে বাংলা নগরের জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) সভায় নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী। সভায় সভাপতিত্ব করেন এনইসি চেয়ারপারসন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

২০২৪-২৫ অর্থবছরে জন্য লাখ ৬৫ হাজার কোটি টাকা বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) অনুমোদন দিয়েছে এনইসি। এর মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে লাখ ৬৫ হাজার কোটি এবং বৈদেশিক ঋণ থেকে লাখ কোটি টাকা ব্যয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে, গত মে পরিকল্পনা কমিশনের বর্ধিত সভায় এডিপির খসড়া চূড়ান্ত করা হয়। সভা শেষে পরিকল্পনা বিভাগের সিনিয়র সচিব সত্যজিৎ কর্মকার বিস্তারিত জানান।

পরিকল্পনামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা তুলে ধরে বলেন, যেসব সরকারি কর্মকর্তা নানা সময়ে বিদেশে প্রশিক্ষণে যান। সেখান থেকে ফেরার পর তাদের প্রশিক্ষণের ধরন অনুযায়ী প্রকল্পে নিয়োগ দিতে বলেছেন। এছাড়া যাদের প্রকল্প পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হবে তাদের আলাদাভাবে প্রশিক্ষণ দিতে নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়ে বলেছেন বৈদেশিক ঋণের প্রকল্প দ্রুত শেষ করতে হবে। বৈদেশিক ঋণের প্রকল্পে তিন মাস অন্তর অন্তর পর্যালোচনা করতে বলেছেন। এছাড়া উন্নয়ন প্রকল্পে মানসম্পন্ন প্রতিষ্ঠান দিয়ে সমীক্ষা করার নির্দেশনা দিয়েছেন সরকার প্রধান।

পরিকল্পনামন্ত্রী জানান, আগামীতে উপজেলাভিত্তিক প্রকল্প থেকে সরে এসে জেলাভিত্তিক প্রকল্প প্রণয়নে গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়ে এনইসি সভায় আলোচনা করা হয়েছে। কারণ উপজেলা পর্যায়ে প্রকল্প নিলে সেগুলোর সমন্বয় থাকে না। এর ফলে উপজেলাগুলোতে সম উন্নয়ন হয় না। এজন্য এখন থেকে জেলাভিত্তিক উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করা হবে। বিশেষ করে গ্রামীণ অবকাঠামো, স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নকে গুরুত্ব দিতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী।


প্রকল্প   পরিচালক   প্রধানমন্ত্রী  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

বাগেরহাটে জলবায়ু খাতে বাজেট বরাদ্দের দাবীতে সভা


Thumbnail

বাগেরহাটে ইউনিয়ন পরিষদে জলবায়ু খাতে বাজেট বরাদ্দের দাবীতে এ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ই এপ্রিল) সকালে বাগেরহাটের রামপাল উপজেলা অডিটরিয়ামের হলরুমে এ্যাক্টিভিস্টা বাগেরহাট রামপালের আয়োজনে এবং বাঁধন মানব উন্নয়ন সংস্থা একশন এইড বাংলাদেশের সহযোগিতায় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

  সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন রামপাল উপজেলা চেয়ারম্যান সেখ মোয়াজ্জেম হোসেন। বাঁধন মানব উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক এএসএম মঞ্জুরুল  হাসান মিলন এর সভাপতিত্বে  অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রামপাল উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হোসনেয়ারা মিলি, রামপাল সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ নাসির  উদ্দিন, রামপাল সদর ইউনিয়নের সচিব গৈতম বসু, পেরিখালি ইউনিয়নের সচিব রাজিব মজুমদার, সাংবাদিক এম সবুর রানা, শেখ আবু তালিব।এছাড়া বাঁধন মানব উন্নয়ন সংস্থার বিভিন্ন যুব গ্রুপের অর্ধ শতাধিক নারী যুব সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় ইউনিয়ন পরিষদের আগামী বাজেটে ১১ টি দাবীর মাধ্যমে বাজেট রাখার জন্য সুপারিশ করা হয়।

সুপারিশগুলো হলো জলবায়ুতে ক্ষতিগ্রস্ত যুব নারীদের  বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বাজেট রাখা, জলবায়ু সহনশীল টেকশই কৃষির উন্নয়নে বাজেট রাখা, কমিউনিটি ক্লিনিকে স্বল্প  মূল্যে স্যানিটারি ন্যাপকিন কর্নার স্থাপন বাবদ বাজেট রাখা, সাইবার সিকিউরিটি এন্ড প্রটেকশন বিষয়ে প্রশিক্ষণ কর্মশালা করা এবং বাজেট রাখা, জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিগ্রস্ত যুব নারীদের বিকল্প কর্ম তৈরিতে সিট ফান্ড রাখা,  পরিবেশ বান্ধব কৃষি উন্নয়নে ১০০ জন কৃষককে ( ব্যাচে ) প্রশিক্ষণ প্রদান বাবদ বাজেট রাখা, পুকুর সংস্কার করে (রিজার্ভ ওয়াটার প্লান্ট) এর মাধ্যমে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণে বাজেট রাখা, খেলাধুলার জন্য খেলার মাঠ সংস্কার করে খেলাধুলার উপযোগী করে তোলা, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা, ইউনিয়ন আইটি সেন্টারের মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সিং আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে কর্ম সৃষ্টিতে বাজেট রাখা, ইউনিয়ন পর্যায়ে  বর্জ্য ব্যবস্থাপনা জন্য নির্দিষ্ট ব্যাক্তি বা দলকে নিয়োগ করা।


জলবায়ু খাতে বাজেট   এডভোকেসি সভা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

বাংলাদেশের রূপান্তরের রূপকার শেখ হাসিনা: ওবায়দুল কাদের

প্রকাশ: ০২:১৪ পিএম, ১৬ মে, ২০২৪


Thumbnail

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তনে উন্নয়ন, অর্জন আধুনিকতায় বাংলাদেশ বদলে গেছে। গ্রাম হয়েছে শহর। সেই বাংলাদেশের রূপান্তরের রূপকার এক কথায় শেখ হাসিনা।

বৃহস্পতিবার (১৬ মে) তেজগাঁওয়ের রহমতে আলম ইসলাম মিশন এতিমখানায় সুবিধাবঞ্চিতদের মাঝে সুষম খাবার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি কথা বলেন। ১৭ মে আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠানের আয়োজন করে দলটির ত্রাণ সমাজকল্যাণ বিষয়ক উপ-কমিটি।

তিনি বলেন, ১৫ বছর ধরে আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের ক্ষমতার রাজনীতিতে অধিষ্ঠিত আছেন। এই ১৫ বছর আগে আর পরে বাংলাদেশের আজকে কী পার্থক্য দেখতে পান? ওই বাংলাদেশের সাথে এই বাংলাদেশের কোনও মিল নেই। ১৫ বছর আগের আর আজকের ঢাকা শহর দিন-রাত পার্থক্য।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার হয়েছে। তিনি (প্রধানমন্ত্রী) ফিরে এসেছিলেন বলেই গণতন্ত্র শৃঙ্খলমুক্ত হয়েছে। সংসদে আইন প্রণয়নের মাধ্যমে স্বাধীন নির্বাচন ব্যবস্থা আমরা করতে পেরেছি। স্বপ্নের মেট্রোরেল হয়েছে। নিজের টাকায় পদ্মাসেতু করতে পেরেছি।

আওয়ামী লীগের ত্রাণ সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম প্রমুখ।


বাংলাদেশ   রূপকার   শেখ হাসিনা   ওবায়দুল কাদের  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

মৌলভীবাজার সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ৭ দিনের স্থিতাবস্থা

প্রকাশ: ০১:৪৯ পিএম, ১৬ মে, ২০২৪


Thumbnail

মৌলভীবাজার সদর উপজেলার নির্বাচন ৭ দিনের জন্য স্থিতাবস্থা জারি করেছেন আপিল বিভাগ। একইসঙ্গে এই সময়ের মধ্যে সদর উপজেলার চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী মো. তাজুল ইসলাম তাজের মনোনয়নপত্রের বৈধতা নিয়ে জারি করা রুল নিষ্পত্তি করতে নির্দেশ দিয়েছেন সর্বোচ্চ আদালত।

বৃহস্পতিবার (১৬ মে) প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে ৮ বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে তাজের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম, সাঈদ আহমেদ রাজা। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন। ইসির পক্ষে ছিলেন এম খালেকুজ্জামান।

এর আগে গত ৯ মে মৌলভীবাজারের সদর উপজেলার চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী মো. তাজুল ইসলাম তাজের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন হাইকোর্ট। বিচারপতি মো. ইকবাল কবির ও মো. আখতারুজ্জামানের যৌথ বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেন।

জানা গেছে, গত ২৮ এপ্রিল মৌলভীবাজার সদর উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী মো. তাজুল ইসলাম তাজের মনোনয়নপত্র আপিল শুনানিতে বাতিল ঘোষণা করেন জেলা প্রশাসক ও আপিল কর্তৃপক্ষ ড. উর্মি বিনতে সালাম।

এরপর তাজুল ইসলাম তাজ মনোনয়নপত্র ফিরে পেতে উচ্চ আদালত রিট আবেদন করেন। ইসি ও রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা জানান, তাজুল ইসলাম তাজ সাজাপ্রাপ্ত আসামি।


উপজেলা নির্বাচন   আদালত  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন