ইনসাইড ইকোনমি

আলেশা মার্টের অফিস বন্ধ পাওয়ার অভিযোগ গ্রাহকদের

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৮:২৯ এএম, ১৮ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail

আবারো অফিস বন্ধ, আবারো আরেকটি ধোকার সামনে দাড়িয়ে ই-কমার্স গ্রাহকরা। দেশে একের পর এক ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান বন্ধের মাঝে আবারো সামনে এলো দেশের আরেকটি বৃহৎ প্রতিষ্ঠান আলেশা মার্টের অফিস বন্ধের খবর। ঢাকার তেজগাঁও শিল্পাঞ্চলে প্রতিষ্ঠানটির অফিস বন্ধ রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন গ্রাহকেরা। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছে প্রতিষ্ঠানটির কর্তৃপক্ষ।

গতকাল বুধবার (১৭ নভেম্বর) পণ্য ও টাকা ফেরতের (রিফান্ড) চেক নিতে অফিসের সামনে আসেন অর্ধশতাধিক গ্রাহক। তাঁরা ভেতরে প্রবেশ করতে চাইলে ভবনের নিরাপত্তাকর্মীরা বাধা দেন।

গ্রাহক, পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট অফিস ভবনের নিরাপত্তাকর্মীরা বলছেন, তিন–চার মাস ধরে পণ্য সরবরাহ না করলেও আলেশা মার্টের নাসরিন ভবনের অফিসটি খোলা ছিল। কিন্তু গত রোববার থেকে অফিসটি বন্ধ রয়েছে।

ভবনের নিরাপত্তাকর্মীরা বলেন, রোববার থেকে এখানে কেউ অফিস করছেন না। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা–পুলিশ। পরে পুলিশ গ্রাহকদের বুঝিয়ে সেখান থেকে সরিয়ে দেয়।

এদিকে আলেশা মার্টের অফিস বন্ধ হয়ে গেছে বলে সোমবার রাত থেকে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খবর ছড়িয়ে পড়ে। তবে অফিস বন্ধের খবরকে গুজব বলে দাবি করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

ফেসবুকের পোস্টে আলেশা মার্ট বলেছে, তাদের কার্যক্রম চালু রয়েছে ও দুটি কার্যালয়ই খোলা রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে বুধবার একটি সংবাদ সম্মেলন করা হবে। তবে এদিন তারা কোনো সংবাদ সম্মেলন করেনি।

এ প্রসঙ্গে জানতে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মো. মঞ্জুর আলম শিকদারের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে নাসরিন ভবনের একাধিক নিরাপত্তাকর্মী বলেন, সর্বশেষ রোববার অফিসে লোকজন এসেছিলেন। সোমবার থেকে অফিসটি পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী আবুল কালাম বলেন, প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন করার কথা ছিল। যে কারণে অনেক গ্রাহক তাদের অফিসের সামনে জড়ো হয়েছিলেন। সংবাদ সম্মেলন না হওয়ায় তাঁরা চলে গেছেন।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

দূর্গাপুজা উপলক্ষে বেনাপোল বন্দরে ৪ দিন বন্ধ আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য

প্রকাশ: ০৯:১২ পিএম, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail দূর্গাপুজা উপলক্ষে বেনাপোল বন্দরে ৪ দিন বন্ধ আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য

দুর্গাপূজায় টানা চারদিন বন্ধ থাকবে বেনাপোল স্থলবন্দর। এসময় ভারতের পেট্রাপোল বন্দরের সঙ্গে দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ থাকবে। তবে বেনাপোল কাস্টম হাউজ ও বন্দরে পণ্য খালাস ও পাসপোর্ট যাত্রীদের চলাচল স্বাভাবিক থাকবে।

বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে ভারতের পেট্রাপোল বন্দরের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস স্টাফ ওয়েল ফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক কার্ত্তিক চক্রবর্তী এসব তথ্য জানান। তিনি আরও জানান, পূজার ছুটিতে ২-৫ অক্টোবর পর্যন্ত পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে সব ধরনের আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকবে। ৬ অক্টোবর সকাল থেকে এ পথে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য চালু হবে।

বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট স্টাফ এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান বলেন, চারদিন বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকবে বলে ওপারের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট থেকে পত্র দিয়ে আমাদের জানানো হয়েছে। তিনি আরও জানান, পূজার ছুটিতে চারদিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকলেও বন্দরে লোড-আনলোড ও কাস্টমসের কাজ চলবে।

দূর্গাপুজা   আমদানি   বাণিজ্য  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

লবণাক্ত পানির অভাব: বিসিকের চিংড়ি ব্যবসায় ধস

প্রকাশ: ০৯:৩১ এএম, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail লবণাক্ত পানির অভাব: বিসিকের চিংড়ি ব্যবসায় ধস

উপযুক্ত পরিবেশ থাকা সত্ত্বেও পার্শ্ববর্তী বেতনা নদী থেকে লবণাক্ত পানি সংগ্রহের সুযোগ না থাকায় সাতক্ষীরা বিসিকে চিংড়ি ব্যবসায় ধস নেমেছে।এতে করে বাধ্য হয়ে চিংড়ি উৎপাদন বন্ধ করে দিয়েছেন কয়েকজন ব্যবসায়ী। 

তথ্যমতে,সাতক্ষীরা বিসিক শিল্পনগরী  থেকে প্রতি বছর গড়ে  ৭৫ কোটি ৪০ লাখ টাকার পণ্য উৎপাদিত হয়। তার মধ্যে  শিল্পনগরীতে চিংড়ি ব্যবসায় দেখা দিয়েছিল নতুন করে সম্ভাবনা। কিন্তু লবণাক্ত পানির অভাবে সেই সম্ভাবনাময়ী শিল্পটি এখন বিলুপ্ত হতে চলেছে। ইতিমধ্য লোকাসান পোষাতে না পরে বিসিকি শিল্প নগরীর চারটি চিংড়ির প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বিসমিল্লাহ হ্যাচারি ও সোনারগাঁও হ্যাচারি ও চিশতিয়া হ্যাচারি বন্ধ হয়ে গেছে। নামে টিকে আছে চিংড়ি বাংলা হ্যাচারী। এই শিল্পনগরীতে নতুন করে সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে এগ্রো বেজ ও ভেটেরিনারি ব্যবসা।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আগে চিংড়ি হ্যাচারির ব্যবসায়ীরা পার্শ্ববর্তী বেতনা নদী থেকে খুব সহজে লবণাক্ত পানি সংগ্রহ করত। তবে বেতনা নদী খনন করায় সেটা এখন সম্ভব হয় না। তাই বাধ্য হয়ে সাগর থেকে পানি পরিবহন করে আনতে হতো। এতে অনেক বেশি খরচ পড়ে যেত। এটাই মূলত লোকসানের কারণ। 

চিংড়ি ব্যবসার প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ব্যবসায়ীরা নতুন করে এগ্রো বেজ শিল্প ও ভেটেরিনারি ওষুধ কারখানার দিকে ঝুঁকছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি গ্রুপের শিল্প-কারখানা করার প্রক্রিয়া চলছে। তাছাড়া দুটি ভেটেরিনারি ওষুধ কারখানা অল্প সময়ের মধ্যে কার্যক্রম শুরু করবে বলে জানা গেছে।

বিসিকির তথ্য মতে, সাতক্ষীরা বিসিকে ৩৩টি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের বিপরীতে মোট ৯৬টি প্লট বরাদ্দ দেওয়া আছে। যেখানে চালু রয়েছে ২৬টি প্রতিষ্ঠান। এদের অন্যতম ছিল চিংড়ি উৎপাদন শিল্প। কিন্তু চিংড়ি উৎপাদন করতে লবণ পানির সল্পতার কারণে বন্ধ হয়েছে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান। সাগর থেকে লবণ পানি পরিবহন করে এনে লোকসানের মুখে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা।

স্থানীয় ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম জানান, লবণাক্ত পানির অভাবে চিংড়ি ব্যবসায় ধস নেমেছে। ব্যবসায়ীরা লোকসানে পড়ে তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করেছেন। দুই বছরের বেশি সময় ধরে বিসিক শিল্পনগরী সাতক্ষীরায় বেশ কয়েকটি শিল্পপ্রতিষ্ঠান পরিত্যাক্ত হয়ে পড়ে আছে। পরিত্যাক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো নতুন করে চালুর কোনো উদ্যোগ নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ওই প্রতিষ্ঠানগুলো সরিয়ে নতুন প্রতিষ্ঠান করার সুযোগ করে দিচ্ছে না। 

তিনি আরও জানান, সাতক্ষীরা চিংড়ির জন্য বিখ্যাত হলেও লোকসানে পড়ে চিংড়ি ব্যবসা থেকে মুখ ফিরিয়ে উদ্যোক্তারা এখন কৃষি ও ভেটেরিনারি শিল্পের দিকে ঝুঁকছে। কীটনাশক থেকে শুরু করে গবাদিপশুর ওষুধ কারখানা করার প্রক্রিয়া চলছে। 

বিসিকির  এক ব্যবসায়ী জানান, সাতক্ষীরা বিসিক শিল্প নগরীতে এক সময় চিংড়ির রমরমা ব্যবসা ছিল। তবে লবণাক্ত পানির সংকটে পড়ে চারটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে তিনটি বন্ধ হয়ে গেছে। একটি টিকে আছে, তবে সেটা নামেমাত্র। ব্যবসায়ীরা এখন চিংড়ির দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে এগ্রো বেজ ও ভেটেরিনারি বিজনেসের দিকে ঝুঁকছে। 

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুঠির শিল্প করপোরেশনের (বিসিক) সাতক্ষীরা জেলা কার্যালয়ের উপ-ব্যবস্থাপক গোলাম সাকলাইন বাংলা ইনসাইডার কে জানান, সাতক্ষীরা এক সময় চিংড়ির জন্য বিখ্যাত ছিল। এখানে ব্যবসায়ীরা চিংড়ির পোনা উৎপাদন করত। তবে লবণাক্ত পানির সংকটসহ অন্য কারণে চিংড়ি ব্যবসা বন্ধ হয়ে গেছে। নতুন উদ্যোক্তারা চিংড়ি থেকে মুখ ফিরিয়ে এগ্রো বেজ ও ভেটেরিনারি বিজনেসের দিকে ঝুঁকছেন।

তিনি আরও জানান,বিসিক শিল্পনগরী ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। শুরুর দিকে দিকে এখানে তেমন শিল্প উদ্যোক্তা পাওয়া যেত না। সে সময়ে বিরানভূমি আকারে পড়েছিল এই শিল্পনগরী। তবে বর্তমানে ৯৬টি শিল্প প্লট ৩৩টি শিল্প ইউনিটের বিপরীতে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। যার মধ্য ২৬টি শিল্প ইউনিট চালু ও ৭টি শিল্প ইউনিট বিভিন্ন কারণে বন্ধ হয়ে গেছে। এই প্রতিষ্ঠানগুলো বছরে ৭৫ কোটি ৪০ লাখ টাকার পণ্য উৎপাদন করে।

লবণাক্ত পানি   চিংড়ি ব্যবসা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানি বেড়েছে প্রায় ৬ বিলিয়ন ডলার

প্রকাশ: ১০:৪৫ এএম, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানি বেড়েছে প্রায় ৬ বিলিয়ন ডলার

বাংলাদেশের পোশাক পণ্যের কদর রয়েছে বিশ্বজুড়েই। ইউরোপ-আমেরিকা বাংলাদেশের পোশাকের বড় ক্রেতা। বর্তমানে দেশের তৈরি পোশাকের চাহিদা ক্রমাগত বাড়ছে মার্কিন মুল্লুকে। বাংলাদেশ থেকে দেশটির পোশাক আমদানি বেড়েছে অনেকটা।

চলতি বছরের (২০২২) জানুয়ারি-জুলাই সময়ের সর্বশেষ পোশাক আমদানির পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে ওটিইএক্সএ। ওটিইএক্সএর তথ্যমতে, ২০২১ সালের একই সময়ের (জানুয়ারি-জুলাই) তুলনায় বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক আমদানি বেড়েছে ৫৪ দশমিক ৪৩ শতাংশ। পুরো বিশ্বে তাদের আমদানি বেড়েছে ৩৯ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ। এ সময়ের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ থেকে ৫ দশমিক ৭১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পোশাক আমদানি করেছে।

যুক্তরাষ্ট্র ২০২২ সালের জানুয়ারি-জুলাই সময়ে চীন থেকে আমদানি প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৪০ শতাংশ। এ সময়ে চীন থেকে যুক্তরাষ্ট্র পোশাক আমদানি করেছে ১২ দশমিক ৭৯ বিলিয়ন ডলারের।

একই সময়ে ভিয়েতনাম থেকে যুক্তরাষ্ট্রের আমদানি বেড়েছে ৩৫ দশমিক ৩০ শতাংশ। আমদানি পৌঁছেছে ১০ দশমকি ৯১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে। অন্যান্য শীর্ষ দেশ যেমন ইন্দোনেশিয়া, ভারত, কম্বোডিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া এবং পাকিস্তান থেকে আমদানি একই সময়ে উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের পোশাকের চাহিদা বাড়ার বিষয় নিয়ে কথা হয় তৈরিপোশাক মালিক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল এর সঙ্গে। তিনি বলেন, মুলত করোনা মহামারি থেকে ঘুরে দাঁড়ানো এবং ভোক্তাদের কেনাকাটা বাড়ার ফলে খুচরা বিক্রয় স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি বেড়েছে। তবে, মূল্যস্ফীতি এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে মন্দার কারণে ২০২২ সালের চতুর্থ প্রান্তিকে প্রবৃদ্ধির এ ঊর্ধ্বমুখী ধারা কতটা টিকে থাকবে সেটি ভাবনার বিষয়। দীর্ঘ গ্রীষ্মের কারণে শীতের পোশাকের চাহিদাও তুলনামূলক কম।

এ পোশাকশিল্প উদ্যোক্তা আরও বলেন, বাংলাদেশ ২০২২ সালের আগস্ট পর্যন্ত মোট পোশাক রপ্তানির হারে প্রবৃদ্ধি বজায় রেখেছিল। ফলে বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের আমদানি সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ইতিবাচক প্রবণতা বজায় রাখতে পারে এবং পরে অর্থনৈতিক অস্থিরতার কারণে খুচরা বিক্রয়ে নেতিবাচক প্রভাব পড়ায় ক্রেতারা সতর্ক অবস্থানে আছেন।


বাংলাদেশ   পোশাক রপ্তানি   যুক্তরাষ্ট্র   পোশাক পণ্য   গার্মেন্টস  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

কমেছে সোনার দাম

প্রকাশ: ০৭:৩২ পিএম, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail কমেছে সোনার দাম

দেশের বাজারে সোনার দাম আবারও কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। ভালো মানের সোনার দাম ভরিতে এক হাজার ৫০ টাকা কমানো হয়েছে। ফলে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভ‌রি সোনার দাম কমে দাঁড়াবে ৮১ হাজার ২৯৮ টাকা। যা এতদিন ছিল ৮২ হাজার ৩৪৮ টাকা।

সোমবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান এম এ হান্নান আজাদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। মঙ্গলবার (২৭ সেপ্টেম্বর) থেকে সারাদেশে নতুন দর কার্যকর হবে।

বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমেছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এনে দেশের বাজারে স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হ‌য়ে‌ছে।

নতুন দাম অনুযায়ী, ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে ভালো মানের ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম এক হাজার ৫০ টাকা কমিয়ে ৮১ হাজার ২৯৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ৯৯১ টাকা কমিয়ে ৭৭ হাজার ৬২৪ টাকা করা হয়েছে। ১৮ ক্যারেটের দাম কমানো হয়েছে ৯৩৩ টাকা, এখন বিক্রি হবে ৬৬ হাজার ৪৮৫ টাকা। সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ভরিতে কমেছে ৭০০ টাকা, বিক্রি হবে ৫৫ হাজার ১৭১ টাকা।

তবে রুপার দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। ক্যাটাগরি অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম এক হাজার ৫১৬ টাকা। ২১ ক্যারেটের রুপার দাম এক হাজার ৪৩৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের রুপার দাম এক হাজার ২২৫ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৯৩৩ টাকা অপরিবর্তিত আছে।

চলতি মাসে চারবার সোনার দাম নির্ধারণ করেছে বাজুস। এর মধ্যে ১০ সেপ্টেম্বর সোনার দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি রেকর্ড পরিমাণ বেড়ে বিক্রি হয় ৮৪ হাজার ৫৬৪ টাকা। তারপর ১৪ সেপ্টেম্বর সোনার দাম কমানোর ঘোষণা আসে।

এরপর ১৮ সেপ্টেম্বর আবারও সোনার দাম কমিয়েছিল বাজুস যা ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হয়। ওই দরে আজ পর্যন্ত সোনা বেচাকেনা হয় ২২ ক্যারেটের ৮২ হাজার ৩৪৮ টাকায়। ২১ ক্যারেটের ৭৮ হাজার ৬১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের সোনা বিক্রি হয়েছে ৬৭ হাজার ৪১৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার ভরি ছিল ৫৫ হাজার ৮৭১ টাকা।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

২২ দিনে আয় ১৩ হাজার কোটি টাকা

প্রকাশ: ০৯:০৫ এএম, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail ২২ দিনে আয় ১৩ হাজার কোটি টাকা

চলতি মাস সেপ্টেম্বরের প্রথম ২২ দিনে প্রবাসী আয় দেশে এসেছে ১২৬ কোটি ৫৪ লাখ (১২৬৫ দশমিক ৩৯ মিলিয়ন) ডলার । প্রতি ডলার ১০৩ টাকা হিসাবে বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ১৩ হাজার ৩৩ কোটি টাকা। তবে চলতি সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে যে হারে রেমিট্যান্স (প্রবাসী আয়) এসেছিল, সে তুলনায় দ্বিতীয় এবং তৃতীয় সপ্তাহে কিছুটা কমে গেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যমতে, সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহে (৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত) ৫২ কোটি ২৪ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স এসেছিল দেশে। আর দ্বিতীয় সপ্তাহে (১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত) রেমিট্যান্স আসে ৪১ কোটি ২৭ লাখ ডলার। তবে তৃতীয় সপ্তাহে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন (২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত) মাত্র ২০ কোটি ৫৫ লাখ ডলার। অর্থাৎ মাসের প্রথম সপ্তাহে যে পরিমাণ রেমিট্যান্স এসেছিল, পরের দুই সপ্তাহে তা ধারাবাহিকভাবে কমেছে।

এর আগে চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে (জুলাই ও আগস্ট) টানা দুই বিলিয়ন ডলার করে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল। চলতি মাসের (সেপ্টেম্বর) প্রথম সপ্তাহে যেভাবে রেমিট্যান্সের ধারা ছিল সেখানে ব্যাংকখাত সংশ্লিষ্টরা এ মাসেও দুই বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স আশা করেছিলেন। তবে পরের দুই সপ্তাহে ধারাবাহিক কমে যাওয়াকে হতাশাজনক বলছেন তারা। প্রবাসী আয়ের প্রবাহ কমে আসার এই ধারা চলমান থাকলে আগের দুই মাসের তুলনায় সেপ্টেম্বরে রেমিট্যান্স কমে যাবে।

এদিকে, সেপ্টেম্বরের প্রথম ২২ দিনে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন পাঁচ ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্স এসেছে ১৮ কোটি ৫৮ লাখ মার্কিন ডলার। বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ১০৫ কোটি ৩৭ লাখ মার্কিন ডলার। এছাড়া বিদেশি ব্যাংকের মাধ্যমে ৫১ লাখ মার্কিন ডলার এবং একটি বিশেষায়িত ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে দুই কোটি মার্কিন ডলার। তবে আলোচিত সময়ে কোনো রেমিট্যান্স আসেনি সরকারি বিডিবিএল, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক, কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ, বিদেশি ব্যাংক আল-ফালাহ, হাবিব ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া ও উরি ব্যাংকের মাধ্যমে।

২০২১-২০২২ অর্থবছরে ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে দুই হাজার ১০৩ কোটি ১৭ লাখ (২১ দশমিক ৩ বিলিয়ন) মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছিল দেশে। এটি তার আগের অর্থবছরের চেয়ে ১৫ দশমিক ১১ শতাংশ কম। আগের ২০২০-২০২১ অর্থবছরে দুই হাজার ৪৭৭ কোটি ৭৭ লাখ (২৪ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন) ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন বিভিন্ন দেশে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

রেমিট্যান্স   প্রবাসী   বাংলাদেশ ব্যাংক  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন