ইনসাইড গ্রাউন্ড

কাতার বিশ্বকাপে ব্রাজিলের আক্রমণভাগ থাকবে যাদের দখলে

প্রকাশ: ০৯:০০ এএম, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail কাতার বিশ্বকাপে ব্রাজিলের আক্রমণভাগ থাকবে যাদের দখলে

‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’খ্যাত ফুটবল বিশ্বকাপের এবারের আসর শুরু হতে বাকি আর মাত্র দুই মাসের মত কিছু সময়। তারপরই শুরু হয়ে যাবে ফুটবলের সবচেয়ে মহাযজ্ঞ। এবারের আসরে অংসগ্রহন করবে সর্বমোট ৩২টি দল।আর প্রতিবারের মতই এবারেও হট ফেভারিট হিসিবে অংসগ্রহন করবে ব্রাজিল। ২১ নভেম্বর থেকে শুরু হওয়ার কথা ছিল এবারের ফুটবল বিশ্বকাপ। তবে এর একদিন আগে, অর্থাৎ ২০ তারিখে কাতার বনাম ইকুয়েডর ম্যাচ দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরুর কথা চিন্তা করছে ফিফা। উদ্বোধনী ম্যাচের মধ্য দিয়ে শুরু হবে এবারের শিরোপার লড়াই। আর এই শিরোপা জয়ের অন্যতম দাবিদার হিসেবেই আগামী নভেম্বরে কাতারে পা রাখতে যাচ্ছে টুর্নামেন্টটির ইতিহাসের সবচেয়ে বেশিবারের শিরোপাজয়ীরা।

ব্রাজিল আন্তর্জাতিক ফুটবলের সবচেয়ে সফল দল। ব্রাজিলই একমাত্র দল যারা অংশগ্রহণ করেছে বিশ্বকাপের প্রতিটি আসরে। বিশ্বকাপ শিরোপাও তারা জিতেছে সবচেয়ে বেশি, পাঁচবার। ১৯৫৮, ১৯৬২, ১৯৭০, ১৯৯৪ ও ২০০২ সালে।

সবচেয়ে বেশি, চারটি কনফেডারেশনস কাপ বিজয়ী দলও ব্রাজিল। দক্ষিণ আমেরিকার শ্রেষ্ঠত্ব নির্ণয়ের লড়াই, কোপা আমেরিকায় ব্রাজিল সফলতা পেয়েছে আটবার। সর্বশেষ তারা কোপা আমেরিকার শিরোপা জিতেছিল ২০০৭ সালে।

বিশ্বকাপে ব্রাজিলের সর্বশেষ শিরোপা জয়ের কেটে গেছে ২০টি বছর। এশিয়ায় বসা সেই আসরের শিরোপা জয়ের পর এখন পর্যন্ত ফাইনালেও পৌঁছাতে পারেনি দলটি। এবার সেই বন্ধ্যাত্ব ঘুচানোর মিশনে নামবে তিতের দল। এর জন্য সবার আগে নিজ অঞ্চলের বিশ্বকাপ বাছাই পর্ব পার হয়েছে ব্রাজিল। সবচেয়ে বেশি পয়েন্ট নিয়ে কাতার বিশ্বকাপের টিকেট নিশ্চিত করে সেলেকাওরা।

কাতার বিশ্বকাপের আগে ব্রাজিলের সব ফুটবলাররাও রয়েছে দুর্দান্ত ছন্দে। রক্ষণভাগ থেকে শুরু করে আক্রমণভাগ, সব জায়গাতেই আলো ছড়াচ্ছেন ব্রাজিলের ফুটবলাররা। বিশ্বকাপের আগে অন্যান্য কোচরা যখন নিজেদের একাদশে ২৬ জনকে মেলাতেই হিমশিম খাচ্ছে, সেখানে ব্রাজিল কোচ আছে মধুর সমস্যায়। কাকে রেখে কাকে দলে নিবেন?

বিশ্বকাপের জন্য দল ঘোষণায় আক্রমণভাগ নিয়ে সবচেয়ে মধুর এই সমস্যায় পড়তে যাচ্ছেন তিতে। নেইমার জুনিয়র, ভিনিসুয়াস জুনিয়র, মার্তিনেললি, গ্যাব্রিয়েল জেসুস, রোদ্রিগো, রিচার্লিসন, রাফিনহা কিংবা অ্যান্থনি। প্রত্যেকেই আছেন নিজেদের ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা ফর্মে।

ব্রাজিলিয়ান দলের পোস্টারবয় নেইমার জুনিয়র ফিট থাকলে তার বিশ্বকাপে যাওয়া নিশ্চিত। তবে ব্রাজিল কোচ তাকে আর উইংয়ে ব্যবহার করবেন না বলেই জানিয়েছেন। তাকে ব্যবহার করবেন ফলস নাইন কিংবা নাম্বার টেন হিসেবে।

নেইমারকে উইং থেকে সরানো মানেই ভিনিসিয়াস জুনিয়র লেফট উইংয়ের দায়িত্ব নিবেন। ব্রাজিল বস তিতে এর আগে একবার জানিয়েছিলেন যে, ভিনিসিয়াসের কাছে তার প্রত্যাশা অনেক। ২০১৪ সালে যে নেইমারকে তিনি দেখেছিলেন সেই নেইমারের ভূমিকা এবার ভিনিসিয়াস নিবে এমনটাই প্রত্যাশা। লেফট উইংয়ে ভিনিসিয়াসের ব্যাকআপ থাকবেন মার্তিনেল্লি সেটা অনেকটাই নিশ্চিত।

রাইট উইং সামলানোর দায়িত্বে থাকবেন রাফিনহা এবং অ্যান্থনি। দুজনেই নিজ নিজ ক্লাবে অবিশ্বাস্য ফর্মে আছেন এবং জাতীয় দলেও তারা তাদের পরিপক্কতার ছাপ রেখেছেন। নাম্বার নাইন হিসেবে এবার অন্য সবার চেয়ে এগিয়ে থাকবেন রিচার্লিসন। যেহেতু তিতে নেইমারকে নাম্বার নাইন হিসেবেও ব্যবহার করার কথা ভাবছেন, তাই ক্ষেত্র বিশেষে রিচার্লিসনকে বদলি হিসেবেও দেখা যতে পারে ম্যাচে।

সব দিক মিলিয়ে দেখা যাচ্ছে, ইতোমধ্যেই ব্রাজিলের বিশ্বকাপ আসরে খেলতে দেখা যাবে এমন ছয়জন ফুটবলারের নাম নিশ্চিত। এই ছয়জন বাদেও আরও বাকি আছে গ্যাব্রিয়েল জেসুস, রবার্তো ফিরমিনো, রিয়াল মাদ্রিদকে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জেতানো রোদ্রিগো, এবং ম্যাথিয়াস কুনহার মত চারজন দুর্দান্ত ফুটবলার।

এই চারজনের মধ্য থেকে রোদ্রিগো এবং গ্যাব্রিয়েল জেসুসেরও বিশ্বকাপ একাদশে জায়গা পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে অনেক বেশি। রোদ্রিগো রাইট এবং লেফট দুই উইংয়েই খেলতে পারদর্শী। জেসুস স্ট্রাইকার এবং উইংয়ে খেলতে পারেন।

যেহেতু এবারের কাতারের আবহাওয়ার কথা মাথায় রেখে প্রত্যেক দলকে বিশ্বকাপে একাদশে ২৬জন ফুটবলার নিয়ে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে, তাই তিতে চাইলে আক্রমণভাগের ফুটবলার কয়েকজন বেশিই নিতে পারেন!

বিভিন্ন ক্লাবে খেলা ভয়ংকর সব খেলোয়ার নিয়ে সাজানো হয়েছে এবারের কাতার বিশ্বকাপের জন্য ব্রাজিল দল। 

ব্রাজিলের ২৬ জনের দল:


গোলরক্ষক: অ্যালিসন বেকার (লিভারপুল), এডারসন মোরায়েস (ম্যানচেস্টার সিটি) ও ওয়েভারটন (পালমেইরাস)।

ডিফেন্ডার: অ্যালেক্স সান্দ্রো (জুভেন্তাস), অ্যালেক্স তেলেস (সেভিয়া), দানিলো (জুভেন্তাস), গ্লেইসন ব্রেমার (জুভেন্তাস), এডের মিলিতাও (রিয়াল মাদ্রিদ), ইবানেস (রোমা), মারকিনিয়োস (পিএসজি) ও থিয়াগো সিলভা (চেলসি)।

মিডফিল্ডার: ব্রুনো গিমারেস (নিউক্যাসল ইউনাইটেড), ক্যাসেমিরো (ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড), এভারটন রিবেইরো (ফ্ল্যামেঙ্গো), ফ্যাবিনিও (লিভারপুল), ফ্রেড (ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড) ও লুকাস পাকেতা (ওয়েস্ট হ্যাম ইউনাইটেড)।

ফরোয়ার্ড: অ্যান্টনি (ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড), রবার্তো ফিরমিনো (লিভারপুল), মাতিউস কুনিয়া (অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ), নেইমার (পিএসজি), পেদ্রো (ফ্ল্যামেঙ্গো), রাফিনিয়া (বার্সেলোনা), রিচার্লিসন (টটেনহ্যাম হটস্পার), রদ্রিগো (রিয়াল মাদ্রিদ) ও ভিনিসিয়াস জুনিয়র (রিয়াল মাদ্রিদ)।

ফুটবল   কাতার বিশ্বকাপ   বিশ্বকাপ-২০২২  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

টাইগারদের হারিয়ে ধবলধোলাই থেকে বাঁচল জিম্বাবুয়ে

প্রকাশ: ০১:১৬ পিএম, ১২ মে, ২০২৪


Thumbnail

ঘরের মাঠে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের সিরিজ খেলতে নেমেছিল বাংলাদেশ। যেখানে প্রথম ৪ ম্যাচ জিতে ইতোমধ্যেই এগিয়ে ছিল টাইগাররা। তবে নিজেদের শেষ ম্যাচে নিজেদের সর্বোচ্চটা দিয়ে দারুণ এক জয় তুলে নিয়েছে সফরকারীরা। একইসঙ্গে টাইগারদের কাছ থেকে হোয়াইটওয়াশ হওয়ার লজ্জা থেকেও বেঁচেছে আফ্রিকার দেশটি।

মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথমে ব্যাট করে ছয় উইকেটে ১৫৭ রান সংগ্রহ করেছিল বাংলাদেশ। জবাবে মাত্র ২ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছায় জিম্বাবুয়ে। হাতে ছিল আরো ৯ বল।

জিম্বাবুয়ের হয়ে রান তাড়া করতে নেমে দলকে দারুণ সূচনা এনে দেন ব্রায়ান বেনেট ও তাদিওয়ানশে মারুমানি। বিচ্ছিন্ন হওয়ার আগে দুজনে যোগ করেন ৩৮ রান। যেখানে মাত্র ১ রানে আউট হন মারুমানি।

দ্বিতীয় উইকেটে সিকান্দার রাজাকে সঙ্গে নিয়ে দলকে এগিয়ে নেন বেনেট। ৩৬ বলে ক্যারিয়ারের প্রথম অর্ধশতক পূরণ করেন বেনেট। ৭০ রানে তিনি ফিরলে ভাঙে রাজার সঙ্গে তার ৭৫ রানের জুটি।

জিম্বাবুয়েকে বাকি পথ এগিয়ে নেন রাজা ও জনাথন ক্যাম্পবেল। দলকে জিতিয়েই মাঠ ছাড়েন রাজা। তিনি ৭২ ও ক্যাম্পবেল ৮ রানে অপরাজিত ছিলেন।

এর আগে আজ টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক সিকান্দার রাজা। বল হাতে শুরুটা আশাব্যঞ্জক ছিল তার দলের। প্রথম ১৫ রানের মাঝেই ৩ উইকেট শিকার করে সফরকারীরা।

আগের ম্যাচে শতোর্ধ্ব রানের জুটি উপহার দিলেও আজ দুই অঙ্কের ঘরে যাওয়ার আগেই সাজঘরে ফেরেন দুই ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ও সৌম্য সরকার। তামিম ২ ও সৌম্য ৭ রান করেন। তাওহীদ হৃদয়ও ১ রানে আউট হলে চাপে পড়ে স্বাগতিকরা।

শুরুতেই তিন উইকেট হারানোর পর দলের হাল ধরেন নাজমুল হোসেন শান্ত ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। দুজনের ৬৯ রানের জুটিতে ম্যাচে ফেরে বাংলাদেশ। তবে ৩৬ রানে শান্ত ফেরার পর আবার ধাক্কা খায় টাইগাররা।

সাজঘরে ফেরার আগে ২১ রান করেন সাকিব। সতীর্থদের আসা-যাওয়ার মাঝে একপ্রান্ত আগলে রেখে অনবদ্য হাফসেঞ্চুরি পূরণ করেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ৩৬ বলে মাইলফলকে পৌঁছান তিনি। ৫৪ রানে তিনি আউট হন।

শেষদিকে জাকের আলির অপরাজিত ২৩ রানের ক্যামিওতে বাংলাদেশের লড়াকু পুঁজি নিশ্চিত হয়। জিম্বাবুয়ের হয়ে মুজারাবানি ও বেনেট দুটি এবং ওয়েলিংটন মাসাকাদজা ও লুক জঙ্গে একটি করে উইকেট নেন।


বাংলাদেশ   জিম্বাবুয়ে   টি-২০ সিরিজ   টি-২০ বিশ্বকাপ   ক্রিকেট   বিসিবি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

রান তাড়ায় জিম্বাবুয়ের উড়ন্ত শুরু, সাকিবের ব্রেকথ্রু

প্রকাশ: ১২:১০ পিএম, ১২ মে, ২০২৪


Thumbnail

ঘরের মাঠে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলছে বাংলাদেশ। যেখানে প্রথম চার ম্যাচে ইতোমধ্যেই জয় তুলে নিয়েছে টাইগাররা। সিরিজের শেষ টি-২০তে আজ মুখোমুখি হয়েছে দুই দল। যেখানে আগে ব্যাট করে ১৫৭ রানের লড়াকু সংগ্রহ পেয়েছে বাংলাদেশ। আর হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর লক্ষ্যে টাইগারদের দেওয়া লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ভালো শুরু পেয়েছে সফরকারীরা।

মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৫ ওভারে এক উইকেটে ৩৯ রান সংগ্রহ করেছে জিম্বাবুয়ে। জিম্বাবুয়ের হয়ে রান তাড়া করতে নেমে দলকে দারুণ সূচনা এনে দিয়েছেন ব্রায়ান বেনেট ও তাদিওয়ানশে মারুমানি। যেখানে ব্যাট হাতে দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন বেনেট। তিনি একাই করেছেন ৩৬ রান। মারুমানির ব্যাট থেকে ১ রান এসেছে।

শুরু থেকেই ভালোভাবেই এগোচ্ছিল সফরকারীরা। তবে পঞ্চম ওভারের শুরুতেই এই জুটিতে আঘাত হানেন দেশসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। মারুমানিকে স্টাম্পিংয়ের ফাঁদে ফেলে ফেরান তিনি। বর্তমানে ক্রিজে রয়েছেন ব্রায়ান বেনেট ও সিকান্দার রাজা।

এর আগে আজ টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক সিকান্দার রাজা। বল হাতে শুরুটা আশাব্যঞ্জক ছিল তার দলের। প্রথম ১৫ রানের মাঝেই ৩ উইকেট শিকার করে সফরকারীরা।

আগের ম্যাচে শতোর্ধ্ব রানের জুটি উপহার দিলেও আজ দুই অঙ্কের ঘরে যাওয়ার আগেই সাজঘরে ফেরেন দুই ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ও সৌম্য সরকার। তামিম ২ ও সৌম্য ৭ রান করেন। তাওহীদ হৃদয়ও ১ রানে আউট হলে চাপে পড়ে স্বাগতিকরা।

শুরুতেই তিন উইকেট হারানোর পর দলের হাল ধরেন নাজমুল হোসেন শান্ত ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। দুজনের ৬৯ রানের জুটিতে ম্যাচে ফেরে বাংলাদেশ। তবে ৩৬ রানে শান্ত ফেরার পর আবার ধাক্কা খায় টাইগাররা।

সাজঘরে ফেরার আগে ২১ রান করেন সাকিব। সতীর্থদের আসা-যাওয়ার মাঝে একপ্রান্ত আগলে রেখে অনবদ্য হাফসেঞ্চুরি পূরণ করেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ৩৬ বলে মাইলফলকে পৌঁছান তিনি। ৫৪ রানে তিনি আউট হন।

শেষদিকে জাকের আলির অপরাজিত ২৩ রানের ক্যামিওতে বাংলাদেশের লড়াকু পুঁজি নিশ্চিত হয়। জিম্বাবুয়ের হয়ে মুজারাবানি ও বেনেট দুটি এবং ওয়েলিংটন মাসাকাদজা ও লুক জঙ্গে একটি করে উইকেট নেন।


বাংলাদেশ   জিম্বাবুয়ে   টি-২০ সিরিজ   টি-২০ বিশ্বকাপ   ক্রিকেট   বিসিবি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

শেষ টি-২০তে বাংলাদেশের লড়াকু সংগ্রহ

প্রকাশ: ১১:৩৪ এএম, ১২ মে, ২০২৪


Thumbnail

পাঁচ ম্যাচ সিরিজের শেষ টি-২০তে আজ জিম্বাবুয়ের মুখোমুখি হয়েছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। সফরকারীদের হোয়াইটওয়াশ করার লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ফিফটিতে লড়াকু সংগ্রহ পেয়েছে টাইগাররা।

মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে নির্ধারিত ২০ ওভারে ছয় উইকেটে ১৫৭ রান সংগ্রহ করেছে বাংলাদেশ।

রোববার টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক সিকান্দার রাজা। বল হাতে শুরুটা আশাব্যঞ্জক ছিল তার দলের। প্রথম ১৫ রানের মাঝেই ৩ উইকেট শিকার করে সফরকারীরা।

আগের ম্যাচে শতোর্ধ্ব রানের জুটি উপহার দিলেও আজ দুই অঙ্কের ঘরে যাওয়ার আগেই সাজঘরে ফেরেন দুই ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ও সৌম্য সরকার। তামিম ২ ও সৌম্য ৭ রান করেন। তাওহীদ হৃদয়ও ১ রানে আউট হলে চাপে পড়ে স্বাগতিকরা।

শুরুতেই তিন উইকেট হারানোর পর দলের হাল ধরেন নাজমুল হোসেন শান্ত ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। দুজনের ৬৯ রানের জুটিতে ম্যাচে ফেরে বাংলাদেশ। তবে ৩৬ রানে শান্ত ফেরার পর আবার ধাক্কা খায় টাইগাররা।

সাজঘরে ফেরার আগে ২১ রান করেন সাকিব। সতীর্থদের আসা-যাওয়ার মাঝে একপ্রান্ত আগলে রেখে অনবদ্য হাফসেঞ্চুরি পূরণ করেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ৩৬ বলে মাইলফলকে পৌঁছান তিনি। ৫৪ রানে তিনি আউট হন।

শেষদিকে জাকের আলির অপরাজিত ২৩ রানের ক্যামিওতে বাংলাদেশের লড়াকু পুঁজি নিশ্চিত হয়। জিম্বাবুয়ের হয়ে মুজারাবানি ও বেনেট দুটি এবং ওয়েলিংটন মাসাকাদজা ও লুক জঙ্গে একটি করে উইকেট নেন।


বাংলাদেশ   জিম্বাবুয়ে   টি-২০ সিরিজ   টি-২০ বিশ্বকাপ   ক্রিকেট   বিসিবি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

আইপিএলে এবার সবার আগে প্লে-অফে কলকাতা

প্রকাশ: ১১:১৬ এএম, ১২ মে, ২০২৪


Thumbnail

বেশ জাঁকজমকপূর্ণভাবে শুরু হয়েছিল ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের এবারের আসর। যেখানে শুরু থেকেই প্রতিনিয়ত প্রতিটি দলের সাথে প্রতিপক্ষ দলের চলেছে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। যা এখনও চলমান রয়েছে।

তবে আইপিএলের এবারের আসর প্রায় শেষ পর্যায়ে চলে এসেছে। ইতোমধ্যেই মাঠে গড়িয়েছে ৬০টি ম্যাচ। আর এই ৬০তম ম্যাচে শনিবার ঘরের মাঠ ইডেন গার্ডেন্সে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিপক্ষে জয় তুলে নিয়েছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। এর মধ্য দিয়ে প্রথম দল হিসেবে শ্রেয়াস আইয়াররা আইপিএলের প্লে–অফ নিশ্চিত করে ফেলেছে।

এদিন বৃষ্টির কারণে ম্যাচ নেমে আসে ১৬ ওভারে, আগে ব্যাট করতে নেমে নাইটরা ৭ উইকেটে ১৫৭ রান তোলে। জবাবে ৮ উইকেটে ১৩৯ তুলতে সক্ষম হয় হার্দিক পান্ডিয়ার মুম্বাই। ফলে ১৮ রানের জয়ে কলকাতা টেবিলের শীর্ষস্থান পাকাপোক্ত করল।

ওয়াংখেড়েতে হারের বদলা এদিন নিতে পারলেন না রোহিত শর্মারা। বৃষ্টি থেমে ম্যাচ শুরু হতেই নির্ধারিত সময়ের এক ঘণ্টারও বেশি শেষ হয়ে যায়। ফলে ম্যাচের গণ্ডি কমিয়ে আনে কর্তৃপক্ষ। বৃষ্টি ভেজা রাতে টস জিতে বোলিং নিতে দু’বার ভাবেননি হার্দিক, কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেটি আর কাজে আসেনি।

শুরুতে ব্যাট করতে নেমে স্বাগতিকরা ১০ রানের মধ্যেই দুই ওপেনার ফিল সল্ট ও সুনীল নারিনকে হারিয়ে চাপে পড়ে যায়। তবে এরপর ক্রিজে আসা ভেঙ্কটেশ আইয়ার, নীতিশ রানারা রানের গতি সচল রাখেন কলকাতার। ভেঙ্কটেশ ২১ বলে ৪২ এবং রানা ২৩ বলে ৩৩ রান করেন। এ ছাড়া ঝোড়ো ক্যামিও ইনিংস খেলেছেন আন্দ্রে রাসেল (১৪ বলে ২৪), রিঙ্কু সিং (১২ বলে ২০) ও রামানদ্বিপ সিং (৮ বলে ১৭)। আর তাতেই নাইটরা লড়াইয়ের পুঁজি পেয়ে যায়।

যদিও সেই রান কঠিন করে তোলেন লক্ষ্য তাড়ায় নামা মুম্বাইয়ের দুই ওপেনার রোহিত ও ইষাণ কিষান। দুজন মিলে প্রথম পাঁচ ওভারেই উইকেট না হারিয়ে ৫৯ রান তুলে ফেলেন। তবে এরপরই মুম্বাইয়ের হোঁচট খাওয়া শুরু। কলকাতার স্পিনারদের সামনে তারা খেই হারাতে থাকে। নারিনের বলে ২০ বলে ৪০ রান করা ঈষান বিদায় নেওয়ার পর, বরুণ চক্রবর্তী ফেরান রোহিতকে (২৪ বলে ১৯)।

এরপর আক্রমণ শুরু পেসারদের। যদিও তারা ছিলেন খরুচে, দলটির চার পেসার মিলে ৪ উইকেট তুলে নিয়ে ৯ ওভারে দেন ৯৫ রান। কলকাতার হয়ে লাগামটা ধরে রাখেন মূলত দুই স্পিনার। নারিন–বরুণ মিলে ৭ ওভারে মাত্র ৩৮ রান খরচ করেন, তুলে নেন ৩ উইকেট। মুম্বাইয়ের ব্যাটিংয়ের বড় ভরসা সূর্যকুমার যাদব (১৪ বলে ১১) ব্যর্থ হয়েছেন এদিন, ফলে দলও মুখ থুবড়ে পড়েছে। তাদের হয়ে হারের ব্যবধান কমান তিলক বার্মা (১৭ বলে ৩২) ও নামান ধির (৬ বলে ১৭)। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ওভারে তারা ১৩৯ তোলে। কলকাতার হয়ে ৪ ওভারে ১৭ রানে ২ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা বরুণ।

এই জয়ে কলকাতা ১২ ম্যাচে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে এখনও সবার ওপরেই। ১১ ম্যাচে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে রাজস্থান রয়্যালস দ্বিতীয়। তাদেরও প্লে–অফে খেলা একপ্রকার নিশ্চিত। হিসেব বাকি কেবল কাগজে-কলমে। এ ছাড়া মুম্বাই ও পাঞ্জাব কিংস সবার আগে আইপিএল থেকে বিদায় নিশ্চিত করে ফেলেছে। তাদের সঙ্গী হবে আরও ৪ দল।

এদিকে, পয়েন্ট টেবিলে বর্তমানে তিন নম্বরে অবস্থান সানরাইজার্স হায়দরাবাদের। ১২ ম্যাচে ৭ জয়ে তাদের পয়েন্ট ১৪। রাজস্থানের পর প্লে–অফে যাওয়ার দৌড়ে তারাই এগিয়ে। এরপর বাকি থাকে আর এক দল। যেখানে ১২ ম্যাচ খেলে সমান ১২ পয়েন্ট নিয়ে যথাক্রমে চেন্নাই সুপার কিংস, দিল্লি ক্যাপিটালস ও লখনৌ সুপার জায়ান্টস লড়ছে। তাদের মধ্যে কোনো দল বাকি থাকা দুই ম্যাচই জিতলে প্লে–অফে যাওয়ার জোর সম্ভাবনা থাকবে, এক্ষেত্রে মূল ভূমিকা রাখবে নেট রানরেট।

এ ছাড়া ১২ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট পাওয়া রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু ও গুজরাট টাইটান্সের প্লে–অফ খেলা কঠিন হলেও, কাগজে-কলমে তাদেরও আশা আছে। এক্ষেত্রে নিজেদের বড় ব্যবধানে জয় ছাড়াও অন্যদের ম্যাচের দিকেই তাদের তাকিয়ে থাকতে হবে বেশি।


কলকাতা   আইপিএল   মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স   ওয়াংখেড়ে   ইডেন গার্ডেন্স  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

ফিরে গেলেন অধিনায়ক শান্তও, ভাঙল ৬৯ রানের জুটি

প্রকাশ: ১১:০৬ এএম, ১২ মে, ২০২৪


Thumbnail

ঘরের মাঠে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলছে বাংলাদেশ। যেখানে প্রথম চার ম্যাচে ইতোমধ্যেই জয় তুলে নিয়েছে টাইগাররা। সিরিজের শেষ টি-২০তে আজ সফরকারীদের হোয়াইটওয়াশ করার লক্ষ্যে নেমেছে টাইগাররা।

তবে ব্যাট হাতে শুরুতেই হোঁচট খেয়েছে দল। ১৫ বা এর কম রানে ৩ উইকেট পড়ার পর চতুর্থ উইকেটে এসে দলের হাল ধরেছিলেন শান্ত ও রিয়াদ। তবে ১২ তম ওভারে মাসাকাদজার বলে সুইপ করতে গিয়ে ডিপ স্কয়ার লেগে ক্যাচ দেন নাজমুল হোসেন শান্ত। আর এতে করে ভাঙল ৬৩ রানের জুটি। ২৮ বলে ৩৬ রান করে ফিরেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।

চতুর্থ উইকেটে এটিই এখন বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রানের জুটি। আগের সর্বোচ্চ ছিলল তামিম ইকবাল ও মাহমুদউল্লাহর ৬২ রান, ২০১২ সালে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে।

এদিন শুরুতে ব্যাট করতে বাংলাদেশের হয়ে ইনিংস উদ্বোধনে নামেন তানজিদ হাসান তামিম ও সৌম্য সরকার। আগের ম্যাচে শতোর্ধ্ব রানের জুটি উপহার দিলেও আজ দুই অঙ্কের ঘরে যাওয়ার আগেই সাজঘরে ফিরেছেন তারা। তামিম ২ ও সৌম্য ৭ রান করেন। শুধু তাই নয় এদিন তৌহিদ হৃদয়ও টিকতে পারেননি ক্রিজে। ৬ বলে ১ রান করে ফিরে গেছেন তিনিও।

বর্তমানে মাহমুদুল্লাহ ও সাকিব দলের ইনিংস এগিয়ে নিচ্ছেন। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশের স্কোর ১৫ ওভারে ৪ উইকেটে ১০৫ রান।


বাংলাদেশ   জিম্বাবুয়ে   টি-২০ সিরিজ   টি-২০ বিশ্বকাপ   ক্রিকেট   বিসিবি  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন