ইনসাইড গ্রাউন্ড

আশা জাগিয়েও হার অস্ট্রেলিয়ার

প্রকাশ: ১০:৫৯ পিএম, ১৭ মার্চ, ২০২৩


Thumbnail

আজ থেকে মাঠে গড়িয়েছে ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার ৩ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ। টেস্ট সিরিজ জয়ের পর ওয়ানডে সিরিজেও শুভ সূচনা করছে দলটি। প্রথম ওয়ানডেতে অস্ট্রেলিয়াকে ৫ উইকেটে হারিয়ে সিরিজে ১-০ তে এগিয়ে গেলো ভারত। মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে টস জিতে অজিদের ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানায় ভারত অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া। নিয়মিত অধিনায়ক রোহিত শর্মা না থাকায় দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন এই পেস বোলিং অলরাউন্ডার।

শতভাগ ফিট না হওয়ায় এই ম্যাচে খেলতে পারেননি ডেভিড ওয়ার্নার। টস হেরে ব্যাটিং করতে নেমে শুরুতেই ট্রাভিস হেডের উইকেট হারালেও দ্বিতীয় উইকেটে স্টিভেন স্মিথকে নিয়ে ৭২ রানের জুটি গড়েন মিচেল মার্শ। ৭৭ রানে স্মিথের বিদায়ে ভাঙে তাদের প্রতিরোধ। দলীয় ১২৯ রানে জাদেজার ঘূর্ণিতে ধরা পড়েন মার্শ। তার আগে ৬৫ বলে ৮১ রানের ইনিংস খেলেন চোট কাটিয়ে দলে ফেরা এই ক্রিকেটার।

লাবুশেনও ওয়ানডে সিরিজের শুরুটা ভালো করতে পারেননি। কুলদীপ যাদবের শিকার হয়ে ফিরেছেন ১৫ রান করে। তাকে আউট করেছেন। তবে বড় সংগ্রহের পথে থাকা অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিংয়ে ধস নামিয়েছেন মোহাম্মদ শামি। তার এক স্পেলেই উড়ে গেছে অজিদের মিডল অর্ডার। সেই স্পেলে ১৫ বলে কোনো রান না দিয়ে ৩ উইকেট তুলে নেন শামি। জস ইংলিশ, ক্যামেরন গ্রিন,স্টয়নিসকে ফেরান এই পেসার। তাতে বড় সংগ্রহের আশা ভেস্তে যায় অস্ট্রেলিয়ার। ১৬৯ রানে ৫ উইকেট হারানো দলটি শেষ পাঁচ উইকেট হারিয়েছে মাত্র ১৯ রানে। ১৮৮ রানে অলআউট হয় অজিরা।

লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দুঃস্বপ্নের মতো শুরু হয় ভারতের। মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে বোলারদের জন্য সহায়ক কন্ডিশনে ১৮৮ রান ঠিক মামুলি সংগ্রহ ছিল না। পেস বোলারদের জন্য সহায়ক কন্ডিশনে মিচেল স্টার্কের নেতৃত্বে অস্ট্রেলিয়াটা শুরুটাও করে দুর্দান্ত।

মাত্র ৫ রানে মার্কাস স্টয়নিস যার শুরুটা করেন ঈশান কিষাণকে ফিরিয়ে। এরপর মিচেল স্টার্কের গোলার সামনে পরে ভারতের টপ অর্ডার। ৩৯ রান তুলতেই হারায় ৪ উইকেট। বাজে ফর্মের কারণে তীব্র সমালোচিত লোকেশ রাহুল ব্যাট হাতে ছিলেন উজ্জ্বল। রান খরার কারণে টেস্ট দল থেকে বাদ পড়েছিলেন রাহুল। তবে প্রথম ওয়ানডেতে দারুণ পারফর্ম করে ফেরার বার্তা দিয়ে রাখলেন এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান। জাদেজাকে সাথে নিয়ে ১০৮ রানের জুটিতে দলকে জয়ের দিকে নিতে থাকেন।

তাদের এই অবিচ্ছিন্ন জুটিতে ভর করে ৬১ বল বাকি থাকতেই জয়ের বন্দরে পৌঁছায় স্বাগতিকরা। ৭৫ রানের ম্যাচ জেতানো ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন রাহুল। জাদেজা করেন ৪৫ রান।


ভারত   অস্ট্রেলিয়া   ওয়ানডে   মুম্বাই  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

জয় দিয়ে সাফ শুরু করল বাংলাদেশের কিশোরীরা

প্রকাশ: ০৬:০৫ পিএম, ০২ মার্চ, ২০২৪


Thumbnail

স্বাগতিক নেপালকে হারিয়ে অনূর্ধ্ব-১৬ নারী সাফে বাংলাদেশের মেয়েদের যাত্রা শুরু হয়েছে। শনিবার (২ মার্চ) নিজেদের প্রথম ম্যাচে স্বাগতিক নেপালকে ২-০ গোলে হারিয়েছে বাংলাদেশ। ললিতপুর স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের হয়ে দুটি গোলই করেছে প্রীতি।

৪ দল নিয়ে হচ্ছে এবারের আসর। যেখানে বাংলাদেশ ও নেপাল ছাড়াও আছে ভারত ও ভুটান। বাংলাদেশের দ্বিতীয় ম্যাচ ৫ মার্চ, সেদিন শক্তিশালী ভারতের মুখোমুখি হবে লাল সবুজের প্রতিনিধিরা। ৮ মার্চ গ্রুপপর্বেও তৃতীয় ও সবশেষ ম্যাচে ভুটানের বিপক্ষে খেলতে নামবে বাংলাদেশ।

এক জয়ের ফলে পয়েন্ট টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে আছে বাংলাদেশ। টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে ভুটানের বিপক্ষে ৭-০ গোলের বড় জয় পাওয়া ভারত আছে সবার শীর্ষে। পয়েন্ট সমান হলেও তারা বাংলাদেশের চেয়ে গোল ব্যবধানে এগিয়ে।

নেপাল   অনূর্ধ্ব-১৬   নারী সাফ   বাংলাদেশ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

চমক রেখেই দল ঘোষণা করল ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা

প্রকাশ: ০৩:১১ পিএম, ০২ মার্চ, ২০২৪


Thumbnail

কোপা আমেরিকাকে সামনে রেখে পুরোদমে প্রস্তুতি শুরু করেছে লাতিন আমেরিকার দুই জায়ান্ট দল ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী এ দুই দল প্রীতি ম্যাচ খেলবে দুইটি করে এবং প্রীতি ম্যাচ খেলার পর আবার সমান দুটি করে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে। মার্চে দুই দলের প্রীতি ম্যাচ হওয়ার ফলে একই সময়ে দল ঘোষণা করেছে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা। দুই দলেই রয়েছে চমক, তারুণ্য ও অভিজ্ঞতার মিশেল।

শুক্রবার (১ মার্চ) রাতে দক্ষিণ আফ্রিকার দুই পরাশক্তি দলের ফেডারেশন দুটি প্রীতি ম্যাচের দল ঘোষণা করেছে। লিওনেল স্কালোনির বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দল স্কোয়াড দিয়েছে ২৬ সদস্যের। যেখানে লিওনেল মেসি–আনহেল ডি মারিয়ার মতো অভিজ্ঞদের পাশাপাশি তরুণদেরও রেখেছেন স্কালোনি। চোটের কারণে বেশ কয়েকজন অভিজ্ঞ ফুটবলার বাদ পড়ার সুযোগে, অনূর্ধ্ব-২০ বছর বয়সী ভ্যালেন্টিন বারকো প্রথমবার ডাক পেয়েছেন।

এছাড়াওআলবিসেলেস্তে দলে রয়েছেন সমবয়সী ফাকুন্দো বুয়োনানোত্তে, ভ্যালেন্টিন কার্বনি এবং আলেজান্দ্রো গারনাচো। তবে চোটের কারণে দলের বাইরে রয়েছেন লিসান্দ্রো মার্টিনেজ, গঞ্জালো মন্টিয়েল, মার্কোস আকুনা এবং গুইদো রদ্রিগেজ। ডাক পাননি থিয়াগো আলমাদাও, হাভিয়ের মাশচেরানোর অলিম্পিক সফরের অনূর্ধ্ব-২৩ দলে তাকে রাখা হয়েছে।

চলতি মাসে এল সালভাদর ও কোস্টারিকার বিপক্ষে আর্জেন্টিনা দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে। যুক্তরাষ্ট্রের ফিলাডেলফিয়াতে আগামী ২২ মার্চ এল সালভাদর এবং ২৬ মার্চ লস অ্যাঞ্জেলেসে তারা কোস্টারিকার মুখোমুখি হবে।

এছাড়া কাছাকাছি সময়ে ইউরোপীয় দুই পরাশক্তির সঙ্গে খেলবে ব্রাজিল। ২৩ মার্চ ওয়েম্বলিতে ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড এবং ২৬ মার্চ রাতে তারা স্পেনের বিপক্ষে খেলবে।

প্রথমবার ব্রাজিল জাতীয় দলের দায়িত্ব পালন করছেন দরিভাল জুনিয়র। আসন্ন দুই ম্যাচের জন্য তিনি ২৬ সদস্যের দল ঘোষণা করেছেন। যেখানে বেশ কিছু চমকও রেখেছেন দরিভাল। অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের পাশাপাশি এই দলে বেশ কয়েকজন তরুণ খেলোয়াড়কেও ডেকেছেন নতুন যোগ দেওয়া এ কোচ। প্রথমবারের মতো তিনি ব্রাজিল জাতীয় দলে ডেকেছেন পিএসজির লুকাস বেরালদোকে।

১৭ বছর বয়সী এনড্রিক আগেই বিশ্বকাপ বাছাইয়ের ম্যাচ দিয়ে জাতীয় দলে অভিষেক হয়েছে। রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দিতে যাওয়া এই ফরোয়ার্ড এবারও রয়েছেন স্কোয়াডে। তবে চোট থাকার পরও দলে রাখা হয়েছে টটেনহাম স্ট্রাইকার রিচার্লিসনকে।

এর আগে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে জুয়ায় জড়ানোর অভিযোগ ওঠা ওয়েস্ট হামের তারকা মিডফিল্ডার লুকাস পাকুয়েতাকেও ডেকেছেন দরিভাল।

আর্জেন্টিনা দল 
গোলরক্ষক : ফ্রাঙ্কো আরমানি, ওয়াল্টার বেনিতেজ, এমিলিয়ানো মার্টিনেজ।
ডিফেন্ডার : জার্মান পাজেল্লা, নেহুয়ান পেরেজ, নিকোলাস ওটামেন্দি, ক্রিস্টিয়ান রোমেরো, নিকোলাস তালিয়াফিকো, মার্কোস সেনসি, নাহুয়েল মোলিনা, ভ্যালেন্টিন বারকো। 
মিডফিল্ডার : ইজাকুয়েল প্যালাসিওস, রদ্রিগো ডি পল, লিয়ান্দ্রো পারেদেস, অ্যালেক্সিস-ম্যাক আলিস্টার, এনজো ফার্নান্দেজ, জিওভান্নি লো সেলসো।
ফরোয়ার্ড : নিকোলাস গঞ্জালেস, আলেজান্দ্রো গারনাচো, ফাকুন্দো বুয়োনানোত্তে, ভ্যালেন্টিন কার্বনি, আনহেল ডি মারিয়া, লিওনেল মেসি, জুলিয়ান আলভারেজ, লাউতারো মার্টিনেজ ও পাউলো দিবালা।

ব্রাজিল দল
গোলরক্ষক : এডারসন, রাফায়েল, বেন্তো।
ডিফেন্ডার : দানিলো, ইয়ান কৌটো, ওয়েন্ডেল, আইরটন লুকাস, গ্যাব্রিয়েল মাগালহায়েস, মার্কুনিয়োস, বেরালদো, মুরিলো।
মিডফিল্ডার : আন্দ্রে, ব্রুনো গুইমারেজ, ক্যাসেমিরো, জোয়াও গোমেজ, লুকাস পাকুয়েতা, ডগলাস লুইজ, পাবলো মাইয়া, আন্দ্রেয়াস।
ফরোয়ার্ড : গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেল্লি, এনড্রিক, রদ্রিগো, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, রিচার্লিসন, রাফিনিয়া ও সাভিনিও।


ব্রাজিল   আর্জেন্টিনা   কোপা আমেরিকা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

পর্দা নামলো বিপিএলের, কে পেল কোন পুরস্কার?

প্রকাশ: ০৮:৫৮ এএম, ০২ মার্চ, ২০২৪


Thumbnail

অবশেষে পর্দা নামল প্রায় দেড়মাস ধরে চলা বিপিএলের দশম আসরের। শুক্রবার (১ মার্চ) এবারের আসরের গ্র্যান্ড ফাইনালে চারবারের শিরোপাজয়ী কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ফরচুন বরিশাল।

গতকাল সন্ধ্যায় মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে কুমিল্লার ছুঁড়ে দেওয়া ১৫৫ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ৬ উইকেট হাতে রেখেই কাঙ্খিত জয় তুলে নেয় তামিম বাহিনী। আর এতে করেই প্রথমবার বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) শিরোপা জিতল বরিশাল।

বিপিএলের প্রতিটি আসরে দেখা যায় বিদেশি খেলোয়াড়ের আগমন। তাদের মাঠে চার-ছক্কার প্রদর্শনীও থাকে চোখে পড়ার মতো। তবে আগের আসরের মতো বিপিএলের দশম আসরেও বিদেশিদের আসা-যাওয়ার মাঝে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের উজ্জ্বলতায় এগিয়ে দেশীয়রা।

এবার চ্যাম্পিয়ন হতে না পারলেও শিরোপা জেতার মঞ্চে কুমিল্লার খেলোয়াড়রা ব্যক্তিগত পুরস্কার পাওয়ার দৌড়ে ঠিকই নিজেদের আধিপত্য দেখিয়েছেন। অপরদিকে আসরে দুর্দান্ত ঢাকা বিদায় নিয়েছে গ্রুপপর্ব থেকেই। গ্রুপপর্ব পর্যন্ত খেললেও দলের ওপেনার নাঈম শেখ জিতেছেন সেরা ফিল্ডারের পুরস্কার। ১২ ম্যাচে ৮টি ক্যাচ নিয়েছিলেন তিনি।

বিপিএলের দশম আসরটা দুর্দান্ত কেটেছে ঢাকার পেসার শরিফুল ইসলামেরও। দল ভালো না করলেও বল হাতে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি তিনি। ১২ ম্যাচে ২২ উইকেট শিকার করেন এ পেসার। ফলস্বরূপ সর্বোচ্চ উইকেটশিকারির পুরস্কার পেয়েছেন শরিফুল।

এবারের আসরের ফাইনাল সেরা হয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের অলরাউন্ডার কাইল মেয়ার্স। বরিশালের এই ক্রিকেটার ফাইনালে বল হাতে ২৬ রান দিয়ে ১ উইকেট নেয়ার পর ব্যাট হাতে খেলেছেন দলীয় সর্বোচ্চ ৪৬ রানের ইনিংস। শুধু ফাইনালই না, টুর্নামেন্টজুড়েই আলো ছড়িয়েছেন এ ক্যারিবীয় অলরাউন্ডার।

তবে এবার পুরো টুর্নামেন্ট জুড়ে আলোচনায় ছিলেন দেশসেরা ওপেনার ও চ্যাম্পিয়ন বরিশালের অধিনায়ক তামিম ইকবাল। দলকে চ্যাম্পিয়ন করতে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। এর ফল হিসেবে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের পাশাপাশি টুর্নামেন্ট সেরা ক্রিকেটারও নির্বাচিত হয়েছেন বাঁহাতি এ ব্যাটার। ১৫ ম্যাচে ১২৭.১৩ স্ট্রাইকরেটে ৪৯২ রান করেছেন তিনি। ফাইনালে তার ব্যাট থেকে এসেছে গুরুত্বপূর্ণ ৩৯ রান।

দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিলেও কৃতিত্বটা একা নেননি তামিম। নিজ দলের দুই সতীর্থ মুশফিক ও মাহমুদুল্লাহ সহ পুরো দলের অবদানের কথা স্বীকার করে সকলকে ধন্যবাদ জানান দেশসেরা এই ওপেনার। সেই সাথে জেতা শিরোপাটাও উৎসর্গ করেন মুশফিক ও মাহমুদুল্লাহকেই। 

ফাইনাল ম্যাচ শেষে বিজয়ী দলের অধিনায়ক হিসেবে তামিমের কাছে অনুভূতি জানতে চাইলে তামিম প্রথমেই বলেন, ‘এটাকে আসলে মুশির ট্রফিই বলা যায়। কারণ মুশি মাঠে বিরাট কাজ করেছে। সে সব সময় ফিল্ডার পাল্টেছে। এটা তারই ট্রফি। আমি অধিনায়ক হওয়ার কারণে কৃতিত্বটা দেওয়া হচ্ছে। এই ধরনের টুর্নামেন্টে অনেক চাপ থাকে। মুশি আমার থেকে চাপ দূর করেছে। এটা মুশি, রিয়াদসহ (মাহমুদউল্লাহ) বাকিদের ছাড়া সম্ভব হতো না।’ 

এসময় বন্ধু ও সতীর্থ তামিমকেও প্রশংসায় ভাসিয়েছেন মুশফিক-মাহমুদউল্লাহও। মুশফিক বলেন, ‘এটা আমার তৃতীয় ফাইনাল এবং প্রথমবার জিতলাম। খুব ভালো নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য তামিমকে ধন্যবাদ।’ মাহমুদউল্লাহর কথা, ‘সত্যি খুব ভালো অনুভূতি হচ্ছে। সবার প্রথমে আমি তামিমকে ধন্যবাদ দিতে চাই।’


বিপিএল   পুরস্কার   ফাইনাল  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

সেরা ব্যাটার তামিম, বোলার শরিফুল

প্রকাশ: ১০:০৬ পিএম, ০১ মার্চ, ২০২৪


Thumbnail

অবশেষে সকল জল্পনা-কল্পনা শেষে বিপিএলের দশম আসরের গ্র্যান্ড ফাইনালে চারবারের শিরোপাজয়ী কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ফরচুন বরিশাল। শুক্রবার (১ মার্চ) মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে কুমিল্লার ছুঁড়ে দেওয়া ১৫৫ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ৬ উইকেট হাতে রেখেই কাঙ্খিত জয় তুলে নেয় তামিম বাহিনী। আর এতে করেই প্রথমবার বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) শিরোপা জিতল বরিশাল।

সেই সাথে ৪৬ ম্যাচের টুর্নামেন্ট শেষে সেরা ব্যাটারের খেতাবটি বসেছে চ্যাম্পিয়ন দলের অধিনায়ক দেশসেরা ওপেনার তামিম ইকবালের নামের পাশে। ১৫ ম্যাচ খেলে সর্বোচ্চ ৪৯২ রান করেছেন বরিশাল অধিনায়ক। তিনটি ফিফটিসহ ৩৫.১২ গড়ে তার স্ট্রাইকরেট ছিল ১২৭.১৩। ১৪ ম্যাচে ৪৬২ রান নিয়ে দুইয়ে কুমিল্লার তাওহীদ হৃদয়। দুই ফিফটি ও এক সেঞ্চুরিসহ ৩৮.৫ গড়ে ১৪৯.৫১ স্ট্রাইকরেটে ব্যাট করেছেন তিনি।

১৪ ম্যাচে ৩৯১ রান নিয়ে তিনে থেকে শেষ করেন কুমিল্লার অধিনায়ক লিটন দাস। এলিমিনেটর থেকে বাদ পড়া চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের তানজিদ হাসানের সংগ্রহ ১২ ম্যাচে ৩৮৪ রান। সেরা পাঁচে আরেক নাম বরিশালের মুশফিকুর রহিমের। ১৫ ম্যাচে ৩৭৯ রান করেছেন তিনি।

এছাড়া বোলারদের মধ্যে ১২ ম্যাচে ২২ উইকেট নিয়ে সবার শীর্ষে শরিফুল ইসলাম। দল গ্রুপ পর্ব থেকে ছিটকে গেলেও বল হাতে আগুন ঝরানো পারফরম্যান্স উপহার দিয়েছেন তিনি।  ১৩ ম্যাচে ১৭ উইকেট নিয়ে দুইয়ে রংপুর রাইডার্সের সাকিব আল হাসান। তিনে আছেন ১৬ উইকেট নেওয়া তারই সতীর্থ মেহেদী হাসান। ১৫টি করে উইকেট নিয়েছেন বরিশালের মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ও চট্টগ্রামের বিলাল খান।


ফরচুন বরিশাল   কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স   বিপিএল   ফাইনাল  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

প্রথমবার বিপিএলের চ্যাম্পিয়ন ফরচুন বরিশাল

প্রকাশ: ০৯:৫৭ পিএম, ০১ মার্চ, ২০২৪


Thumbnail

অবশেষে সকল জল্পনা-কল্পনা শেষে বিপিএলের দশম আসরের গ্র্যান্ড ফাইনালে চারবারের শিরোপাজয়ী কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ফরচুন বরিশাল। শুক্রবার (১ মার্চ) মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে কুমিল্লার ছুঁড়ে দেওয়া ১৫৫ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ৬ উইকেট হাতে রেখেই কাঙ্খিত জয় তুলে নেয় তামিম বাহিনী। আর এতে করেই প্রথমবার বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) শিরোপা জিতল বরিশাল।

এ দিন শুরুতেই টস জিতে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানান ফরচুন বরিশালের অধিনায়ক তামিম ইকবাল। কুমিল্লার হয়ে ইনিংস উদ্বোধনে নামেন সুনীল নারিন ও লিটন দাস। তবে এদিন বরিশালের বোলারদের তোপের মুখে পড়ে সেভাবে কেউই টিকতে পারেনি ক্রিজে।

প্রথম ওভারেই মাত্র ৫ রানে আউট হন নারিন। কুমিল্লার ইনফর্ম ব্যাটার তাওহীদ হৃদয় বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি আজ। ব্যক্তিগত ১৫ রানে সাজঘরে ফেরেন তিনি। প্রথম কোয়ালিফায়ার জয়ের নায়ক ও কুমিল্লার অধিনায়ক লিটন দাসও আজ ব্যর্থ। ফেরেন মাত্র ১৬ রানে।

বিপর্যয় সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন জনসন চার্লস। তবে এ ক্যারিবিয়ান ব্যাটারও ১৫ রানের বেশি করতে পারেননি। পরে মঈন আলী ও মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন দলকে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলেও মেহেদী মিরাজের অসাধারণ থ্রো-তে রান আউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন মঈন আলীও। ব্যক্তিগত ৩ রানে রান আউট হন তিনি।

দলের ইনিংসের বাকিটা এগিয়ে নেন জাকের আলী ও আন্দ্রে রাসেল। শেষদিকে নেমে মিরপুরে ঝড় তোলেন রাসেল। তার ১৪ বলে অপরাজিত ২৭ রানের ঝড়ে লড়াকু সংগ্রহ পায় কুমিল্লা। অন্যপ্রান্তে ২৩ বলে ২০ রানে অপরাজিত থাকেন জাকের।

প্রথম ইনিংস শেষে ১৫৪ রানে থামে লিটন বাহিনী। জবাবে ১৫৫ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই দাপুটে ব্যাটিং করে বরিশাল। ওপেনিং-এ অধিনায়ক তামিম ও মেহেদী মিরাজ শুরুটা করেন উড়ন্ত। মাত্র ৩ ওভারে দুজন যোগ করেন ৪১ রান। তবে এরপর ধীরে ধীরে কমে আসে রান তোলার গতি।

পাওয়ার প্লে শেষে অল্প সময়ের ব্যবধানে সাজঘরে ফেরেন দুই ওপেনার। ফেরার আগে তামিম ৩৯ ও মিরাজ ২৯ রান করেন। পরবর্তীতে মুশফিকুর রহিমের ধৈর্য আর কাইল মেয়ার্সের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে লক্ষ্যের দিকে এগোতে থাকে বরিশাল। শেষ দিকে ১৭তম ওভারে মুস্তাফিজের বলে ক্যাচ তুলে দিয়ে আউট হন দুইজনই। সাজঘরে ফেরার আগে ৩০ বলে ৪৬ রান করেন মেয়ার্স ও ১৮ বলে ১৩ রান করেন মুশফিক।

শেষে মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ (৭) ও ডেভিড মিলারের (৮) নৈপূণ্যে সহজে জয় তুলে নেয় তামিম বাহিনী।


ফরচুন বরিশাল   কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স   বিপিএল   ফাইনাল  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন