ইনসাইড গ্রাউন্ড

ইসরায়েলকে নিষিদ্ধ করতে ফিফাকে চিঠি

প্রকাশ: ০২:৫৮ পিএম, ১২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

ইসরায়েলকে আন্তর্জাতিক ফুটবলে নিষিদ্ধের দাবি তুলেছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইরান। এ বিষয়ে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা- ফিফাকে চিঠি দিয়েছে তারা।

গাজায় আগ্রাসনের প্রতিবাদ জানিয়ে এবং আন্তর্জাতিকভাবে ইসরায়েলকে নিষিদ্ধ করতে ইতোমধ্যেই নানা পদক্ষেপ নিয়েছে ইরান। সেই ধারাবাহিকতায় ফিফার কাছে এই দাবি তুলে ইরান ফুটবল ফেডারেশন।

এর আগে বৃহস্পতিবার স্কাই নিউজে ইরানের ফুটবল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল মধ্যপ্রাচ্যের ইসরায়েলকে নিষিদ্ধ করতে একমত হয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের ১২টি দেশের ফুটবল সংস্থা। এমন দাবি সংবলিত একটি চিঠি ফিফার কাছে পাঠাতে প্রস্তুত ইরান।

ইরান ফুটবল ফেডারেশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক পোস্টে দেখা যায়, ইসরায়েল ফুটবল ফেডারেশনকে ‘আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে পুরোপুরি নিষিদ্ধ করার’ দাবি করা হয়েছে।

এ ছাড়া ফিফা ও এর সদস্য দেশগুলোকে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহবান জানানো হয়। সেই পোস্টে ফিলিস্তিনে খাবার, পানীয়, ওষুধ ও চিকিৎসা-সরঞ্জাম পাঠানোর আবেদনও করেছে ইরান ফুটবল ফেডারেশন।

গত বছর ৭ অক্টোবর ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাসের আক্রমণে ইসরায়েলে ১ হাজার ১৬০ জন নিহত হয়। এর জবাবে সেই থেকে পাল্টা হামলা চালানো শুরু করে ইসরায়েল। ‘হামাস নির্মূলে’র নামে চালানো ইসরায়েলের হামলায় এখন পর্যন্ত প্রায় ২৮ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এর অধিকাংশই শিশু ও নারী।


ফিফা   ফুটবল   ইরান. ইসরায়েল  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

মেসি-ডি মারিয়ার শেষটা রাঙিয়ে ব্যাক টু ব্যাক কোপা আমেরিকা চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা

প্রকাশ: ১০:০৯ এএম, ১৫ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

আসরের সর্বোচ্চ গোলদাতা এসেছিলেন বদলি হিসেবে। সেই লাউতারো মার্টিনেজই ফাইনালে এনে দিলেন লিড। দুর্দান্ত এক শটে ভাঙলেন ডেডলক। ম্যাচের ১১১ মিনিটে লিড পেল আর্জেন্টিনা। মাঝমাঠ থেকে থ্রু বল পাঠিয়েছিলেন জিওভানি লো সেলসো। বদলি নামা এই মিডফিল্ডারের পাস খুঁজে নেয় লাউতারো মার্টিনেজকে। সেখান থেকে ঠাণ্ডা মাথার ফিনিশে বল জালে পাঠান লাউতারো মার্টিনেজ। আর সেই গোলেই ইতিহাসে সর্বোচ্চ ১৬তম বারের মতো কোপা আমেরিকার শিরোপা জিতে আলবিসেলেস্তেরা।

মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে কোপা আমেরিকার বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার বিপক্ষে নেমেছিল ২৩ বছর পর ফাইনালে ওঠা কলম্বিয়া। তবে ম্যাচটিতে ১-০ গোলে হারের তেতো স্বাদ পেয়েছে নেস্টর লরোঞ্জোর শিষ্যরা। আলবিসেলেস্তেদের হয়ে একমাত্র জয়সূচক গোলটি করেছেন লাউতারো মার্টিনেজ।

এই জয়ে শ্রেষ্ঠত্বের স্বাদ পেয়েছে আর্জেন্টিনা। একটানা তিনটি আন্তর্জাতিক শিরোপা জিতেছে তারা। দুটি মহাদেশীয় টুর্নামেন্টের সঙ্গে সবশেষ বিশ্বকাপও জিতেছে আর্জেন্টিনা।

এই ম্যাচ দিয়েই নিজের বর্ণিল ক্যারিয়ার শেষ করেছেন আনহেল ডি মারিয়া। শেষটা তার জন্য হলো ছবির মতোই সুন্দর। ২০২১ সালে মারাকানায় তার গোল দিয়েই আর্জেন্টিনা শুরু করেছিল শিরোপা জয়ের এক যাত্রা। এরপর থেকে আরও দুই শিরোপা জয়ের সাক্ষী হয়েছেন। ২০২২ সালের ফিনালিসসিমা আর বিশ্বকাপের ফাইনালে গোল করেছিলেন। আজ গোল না পেলেও লিওনেল মেসির অনুপস্থিতিতে দলের পাপেট মাস্টার হয়ে ছিলেন ডি মারিয়া। 

এদিন ম্যাচের ৬৩ মিনিটে অ্যাঙ্কেল ইনজুরির কারণে উঠে যেতে হয়েছিল লিওনেল মেসিকে। নামলেন নিকো গঞ্জালেস। ডি মারিয়া আর্মব্যান্ড বাঁধলেন শক্ত করে। যেন দায়িত্বটা বুঝে নিলেন। এরপর ডানপ্রান্ত থেকে একের পর এক বিপজ্জনক ক্রস করে গিয়েছেন ডি মারিয়া। ৩৬ বছর বয়সে এসেও খেললেন ২৬ বছরের টগবগে এক তরুণের মতো করে। 

ম্যাচ শুরুর পূর্বেই এদিন টিকিট ছাড়াই দর্শকদের মাঠে ঢুকে পড়ার কারণে সময় মতো খেলা শুরু করতে পারেনি আয়োজকরা। প্রায় দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় দর্শকদের নিয়ন্ত্রণে আনতে পারে তারা। অবশেষে সকাল ৬টায় শুরু হওয়ার কথা থাকলেও ম্যাচটি শুরু হয় ৭টা ২৫ মিনিটে।

এরপর ম্যাচের শুরুতেই আক্রমণে যায় আর্জেন্টিনা। ম্যাচের প্রথম মিনিটে গঞ্জেলো মনটিয়েলের ক্রস থেকে হুলিয়ান আলভারেজের হেড গোলবারের বাঁপাশ মিস করে বাইরে দিয়ে চলে যায়। এরপর ৫ মিনিটে লুইস দিয়াজ ও ১৩ মিনিট কার্লোস কুয়েস্টা কলম্বিয়ার হয়ে দুটি আক্রমণ করে।

২০ মিনিটে ডি মারিয়ার ক্রস থেকে বাঁপায়ের শট নেন লিওনেল মেসি। তবে মেসির শট সেভ করেন কলম্বিয়ার গোলরক্ষক কামিলো ভারগাস।

৩২ মিনিটে দারুণ একটি আক্রমণ করে কলম্বিয়া। আর্জেন্টিনার ডিফেন্ডাররা সেটি ব্লক করে দিলেও কর্নার পেয়ে যায় কলম্বিয়া। তবে কর্নার কিক থেকে বল তালুবন্দি করে নেন আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ।

এর ৩ মিনিট পর ফের আক্রমণে আসে আর্জেন্টিনা। ডি-বক্সের ভেতরে কলম্বিয়ার ডিফেন্ডারদের ড্রিবলিং করে বল নিয়ে আগানোর চেষ্টা করছিলেন মেসি। শেষ পর্যন্ত আর লক্ষ্যে শট নিতে পারেননি। বল চলে যায় মাঠের বাইরে। চোটও পেতে হয় মেসিকে। তবে মাঠ ছেড়ে যাননি তিনি।

৪০ মিনিটে রড্রিগেজের ক্রস থেকে হেড নেন কলম্বিয়ার জন অ্যারিয়াস। তবে ডানপাশ দিয়ে বল চলে যায়। ৪২ মিনিটে ফ্রি-কিক পায় আর্জেন্টিনা। সেখান থেকে কিক নেন মেসি। ডি-বক্সের ভেতর আর্জেন্টিনার নিকোলাস ত্যাগলিয়াফিকোর হেড চলে যায় গোলবারের উপর দিয়ে। অবশেষে গোল না করেই বিরতিতে যেতে হয় দুই দলকে।

দ্বিতীয়ার্ধে খেলতে নেমেই আক্রমণ কলম্বিয়ার। ৪৭ মিনিটে সান্তিয়াগো অ্যারিয়াসের ডান পায়ের দ্রুতগতির শট গোলবারের ডানপাশ দিয়ে চলে যায়। এরপর কাউন্টার অ্যাটাকে যায় আর্জেন্টিনা। অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের অ্যাসিস্ট থেকে ডি মারিয়ার করা বাঁপায়ের শট সেভ দেন কলম্বিয়ার গোলরক্ষক।

৫৪ মিনিটে গোল করার আরেকটি সুযোগ তৈরি করে কলম্বিয়া। ডেভিনসন সানচেজের হেড চলে যায় গোলবারের উপর দিয়ে। কর্নার কিক থেকে হেড করে তাকে অ্যাসিস্ট করেছিলেন জন কর্ডোবা।

৬৪ মিনিটের ঘটনা হয়তো আর্জেন্টিনা ফুটবলের জন্য দুঃসহ স্মৃতি হয়ে থাকবে। আক্রমণভাগে যখন দলের বিশৃঙ্খল অবস্থা তখনই ইনজুরিতে পড়তে হয়েছে আর্জেন্টিনার প্রাণভোমরা লিওনেল মেসিকে। নিজেই দৌড়াতে গিয়ে ইনজুরি হয়েছেন। তারকা এই ফুটবলারের চোট এতটাই ভয়াবহ ছিল যে, তার চোখ দিয়ে অশ্রু প্রায় বেরিয়ে আসছিল।

মেসিকে অবশ্য কেউ ফাউল করেনি। এরপর আর তাকে মাঠেই রাখতে পারেননি আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি। বদলি হিসেবে নিকোলাস গঞ্জালেজকে মাঠে নামান তিনি।

৭৫ মিনিটে কলম্বিয়ার জালে বল জড়িয়েই দিয়েছিল আর্জেন্টিনা। তবে অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়ে যায়। শেষমেশ খেলার মূল সময়ে কোনো গোল না হওয়ায় খেলা গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। ৯৩ মিনিটে আরও একটি ব্যর্থ আক্রমণ করে আর্জেন্টিনা। থেমে থাকেনি কলম্বিয়াও। তারাও আক্রমণ চালিয়ে যেতে থাকে।

শেষ পর্যন্ত নিজেদের অপরাজিত থাকাকে আর দীর্ঘ করতে পারেনি কলম্বিয়া। টানা ২৮ ম্যাচ অপরাজিত থাকার পর আর্জেন্টিনার কাছে এসেই যাত্রা থামলো তাদের। দারুণ খেলেও ২৩ বছরের আক্ষেপ ঘুচাতে পারলো না কলম্বিয়া। ২০০১ সালে সর্বশেষ কোপা শিরোপা জিতেছিল তারা।


আর্জেন্টিনা   কোপা আমেরিকা   লিও মেসি   আলভারেজ   লাউতারো মার্টিনেজ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

অতিরিক্ত সময়ে গড়ালো আর্জেন্টিনা-কলম্বিয়ার ফাইনাল

প্রকাশ: ০৯:৩০ এএম, ১৫ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

নানা চড়াই উতরায় পাড়ি দিয়ে অবশেষে মাঠে গড়িয়েছে কোপা আমেরিকার ফাইনাল। যেখানে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হয়েছে ২৩ বছর পর ফাইনালে ওঠা কলম্বিয়া।

হাইভোল্টেজ এই ফাইনালের নির্ধারিত ৯০ মিনিটে গোল পায়নি কোনো দলই। সমতায় থেকেই নির্ধারিত সময় শেষ করেছে  আলভারেজ ও রদ্রিগেজরা।

আর এতে করে আর্জেন্টিনা ও কলম্বিয়ার মধ্যেকার কোপা আমেরিকার ম্যাচ গড়িয়েছে অতিরিক্ত সময়ে।

পুরো ম্যাচে আধিপত্য মোটাদাগে ধরে রেখেছিল কলম্বিয়াই। ম্যাচপূর্ব ঘটনায় আগে থেকেই মানসিকভাবে আর্জেন্টিনা ছিল বিপর্যস্ত। ম্যাচ শুরুর আগেই কলম্বিয়ার উগ্র ভক্তদের তোপের মুখে পড়েন আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের স্বজনেরা। সেখান থেকে আর বেরিয়ে আসা হয়নি পুরো ম্যাচে।


আর্জেন্টিনা   কোপা আমেরিকা   কানাডা   লিও মেসি   আলভারেজ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

শেষ ম্যাচেও পুরো সময় থাকা হলো না মেসির, কাঁদলেন অঝোরে

প্রকাশ: ০৯:২৫ এএম, ১৫ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

নিশ্চিতভাবেই লিওনেল মেসির জন্য এটি ছিল শেষ কোপা আমেরিকা। তবে শেষ ম্যাচেও পুরোটা সময় থাকা হলো না মেসির। ইনজুরির কারণে মাঠ ছাড়তে হলো আর্জেন্টাইন মহাতারকাকে। ৬৬ মিনিটে বদলি করা হলো তাকে। বদলি হিসেবে নেমেছেন নিকোলাস গঞ্জালেস। কান্নাভেজা চোখে মেসি বিদায় জানালেন মাঠকে।

ম্যাচের ৩৭ মিনিটেই মূলত ইনজুরিতে পড়েন মেসি। আক্রমণে যাওয়ার পরেই তাকে কড়া ট্যাকেল করেন কলম্বিয়ার রাইটব্যাক সান্তিয়াগো আরিয়াস। কড়া ট্যাকেলের পর সেখানেই গোড়ালি মচকায় লা পুলগার। এরপরেই ব্যাথানাশক দিয়ে সাময়িক চিকিৎসা চলে মেসির। খেলায়ও ফিরে আসেন খানিক পরেই। প্রথমার্ধ শেষ করেছেন সতর্কভাবেই।

তবে দ্বিতীয়ার্ধে আর পারলেন না মেসি। খেললেন না ৬৩ মিনিট পর্যন্ত। প্রেসিং করতে গিয়েই পড়ে যান মাঠে। সেখান থেকে আর ফেরা হয়নি মেসির। মাঠের চিকিৎসার পর আর্মব্যান্ড তুলে দিলেন আনহেল ডি মারিয়ার কাছে। সাইডবেঞ্চে বসেই এরপর কান্নায় ভেঙে পড়েছেন মেসি।

ম্যাচে অবশ্য মেসিকে এমন কড়া ট্যাকেলের পরেও কোনো কার্ড দেখতে হয়নি আরিয়াসকে। ব্রাজিলিয়ান রেফারি রাফায়েল ক্লাউস বাজাননি ফাউলের বাঁশিও। ম্যাচেও অবশ্য এখন পর্যন্ত ফলাফলে পড়েনি এর প্রভাব। খেলা চলছে গোলশূন্য ড্র-য়ে।


আর্জেন্টিনা   কোপা আমেরিকা   কানাডা   লিও মেসি   আলভারেজ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

প্রথমার্ধে গোলশূন্য আর্জেন্টিনা-কলম্বিয়া

প্রকাশ: ০৮:১৫ এএম, ১৫ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

নানা চড়াই উতরায় পাড়ি দিয়ে অবশেষে মাঠে গড়িয়েছে কোপা আমেরিকার ফাইনাল। যেখানে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হয়েছে ২৩ বছর পর ফাইনালে ওঠা কলম্বিয়া।

হাইভোল্টেজ এই ফাইনালের প্রথমার্ধে গোল পায়নি কোনো দলই। সমতায় থেকেই বিরতিতে গেছে মেসি ও রদ্রিগেজরা।

এদিন ম্যাচের প্রথমার্ধে বল দখল ও নিয়ন্ত্রণে এগিয়ে ছিল কলম্বিয়া। আর্জেন্টিনা শিবিরে ভয় ধরানোর বেলাতেও এগিয়ে ছিল দলটি। কিন্তু সাফল্যের দেখা পায়নি। অন্যদিকে ব্যাকফুটে থেকে অগোছালো ফুটবল খেলেছে আর্জেন্টিনা।

ম্যাচের প্রথম মিনিটেই আক্রমণে ওঠে আর্জেন্টিনা। গঞ্জালো মন্টিয়েলের ক্রস থেকে কলম্বিয়ার জালে বল পাঠাতে ব্যর্থ হন জুলিয়ান আলভারেজ।

পঞ্চম মিনিটে পাল্টা আক্রমণে ওঠে কলম্বিয়া। আর্জেন্টিনার জালে বল পাঠানোর চেষ্টা করেন লুইস দিয়াস। তবে তার সেই প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দেন আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক মার্টিনেজ।

১৩তম মিনিটে আবারো আর্জেন্টিনার ডেরায় ভয় ধরায় কলম্বিয়ানরা। বক্সের মধ্যে থেকে লক্ষ্যে শট নেয় কার্লোস কোয়েস্তা। কিন্তু তার বলটি তালুবন্দী করেন মার্টিনেজ।

২০তম মিনিটে দুর্দান্ত সুযোগ তৈরি করে আর্জেন্টিনা। কিন্তু তাতে সফল হয়নি তারা। বক্সের মধ্যে থেকে নেয়া মেসির বাঁ-পায়ের শটটি সহজেই তালুবন্দী করেন কলম্বিয়ার গোলরক্ষক।

ম্যাচের ৩৩তম মিনিটে দূর পাল্লার শট নেন জেফারসন লেরমা। তার বলটি তালুবন্দী করেন মার্টিনেজ। ৪০তম মিনিটে আবারো আক্রমণে ওঠে তারা। কিন্তু লক্ষ্যভ্রষ্ট শট নেন জন আরিয়াস।

পরের মিনিটেই আর্জেন্টিনার বক্সে ঢুকে যায় কলম্বিয়া। এবারও তাদের লক্ষ্য ব্যর্থ করে দেয় মার্টিনেজ। ম্যাচের ৪৪তম মিনিটে আক্রমণে ওঠে আর্জেন্টিনা। ফ্রি কিক থেকে মেসির নেয়া শটটি জালে জড়াতে ব্যর্থ হন নিকোলাস। ম্যাচের প্রথমার্ধে গোলশূন্য ড্র-য়ে বিরতিতে গেছে দুই দল।


আর্জেন্টিনা   কোপা আমেরিকা   কানাডা   লিও মেসি   আলভারেজ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

অবশেষে মাঠে গড়ালো আর্জেন্টিনা-কলম্বিয়ার শিরোাপার লড়াই

প্রকাশ: ০৭:৩৫ এএম, ১৫ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

মঞ্চটা প্রস্তুতই ছিল। বাকি ছিল শুধু আনুষ্ঠানিকতা। তবে সেই উৎসবে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল সমর্থকেরা। কারণ, জমজমাট ফাইনালের মঞ্চে সাক্ষী হতে বিনা টিকিটে স্টেডিয়ামে প্রবেশ করে তারা। তাতেই তিন দফা পিছিয়ে যায় ফাইনালের সময়। অবশেষে সেসব নাটকীয়তা শেষে মাঠে গড়াল আর্জেন্টিনা-কলম্বিয়ার বহুল প্রতিক্ষিত ফাইনাল ম্যাচটি।

মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে কোপা আমেরিকার ৪৮তম আসরের ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছে দুই দল। ম্যাচটি নির্ধারিত সময়ের সোয়া ১ ঘণ্টা পর শুরু হয়েছে।

এর আগে স্টেডিয়ামে খেলোয়াড়দের প্রবেশের সময় উচ্ছৃঙ্খল কলম্বিয়ান ভক্তদের তোপের মুখে পড়ে হার্ড রক স্টেডিয়ামের নিরাপত্তাকর্মীরা। কলম্বিয়ান অধ্যুষিত সেই অঞ্চলের অনেকেই ফাইনালের ভেন্যুতে প্রবেশের চেষ্টা চালান। ফলে তৈরি হয় এক বিশৃঙ্খল পরিবেশের।

স্টেডিয়ামের নিরাপত্তাকর্মীরা বাধ্য হন টিকিটবিহীন কলম্বিয়ান ভক্তদের ওপর চড়াও হতে। প্রটোকল অবশ্য পুরোপুরি মানতে পারেননি হার্ড রক স্টেডিয়ামের নিরাপত্তায় থাকা পুলিশেরা। কলম্বিয়ান ভক্তদের অনেকেই ঢুকে পড়েছেন বিনা টিকিটে। পুরো বিষয়টি নিয়েই সেখানে তৈরি হয় জটিল পরিস্থিতির। ফাইনালকে কেন্দ্র করে বাড়তি ব্যবস্থা নিয়েও বিতর্ক এড়াতে পারেনি কনমেবল।

চরম বিপাকের মাঝে পড়ে আয়োজকরা তাৎক্ষণিকভাবে স্টেডিয়ামের গেট বন্ধ করে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এরপর তিন দফায় সময় পেছায় আয়োজকরা।

আর্জেন্টিনা একাদশ: ইমিলিয়ানো মার্টিনেজ (গোলরক্ষক), গঞ্জালো মন্টিয়েল, ক্রিস্টিয়ান রোমেরো, লিসান্দ্রো মার্টিনেজ, নিকোলাস ট্যাগলিয়াফিকো, অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া, রদ্রিগো ডি পল, এঞ্জো ফার্নান্দেজ, ম্যাক অ্যালিস্টার, লিওনেল মেসি ও জুলিয়ান আলভারেজ।

কলম্বিয়া একাদশ: ক্যামিলো ভার্গাস (গোলরক্ষক), সান্তিয়াগো আরিয়াস, সান্তিয়াগো আরিয়াস, ডেভিনসন স্যানচেজ, জোহান মোজিকা, রিচার্ড রিওস, জেফারসন লের্মা, জন আরিয়াস, জেমস রদ্রিগেজ, লুইস দিয়াজ ও জন করদোবা।


আর্জেন্টিনা   কোপা আমেরিকা   কানাডা   লিও মেসি   আলভারেজ  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন