ইনসাইড গ্রাউন্ড

বাংলাদেশ কি আদৌ পরবর্তী 'সাকিব' পাবে?

প্রকাশ: ০৯:০০ এএম, ৩০ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail

বাংলাদেশের ক্রিকেটে সাকিব আল হাসান যেন এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। ক্রিকেটের তিন ফরম্যাটেই রাজত্ব করে যাচ্ছেন বিশ্বসেরা এই অল-রাউন্ডার। ব্যাটে, বলে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাদেশকে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন তিনি। বাংলাদেশের অনেক বড় বড় জয়ের পিছনে রয়েছে সাকিবের অবদান। সাকিব একই সাথে বিশ্বের নানা ফ্র্যাঞ্চাইজি লীগে খেলে উজ্জ্বল করেছেন দেশের সুনামও। তিনি এমন এক ক্রিকেটার যিনি বাংলাদেশের প্রায় সব রেকর্ডই নিজের করে নিয়েছেন। 

১৯৮৭ সালে জন্ম নেয়া সাকিব সময়ের সাথে সাথে পা দিয়েছেন ৩৪ বছরে। স্বাভাবিকভাবেই বলা চলে ক্রিকেট ক্যারিয়ারের প্রায় শেষের দিকেই চলে এসেছেন সাকিব। হয়তো আরও বেশ কিছু বছর সাকিবের সার্ভিস বাংলাদেশ দল পাবে। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, সাকিব অবসর নিলে পরবর্তী 'সাকিব' কে হবেন? বা, বাংলাদেশ কি আদৌ পরবর্তী 'সাকিব' পাবে? 

সাকিব এমন একজন ক্রিকেটার ছিলেন যার মানের ক্রিকেটার পাওয়া সহজ নয়। তবে একেবারে অসম্ভব সেটিও বলা যাবে না। দলের হয়ে ব্যাট  কিংবা বল হাতে সব সময়ই অবদান রাখতেন সাকিব। সাকিবের বিকল্প হিসেবে কে আছেন বাংলাদেশের ক্রিকেটে তা প্রশ্ন থেকেই যায়। প্রায় সময়ই স্বয়ং নির্বাচকরা বলে থাকেন যে, সাকিব কোন কারণে কোন ম্যাচ না খেললে সাকিবের অভাব পূরণের জন্য একাদশে দুইজন খেলোয়াড়কে অতিরিক্ত খেলাতে হয়। নির্বাচকদের এমন মন্তব্যই প্রমাণ করে বাংলাদেশ দলে সাকিবের ভূমিকা কত গুরুত্বপূর্ণ। 

সময়ের সাথে সাথে সাকিবকে এক সময় অবসর নিতে হবে সেটাই স্বাভাবিক। হয়তো সেদিনও খুব বেশি দূরে নয়। কিন্তু সাকিব অবসর নিলে কিভাবে তার জায়গা পূরণ করা হবে কিংবা সাকিবের বিকল্প হিসেবে কাউকে গড়ে তোলা অথবা সাকিবের বিকল্প কি আদৌ খুঁজে পেয়েছে বিসিবি? বা খোঁজার চেষ্টা করেছে কি? অথবা নতুন 'সাকিব' গড়ে তোলার কাজটুকু করেছে কি? খুব সম্ভবত, সবগুলো প্রশ্নের উত্তরই হবে 'না'। 

বাংলাদেশের ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিসিবির উচিৎ এখন থেকেই পরবর্তী 'সাকিব' ইস্যু নিয়ে চিন্তা করা। কারণ, সাকিবের মানের ক্রিকেটার একদিনে যেমন পাওয়া যাবে না তেমনি একদিনে তৈরিও করা যাবে। সেজন্য প্রয়োজন দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনা ও বিসিবির আন্তরিক প্রচেষ্টা। ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ক্রিকেটকে দাপটের সাথে খেলতে হলে একজন 'সাকিবের' কোন বিকল্প নেই। 

বাংলাদেশের ক্রিকেটে এক বা একাধিক ক্রিকেটারকে এক সময় সাকিবের বিকল্প বা সাকিবের সমমানের মনে করা হতো। কিন্তু পরিপূর্ণ যত্নের অভাবে সেই ক্রিকেটাররা আজ জাতীয় দলে অনিয়মিত। আবার, বিশ্বকাপজয়ী অনূর্ধ্ব-১৯ দলের ক্রিকেটারদের মাঝেও সাকিবের বিকল্প  দেখছেন কেউ কেউ। নিঃসন্দেহে তারা ভালো মানের ক্রিকেটার। কিন্তু একজন 'সাকিব' হয়ে উঠতে যে পরিমাণ নার্সিং প্রয়োজন সেটা বিসিবি নিশ্চিত করছে কিনা সেটিও দেখার বিষয়। সব মিলিয়ে এতোটুকু বলা যায় যে, পরবর্তী 'সাকিব' পেতে হলে সবচেয়ে বড় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে বিসিবিকেই।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

সেই ঘোষণার পরই তামিমের শতক, কিসের ইঙ্গিত?

প্রকাশ: ১১:০৬ পিএম, ২৮ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

তামিম ইকবাল, বাংলাদেশের ক্রিকেটের অন্যতম সেরা ব্যাটার। দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাদেশের ওপেনিংয়ের একপ্রান্ত আগলে রেখেছেন তিনি। বিপিএলের অষ্টম আসরেও ব্যাট হাতে ফর্মে ছিলেন। কিন্তু তারপরও তাকে সমালোচনা শুনতে হচ্ছিল মন্থর ব্যাটিংয়ের জন্য।  প্রথম দুই ম্যাচেই ব্যাট হাতে অর্ধ-শতক হাঁকান তিনি। তবে সেগুলো টি-টোয়েন্টি সূলভ না হওয়ায় সমালোচকরা একহাত নেয় এই বাঁহাতি ওপেনারকে৷ এরই মাঝে বিসিবি সভাপতি জানান, তামিম ইকবাল টি-টোয়েন্টি খেলতে অনাগ্রহী।  ব্যস, এরপরই বিপিএল থেকে সকল ফোকাস যেনো পড়ে তামিম ইকবালের উপর। তামিম কি আসলেই টি-টোয়েন্টি খেলবেন না এমন প্রশ্ন সকলের মনে৷ তামিমের সাথে এ ব্যাপারে নিজ উদ্যোগে কথা বলেন খালেদ মাহমুদ সুজন। তবুও তামিম ছিলেন তাঁর সিদ্ধান্তে অটল। স্পষ্ট করে অফিশিয়ালি ঘোষণা না দেয়ায় পরিস্থিতি যখন আরও ঘোলাটে হচ্ছিল তখনই তামিম এক সংবাদ সম্মেলন ডাকেন। সেই সংবাদ সম্মেলনে তামিম সাফ জানিয়ে দেন, আগামী ৬ মাস আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি খেলছেন না তিনি। 

তামিমের সেই ঘোষণার পরদিনই তামিম ঢাকার বিপক্ষে নিজ শহর চট্টগ্রামে অবিশ্বাস্য এক শতক উপহার দেন। তামিমের এই শতক যেনো সকল সমালোচকদের জন্য যারা মনে করে টি-টোয়েন্টিতে তামিম 'অচল'। তামিম যেনো এদিন জানান দিলেন নিজের দিনে তিনিই সেরা৷ ব্যাট হাতে তামিমের এই শতক যেনো তার ক্ষোভেরই বহিঃপ্রকাশ। মনের ভিতরে থাকা সেই ক্ষোভ, অভিমান যা হয়তো তামিম প্রকাশ করেননি। 

তামিম 'ছয় মাসের অবসরের' ঘোষণাই যেন নির্ভার করেছে তাকে। আর ব্যাট থেকে বেরিয়ে এসেছে ঝকঝকে এক সেঞ্চুরি। সিলেট সানরাইজার্সের বিপক্ষে ১৭ চার ও ৪ ছয়ের মারে ১১১ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেছেন তামিম। যা তাকে বসিয়েছে ক্রিস গেইল ও এভিন লুইসের পাশে। বাংলাদেশের প্রথম ব্যাটার হিসেবে বিপিএলে একাধিক সেঞ্চুরির মালিক হলেন তিনি। বিপিএলে এতোদিন ধরে একাধিক সেঞ্চুরির কীর্তি ছিল শুধুমাত্র দুই ক্যারিবীয় এভিন লুইস ও ক্রিস গেইলের। দ্য ইউনিভার্স বস বিপিএলে সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন পাঁচটি আর লুইসের রয়েছে দুইটি। আজ নিজ শহর চট্টগ্রামে একাধিক সেঞ্চুরির রেকর্ডে দুই ক্যারিবিয়ানের পাশে বসলেন তামিম। এছাড়া বাংলাদেশিদের মধ্যে টি-টোয়েন্টিতে তিন সেঞ্চুরি নিয়ে আগে থেকেই শীর্ষে ছিলেন তামিম। এবার সেটিকে বাড়িয়ে চার-এ উন্নীত করলেন তামিম। 

তামিম এই শতক দ্বারা যেনো বুঝাতে চেয়েছেন দলের জন্য তিনি কতটা অপরিহার্য তিনি। যে কারণেই হউক না কেনো তামিম টি-টোয়েন্টি থেকে আপাতত সরে দাঁড়ালেও তামিম এই শতক যেনো ইঙ্গিত দিচ্ছে এখনও তিনি ফুরিয়ে যাননি। আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে এখনও দেশকে তার দেয়ার অনেক কিছুই আছে৷ তবে তার আগে যথাস্থান থেকে তামিমকেও দিতে হবে প্রাপ্য সম্মান ও মূল্যায়ন। ফর্ম ধরে রেখে দেশের কথা ভেবে তামিম টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে আবারও লাল-সবুজ জার্সি গায়ে জড়াক, আজকের মতো আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে দেশকে আরও জয় উপহার দিবে এমনটাই প্রত্যাশা সকলের। 

তামিম ইকবাল   বিপিএল   মিনিস্টার গ্রুপ ঢাকা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

তামিমের দুর্দান্ত শতকে সিলেটকে উড়িয়ে দিলো ঢাকা

প্রকাশ: ০৯:৪৯ পিএম, ২৮ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

বিপিএলে  অষ্টম আসরের দশমতম ম্যাচে এসে দেখা মিললো ব্যক্তিগত শতকের। এবং এক ম্যাচেই দুই শতক দেখলো ক্রিকেট প্রেমীরা। লেন্ডল সিমন্সের শতকের পর চট্টগ্রামে ঝড় তুললো তামিম ইকবাল। তামিমের অনবদ্য, ঝড়ো শতকের উপর ভর করে সিলেটকে রীতিমতো উড়িয়ে দিলো মিনিস্টার গ্রুপ ঢাকা। 

সিলেট সানরাইজার্স এর দেয়া ১৭৬ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে তামিমের শতকে ভর করে ৩ ওভার বাকি থাকতেই ৯ উইকেটে ম্যাচ জিতে নেয় ঢাকা। নিজ শহর চট্টগ্রামের সাগরিকায় জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের চতুর্থ সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন তামিম। যা তার দলকে দিয়েছে রেকর্ডগড়া ৯ উইকেটের জয়। প্রথম ইনিংসে সিলেট সানরাইজার্সের করা ১৭৫ রানের সংগ্রহ মাত্র ১৭ ওভারেই টপকে গেছেন তামিমরা।

সিলেটের চ্যালেঞ্জিং স্কোর তাড়া করতে নেমে উদ্বোধনী জুটিতেই ১৭৩ রান যোগ করেন ঢাকার দুই ওপেনার মোহাম্মদ শাহজাদ ও তামিম ইকবাল। যা বিপিএল ইতিহাসে দ্বিতীয় ইনিংসে সর্বোচ্চ রানের উদ্বোধনী জুটির রেকর্ড। এছাড়া সবমিলিয়ে উদ্বোধনী জুটিতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ এবং সবমিলিয়ে পঞ্চম সর্বোচ্চ রানের জুটি।

তামিম-শাহজাদের এই জুটিতে ভর করেই জয়ে ফিরলো ঢাকা। বাংলাদেশিদের মধ্যে প্রথম ব্যাটার হিসেবে বিপিএলে একাধিক সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়ে তামিম খেলেছেন ৬৪ বলে ১১১ রানের ইনিংস। যেখানে ছিল ১৭ চার ও ৪টি ছয়ের মার। স্বাভাবিকভাবেই তার হাতে উঠেছে ম্যাচসেরার পুরস্কার।

তামিম ইকবাল   বিপিএল  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

সিমন্সের বিধ্বংসী শতকে সিলেটের বিশাল সংগ্রহ

প্রকাশ: ০৮:১৪ পিএম, ২৮ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

চট্টগ্রাম পর্বের দ্বিতীয় ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে সিলেট সানরাইজার্স এবং মিনিস্টার ঢাকা। ম্যাচে টসে জিতে সিলেটকে ব্যাট করার আমন্ত্রণ জানায় ঢাকা। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে সিলেটের ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান তারকা লেন্ডল সিমন্সের শতকে ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৭৫ রান সংগ্রহ করে সিলেট।

ব্যাট করতে নেমেই ঝড়ো শুরু করেন লেন্ডল সিমন্স। উদ্বোধনী জুটিতে দল পায় ৫০ রান। ১৬ বলে ১৮ রান করে বিদায় নেন এনামুল হক বিজয়। মোহাম্মদ মিঠুন ও কলিন ইনগ্রাম সুবিধা করতে পারেননি। মিঠুন ৮ বলে ৬ ও ইনগ্রাম ৩ বলে ০ রানে ফেরেন সাজঘরে। ১৫ বল খেলে রবি বোপারা আউট হন ১৩ রানে।

তবে পথ হারাতে দেননি সিমন্স। একাই দেখেশুনে সামলাতে থাকেন ঢাকার বোলারদের। অর্ধশতক তুলে নেওয়ার পর পূর্ণ করেন টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় শতক। ৫৯ বলে শতক পূরণের আগে হাঁকান ১২টি চার ও ৪টি ছক্কা। 

শতকের পর সিমন্স যেন আরও বিধ্বংসী হয়ে উঠতে চেয়েছিলেন। ১৯তম ওভারে তামিম ইকবালের হাতে বন্দী হওয়ার আগে আন্দ্রে রাসেলকে হাঁকান টানা দুই চার ও এক ছক্কা। বিদায়ের আগে ৬৫ বলে ১১৬ রান করতে সিমন্স হাঁকান ১৪টি চার ও ৫টি ছক্কা।

শেষপর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে সিলেটের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৭৫ রান। ৮ বলে ১৩ রান করে অপরাজিত থাকেন অধিনায়ক মোসাদ্দেক। ঢাকার পক্ষে একটি করে উইকেট শিকার করেন মাশরাফি বিন মুর্তজা, আন্দ্রে রাসেল, এবাদত হোসেন চৌধুরী ও কাইস আহমেদ।

ঢাকার পক্ষে মাশরাফি, রাসেল, এবাদাত নেন ৩টি করে উইকেট। 











যুব বিশ্বকাপ ২০২২   সিমন্স  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

সাড়ে তিন বছরের জন্য নিষিদ্ধ ব্রেন্ডন টেলর

প্রকাশ: ০৭:৫২ পিএম, ২৮ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

জুয়াড়ির প্রস্তাব পাওয়ার কথা গোপন ও মাদক গ্রহণ করে সাড়ে তিন বছরের নিষেধাজ্ঞা পেয়েছেন জিম্বাবুয়ের কিংবদন্তিতুল্য ক্রিকেটার ব্রেন্ডন টেলর। সাড়ে তিন বছর কোনো ক্রিকেটীয় কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে পারবেন না তিনি। 

শুক্রবার (২৮ জানুয়ারি) টেলরের এই শাস্তি ঘোষণা করে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি। 

২০১৯ সালের অক্টোবরে ভারতীয় এক ব্যবসায়ীর সাথে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয় টেলরের, যার মধ্যে ফিক্সিং বিষয়ক কথাবার্তাও ছিল। সেই ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ডলারও নিয়েছিলেন টেলর।

তবে ফিক্সিংয়ের বিষয়ে আইসিসিকে জানাতে দেরি করে ফেলেন, যার ফলে পেতে হল নিষেধাজ্ঞার মত শাস্তি। শাস্ত্রী মাত্রা বেড়েছে মাদক গ্রহণের কারণেও। সম্প্রতি নিজের অফিশিয়াল টুইটার একাউন্টে সবকিছু স্বীকার করে বিবৃতি দেন টেলর। তার কয়েকদিনের মাথায়ই এল শাস্তির ঘোষণা। অবশ্য টেলর নিজেই জানিয়েছিলেন, আইসিসির রীতি অনুযায়ী নিষেধাজ্ঞার মত শাস্তি পেতে চলেছেন তিনি।

২০১৯ সালের অক্টোবর মাসে অর্থনৈতিক টানাপোড়নের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট। ক্রিকেটারদের বেতন দিতেও হিমশিম খাচ্ছিল বোর্ড। এই পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়েই টেলরকে ফিক্সিংয়ের টোপ দেওয়া হয়। সেই ব্যবসায়ীর সাথে আলোচনা করার জন্য ভারতে যেতে ১৫ হাজার মার্কিন ডলার পেয়েছিলেন টেলর। ছেলেমানুষি ভুলে সেখানে মাদকও গ্রহণ করে বসেন।

এরপর মাদক গ্রহণের ভিডিও দেখিয়ে টেলরকে ব্ল্যাকমেইল করতে থাকে জুয়াড়ি চক্র। তাকে আরও ১৫ হাজার মার্কিন ডলার দিয়ে জানানো হয়, ফিক্সিং করলে দেওয়া হবে আরও ২ হাজার ডলার। ঘটনার ৪ মাস পর আইসিসিকে সবকিছু অভিহিত করেন টেলর।

তবে টেলর স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, ফিক্সিংয়ের মত কোনো কাজে তিনি জড়িত ছিলেন না।




ব্রেন্ডন টেলর  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

যুব বিশ্বকাপ: ভয়ডরহীন ক্রিকেট খেলার প্রত্যয় রাকিবুলের

প্রকাশ: ০৭:৩৫ পিএম, ২৮ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

ওয়েস্ট ইন্ডিজে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ক্রিকেটের কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচে আগামীকাল যুব টাইগারদের প্রতিপক্ষ ভারত। ভারতীয়রা চাইবে গত বিশ্বকাপের ফাইনালে হারের প্রতিশোধ নিতে। তবে যুব বিশ্বকাপের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশও ছেড়ে কথা বলবে না। সেই বার্তাই দিয়ে রাখলেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক রাকিবুল হাসান।

আজ (শুক্রবার) এক ভিডিও বার্তায় ভয়ডরহীন ক্রিকেট খেলার প্রত্যয় জানিয়ে রাকিবুল বলছিলেন, ‘আমরা ওদের (ভারত) সাথে ভয়ডরহীন ও ইতিবাচক ক্রিকেট খেলব। যাতে আমরা ভালো একটা ফল নিয়ে বের হতে পারি। ওদের সাথে আমাদের আগেও খেলা হয়েছে কিছু ম্যাচ। এশিয়া কাপের সেমিফাইনাল ও তার আগে একটা সিরিজ খেলেছি ভারতে গিয়ে। তাই তাদের শক্তিমত্তা, দুর্বলতা সম্পর্কে আমাদের জানা আছে।’

সঙ্গে যোগ করেন রাকিবুল, ‘যে পরিকল্পনা করে আমরা যাবো সেটা যদি প্রয়োগ করতে পারি এবং ছোট ছোট ভুলগুলো যদি আমরা কম করি তাহলে দিনশেষে আমরা ভালো একটা ফল নিয়ে বের হতে পারব। আমরা ফলাফলের চিন্তা করছি না, আমরা ভালো ক্রিকেট খেলার চেষ্টা করব, ভয়ডরহীন ও ইতিবাচক ক্রিকেট খেলব।’

গতবার ফাইনালে ভারতকে হারিয়ে শিরোপা উল্লাসে করে আকবর আলির দল। সে দলের সদস্য রাকিবুল। তবে কিছুদিন আগে যুব এশিয়া কাপে ভার‍তের এই যুব দলের বিপক্ষে লড়াইয়ে নেমে পেরে ওঠেনি বাংলাদেশ। 

রাকিবুলের বিশ্বাস, কোয়ার্টার ফাইনালে আগে ৫-৬ দিনের বিরতি পাওয়ায় শারীরিক ও মানসিকভাবে বেশ চাঙ্গা তার দল। গ্রুপ পর্বে নিজেদের শেষ দুই ম্যাচে জয় আত্মবিশ্বাস দিচ্ছে জুনিয়র টাইগারদের।

রাকিবুল বললেন, ‘গত দুইটা ম্যাচ জিতে আমরা ভালো আত্মবিশ্বাস পেয়েছি। আমাদের ব্যাটসম্যানরা রান করেছে, বোলাররা ভালো বোলিং করেছে। তো আমরা ভালোই আত্মবিশ্বাসী আমাদের স্কিলের উপর। আমরা চেষ্টা করব আমাদের যে পরিকল্পনাটা আছে সেটা মাঠে শতভাগ প্রয়োগ করার।’

যুব বিশ্বকাপ ২০২২  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন