ইনসাইড ইনভেস্টিগেশন

নবাগতা তাসনিয়ার বিরুদ্ধে ব্ল্যাকমেইল ও প্রতারনার অভিযোগ

প্রকাশ: ০৩:৫২ পিএম, ৩০ মার্চ, ২০২৩


Thumbnail

ঢাকাই চলচ্চিত্রের নতুন মুখ তাসনিয়া রহমান। ইতোমধ্যে বেশ কিছু চলচ্চিত্রে কাজ করেছেন এই নবাগতা। চলচ্চিত্রের পাশাপাশি মন দিয়েছেন ওয়েব সিরিজেও। নির্মাতা অমিতাভ রেজার ‘মুন্সিগিরি’ ওয়েব সিরিজে কাজ করেছেন তিনি। এবার এই নবাগতার বিরুদ্ধে উঠেছে প্রতারনার অভিযোগ। 

বিভিন্ন বিত্তশালীদের মনোরঞ্জন এবং ফাসিয়ে মামলা এবং ব্ল্যাকমেইল করে টাকা আদায় করে বিলাসবহুল জীবন যাপন করেন বলে জানিয়েছেন এক আলোচিত প্রযোজক নেতা জানিয়েছেন। সাবেক স্ত্রীর বিরুদ্ধে গুলশান থানায় করা সাধারন ডায়েরির একটি অংশে ঐ প্রযোজক নেতা অভিযোগ করেছিলেন, তার সাবেক স্ত্রী অভিনয় করতে ইচ্ছুক তাসনিয়া নামের একটি মেয়েকে সিনেমার নায়িকা বানানোর আশ্বাস দিয়ে  বিভিন্ন মহলে নিয়ে যান। দেশের একটি শীর্ষস্হানীয় পত্রিকার প্রতিবেদনে এমন একটি ইংগিতপুর্ণ তথ্য আসার পর শোবিজ অঙ্গন বিশেষ করে এফডিসিতে কানাঘুষা শুরু হয় কে এই তাসনিয়া?  

এদিকে  গুগল সার্চ করলে তাসনিয়া রহমানের অসংখ্য অর্ধ নগ্ন ছবি বের হয়ে আসে। যা রীতিমত পর্ণোগ্রাফি আইনে দন্ডনীয় অপরাধ। একই নামে থাকা একটি ফেসবুক প্রোফাইলেও তার নানা অভিব্যক্তিপুর্ণ অশ্লিল অঙ্গভঙ্গি ও বিভিন্ন হোটেল রুমে অবস্থানের ছবি পাওয়া যায়। ফেসবুকে তার নির্দিষ্ট পেশা উল্লেখ না থাকলেও তিনি নিজেকে মডেল ও চিত্রনায়িকা দাবি করেন। উল্লেখযোগ্য কোন কাজ বা দৃশ্যমান আয় না থাকলেও ফেসবুকে পোস্ট করা ছবিতে দেখা যায় তিনি অডি এবং মার্সেডিজের মত বিলাসবহুল গাড়িতে ঘুরে বেড়ান। সম্প্রতি তিনি নন্দিত নির্মাতা অমিতাভ রেজা চৌধুরীর মু্নসীগিরিতে ছোট একটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন। নিম্ন মধ্যবিত্ত পারিবারের মেয়ে ও ছোট খাটো চরিত্রে দুএকটা কাজ করে এমন বিলাসী ও রহস্যময় জীবনযাপন প্রশ্নের জন্ম দেয় তার প্রকৃত পেশা কি? 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সেই প্রযোজক বলেন, ওর সাথে কিছুদিন ঘনিষ্ঠভাবে মিশে যখন দেখলাম ও আস্ত একটা বাটপার তখন আমি ওর থেকে দুরে চলে যাই। সে একজন বিচারকের সাথে ঘনিষ্ট হয় যিনি দুই বছর সড়ক দুর্ঘটনায় আক্রান্ত হয়ে বর্তমানে প্যারলাইজড যীবন যাপন করছেন। ঐ বিচারকের ক্ষমতা দেখিয়ে তাসনিয়া বিভিন্ন জনকে হুমকি দিতো এমনকি আমজাদ নামের এক বড়লোকের ছেলের বিরুদ্ধে হোটেল রুমে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করে। মেয়েটির কোন মান ইজ্জত নেই। ও যা মন চায় তাই করে। অনেকটা সাইকোর মত কারন সে মারাত্মক রকম নেশাগ্রস্ত। 

কিছুদিন আগে এক মডেল- উপস্থাপিকার সাথে নিজের কথোপকথন ফাঁস করেছিলেন তাসনিয়া। সেখান থেকে জানা যায়, আলোচিত- সমালোচিত এই উপস্থাপিকা তাসনিয়ার বিরুদ্ধে পতিতাবৃত্তির অভিযোগ তুলে লিখেছেন, ক্লায়েন্টের সাথে তোমার কলরেকর্ড আমার কাছে আছে। আমি জানি তুমি এগুলো করে ফ্যামিলি চালাও। আমি আমার অবিবাহিত বন্ধুদের তোমাকে ভাড়া করতে বলবো। কিন্তু আমার স্বামীর সাথে কেনো? আমি জানি তুমি মাদকাসক্ত এবং আমার স্বামীর সাথে কথা বলো। অস্বিকার না করে তাসনিয়া রহমান উপস্থাপিকাকে বাংলাদেশে আসলে দেখে নেয়ার হুমকি দিয়ে বলেন, তোর কথা চিন্তা করে আমি রিপনের সাথে কথা বলা বন্ধ করেছি। আর তুই আমারে ৩ হাজার টাকার মাগি বললি? 



এদিকে ফেসবুক কভারে তাসনিয়া যার সাথে ছবি দিয়ে রেখেছেন তিনি একজন ব্যবাসায়ি এবং এফবিসিসিআই এর সাবেক পরিচালক। তিনি বিবিহিত এবং দুই সন্তানের জনক। তিনিও তাসনিয়ার জালে ফেসেছিলেন। তার বিরুদ্ধে ধর্ষনের মামলা করে মোটা অংকের টাকা দাবি করেছিলেন মডেল- অভিনেত্রী নামদারী এই নারী। যদিও আদালতে দাখিল করা পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদনে ব্যাবসায়ী নির্দোষ প্রমানিত হন। মামলায় জিততে না পেরে তাসনিয়া তাকে সামাজিকভাবে হেয় করতেই নিজের সাথে তার ছবি ফেসবুকের কভারে ব্যবহার করছেন বলে ব্যবসায়ির ঘনিষ্ট সুত্রের দাবী। 

কয়েকবছর আগে এক আইটি ব্যবসায়ি তাসনিয়ার ভয়ে দেশ ছেড়ে আমেরিকায় পাড়ি দেন। কিছুদিন ওই ব্যবসায়ির সাথে একই বাসায় থেকেছিলেন তাসনিয়া। পরবর্তীতে বিবাহিত ওই ব্যবসায়ির বিরুদ্ধে গর্ভপাতের অভিযোগে মামলা করার হুমকি দিয়ে মোটা অংকের টাকা দাবি করেন। নেগোসিয়েশনের নামে কিছু দিন সময় ক্ষেপন করে ওই ব্যবসায়ি আমেরিকায় পাড়ি দেন বলে তার ঘনিষ্ট বন্ধু জানিয়েছেন। 

এক ব্যবসায়ির স্ত্রী গণমাধ্যমে প্রমান পাঠিয়ে জানিয়েছেন, তার স্বামীর সাথে তাসনিয়া অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। পরেবর্তীতে পারবিবারিক চাপে তাকে ছাড়তে রাজী হন ঐ ব্যবসায়ি। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তাসনিয়া তার কাছে মোটা অংকের টাকা চায়। অন্যথায় মিডিয়ার কাছে ঐ ব্যবসায়ির পরিচয় প্রকাশ করার হুমকি দেয়। 

এদিকে এর সব অভিযোগর বিষয়ে  তাসনিয়ার সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। 

ব্ল্যাকমেইল   প্রতারনা   তাসনিয়া রহমান  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইনভেস্টিগেশন

বেনজীরের রত্নভান্ডার: দেশের সামান্যই, বিদেশেই বেশি

প্রকাশ: ০৭:০০ পিএম, ২৯ মে, ২০২৪


Thumbnail

বেনজীর আহমেদ, সাবেক পুলিশ প্রধান। দেশে তার বিপুল সম্পদের হিসাব নিয়ে যখন মানুষের ভিরমি খাওয়ার অবস্থা, তখন দুর্নীতি দমন কমিশন এবং অন্যান্য গোয়েন্দা সূত্রগুলো বলছে, দেশে তার সম্পদ সামান্যই। এটি হল শুধুমাত্র পিনাট বা বাদাম। বেনজীরের আসল সম্পদ বিভিন্ন দেশে। 

উল্লেখ্য, বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে কালের কন্ঠ এবং অন্যান্য সংবাদপত্রগুলোতে যে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল তার প্রেক্ষিতে দুর্নীতি দমন কমিশন এখন পর্যন্ত অনুসন্ধান করে তার এবং পরিবারের যে সম্পত্তি পেয়েছে তার মধ্যে রয়েছে ৬২১ বিঘা জমি, ১৯ টি কোম্পানির শেয়ার, গুলশানে চারটি ফ্ল্যাট, ৩০ টাকার সঞ্চয়পত্র, ৩৩ টি ব্যাংক হিসাব এবং তিনটি বিও হিসাব। 

বিভিন্ন সূত্র বলছে, দুর্নীতি দমন কমিশন দেশে যে সম্পত্তির হদিস পেয়েছে তার চেয়ে কয়েক গুণ বেশি সম্পদ আছে বিদেশে। বেনজীর আহমেদের সম্পদ অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, সিঙ্গাপুর, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং মালয়েশিয়ায় থাকতে পারে বলে দুর্নীতি দমন কমিশন ধারণা করছে। 

বাংলা ইনসাইডারের নিজস্ব অনুসন্ধানে জানা গেছে যে, বেনজীর আহমেদের বিপুল সম্পদদের বড় অংশ রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে। এখানে তিনি গত ১০ বছর ধরে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন বলে একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করেছে। 

বেনজীর আহমেদের এক মেয়ের স্বামী দুবাইতে ব্যবসা করেন বলেও নিশ্চিত তথ্য পাওয়া গেছে এবং সেখানেই তিনি বসবাস করেন। আর বেনজীর আহমেদের দুবাইতে সম্পত্তির মধ্যে বাড়ি, দোকান, রেস্তোরাঁ সহ বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা রয়েছে বলে জানা গেছে। এছাড়াও বেনজীর আহমেদের পরিবারের নামে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়াতে বিপুল সম্পদ আছে বলে একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করেছে। বেনজীর আহমেদের স্ত্রীর সিঙ্গাপুর এবং মালয়েশিয়া সম্পদ থাকার কথা নিশ্চিত করেছে একাধিক সূত্র। 

অন্য একটি সূত্র বলছে, যুক্তরাজ্যেও বেনজীর আহমেদের সম্পদ রয়েছে এবং সেখানে তার মেয়ে লেখাপড়া করে। আরেকটি সূত্র থেকে প্রাপ্ত খবরে জানা গেছে, বেনজীর আহমেদের পরিবারের অস্ট্রেলিয়াতেও বেশ কিছু সম্পত্তি রয়েছে। তবে দুর্নীতি দমন কমিশন এখন পর্যন্ত এদের ব্যাপারে নিশ্চিত কোন তথ্য পায়নি।

বিভিন্ন সূত্রগুলো বলছে, বেনজীর আহমেদের এই তথ্যের বিস্তারিত হিসাব তারা সংগ্রহ করছে এবং এ ব্যাপারে বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) পক্ষ থেকেও কাজ করা হচ্ছে। সবকিছু মিলিয়ে বেনজীর আহমেদের পরিবারের সম্পত্তি কত তা নিশ্চিত হতে সময় লাগবে বলে মনে করছেন কোন কোন মহল। 

অনেকেই মনে করছেন, বেনজীর আহমেদের সব সম্পদ তার নিজের নামে নয়, অন্যান্য বেনামেও তিনি বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে টাকা বানিয়েছেন। সেই সম্পদ গুলোর হিসাব পাওয়া সত্যি সত্যি দুরূহ হবে।

বেনজীর আহমেদ   দুদক   দুর্নীতি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইনভেস্টিগেশন

বাতিল হচ্ছে হারিছ-জোসেফের ভুয়া এনআইডি

প্রকাশ: ০৭:০০ পিএম, ২৮ মে, ২০২৪


Thumbnail

সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদের দুই ভাইয়ের নামে যে ভুয়া জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করা হয়েছে সে ব্যাপারে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং নির্বাচন কমিশন তদন্ত করছে। তদন্তে যদি প্রমাণিত হয় যে, তারা ভুয়া নাম পরিচয় পরিবর্তন করে ভুয়া এনআইডি ব্যবহার করছেন, তাহলে তাদের জাতীয় পরিচয়পত্র বাতিল করা হবে। নির্বাচন কমিশনের একটি দায়িত্বশীল সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

নির্বাচন কমিশনের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কর্মকর্তা বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার পরপরই বিষয়টি নিয়ে নির্বাচন কমিশন কাজ করছে এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কেও এ ব্যাপারে অনুরোধ জানানো হয়েছে। নির্বাচন কমিশন যদি অনুসন্ধান করে দেখে যে, এই দুজন তাদের পরিচয়, ঠিকানা ইত্যাদি গোপন করেছেন, সেক্ষেত্রে অবশ্যই এনআইডি বাতিল হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। 

নির্বাচন কমিশনের ওই কর্মকর্তা বলেন, এটা নিয়ে আমাদের তদন্তের কাজ দ্রুত এগোচ্ছে। উল্লেখ্য, মিথ্যা তথ্য দিয়ে মোহাম্মদ হাসান নামে ২০১৪ সালে জাতীয় পরিচয়পত্র নিয়েছিলেন সাবেক সেনা প্রধানের ভাই হারিছ আহমেদ। ২০১৯ সালে তিনি এনআইডিতে নিজের ছবি পরিবর্তন করেন। এটি নিয়ে আল জাজিরায় প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আজিজ আহমেদের বিরুদ্ধে যে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে সেই নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত বিবৃতিতেও এটি উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়াও সাবেক সেনাপ্রধান আরেক ভাই তোফায়েল আহমেদ ওরফে জোসেফ দুটি জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করছেন বলে সংবাদপত্রের খবরে অভিযোগ করা হয়েছে। এর একটি মিথ্যা তথ্য দিয়ে সেখানে তোফায়েল আহমেদ ওরফে জোসেফের নাম দেওয়া হয়েছে তানভির আহমেদ তানজীল। অন্যটিতে তোফায়েল আহমেদ ওরফে জোসেফ নামে আছে। 

আইন অনুযায়ী একজন ব্যক্তির একাধিক জাতীয় পরিচয়পত্র থাকতে পারে না। এটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এই বিষয়টি নিয়েও তদন্ত করছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশনের সূত্রগুলো বলছে, নির্বাচন কমিশন সবকিছু যাচাই বাছাই করেই এনআইডি দেয়। তবে এই ধরনের ঘটনা নতুন নয়। এর আগেও ডা. সাবরিনা একই রকম ভাবে ভুয়া জাতীয় পরিচয়পত্র হয়েছিল। এ রকম ঘটনা অতীতে বিভিন্ন সময়ে হয়েছে। তবে এখন নির্বাচন কমিশন এটি সতর্কতার সঙ্গে যাচাই বাছাই করে করে জাতীয় পরিচয়পত্র দেয় বলেই জানানো হয়েছে। 

২০১৪ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি মোহাম্মদ হাসান নামে জাতীয় পরিচয়পত্রের আবেদন করলে তা নির্বাচন কমিশন গ্রহণ করে। ২০১৯ সালের ৫ আগস্ট তিনি জাতীয় পরিচয়পত্রে ছবি পরিবর্তনের জন্য আবেদন করেন এবং তা অনুমোদিত হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, জাতীয় পরিচয়পত্র দেওয়ার ক্ষেত্রে পাসপোর্টের মতো কোন রকম তদন্তের বিধি বিধান নাই। এখন এই তদন্তের বিষয়টি যোগ করা হয়েছে। এবং তদন্তের মাধ্যমে তখন এটি করা হত না জন্যই এই সুযোগ হারিছ এবং জোসেফ পেয়েছে বলে জানা গেছে।

এদিকে জেনারেল আজিজ আহমেদের আরেক ভাই তোফায়েল আহমেদ ওরফে জোসেফ ২০১৪ সালে নিজের নাম ও বাবার নাম বদল করে একটি জাতীয় পরিচয়পত্র গ্রহণ করেন। তার ছবি ঠিক থাকলেও তার নাম লেখা তানভির আহমেদ তানজীল। তার বর্তমান ঠিকানা দেওয়া হয়েছে মিরপুর ডিওএইচএস এর একটি বাসা। আর স্থায়ী ঠিকানা দেওয়া হয়েছে ঢাকা সেনা নিবাসের একটি বাসা। এনআইডির ছবি তোলার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে সশরীরে হাজির থাকতে হয় এবং অসত্য তথ্য দিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়ার ঘটনা নিয়ে সে সময় কোন রকম উচ্চ বাক্য হয়নি। তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা পর নির্বাচন কমিশন এখন বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করছে এবং এই দুটি ভুয়া এনআইডি বাতিল হবে বলে জানা গেছে।

ভুয়া এনআইডি   আজিজ আহমেদ   আল জাজিরা   নির্বাচন কমিশন   জোসেফ   হারিছ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইনভেস্টিগেশন

যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া তথ্যে রাজশাহীতে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে শিক্ষক গ্রেপ্তার

প্রকাশ: ০৯:৫৮ পিএম, ১৯ মে, ২০২৪


Thumbnail

যুক্তরাষ্ট্রের একটি সংস্থার দেওয়া তথ্য থেকে রাজশাহীতে এক শিশু যৌন নিপীড়নকারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

শনিবার (১৮ মে) রাজশাহী নগরের ডাঁশমারী এলাকা থেকে আবদুল ওয়াকেলকে গ্রেপ্তার করা হয়। আব্দুল ওয়াকেল পেশায় একজন শিক্ষক। নিজের কোচিং সেন্টারে শিশুদের ওপর যৌন নির্যাতন চালাতেন তিনি।

সিআইডি বলছে, যৌন নিপীড়নের দৃশ্যগুলো ওই শিক্ষক ভিডিও ধারণ করে নিজের মুঠোফোন, পেনড্রাইভ, কম্পিউটার এবং এক্সটার্নাল হার্ডডিস্কে সংরক্ষণ করতেন। এসব ডিজিটাল ডিভাইস থেকে সার্চ ইঞ্জিন গুগল, মাইক্রোসফট, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক এসব তথ্য পৌঁছে দেয় যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ন্যাশনাল সেন্টার ফর মিসিং অ্যান্ড অ্যাক্সপ্লয়েট চিলড্রেন (এনসিএমইসি) নামের এক প্রতিষ্ঠানের কাছে। এনসিএমইসি বাংলাদেশে সিআইডিকে এসব তথ্য সরবরাহ করে। এসব তথ্যের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সিআইডি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, এনসিএমইসির তথ্যের ভিত্তিতে সিআইডির একটি বিশেষায়িত দল তদন্ত শুরু করে। স্থানীয় ভুক্তভোগী অনেক ছাত্র ও তাদের অভিভাবক নাম প্রকাশ না করার শর্তে তদন্তকারী দলের কাছে শিক্ষক ওয়াকেলের বিরুদ্ধে ‘ভয়ংকর’ সব তথ্য দেন।

ওয়াকেলকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে সিআইডি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, স্নাতক পড়ার সময় থেকে শিশুদের যৌন নিপীড়ন করে আসছিলেন তিনি। ছাত্রদের পড়ানোর জন্য তিনি একটি কোচিং সেন্টার খোলেন। কোচিং সেন্টারের ছাত্রদের চকলেট ও পছন্দের মোবাইল গেম খেলতে দিয়ে ব্যস্ত রেখে যৌন নিপীড়ন করতেন। যৌন নিপীড়নের এসব দৃশ্য তিনি ভিডিও করে রাখতেন। এ ঘটনায় ওয়াকেলের বিরুদ্ধে তার বর্তমান কর্মস্থলের প্রধান শিক্ষক বাদী হয়ে রাজধানীর পল্টন মডেল থানায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেছেন।

যুক্তরাষ্ট্র   যৌন নিপীড়ন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইনভেস্টিগেশন

দুবাইতে বাংলাদেশের কারা সম্পদের পাহাড় গড়েছেন?

প্রকাশ: ০৬:০০ পিএম, ১৭ মে, ২০২৪


Thumbnail

সম্প্রতি ‘দুবাই আনলকড’ শিরোনামে অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দুবাইয়ে সারা বিশ্ব থেকে অর্থপাচারকারীদের অর্থের এক ফিরিস্তি দেওয়া হয়েছে। সেই তালিকায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ব্যক্তিদের নাম যেমন আছে তেমনি আছে বাংলাদেশের নামও। ‘দুবাই আনলকড’ শীর্ষক এই অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে ৩৯৪ জন বাংলাদেশির ২ হাজার ছয়শ ৩৬ কোটি টাকা মূল্যের ৬৪১ টি সম্পত্তি রয়েছে বলে তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। তবে এই প্রতিবেদনে বাংলাদেশের যারা দুবাইয়ে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন তাদের নাম প্রকাশ করা হয়নি। 

বিভিন্ন সূত্র থেকে অনুসন্ধান করে দুবাইয়ে যে সমস্ত বাংলাদেশিরা অবৈধভাবে সম্পদ করেছেন, তাদের কয়েক জনের তালিকা পেয়েছি। এই তালিকার মধ্যে আছেন রাজনীতিবিদ, বিরোধী দলের নেতা, সাবেক সেনা কর্মকর্তা, ঋণখেলাপী ব্যবসায়ী এবং আমলা। 

৩৯৪ জনের মধ্যে ব্যবসায়ীদের সংখ্যা ২৫ থেকে ৩০ জন বলে প্রাপ্ত তথ্যে দেখা গেছে। এই সমস্ত ব্যবসায়ীদের মধ্যে অন্তত তিন জন ঋণখেলাপি এবং পলাতক। ঋণ খেলাপের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে এবং এই সমস্ত মামলা মোকাবেলা না করে তারা বিদেশে পালিয়ে গেছেন। ঋণ খেলাপিদের মধ্যে একজন ব্যাংকের মালিকও রয়েছেন বলে প্রাপ্ত তথ্যে দেখা গেছে। ৩৯৪ জনের তালিকার মধ্যে রাজনীতিবিদের নাম আছে এবং রাজনীতিবিদদের মধ্যে আওয়ামী লীগ, বিএনপিসহ প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ দুবাইতে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে। 

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ এবং মন্ত্রিসভার সদস্যের মধ্যে অন্তত ১০ জনের দুবাইয়ে সম্পদ রয়েছে বলে প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে। এছাড়াও আওয়ামী সমর্থক ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত এরকম আরও ১০ জনের দুবাইয়ে বিভিন্ন ধরণের সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। বিএনপির একাধিক নেতার দুবাইতে সম্পত্তি রয়েছে এবং এই সম্পদের পরিমাণ আওয়ামী লীগের নেতাদের চেয়েও বেশি বলেই প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যাচ্ছে। 

বিএনপির স্থায়ী কমিটির অন্তত দু জন সদস্যের দুবাইয়ে সম্পদ রয়েছে। এছাড়াও বেগম খালেদা জিয়ার একান্ত অনুগত হিসেবে পরিচিত একসময় বেগম খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত কর্মকর্তা হিসাবে পরিচিত একজন ব্যক্তিরও দুবাইয়ে বিপুল পরিমাণ সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। সাবেক সেনা কর্মকর্তার তথ্য পাওয়া গেছে। এগারোর সময় সক্রিয় একজন সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার ব্যক্তি এখন দুবাইয়ে অবস্থান করছেন। তিনি বিপুল সম্পদের মালিক বলে তথ্য পাওয়া গেছে। এছাড়া অন্তত ১২ জন সাবেক আমলা রয়েছেন। যারা দুবাইয়ে বিপুল পরিমাণ নিনিয়োগ করেছেন এবং সম্পদের মালিক হয়েছে। তবে যেহেতু ‘দুবাই আনলকড’ অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে এই সমস্ত ব্যক্তিদের সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যানি। সেজন্য বাংলাদেশ থেকে যারা অর্থ দুবাইয়ে পাচার করেছেন তাদের সম্পর্কে বিস্তারিত কোন পরিচয় বা বিবরণ প্রকাশ করেনি।

দুবাই   বাংলাদেশ   অর্থ পাচার  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইনভেস্টিগেশন

কুকি-চিনের নারী শাখার প্রধান সমন্বয়ক গ্রেপ্তার

প্রকাশ: ০৫:২৫ পিএম, ১৭ মে, ২০২৪


Thumbnail

পাহাড়ি উগ্রবাদী সংগঠন কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) নারী শাখার অন্যতম প্রধান সমন্বয়ক আকিম বমকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। 

শুক্রবার (১৭ মে) বান্দরবান জেলার লাইমী পাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব-১৫। 

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র‍্যাব সদর দপ্তরের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের সিনিয়র সহকারী পরিচালক আ ন ম ইমরান খান।

তিনি জানান, কুকি-চিনের নারী শাখার অন্যতম প্রধান সমন্বয়ক আকিম বমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি দেশে-বিদেশে সামরিক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত।

উল্লেখ্য, গত ৭ এপ্রিল বান্দরবানে কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) কেন্দ্রীয় কমিটির প্রধান সমন্বয়ক চেওসিম বমকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব।

কুকি-চিন   র‍্যাব  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন