ইনসাইড পলিটিক্স

সংকটে শামীম ওসমান-নাহিদ এবং অন্যান্য

প্রকাশ: ০৯:০০ পিএম, ২১ নভেম্বর, ২০২৩


Thumbnail

আওয়ামী লীগ আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ এবং অংশগ্রহণমূলক করতে চায়। এ কারণে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলকে নির্বাচনের মাঠে নামানোর জন্য চেষ্টা চলছে। একই সাথে বিএনপিতে যারা নির্যাতিত নিপীড়িত এবং অমূল্যায়নের শিকার হয়েছেন, তারাও বিভিন্ন রাজনৈতিক প্লাটফর্ম তৈরি করছেন। বিএনপির মধ্যে যারা জনপ্রিয় নেতা, যারা রাজনীতি করতে চান, আগামী নির্বাচনে তারা অংশগ্রহণের পক্ষেই। এজন্য বিএনপিতে বড় ধরনের ভাঙন শুরু হয়েছে। এই ভাঙনের অংশ হিসেবে বিএনপির বহু নেতাই দলত্যাগ করেছেন অথবা দলত্যাগ করার অভিপ্রায় ব্যক্ত করার অভিযোগে তাদেরকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এই সমস্ত ব্যক্তিদের নিয়ে ইতোমধ্যে একাধিক রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম গড়ে উঠেছে। তাদের মধ্যে তৃণমূল বিএনপি অন্যতম। 

শমসের মবিন চৌধুরী এবং তৈমুর আলম খন্দকারের নেতৃত্বে তৃণমূল বিএনপি আগামী নির্বাচনে তিনশ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করবে বলে জানানো হয়েছে। এছাড়াও বিএনএম নামে আরেকটি রাজনৈতিক দলের আত্মপ্রকাশ ঘটেছে। তারাও এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বেশ কিছু আসনে প্রার্থী দেবে বলে জানা গেছে। জাতীয় পার্টিকে ছাপিয়ে এই সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলোকে নিয়ে এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে নানামুখী আলোচনা চলছে। আর এই সমস্ত আলোচনার ফলে আওয়ামী লীগের দুর্গে কিছু কিছু জায়গায় আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। আর এই আতঙ্কের প্রধান কারণ হল এই সমস্ত দলগুলো যদি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে এবং অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় তাহলে আওয়ামী লীগের অনেক গুরুত্বপূর্ণ নেতার ভাগ্য বিপর্যয় ঘটতে পারে। যেমন- নারায়ণগঞ্জের শামীম ওসমানের কথাই ধরা যাক। শামীম ওসমান নারায়ণগঞ্জের যে আসনটিতে দাঁড়িয়েছেন, সেই আসনেই তৃণমূল বিএনপির মহাসচিব তৈমুর আলম খন্দকারের প্রতিদ্বন্দ্বীতা করার কথা রয়েছে। তৈমুর আলম খন্দকার গত সিটি নির্বাচনে স্বতন্ত্র মেয়র পদপ্রার্থী হয়েছিলেন এবং ওই নির্বাচনে তিনি ভাল লড়াই করেও শেষ পর্যন্ত পরাজিত হয়ে যান। ওই নির্বাচনে দাঁড়ানোর জন্য তাকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়। এখন তিনি তৃণমূল বিএনপি নেতা। তিনি শামীম ওসমানের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করতে পারেন এমন শঙ্কা করা হচ্ছে এবং শামীম ওসমানের আসনে তাকে প্রার্থী করার জন্য আওয়ামী লীগের আরেক নেতা সেলিনা হায়াৎ আইভী উৎসাহ উদ্দীপনা দিচ্ছেন। 

বিভিন্ন সূত্র বলছে, নারায়ণগঞ্জের একাধিক আসনে তৈমুর আলম খন্দকার প্রতিদ্বন্দ্বীতা করতে পারে। তার মধ্যে শামীম ওসমানের আসনটি অন্যতম। এই আসনে যদি তৈমুর আলম খন্দকার দাঁড়ান তাহলে নিশ্চিতভাবেই তিনি সেলিনা হায়াৎ আইভীর সমর্থন পাবেন। সেলিনা হায়াৎ আইভীর সমর্থন পেলে এই আসনে শামীম ওসমানের বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটার শঙ্কা রয়েছে। শামীম ওসমানের আসনটি তাই ঝুঁকির মধ্যে আছে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। 

একই অবস্থা আওয়ামী লীগের সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের আসন। তিনি সিলেটের যে আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চাচ্ছেন সেই আসনে প্রার্থী হবেন শমসের মবিন চৌধুরী। তিনি তৃণমূল বিএনপির চেয়ারপার্সন। এই আসনে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য নুরুল ইসলাম নাহিদের ভাগ্য বিপর্যয় ঘটার শঙ্কা রয়েছে। কারণ শমসের মবিন চৌধুরীর পিছনে আওয়ামী লীগের একটি বড় অংশ কাজ করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কারণ দীর্ঘদিন ধরে শমসের মবিন চৌধুরীর সঙ্গে আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠতা রয়েছে। অন্যদিকে নুরুল ইসলাম নাহিদ এক সময় কমিউনিস্ট পার্টির সম্পাদক ছিলেন। কমিউনিস্ট রাজনীতির কারণে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে তিনি ততটা গ্রহণযোগ্য নন। আর এ কারণেই আওয়ামী লীগের একটি অংশ শমসের মবিন চৌধুরীর পক্ষে কাজ করা শুরু করতে পারে। ফলে তারও ভাগ্য বিপর্যয় ঘটবে। এই দুটি আসন শুধু নয়, এরকম অনেকগুলোই আসন রয়েছে যেখানে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা তৃণমূল বিএনপি, বিএনএম বা অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে। অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে এবং আওয়ামী লীগের দলের অন্তর্দ্বন্দ্ব না মিটলে এ সব আসনে আওয়ামী লীগের ভাগ্য বিপর্যয় ঘটতে পারে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

শামীম ওসমান   নির্বাচন   নুরুল ইসলাম নাহিদ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

বেগম জিয়াকে সিসিইউ থেকে কেবিনে স্থানান্তর

প্রকাশ: ০৪:৫১ পিএম, ২৪ জুন, ২০২৪


Thumbnail

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার হৃদযন্ত্রে স্থায়ী পেসমেকার বসানোর পর আজ সোমবার স্বাস্থ্যের অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে কেবিনে স্থানান্তর করেছে মেডিকেল বোর্ড।

সোমবার (২৪ জুন) দুপুরে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে করোনারি কেয়ার ইউনিট (সিসিইউ) থেকে তাকে কেবিনে স্থানান্তর করা হয় বলে বিএনপি একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে। 

উল্লেখ্য, গতকাল রোববার বিকেলে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) চিকিৎসাধীন এই সাবেক প্রধানমন্ত্রীর হৃদ্‌যন্ত্রে স্থায়ী পেসমেকার বসানো হয়। 

খালেদা জিয়ার হৃদ্‌রোগের সমস্যা আগে থেকেই ছিল। হার্টে তিনটি ব্লক ছিল। আগে একটা রিং পরানো হয়েছিল। সবকিছু পর্যালোচনা করে বিদেশি চিকিৎসক ও মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শে পেসমেকার বসানো হয়েছে।

বেগম খালেদা জিয়া   সিসিইউ   এভারকেয়ার হাসপাতাল  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত, বেশকিছু স্বাস্থ্য পরীক্ষা আজ

প্রকাশ: ০২:০৫ পিএম, ২৪ জুন, ২০২৪


Thumbnail

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার হৃদযন্ত্রে স্থায়ী পেসমেকার বসানোর পর আজ স্বাস্থ্যের কিছু পরীক্ষা করা হবে বলে জানিয়েছেন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক এ জেড এম জাহিদ হোসেন।  

তিনি বলেন, রোববার বিকেলে পেসমেকার বসানোর পর থেকে সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে সিসিইউ সুবিধা দিয়ে আইসোলেশনে বা সম্পূর্ণ আলাদাভাবে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। সেখানেই তার স্বাস্থ্যের কিছু পরীক্ষা করা হবে।

খালেদার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে মেডিকেল বোর্ডের একজন সদস্য বলেন, তারা বোর্ডের সদস্যরা আজই খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের নতুন কিছু পরীক্ষার পর সেগুলোর রিপোর্ট পর্যালোচনা করবেন। পেসমেকার বসানোর পর তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়নি। ফলে তাকে আইসোলেশন বা বিচ্ছিন্ন অবস্থা থেকে সিসিইউতে বা কেবিনে নেওয়া যায় কি না, সে ব্যাপারে আজ স্বাস্থ্যের বিভিন্ন পরীক্ষার রিপোর্ট পর্যালোচনা করবেন চিকিৎসকেরা।

প্রসঙ্গত, গতকাল রোববার বিকেলে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) চিকিৎসাধীন এই সাবেক প্রধানমন্ত্রীর হৃদ্‌যন্ত্রে স্থায়ী পেসমেকার বসানো হয়। 

খালেদা জিয়ার হৃদ্‌রোগের সমস্যা আগে থেকেই ছিল। হার্টে তিনটি ব্লক ছিল। আগে একটা রিং পরানো হয়েছিল। সবকিছু পর্যালোচনা করে বিদেশি চিকিৎসক ও মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শে পেসমেকার বসানো হয়েছে।


খালেদা জিয়া   স্বাস্থ্য   বিএনপি   এভারকেয়ার হাসপাতাল  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

দুই দিনের সফরে সিলেটে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী নানক

প্রকাশ: ১২:০৫ পিএম, ২৪ জুন, ২০২৪


Thumbnail

দুই দিনের সফরে সিলেট এসে পৌঁছেছেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক এমপি। সোমবার (২৪ জুন) সকাল ৮টার দিকে বিমানযোগে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান তিনি। বিমানবন্দরে সিলেট জেলা এবং মহানগর আওয়ামী লীগের নেতারা ও সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী তাদেরকে স্বাগত জানান।

বস্ত্র ও পাট মন্ত্রীর সঙ্গে সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক ও কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহাবুব-উল-আলম হানিফ এবং ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম। সিলেটে পৌঁছেই হযরত শাহজালাল (র.) মাজার জিয়ারত করেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানকসহ অন্যান্য নেতারা। 

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার ও মঙ্গলবার সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার বিভিন্ন ত্রাণ সহায়তা কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করবেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক এমপি। সোমবার বেলা ১১টায় সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে নগরীর ২৪নং ওয়ার্ড তেররতন এলাকায় বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করবেন। দুপুর ১২টায় সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে নগরীর ৪২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলরের কার্যালয় প্রঙ্গণে ত্রাণ সহায়তা বিতরণ ও দুপুর ১টায় সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমান হাবিবের উদ্যোগে দক্ষিণ সুরমার সিলামে ত্রাণ বিতরণ করবেন তিনি। 

সন্ধ্যা ৭টায় সার্কিট হাউসে সিলেট জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের নেতাদের সাথে মতবিনিময়, রাত ৯টায় নগর ভবনের সভা কক্ষে সিটি কর্পোরেশনের মেয়র, কাউন্সিলর ও কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় করবেন তিনি। 

পরদিন মঙ্গলবার (২৫ জুন) সকাল ৮টায় সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় ত্রাণ সহায়তা বিতরণের উদ্দেশ্যে সিলেট সার্কিট হাউস থেকে যাত্রা করবেন। সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট রঞ্জিত চন্দ্র সরকারের উদ্যোগে সকাল ১০টায় তাহিরপুর সদরে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ, বেলা সাড়ে ১১টায় সুনামগঞ্জ সদরের সদরঘাট, ১২টায় মঈনপুর ও সাড়ে ১২টায় রহমতপুরে ত্রাণ বিতরণ করবেন তিনি।

মধ্যাহ্ন বিরতি শেষে বিকাল সাড়ে ৩টায় জগন্নাথপুর মরহুম আব্দুস সামাদ আজাদ অডিটোরিয়ামে ও বিকেল ৫টায় বিশ্বনাথ উপজেলার লামাকাজি টুল প্লাজা পয়েন্টে ত্রাণ সহায়তা প্রদান করবেন তিনি। এরপর ৫টা ৪৫ মিনিটে সিলেট সার্কিট হাউসের উদ্দেশ্যে যাত্রা করবেন এবং রাত ১০টায় সিলেট আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হতে বিমানযোগে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা করবেন তিনি।


সিলেট   বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী   জাহাঙ্গীর কবির নানক  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

খালেদা জিয়ার হৃদযন্ত্রে বসানো হলো ‘পেসমেকার’

প্রকাশ: ০৭:১৩ পিএম, ২৩ জুন, ২০২৪


Thumbnail

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার হৃদযন্ত্রে ‘পেসমেকার’ বসানোর কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এভারকেয়ার হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দল মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রোববার (২৩ জুন) রাতে এই কার্যক্রম সম্পন্ন করেছেন বলে জানিয়েছেন খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন।

এর আগে খালেদা জিয়াকে হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটের (সিসিইউ) কেবিন নং-৪২১৯ থেকে পাশের ক্যাথ ল্যাবে নিয়ে যাওয়া হয়।

ডা. জাহিদ বলেন, ম্যাডামের হৃদরোগের সমস্যা পূর্ব থেকেই ছিল। সেজন্য হার্টে ব্লক ছিল, একটা স্টেনটিংও করা ছিল। সব কিছু পর্যালোচনা করে এখন মেডিকেলে বোর্ড ম্যাডামের হার্টে পেসমেকার লাগানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। হাসপাতালে এই পেসমেকার ট্যাম্পোরারি ও পার্মান্টেট লাগানোর প্রক্রিয়া ডাক্তারা সম্পন্ন করেছেন।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, হৃৎপিন্ডের ডান অ্যাট্রিয়াম প্রাচীরের উপর দিকে অবস্থিত বিশেষায়িত কার্ডিয়াক পেশিগুচ্ছে গঠিত ও স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুতন্ত্রে নিয়ন্ত্রিত একটি ছোট অংশ যা বৈদ্যুতিক তরঙ্গ প্রবাহ ছড়িয়ে দিয়ে হৃৎস্পন্দন সৃষ্টি করে এবং স্পন্দনের ছন্দময়তা বজায় রাখে এই পেসমেকার।

উল্লেখ্য, শ্বাসকষ্ট বৃদ্ধিজনিত কারণে হঠাৎ অসুস্থতার কারণে গত শুক্রবার গভীর রাতে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে অ্যাম্বুলেন্সে করে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালের সিসিইউ ইউনিটে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে চিকিসাধীন আছেন। শনিবার (২২ জুন) থেকে এই পর্যন্ত কয়েক দফা মেডিকেল বোর্ড বৈঠকে বসে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর হৃদপিন্ডে পেসমেকার লাগানোর সিদ্ধান্ত দেন।

হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে বেগম জিয়া চিকিৎসাধীন আছেন। আর অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে অধ্যাপক এফএম সিদ্দিকী, অধ্যাপক শামসুল আরেফিন, অধ্যাপক একিউএম মহসিনসহ মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা কয়েক দফা বৈঠকে বসে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সর্বশেষ অবস্থা পর্যালোচনা করেছেন। মেডিকেল বোর্ডের এসব সভায় লন্ডন থেকে ডা. জুবাইদা রহমানসহ যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়ার কয়েকজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ভার্চুয়ালি যুক্ত থাকেন।

৭৯ বছর বয়সী খালেদা জিয়া ডায়াবেটিস, আর্থারাইটিস ছাড়াও হৃদরোগ, ফুসফুস, লিভার, কিডনিসহ বিভিন্ন জটিল রোগে ভুগছেন।


তারেক জিয়া   বেগম খালেদা জিয়া   মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর   বিএনপি   রাজনীতি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

আওয়ামী লীগ ছেড়ে চলে যাওয়ার পর অনেক তারা নিভে গেছে: শেখ হাসিনা

প্রকাশ: ০৫:২৩ পিএম, ২৩ জুন, ২০২৪


Thumbnail

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আওয়ামী লীগের আলোয় আলোকিত হয়ে অনেকে নেতা হয়ে দল ছেড়েছেন, বের হওয়ার পর আকাশের তারা আর জ্বলেনি। কেউ কেউ আবার সরকার পতনের ষড়যন্ত্র করেছেন। অনেকে বারবার আঘাত আসার পর ফিনিক্স পাখির মত জেগে উঠেছে।

রোববার (২৩ জুন) ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে দলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মওলানা ভাসানী ও সাধারণ সম্পাদক শামসুল হককে স্মরণ করে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, বাঙালির সব অর্জনেই  আওয়ামী লীগ জড়িত। জন্ম থেকে আওয়ামী লীগের প্রতিটি পদক্ষেপের কারণেই এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। সবসময় মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে ছিল সংগঠনটি। কিন্তু বারবার এই দলকে আঘাত করা হয়েছে নিশ্চিহ্নের চেষ্টা হয়েছে কিন্তু যতবার এই আঘাত এসেছে দলটি ততবারই জেগে উঠেছে।

শেখ হাসিনা বলেন, বাঙালির প্রতিটি অর্জনে এ দল ওতপ্রোতভাবে জড়িত। আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠা লাভ করেছেই তো বাংলার মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য। যা আমরা প্রমাণ করেছি। আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠা লাভ করেছেই তো বাংলার মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য। যা আমরা প্রমাণ করেছি। ৭৫ আগস্টের পর বার বার ক্ষমতা বদল হয়েছে। কিন্তু ক্ষমতা বদল হয়েছে হয় অস্ত্রের মাধ্যমে এবং ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে। জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার ছিল না, মানুষের মৌলিক অধিকার ছিল না। মানুষের ভাগ্যের কোনো পরিবর্তনই তারা করতে পারিনি।

আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাজ করে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ। খাদ্য উৎপাদন ও সাক্ষরতার হার বৃদ্ধিতে অসামান্য ভূমিকা রেখেছে এই দল। বারবার আওয়ামী লীগ নিশ্চিহ্ন করার অপচেষ্টা হয়েছে। বঙ্গবন্ধু মাত্র সাড়ে ৩ বছরে বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশে রূপান্তরিত করেছেন, যা বিশ্বে আর কেউ পারেনি

এর আগে দুপুর ৩টা ৩৭ মিনিটে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সমাবেশ মঞ্চে উপস্থিত হন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 

সেখানে আওয়ামী লীগের প্লাটিনাম জুবিলি উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর জাতীয় সঙ্গীতের মধ্য দিয়ে শুরু হয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আনুষ্ঠানিকতা। জাতীয় সঙ্গীত শেষে প্রধানমন্ত্রী বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। 

এর আগে, আলোচনা সভায় যোগ দিতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে দুপুরে থেকে জড়ো হন দলটির বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী। বেলা ১২টা থেকে সমাবেশস্থলের ভেতরে প্রবেশ করতে শুরু করেন নেতাকর্মীরা। রাজধানী ও দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে সমাবেশমুখী আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের ঢল নেমেছে। বিভিন্ন ধরনের ব্যানার, ফেস্টুন, প্ল্যাকার্ড হাতে নেতাকর্মীদের উচ্ছ্বাস ছিলো চোখে পড়ার মতো।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও এর আশপাশের এলাকা ঘুরে দেখা যায়, অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এছাড়া, সমাবেশস্থলে প্রবেশের ক্ষেত্রে কয়েক ধাপের নিরাপত্তা ও আর্চওয়ে পার হয়ে নেতাকর্মীদের প্রবেশ করতে হচ্ছে।

আওয়ামী লীগ   শেখ হাসিনা   প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন