ইনসাইড পলিটিক্স

বেগম জিয়ার অসুস্থতা: প্রতারণা, মিথ্যাচার এবং জালিয়াতি

প্রকাশ: ০৫:০০ পিএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail বেগম জিয়ার অসুস্থতা: প্রতারণা, মিথ্যাচার এবং জালিয়াতি

বেগম খালেদা জিয়ার অসুস্থতার ধরণ, প্রকৃতি নিয়ে চরম মিথ্যাচার এবং প্রতারণা ও জালিয়াতি করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল বেগম খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক দল এক সংবাদ সম্মেলন করেন। উল্লেখ্য যে, এই সংবাদ সম্মেলনে এভারকেয়ার হাসপাতালের কোনো চিকিৎসক উপস্থিত ছিলেন না। সংবাদ সম্মেলনে বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা এবং চিকিৎসা নিয়ে কথা বলেন বেগম খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. এফএম সিদ্দিকী, ডা. এ কিউ এম মহসিন, ডা. শামসুল আরেফিন, ডা. মো.নূর উদ্দিন, ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন ও ডা. আল মামুন। উল্লেখ্য যে, এরা কেউই এভারকেয়ার হাসপাতালের চিকিৎসক নন। সাধারণ নিয়ম হলো যে, একটি হাসপাতালের যেই চিকিৎসকরা একজন রোগীকে চিকিৎসা দেন, সেই চিকিৎসকদেরই বক্তব্য প্রণিধানযোগ্য এবং সেই চিকিৎসকরাই বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা সম্বন্ধে সঠিকভাবে বলতে পারেন। ডা. এফএম সিদ্দিকী চিকিৎসা দেন ল্যাবএইড হাসপাতালে। তিনি এভারকেয়ার হাসপাতালের কেউ নন তিনি কিভাবে বেগম খালেদা জিয়া চিকিৎসা নিয়ে কথা বললেন? এমনকি এই চিকিৎসা নিয়ে যে তথ্য দেওয়া হয়েছে সেগুলো বিজ্ঞানসম্মত এবং মেডিকেল রীতিনীতির পরিপন্থী বলে একাধিক চিকিৎসক অভিযোগ করেছেন।

বেগম খালেদা জিয়া লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত হয়েছেন। লিভার সিরোসিসের চিকিৎসার তিনটি ধাপ রয়েছে বলে চিকিৎসকরা মন্তব্য করেছেন। প্রথম ধাপ হলো ওষুধ। দ্বিতীয় ধাপ হলো তার লিভার প্রতিস্থাপন অথবা তৃতীয় ধাপ হলো স্টেম সেল। চিকিৎসকরা বলছেন যে, বেগম খালেদা জিয়ার অসুস্থতার যে মাত্রা, সে মাত্রায় তাকে ওষুধ দিয়েই এখন পর্যন্ত চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। তার লিভার ট্রান্সপ্লান্ট বা স্টেমসেল দেওয়ার মতো বাস্তব অবস্থা নাই। বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসার জন্য যে ‘ট্রান্সজুগুলার ইন্ট্রাহেপ্যাটিক পোর্টোসিস্টেমিক শান্ট (Transjugular Intrahepatic Portosystemic Shunt-TIPS)’ পদ্ধতির কথা বলা হয়েছে, সেই ‘TIPS’ পদ্ধতি কোনোভাবেই লিভার সিরোসিসের চিকিৎসা নয় বলে বিশেষজ্ঞরা বলছেন। তারা বলছেন এটি হলো লিভারের রক্ত বন্ধের জন্য একটি ব্যবস্থা মাত্র। তাহলে বেগম খালেদা জিয়ার এই চিকিৎসা নিয়ে এ ধরণের নাটক করা কেন হচ্ছে? এভারকেয়ার হাসপাতালের একাধিক চিকিৎসকরা বলছেন, বেগম খালেদা জিয়ার অসুস্থতা নিয়ে এক ধরনের প্রতারণা এবং জালিয়াতি করা হচ্ছে। এভারকেয়ার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ যা বলছেন, তাকে অন্য ব্যাখ্যা দিচ্ছেন বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসকরা, যারা মূলত রাজনীতিবিদ। এদের কারোই আধুনিক উন্নত লিভার চিকিৎসা সম্বন্ধে ন্যূনতম জ্ঞান নেই। বরং বেগম খালেদা জিয়ার অসুস্থতাকে পুঁজি করে যেকোনো মূল্যে তাকে বিদেশে পাঠানোর একটি পরিকল্পনাই আস্তে আস্তে ফাঁস হয়ে যাচ্ছে।

একাধিক সূত্র বলছেন যে, লিভারের রক্তক্ষরণ ঠেকানোর জন্য যে ‘TIPS’ পদ্ধতির কথা বলা হচ্ছে সেই টিপস পদ্ধতিতে বেগম খালেদা জিয়ার জন্য কখনোই সঙ্গত নয়। কারণ এর ফলে উচ্চমাত্রার হৃদরোগের ঝুঁকি থাকে। অর্থাৎ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরিসংখ্যানে দেখা যায় যে, পৃথিবীতে লিভার সিরোসিস আক্রান্ত রোগীদের শতকরা ৬৫ ভাগ ওষুধে সেড়ে যান। ১০ ভাগ অন্য চিকিৎসা নেন। লিভার সিরোসিস রোগে আক্রান্ত হলে দ্রুত একজন মৃত্যুবরণ করবেন এমন কোন বিজ্ঞানীভিত্তিক প্রমাণও নেই। বরং দেখা যাচ্ছে যে, খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ। যেকোনো মুহূর্তে তিনি মারা যেতে পারেন। এরকম তথ্য দিয়ে সরকারকে একটা চাপে ফেলার চেষ্টা করা হচ্ছে। যাতে দ্রুত সরকার বেগম খালেদা জিয়াকে বিদেশে চিকিৎসার জন্য প্রেরণ করেন। বিভিন্ন মহল মনে করছেন যে, মূল লক্ষ্য বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসা নয়। মূল লক্ষ্য হলো তাকে বিদেশে পাঠানোর জন্য একটি মনস্তাত্ত্বিক চাপ তৈরি করা এবং রাজনৈতিক আবহ তৈরি করা। আর সেটি করার কাজে চিকিৎসকরা ব্যবহৃত হচ্ছেন। এটা মেডিকেল ইথিক্সের পরিপন্থী এবং সম্পূর্ণভাবে প্রতারণা। রোগী সম্বন্ধে ভুল তথ্য দেওয়া একজন চিকিৎসকের জন্য ঘৃণ্যতম অপরাধ। সেই অপরাধের কাজ করেছেন বলেও মনে করছেন অনেক চিকিৎসক।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

‘বাজেট না বলে পদ্মা অধিবেশন বলতে পারি’

প্রকাশ: ০৯:৩০ পিএম, ২৯ Jun, ২০২২


Thumbnail ‘বাজেট না বলে পদ্মা অধিবেশন বলতে পারি’

বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা বলেছেন, চলতি বাজেট অধিবেশনে বাজেট নিয়ে আলোচনা না হয়ে পদ্মা সেতু, খালেদা জিয়া ও বিএনপিকে নিয়েই বেশি আলোচনা হয়েছে। এই অধিবেশনকে বাজেট অধিবেশন না বলে পদ্মা অধিবেশন বলতে পারি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বুধবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত ২০২২-২৩ অর্থবছরের অর্থ বিলে আপত্তি জানিয়ে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এমন মন্তব্য করেন। 

রুমিন ফারহানা বলেন, এ অধিবেশনে যদি ১০ শতাংশ সময় বাজেট নিয়ে ব্যয় করা হয়, তবে ৯০ শতাংশ সময় ব্যয় করা হয়েছে পদ্মা সেতু, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়ে আলোচনায় এবং বিএনপির সমালোচনায়। 

তিনি বলেন, পাকিস্তানি লেখক ড. মালিকা-ই-আবিদা খাত্তাককে ধন্যবাদ দিতে চাই। তিনি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে একখানা কলাম লিখেছিলেন বলে আওয়ামী লীগের সমস্ত মন্ত্রী, এমপি থেকে শুরু করে নেতারা পদ্মা সেতু নিয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলের আঙ্গিকে গর্ব করতে পারছেন।

দেশের অর্থনীতিতে সমস্যা হচ্ছে মূল্যস্ফীতি- জানিয়ে এ সংসদ সদস্য বলেন, আমদানি-রপ্তানিতে ভারসাম্যহীনতা, ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়ন, রিজার্ভ আশঙ্কাজনকভাবে কমতে থাকা- এ বিষয়গুলোতে সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা আমরা পাইনি।

করোনায় দারিদ্র্যসীমার নিচে কত শতাংশ মানুষ গিয়েছে সেই হিসাব সরকারের কাছে নেই বলে জানান রুমিন। স্বাস্থ্য ও শিক্ষার ক্ষেত্রে জিডিপি অনুপাতে বরাদ্দ কমেছে বলেও জানান তিনি।

তিনি বলেন, সব সময় কালোটাকা সাদা করতে গিয়ে নানা সমালোচনায় অর্থমন্ত্রীদের পড়তে হয়। এবারের অর্থমন্ত্রী সেই পথে হাঁটেননি। তিনি টাকা পাচারকেই বৈধতা দিয়েছেন। যাতে লুটপাটের টাকা বিদেশে পাচার করে ৭ শতাংশ থেকে ১৫ শতাংশ হারে কর দিয়ে হাত ধুয়ে ফেলা যায়। তিনি (অর্থমন্ত্রী) বলতে চাচ্ছেন এইভাবে পাচার করা টাকা বিদেশ থেকে দেশে ফিরবে। পাচারকারীরা তো দেশে ফেরত আনার জন্য পাচার করে না। এ সুযোগের মাধ্যমে পাচারকারীরা নিশ্চিন্ত হবে, উৎসাহিত হবে।


অধিবেশন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

ড. ইউনুস, হিলারি ও টনি ব্লেয়ারের স্ত্রীর ওপর নিষেধাজ্ঞার দাবি নিক্সন চৌধুরীর

প্রকাশ: ০৬:৩১ পিএম, ২৯ Jun, ২০২২


Thumbnail ড. ইউনুস, হিলারি ও টনি ব্লেয়ারের স্ত্রীর ওপর নিষেধাজ্ঞার দাবি নিক্সন চৌধুরীর

পদ্মা সেতুতে বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়ন বন্ধ ও সেতু নির্মাণ নিয়ে ষড়যন্ত্রের অভিযোগে ড. মোহাম্মদ ইউনূস, সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিন্টন ও ইংল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারের স্ত্রী শেরির ওপরে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে নিষেধাজ্ঞার দাবি জানিয়েছেন ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন। তিনি বলেন, এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হলে এসব ষড়যন্ত্রকারীরা দেশে এসে নতুন করে কোনো ষড়যন্ত্রের সুযোগ পাবে না।

মঙ্গলবার (২৮ জুন) একাদশ জাতীয় সংসদের অষ্টাদশ অধিবেশনে প্রস্তাবিত ২০২২-২৩ অর্থবছরে বাজেটের উপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ দাবি জানান।

বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন বলেন, ইতোমধ্যেই কানাডার আদালতে প্রমাণ হয়েছে পদ্মা সেতুতে দুর্নীতি হয় নাই। তাহলে কোনো অপরাধ ছাড়া কেন আমাদের এই ষড়যন্ত্রের শিকার হতে হয়েছে। 

তিনি আরও বলেন, পদ্মা সেতু বাস্তবায়নে বাধা দেয়ার জন্য দেশে বিদেশে যারা ষড়যন্ত্র করেছে তাদেরকে রাষ্ট্রোদ্রহিতার মামলা দিয়ে বিচারের আওতায় আনতে হবে। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ড. ইউনূস ও এতিমের টাকা মেরে খাওয়া তারেক জিয়া।

তিনি আরও বলেন, যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশের নেতৃত্বে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ করোনাকালে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে একটি মানবিক সংগঠনে পরিণত হয়েছে।

নিক্সন চৌধুরী   ড. ইউনুস   হিলারি   টনি ব্লেয়ার  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

সেতুর নাট-বল্টু খুলে নেওয়া বায়েজিদ খালেদা জিয়ার অনুসারী: নৌ প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৩:০০ পিএম, ২৯ Jun, ২০২২


Thumbnail সেতুর নাট-বল্টু খুলে নেওয়া বায়েজিদ খালেদা জিয়ার অনুসারী: নৌ প্রতিমন্ত্রী

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালেদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, পদ্মা সেতুর রেলিংয়ের নাট-বল্টু খুলে নেওয়া বায়েজিদ বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার অনুসারী।

বুধবার (২৯ জুন) সিরডাপ মিলনায়তনে সম্প্রীতি বাংলাদেশ আয়োজিত ‘পদ্মা সেতু: সম্প্রীতির পথে সাফল্যের অগ্রযাত্রা’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনা সভায় এ মন্তব্য করেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, একজন নেত্রী বলেছিলেন পদ্মা সেতু জোড়া তালি দিয়ে বানানো হচ্ছে আপনারা এতে উঠবেন না। সেই কথা প্রমাণ করতে তারই এক অনুসারী পদ্মা সেতুর নাট-বল্টু খুলে নিয়েছে। অসুস্থ রাজনৈতিক নেতৃত্বের কারণে তারা এমনটা করতে পারে। নাট-বল্টু পদ্মা সেতুর অলংকার। অলংকার নারীর সৌন্দর্য। নারীর অলংকার যদি কেউ খুলে নিতে চায় তাকে আমরা ছিনতাইকারী বলি। পদ্মার নাট-বল্টু খুলে ছিনতাইকারীর মতন কাজ করেছে। তবে এসব করে আমাদের সৌন্দর্য নষ্ট করতে পারবে না।

তিনি আরও বলেন, ‘পদ্মা সেতুর মাধ্যমে বাংলাদেশ বিশ্বে আরও বেশি পরিচিত হতে পারছে। বর্তমানে বাংলাদেশে পদ্মাসেতু থেকেও বড় প্রজেক্ট চলমান আছে। পদ্মা সেতু নিয়ে অনেক ষড়যন্ত্র হয়েছিল। ড. মোহাম্মদ ইউনুস ছিলেন ষড়যন্ত্রের মূল হোতা। তার সঙ্গে পরবর্তীতে যোগ দিয়েছেন খালেদা জিয়া। তারা চেয়েছিল বাংলাদেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্র করতে।’

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শম রেজাউল করিম, সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ, সম্প্রতি বাংলাদেশের সদস্য সচিব অধ্যাপক ডা. মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীল, সম্প্রীতি বাংলাদেশের সভাপতি পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ। 


নৌ প্রতিমন্ত্রী  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

ফের করোনায় আক্রান্ত বিএনপি নেতা মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল

প্রকাশ: ১২:২৪ পিএম, ২৯ Jun, ২০২২


Thumbnail ফের করোনায় আক্রান্ত বিএনপি নেতা মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল

দ্বিতীয়বারের মতো করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল। 

মঙ্গলবার (২৮ জুন) বিকেলে বনানীর প্রভা হেলথ সেন্টারে করোনা পরীক্ষার নমুনা দেন তিনি। রিপোর্টে করোনা পজিটিভ আসে।

এ বিষয়ে আলাল জানান, নিয়মিত চিকিৎসা নিতে ১৩ জুন ভারত যাচ্ছিলেন। তবে তাকে যেতে না দিয়ে বিমানবন্দর থেকে ফেরত পাঠানো হয়েছিল।

মঙ্গলবার (২৮ জুন) উচ্চ আদালতের নির্দেশনা নিয়ে আবার ভারতে যাওয়ার প্রাক্কালে পরীক্ষা করতে গেলে তার করোনা ধরা পড়ে।

এর আগে ২০২০ সালের ২ নভেম্বর করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল।

বিএনপি নেতা   মোয়াজ্জেম হোসেন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ আর নেই

প্রকাশ: ১১:৫৯ এএম, ২৯ Jun, ২০২২


Thumbnail আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ আর নেই

আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ আর নেই। সিঙ্গাপুরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। 

বুধবার (২৯ জুন) সকালে সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক একেএম আফজালুর রহমান বাবু মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গত ১২ জুন দিবাগত রাতে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় রাজধানীর শ্যামলীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে ভর্তি করা হয় নির্মল রঞ্জন গুহকে। এরপরই তাকে নেওয়া হয় লাইফ সাপোর্টে। হার্টে দুটি ব্লক ধরা পড়লে সেখানে রিং বসানো হয়। তাতেও অবস্থার উন্নতি হয়নি।

পরবর্তী সময়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ১৬ জুন দুপুরে তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে নেওয়া হয়। এরপর থেকে সেখানেই চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি।

এর আগেও তিনি হার্টের সমস্যায় ভারতে গিয়ে চিকিৎসা নিয়েছিলেন। ২০২০ সালের জুন মাসের শেষ সপ্তাহে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি।

স্বেচ্ছাসেবক লীগের নতুন সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার আগে মোল্লা কাওছার ও পঙ্কজ দেবনাথের কমিটির
জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি ছিলেন নির্মল রঞ্জন গুহ। মোল্লা কাওছারকে অব্যাহতি দেওয়ার পর তিনি সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক হন। ২০১৯ সালের ২৫ নভেম্বর আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের নতুন সভাপতি নির্বাচিত হন নির্মল রঞ্জন গুহ। নতুন কমিটির সাধারণ সম্পাদক হন আফজালুর রহমান বাবু।

নির্মল রঞ্জন গুহের রাজনীতিতে পথচলা শুরু ছাত্রলীগের হাত ধরে। ছাত্রাবস্থায় তিনি নয়াবাড়ী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক, সরকারি দেবেন্দ্র কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক, মানিকগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক, ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তী সময়ে যুক্তি হন স্বেচ্ছাসেবক লীগের রাজনীতিতে। তিনি ঢাকা জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রতিষ্ঠাকালীন আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেন।

স্বেচ্ছাসেবক লীগ   সভাপতি   নির্মল রঞ্জন  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন