ইনসাইড টক

‘আমাদের সীমান্ত অঞ্চল একটি ফ্রি ইকোনমি জোন হতে পারে’

প্রকাশ: ০৪:০০ পিএম, ০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৩


Thumbnail

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান বলেছেন, যেহেতু ভারতে প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঘটেছে। তাদের মূলস্ফীতি অনেকটা কমে ছিল এখন আবার বাড়তে শুরু করেছে। সুতরাং তাদের নিজস্ব বাজারে মূল্যস্ফীতি যেন স্থিতিশীল রাখা যায়, খাদ্য মূল্য ঠিক রাখা যায় সেজন্য তো তারা চাইবে যে, তাদের খাদ্যটা অন্তত মজুদ থাকুক। তারপর তারা রপ্তানির কথা ভাববে। সুতরাং ভারতের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে চিন্তা করলে তারা যথাথ করেছে। শুনেছি মিয়ানমারও নাকি একই পলিসি গ্রহণ করবে এবং অন্যরাও গ্রহণ করবে। সেদিক থেকে আমাদের করণীয় কি? আমাদের করণীয় হল যতটা সম্ভব খাদ্যে অন্তত আত্মনির্ভরশীল হওয়া। বঙ্গবন্ধু যেমন খুব জোর দিয়েছেন বঙ্গবন্ধু কন্যাও কৃষির ওপর জোর খুব দিয়েছেন। এ রকম একটি সংকটকালেও এবার কৃষির জন্য যে বিনিয়োগ সেটা বাড়ানো হয়েছে। গত বছর ২৬ হাজার কোটি টাকা ছিল। এ বছর এটা ৪০ হাজার এর বেশি করবার কথা চিন্তা করা হয়েছে। এর মানে আমি খাদ্যের জন্য যেন কারো মুখাপেক্ষী না থাকি। সেটি একটি দীর্ঘমেয়াদের। 

বিশ্বের সর্ববৃহৎ চাল রপ্তানিকারক দেশ হলো ভারত। বিশ্বের মোট চাহিদার ৪০ ভাগই আসে এ দেশ থেকে। তবে গত ২০ জুলাই নন-বাসমতি সাদা চাল রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দেয় ভারত। ভারতের এই চাল রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা নিয়ে বাংলা ইনসাইডার এর সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতা করেন ড. আতিউর রহমান। পাঠকদের জন্য ড. আতিউর রহমান এর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বাংলা ইনসাইডার এর নিজস্ব প্রতিবেদক মীর ফজলে রাব্বি।

ড. আতিউর রহমান বলেন, স্বল্প মেয়াদে ভারতে সাথে আমাদের যে ব্যবস্থাটি করা উচিত বলে আমি মনে কিছু কিছু পণ্য যেমন চাল, ডাল, পেঁয়াজ, রসুন এ রকম নিত্য প্রয়োজনীয় ‍কিছু পণ্যের একটা তালিকা করে সেটার কোটা সিস্টেম দাঁড় করানো উচিত। অর্থাৎ যাই হোক না কেন এই কয়েকটা পণ্য এবং এই পরিমাণ ভারত আমাদেরকে আগাম একটা কমিটমেন্ট করবে যে এই পরিমাণ পণ্য আমরা রপ্তানি করব। সেই আলোচনা কিন্তু চলছে। আমাদের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে এই কোটা সিস্টেমের ওপর কাজ চলছে। আমি মনে করি এই কাজটি হয়ে গেলে হঠাৎ হঠাৎ কোনটার দাম বাড়ানো, কোনটার শুল্ক আরোপ করা- এতে আমাদের কোন অ্যাফেট হবে না।

তিনি আরও বলেন, আমরা লক্ষ্য করেছি যে, কোভিড কালেও নিত্য পণ্য কিন্তু ভারত থেকে আমাদের দেশে এসেছে এবং পণ্যের দাম স্থিতিশীল ছিল। সুতরাং ভারতের সাথে আমাদের রাজনৈতিক সম্পর্কটা যেমন এখন অনেক উচুঁতে, অর্থনৈতিক সম্পর্কটাও এখন অনেক গভীর হচ্ছে। গভীর হচ্ছে বলেই আমাদের অনেক নির্ভরশীল পণ্য আমদানি বেশি করছি, রপ্তানি কম করছি। এক্ষেত্রেও আমি মনে করি আমাদের রপ্তানি বাড়াতে হবে। আমাদের পণ্যগুলো ভারতে আরও যাতে বেশি করে বিক্রি করতে পারি সেজন্য যে আমাদের ইকোনমিক্স ডিপ্লোমেটিক দরকার, আমাদের ট্রেড ফেয়ার করার দরকার, আমাদের যারা বাণিজ্য করেন তাদের আরও বেশি এনগেইজ হওয়া দরকার আছে। যেমন- ভারতে প্রতি বছর আমাদের বস্ত্র রপ্তানি বাড়ছে। এটা আরও বাড়ানোর সুযোগ আছে। তারা নিশ্চিয় অন্য দেশ থেকে কেনেন। আমরা একটা হিসেব করে দেখেছি ভারত যে পরিমাণ আমদানি করে তার যদি শতকরা এক ভাগ আমরা নিজেরা ধরতে পারি তাহলে ৩ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি হবে আমাদের রপ্তানি। সুতরাং এই বিষয়ে আমাদের মনোযোগ দিতে হবে। বিশেষ করে উত্তর-পূর্বাংশে তাদের যে চাহিদা সেই চাহিদা সহজেই যাতে আমরা পূরণ করতে পারি তাহলে স্থল বন্দরগুলোকে ওই ভাবে সাজাতে হবে। যেমন- কুমিল্লার দাউদকান্দি। এই অঞ্চলে আমাদের মাছ চাষ হয় অনেক বেশি। কিন্তু এই মাছগুলোর কুমিল্লার কাছাকাছি কোন স্থল বন্দর দিয়ে আমরা ভারতে পাঠাতে পারি না। এটা হয় আখাউড়া দিয়ে বা আমাদের অন্য কোন বন্দর দিয়ে। তাতে তো এটা লাভবান হয় না। ছোট ছোট যে বাধা গুলো আছে সেগুলো আমাদের দূর করতে হবে। আমাদের পুরো সীমান্ত অঞ্চলটি একটি ফ্রি ইকোনমি জোন হতে পারে। এই বর্ডার এলাকায় যদি বড় বড় হাসপাতাল হত তাহলে এত কষ্ট করে আমাদের মুম্বাইতে যাওয়া লাগত না। আগরতলাতেই যদি একটা ভালো হাসপাতাল হয় তাহলে সহজেই আমাদের লোকজন সেখানে যেতে পারত। এর জন্য দরকার হলে আমাদের যৌথ বিনিয়োগ হতে পারে। আমরা টুয়েন্টি পারসেন্ট বিনিয়োগ করলাম, আমাদের ব্যবসায়ীরাই করল। এই সুযোগ গুলো করে দিতে হবে। আমাদের প্রাণ পুরো ভারতে এবং ওই অঞ্চলে বেশ ভালো ব্যবসা করছে। সেই সুযোগ আমরা আরও বেশি করে বাড়াই না কেন? আমাদের অন্যান্যরা যেন চাহিদা তৈরি করতে পারে। এই ভাবে আমাদের রপ্তানি বাড়াতে হবে। আমাদের রপ্তানি বাড়ানোর জন্য এখন রুপি বাণিজ্য চলছে। কিছুদিনের মধ্যে টাকা বাণিজ্য হবে। এটা একটা ভালো মুভ। কিন্তু এটা এত ভালো মুভ নয় যে পুরোটাই আমরা এই মুদ্রায় করতে পারব। কারণ এখন পর্যন্ত ১৫ বিলিয়ন ডলার আমাদের আমদানি করি। আমরা মাত্র ২ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি করি। সুতরাং এটা বাড়াতে হবে। বাড়ালে একটা অংশ পর্যন্ত বাড়ানো যাবে। বাকিটা কিন্তু আমাদের ডলারেই করতে হবে। ব্রিকস নিয়ে আমরা ভাবব কিন্তু উপ-আঞ্চলিক সহযোগিতকা নিয়েও আমাদের ভাবা উচিত।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড টক

‘এক সফরেই সবকিছুর মীমাংসা হবে না’

প্রকাশ: ০৪:০৬ পিএম, ২২ জুন, ২০২৪


Thumbnail

সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আবুল হাসান চৌধুরী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এবারের দিল্লি সফর গুরুত্বপূর্ণ হলেও দুদেশের সব অমীমাংসিত বিষয় মীমাংসিত হবে তেমনটি প্রত্যাশা করা সমীচীন নয়।  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বর্তমান সফর সূচি বেশ কিছুদিন আগেই নির্ধারিত হয়েছিল। দুই সরকারের তরফ থেকে একটা চাওয়া ছিল যে, দুই দেশেই নতুন সরকার গঠিত হওয়ার পর আবার নতুন করে আলোচনার সূত্রপাত করা যেতে পারে এবং সেই চাওয়া থেকেই এই সফর বলে আমি মনে করি।

দুদিনের ভারত সফরে নয়াদিল্লিতে অবস্থান করছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর এই ভারত সফর নিয়ে বাংলা ইনসাইডার এর সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আবুল হাসান চৌধুরী এসব কথা বলেন।

আবুল হাসান চৌধুরী বলেন, ভারতের সাথে বাংলাদেশের সুসম্পর্ক দীর্ঘদিনের। ঐতিহাসিক ভাবে ভারত আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে একটি অসাধারণ ভূমিকা রেখেছে এবং বাঙালি জাতি হিসেবে আমরা তাদের এই অবদানের জন্য কৃতজ্ঞ। কিন্তু তারপরও দুই দেশের মধ্যে যেমন সম্ভাবনা আছে আবার সমস্যাও আছে। তবে এই সমস্যাগুলো এমন নয় যে, আমরা সফল ভাবে সমাধান করতে পারবো না। 

সীমান্ত হত্যাকাণ্ড বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত পীড়াদায়ক উল্লেখ্য করে সাবেক এই প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের সামীন্তে যে হত্যাকাণ্ড হচ্ছে সেগুলো একেবারেই অগ্রহণযোগ্য। বারবার একটা নিয়ে কথা উঠেছে। আমি নিশ্চিত যে, এ ব্যাপারে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবার তার ভারত সফরে নতুন সরকার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। তাছাড়া আমাদের দীর্ঘদিনের দুশ্চিন্তা হল তিস্তা চুক্তি নিয়ে। এছাড়া দু দেশের মধ্যে বাণিজ্যের একটা বিরাট ঘাটতি রয়েছে। আমরা প্রায় ১ বিলিয়ন ডলারেরও কম রপ্তানি করি। কিন্তু ভারত থেকে প্রায় ৯ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি হয়। এই বিষয়গুলো নিয়ে আমাদের অনেক কাজ করার আছে, অনেক সম্ভাবনার ক্ষেত্র আছে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এবারের দিল্লি সফর গুরুত্বপূর্ণ হলেও দুদেশের সব অমীমাংসিত বিষয় নিশ্চিয় এবারেই মীমাংসিত হবে না। তবে সমস্যাগুলো নিয়ে আমরা খোলা মনে আলোচনা করতে পারলে নিশ্চিত এগুলোর খুব ভালো সমাধান আমরা করতে পারবো। 

ভারতে প্রধানমন্ত্রীর প্রথম দ্বিপাক্ষিক সফর চীন-বাংলাদেশ সম্পর্কে কোন প্রভাব রাখবে কিনা জানতে চাইলে সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আবুল হাসান চৌধুরী বলেন, চীনের সাথেও বাংলাদেশের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। চীন তারা নানা বহুদিন ধরে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে আমাদের সহযোগিতা দিয়ে আসছে। চীনের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্কের উদ্‌ঘাটন বা সূত্রপাত যাই বলি না কেন সেটা বিরোধী দলের নেত্রী হিসেবে শেখ হাসিনাই সূচনা করেছিলেন। যদিও তার আগে চীনের সাথে কিছুটা বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিল। এখন সেই সম্পর্ক আরও বেড়েছে, আরও মজবুত হয়েছে। চীনের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক এখন একটা খুব শক্তিশালী পিলারের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। সুতরাং আমি মনে করি না প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর চীনের জন্য কোন প্রভাব ফেলবে। চীন একটি ম্যাচিউর কান্ট্রি। তবে সবচেয়ে বড় বিষয় হল বঙ্গবন্ধুর নীতি, বঙ্গবন্ধু আদর্শ ‘সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারও সাথে বৈরিতা নয়’ এটাকে আমরা খুব জোরালো ভাবে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছি। এবং এজন্য একটা বড় কৃতিত্ব মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। 



মন্তব্য করুন


ইনসাইড টক

‘ক্লাস ফাইভে ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে রাজনীতি শুরু করি’

প্রকাশ: ০৪:১৬ পিএম, ১৯ জুন, ২০২৪


Thumbnail

স্বাধীনতা চিকিৎসা পরিষদ (স্বাচিপ) এর সাবেক মহাসচিব অধ্যাপক ডা. এম এ আজিজ বলেছেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ একটি ঐতিহ্যবাহী দল। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আন্দোলন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ এদেশের জনগণকে নিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের যত উন্নয়ন, জনগণের যত অর্জন সবই এই দলের নেতৃত্বেই হয়েছে। বিভিন্ন সময় বাংলাদেশে যখন গণতন্ত্র হোচট খেয়েছে তখন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতৃত্বেই আমরা গণতন্ত্র ফিরে পেয়েছি। জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা জিয়া-এরশাদ বিরোধী আন্দোলন, এক এগারোর আন্দোলন সংগ্রাম করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছি। এই ভাবেই আমি সব সময় আওয়ামী লীগের সঙ্গে জড়িত থেকেছি। সেই প্রেক্ষাপটে আওয়ামী লীগ করে আমি কি পেয়েছি না পেয়েছি সেটি আমি কখনোই বিবেচনায় নেয়নি। দেশ কি পেয়েছে, এদেশের জনগণ কি পেয়েছে সেটাই রাজনীতিতে মুখ্য বিষয়।

আগামী ২৩ জুন আওয়ামী লীগের ৭৫ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবং এই আওয়ামী লীগের সঙ্গে নিজের বেড়ে ওঠা নিয়ে বাংলা ইনসাইডারের সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় এসব কথা বলেছেন অধ্যাপক ডা. এম এ আজিজ। পাঠকদের জন্য অধ্যাপক ডা. এম এ আজিজ এর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বাংলা ইনসাইডারের নিজস্ব প্রতিবেদক শান্ত সিংহ।

অধ্যাপক ডা. এম এ আজিজ বলেন, আমি ছোট বেলা থেকে আরও নির্দিষ্ট করে বললে ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের সময় থেকে রাজনীতির সাথে জড়িত। ক্লাস ফাইভে পড়াকালীন সময় জেলের তালা ভাঙব, শেখ মুজিবকে আনব- এই স্লোগান দিয়ে আমার আওয়ামী লীগের সঙ্গে যাত্রা শুরু হয়। এছাড়া আমি পারিবাবিক ভাবেই রাজনৈতিক আবহে বড় হয়েছি। আমার পরিবার আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। এরপর আমি বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, চাকরি জীবনে আমি পেশাজীবী সংগঠন বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশন এবং আওয়ামী লীগের সংগঠন স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সাথে জড়িত হই। পরবর্তীতে ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য এবং গত দুই মেয়াদে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য উপ কমিটির একজন সদস্য হিসেবে কাজ করছি। এভাবে বাংলাদেশে আওয়ামী পরিবারের সাথে আমার বেড়ে ওঠা।

স্বাচিপ এর সাবেক মহাসচিব বলেন, আজকে বাংলাদেশের যত উন্নয়ন, জনগণের ভাগ্যের উন্নয়ন সবই হয়েছে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে। আর এই আওয়ামী লীগকে এখন গত ৪৩ বছর যাবৎ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা। তার নেতৃত্বে এই উপমহাদেশে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ একটি বৃহত্তর রাজনৈতিক দল  শক্তিশালী ঐতিহ্যবাহী দল হিসেবে পরিণত হয়েছে। তার নেতৃত্বে টানা চতুর্থবারের মতো দেশ পরিচালনা করছে আওয়ামী লীগ। আমরা যদি দেখি যে, বঙ্গবন্ধু যে স্বপ্ন নিয়ে দেশ স্বাধীন করেছিলেন তারই কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্ব সেই স্বপ্ন আজ পূরণ হচ্ছে একে একে। 


মন্তব্য করুন


ইনসাইড টক

মানসম্পন্ন কাজের চাহিদা বাড়লে, মানসম্পন্ন নির্মাণও বাড়বে: জোভান

প্রকাশ: ১২:১৩ পিএম, ১৮ জুন, ২০২৪


Thumbnail

বর্তমান সময়ের আলোচিত, জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেতা ফারহান আহমেদ জোভান। অনেক বছর ধরেই তিনি তার কাজের মাধ্যমে দর্শকদের মন জয় করে আসছেন। কেমন কাটছে এই অভিনেতার ঈদ, সেইসঙ্গে ঈদের কাজসহ সমসাময়িক বিষয়গুলো নিয়ে ঈদের দিন বাংলা ইনসাইডারের মুখোমুখি হন  জনপ্রিয় এই অভিনেতা-

বাংলা ইনসাইডার: ঈদ মোবারক ভাইয়া। 

ফারহান আহমেদ জোভান: আপনাকেও ঈদ মোবারক।

বাংলা ইনসাইডার: কেমন কাটছে এবারের ঈদ?

ফারহান আহমেদ জোভান: আলহামদুলিল্লাহ ভালো, পরিবারের সাথে বেশ আনন্দঘন মুহূর্ত কাটাচ্ছি।  

বাংলা ইনসাইডার: ছোটবেলার ঈদ এর কোন জিনিসগুলো এখন মিস করেন? 

ফারহান আহমেদ জোভান: ছোটবেলার ঈদে কোন প্রেশার ছিলো না, ব্যস্ততা ছিলো না, মোটামুটি আরামে কাটতো ঈদের দিনগুলো। আর এখন অনেক বেশি প্রেশার। ফ্যামিলির প্রতি রেসপন্সিবিলিটি আছে, পাশাপাশি কাজ নিয়েও ব্যস্ত থাকতে হয়। আর ঈদ আসলে তো সেই ব্যস্ততা কয়েকগুণ বেড়ে যায়, যেমন গত দুইমাস কাজ নিয়ে প্রচুর ব্যস্ততা গিয়েছে। 

বাংলা ইনসাইডার: বিয়ের আগের ঈদ এবং বিয়ের পরের ঈদে কোন পরিবর্তন এসেছে?

ফারহান আহমেদ জোভান: নতুন একটি পরিবারের সংযোজন, এছাড়া বলতে গেলে আর তেমন কোন পরিবর্তন নেই। 

বাংলা ইনসাইডার: ঈদ উপলক্ষে নতুন কি কি কাজ আসছে আপনার? 

ফারহান আহমেদ জোভান: অনেকগুলো কাজই আসছে, ৯-১০ টার মতো। চেষ্টা করেছি ভালো কাজ করার। আশা করছি সবার ভালো লাগবে।  

বাংলা ইনসাইডার: অনেকের মতে বর্তমানে বেশিরভাগ নাটকই এখন মানহীনভাবে নির্মাণ হচ্ছে, দেখা যাচ্ছে ভালো গল্পনির্ভর কাজের অভাব, এর পেছনে প্রধান কারণ কী বলে আপনি মনে করেন? 

ফারহান আহমেদ জোভান: যাদের কাছে মনে হচ্ছে মানহীন নাটক বেশি নির্মাণ হচ্ছে তাদের উদ্দেশ্যে বলবো, যারা মানহীন নাটক করছে ওইসব আর্টিস্ট ও পরিচালকদের নাটক না দেখে, ভালো আর্টিস্ট ও পরিচালকদের নাটক দেখুন। মানসম্পন্ন কাজের চাহিদা বাড়লে, মানসম্পন্ন কাজের নির্মাণও বেড়ে যাবে। 

বাংলা ইনসাইডার: ভবিষ্যতে সিনেমা নিয়ে আপনার কোন পরিকল্পনা রয়েছে? 

ফারহান আহমেদ জোভান: ভবিষ্যতে আছে, তবে বর্তমানে সিনেমা নিয়ে কোন পরিকল্পনা নেই। 

বাংলা ইনসাইডার: দর্শকদের উদ্দেশ্যে কিছু বলার আছে?

ফারহান আহমেদ জোভান: দর্শকরাই তো আমাদের অনুপ্রেরণা। আমার সকল দর্শকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও তাদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই,আই লাভ ইউ অল।


ফারহান আহমেদ জোভান   বাংলা নাটক  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড টক

এরকম ধাঁচের বাংলাদেশি সিনেমা এর আগে কেউ কখনো দেখেনি: রায়হান রাফি

প্রকাশ: ১২:২৫ পিএম, ১৬ জুন, ২০২৪


Thumbnail

বর্তমান সময়ের ঢালিউডপাড়ার সবচেয়ে আলোচিত সফল পরিচালক রায়হান রাফি। ‘সুড়ঙ্গ’ সিনেমার সাফল্যের পর এবার আসছে মেগা স্টার শাকিব খানকে নিয়ে তার পরিচালিত নতুন সিনেমা ‘তুফান’। 

টিজার প্রকাশের পরে থেকেই 'তুফান' ঘিরে তুমুল আলোচনা শুরু হয়। এরপর “লাগে উরাধুরা” গানটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে। সর্বশেষ গতকাল তুফানের ট্রেলার প্রকাশের পর থেকেই সিনেমাটি নিয়ে দর্শকের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। এ নিয়ে বাংলা ইনসাইডারের মুখোমুখি হয়েছেন 'তুফান' এর পরিচালক জনপ্রিয় নির্মাতা রায়হান রাফি।

বাংলা ইনসাইডার: রিলিজের আগেই তুফান নিয়ে মানুষের যে হাইপ লক্ষ্য করা যাচ্ছে, এটা নিয়ে কেমন অনুভব করছেন? 

রায়হান রাফি: খুবই ভালো লাগছে। আশা করছি ‘তুফান’ সিনেমাটির মাধ্যমে চলচ্চিত্র  নিয়ে দর্শকদের যে প্রত্যাশা সেটা আমরা পূরণ করতে পারবো।

বাংলা ইনসাইডার: সবাই বলছে তুফানের কাছে অন্য কোন সিনেমা টিকবে না, এ ব্যাপারে আপনার অভিমত কি? 

রায়হান রাফি: দেখুন, আমি কখনোই এভাবে ভাবি না। মুক্তি পাওয়া সকল সিনেমাই যদি ব্যবসাসফল হয় তবে সেটা আমাদের ইন্ডাস্ট্রির জন্য ভালো। তাই তুফান ছাড়া অন্য যেসকল সিনেমা মুক্তি পাচ্ছে তাদের জন্যও শুভকামনা থাকবে। 

বাংলা ইনসাইডার: ‘তুফান’ কি বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে সুপারহিট সিনেমা হতে যাচ্ছে?

রায়হান রাফি: এসব নিয়ে আপাতত ভাবছি না। তবে এতোটুকু বলতে পারি এরকম ধাঁচের বাংলাদেশি সিনেমা এর আগে কেউ কখনো দেখেনি। আর মেগাস্টার শাকিব খানকেও এভাবে এর আগে কেউ প্রেজেন্ট করে নি। 

বাংলা ইনসাইডার: আপনার পাশাপাশি দেশে আরো বেশ কয়েকজন তরুণ নির্মাতা রয়েছেন, যাদের কাজ দর্শকরা সাদরে গ্রহণ করছে। এদিক থেকে বলতে গেলে আপনারাই দেশের চলচ্চিত্র শিল্পের ভবিষ্যৎ। এক্ষেত্রে আপনাদের কি কি করনীয় রয়েছে বলে আপনি মনে করেন? 

রায়হান রাফি: আমাদের প্রধান করণীয় হচ্ছে ভালো কাজ করে যাওয়া। আপনি যদি দেশের ইন্ডাস্ট্রিকে ভাল ভাল কাজ উপহার দিতে থাকেন, তাহলে সেটা এমনিতেই দেশের ইন্ডাস্ট্রিকে এগিয়ে নিতে সহায়তা করবে। 

বাংলা ইনসাইডার: পরিশেষে, দর্শকদের উদ্দেশ্যে কিছু বলতে চান? 

রায়হান রাফি: এটাই বলবো, তুফানের মতো সিনেমা বাংলাদেশে আগে কখনো হয়নি। ঈদে মুক্তি পাচ্ছে ‘তুফান’। আশা করি সবাই সিনেমা হলে এসে ছবিটি উপভোগ করবেন। সবাই ভালো থাকুন এবং বাংলা সিনেমার পাশে থাকুন।


রায়হান রাফি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড টক

‘বঙ্গবন্ধুর খুনীদের মৃত্যু দেখাই জীবনের শেষ ইচ্ছা’

প্রকাশ: ০৪:০০ পিএম, ১৩ জুন, ২০২৪


Thumbnail

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেছেন, রাজনীতিতে ব্যক্তিগত চ্যালেঞ্জ বলতে কিছু নেই। আমাদের চ্যালেঞ্জ হলো যারা গণতন্ত্রের জন্য বাধা, যারা খুনের রাজনীতি করে, খুনীদের স্বপক্ষের রাজনীতি করে, যারা বাংলাদেশের গণতন্ত্রের চেতনায় বিশ্বাস করে না, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী না, যারা মৌলবাদী, জঙ্গিবাদী গোষ্ঠীর পৃষ্ঠপোষকতা করে তাদের প্রতিহত করাই আমাদের চ্যালেঞ্জ। কারণ তারা বাংলাদেশের মানুষের জন্য, গণতন্ত্র বা কল্যাণ রাষ্ট্রের হুমকি। তাদের নির্মূল করা, তাদের অস্তিত্ব বিলীন করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।

আওয়ামী লীগের ৭৫ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর প্রাক্কালে দলের সঙ্গে বেড়ে ওঠা, আন্দোলন, সংগ্রামে নেতৃত্ব দেয়া এবং দলকে নিয়ে নিজের অভিব্যাক্তি প্রকাশ করতে গিয়ে বাংলা ইনসাইডার এর সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতা এ কথা বলেন আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম।

বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, পারিবারিকভাবেই আমি রাজনৈতিকর সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বেড়ে উঠেছি। বিশেষ করে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট যখন আমাদের মহান নেতা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয় তখন থেকেই আমরা প্রতিবাদের ভাষায়, প্রতিরোধের ভাষায় দৃঢ় শপথ নিয়েছি বঙ্গবন্ধু আদর্শকে ধরা রাখার। শুরুতে আমি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের একজন কর্মী হিসেবে নিজেকে সম্পৃক্ত করেছি। ধাপে ধাপে দীর্ঘ লড়াই সংগ্রাম করে আওয়ামী লীগের সঙ্গে নিজেকে একাকার করেছি। এখন পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুর আদর্শে একাগ্রচিত্তে এবং বাংলাদেশ ছাত্রলীগের একজন কর্মী হিসেবে আমার যে যাত্রা শুরু হয় সে হিসেবে এবং কায়মন বাক্যে একাগ্রচিত্তে নিরবচ্ছিন্ন আওয়ামী লীগের সঙ্গে আছি।

তিনি বলেন, রাজনৈতিক জীবনে আমার কোন চাওয়া পাওয়া নাই। আমরা চাই বঙ্গবন্ধু হত্যাকারী খুনীদের হাত থেকে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হোক, পাকিস্তানি আইএসআই এর এজেন্ট যারা, যারা সামাজ্যবাদী গোষ্ঠী, যারা বাংলাদেশকে বিপন্ন করতে চায়, বাংলাদেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায় তাদের বিরুদ্ধে দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এই দীর্ঘ লড়াইয়ে প্রতিটি পদে পদে আমি প্রতিটি বঙ্গবন্ধুর আদর্শে একাগ্র থেকেছি। এখন অপেক্ষায় আছি বঙ্গবন্ধুর খুনীদের বিচারের রায় কার্যকর দেখে যাওয়া। খুনীদের মৃত্যু দেখাই এখন জীবনের শেষ ইচ্ছা।


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন