ইনসাইড টক

‘একটা দেশের উপর সব অস্ত্রের নির্ভরশীল হওয়াটা ঝুঁকিপূর্ণ’


Thumbnail

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ বলেছেন, সব দেশেরই প্রতিরক্ষার বিষয়ে কোন একটা দেশের উপর নির্ভরশীল হতে চায় না। বিশেষ করে যেসব দেশ অস্ত্র নিজে উৎপাদন করে না, বাহির থেকে যারা নেয়। যেহেতু আমরা বড় আকারে অস্ত্র উৎপাদন করি না এবং সেই ধরণের অস্ত্রের গবেষণাও আমাদের দেশে এখনো হয়নি। তো আমরা বাহির থেকে কিনি। সে হিসাবে একটা দেশের উপর সব অস্ত্রের নির্ভরশীল হওয়াটা ঝুঁকিপূর্ণ। কোন সন্দেহ নেই, আমাদের এখন যত বেশি পার্টনার হবে তত এটা সুবিধা।

স্কটল্যান্ডের গ্লাসগোতে অনুষ্ঠিত ‘জলবায়ু পরিবর্তন শীর্ষ সম্মেলন কপ-২৬’ এ বৈশ্বিক জলবায়ু সম্মেলন শেষে ফ্রান্সের সঙ্গে হওয়া তিনটি চুক্তি এবং প্রধানমন্ত্রীর সফরের ফলে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক কেমন হবে এইসব বিষয়ে বাংলা ইনসাইডার এর সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় অধ্যাপক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ এসব কথা বলেছেন। পাঠকদের জন্য অধ্যাপক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ এর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বাংলা ইনসাইডার এর নিজস্ব প্রতিবেদক মাহমুদুল হাসান তুহিন।

অধ্যাপক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, তবে দ্বিতীয়টা হলো এই যেটা আরো গুরুত্বপূর্ণ যে, যতটা না আমরা আগ্রহী এ ব্যাপারে তার চেয়ে ফ্রান্স আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এমনকি এর আগে ইউকেও নৌ-জাহাজ দিতে চেয়েছিল, যদিও আমরা ওটা আপাতত একসেপ্ট করিনি। অন্য দেশগুলো বাংলাদেশকে এ ব্যাপারে সাহায্য বা লোন দেয়ার ব্যাপার, এক ধরণের টেকনোলজি ট্রান্সফারে তারা আগ্রহী। এর একটা বড় কারণ হলো যে, বাংলাদেশের অর্থনীতি যেহেতু মোটামুটি একটা ভালো অবস্থায় এসেছে এবং অনেকেই মনে করেন যে ভবিষ্যতে একটা ভালো ট্র্যাক যেহেতু আছে সেখানে বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা আরো বাড়বে এতে কোন সন্দেহ নেই। যেকোনো দেশ যত বেশি তার ডেভেলপমেন্ট হয়, তার প্রতিরক্ষাও সেইভাবে বাড়ে।

ফ্রান্সের আগ্রহটা বেশি হওয়ার কারণ জানিয়ে তিনি বলেন, আমি মনে করি যে, যেহেতু সে কিছুদিন আগে অনেকটা হোঁচট খেয়েছে যে, আমেরিকা, ইউকে এবং অস্ট্রেলিয়া -এই তিন দেশ যেভাবে একত্রিত হয়েছে ফ্রান্সকে বাদ দিয়ে এবং ফ্রান্সের যে চুক্তি ছিলো অস্ট্রেলিয়ার সাথে সেটাও বাদ পড়েছে। এই হোঁচট খাওয়ার ফলে যেটা হয়েছে, ফ্রান্সও চাইবে সরাসরি এশিয়ার বিভিন্ন দেশের সাথে সম্পর্ক করার। কারণ, সে বুঝতে পেরেছে যে আমেরিকা অত নির্ভরশীল না এবং বিশেষ করে আমেরিকা, ইউকে এবং অস্ট্রেলিয়া -এই তিন দেশ এক হওয়ায় ফ্রান্স ভালো করে বুঝতে পেরেছে এটা ইংরেজি ভাষার তিনটা রাষ্ট্র এক হয়েছে। সেখানে তার মধ্যে স্বাভাবিকভাবে এক ধরণের চিন্তা আসাটাই স্বাভাবিক যেটা হয়তো ইতিহাসেও এক সময় ছিলো। তো ওই হোঁচট খাওয়ার ফলে ফ্রান্সও চাইবে এশিয়ার বিভিন্ন দেশের সাথে সম্পর্ক করা এবং এশিয়ায় একটা উপস্থিতি যেন থাকে, সেটা যেন আমেরিকার মাধ্যমে যেন না  হয় বা অন্য দেশের মাধ্যমে যেন না হয়। সে হিসবেও তারা মনে করে যে, বাংলাদেশের সাথে, যেহেতু বাংলাদেশের একটা জিও পলিটিকাল ইম্পোর্ট্যান্স দিন দিন বাড়ছে, সে হিসেবে তার সাথে যদি একটা প্রতিরক্ষার সম্পর্ক করতে পারে তাহলে তার দিক থেকে তার যে জাতীয় স্বার্থ সেটাও রক্ষা হলো। তো সব মিলিয়ে আমি মনে করি যে এটা একটা ভালো জিনিস। কারণ, কোন একটা দেশের উপর এককভাবে নির্ভরশীল হওয়াটা প্রতিরক্ষার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। তো সেই যায়গা থেকে আমি মনে করি একটা পজিটিভ স্টেপ।

ফ্রান্সের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তির ফলে চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কে কোন প্রভাব পড়বে কিনা এমন প্রশ্নে অধ্যাপক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, ফ্রান্সের সাথে চীনের কোন দ্বন্দ্ব নেই। যেই দ্বন্দ্ব আছে আমেরিকা, ব্রিটেনের সাথে। এখন অস্ট্রেলিয়াও হয়তো ঢুকেছে। ফ্রান্স বা ইউরোপের সাথে বড় আকারে চীনের সঙ্গে সেই রকম কোন কম্পিটিশন না। মনে রাখতে  হবে যে অস্ত্রের বিভিন্ন দিক থাকে। তো সেই হিসেবে ফ্রান্স থেকে যেটা আনা হবে সেটা আনলেই যে চীন চিন্তিত হয়ে যাবে এমন নয়। কারণ আমাদের ফরেন পলিসি কখনোই একটা দেশের সাথে অন্য দেশের মিলাই না। তো চীনের বন্ধু যারা চীনের বন্ধু, চীনের শত্রু যারা চীনের শত্রু। এমনকি ফ্রান্সের শত্রু ফ্রান্সের শত্রু, তারা বাংলাদেশের শত্রু না। তো সেই হিসেবে আমার মনে হয়না যে এখানে চীনের চিন্তার কোন কারণ আছে।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড টক

‘যেকোনো সংকটে গ্রামীণ কৃষি রক্ষাকবজ হিসেবে কাজ করে’

প্রকাশ: ০৩:৫৯ পিএম, ০৫ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান বলেছেন, শুধু বাংলাদেশ নয়, সারা পৃথিবীর অর্থনীতি এখন একটি ঝুঁকির মধ্যে আছে। বাংলাদেশ বিশ্ব অর্থনীতির বাইরে না। সুতরাং বাংলাদেশের অর্থনীতিও বিশ্ব অর্থনীতির মতো ঝুঁকিতে আছে। তবে ঝুঁকি মোকাবিলায় বিশ্বের অনেক দেশের চেয়ে বাংলাদেশের প্রস্তুতি বেশ ভালো। সবচেয়ে বড় আশার কথা হলো আমাদের কৃষি খাত। আমরা সব সময় বিভিন্ন সংকটে দেখেছি যে, কৃষি খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আমাদের দেশে অনেক সংকটে কৃষি ত্রাতা হিসেবে কাজ করেছে। যেমন, করোনাকালীন, এর আগে ২০০৮-২০০৯ সালের বিশ্ব মন্দা ছিলো তখন কৃষি আমাদের দেশে খুব ভালো ভূমিকা রেখেছে। মানুষের পেটে খাবার থাকলে যেকোনো সংকট মোকাবিলা করা খুব সহজ হয়। সে বিবেচনায় আমাদের গ্রামীণ কৃষি আমাদের যেকোনো সংকটে রক্ষাকবজ হিসেবে কাজ করেছে। সেজন্য অন্যান্য দেশে খাদ্য নিরাপত্তার ঝুঁকি হয়তো আছে কিন্তু বাংলাদেশে ২০২৩ সালে বড় রকমের কোনো ঝুঁকি তৈরি হবে বলে আমার কাছে মনে হয় না। অর্থাৎ খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার কোনো আশঙ্কাই নেই। আর খাদ্যের দুর্ভিক্ষ সেটি কল্পনা করাও অবান্তর।

সদ্য সমাপ্ত নভেম্বরে দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ বা প্রবাসী আয় এবং রপ্তানি আয় উভয় বেড়েছে। দেশের অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ দুটি সূচকের ইতিবাচক পরিবর্তন অর্থনৈতিক সংকটকে কাটাতে পারবে কিনা তা নিয়ে বাংলা ইনসাইডার এর সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় ড. আতিউর রহমান এসব কথা বলেছেন। পাঠকদের জন্য ড. আতিউর রহমান এর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বাংলা ইনসাইডার এর নিজস্ব প্রতিবেদক শান্ত সিংহ।

ড. আতিউর রহমান বলেন, বাংলাদেশ অনেক আগেই দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা থেকে বের হয়ে এসেছে। এখন দেশের কৃষিখাত এতোই স্বয়ং সম্পূর্ণ যে, দেশের মানুষকে খাওয়ানোর মতো দেশের যথেষ্ট খাদ্য শস্য আছে বা উৎপাদন হচ্ছে। তবে শুধু উৎপাদন হলেই হবে না, মানুষ যেন কৃষি দিয়ে আয় রোজগার করে খেতে পারে সেটিও নিশ্চিত করতে হবে। বিষয়টি যে সরকারের নজরে নেই এমনটি কিন্তু না। সরকারের নজরে সেটি আছে। সরকার কৃষির স্বয়ংসম্পূর্ণতার গ্রামের মানুষের জন্য ততটা চিন্তিত না, সরকার চিন্তিত শহরের মানুষের জন্য। আর সেজন্য সরকার ফ্যামেলি কার্ড এর মাধ্যমে সুলভ মূল্যে খাদ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে। 

তিনি বলেন, বাংলাদেশের যে সামষ্টিক অর্থনীতি সেটিকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। সেটি করতে হলে আমাদের যে রপ্তানি আয় সেটি বাড়াতে হবে। গত নভেম্বরে আমাদের রপ্তানি আয় হয়েছে ৫ বিলিয়ন ডলার। এটি দেশের অর্থনীতির জন্য একটি দারুণ ইতিবাচক খবর। নভেম্বরে আমাদের রেমিট্যান্সও বেড়েছে। হুন্ডির কারণে আমাদের রেমিট্যান্স প্রবাহ কমে গিয়েছিলো। বৈধ পথে রেমিট্যান্স বাড়াতে বাংলাদেশ ব্যাংক ইতোমধ্যে উদ্যোগ নিয়েছে। বৈধ পথে প্রবাসী আয় দেশে আসা উৎসাহিত করতে এমএফএস প্রতিষ্ঠানগুলোকে সুযোগ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর ফলে এখন থেকে ঘরে বসেই প্রবাসীরা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠাতে পারবেন। এ প্রক্রিয়া সঙ্গে যারা সংশ্লিষ্ট আছেন তাদের সবার উচিত এব্যাপারে সহযোগিতা করা তাহলে সামনে আামাদের রেমিট্যান্স প্রবাহ আরও বাড়বে।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড টক

‘সরকারের কাছে মানবাধিকার ইস্যুর গুরুত্ব নাই’

প্রকাশ: ০৪:০৩ পিএম, ০৪ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান বলেছেন, সরকার যে মানবাধিকার ইস্যুতে গুরুত্ব দেয় না তার প্রমাণ হলো গত আড়াই মাসেও নতুন কমিশন নিয়োগ না দেয়া। মানবাধিকার ইস্যু নিয়ে সরকারের কাছে আমাদের যে প্রত্যাশা  ছিলো যে সরকার মানবাধিকার ইস্যুটিকে গুরুত্ব দিবে। কিন্তু বাস্তবতা এবং আমাদের প্রত্যাশার মধ্যে একটা বড় ফারাক রয়েছে। মানবাধিকার কমিশন দেশের নাগরিক অধিকার নিয়ে কাজ করবে এই প্রত্যাশা নিয়ে গঠন করা হয়েছিলো। কিন্তু আড়াই মাসে নতুন কমিশন গঠন না হওয়াতে এটি পরিষ্কার হয়েছে যে, সরকার মানবাধিকার ইস্যুকে গুরুত্ব দিচ্ছে না। এটা আমাদের জন্য অত্যন্ত দুঃখজনক একটি বিষয়।

গত ২২ সেপ্টেম্বর জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের মেয়াদ শেষ হয়েছে। এখনো নতুন করে কমিশন নিয়োগ করা হয়নি। আড়াই মাসেও সাংবিধানিক এই পদের নিয়োগ না হওয়ায় বাংলা ইনসাইডার এর সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান এসব কথা বলেছেন। পাঠকদের জন্য অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান এর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বাংলা ইনসাইডার এর নিজস্ব প্রতিবেদক শান্ত সিংহ।

ড. মিজানুর রহমান বলেন, মানবাধিকার কমিশনকে একটি নাগরিক বান্ধব করার কথা। সে বিবেচনায় সরকারের উচিত ছিলো মানবাধিকার কমিশনের ব্যাপারে গুরুত্ব দেয়া। কিন্তু সে জায়গায় বাস্তবতা আর প্রত্যাশা দুটোর মধ্যে কোনো মিল নেই। 

তিনি বলেন, যেহেতু বাংলাদেশের মানবাধিকার ইস্যুকে নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে বিভিন্ন ধরনের কথা রয়েছে। যদিও পশ্চিমারা এই মানবাধিকার ইস্যুকে একটি রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে থাকে। কিন্তু তারপরও রাষ্ট্রকে অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে। কারণ রাষ্ট্র বিষয়টি নিয়ে যত কম গুরুত্ব দিবে যারা দেশের মানবাধিকার নিয়ে বিভিন্ন ধরনের সুযোগ খুঁজে বেড়ায় বা যারা সুযোগ সন্ধানী রয়েছেন তারা এক ধরনের সুযোগ পেয়ে যাবেন। 

তিনি আরও বলেন, জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার একটি নিরপেক্ষ স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠনের কথা বলেছিলেন। কিন্তু সরকার বলেছে নতুন করে নয় বরং দেশের বিদ্যমান মানবাধিকার আইন এবং কমিশনই সেটি করতে পারবে। অথচ সরকার এখনো কোনো ধরনের উদ্যোগ নেয়নি। সরকার কমিশনকে আরও কার্যকরী করে তুলার কথা বলেছে কিন্তু উদ্যোগ নিচ্ছে না।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড টক

‘ওবায়দুল কাদের মনের কষ্ট থেকে ছাত্রলীগকে এ কথা বলেছেন’

প্রকাশ: ০৩:৫৯ পিএম, ০৩ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইসহাক আলী খান পান্না বলেছেন, গতকাল ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ ছাত্রলীগের যৌথ বার্ষিক সম্মেলনে যে ঘটনা ঘটেছে সেটিকে অন্যভাবে দেখা কোনো সুযোগ নেই। কারণ সেখান দুটি ইউনিটের এক সাথে সম্মেলন হয়েছে। সেখানে ছাত্রলীগের হাজার হাজার নেতাকর্মীর সমাগম হয়েছে। এতো জনের উপস্থিতির কারণে সেখানে ছোটখাটো হট্টগোল হয়েছে কিন্তু অনাকাঙ্খিত কোনো পরিস্থিতির সৃষ্টি কিন্তু হয়নি। আর যেটি ঘটেছে সেটি যেকোনো বড় সমাগম বা অনেক মানুষের সমাগম হলে হতেই পারে। এটি খুবই স্বাভাবিক। ছাত্রলীগ একটি ঐতিহ্যবাহী সংগঠন। এই সংগঠনের মধ্যে কোনো অন্ত:কোন্দল আছে বলে আমি মনে করি না। এই সংগঠনের সাংগঠনিক নেত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা। তার নির্দেশে এবং তার পরামর্শে ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্র পরিচালিত হয়ে থাকে। 

ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ ছাত্রলীগের যৌথ বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছিলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। এক পর্যায়ে উপস্থিত নেতাকর্মীদের মধ্যে উচ্ছৃঙ্খলা দেখা দেয়। তারা বিভিন্ন পোস্টার উঁচিয়ে স্লোগান দিতে থাকেন। থামতে বললেও কথা না শুনে তারা স্লোগান দিতে থাকেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘এটা কি ছাত্রলীগ? কোনো শৃঙ্খলা নেই। কেন বারবার ছাত্রলীগ এভাবে আলোচনায় আসছে তা নিয়ে বাংলা ইনসাইডার এর সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় ইসহাক আলী খান পান্না এসব কথা বলেছেন। পাঠকদের জন্য ইসহাক আলী খান পান্না এর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বাংলা ইনসাইডার এর নিজস্ব প্রতিবেদক শান্ত সিংহ।

ইসহাক আলী খান পান্না বলেন, ছাত্রলীগের উশৃঙ্খল নিয়ে আমাদের দলের জননেতা ওবায়দুল কাদের ছাত্রলীগের উদ্দেশ্যে যে কথা বলেছেন সেটি তিনি তার প্রত্যাশার জায়গায় থেকে বলেছেন। তিনি তার মনের কষ্ট থেকে ছাত্রলীগের উদ্দেশ্যে এ সমস্ত কথা বলেছেন। তার মনের কষ্ট হলো যে, ছাত্রলীগকে আরও শৃঙ্খল হওয়া দরকার, ছাত্রলীগকে আরও সংগঠিত হওয়ার দরকার। এই প্রত্যাশার জায়গা থেকে তিনি ছাত্রলীগকে এসমস্ত কথা বলেছেন। তিনি ছাত্রলীগকে শোধরানোর জন্য বলেছেন। কিন্তু এটিকে ভিন্নভাবে দেখার সুযোগ নেই।

ছাত্রলীগের আসন্ন সম্মেলনের ব্যাপারে সংগঠনটির সাবেক এই নেতা বলেন, যে নেতৃত্ব আসবে সেই নেতৃত্ব বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার ঘোষিত কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সকল ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করবে। সরকারের সুনাম অক্ষুণ্ণ রেখে ছাত্রলীগের ঐতিহ্যকে ধারণ করে তারা সামনের এগিয়ে যাবে। যে নেতৃত্ব ২০২৪ সালে নির্বাচনে শেখ হাসিনার বিজয় নিশ্চিত করতে একটি বলিষ্ট ভূমিকা পালন করবে। 

তিনি আরও বলেন, এখন ডিসেম্বর মাস, আমাদের বিজয় অর্জনের মাস। এই মাসে কারা ষড়যন্ত্র করছে, কারা হুংকার দিচ্ছে সেটি বুঝতে কারো অসুবিধা হওয়ার কোনো কথা নয়। যারা হুংকার দিচ্ছে তারা সবাই একাত্তর এবং পঁচাত্তরের ঘাতক গোষ্ঠী। তারা এখনো ষড়যন্ত্র করছে। এই ষড়যন্ত্রকারীই আগামী ১০ ডিসেম্বর ঐক্যবদ্ধ হয়ে মাঠে নামার চেষ্টা করছে। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের শক্তি ছাত্রলীগ সহ আওয়ামী লীগের অন্যান্য সহযোগী সংগঠন রাজপথে সক্রিয় আছে যেকোনো ষড়যন্ত্রকে ধূলিসাৎ করে দিতে। আর সেই শক্তি সব ষড়যন্ত্রকে মোকাবিলা করে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ে তুলতে প্রস্তুত আছে। এ সমস্ত ষড়যন্ত্রকে মোকাবিলার করার জন্য আমরা যেকোনো ত্যাগ স্বীকার করতে প্রস্তুত আছি।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড টক

‘যে সরকারই আসুক তখন কিন্তু শিল্পীদের মধ্যে ভাগাভাগি হয়ে যায়’

প্রকাশ: ০৪:০০ পিএম, ০২ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

সিদ্দিকুর রহমান সিদ্দিক বলেছেন, নির্বাচন কিন্তু আজকে নতুন করতেছি না। আমি গতবার নমিনেশন তুলেছিলাম নির্বাচন করার উদ্দেশ্যে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী গতবার আমাকে নমিনেশন দেয় নাই। কারণ, মনে করেছে যে সিদ্দিকুর রহমান এখনো পারফেক্টলি নৌকার মাঝি হওয়ার যোগ্যতা রাখে না। গতবার আমি মধুপুর-ধনবাড়ি টাঙ্গাইল-১ আসন থেকে নমিনেশন পেপার ওঠিয়েছিলাম। সেখানে যেহেতু আমার মা থাকে, ডেফিনেটলি সেখানে আমার মায়ের জন্য যেতে হয়। আমি একটা মাকে দেখতে গিয়ে আমার মধুপুর ধনবাড়ীর সাড়ে চার লক্ষ মাকে আমি দেখে আসি। মানে মায়ের সন্তানদেরকে দেখি, মাকেও দেখি। অতএব ভালোবাসাটা ওখানে আমার প্রচুর পরিমাণে। যেহেতু আমার জন্মটা টাঙ্গাইল মধুপুরে।

সিদ্দিকুর রহমান সিদ্দিক একজন নাট্য অভিনেতা। বেশিরভাগ সময় কমেডি চরিত্রে অভিনয় করে থাকেন। ২০১৩ সালে তার অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র 'এইতো ভালোবাসা' মুক্তি পেয়েছিল। বর্তমানে তিনি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছেও পোষণ করেছেন। বিভিন্ন বিষয় নিয়ে এই অভিনেতার সাথে কথা বলেন বাংলা ইনসাইডারের বিনোদন প্রতিবেদক আসিফ আলম।

সিদ্দিকুর রহমান সিদ্দিক বলেন, সেই জায়গা থেকে যেমন আমার ওখানে ভালোবাসা আছে, এখানে গুলশান-বনানী। ঢাকা-১৭ আসনের মানুষও আমাকে খুব ভালোবাসে। কারণ, যেহেতু আমার বেড়ে ওঠাটা ঢাকা শহরেই। আল্টিমেটলিই আমার বাসা গুলশানে, অফিসও গুলশানে। সবকিছু গুলশান বেইজড। যেহেতু এখানে ভিআইপি লোকজনরা থাকে এবং তাদের আনাগোনা থাকে। তাই তাদের সার্ভিস দেওয়ার জন্য আমার মনে হয় এরকম লোক দরকার যে, এই দেশে সিআইপি না হলেও ভিআইপি না হলেও সেলেব্রিটি। কিন্তু সেটার প্রমাণ কিন্তু ইতিপূর্বে দেখেছেন আমার শ্রদ্ধেয় বড় ভাই ফারুক ভাই। ফারুক ভাই এই আসনে সংসদ সদস্য হিসেবে আছেন। উনি এখন হাসপাতালে ভর্তি, সবাই উনার জন্য দোয়া করবেন। আল্লাহ উনাকে ভালো করে এখানে নিয়ে আসুক। সেই জায়গাটা যেহেতু ফারুক ভাই সার্ভিস দিয়েছে, ফারুক ভাইয়ের উত্তসূরী না হলেও আমরা একই পরিবারের সদস্য। আমরা যেহেতু মিডিয়া পরিবারের সদস্য। তাই, সেই জায়গাটা থেকে গুলশান-বনানী তার মানে ঢাকা-১৭ আসনেও এবার নির্বাচনের চিন্তা করেছি।

তিনি আরও বলেন, এটা তো আসলে সম্পূর্ণ জনগণের ওপর নির্ভর করবে। কারণ, যদি বলেন আমি কতটা আশাবাদী? শতভাগ। কারণ, শতভাগ না হলে সিদ্দিকুর রহমান নির্বাচন করবে সেটা কখনো ঘোষণা দিত না। আর আলটিমেটলি আমার চলাফেরা বা সমস্ত কর্মকাণ্ডই কিন্তু এটিকে ভিত্তি করে যে মানুষের পাশে দাঁড়ানো, একটা মানুষকে হেল্প করা, একটা মানুষের সমস্যা হলে সেটাকে কিভাবে সমাধান করা যায় সেই চিন্তা গুলোই সারাদিন আমার মাথার ভিতরে থাকে। অনেকেই জানে যে, সিদ্দিকুর রহমান তো অভিনয় করতো। সে হঠাৎ করে এখানে কেন? হঠাৎ করে না। এটা আমার ফ্যামিলি ব্যাকগ্রাউন্ডের জায়গা থেকে। মাঝখানে যেটা হয়েছে আমি নাট্যকার অভিনেতা নির্মাতা হিসেবে বেঁচে থাকতে চাই, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু একজন অভিনেতা মারা গেলে মানুষ আল্টিমেটলি তাকে অতটা মনে করে না যদি সে সোশ্যাল এক্টিভিটি না করে। তাই সোশাল এক্টিভিটি করার জন্য আমি সদা প্রস্তুত। সেইজন্য আমি মনে করি, আগামী নির্বাচনে হান্ড্রেট পার্সেন্ট নমিনেশন পাওয়ার আশাবাদী, ইনশাআল্লাহ।

মিডিয়া থেকে যারা এমপি হয়েছেন তাঁরা কিছুই করেননি জানিয়ে সিদ্দিকুর রহমান সিদ্দিক বলেন, বাংলাদেশের মিডিয়া থেকে অনেক মানুষ কিন্তু এমপি হয়েছে। কিন্তু আদৌ সেই জায়গাটা তারা ফুলফিল করতে পারে নাই। আমাদের যে অভাবগুলো, আমাদের যে চাহিদা গুলো সেগুলা। সেটার জন্য তোম আমি ব্যাপকভাবে চিন্তা করি সবসময়ই। আমার ফেসবুক পেইজ আপনার দেখেন যে, আমি বিভিন্ন রকমের স্ট্যাটাস দিই। আসলে আমরা অনেক কিছু চাই। আমরা এখন পর্যন্ত শিল্পীরা বাংলাদেশে পেশাগত মর্যাদাটাই পাইনি। মিডিয়ার সাথে যে সমস্ত লোকগুলো জড়িত তাঁরা আলটিমেটলি দিনশেষে কি পায়? তারা কিছু পায় না। দিনশেষে মিডিয়ার লোকগুলো শেষ বয়সে অসুস্থ অবস্থায় কোথায় সে ঔষধের থলে ধরে দাঁড়ায় থাকবে সেটাও করে, আবার মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে গিয়ে একটা চেক নিয়ে আসে। এটি হলো তা জীবনের অর্জন। সিদ্দিকুর রহমান যদি মিডিয়ার থেকে এমপি হয় তাহলে দেখে দিবে সেগুলো সম্ভব না। কারণ, আমাদের মিডিয়ার ম্যাক্সিমাম লোকের আমরা যেটা করি, একটা বোকামি করি যে একটা প্রফেশনের ওপর ডিপেন্ড করি। বাংলাদেশে ছোট্ট একটা মিডিয়ার জায়গা। এই ছোট্ট জায়গায় কিন্তু তার নিজের লাইফটাকে ফুলফিল করতে পারে কিন্তু পরবর্তী জেনারেশন তার বাচ্চাটার জন্য তেমন কোনো কিছু করতে পারেনা।

এমপি হলে তিনি কি কবেন জানিয়ে বলেন, আমি যদি ওখানে যাই শিল্পীদের পক্ষে যে ধরনের দাবিগুলো আছে আমাদের পেশাগত মর্যাদা এটা নিয়ে আমি কখনোই দেখিনি এতগুলা শিল্পী জাতীয় সংসদে গিয়েছে কোথায় সেই পেশাগত মর্যাদা নিয়ে কথা বলবে, আমাদের ওই জায়গা গুলা ঠিক করবে সেগুলোর না করে। আমাদের এখন পর্যন্ত দেখবেন যে সরকারই আসুক তখন কিন্তু শিল্পীদের মধ্যে ভাগাভাগি হয়ে যায়। আওয়ামী লীগের শিল্পী, বিএনপির শিল্পী, জামায়াত ইসলামের শিল্পী, বিভিন্ন জায়গার শিল্পী। শিল্পীদের কিন্তু ভাগ হওয়ার কথা না। আমি সবসময় একটা কথা যে, ব্যক্তি সিদ্দিক একটা দলের হতে পারে কিন্তু নাট্যকার-অভিনেতা-নির্মাতা সিদ্দিকুর রহমান সারা বাংলাদেশের।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড টক

‘বিএনপি একটি খারাপ মতলব নিয়ে এই সমাবেশ করতে চায়’

প্রকাশ: ০৪:০০ পিএম, ০১ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেছেন, আমরা অনেক আগে থেকেই আশঙ্কা করে আসছিলাম এবং আমাদের আশঙ্কাই সত্য। সেটা হলো বিএনপির একটি অশুভ উদ্দেশ্য রয়েছে এবং একটি খারাপ মতলব নিয়ে তারা এই সমাবেশ করতে চায়। তার কারণ হলো, তারা যে বলছে দশ লক্ষাধিক লোক হবে সেই দশ লক্ষাধিক লোকের ধারণক্ষমতা হলো একমাত্র সোহরাওয়ার্দী উদ্যান। এই সোহরাওয়ার্দী উদ্যান সম্পর্কে তাদের গাত্রদাহ রয়েছে। কারণ, ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পাকিস্তান সেনাবাহিনী আত্মসমর্পণ করেছিল। যুদ্ধের মধ্যদিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙ্গালী জাতিকে তার মুক্তির পথ নির্দেশনা করেছিলেন।

১০ ডিসেম্বর বিএনপির নয়াপল্টনে সমাবেশ করতে চাওয়া, দেশি এবং বিদেশি একটি চক্রান্ত ইত্যাদি নিয়ে বাংলা ইনসাইডার এর সঙ্গে আলাপচারিতায় জাহাঙ্গীর কবির নানক এসব কথা বলেন।

অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, তাদের প্রস্তাবে মনে হচ্ছে যে তারা শান্তিপূর্ণ সমাবেশ চায়না। তাদের অশুভ উদ্দেশ্য রয়েছে, যে উদ্দেশ্যগুলি ইতিমধ্যে তারা বিভিন্ন সময়ে বলেছে, তর্জন-গর্জন দিয়েছে। কাজেই, তাদের যে অশুভ উদ্দেশ্য, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক এই পরিস্থিতিতে তারা একটি আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রকারীদের সঙ্গে তারা জড়িত রয়েছে। আমাদেরকে আবার পিছিয়ে দেওয়ার জন্য, স্থবির করে রাখার জন্য এই বৈশ্বিক সংকটের সময় তারা একের পর এক ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে। আশাকরি বিএনপির শুভবুদ্ধির উদয় হবে এবং তারা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ফিরে আসবে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনা ইতোমধ্যে তাদের সমাবেশকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের জাতীয় সম্মেলন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ছিল ৮ ডিসেম্বর। সেই সম্মেলন কিন্তু ৬ ডিসেম্বর এগিয়ে নিয়ে এসেছে। আমাদের প্রতি নির্দেশনা দিয়েছেন নেত্রী যে, ৭ তারিখের মধ্যে সব অপসারণ করার জন্য। এখানে মঞ্চ, প্যান্ডেল যাবতীয় যা সম্মেলনকে ঘিরে রয়েছে সমস্ত কিছু অপসারণের জন্য।

বিএনপি গায়ে পড়ে একটা সহিংসতা সৃষ্টি করতে চাচ্ছে, সংঘাত তৈরি করতে চাচ্ছে, লাশ চাচ্ছে। সেখানে আওয়ামী লীগের কৌশল কি, এমন প্রশ্নের জবাবে জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, বিএনপির কলকাঠি যিনি নাড়ছেন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি তারেক রহমান, সে বাংলাদেশের মানুষ শান্তিতে থাক, বাংলাদেশের মানুষ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এগিয়ে যাক এটি কোনোভাবেই তিনি চান না। তারা লাশের রাজনীতি করে। কাজেই, তারা বিভিন্ন দুরভিসন্ধি করছে। আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে আমরা বলতে পারি এই সমাবেশকে কেন্দ্র করে আমরা আমাদের সর্বোচ্চ সহযোগিতা তাদের করেছি। কিন্তু তারা যদি কোনো অশান্তি, বিশৃঙ্খলা, অচলাবস্থা সৃষ্টি করতে চায় বা তারা কোনো দুর্ঘটনা ঘটাতে চায় তা মোকাবেলা করার সক্ষমতা আওয়ামী লীগের ছিলো এবং আছে।

প্রধানমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগ সভাপতি চাচ্ছেন শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচি এবং এ লক্ষ্যে তিনি ছাত্রলীগের সম্মেলন এগিয়ে নিয়েছেন, পরিবহন ধর্মঘট না দেয়ার জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন। কিন্তু দেখা যায় রাজশাহীতে পরিবহন ধর্মঘট দেওয়া হয়েছে। তার মানে কি আওয়ামী লীগ সভাপতির নির্দেশনাও আওয়ামী লীগের একটি অংশ মানছে না, এমন প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের এই প্রেসিডিয়াম সদস্য বলেন, বিষয়টা এমন না। বিষয়টা আমি জানিনা। নেত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন। সড়ক ও সেতু মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের আছেন। তারপরও ধর্মঘট হলে সেটা খুবই দুঃখজনক এবং দুর্ভাগ্যজনক।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে দেশি এবং বিদেশি একটি চক্রান্ত চলছে। সেই চক্রান্তের অংশ হিসেবেই ১০ ডিসেম্বরের এরকম একটা অবস্থায় বিএনপি গিয়েছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কেউ কেউ এমন গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে যাতে এখানে ভুতের সরকার কায়েম করা যায়। কাজেই ভুতের সরকারের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের জনগণ প্রস্তুত হয়েছে।

জাহাঙ্গীর কবির নানক  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন