ইনসাইড পলিটিক্স

কী চায় জাতীয় ইনসাফ কায়েম কমিটি?


Thumbnail

অন্তর্বর্তীকালীন একটি জাতীয় সরকার গঠন করে সেই সরকারকে বাংলাদেশের নতুন সংবিধান প্রণয়ন এবং তার অধীনে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবি জানিয়েছে নাগরিক অধিকার বিষয়ক একটি সংগঠন ন্যাশনাল কমিটি ফর সিভিল রাইটস জাতীয় ইনসাফ কায়েম কমিটি। বৃহস্পতিবার (১৭ মার্চ) সন্ধ্যায় জাতীয় ইনসাফ কায়েম কমিটি রাজধানীর বনানীর শেরাটন হোটেলে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের আমন্ত্রণ জানিয়ে নৈশভোজ করায়। এই নৈশভোজে তাদের খরচ হয়েছে প্রায় ১২ লাখ টাকা। নাগরিক অধিকার বিষয়ক সংগঠনটির আহ্বায়ক কবি ও প্রাবন্ধিক ফরহাদ মজহার এবং সদস্য সচিব সাংবাদিক শওকত মাহমুদ বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

এই নৈশভোজে অংশ নেওয়া একাধিক সূত্র জানায়, এতে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান (মান্না), গণ অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক রেজা কিবরিয়া, লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) চৌধুরী হাসান সারওয়ার্দী, সাবেক রাষ্ট্রদূত সাকিব আলী, এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল মজিদ, গণ অধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদ খানসহ পুলিশের সাবেক কয়েকজন কর্মকর্তা অংশ নেন।

সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবারের নৈশভোজে সংগঠনের সদস্য সচিব শওকত মাহমুদ ইনসাফ কায়েম কমিটির পক্ষে বেশ কিছু প্রস্তাব বা ইশতেহার তুলে ধরেন। সেখানে সংগঠনটির পক্ষে নতুন অন্তর্বর্তী জাতীয় সরকার গঠন করে সেই সরকারকে নতুন সংবিধান প্রণয়ন ও তার অধীনে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের পক্ষে অভিমত দিয়েছেন তাঁরা। সংগঠনটির আহবায়ন এবং সদস্য সচিব দাবি করেছেন, ২০১৩ সাল থেকে তারা এই প্রক্রিয়াটির জন্য কাজ করছেন এবং সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেছেন সেই সময়েই। পরবর্তীতে তারা এই সংগঠনটিকে নতুন করে আবার পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্যে এই নৈশভোজের আয়োজন করেছেন। 

এদিকে এই সংগঠনটির নৈশভোজ আয়োজনের পরপরই দেশের রাজনৈতিক মহলে এই নিয়ে শুরু হয়েছে নানমুখী আলোচনা। গজিয়েছে প্রশ্ন এবং সন্দেহের ডালপালাও। কেউ বলছেন, রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে এই আয়োজনের খরচ কোত্থেকে এসেছে এবং যারা এই আয়োজন করেছেন তারা কারা? তারা কী চায়? আবার কেউ কেউ সন্দেহ করছেন কবি ও প্রাবন্ধিক ফরহাদ মজহার এবং সাংবাদিক শওকত মাহমুদকে সামনে রেখে বাংলাদেশে নিষিদ্ধ ঘোষিত রাজনৈতিক দল জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশে নতুন করে রাজনীতিতে আসার ছক তৈরি করছে। দেশে বিদেশে জামায়াতের টাকার অভাব নেই। তাই এ ধরনের একটি অুনষ্ঠানের খরচ বহন করা জামায়াতের জন্য কোনো বিষয় নয়।

নৈশভোজে সংগঠনটির প্রস্তাবনায় বলা হয়, ইসলামকে মুক্তিযুদ্ধের প্রতিপক্ষ তৈরি করে আজ অবধি যে গৃহদাহ জারি করা হয়েছে, তার ফলে একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক জনগোষ্ঠী হিসেবে বাংলাদেশের পরিগঠনকে সব সময়ই ব্যহত করা হয়েছে। শুধু ইসলাম নয়, সকল ধর্মেরই ধর্মপ্রাণ মানুষের আশা-আকাঙ্খাকে যেমন অস্বীকার করা হয়েছে, তেমনই একইভাবে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির বিকাশকেও ধর্মের বিপরীতে স্থাপন করে তাদের বিকাশ, পারস্পরিক সমঝোতা ও সৌহার্দ্যকে নষ্ট করে ধর্মকে স্রেফ পরিচয় সর্বস্ব সাম্প্রদায়িকতায় পর্যবসিত করা হয়েছে। এর ফলে মানুষের ইহলৌকিক বিকাশে ধর্মের ভূমিকা রুদ্ধ হয়েছে, তেমনি নৈতিক ও আত্মিক বিকাশের ক্ষেত্রগুলোকেও ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে।  

সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, তারা গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে একটি অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করতে চান। অন্তর্বর্তী সরকারের কাজ হবে নতুন গঠনতন্ত্র বা শাষনতন্ত্র প্রণয়নের সভা আহবান করা এবং জনগণের অংশগ্রহণের ভিত্তিতে বাংলাদেশকে নতুনভাবে একটি শাষনতন্ত্র উপহার দেওয়া। স্বাধীন নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন অর্থাৎ নির্বাচন কমিশন পূনর্গঠন এবং নির্বাচনের সময় সকল নির্বাহী ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনের অধীনে নিয়ে আসা। নতুন গঠনতন্ত্র প্রণয়নের পরপরই অন্তর্বর্তী নতুন সরকার এবং নতুন গঠনতন্ত্রের ভিত্তিতে নতুন জাতীয় নির্বাচন হবে। নতুনভাবে বাংলাদেশ গঠনের এটাই সঠিক পথ বলে তারা মনে করেন।  

প্রস্তাবনায় বলা হয়, গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে জাতীয় সরকার গঠন করা না গেলে গত কয়েক দশকে গড়ে ওঠা সুবিধাবাদী, সন্ত্রাসী ও লুটেরা শক্তিকে পরাস্ত করা সম্ভব হবে না। আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে জনগণের বিজয় নিশ্চিত না করে তথাকথিত জাতীয় বা অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্রব্যবস্থা অক্ষুণ্ন রেখে ক্ষমতা লাভের খায়েশমাত্র। তাই ফ্যাসিস্ট শক্তিকে উৎখাত করে জনগণের প্রতিনিধিত্বশীল ছোট-বড় সব দলকে নিয়ে একটি অন্তর্বর্তীকালীন জাতীয় সরকার গঠন করা হবে।

প্রস্তাবে আরও বলা হয়, অন্তর্বর্তী সরকারের কাজ হচ্ছে গঠনতন্ত্র প্রণয়ন সভা আহ্বান করা এবং জনগণের অংশগ্রহণের ভিত্তিতে বাংলাদেশকে নতুনভাবে গঠন করা। নতুন গঠনতন্ত্রে স্বাধীন, নিরপেক্ষ, শক্তিশালী নির্বাচন কমিশন ও নির্বাচনী ব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্য নির্বাচনের সময় সব নির্বাহী ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনের অধীনে থাকবে। নতুন গঠনতন্ত্র প্রণয়নের পরপরই অন্তর্বর্তী জাতীয় সরকার পদত্যাগ করবে এবং নতুন গঠনতন্ত্রের ভিত্তিতে নতুন জাতীয় নির্বাচন হবে। জনগণের ইচ্ছা ও অভিপ্রায়ের ভিত্তিতে নতুনভাবে বাংলাদেশ গঠনের এটাই সঠিক পথ।

যদিও নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীন নির্বাচনের দাবি জানিয়ে বিএনপি বলেছে, ওই নির্বাচনে জয়ী হলে বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনরত সবাইকে নিয়ে জাতীয় সরকার গঠন করবে তারা। এ লক্ষ্যে ইতিমধ্যেই প্রস্তাবিত জাতীয় সরকারের ২৭ দফা রূপরেখা দিয়ে কয়েকটি দল ও জোটকে সঙ্গে নিয়ে যুগপৎ আন্দোলন শুরু করেছে বিএনপি। এর মধ্যেই ইনসাফ কায়েম কমিটি বাংলাদেশের নতুন সংবিধান প্রণয়ন এবং তার অধীনে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন জাতীয় সরকার গঠনের অভিমত প্রকাশ করল।

এসব বিষয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই নৈশভোজে যারা অংশগ্রহণ করেছেন এবং যারা আয়োজন করেছেন, তাদের অনেকেই সরকার বিরোধী আন্দোলনের সাথে সম্পৃক্ত। এই আয়োজন এবং সংগঠনটিও সরকার বিরোধী আন্দোলনের একটি অংশ। সেখানে তারা যে ধরনের প্রস্তবনা তুলে ধরেছেন, সে ধরনের দাবি নিয়ে বিএনপি দীর্ঘদিন আন্দোলন করে আসছে। এই সংগঠনটির সাথে বিএনপির সম্পৃক্ততা রয়েছে বলেই মনে হচ্ছে। যদি সম্পৃক্ততা নাও থাকে- তথাপিও বিএনপির দশ দফা, সরকার গঠনের রূপরেখার ২৭ দফার সঙ্গে তাদের প্রস্তাবনার যথেষ্ট মিল রয়েছে। এছাড়াও তাদের প্রস্তবনায় ইসলামী ইস্যু এবং ধর্মকে প্রাধান্য দিয়ে যে বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছে, তাতে মনে হচ্ছে- একটি সাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ তৈরি করতেই চেষ্টা করছেন তারা। এখন দেখার বিষয় জাতীয় ইনসাফ কায়েম কমিটির নামে জামায়াত নতুন কোনো পরিকল্পনা করছে কি না?

জাতীয় ইনসাফ কায়েম কমিটি   বিএনপি   জামায়াত   সরকার   বাংলাদেশ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

বেগম জিয়াকে সিসিইউ থেকে কেবিনে স্থানান্তর

প্রকাশ: ০৪:৫১ পিএম, ২৪ জুন, ২০২৪


Thumbnail

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার হৃদযন্ত্রে স্থায়ী পেসমেকার বসানোর পর আজ সোমবার স্বাস্থ্যের অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে কেবিনে স্থানান্তর করেছে মেডিকেল বোর্ড।

সোমবার (২৪ জুন) দুপুরে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে করোনারি কেয়ার ইউনিট (সিসিইউ) থেকে তাকে কেবিনে স্থানান্তর করা হয় বলে বিএনপি একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে। 

উল্লেখ্য, গতকাল রোববার বিকেলে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) চিকিৎসাধীন এই সাবেক প্রধানমন্ত্রীর হৃদ্‌যন্ত্রে স্থায়ী পেসমেকার বসানো হয়। 

খালেদা জিয়ার হৃদ্‌রোগের সমস্যা আগে থেকেই ছিল। হার্টে তিনটি ব্লক ছিল। আগে একটা রিং পরানো হয়েছিল। সবকিছু পর্যালোচনা করে বিদেশি চিকিৎসক ও মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শে পেসমেকার বসানো হয়েছে।

বেগম খালেদা জিয়া   সিসিইউ   এভারকেয়ার হাসপাতাল  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত, বেশকিছু স্বাস্থ্য পরীক্ষা আজ

প্রকাশ: ০২:০৫ পিএম, ২৪ জুন, ২০২৪


Thumbnail

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার হৃদযন্ত্রে স্থায়ী পেসমেকার বসানোর পর আজ স্বাস্থ্যের কিছু পরীক্ষা করা হবে বলে জানিয়েছেন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক এ জেড এম জাহিদ হোসেন।  

তিনি বলেন, রোববার বিকেলে পেসমেকার বসানোর পর থেকে সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে সিসিইউ সুবিধা দিয়ে আইসোলেশনে বা সম্পূর্ণ আলাদাভাবে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। সেখানেই তার স্বাস্থ্যের কিছু পরীক্ষা করা হবে।

খালেদার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে মেডিকেল বোর্ডের একজন সদস্য বলেন, তারা বোর্ডের সদস্যরা আজই খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের নতুন কিছু পরীক্ষার পর সেগুলোর রিপোর্ট পর্যালোচনা করবেন। পেসমেকার বসানোর পর তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়নি। ফলে তাকে আইসোলেশন বা বিচ্ছিন্ন অবস্থা থেকে সিসিইউতে বা কেবিনে নেওয়া যায় কি না, সে ব্যাপারে আজ স্বাস্থ্যের বিভিন্ন পরীক্ষার রিপোর্ট পর্যালোচনা করবেন চিকিৎসকেরা।

প্রসঙ্গত, গতকাল রোববার বিকেলে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) চিকিৎসাধীন এই সাবেক প্রধানমন্ত্রীর হৃদ্‌যন্ত্রে স্থায়ী পেসমেকার বসানো হয়। 

খালেদা জিয়ার হৃদ্‌রোগের সমস্যা আগে থেকেই ছিল। হার্টে তিনটি ব্লক ছিল। আগে একটা রিং পরানো হয়েছিল। সবকিছু পর্যালোচনা করে বিদেশি চিকিৎসক ও মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শে পেসমেকার বসানো হয়েছে।


খালেদা জিয়া   স্বাস্থ্য   বিএনপি   এভারকেয়ার হাসপাতাল  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

দুই দিনের সফরে সিলেটে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী নানক

প্রকাশ: ১২:০৫ পিএম, ২৪ জুন, ২০২৪


Thumbnail

দুই দিনের সফরে সিলেট এসে পৌঁছেছেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক এমপি। সোমবার (২৪ জুন) সকাল ৮টার দিকে বিমানযোগে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান তিনি। বিমানবন্দরে সিলেট জেলা এবং মহানগর আওয়ামী লীগের নেতারা ও সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী তাদেরকে স্বাগত জানান।

বস্ত্র ও পাট মন্ত্রীর সঙ্গে সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক ও কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহাবুব-উল-আলম হানিফ এবং ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম। সিলেটে পৌঁছেই হযরত শাহজালাল (র.) মাজার জিয়ারত করেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানকসহ অন্যান্য নেতারা। 

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার ও মঙ্গলবার সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার বিভিন্ন ত্রাণ সহায়তা কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করবেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক এমপি। সোমবার বেলা ১১টায় সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে নগরীর ২৪নং ওয়ার্ড তেররতন এলাকায় বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করবেন। দুপুর ১২টায় সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে নগরীর ৪২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলরের কার্যালয় প্রঙ্গণে ত্রাণ সহায়তা বিতরণ ও দুপুর ১টায় সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমান হাবিবের উদ্যোগে দক্ষিণ সুরমার সিলামে ত্রাণ বিতরণ করবেন তিনি। 

সন্ধ্যা ৭টায় সার্কিট হাউসে সিলেট জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের নেতাদের সাথে মতবিনিময়, রাত ৯টায় নগর ভবনের সভা কক্ষে সিটি কর্পোরেশনের মেয়র, কাউন্সিলর ও কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় করবেন তিনি। 

পরদিন মঙ্গলবার (২৫ জুন) সকাল ৮টায় সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় ত্রাণ সহায়তা বিতরণের উদ্দেশ্যে সিলেট সার্কিট হাউস থেকে যাত্রা করবেন। সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট রঞ্জিত চন্দ্র সরকারের উদ্যোগে সকাল ১০টায় তাহিরপুর সদরে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ, বেলা সাড়ে ১১টায় সুনামগঞ্জ সদরের সদরঘাট, ১২টায় মঈনপুর ও সাড়ে ১২টায় রহমতপুরে ত্রাণ বিতরণ করবেন তিনি।

মধ্যাহ্ন বিরতি শেষে বিকাল সাড়ে ৩টায় জগন্নাথপুর মরহুম আব্দুস সামাদ আজাদ অডিটোরিয়ামে ও বিকেল ৫টায় বিশ্বনাথ উপজেলার লামাকাজি টুল প্লাজা পয়েন্টে ত্রাণ সহায়তা প্রদান করবেন তিনি। এরপর ৫টা ৪৫ মিনিটে সিলেট সার্কিট হাউসের উদ্দেশ্যে যাত্রা করবেন এবং রাত ১০টায় সিলেট আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হতে বিমানযোগে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা করবেন তিনি।


সিলেট   বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী   জাহাঙ্গীর কবির নানক  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

খালেদা জিয়ার হৃদযন্ত্রে বসানো হলো ‘পেসমেকার’

প্রকাশ: ০৭:১৩ পিএম, ২৩ জুন, ২০২৪


Thumbnail

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার হৃদযন্ত্রে ‘পেসমেকার’ বসানোর কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এভারকেয়ার হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দল মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রোববার (২৩ জুন) রাতে এই কার্যক্রম সম্পন্ন করেছেন বলে জানিয়েছেন খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন।

এর আগে খালেদা জিয়াকে হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটের (সিসিইউ) কেবিন নং-৪২১৯ থেকে পাশের ক্যাথ ল্যাবে নিয়ে যাওয়া হয়।

ডা. জাহিদ বলেন, ম্যাডামের হৃদরোগের সমস্যা পূর্ব থেকেই ছিল। সেজন্য হার্টে ব্লক ছিল, একটা স্টেনটিংও করা ছিল। সব কিছু পর্যালোচনা করে এখন মেডিকেলে বোর্ড ম্যাডামের হার্টে পেসমেকার লাগানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। হাসপাতালে এই পেসমেকার ট্যাম্পোরারি ও পার্মান্টেট লাগানোর প্রক্রিয়া ডাক্তারা সম্পন্ন করেছেন।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, হৃৎপিন্ডের ডান অ্যাট্রিয়াম প্রাচীরের উপর দিকে অবস্থিত বিশেষায়িত কার্ডিয়াক পেশিগুচ্ছে গঠিত ও স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুতন্ত্রে নিয়ন্ত্রিত একটি ছোট অংশ যা বৈদ্যুতিক তরঙ্গ প্রবাহ ছড়িয়ে দিয়ে হৃৎস্পন্দন সৃষ্টি করে এবং স্পন্দনের ছন্দময়তা বজায় রাখে এই পেসমেকার।

উল্লেখ্য, শ্বাসকষ্ট বৃদ্ধিজনিত কারণে হঠাৎ অসুস্থতার কারণে গত শুক্রবার গভীর রাতে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে অ্যাম্বুলেন্সে করে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালের সিসিইউ ইউনিটে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে চিকিসাধীন আছেন। শনিবার (২২ জুন) থেকে এই পর্যন্ত কয়েক দফা মেডিকেল বোর্ড বৈঠকে বসে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর হৃদপিন্ডে পেসমেকার লাগানোর সিদ্ধান্ত দেন।

হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে বেগম জিয়া চিকিৎসাধীন আছেন। আর অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে অধ্যাপক এফএম সিদ্দিকী, অধ্যাপক শামসুল আরেফিন, অধ্যাপক একিউএম মহসিনসহ মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা কয়েক দফা বৈঠকে বসে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সর্বশেষ অবস্থা পর্যালোচনা করেছেন। মেডিকেল বোর্ডের এসব সভায় লন্ডন থেকে ডা. জুবাইদা রহমানসহ যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়ার কয়েকজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ভার্চুয়ালি যুক্ত থাকেন।

৭৯ বছর বয়সী খালেদা জিয়া ডায়াবেটিস, আর্থারাইটিস ছাড়াও হৃদরোগ, ফুসফুস, লিভার, কিডনিসহ বিভিন্ন জটিল রোগে ভুগছেন।


তারেক জিয়া   বেগম খালেদা জিয়া   মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর   বিএনপি   রাজনীতি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

আওয়ামী লীগ ছেড়ে চলে যাওয়ার পর অনেক তারা নিভে গেছে: শেখ হাসিনা

প্রকাশ: ০৫:২৩ পিএম, ২৩ জুন, ২০২৪


Thumbnail

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আওয়ামী লীগের আলোয় আলোকিত হয়ে অনেকে নেতা হয়ে দল ছেড়েছেন, বের হওয়ার পর আকাশের তারা আর জ্বলেনি। কেউ কেউ আবার সরকার পতনের ষড়যন্ত্র করেছেন। অনেকে বারবার আঘাত আসার পর ফিনিক্স পাখির মত জেগে উঠেছে।

রোববার (২৩ জুন) ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে দলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মওলানা ভাসানী ও সাধারণ সম্পাদক শামসুল হককে স্মরণ করে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, বাঙালির সব অর্জনেই  আওয়ামী লীগ জড়িত। জন্ম থেকে আওয়ামী লীগের প্রতিটি পদক্ষেপের কারণেই এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। সবসময় মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে ছিল সংগঠনটি। কিন্তু বারবার এই দলকে আঘাত করা হয়েছে নিশ্চিহ্নের চেষ্টা হয়েছে কিন্তু যতবার এই আঘাত এসেছে দলটি ততবারই জেগে উঠেছে।

শেখ হাসিনা বলেন, বাঙালির প্রতিটি অর্জনে এ দল ওতপ্রোতভাবে জড়িত। আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠা লাভ করেছেই তো বাংলার মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য। যা আমরা প্রমাণ করেছি। আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠা লাভ করেছেই তো বাংলার মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য। যা আমরা প্রমাণ করেছি। ৭৫ আগস্টের পর বার বার ক্ষমতা বদল হয়েছে। কিন্তু ক্ষমতা বদল হয়েছে হয় অস্ত্রের মাধ্যমে এবং ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে। জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার ছিল না, মানুষের মৌলিক অধিকার ছিল না। মানুষের ভাগ্যের কোনো পরিবর্তনই তারা করতে পারিনি।

আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাজ করে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ। খাদ্য উৎপাদন ও সাক্ষরতার হার বৃদ্ধিতে অসামান্য ভূমিকা রেখেছে এই দল। বারবার আওয়ামী লীগ নিশ্চিহ্ন করার অপচেষ্টা হয়েছে। বঙ্গবন্ধু মাত্র সাড়ে ৩ বছরে বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশে রূপান্তরিত করেছেন, যা বিশ্বে আর কেউ পারেনি

এর আগে দুপুর ৩টা ৩৭ মিনিটে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সমাবেশ মঞ্চে উপস্থিত হন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 

সেখানে আওয়ামী লীগের প্লাটিনাম জুবিলি উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর জাতীয় সঙ্গীতের মধ্য দিয়ে শুরু হয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আনুষ্ঠানিকতা। জাতীয় সঙ্গীত শেষে প্রধানমন্ত্রী বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। 

এর আগে, আলোচনা সভায় যোগ দিতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে দুপুরে থেকে জড়ো হন দলটির বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী। বেলা ১২টা থেকে সমাবেশস্থলের ভেতরে প্রবেশ করতে শুরু করেন নেতাকর্মীরা। রাজধানী ও দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে সমাবেশমুখী আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের ঢল নেমেছে। বিভিন্ন ধরনের ব্যানার, ফেস্টুন, প্ল্যাকার্ড হাতে নেতাকর্মীদের উচ্ছ্বাস ছিলো চোখে পড়ার মতো।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও এর আশপাশের এলাকা ঘুরে দেখা যায়, অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এছাড়া, সমাবেশস্থলে প্রবেশের ক্ষেত্রে কয়েক ধাপের নিরাপত্তা ও আর্চওয়ে পার হয়ে নেতাকর্মীদের প্রবেশ করতে হচ্ছে।

আওয়ামী লীগ   শেখ হাসিনা   প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন