ইনসাইড পলিটিক্স

বিএনপিকে সংলাপে আমন্ত্রণ জানাতে চিঠি দিচ্ছে ইসি!


Thumbnail বিএনপিকে সংলাপে আমন্ত্রণ জানাতে চিঠি দিচ্ছে ইসি!

নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে মাঠের আন্দোলনে সক্রিয় বিএনপি। তবে রমজানের রোজা চলে আসায় এই আন্দোলন এখন কেবল ইফতার অনুষ্ঠানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছে বলে জানিয়েছে সূত্র। সূত্রটি বলছে, আগামী দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করেই বিএনপির এই চলমান আন্দোলন। বর্তমান সরকার ও নির্বাচন কমিশনের অধীনে নির্বাচনে না যাওয়ার স্পষ্ট ঘোষণাও দিয়েছে দলটি। বর্তমান নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে তাদের সব ধরণের আমন্ত্রণও প্রত্যাখ্যান করে আসছে বিএনপি। তবুও আগামী নির্বাচন নিয়ে দলটির নেতাদের সঙ্গে সংলাপ করার উদ্যোগ নিয়েছে কাজী হাবিবুল আউয়ালের নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশন। ইতোমধ্যে বিএনপিকে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য চিঠির খসড়াও তৈরি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সূত্র।

সূত্র জানায়, আগামী বছরের জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন করতে চায় ইসি। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সংলাপের গুঞ্জনের মধ্যেই এই চিঠির তথ্য পাওয়া গেছে। আগামী সপ্তাহের সোমবারের (২৭ মার্চ) মধ্যে বিএনপির কাছে এই চিঠি যেতে পারে বলে জানা গেছে। যদিও বিষয়টি নিয়ে নির্বাচন কমিশনের কেউ মুখ খুলতে রাজি হচ্ছেন না। ইসির পক্ষ থেকে বরাবরই নির্বাচনে কারা অংশ নেবে তা রাজনৈতিক দলগুলোর সিদ্ধান্ত বলে মন্তব্য আসছিল। শুধু তাই নয়, কাউকে ভোটে আনার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের নয় বলেও বক্তব্য এসেছে কমিশনের পক্ষ থেকে। 

সবশেষ বৃহস্পতিবার (২৩ মার্চ) নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘কাউকে ভোটের মাঠে দাঁড় করিয়ে, মানে আনতেই হবে এটা কিন্তু নির্বাচন কমিশনের কাজ না। আমরা সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য তাদের আহ্বান করে থাকি, করতে পারি। কিন্তু তারা আসবে কি, আসবে না, আইনতেই হবে; এই বিষয়টা কিন্তু আমাদের কাজও না। এটাই হলো আসল কথা।’

ইসি সূত্রে জানা গেছে, প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়ালের নেতৃত্বে চার কমিশনার চিঠির ড্রাফট প্রস্তুত করেছেন। যা চূড়ান্ত করার পর ইসি সচিবালয়ের মাধ্যমে চিঠি বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কাছে পৌঁছানো হবে। চিঠিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার লিখেছেন, ২০২২ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি আমরা দায়িত্ব গ্রহণের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় পর্যায়ের নির্বাচন করে আসছি। বর্তমান কমিশন দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই অংশগ্রহণমূলক ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ সংসদ নির্বাচনের কথা অনুধাবন করে আসছে।  

এছাড়াও খসড়া চিঠিতে বর্তমান ইসি ও আগামী নির্বাচন নিয়ে বিএনপির অবস্থানের কথা তুলে ধরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বর্তমান কমিশনের প্রতি অনাস্থা ব্যক্ত করে প্রত্যাখ্যান করে আসছে। আপনারা নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া নির্বাচন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। যদিও আপনাদের এমন রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ও কৌশলের বিষয়ে কমিশনের কোনো মন্তব্য নেই।

চিঠিতে সিইসি বলেন, আপনাদের দ্বারা প্রত্যাখ্যাত হলেও কমিশন মনে করে বৃহৎ রাজনৈতিক দল হিসেবে আগামী দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন নিয়ে আনুষ্ঠানিক না হোক, অনানুষ্ঠানিকভাবে আলোচনা বা মতবিনিময় হতে পারে। আপনাদের নির্বাচন কমিশনে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। সদয় সম্মত হলে দিনক্ষণ আলোচনা করে নির্ধারণ করা যেতে পারে। প্রত্যুত্তর প্রত্যাশা করছি।

এদিকে একই দিনে ইসি রাশেদা সুলতানার কাছে প্রশ্ন ছিল- নতুন করে কাউকে সংলাপের জন্য আমন্ত্রণ জানাবেন কিনা? অবশ্য এমন প্রশ্নের জবাবে কিছুটা কৌশলী উত্তর দেন এই কমিশনার। তিনি বলেন, সংলাপ কাজের সুবিধার জন্য হয়। এটা করার জন্য আইনে কিছু বলা নেই। এইটুকু বলতে পারি প্রয়োজন হলে নিশ্চয় আবার আমরা বসব।

গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে কাজী হাবিবুল আউয়ালের নেতৃত্বাধীন কমিশন দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে মতবিনিময় করে। যা প্রত্যাখ্যান করে বিএনপি। ইভিএম নিয়ে আলাপে বিএনপির পাশাপাশি তাদের তখনকার জোটভুক্ত দলগুলো অংশ নেয়নি। দলটি নির্দলীয় সরকারের অধীনে ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনের অধীনে ভোটের কথা বলছে। বর্তমান কমিশন ভেঙে দেওয়ারও কথা বলেছেন বিএনপি নেতারা। 

এসব বিষয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করাতে আমন্ত্রণ জানাতেই পারে ইসি। যেহেতু বিএনপি ইসির নিবন্ধিত একটি রাজনৈতিক দল। সেহেতু বিএনপিকে সংলাপে বসতে চিঠি দিতেই পারে ইসি। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, বিএনপি নির্দলীয়, নিরপেক্ষ, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের যে দাবি করছে, তা পূরণ করা ইসির পক্ষে সম্ভব নয়। এছাড়াও বিএনপি বর্তমান নির্বাচন কমিশন নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে। সেক্ষেত্রে এই নির্বাচন কমিশনের সাথে বিএনপি সংলাপে বসবে কি না, সেটাও যেমন দেখার বিষয়, তেমনি ইসির আমন্ত্রণকে বিএনপি কতটুকু গুরুত্ব দেয় সেটাও এখন দেখার বিষয়।  


বিএনপি   সংলাপ   আমন্ত্রণ   চিঠি   সিইসি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

আওয়ামী লীগ আমাদের প্রধান শত্রু: মির্জা ফখরুল

প্রকাশ: ০৭:২৩ পিএম, ১২ জুন, ২০২৪


Thumbnail

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এই সরকার (আওয়ামী লীগ) আমাদের প্রধান শত্রু। তারা দেশের সবকিছু ধ্বংস করে ফেলেছে। আমাদের সুর একটাই, এই সরকারকে সরিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করা। আন্দোলন চলছে, আন্দোলন চলবে। শিগগিরই আমাদের আন্দোলন আরও বেগবান হবে। আমরা সব দল (সমমনা) একত্রিত হতে পেরেছি। কিভাবে এই সরকারকে সরাতে পারি, কিভাবে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করতে পারি, সেই লক্ষ্যেই আমরা সংগ্রাম করছি। 

বুধবার (১২ জুন) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি আয়োজিত মতবিনিময় সভায় মির্জা ফখরুল এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, দেশে সর্বগ্রাসী সংকট চলছে। একদিকে রাজনৈতিক সংকট আরেকদিকে অর্থনৈতিক সংকট। গণতন্ত্রের লেবাসে রাজনীতির কাঠামো শেষ করে একদলীয় শাসন তৈরি করেছে সরকার। এ অবস্থার পরিবর্তনের জন্য তরুণদের এগিয়ে আসতে হবে।

এই সরকারের অপকীর্তি স্বল্প সময়ে বলে শেষ করা যাবে না উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, এই সরকার প্রথম সর্বনাশ করেছে বাংলাদেশের রাজনৈতিক কাঠামো ধ্বংস করে। আগেও করেছিল, এবার করেছে একটু ভিন্ন কায়দায়। এখন একটু শিক্ষিত হয়েছে, ছদ্মবেশী আবরণ দিয়ে, গণতন্ত্রের লেবাস পরিয়ে দিয়ে দেশের রাজনৈতিক কাঠামো ধ্বংস করেছে। ফখরুল বলেন, আওয়ামী লীগ একটি একদলীয় ফ্যাসিবাদী শাসন প্রতিষ্ঠা করেছে।

তিনি বলেন, এখন কিন্তু দেশের প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদরাও কথা বলতে শুরু করেছেন। তারা দেখছেন, যদি আওয়ামী লীগের এরকম ফ্যাসিবাদ চলতেই থাকে তাহলে এই দেশের আর কোনো অস্তিত্ব থাকবে না।

আওয়ামী লীগ   মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

যেভাবে জেলায় জেলায় প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে পরিবারতন্ত্র, তার একটি উদাহরণ

প্রকাশ: ০৬:০০ পিএম, ১২ জুন, ২০২৪


Thumbnail

সদ্য সমাপ্ত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হয়েছিলো যে, আওয়ামী লীগের মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের সন্তান, পরিবারের সদস্য, নিকটাত্মীয় ও নিজস্ব লোক উপজেলা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। এমনকি তারা কারও পক্ষে কাজও করতে পারবেন না। উদ্দেশ্য ছিলো তৃণমূলে দলের মধ্যে নেতৃত্বের বিকেন্দ্রীকরণ করা। যা গণতন্ত্রের চর্চা, গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। বিশেষ করে গত কয়েক বছর ধরে তৃণমূল পর্যায়ে যেভাবে পারিবারিক কায়েম করা হচ্ছে সেটা থেকে বেরিয়ে আসার উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলো আওয়ামী লীগের হাইকমান্ড। কিন্তু দলের এই নির্দেশ অমান্য করেই বিভিন্ন উপজেলাগুলোতে মন্ত্রী, এমপিরা তাদের পরিবারের সদস্যদের নির্বাচনে দাঁড় করিয়েছেন শুধুমাত্র পরিবারতন্ত্র কায়েম করার জন্যে। কিন্তু এর ফলে তৃণমূল আওয়ামী লীগ একটি নির্দিষ্ট পরিবারের কাছে জিম্মি হয়ে যায়। সেখানে গণতন্ত্রের চর্চা রুদ্ধ হয়ে পড়ে। একটি রাজনৈতিক দলের প্রাণশক্তি তৃণমূলের কর্মীরাই তখন বিভিন্ন ভাবে নির্যাতনের শিকার হয়, হয়রানির শিকার হয়। 

মুন্সিগঞ্জ জেলার কথাই ধরা যাক। মুন্সিগঞ্জ সদর এবং গজারিয়া নিয়ে মুন্সিগঞ্জ-৩ আসন। এই মুন্সিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হলেন মো. মহিউদ্দিন। তিনি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানও বটে। তার ভাই আনিসুজ্জামান জেলা আওয়ামী লীগের ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং একই সাথে উপজেলা চেয়ারম্যান। তার ছেলে ফয়সাল বিপ্লব জাতীয় সংসদ সদস্য। ফয়সাল বিপ্লবের স্ত্রী চৌধুরী ফারিয়া আফরিন পৌরসভার মেয়র। মো. মহিউদ্দিন চতুর্থ স্ত্রী জেলা আওয়ামী লীগের এক নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। এর ফলে পুরো জেলায় একক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছেন মো. মহিউদ্দিন পরিবার। এর মধ্য দিয়ে মহিউদ্দিন পরিবার জেলা সহ দুই উপজেলার টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ করে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

স্থানীয় নেতাকর্মীদের অভিযোগ, জেলায় এমন কোন সেক্টর নাই যেখানে এই মহিউদ্দিন পরিবারের খবরদারি নেই। বালু উত্তোলন থেকে শুরু করে গরুর হাট ইজারা সব কিছুই এখন মহিউদ্দিন পরিবারের দখলে। পদ্মা-মেঘনায় যে বালু দুস্যতা এর পুরো নিয়ন্ত্রণ এই মহিউদ্দিন পরিবারের হাতে। এভাবে মুন্সিগঞ্জে একক কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করেছে এই পরিবার। তাদের বিরুদ্ধে যারাই প্রতিবাদী হয় কিংবা অভিযোগ করে তাদের ওপর নেমে আসে অকথ্য নির্যাতন।

শুধু তাই নয়, মহিউদ্দিন পুত্র ফয়সাল বিপ্লবের বিরুদ্ধে গত বছর অক্টোবরে সাম্প্রদায়িক উস্কানিও অভিযোগ উঠে। এছাড়া ২০২২ সালে আওয়ামী লীগের কয়েক শতাধিক নেতাকর্মী দিয়ে মুন্সিগঞ্জ সদর থানা ঘেরাও করার অভিযোগও উঠেছিলো ফয়সাল বিপ্লবের বিরুদ্ধে। ২০২২ সালে চাঁদাবাজদের পৃষ্ঠপোষকতা করার অভিযোগ আছে ফয়সাল বিপ্লবের বিরুদ্ধে। তৎকালীন আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ ওয়াহিদুজ্জামান বাবুল নিজেই এক সংবাদ সন্মেলন করে এই অভিযোগ করেন।

শুধু এক মহিউদ্দিন পরিবার নয়, এভাবে জেলা কমিটি সহ অন্যান্য কমিটি, স্থানীয় নির্বাচনে নিজেদের লোকদের নির্বাচিত করে এনে পরিবারতন্ত্র কায়েম করা হচ্ছে। আর এর ফলে উপেক্ষিতই থাকছে তৃণমূলের পরীক্ষিত ত্যাগী নেতাকর্মীরা।

পরিবারতন্ত্র   আওয়ামী লীগ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

শৃঙ্খলা ভঙ্গ: ৪ জনকে বহিষ্কার করল কৃষক দল

প্রকাশ: ১২:৫৯ পিএম, ১২ জুন, ২০২৪


Thumbnail

শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ এনে চার নেতাকে বহিষ্কার করেছে বিএনপির পেশাজীবী সংগঠন কৃষক দল। বৃহস্পতিবার (১২ মে) সংগঠনটির দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। 

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়- কৃষক দলের কেন্দ্রীয় সংসদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সংগঠনের শৃঙ্খলা পরিপন্থি কর্মকাণ্ডে সরাসরি জড়িত থাকার সুষ্পষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে কৃষক দল কেন্দ্রীয় সংসদের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক (খুলনা বিভাগ) কুষ্টিয়া জেলা কৃষক দলের সাবেক সভাপতি এস এম গোলাম কবির, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোকাররম হোসেন মোকা এবং সাবেক সহ-সভাপতি বাবলা আমিনকে সংগঠনের প্রাথমিক সদস্য পদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। আজ বুধবার (১২ জুন) থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।


শৃঙ্খলা   বহিষ্কার   কৃষক দল  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

ঝিনাইদহের রাজনীতিতে সাইদুল করিমের উত্থান যেভাবে

প্রকাশ: ০৯:৩৭ এএম, ১২ জুন, ২০২৪


Thumbnail

সাইদুল করিম মিন্টু। তার পিতার নাম রুহুল কুদ্দুস। ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলার ভায়না গ্রামে মধ্যবিত্ত পরিবারে তার জন্ম। তার বাবা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। দেশ স্বাধীনের পর সন্ত্রাসীদের গুলিতে তার বাবা নিহত হন। বাবা রুহুল কুদ্দুস মারা যাওয়ার পর অনেক অভাব-অনটনে পড়তে হয় মিন্টুর পরিবারকে।

সম্প্রতি এমপি আনার হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ঝিনাইদহ পৌরসভার সাবেক মেয়র সাইদুল করিম মিন্টুকে আটক করেছে পুলিশ। ঝিনাইদহ আওয়ামী লীগের রাজনীতির নেতৃত্বে থাকা সাইদুল করিম ছাত্রলীগের রাজনীতি দিয়ে মাঠপর্যায়ের রাজনীতি শুরু করেন।

সাইদুল করিম ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলার জোড়াদাহ ইউনিয়নের ভায়না বিশ্বাসপাড়ার বাসিন্দা। ওই এলাকার প্রয়াত রুহুল কুদ্দুস আঙ্গুরা বেগম দম্পতির সন্তান। জন্ম ১৯৬৪ সালের জুন। বর্তমানে ঝিনাইদহ শহরের আরাপপুর ইন্দিরা সড়কের বাড়িতে স্ত্রী আর্মিজা শিরিন আক্তার দুই সন্তানকে নিয়ে বসবাস করেন। স্ত্রী আর্মিজা শিরিন আক্তার স্থানীয় একটি পত্রিকার ব্যবস্থাপনা সম্পাদক এবং সাইদুল করিম সেই পত্রিকার সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি।

ছাত্রলীগের রাজনীতি দিয়ে রাজনীতিতে হাতেখড়ি সাইদুল করিমের। ঝিনাইদহে দীর্ঘদিন দাপটের সঙ্গে ছাত্রলীগের রাজনীতি করেছেন। ১৯৭৮ সালে ঝিনাইদহ সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। এরপর ১৯৮৩ সালে জেলা ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৪ সালে ভারমুক্ত হয়ে পূর্ণ সাধারণ সম্পাদক হন। ১৯৮৯ সালে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হিসেবে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক নির্বাচিত হন।

১৯৯৭ সালে ছাত্রলীগের সক্রিয় সাবেক কর্মীদের নিয়ে জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠন করেন। পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করেছেন। এরপর ২০১৫ সালের ২৫ মার্চ জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ২০২২ সালের ১৩ নভেম্বর ত্রিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলে তিনি পুনরায় জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।

২০১১ সালের ১৩ মার্চ ঝিনাইদহ পৌরসভার নির্বাচনে সাইদুল করিম মেয়র নির্বাচিত হন। আইনগত জটিলতায় নির্বাচন না হওয়ায় এরপর ২০২২ সাল পর্যন্ত টানা ১১ বছর তিনি এই পদে ছিলেন।

আনোয়ারুল আজীম হত্যাকাণ্ডে সাইদুল করিম আটক হওয়ার পর ঝিনাইদহ জেলা শহরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেল থেকে শহরের পায়রা চত্বর, পোস্ট অফিস মোড়, মুজিব চত্বরসহ বিভিন্ন এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্যদের টহল দিতে দেখা গেছে।

জানা গেছে, ঝিনাইদহ ইটভাটা মালিক সমিতির সভাপতি, দোকান মালিক সমিতির সভাপতি ও ঝিনাইদহ চক্ষু হাসপাতালের সভাপতি মিন্টু। এ ছাড়া ঝিনাইদহের অনেক প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বে আছেন তিনি। 

ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগে তার শক্তিশালী একটি গ্রুপ রয়েছে। ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ঝিনাইদহ-১ (শৈলকূপা) আসনের ৫ বারের সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাইয়ের সঙ্গে রাজনৈতিক বিরোধ ছিল। রাজনৈতিক বিরোধ ছিল ঝিনাইদহ-৪ (কালীগঞ্জ) আসনের এমপি আনোয়ারুল আজীম আনারের সঙ্গে। ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের বেশির ভাগ নেতার অবস্থান একদিকে এবং সাইদুল করিম মিন্টু একাই একদিকে।

এদিকে আনার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ঝিনাইদহের অনেক রাজনৈতিক নেতার পরোক্ষভাবে জড়িত থাকার তথ্য পেয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বলেছেন, এমপি আনার হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শেষ হলে অনেকেই গ্রেপ্তার হতে পারেন। সেই সঙ্গে এমপি আনারের মরদেহ শনাক্ত হলে অনেক কিছুই প্রকাশ করা সম্ভব হবে।


ঝিনাইদহ   সাইদুল করিম  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

‘এ দলের কোন ক্ষয় হবে না, এ দলের মৃত্যু হবে না’

প্রকাশ: ০৮:০০ পিএম, ১১ জুন, ২০২৪


Thumbnail

দেশের প্রাচীন ও বৃহত্তম রাজনৈতিক সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। স্বাধীনতা যুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী দলটি নানা 'চড়াই-উতরাই' পাড়ি দিয়ে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ গড়ে আজ ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়ার নেতৃত্বে রয়েছে। ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি উন্নত দেশ হিসেবে গড়ার প্রত্যয় নিয়ে টানা চতুর্থবারের মতো সরকার পরিচালনা করছে আওয়ামী লীগ। এর পেছনে রয়েছে দলের অসংখ্য নেতাকর্মীর আত্মত্যাগ।

আগামী ২৩ জুন প্রতিষ্ঠার ৭৫ বছর—‘প্লাটিনাম জয়ন্তী’ উদযাপন করতে যাচ্ছে দেশের প্রাচীন ও বৃহত্তম রাজনৈতিক এই সংগঠনটি। দীর্ঘ ৭৫ বছরের এ যাত্রায় দলের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীদের মতামত ধারাবাহিকভাবে প্রকাশের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলা ইনসাইডার। আজ আমরা জানব বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম মেম্বার, ফরিদপুর-১ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মো: আব্দুর রহমানের আওয়ামী লীগের সঙ্গে বেড়ে ওঠা এবং তার অভিজ্ঞতার কথা।

দেশের প্রাচীন এই দলের সাথে নিজের বেড়ে ওঠার অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোঃ আব্দুর রহমান বলেছেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ তার জন্ম লগ্ন থেকে স্বাধীনতার পূর্বে এবং পরে সকল সংকটে সম্ভাবনায় অত্যন্ত যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করেছে। এ দলের সঙ্গে আমার নিজেকে সম্পৃক্ত করতে পারা ভাগ্যের ব্যাপার। আমি মনে করি যথার্থভাবে নিজেকে একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে সম্পৃক্ত করতে পেরেছি। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে ৬৬ এর ছয় দফা আন্দোলন একটি বড় ধরনের মাইল ফলক। এবং আমাদের মুক্তিযুদ্ধের একটি সাঁকো হলো এই ৬ দফা আন্দোলন। সেই সাঁকো পার হয়েই আজকে এই বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। 

তিনি বলেন, আজকে দুঃখ হয়, কষ্ট হয় যখন শুনি ওমুক স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছে, তমুক স্বাধীনতা পাঠ করছে। স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করা এক জিনিস আর ঘোষক হওয়া আরেক জিনিস। এখন আমরা মনে করি ইতিহাস যখন তার নিজের ইতিহাস লিখে সেই ইতিহাসেই এই ধরনের দাবি দাওয়ার কোন ভিত্তি নাই। এ ইতিহাস জুড়ে কবেলই বঙ্গবন্ধু আছেন।

আওয়ামী লীগের সঙ্গে নিজের বেড়ে ওঠার প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের এই সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বলেন, আওয়ামী লীগের সঙ্গে বেড়ে ওঠার অভিব্যক্তি চমৎকার। নির্যাতন, স্বৈরাচার বিরোধী আনোদালনে একটা বড় ধরনের তিক্ত অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি। গ্রেনেড হামলার মত এক নিষ্ঠুরতম ভয়ংকর হত্যাকান্ড পরিচালনা করেছিল তারেক জিয়া। এবং এর একমাত্র লক্ষ্য ছিল বঙ্গবন্ধু কন্যাকে হত্যা করা। সেই জায়গাটিও আমাদের জীবনে একটি মোকাবিলার জায়গা ছিল। 

৭৫ পরবর্তী কালে বাংলাদেশ খাদের কিনারায় গিয়েছিল উল্লেখ্য করে আব্দুর রহমান বলেন, বাংলাদেশকে আবার সেই খাদের কিনারা থেকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে একমাত্র শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বে। ১৯৮১ সালের পর আওয়ামী লীগের সবগুলো কাউন্সিলে শেখ হাসিনা সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন এবং এ ব্যাপারে কোন কাউন্সিলে কোন দ্বিমত ছিল না। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আজ টানা চতুর্থবারের মতো ক্ষমতায়। আমি মনে করি যে, এই দল বা এই সংগঠন যদি না থাকতো তাহলে এটি কোন অবস্থাতেই সম্ভব ছিল না। বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে তৃণমূল পর্যায়ে যে আওয়ামী লীগ আছে সে আওয়ামী লীগের চেহারার মধ্যেই ফুটে উঠে একটি সংগ্রামের ইতিহাস, একটি প্রতিশ্রুতির ইতিহাস। সেই সংগ্রাম এবং প্রতিশ্রুতিকে বুকে ধারণ করেই আমরা বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আজকে এখানে এসেছি। 

আওয়ামী লীগের হেভিওয়েট এই নেতা বলেন, পাকিস্তান সৃষ্টির পর পরেই বঙ্গবন্ধু চেয়েছিলেন একটি স্বাধীন রাষ্ট্র তৈরি করবে এবং সেটির নাম হবে ‘বাংলাদেশ’। সেই সঙ্গে তিনি আরও চিন্তা করেছিলেন দেশ স্বাধীন করে ঐ নতুন রাষ্ট্রকে কিভাবে পরিচালিত করা হবে, কিভাবে সমৃদ্ধ রাষ্ট্র বিনির্মাণ করা হবে। যে কারণে আজকে সর্বক্ষেত্রে কোন উন্নয়নের পদক্ষেপ নেয়া হলে বঙ্গবন্ধুর কথা সামনে আসে। যেমন সমুদ্র সীমা নির্ধারণ, ছিট মহল, প্রাণি সম্পদ এগুলো বঙ্গবন্ধুরই চিন্তা। 

১৯৭৩ সালে তিনি (বঙ্গবন্ধু) বলেছিলেন, ‘আমার মাটি আছে, আমার মানুষ আছে, আমার পাট আছে, আমার মাছ আছে।’ ঐ সময় এরকম কিছু চিন্তা করা কেবলমাত্র আল্লাহ প্রদত্ত, এবং তার পছন্দের না হলে অভাবনীয় বুদ্ধিদীপ্ত এবং তার হৃদয় জুড়ে যে মানব প্রেম ছিল, মানুষের কল্যাণে কাজ করার জন্য যে অঙ্গীকার ছিলো তারই বহিঃপ্রকাশ এরকম কথাবার্তা।
 
আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, আমি মনে করি, সবকিছু মিলে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের এই নেতা আমাদের দাঁড়াবার ঠিকানা, জাতির স্বপ্নের ঠিকানা, স্বপ্ন বাস্তবায়নের ঠিকানা। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এখন দেশ এগিয়ে যাচ্ছে এবং বিস্ময়কর যে উন্নয়ন তিনি দেশবাসীকে দিয়েছেন সে উন্নয়ন আজকে শুধু বাংলাদেশে না, সমগ্র বিশ্বে তার নেতৃত্বের প্রশংসা হচ্ছে। সুতরাং আজকের এই দিনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৫ বছর উদযাপন পালনে আমাদের দলের থেকে যে কর্মসূচি দিয়েছে সে কর্মসূচি পালনের মধ্য দিয়ে এ দলের ইতিহাস, অতীত ঐতিহ্য এবং আগামী দিনের যাত্রা, আগামী দিনের পরিকল্পনা এসব নিয়ে আমরা মনে করি এ দেশবাসী দলের প্রতি অকুণ্ঠ সমর্থন স্বাধীনতার পূর্বে যেমন দিয়েছিলেন, স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধুর সাথে ছিলো। আর ৭৫’র ষড়ন্ত্রণের মধ্য দিয়ে যে চক্রান্ত এবং ষড়যন্ত্রের নীল নকশা একেঁ দেশটাকে পাকিস্তানের আদলে তৈরি করার একটা নোংরা ইচ্ছা ছিল সেটাকে বঙ্গবন্ধু কন্যা ১৯৮১ সালে এই চক্রান্ত, ষড়যন্ত্রকে প্রতিহত করেছেন। আর এর মধ্যে দিয়েই তিনি আজ টানা ৪র্থ বারের মতো এবং মোট ৫ বারের প্রধানমন্ত্রী। বাংলাদেশের মানুষ তার প্রতি বিশ্বাস করে সবকিছু উজাড় করে তার সাথে আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবে বলে আমরা আশাবাদী। 

৭৫ বছরে এসেও আওয়ামী লীগ এখনও কীভাবে আগের মতোই সংগঠিত এবং সাংগঠনিক ভাবেও শক্তিশালী আছে এবং এর রহস্য কী জানতে চাইলে আব্দুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগ মানুষের দল, এই দল মানুষকে নিয়ে ভাবে, মানুষের উন্নয়ন নিয়ে ভাবে, মানুষের জীবনযাত্রা নিয়ে ভাবে। এটি একটি অসাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক দল। যে অসাম্প্রদায়িক চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে এদেশের মানুষ বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিল। সুতরাং যে দলটি মানুষ নির্ভর সে দলের ক্ষয় নাই। এবং যে দলের নেতা হলেন বঙ্গবন্ধুর মতো একজন ব্যক্তিত্ব এবং যার সুযোগ্য কন্যা আজকে রাষ্ট্রপরিচালনার দায়িত্বে জনগণ মোট ৫ বার এবং টানা ৪র্থ বারের মতো তাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করেছেন। এ দল যেহেতু বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মাটি, মানুষ এবং মানুষের কল্যাণে পদক্ষেপ নিয়েছে বলে মানুষের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। সুতরাং এটিই কেবল মাত্র সম্বল এত বাধা-বিপত্তি, এতো অত্যাচার নির্যাতন এবং ২১ আগস্টের মতো একটি নৃশংসতম হত্যাকন্ডকে মোকাবেলা করেও আজকে আওয়ামী লীগ শক্তিশালী অবস্থানে আছে। এবং মানুষ এখনো এ দলের প্রতি নিবেদিত। সুতরাং এ দলের কোন ক্ষয় হবে না, এ দলের মৃত্যু হবে না।  



মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন