প্রেস ইনসাইড

এবার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে প্রথম আলোর মিথ্যাচার!

প্রকাশ: ১০:০০ পিএম, ০৬ এপ্রিল, ২০২৩


Thumbnail এবার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে প্রথম আলোর মিথ্যাচার!

দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকার নিবন্ধন বাতিল ও চক্রান্তকারীদের শাস্তির দাবিতে মানব-বন্ধন করেছে দেশের স্বাধীনতা-সচেতন নাগিরক সমাজ। বৃহস্পতিবার (৬ এপ্রিল) সকাল ১১ টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এ মানব-বন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়। এতে বিনোদন জগতের অনেকের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সাতবারের মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার জয়ী চিত্রনায়ক রিয়াজ, তিন বার এই পুরস্কার পাওয়া অভিনেত্রী তারিন জাহান ও অভিনেত্রী তানভিন সুইটিসহ আরও অনেকে। তারা বহুল প্রচারিত দৈনিক প্রথম আলোতে গত ২৬ মার্চ দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব নিয়ে কটাক্ষ করে মিথ্যা, বানোয়াট ষড়যন্ত্রমূলক সংবাদ পরিবেশন করার তীব্র সমালোচনা করেছেন। সেই সঙ্গে এ ধরনের হীন ষড়যন্ত্রের বিচার দাবি করেছেন।

অন্যদিকে দেশের স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তির মদদপুষ্ট প্রথম আলো এবার মেতেছে অন্য আরেক মিথ্যাচারের ষড়যন্ত্রে। স্বাধীনতা বিরোধী চক্রের মদদপুষ্ট প্রথম আলো এবার সরকার ঘোষিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলামের মিথ্যাচার প্রচার শুরু করেছে ফলাও করে। বৃহস্পতিবার (৬ এপ্রিল) প্রথম আলো পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে সন্ধ্যা ৬ টা ৫৩ মিনিটে ‘আপনারা কেউই বাঁচবেন না: মির্জা ফখরুল’- শিরোনামে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে একটি ভয়ভীতি প্রদর্শনমূলক বক্তব্য ফলাও করে প্রচার করেছে বলে জানিয়েছে সূত্র। এছাড়াও প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান এবং প্রতিবেদক শামসুজ্জামানের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হওয়ার পর থেকেই এই বিষয়টি নিয়ে দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক চক্রান্তকারীদের মদদপুষ্ট হয়ে এই আইন নিয়েই লাগাতার সংবাদ প্রকাশ করছে দৈনিকটি। 

সূত্রটি বলছে, আজ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে প্রথম আলোর নিবন্ধন বাতিল এবং চক্রান্তকারীদের শাস্তির দাবিতে যে মানব-বন্ধন হলো সে সম্পর্কে কোনো সংবাদ করেনি প্রথম আলো। অথচ বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সে খবর ভাসছে। প্রথম আলোর শ্লোগান- সত্যের সন্ধানে প্রথম আলো, তবে আজকের দিনের এমন একটি সত্য ঘটনার সন্ধান কি জানে না প্রথম আলো? নাকি সত্যের সন্ধান থেকে বিরত থেকে মিথ্যা অপপ্রচার শুরু করেছে দৈনিকটি? প্রশ্ন হলো, দেশে প্রথম আলো ছাড়াও আরও অনেক সংবাদ মাধ্যম রয়েছে। কিন্তু একমাত্র প্রথম আলোই এই আইনী বিষয়টি নিয়ে বেশি মাতামাতি করছে, কিন্তু কেন? কার এজেন্ডা বাস্তবায়নে নেমেছে প্রথম আলো?                    

বৃহস্পতিবার (৬ এপ্রিল) প্রথম আলোতে প্রকাশিত মির্জা ফখরুলের বক্তব্য, ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনকে এখনো অনেকে গুরুত্ব সহকারে নিচ্ছেন না বলে হতাশা প্রকাশ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, ‘যে জাতি নিজে উঠে দাঁড়াতে পারে না, সে জাতিকে কে দাঁড় করাবে। আপনাদের (সাংবাদিক) বলছি, আপনারা কেউই বাঁচবেন না।’ আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল ইসলাম এই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। গত সোমবার বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দলের নীতিনির্ধারণী পর্ষদ স্থায়ী কমিটির ভার্চ্যুয়াল সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহ জানাতে এ সংবাদ সম্মেলন করা হয়।’ 

‘মির্জা ফখরুল জানান, স্থায়ী কমিটির সভায় নিবর্তনমূলক আইন ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত হয়। সভায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রয়োগ করে জনগণের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা হরণ, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হরণ, সাংবাদিক এবং নাগরিকদের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার ও নির্যাতনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়। সভায় প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান, যায়যায়দিন সম্পাদক শফিক রেহমান, দৈনিক সংগ্রাম পত্রিকার সম্পাদক আবুল আসাদ, আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমানসহ অন্যান্য সাংবাদিক এবং নাগরিকদের নির্যাতনের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। অবিলম্বে এই নিবর্তনমূলক কালো আইন ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করার দাবি জানায় স্থায়ী কমিটি।’- প্রথম আলোর সংবাদে প্রকাশ করা হয়েছে।  

সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র বলছে, জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তর বাংলাদেশের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে সরকারের কাছে যে সুপারিশমালা পাঠিয়েছে, তাতে আইনটির দুটি ধারা (২১ ও ২৮) পুরোপুরি বাতিল এবং আটটি সংশোধনের কথা বলা হয়েছে। এসব ধারার বেশির ভাগ বাক্‌স্বাধীনতা ও সাংবাদিকতার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এবং আন্তর্জাতিক নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার সনদের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তর। 

এ প্রসঙ্গে বৃহস্পতিবার (৬ এপ্রিল) ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের যে দুটি ধারা বাতিলের সুপারিশ করেছে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তর, সেই ধারা দুটি বাতিল করা হবে না বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। একই সঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেছেন, কোনো অভিযোগ ওঠার সঙ্গে সঙ্গেই গ্রেপ্তার এবং অপব্যবহার বন্ধে আইনের কিছু সংস্কারের বিষয়ে সরকার আলোচনা করছে।

আইনমন্ত্রী বলেন, ২১ ধারায় মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, জাতির পিতা, জাতীয় সংগীত বা জাতীয় পতাকার মর্যাদা রক্ষার কথা বলা হয়েছে। এই বিষয়গুলোতে মানুষের আবেগ-অনুভূতি রয়েছে। কিন্তু দেশের ভিত্তির এই বিষয়গুলো নিয়ে কটাক্ষ করে স্বাধীনতা বিরোধীরা একটা অরাজক পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করে থাকে। সে জন্য সরকার এই ধারা বাতিল করবে না।

অন্যদিকে ধর্মীয় মূল্যবোধ রক্ষার কথা বলা রয়েছে ২৮ ধারায়। আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, দেশে বিভিন্ন সময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট দিয়ে ধর্মীয় মূল্যবোধ বা অনুভূতিতে আঘাত করে বা উসকানির মাধ্যমে একটা অস্থির পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করা হয়েছে। ফলে ধর্মীয় মূল্যবোধ রক্ষার এই ধারাও কোনোভাবে বাতিল করা যাবে না বলে সরকার মনে করছে।

এসব বিষয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, একটি দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বকে কটাক্ষ করে কথা বা উদ্ধৃতি করা, এটা রীতিমতো রাষ্ট্রদ্রোহিতা। এ ধরনের রাষ্ট্রদ্রোহিদের এদেশে থাকারই কোনো অধিকার নেই। যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে- তারা এই দেশে না থাকলেই পারেন। যে দেশ তাদের পছন্দ- তারা সে দেশে চলে যেতেই পারেন। এ দেশের স্বাধীনতা- সার্বভৌমত্ব নিয়ে কোনো ধরনের ষড়যন্ত্র মেনে নেওয়া হবে না। 

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা আরও বলছেন, বর্তমান সরকার যে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রেখেছে, সেই ধারা অব্যাহত থাকলে বিশ্বের অনেক দেশকেই টপকে যাবে বাংলাদেশ। সে কারণে আমাদের দেশীয় সরকার বিরোধী চক্রকে কাজে লাগিয়ে একটি ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ বিরোধী একটি দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক মহল। সরকার যে আইনগুলো প্রণয়ন করছে, তারই প্রেক্ষাপটে দেশকে রক্ষা করতেই সে আইনগুলো করা হচ্ছে। কাজেই এসব আইনের বিরোধীতা করে কোনো ফলাফল আশা করাটা ঠিক হবে না। যেহেতু প্রথম আলোর নিবন্ধন বাতিল দাবি করে আন্দোলন হচ্ছে, এখন দেখার বিষয় আর কতদিন এ ধরনের মিথ্যাচার করে হীন ষড়যন্ত্র চালায় প্রথম আলো? 


ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন   প্রথম আলো   বিএনপি  


মন্তব্য করুন


প্রেস ইনসাইড

চাটমোহর উপজেলা প্রেসক্লাবের নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা

প্রকাশ: ০৫:২৯ পিএম, ০৩ জুন, ২০২৪


Thumbnail

পাবনার চাটমোহর প্রেসক্লাবের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন আগামী ২৯ জুন (শনিবার) অনুষ্ঠিত হবে। লক্ষ্যে নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। রোববার (০২ জুন) বিকেলে প্রেসক্লাব চত্বরে এক অনুষ্ঠানে তফসিল ঘোষণা করেন চাটমোহর প্রেসক্লাব নির্বাচনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার এম জিন্নাহ।

সময় প্রেসক্লাব নির্বাচন কমিশনের সদস্য বিপ্লব আচার্য্য, জাহাঙ্গীর আলম মধু, জ্যৈষ্ঠ সাংবাদিক আব্দুল মান্নান পলাশ, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি রকিবুর রহমান টুকুন, হেলালুর রহমান জুয়েল, সাবেক সহ-সভাপতি ইশারত আলীসহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ জুন, খসড়া ভোটার তালিকা আপত্তি গ্রহণ নিরসন জুন, চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ জুন, মনোনয়নপত্র উত্তোলন জমা জুন থেকে ১১ জুন, মনোনয়নপত্র বাছাই ১২ জুন, মনোনয়নপত্র আপত্তি নিরসন ১৪ জুন, মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার ১৯ জুন, চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ২১ জুন এবং নির্বাচন ২৯ জুন।

নির্বাচনে ৯টি পদে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। পদগুলো হলো সভাপতি, সহ-সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, সহ-সাধারণ সম্পাদক, অর্থ সম্পাদক, দপ্তর সম্পাদক, প্রচার সম্পাদক, সাহিত্য প্রকাশনা সম্পাদক এবং কার্যকরী সদস্য।

উল্লেখ্য, ১৯৯০ সালে চাটমোহর প্রেসক্লাবের যাত্রা শুরু হয়।


প্রেসক্লাব   নির্বাচন   তফসিল   কমিটি  


মন্তব্য করুন


প্রেস ইনসাইড

মুকসুদপুর প্রেসক্লাবের নতুন কমিটি ঘোষণা

প্রকাশ: ০৬:০৩ পিএম, ০২ জুন, ২০২৪


Thumbnail

গোপালগঞ্জ এর মুকসুদপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী সাংবাদিক সংগঠন মুকসুদপুর প্রেস ক্লাবের ২০২৪-২০২৬ মেয়াদের নতুন কার্যকরি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

শনিবার (১ জুন) রাতে মুকসুদপুর প্রেসক্লাব ভবনে অনুষ্ঠিত এক সমাবেশে ক্লাবের উপস্থিত সদস্যদের কণ্ঠভোটে এই নতুন কমিটি গঠন করা হয়।কমিটিতে দৈনিক নবরাজ প্রতিনিধি হুজ্জাত হোসেন লিটুকে সভাপতি এবং মুকসুদপুর সংবাদ সম্পাদক হায়দার হোসেনকে সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়। 

২১সদস্য বিশিষ্ট এই কার্যকরি কমিটিতে দৈনিক যায়যায়দিনের মোহাম্মদ ছিরু মিয়া, দৈনিক আমার সংবাদ এর সরদার মজিবুর রহমান সহ-সভাপতি এবং দৈনিক ভোরের কাগজ এর কাজী ওহিদুল ইসলাম এবং দৈনিক নবরাজ এর হাদীউজ্জামান হাদী এবং দৈনিক বাঙ্গালীর কণ্ঠ এর শরীফুল রোমান যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। এছাড়া দৈনিক ঢাকা প্রতিদিন এর হাফিজুর রহমান লেবু সাংগঠনিক সম্পাদক, দৈনিক আমাদের সময় এর দেলোয়ার হোসেন দপ্তর সম্পাদক, দৈনিক ভোরের পাতা’র হুসাইন কবির প্রচার সম্পাদক, দৈনিক মাতৃভুমি’র লুৎফর রহমান মোল্যা অর্থ সম্পাদক, সিএনএন বাংলা টিভি’র  সামচুল আরেফিন মুক্তা তথ্য প্রযুক্তি সম্পাদক, মুকসুদপুর সংবাদের কামরুজ্জামান কামাল ক্রীড়া সম্পাদক, দৈনিক গণজাগরন রবিউল খন্দকার ধর্ম সম্পাদক নির্বাচিত হন।

এছাড়াও নির্বাহী সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন সময় এর তৌহিদুল হক বকুল, বাংলার নয়ন এর মহিউদ্দীন আহম্মেদ মুক্ত, বঙ্গটিভি সাব্বির মিয়া, দৈনিক জনকণ্ঠ এর মেহের মামুন, দৈনিক কালেরকণ্ঠ এর পরেশ বিশ্বাস এবং মধুমতি কণ্ঠ এর আবুবক্কর মিয়া নির্বাচিত হয়েছেন।

এর আগে সন্ধ্যায় মুকসুদপুর প্রথম অধিবেশনে বার্ষিক সাধারণ সভায় মোহাম্মদ ছিরু মিয়ার সভাপতিত্বে ওই সভায় পুরোনো কমিটি বিলুপ্ত করে দেওয়া হয়।

২য় অধিবেশনে প্রবীণ সদস্য তৌহিদুল হক বকুলের সভাপতিত্বে উম্মুক্ত এবং প্রকাশ্য কণ্ঠভোটে আগামী ২ বছরের জন্য কার্যকরি কমিটি গঠন করা হয়।


প্রেসক্লাব   নতুন কমিটি  


মন্তব্য করুন


প্রেস ইনসাইড

পাঁচশ কোটি এবং পাঁচ শর্তে প্রথম আলো বিক্রিতে রাজি মিডিয়া স্টার

প্রকাশ: ০২:০০ পিএম, ৩১ মে, ২০২৪


Thumbnail

প্রথম আলো বিক্রির প্রক্রিয়া মাঝখানে থেমে যাওয়ার পর আবার নতুন করে শুরু হয়েছে। বুধবার এবং বৃহস্পতিবার গুলশানের একটি বাসায় প্রথম আলো বিক্রির ব্যাপারে আলাদা আলাদা দুটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে বাংলা ইনসাইডারের কাছে নিশ্চিত তথ্য আছে। এই বৈঠকে মিডিয়া স্টারের সিংহ মালিকের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

গত বুধবারের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন স্কয়ার গ্রুপের ঊর্ধ্বতন কয়েকজন কর্মকর্তা এবং একজন পরিচালক। তারা প্রথম আলো বিক্রির প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করেন। একই ধরনের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় একই বাড়িতে বৃহস্পতিবার। ওই বৈঠকে এস আলম গ্রুপের কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা এবং একজন পরিচালক উপস্থিত ছিলেন। ওই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর একজন প্রভাবশালী উপদেষ্টার প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। ছিলেন একজন ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। প্রথম আলোর মালিক প্রতিষ্ঠান মিডিয়া স্টারের পক্ষ থেকে তিন জন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন এবং এই বৈঠকগুলোতে মিডিয়া স্টারের সিংহভাগ মালিকানায় থাকা সিমিন রহমান টেলিফোনে কথা বলেন বলে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া গেছে।

আরও পড়ুন: প্রথম আলো বিক্রি: দর কষাকষিতে চারটি শিল্প গ্রুপ

গত বুধবারের বৈঠকে স্কয়ার গ্রুপের কাছে প্রথম আলো বিক্রির আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পেশ করা হয়। এই প্রস্তাবে বলা হয়েছে, প্রথম আলোর বর্তমান বাজার মূল্য পাঁচশ কোটি টাকার বেশি। তারা প্রথম আলোর ৭৩ শতাংশ শেয়ার বিক্রির জন্য পাঁচশ কোটি টাকা মূল্য নির্ধারণ করেছেন।

এ ছাড়াও যে প্রতিষ্ঠান বা যিনি প্রথম আলো কিনবেন তার জন্য পাঁচটি শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে। শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে-

প্রথমত, প্রথম আলোর মিডিয়া স্টারের সিংহভাগ শেয়ার যিনি কিনবেন তিনি প্রথম আলোর সম্পাদকীয় নীতি পরিবর্তন করবেন না বা করা যাবে না।

দ্বিতীয়ত, সম্পাদক বা অন্য কোন সংবাদকর্মীকে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অযৌক্তিক কারণে চাকরিচ্যুত করা যাবে না।

তৃতীয়ত, প্রথম আলো সামাজিক দায়বদ্ধ কর্মসূচি, যেমন- দুর্গতদের পাশে দাঁড়ানো, কম্বল বিতরণ- যে সমস্ত কার্যক্রমগুলো প্রথম আলো ট্রাস্ট এর মাধ্যমে সংঘটিত হচ্ছে সেগুলোকে অব্যাহত রাখতে হবে।

চতুর্থত, প্রথমা, বন্ধুসভা, কিশোর আলোর মত প্রথম আলোর অন্যান্য উদ্যোগগুলোকে বন্ধ করা যাবে না। সেগুলোকে অব্যাহত রাখতে হবে।

পঞ্চমত, সম্পাদক ও প্রকাশকের শেয়ার বিক্রি হবে না। প্রথম আলোতে সম্পাদক ও প্রকাশক মতিউর রহমানের একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ শেয়ার আছে। এছাড়া বাকি শেয়ারগুলো ট্রান্সকম গ্রুপের মালিকদের। লতিফুর রহমানের মৃত্যুর পর মিডিয়া স্টারে সিমিন রহমান ছাড়াও তার মা শাহনাজ রহমান  এবং বোন শাযরেহ হকের শেয়ার রয়েছে।

আরও পড়ুন: ট্রান্সকমের বিরোধ: বিক্রি হচ্ছে প্রথম আলো?

এই শেয়ারগুলোর মধ্যে সিমিন রহমান, তার ছোট বোন শাযরেহ হক এবং মা শাহনাজ রহমানের শেয়ারগুলো বিক্রি হবে বলে জানা গেছে এবং সেই বিক্রি প্রক্রিয়ার মধ্যে বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানের সাথে প্রাথমিক আলাপ-আলোচনা হয়েছিল। প্রথমে প্রথম আলো কেনার জন্য ৭ থেকে ১০টি প্রতিষ্ঠান আগ্রহী হলেও এখন দুটি প্রতিষ্ঠানের সাথে চূড়ান্ত আলাপ-আলোচনা চলছে।

উল্লেখ্য যে, লতিফুর রহমানের মৃত্যুর পর ট্রান্সকম গ্রুপের মালিকানা নিয়ে বিরোধ আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে। ট্রান্সকমের বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা জামিনে রয়েছেন। গত পরশুদিন তাদের রিমান্ডে নেওয়ার জন্য আবেদন করা হয়েছিল।কিন্তু আদালত রিমান্ডের আবেদন নামঞ্জুর করেছেন। আর এই পারিবারিক বিরোধের কারণেই প্রথম আলো বিক্রি হবে বলে একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে যে, স্কয়ার এবং এস আলম গ্রুপ- দুইজনকেই প্রথম আলোর শর্তগুলো দেওয়া হয়েছে। এখন তারা নিজেদের মধ্যে আলাপ-আলোচনা করে এ নিয়ে আবারও বৈঠক করবে বলে জানা গেছে।


প্রথম আলো   এস আলম গ্রুপ   স্কয়ার গ্রুপ  


মন্তব্য করুন


প্রেস ইনসাইড

প্রতিদিনের বাংলাদেশে বেনজীর আহমেদের সংবাদ 'ব্ল্যাকআউট'

প্রকাশ: ০৯:০৭ পিএম, ২৯ মে, ২০২৪


Thumbnail

গত এক সপ্তাহ ধরে বাংলাদেশের সংবাদপত্র গুলোতে সাবেক পুলিশ প্রধান বেনজীর আহমেদের দুর্নীতির বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক সংবাদ প্রকাশিত হলেও একটি সংবাদপত্র বিষয়টি নিয়ে মৌনব্রত অবলম্বন করছে। সেই সংবাদপত্রটির নাম হল ‘দৈনিক প্রতিদিনের বাংলাদেশ।’ 

এই সংবাদপত্রটি গত ২৩ মে থেকে আজ ২৯ মে পর্যন্ত বেনজীর আহমেদের ঘটনা নিয়ে একটি সংবাদও প্রকাশ করেনি। বেনজীর আহমেদ সম্পর্কিত সমস্ত সংবাদ পত্রিতাটিতে ব্ল্যাকআউট করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ২৩ মে বেনজীরের সম্পত্তি ক্রোক করার আদেশ দেওয়া হলে পরের দিন ২৪ মে দেশের প্রথম সারির পত্রিকা প্রথম আলো, কালবেলা, বাংলাদেশ প্রতিদিন সহ সব পত্রিকাই ‘সাবেক আইজিপি বেনজীরের সম্পদ জব্দের আদেশ’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করলেও প্রতিদিনের বাংলাদেশ পত্রিকায় বেনজীরের কোন সংবাদ পাওয়া যায়নি।

প্রতিদিনের বাংলাদেশ এর গত শুক্রবার (২৪ মে) থেকে আজ বুধবার (২৯ মে) পর্যন্ত প্রতিটি সংস্করণ বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ২৪ মে পত্রিকার প্রধান শিরোনাম করেছিল ‘সন্দেহে এক সাবেক এমপি’। যেখানে প্রথম আলো ‘বেনজীরের সম্পদ জব্দ করার আদেশ’ শিরোনামে প্রধান সংবাদ প্রকাশ করেছিল। অন্যান্য সংবাদপত্র গুলোও বেনজীরের সম্পদ জব্দের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

এরপর গতকাল মঙ্গলবার (২৮ মে) দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে বেনজীরকে তলব করে চিঠি দিলে আজকেও দেশের সকল সংবাদপত্র বিভিন্ন শিরোনামে বেনজীরকে দুদকের তলব- এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করলেও প্রতিদিনের বাংলাদেশ এই বিষয়টি নিয়ে কোন সংবাদই প্রকাশ করেনি। এভাবে গত শুক্রবার (২৪ মে) থেকে শুরু করে আজ বুধবার (২৯ মে) পর্যন্ত সংবাদপত্রটির প্রতিটি সংস্করণ বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, এ সময় সাবেক পুলিশ প্রধান বেনজীর আহমেদের দুর্নীতি নিয়ে কোন সংবাদই পত্রিকাটি প্রকাশ করেনি।

আজ বুধবার (২৯ মে) পত্রিকাটি প্রধান শিরোনাম করেছে ‘প্রকট হচ্ছে ক্ষতের গভীরতা’। গতাকল মঙ্গলবার (২৮ মে) প্রধান শিরোনাম করেছিল ‘বিধ্বস্ত উপকূলে মানুষের হাহাকার; এর আগের দিন রোববার (২৬ মে) ‘অহেতুক ব্যয়বহুল প্রকল্প আর নয়’। এভাবে পত্রিকাটির প্রতিটি সংস্করণ ধরে ধরে খোঁজ করে দেখা গেছে যে, প্রধান শিরোনাম তো দূরের কথা, কোন পৃষ্টাতেও বেনজীর আহমেদের কোন সংবাদই পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য যে, রংধনু গ্রুপ ‘দৈনিক প্রতিদিনের বাংলাদেশ’ পত্রিকার কর্ণধার। এর সম্পাদক হলেন মুস্তাফিজ শফি এবং প্রকাশক হলেন কাউসার আহমেদ অপু। 

প্রতিদিনের বাংলাদেশ   বেনজীর আহমেদ  


মন্তব্য করুন


প্রেস ইনসাইড

বাংলাদেশ ব্যাংককে কঠোর হুঁশিয়ারি সাংবাদিকদের

প্রকাশ: ০৭:০৮ পিএম, ১৫ মে, ২০২৪


Thumbnail

বাংলাদেশ ব্যাংকে সাংবাদিক প্রবেশে আরোপিত কড়াকড়ি প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে সম্পাদক ও সাংবাদিক নেতারা। তা না হলে আগামীতে বড় ধরনের আন্দোলনের হুমকি দেন সাংবাদিক নেতারা।

বুধবার (১৫ মে) রাজধানীর পুরানা পল্টন অর্থনৈতিক সাংবাদিকদের সংগঠন ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ)  সাংবা‌দিক নেতারা এসব কথা বলেন। 

‘সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকারে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিষেধাজ্ঞা আরোপ বিষয়ে সাংবাদিক নেতৃবৃন্দকে অবহিতকরণ’ বিষয়ক এক সভার আয়োজন করা হয়। ইআরএফ সভাপতি রেফায়েত উল্লাহ মীরধার সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সংগঠনটির সম্পাদক আবুল কাশেম। ইআরএফ সভাপতি ব‌লেন, গত দেড় মা‌সের বে‌শি সময় ধ‌রে বাংলাদেশ ব্যাংকে সাংবাদিক প্রবেশাধিকারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হ‌য়ে‌ছে। ইতোম‌ধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স‌ঙ্গে একাধিকবার যোগা‌যোগ করা হ‌য়ে‌ছে। কিন্তু কো‌নো সুরাহা হয়‌নি। এমন প‌রি‌স্থি‌তি‌তে তথ্য সংগ্রহে বাধা ও অবাধ প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা তু‌লে নি‌তে কী কর‌তে পা‌রি এ বিষয় পরামর্শ ও মতামত নি‌তে এ আয়োজন করা হ‌য়ে‌ছে। রাজ‌নৈ‌তিক মতাদ‌র্শের ঊর্ধ্বে থে‌কে সাংবা‌দিক‌দের স্বার্থে সবাইকে পরামর্শ দেওয়ার আহ্বান জানান ইআরএফ সভাপতি।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন- জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন-বিএফইউজের সভাপতি রুহুল আমিন গাজী, মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী, ইআরএফের প্রতিষ্ঠাকালীন আহ্বায়ক ও ইং‌রে‌জি দৈ‌নিক দ্য ফাইন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসের সম্পাদক শামসুল হক জাহিদ, ইআরএফের সা‌বেক সভাপ‌তি ম‌নোয়ার হো‌সেন, বেসরকারি বার্তা সংস্থা ইউনাইটেড নিউজ অব বাংলাদেশের (ইউএনবি) উপদেষ্টা সম্পাদক ফরিদ হোসেন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন- ডিইউজের (একাংশ) সভা‌প‌তি সো‌হেল হায়দায় চৌধুরী, সাজ্জাদ আলম খান তপু, ডিইউজের অপর অংশের সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সভাপতি সৈয়দ শুকুর আলী শুভ, সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন ম‌হি, ইআরএফের সি‌নিয়র সদস্য সো‌হেল মঞ্জুর, ইআরএফের সা‌বেক সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান, এস এম রাশিদুল ইসলাম প্রমুখ।

বাংলাদেশ ব্যাংক   সাংবাদিক  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন