ইনসাইড গ্রাউন্ড

আইপিএলের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি মেডেন ওভার কোন বোলারের?

প্রকাশ: ০৯:০৪ এএম, ০৪ মে, ২০২৩


Thumbnail

ডট বল প্রেসার। যত দক্ষ কিংবা ডাকাবুকো ব্য়াটারই হোক না কেন, ডট বলের চাপ থেকে বেরোতে অনেক সময়ই উইকেট উপহার দিয়ে আসেন। অনেক ক্ষেত্রেই হয়, এক প্রান্ত থেকে কোনও বোলার চাপ তৈরি করেন, তবে তাঁর ঝুলিতে উইকেট আসে না। তবে দলের জন্য তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়ায়। তিনি উইকেট না পেলেও উল্টো প্রান্তের বোলারের জন্য় মঞ্চ তৈরি করে রাখেন। 

টেস্ট ক্রিকেটে মেডেন ওভার জল-ভাত। ওডিআই ফরম্য়াটেও নতুন বলে মেডেন ওভার হামেশাই দেখা যায়। তবে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে! খুবই কঠিন কাজ। আর আইপিএলের মঞ্চে এর গুরুত্ব অনেক বেশি। বিশ্বের সেরা ব্য়াটাররা অংশ নিয়ে থাকেন। তাদের বিরুদ্ধে মেডেন ওভার সহজ কথা নয়। আইপিএলের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি মেডেন ওভার কে করেছেন! আর কারা রয়েছেন, মেডেন ওভারের তালিকায়?

আইপিএলের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি মেডেন ওভার যে বোলার করেছেন, তিনি অবশ্য এখন আর আইপিএল খেলেন না। উদ্বোধনী আইপিএল থেকে ২০১৭ সাল অবধি খেলেছেন তিনি। প্রবীণ কুমার। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে সব মিলিয়ে ১১৯ ম্য়াচ খেলেছেন প্রবীণ কুমার। বোলিং করেছেন মোট ৪২০ ওভার। উইকেট রয়েছে ৯০টি। কিন্তু তাঁর নিখুঁত লাইন লেন্থ, স্লোয়ারের বিরুদ্ধে জোরালো শট খেলার সহজ ছিল না। প্রবীণ কুমার তেমনই একজন বোলার। ১১৯ ম্যাচে ৪২০ ওভারের মধ্যে ১৪টি মেডেন ওভার। আইপিএলের ইতিহাসে প্রবীণ কুমারই সবচেয়ে বেশি মেডেন ওভার দিয়েছেন।

দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন ভুবনেশ্বর কুমার। তিনি অবশ্য এখনও খেলেন। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের ভরসা যোগ্য এই মিডিয়াম পেসার আইপিএলে খেলেছেন ১৫৪টি ম্য়াচ। আজও কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে নামতে চলেছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। ভুবির কাছে সুযোগ রয়েছে সংখ্যা বাড়িয়ে নেওয়ার। যদিও খুবই কঠিন কাজ। ২০১১ সাল থেকে আইপিএলে ১৫৪ ম্যাচে ৫৭০ ওভারের মতো। এর মধ্যে এক ডজন মেডেন ওভার রয়েছে ভুবির। তাঁর পরেই রয়েছেন রাজস্থান রয়্য়ালসের বাঁ হাতি পেসার ট্রেন্ট বোল্ট। ২০১৫ সাল থেকে খেলছেন। মাত্র ৮৫ ম্য়াচে ৩২৬ ওভারের মতো বোলিং করেছেন। এর মধ্য়ে ১১টি মেডেন ওভার করেছেন ট্রেন্ট বোল্ট।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

অবশেষে মাঠে গড়ালো আর্জেন্টিনা-কলম্বিয়ার শিরোাপার লড়াই

প্রকাশ: ০৭:৩৫ এএম, ১৫ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

মঞ্চটা প্রস্তুতই ছিল। বাকি ছিল শুধু আনুষ্ঠানিকতা। তবে সেই উৎসবে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল সমর্থকেরা। কারণ, জমজমাট ফাইনালের মঞ্চে সাক্ষী হতে বিনা টিকিটে স্টেডিয়ামে প্রবেশ করে তারা। তাতেই তিন দফা পিছিয়ে যায় ফাইনালের সময়। অবশেষে সেসব নাটকীয়তা শেষে মাঠে গড়াল আর্জেন্টিনা-কলম্বিয়ার বহুল প্রতিক্ষিত ফাইনাল ম্যাচটি।

মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে কোপা আমেরিকার ৪৮তম আসরের ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছে দুই দল। ম্যাচটি নির্ধারিত সময়ের সোয়া ১ ঘণ্টা পর শুরু হয়েছে।

এর আগে স্টেডিয়ামে খেলোয়াড়দের প্রবেশের সময় উচ্ছৃঙ্খল কলম্বিয়ান ভক্তদের তোপের মুখে পড়ে হার্ড রক স্টেডিয়ামের নিরাপত্তাকর্মীরা। কলম্বিয়ান অধ্যুষিত সেই অঞ্চলের অনেকেই ফাইনালের ভেন্যুতে প্রবেশের চেষ্টা চালান। ফলে তৈরি হয় এক বিশৃঙ্খল পরিবেশের।

স্টেডিয়ামের নিরাপত্তাকর্মীরা বাধ্য হন টিকিটবিহীন কলম্বিয়ান ভক্তদের ওপর চড়াও হতে। প্রটোকল অবশ্য পুরোপুরি মানতে পারেননি হার্ড রক স্টেডিয়ামের নিরাপত্তায় থাকা পুলিশেরা। কলম্বিয়ান ভক্তদের অনেকেই ঢুকে পড়েছেন বিনা টিকিটে। পুরো বিষয়টি নিয়েই সেখানে তৈরি হয় জটিল পরিস্থিতির। ফাইনালকে কেন্দ্র করে বাড়তি ব্যবস্থা নিয়েও বিতর্ক এড়াতে পারেনি কনমেবল।

চরম বিপাকের মাঝে পড়ে আয়োজকরা তাৎক্ষণিকভাবে স্টেডিয়ামের গেট বন্ধ করে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এরপর তিন দফায় সময় পেছায় আয়োজকরা।

আর্জেন্টিনা একাদশ: ইমিলিয়ানো মার্টিনেজ (গোলরক্ষক), গঞ্জালো মন্টিয়েল, ক্রিস্টিয়ান রোমেরো, লিসান্দ্রো মার্টিনেজ, নিকোলাস ট্যাগলিয়াফিকো, অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া, রদ্রিগো ডি পল, এঞ্জো ফার্নান্দেজ, ম্যাক অ্যালিস্টার, লিওনেল মেসি ও জুলিয়ান আলভারেজ।

কলম্বিয়া একাদশ: ক্যামিলো ভার্গাস (গোলরক্ষক), সান্তিয়াগো আরিয়াস, সান্তিয়াগো আরিয়াস, ডেভিনসন স্যানচেজ, জোহান মোজিকা, রিচার্ড রিওস, জেফারসন লের্মা, জন আরিয়াস, জেমস রদ্রিগেজ, লুইস দিয়াজ ও জন করদোবা।


আর্জেন্টিনা   কোপা আমেরিকা   কানাডা   লিও মেসি   আলভারেজ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

আর্জেন্টিনা-কলম্বিয়ার ফাইনাল ম্যাচের সময় পেছালো

প্রকাশ: ০৬:৪৪ এএম, ১৫ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

অবশেষে দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর শুরু হচ্ছে কোপা আমেরিকার ৪৮তম আসরের শিরোপার লড়াই। যেখানে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হবে ২৩ বছর পর ফাইনালে ওঠা কলম্বিয়া। ম্যাচটিতে যে জমজমাট লড়াই হবে, তা অনুমেয়।

ম্যাচটি শুরু হওয়ার কথা ছিল বাংলাদেশ সময় ভোর ৬টায়। কিন্তু হাই-ভোল্টেজ ফাইনালটি আধাঘণ্টার জন্য পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, স্টেডিয়ামে খেলোয়াড়দের প্রবেশের সময় উচ্ছৃঙ্খল কলম্বিয়ান ভক্তদের তোপের মুখে পড়ে মায়ামির হার্ডরক স্টেডিয়ামের নিরাপত্তাকর্মীরা। কলম্বিয়ান অধ্যুষিত সেই অঞ্চলের অনেকেই ফাইনালের ভেন্যুতে প্রবেশের চেষ্টা চালান। ফলে তৈরি হয় এক বিশৃঙ্খল পরিবেশের।

স্টেডিয়ামের নিরাপত্তাকর্মীরা বাধ্য হন টিকিটবিহীন কলম্বিয়ান ভক্তদের ওপর চড়াও হতে। প্রটোকল অবশ্য পুরোপুরি মানতে পারেননি হার্ড রক স্টেডিয়ামের নিরাপত্তায় থাকা পুলিশেরা। কলম্বিয়ান ভক্তদের অনেকেই ঢুকে পড়েছেন বিনা টিকিটে। পুরো বিষয়টি নিয়েই সেখানে তৈরি হয় জটিল পরিস্থিতির। ফাইনালকে কেন্দ্র করে বাড়তি ব্যবস্থা নিয়েও বিতর্ক এড়াতে পারেনি কনমেবল।

চরম বিপাকের মাঝে পড়ে আয়োজকরা তাৎক্ষণিকভাবে স্টেডিয়ামের গেট বন্ধ করে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার পর হার্ড রক স্টেডিয়ামে ফাইনাল পিছিয়ে দেওয়া হয় আধঘন্টার জন্য।

আর্জেন্টিনা একাদশ: ইমিলিয়ানো মার্টিনেজ (গোলরক্ষক), গঞ্জালো মন্টিয়েল, ক্রিস্টিয়ান রোমেরো, লিসান্দ্রো মার্টিনেজ, নিকোলাস ট্যাগলিয়াফিকো, অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া, রদ্রিগো ডি পল, এঞ্জো ফার্নান্দেজ, ম্যাক অ্যালিস্টার, লিওনেল মেসি ও জুলিয়ান আলভারেজ।

কলম্বিয়া একাদশ: ক্যামিলো ভার্গাস (গোলরক্ষক), সান্তিয়াগো আরিয়াস, সান্তিয়াগো আরিয়াস, ডেভিনসন স্যানচেজ, জোহান মোজিকা, রিচার্ড রিওস, জেফারসন লের্মা, জন আরিয়াস, জেমস রদ্রিগেজ, লুইস দিয়াজ ও জন করদোবা।


কোপা আমেরিকা   ফাইনাল   আর্জেন্টিনা   কলম্বিয়া  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

‘দ্য ফাইনাল ম্যান’কে রেখেই শিরোপার লড়াইয়ে আর্জেন্টিনা

প্রকাশ: ০৬:০৮ এএম, ১৫ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

অবশেষে দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর শুরু হচ্ছে কোপা আমেরিকার ৪৮তম আসরের শিরোপার লড়াই। যেখানে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হবে ২৩ বছর পর ফাইনালে ওঠা কলম্বিয়া। ম্যাচটিতে যে জমজমাট লড়াই হবে, তা অনুমেয়।

সোমবার মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হচ্ছে দুদল। ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় ভোর সাড়ে ৬টায়। আর খেলা দেখাবে টি-স্পোর্টস।

শিরোপার মঞ্চে আর্জেন্টিনার হয়ে আজই শেষ ম্যাচ খেলবেন অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া। তাকে নিয়ে একাদশ সাজিয়েছেন আর্জেন্টাইন কোচ স্কালোনি। ম্যাচটিতে ৪-৪-২ ফরম্যাশনে মাঠে নামছে আর্জেন্টিনা।

অন্যদিকে জেমস রদ্রিগেজ ও করদেবাদের নিয়ে সেরা একাদশ নিয়ে মাঠে নামছে কলম্বিয়া। তারা খেলছে ৪-২-৩-১ ফরম্যাশনে।

আর্জেন্টিনা একাদশ: ইমিলিয়ানো মার্টিনেজ (গোলরক্ষক), গঞ্জালো মন্টিয়েল, ক্রিস্টিয়ান রোমেরো, লিসান্দ্রো মার্টিনেজ, নিকোলাস ট্যাগলিয়াফিকো, অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া, রদ্রিগো ডি পল, এঞ্জো ফার্নান্দেজ, ম্যাক অ্যালিস্টার, লিওনেল মেসি ও জুলিয়ান আলভারেজ।

কলম্বিয়া একাদশ: ক্যামিলো ভার্গাস (গোলরক্ষক), সান্তিয়াগো আরিয়াস, সান্তিয়াগো আরিয়াস, ডেভিনসন স্যানচেজ, জোহান মোজিকা, রিচার্ড রিওস, জেফারসন লের্মা, ঝন আরিয়াস, জেমস রদ্রিগেজ, লুইস দিয়াজ ও জন করদোবা।


আর্জেন্টিনা   কোপা আমেরিকা   কানাডা   লিও মেসি   আলভারেজ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

ফের স্বপ্নভঙ্গ ইংল্যান্ডের, এক যুগ পর ইউরো চ্যাম্পিয়ন স্পেন

প্রকাশ: ০৩:০০ এএম, ১৫ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

দীর্ঘদিন শিরোপা বুভুক্ষ ইংল্যান্ড টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালে উঠেও শিরোপা খরা ঘুচাতে পারলো না। ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের মেগা ফাইনালের মঞ্চে শেষ পর্যন্ত লড়াই করেও স্পেনের কাছে ২-১ গোলে হেরেছে সাউথগেটের শিষ্যরা। আর এতে করে রেকর্ড চতুর্থ ইউরো শিরোপা জিতলো স্পেন।

এদিন শুরু থেকে দুই দলই খেলছিলো ঢিলেঢালা ফুটবল। যেন ফাইনালের উত্তাপটা একটু গায়ে মেখে নিতে চাইছিল তারা। এতে করে প্রথমার্ধে গোলের দেখা পায়নি কেউই।

তবে বিরতি থেকে ফিরে শুরুতেই এগিয়ে যায় স্পেন। তাতে আক্রমণে ধাচও বাড়ে দলটির। এরপর ৭৩ মিনিটে ইংল্যান্ড সেটা শোধও করে দেয়। তবে নির্ধারিত সময়ের একদম শেষ দিকের গোলে জয় পায় স্পেন। এই জয়ে এক যুগ পর ইউরোতে শিরোপা জয়ের স্বাদ পেলো লুইস ফুয়েন্তের শিষ্যরা।
 
বার্লিনে আজ ইউরোর ফাইনালে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়েছে স্পেন। নিকো উইলিয়ামস স্পেনকে এগিয়ে দেওয়ার পর কোল পালমারের গোলে সমতায় ফেরে ইংলিশরা। এরপর মিকেল ওয়ারজাবালের গোলে আবার লিড নেয় স্প্যানিশরা।

যে গোলের লিড ধরে রেখে শিরোপা জয়ের আনন্দে মাতে স্পেন। আর টানা দুইবার ফাইনালে উঠেও ইউরোর শিরোপা জেতা হলো না ইংলিশদের।


স্পেন   ইংল্যান্ড   ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

দ্বিতীয়ার্ধের প্রথম মিনিটেই স্পেনের লিড, ৭৩ মিনিটে পালমারের সমতা

প্রকাশ: ০২:৪৫ এএম, ১৫ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

কাইল ওয়াকারের ভুলে যখন ম্যাচ থেকে প্রায় ছিটকে পড়েছিল ইংল্যান্ড, ঠিক তখনই খেলোয়াড় বদল করে পুনরায় চমক দেখালেন সাউথগেট। চেলসিতে সবশেষ মৌসুমে দুর্দান্ত ছন্দে ছিলেন কোল পালমার। বলতে গেলে তাদের একমাত্র তারকাই ছিলেন এই ইংলিশ উইঙ্গার। যদিও ইউরোতে কোনো ম্যাচেই ছিলেন না শুরুর একাদশে। বদলি নেমেছেন বারবার। ফাইনালেও হলো তাই। আর সেই মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচেই এলো পালমারের পা থেকে দুর্দান্ত এক গোল।

ডানপ্রান্তে ফাঁকায় বল পেয়ে এগিয়ে গিয়েছিলেন বুকায়ো সাকা। মার্ক কুকুরেয়াকে পেছনে ফেলে বল দিয়েছিলেন বক্সে। ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেও সেই বল বক্সের বাইরে পালমারের উদ্দেশ্যে ঠেলে দেন জ্যুড বেলিংহাম। ফাঁকা অবস্থায় ডিবক্সের বাইরে থেকে জোরালো শটে গোল করেন কোল পালমার। ৪৬ মিনিটে গোল হজমের পর ৭৩ মিনিটে সমতায় ফিরল ইংল্যান্ড।

এদিন ম্যাচ প্রথমার্ধে গোলশূন্য ড্র হয়। তবে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ভুল করেন কাইল ওয়াকার। রাউন্ড অব সিক্সটিনের ম্যাচে তারই পজিশনের ভুলে লিড পেয়েছিল স্লোভাকিয়া। এবারও ঘটল তাই। দানি কার্ভাহালের কাছ থেকে বল পেয়ে লামিনে ইয়ামাল দিয়েছিলেন দুর্দান্ত এক রান। নিজের পজিশন তখনও পুরো আয়ত্বে আনা হয়নি কাইল ওয়াকারের। এগিয়ে এলেন আরও অনেকটা।

তাতেই ফাঁকা হয়ে যান নিকো উইলিয়ামস। ইয়ামালের পাস থেকে এরপর পিকফোর্ডকে পরাস্ত করেন নিচু এক শটে। মাঝে দানি ওলমোর ফলস রান বোকা বানালো ইংলিশ রক্ষণের সবাইকে। নিকো উইলিয়ামসের কাজটা তাতে হলো আরও সহজ। প্রথমার্ধের ম্যাড়ম্যাড়ে খেলার পর ফাইনালে লিড পেল স্পেন। দ্বিতীয়ার্ধের প্রথম মিনিটেই হলো গোল।

এই গোলে অ্যাসিস্টের মাধ্যমে চলতি ইউরোতে চতুর্থ অ্যাসিস্ট পেলেন লামিনে ইয়ামাল। সঙ্গে পেয়ে গেল আত্মবিশ্বাসও। ইউরোতে প্রথমে গোল করে শেষ ২৭ ম্যাচে মাত্র একবারই হেরেছিল স্পেন।

তবে পিছিয়ে পড়েও আবারও ফিরে এসেছে সাউথগেটের শিষ্যরা। আর সমতায় ফিরেই বেশ আক্রমণাত্মকভাবে খেলতে দেখা গেছে ইংল্যান্ডকে।


স্পেন   ইংল্যান্ড   ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন