ইনসাইড গ্রাউন্ড

পেসারদের নিয়েই ভরসা খুঁজবে বাংলাদেশ?

প্রকাশ: ০৯:০০ এএম, ২৩ মে, ২০২৩


Thumbnail

এমনিতে তেমন একটা টেস্টই খেলা হয় না আফগানিস্তানের। ২০১৮ সালের জুনে ভারতের বিপক্ষে অভিষেক টেস্ট খেলার পরের পাঁচ বছরে মাত্র চারটিই বড় দৈর্ঘ্যের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছে আফগানিস্তান। সর্বশেষ টেস্ট খেলেছে দুই বছরের বেশি সময় আগে। আবুধাবিতে জিম্বাবুইয়েকে হারানোর পর থেকেই চলতে থাকা আফগানদের টেস্ট বিরতিতে অবশেষে ছেদ পড়ছে আগামী ১৪ জুন।

মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে একমাত্র টেস্টে এই দলটির মুখোমুখি হওয়ার আগে অবশ্য বাংলাদেশ শিবিরে বারবারই হানা দিয়ে যাচ্ছে না শুকানো এক পুরনো ক্ষত। নিজেদের মাঠে ধীরগতির নিচু বাউন্সের স্পিন-সহায়ক উইকেট বানিয়ে উল্টো নিজেরাই বোকা বনে গিয়েছিল স্বাগতিকরা। অথচ নিশ্চিত সাফল্যের আশায় ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে একাদশে কোনো বিশেষজ্ঞ পেসার না নিয়েই নেমেছিলেন অধিনায়ক সাকিব আল হাসান।

শুরুতে এই সিদ্ধান্ত বাহবা পেলেও ২২৪ রানে হারের ধাক্কার পর ভীষণ সমালোচনাও হয়। ফলে এবার আফগানিস্তানের বিপক্ষে খেলার আগে সতর্ক অবস্থানে থাকতে চান প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন। দু-এক দিন আগেও বলতে শোনা গেছে, ‘এখানে কোনো পরীক্ষা-নিরীক্ষা হবে না। আফগানিস্তান খুব ভালো দল। যেহেতু আমাদের একটি খারাপ অভিজ্ঞতা আছে, গত টেস্ট মাচটি আমরা হেরেছি।

আগেরবার আমরা হেরেছিলাম আফগান স্পিনারদের কাছেই। তাদের স্পিন আক্রমণও ছিল বাংলাদেশের তুলনায় বৈচিত্র্যপূর্ণ। রশিদ খানের সঙ্গে আরেক লেগি কায়েস আহমেদ। চায়নাম্যান জহির খানের সঙ্গে অফস্পিনার মোহাম্মদ নবি।

শেষের জনের অবশ্য ক্যারিয়ারের বিদায়ি টেস্ট ছিল চট্টগ্রামের সেই ম্যাচ। সাড়ে তিন বছর পর আবার যখন বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলার অপেক্ষায় আফগানরা, তখনো স্পিন-সজ্জায় এক চুলও পিছিয়ে নেই তারা। রশিদও বরাবরই ভীষণ ভীতিকর বোলারই। আবার এই দলটির বিপক্ষে মাঠে নামার আগে স্পিন বৈচিত্র্যে আফগানদের অনেকটা এগিয়ে রাখতে কোনো দ্বিধা নেই আকরাম খানের। ২০১৯-র সেই হারের সময় বিসিবির ক্রিকেট অপারেশনস কমিটির প্রধান তিনিই ছিলেন। এখন তার ভূমিকা বদলে গেলেও এই সাবেক অধিনায়ক কাল মেয়র কাপ ক্রিকেটের উদ্বোধন করতে গিয়ে ফিরে গেলেন সেই হারে। একই সঙ্গে আফগান স্পিন আক্রমণকেও এগিয়ে রাখলেন, ‘ওরা সব সময় আমাদের চেয়ে স্পিনে ভালো। অসাধারণ কিছু স্পিনার আছে ওদের, যাদের পড়তে পারা কঠিন। ওদের সঙ্গে তাই উঁচুদরের ক্রিকেটই খেলতে হবে আমাদের।’

এবার ঢাকার মিরপুরে খেলা। এখানকার উইকেটও কম কুখ্যাত নয়। যদিও সর্বশেষ বিপিএল থেকে এই মাঠের উইকেট নিয়ে অভিযোগ কমেছে। ভারত ও আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে এই মাঠের শেষ দুই টেস্টের পারফরম্যান্স নিয়ে স্বাগতিক শিবিরে স্বস্তিও আছে। এবার সেখানে কি তাহলে স্পিনে এগিয়ে থাকা আফগানদের বিপক্ষে অন্য কোনো কৌশল নিয়ে নামবে বাংলাদেশ? এখনই জানার উপায় নেই। তবে সম্প্রতি পেস বোলিং বিভাগে স্বাবলম্বী হয়ে ওঠা বাংলাদেশ পেসারদের নিয়েই ঝাঁপিয়ে পড়বে না, তা কে বলতে পারে? চোটের জন্য সাকিব আল হাসানের অনুপস্থিতি প্রসঙ্গে আকরাম যেভাবে পেসারদের টেনে আনলেন, তাতে সে সম্ভাবনাও কম নয়, ‘আমাদের ভালো ব্যাকআপ আছে। তরুণরা আছে, ফাস্ট বোলিং বিভাগও তো এখন দারুণ আমাদের।’



মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

স্কটল্যান্ডকে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া, সুপার এইটে ইংল্যান্ড

প্রকাশ: ১০:৩৩ এএম, ১৬ জুন, ২০২৪


Thumbnail

ইংল্যান্ডের শঙ্কা জেগেছিল ছিটকে যাওয়ার। তবে অস্ট্রেলিয়ার জয়ে কপাল খুলে গেলো ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নদের। আর হৃদয় ভাঙলো স্কটল্যান্ডের ।

এদিন ১৮০ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়েও হেরে গেলো তারা। স্কটিশদের এই পরাজয়ে লাভ হয়েছে ইংল্যান্ডের। স্কটল্যান্ডের মতো সমান ৫ পয়েন্ট নিয়েও রান রেটে এগিয়ে থেকে কোয়ার্টার ফাইনালে চলে গেল বিশ্বকাপের বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।

এই ম্যাচ জিতলে অবশ্য বিশ্বকাপের সুপার এইটে চলে যেত স্কটল্যান্ড। সম্ভাব্য সব কিছু করেও স্কটল্যান্ড ম্যাচটা জিততে পারলো না। ম্যাচ শেষে স্কটিশদের চোখে মুখে ফুটে ওঠে আর্তনাদ।

রোববার (১৬ জুন) সেন্ট লুসিয়ার ড্যারেন স্যামি স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৮০ রানের পুঁজি পায় স্কটিশরা। জবাবে ২ বল বাকি থাকতেই ৫ উইকেটের সহজ জয় তুলে নেয় মিচেল মার্শ বাহিনী।

ইনিংস গোড়াপত্তনে নেমে ভালো শুরু পায়নি স্কটিশরা। অল্পতেই ফেরেন মাইকেল জোনস। তবে ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে পাওয়ার প্লেতে ৫৪ রান তোলেন ব্রেন্ডন ম্যাকমুলেন ও জর্জ মানসি।

এরপর মাত্র ২৬ বলে ফিফটি তুলে নেন ম্যাকমুলেন। তবে গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের শিকার হয়ে মানসি ফিরলে ভাঙে তাদের ৪৮ বলে ৮৯ রানের জুটি। ফেরার আগে দুটি চার ও তিন ছক্কায় ২৩ বলে ৩৫ রানের ইনিংস সাজান এই ব্যাটার।

এরপর বেশিক্ষণ ক্রিজে থিতু হতে পারেননি ম্যাকমুলেনও। ফেরার আগে ২ চার ও ৬ ছক্কায় ৩৪ বলে বলে তার ব্যাট থেকে আসে ৬০ রান।

শেষ দিকে অধিনায়ক রিচি বেরিংটনের ঝোড়ো ৪২ রানে ভর করে ৫ উইকেটে ১৮০ রান করে স্কটল্যান্ড।

লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ডেভিড ওয়ার্নারকে হারায় অজিরা। এরপর মিচেল মার্শও বেশিক্ষণ উইকেটে থিতু হতে পারেননি। ম্যাক্সওয়েলকেও থিতু হতে দেয়নি স্কটিশরা। এক ছক্কায় ১১ রানে ম্যাক্সওয়েল ফিরলে ৬০ রান তুলতেই ৩ উইকেট খুইয়ে ফেলে অজিরা।

এরপর ৪৪ বলে ৮৮ রানের দুর্দান্ত জুটি গড়েন ট্রাভিস হেড ও মার্কাস স্টয়নিস। ইনিংসের ১৫তম ওভারেই নিজের ফিফটি পূর্ণ করেন ট্রাভিস হেড। অন্যপ্রান্তে বিধ্বংসী রূপে আর্বিভূত হন স্টয়নিস। ইনিংসের ১৬তম ওভারে মাত্র ২৫ বলে হাফ-সেঞ্চুরি তুলে নেন এই ব্যাটার।

দলকে জয়ের দ্বারপ্রান্তে রেখে ৫ চার ও ৪ ছক্কায় ৪৯ বলে ৬৮ রানে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন হেড। অন্যপ্রান্তে স্টয়নিসও তার দেখানো পথেই হাঁটেন। ফেরার আগে ৯ চার ও ২ ছক্কায় ২৯ বলে ৫৯ রানে ফেরেন এই মিডল-অর্ডার ব্যাটার।

এরপর বাকি পথ পাড়ি দেন ম্যাথু ওয়েড ও টিম ডেভিড। ডেভিডের ১৪ বলে ২৮ রানের ক্যামিওতে ২ বল বাকি থাকতেই ৫ উইকেটের জয় নিশ্চিত করে অজিরা। অস্ট্রেলিয়ার জয়ে রানরেটে এগিয়ে থেকে সুপার এইট নিশ্চিত করল ইংল্যান্ড।


ইংল্যান্ড   অস্ট্রেলিয়া   সুপার এইট   টি-২০ বিশ্বকাপ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

আলবেনিয়াকে উড়িয়ে ইউরো শুরু ইতালির

প্রকাশ: ০৯:৫০ এএম, ১৬ জুন, ২০২৪


Thumbnail

মাঠে গড়িয়েছে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের এবারের আসর। যেখানে নিজেদের প্রথম ম্যাচে মাঠে নেমেছিল ইতালি ও আলবেনিয়া। 

গ্রুপ বি’র এই ম্যাচে পিছিয়ে পড়েও আলবেনিয়াকে ২-১ গোলে হারিয়েছে ইতালি। খেলার প্রথম মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার পরও জয় তুলে নিতে পারেনি আলবেনিয়া।

আলবেনিয়ার সাথে ম্যাচে নিজেদের সীমানায় থ্রোয়িং পেয়ে ভুল করে বসে ইতালি। সেটিকে কাজে লাগিয়ে খেলার ২৩ সেকেন্ডেই আলবেনিয়াকে ১-০ গোলের লিড এনে দেন নেদিম বাজরামি। যা ইউরোর ইতিহাসে দ্রুততম গোল হিসেবে নতুন রেকর্ড তৈরি করেছে।

পিছিয়ে পড়ে একের পর এক আক্রমণে প্রতিপক্ষকে চেপে ধরে ইতালি। ১১ মিনিটে পেল্লেগ্রিনির বাঁ দিক থেকে বাড়ানো ক্রস থেকে বল পেয়ে দলকে সমতায় ফেরান আলেসান্দ্রো বাস্তোনি।

ঠিক ৫ মিনিট পর ইতালিকে ২-১ গোলে এগিয়ে নেন বারেল্লা। ইতালির একটি আক্রমণ সুযোগ পেয়েও ক্লিয়ার করতে ব্যর্থ হন আলবেনিয়ার ডিফেন্ডাররা। সেই ভুলকে কাজে লাগিয়ে বল জালে পাঠান এই মিডফিল্ডার। খেলার বাকি সময়ে আর কোনো গোল না হলে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ইতালি।


ইউরো কাপ   ইতালি   আলবেনিয়া  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

সুপার এইটের দৌঁড়ে টিকে থাকল ইংল্যান্ড

প্রকাশ: ০৯:৪৬ এএম, ১৬ জুন, ২০২৪


Thumbnail

শঙ্কা জেগেছিল ছিটকে যাওয়ার। সেই সাথে চোখ রাঙাচ্ছিল বেরসিক বৃষ্টি। কিন্তু শেষমেষ মাঠে গড়ায় খেলা। যেখানে নামিবিয়াকে হারিয়ে সুপার এইটে যাওয়ার সম্ভাবনা বাঁচিয়ে রাখল ইংলিশরা। 

শনিবার অ্যান্টিগুয়ার স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস স্টেডিয়ামে বৃষ্টির কারণে ১০ ওভারে নেমে আসা ম্যাচে ৫ উইকেটে ১২২ রান করে ইংল্যান্ড। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ১০ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ৮৪ রান সংগ্রহ করে নামিবিয়া। ইংল্যান্ডের জয় ৪২ রানের (বৃষ্টি আইনে)।  

বৃষ্টির কারণে এদিন আড়াই ঘণ্টা দেরিতে ম্যাচ শুরু হয়। টস জিতে ইংল্যান্ডকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় নামিবিয়া। ১১ ওভারে নেমে আসা ম্যাচের অষ্টম ওভার শেষ হতেই ফের বৃষ্টি নামলে ম্যাচ পরিত্যক্ত হওয়ার শঙ্কা দেখা দেয়। কিন্তু কিছুক্ষণ পরেই বৃষ্টি থেমে যায়। এই দফায় আরো এক ওভারের খেলা কমিয়ে আনা হয়।

ইংল্যান্ড ১২২ রান করলেও ডিএলএস মেথডে নামিবিয়াকে জয়ের জন্য করতে হতো ১২৭ রান। কিন্তু পাহাড় সমান লক্ষ্য তাড়া করার চেষ্টাও করেনি আফ্রিকার দেশটি। 

নামিবিয়ার দুই ওপেনার ফন লিঙ্গেন ও ডাভিন ৬ ওভারে ৪৪ রানের জুটি গড়েন। রানের গতি বাড়াতে না পারায় রিটায়ার্ড আউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন ডাভিন। তার আগে ১৬ বলে ১৮ রান করেন তিনি।

ব্যাটিং অর্ডারে প্রমোশন পেয়ে ওয়ান ডাউনে নামা ডেভিড ভিসা আক্রমণাত্মক খেলতে শুরু করেন। ফন লিঙ্গেনের সঙ্গে ১৮ বলে ৩৬ রানের জুটি গড়েন ভিসা। ২৯ বলে ১ চার ও ৩ ছয়ে ৩৩ রান করে জর্ডানের বলে বিদায় নেন ফন লিঙ্গেন।

পরের ওভারেই আর্চার তুলে নেন ভিসার উইকেট। আউট হওয়ার আগে ১২ বলে ২টি করে চার ও ছয়ে ২৭ রান করেন এই অলরাউন্ডার। ইংল্যান্ডের হয়ে একটি করে উইকেট শিকার করেন আর্চার ও জর্ডান।

এর আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই অধিনায়ক বাটলার ও সল্টকে হারায় ইংল্যান্ড। তাতে অবশ্য চাপে পড়েছিল তারা। কিন্তু হ্যারি ব্রুকের ২০ বলে ৪৭ ও জনি বেয়ারস্টোর ১৮ বলে ৩১ রানের ইনিংসে ভর করে ৫ উইকেটে ১২২ রান করে ইংল্যান্ড। 

নামিবিয়ার হয়ে সর্বোচ্চ দুটি উইকেট শিকার করেন রুবেন ট্রাম্পপেলম্যান।


বৃষ্টি   নামিবিয়া   ইংল্যান্ড   টি-২০ বিশ্বকাপ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

বেরসিক বৃষ্টিতে ভাসল ভারত-কানাডা ম্যাচ, গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন রোহিত বাহিনী

প্রকাশ: ০৯:২৯ এএম, ১৬ জুন, ২০২৪


Thumbnail

আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে গ্রুপ এ’র ভারত-কানাডা ম্যাচটি বৃষ্টির কারণে পরিত্যক্ত হয়েছে। শনিবার (১৫ জুন) লডারহিলের সেন্ট্রাল ব্রওয়ার্ড রিজিওনাল পার্ক স্টেডিয়ামে মাঠে নামার কথা ছিলো দু’দলের।

কিন্তু বৈরি আবহাওয়া ও আউটফিল্ডে পানি জমায় খেলার অনুপযোগী হয়ে পড়ে মাঠটি। পরে ম্যাচটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করে আইসিসির ম্যাচ অফিসিয়ালসরা।

এর আগে, শুক্রবার এই মাঠেই গ্রুপের অপর দু’দল আয়ারল্যান্ড-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার ম্যাচটিও পরিত্যক্ত হয়। যার ফলে এক ম্যাচ আগেই পাকিস্তানের ‘সুপার এইট’ সমীকরণ ভেস্তে যায়।

উল্লেখ্য, ম্যাচ পরিত্যক্ত হলেও গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন ভারত। ৪ ম্যাচে ৭ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে মেন ইন ব্লু’রা। সমান সংখ্যক ম্যাচে ৫ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র। পাকিস্তান-আয়ারল্যান্ড ম্যাচটি এখন আসরের একটি আনুষ্ঠানিকতা মাত্র।


ভারত   কানাডা   টি-২০ বিশ্বকাপ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

দিনশেষে রিয়াদেই ভরসা খুঁজছে বাংলাদেশ

প্রকাশ: ০৯:২৬ এএম, ১৬ জুন, ২০২৪


Thumbnail

নানামুখী আলোচনা-সমালোচনার মাঝেও বাংলাদেশ দলকে দিনশেষে নির্ভর করতে হচ্ছে ৩৮ বছর বয়সী মাহমুদউল্লাহর ওপরই। এছাড়াও সমর্থকদের যে অন্যদিকে তাকানোর সুযোগ নেই  তা প্রকাশ পাচ্ছে মাহমুদউল্লাহর পারফরম্যান্সে। কারণ শেষটা তিনি রাঙাতে পারলেই, ম্যাচ শেষ করে আসতে পারলেই ঠোঁটের কোণে হাসি ফুটছে সমর্থকদের।

অপরদিকে দীর্ঘ ক্যারিয়ারের পড়ন্ত বেলায়ও হাসিমুখে নিজের সবটা দিয়ে চেষ্টা করে যাচ্ছেন মাহমুদউল্লাহ। দায়টা নিচ্ছেন নিজের কাঁধেই। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে বাউন্ডারিতে আউট হওয়ার পর মাহমুদউল্লাহর মাথায় হাত দেওয়া বলছিলো সে কথাই। 

অবশ্য পরের ম্যাচে ঠিকই ফের দায়িত্ব নিয়েছেন। নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে সাকিবের সঙ্গে নেমে ২৫ রানের ইনিংস খেলে দলকে রেখেছেন ভালো অবস্থানে।

চলতি বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে শ্রীলংকার বিপক্ষে ভালো করতে পারলেও পারেননি দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে। যা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। যেন ম্যাচ শেষ করে আসার দায়িত্বটা কেবলই মাহমুদউল্লাহর।

এই বিশ্বকাপে মাহমুদউল্লাহই বাংলাদেশের অন্যতম কাণ্ডারি। যার ওপর নির্ভর করছে বাংলাদেশের সাফল্য। অথচ এই মাহমুদউল্লাহকে সবশেষ বিশ্বকাপে বিবেচনা করেনি দল। 

সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে এই বিশ্বকাপে তিনিই এখন বাংলাদেশর আস্থার নাম। 

বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে শ্রীলংকার ১২৫ রানের জবাবে মাঝপথে হোঁচট খায় বাংলাদেশ। ৪ উইকেটে ৯১ রানে থাকা বাংলাদেশ, ১১৩ রানেই হারিয়ে বসে ৮ উইকেট। তীরে এসে ডুবতে থাকা বাংলাদেশকে টেনে তুলেন মাহমুদউল্লাহ। ১৩ বলে অপরাজিত ১৬ রানে শেষমেষ জয় পায় বাংলাদেশ।

শ্রীলংকার বিপক্ষে হারলে সুপার এইটের লক্ষ্যযাত্রায় শুরুতেই ধাক্কা খেতো বাংলাদেশ। টাইগারদের সেই বিব্রতকর পরিস্থিতি থেকে রেহাই দেন রিয়াদ। শুধু তাই নয়, চলতি বিশ্বকাপে প্রয়োজনের সময় বল হাতেও দুর্দান্ত রিয়াদ। শ্রীলংকার বিপক্ষে ১ ওভার হাত ঘুরিয়ে মাত্র ৪ রান দেন তিনি। 

দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সাকিব আল হাসান বল করতে পারেন স্রেফ এক ওভার। আর মাহমুদউল্লাহ বনে যান নিয়মিত স্পিনার। ৩ ওভার বল করে ১৭ রান দেন রিয়াদ। উইকেটবিহীন থাকলেও বেশ আঁটোসাঁট বোলিংই করেন তিনি। 

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে রিয়াদ খেলেছেন দুটি করে চার এবং ছক্কায় ২১ বলে ২৫ রানের ইনিংস। বল হাতে মাত্র ১ ওভার বল করে তিনি সাজঘরে ফেরার ভয়ংকর হয়ে উঠা বিক্রমজিৎ সিংকে। 

বাঁহাতি ব্যাটসম্যানের বিপক্ষে ডানহাতি স্পিনার আনতে চেয়েছিলেন নাজমুল হোসেন শান্ত। অধিনয়কের সে পরিকল্পনা সফল করেন রিয়াদ। 

আইসিসি আসরে বাংলাদেশ সর্বোচ্চ খেলেছে কোয়ার্টার ফাইনাল পর্যন্ত। এবার কি নতুন উচ্চতায় যেতে পারবে বাংলাদেশ? যেখানে বড় অবদান রাখতে হবে ফর্মের তুঙ্গে থাকা মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকেই।

তবে হয়তো নিজের শেষ বিশ্বকাপটাই খেলছেন মাহমুদউল্লাহ। যদি সত্যিই এমন হয়, আচমকা বিশ্বকাপের শেষ ম্যাচে যদি বিদায় বলে দেন মাহমুদউল্লাহ! 

তবে কি হবে? শেষদিকে কার ওপর ভরসা করে টিভির পর্দায় চোখ রাখবে সমর্থকরা? শূন্য জায়গা পূরণ করতে হয়তো কেউ আসবে, তবে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলে রিয়াদের নাম চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে এটা নিশ্চিত।


রিয়াদ   বাংলাদেশ  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন