ইনসাইড বাংলাদেশ

হরতাল-অবরোধের গোলকধাঁধা

প্রকাশ: ১১:০০ পিএম, ২০ নভেম্বর, ২০২৩


Thumbnail

নির্বাচন কমিশন দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর তা বাতিলের দাবিতে দুইদিনের ৪৮ ঘণ্টার হরতাল শেষ হবে আগামীকাল সকাল ৬টায়। তবে এরই মধ্যে আগামী বুধবার থেকে আবারও ৪৮ ঘণ্টার অবরোধ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি। যদিও এ সমস্ত হরতাল বা অবরোধ কোনোটাই এখন আর কার্যকর হচ্ছে। তারপরও ষষ্ঠ দফায় এই কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি সহ সমমনা একাধিক রাজনৈতিক দল। উল্লেখ্য যে, গত ২৮ অক্টোবর বিএনপির মহাসমাবেশ পণ্ডব করার অভিযোগে পরের দিন ২৯ অক্টোবর সারাদেশে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল ডেকেছিল দলটি। তবে একবার হরতাল অন্যবার অবরোধ এই দুইয়ের গোলকধাঁধায় পড়েছেন দেশের অধিকাংশ মানুষ। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচির সঙ্গে পরিচিত থাকলেও অনেকেই হরতাল ও অবরোধের মধ্যে পার্থক্য ধরতে পারেন না। তবে দুটি কর্মসূচিতেই প্রায় একই ধরনের রাজনৈতিক পদক্ষেপ নেওয়া হলেও কিছু মৌলিক পার্থক্য রয়েছে।

হরতাল

হরতাল হচ্ছে সরকারের বিরুদ্ধে জনগণের সম্মিলিত আন্দোলন। হরতালের সময় সকল কর্মক্ষেত্র, দোকান, আদালত বন্ধ থাকে। তবে সাধারণত অ্যাম্বুলেন্স, দমকলবাহিনী, গণমাধ্যমসমূহ এর আওতার বাইরে হয়ে থাকে। হরতাল গুজরাটি শব্দ। 'হর' মানে সব জায়গায় আর 'তাল' মানে তালা। অর্থাৎ হরতাল মানে সব জায়গায় তালা। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের সময় মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী হরতালের প্রবর্তন করেছিলেন। ১৯৪৮ সালে বাংলাদেশে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে 'তমুদ্দিন মজলিস' প্রথম হরতাল ডাকার পর থেকে এ দেশের রাজনীতিতে হরতাল বেশ প্রচলিত একটি কর্মসূচি।

অবরোধ

কোনো দাবি আদায়ের একটি বিশেষ ব্যবস্থা হলো অবরোধ। অবরোধ হচ্ছে কর্মসূচি পালনে জনগণকে বাধ্য করা। অবরোধে মানুষকে জানিয়ে দেওয়া হয় যে কর্মসূচি চলাকালে সড়ক, নৌ ও রেলপথ অবরোধ করে রাখা হবে। পরিবহন চলতে দেওয়া হবে না। অবরোধে মানুষের সাড়া দেওয়া বা না দেওয়ার কিছু নেই, বরং কর্মসূচি পালনে মানুষকে বাধ্য করা হয়। অবরোধের ইতিহাস বিভিন্ন আমলেই দেখা গেছে। গ্রিক উপাখ্যানে ইলিয়াড ও ওডেসিতে ট্রয় নগরী অবরোধের কথা আছে। ১১৮৭ সালে সালাউদ্দিন আইয়ুবি জেরুজালেম অবরোধ করেন।

কোনটা বড়

রাজনীতিবিদরা মনে করেন হরতাল, অবরোধের চেয়ে বড় কর্মসূচি। এটা চূড়ান্ত ধাপের কর্মসূচি। কেননা দলের দাবির প্রতি যখন বেশির ভাগ মানুষ একমত পোষণ করে তখন এ ধরনের কর্মসূচি দেওয়া যায়। এটা না হলে হরতালে সফলতা পাওয়া যায় না। কেননা এখানে বেশিরভাগ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ থাকতে হয়। না হলে কর্মসূচি সফল হয় না। অন্যদিকে অবরোধে যেহেতু বাধ্য করার বিষয় থাকে, তাই মানুষের সমর্থন সম্পর্কে বোঝা যায় না।

তবে হরতাল বা অবরোধ যেটাই বড় হোক না কেন দেশের মানুষ এখন এর কোনোটাই মানছেন না। হরতাল বা অবরোধ যাই ডাকা হোক না কেন সাম্প্রতিক সময়ে জনসাধারণের কোনো ধরনের সম্পৃর্কতা দেখা যাচ্ছে না বলে দাবি করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তারা বলছেন, হরতাল বা অবরোধের দিনগুলোতেও মানুষ যেভাবে তাদের স্বাভাবিক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন তাতে দাবি আদায়ের হাতিয়ার হিসেবে অতি শিগগির হয়তো শব্দ দুটি হারিয়ে যেতে পারে।

হরতাল-অবরোধ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

কোটা আন্দোলনে নিহতের ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন: তথ্য অধিদপ্তর

প্রকাশ: ০৭:৪৭ পিএম, ১৮ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

কোটাবিরোধী আন্দোলনে সব মৃত্যুর ঘটনা তদন্তে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামানের নেতৃত্ব বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানায়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১৬ জুলাই দেশের বিভিন্ন স্থানে সংঘটিত ঘটনায় ছয় জন নিহত হওয়া এবং সাম্প্রতিক সময়ে সংঘটিত সহিংসতা, অগ্নিসংযোগ, লুটপাট ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের ঘটনা তদন্তের জন্য এক সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিশন গঠন করা হয়েছে। বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামান এই কমিশনের দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। কমিশন আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে সরকারের নিকট তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করবে।  বিজ্ঞপ্তি।।




কোটা আন্দোলন   নিহত   তথ্য অধিদপ্তর  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

রণক্ষেত্র রংপুর, আ. লীগ ছাত্রলীগৈর অফিস ভাঙচুর

প্রকাশ: ০৭:৩৪ পিএম, ১৮ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

রংপুরের বিভিন্ন স্থানে ভাঙচুর চালিয়েছেন কোটা বিরোধী আন্দোলনকারীরা। এসময় ট্রাফিক সিগন্যাল বাতি, সিসিটিভি ক্যামেরা ভাঙচুর করেন আন্দোলনকারীরা।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বিকেলে শহরের জাহাজ কোম্পানির মোড়, শাপলা চত্বর, বেরোবি সংলগ্ন পার্ক মোড়, তাহহাট থানা মোড়সহ বিভিন্ন স্থানে এ ঘটনাগুলো ঘটে।

এছাড়াও এদিন পৌনে ৬টার দিকে জাহাজ কোম্পানি মোড়ের পাশে বাটার গলিতে জেলা ছাত্রলীগের কার্যালয় এবং জেলা মহানগর আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে ভাঙচুর আসবাবপত্রে আগুন দেওয়া হয়।

সময় সাংবাদিকদের ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন আন্দোলনকারীদের। এতে আহত হয়েছেন তিন সাংবাদিক। 

এর আগে সকাল থেকে দফায় দফায় নগরীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে রংপুর জিলা স্কুল মোড়ে জড়ো হতে থাকেন শিক্ষার্থীরা। পরে সেখান থেকে দুপুর ১ টায় বিশাল মিছিল বের করেন আন্দোলনকারীরা। হয়। মিছিলে সংহতি জানিয়ে অভিভাবক সরকারবিরোধী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

এরপর নগরীর বিভিন্ন সড়ক ঘুরে বোরোবি সংলগ্ন পার্ক মোড় হয়ে মডার্ন মোড়ে রংপুর-ঢাকা মহাসড়কে অবস্থান নেন। সেখান থেকে তাজহাট থানা ঘেরাও করতে গেলে পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। সময় আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ারশেল রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে পুলিশ।

এদিকে সন্ধ্যা ৬টায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতাকর্মীরা বিশাল মিছিল বের করেন। নগরীর সিটি পার্ক মার্কেট থেকে মিছিলটি শুরু হয়। মিছিল থেকে কোটাবিরোধী আন্দোলন নিহত শিক্ষার্থীদের পক্ষে বিভিন্ন স্লোগান দেন নেতাকর্মীরা। 


আন্দোলন   রণক্ষেত্র   ভাঙচুর   অগ্নি সংযোগ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর ও সেতু ভবনে আগুন আন্দোলনকারীদের

প্রকাশ: ০৭:৩২ পিএম, ১৮ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

ঢাকার মহাখালীতে অবস্থিত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের ভবন এবং বনানী সেতু ভবনে আগুন দিয়েছে আন্দোলনকারীরা। ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ফায়ার সার্ভিসের ৪টি ইউনিট ঘটনাস্থলে রওনা হলেও ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি পৌঁছাতে পারছে না। 

ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার খালেদা ইয়াসমিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।  তিনি বলেন,

আমরা বিকেল ৪টা ৫০ মিনিটের দিকে মহাখালী দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের ভবন ও বনানী সেতু ভবনে আগুনের খবর পাই। খবর পেয়ে দ্রুত চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। তবে এখন পর্যন্ত ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পারেনি ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি।


কোটা আন্দোলন   ফায়ার সার্ভিস   আগুন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

কোটা নিয়ে আপিল বিভাগের শুনানি রোববার, বিশেষ চেম্বার আদালতের আদেশ

প্রকাশ: ০৭:২০ পিএম, ১৮ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

কোটা নিয়ে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানি হবে আগামী রোববার। বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বিশেষ চেম্বার আদালত এই আদেশ দেন।

এর আগে অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন বলেছেন, কোটা বাতিল চেয়ে লিভ টু আপিল দ্রুত শুনানি করতে সরকারের পক্ষ থেকে আমাকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। আমরা রোববার সকালেই আপিল বিভাগে লিভ টু আপিল দ্রুত শুনানির জন্য মেনশন করব। আশা করছি জনগুরুত্ব বিবেচনায় আদালত আমাদের আবেদন গ্রহণ করবেন। শুনানিতে আমরা হাইকোর্টের রায় বাতিল চাইব।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সুপ্রিম কোর্টে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এসব কথা বলেন। 

এর আগে বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ ভবন এলাকায় এক প্রেস ব্রিফিংয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, শুনানি এগিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নিতে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন। তার পরিপ্রেক্ষিতে অ্যাটর্নি জেনারেলকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে এই মামলার শুনানি এগিয়ে আনা যায়, সে বিষয়ে আপিল বিভাগে আগামী রোববার আবেদন করবেন। আইনমন্ত্রী বলেন, মামলাটি যখন শুনানি হবে, তখন কোটার বিষয়ে একটা প্রস্তাব দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি বাতিলের পরিপত্র অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেয়া রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল দায়ের করেছে দুই শিক্ষার্থী।

কোটা আন্দোলন   আপিল বিভাগ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

সরকারের ভেতর ‌‌‌'অনুপ্রবেশকারী'দের চেহারা উন্মোচিত হচ্ছে

প্রকাশ: ০৭:১১ পিএম, ১৮ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

যে কোনও সংকটে আসল মানুষকে চেনা যায়। যে কোনও সংকটে বন্ধু পরিচয় পাওয়া যায়। আওয়ামী লীগ বর্তমানে কোটা সংস্কার আন্দোলন নিয়ে সৃষ্ট সংকটে তার আসল বন্ধুদের চিনছে। গত ১৫ বছরে যারা আওয়ামী লীগার হয়ে বিভিন্ন ধরনের সুযোগ সুবিধা নিয়েছে, সুযোগ পেয়ে তারা চেহারা পাল্টে ফেলেছে। এই চেহারা পাল্টানোদেরকে চেনার এক সুবর্ণ সুযোগ এসেছে আওয়ামী লীগের সামনে। এখন দেখার বিষয় আওয়ামী লীগ তাদেরকে চিনে রাখতে পারে কিনা। 

কোটা সংস্কার আন্দোলন নিয়ে যখন শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে তাণ্ডব চালাচ্ছে, তখন একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে বলেছেন, তিনি আর ছাত্রলীগকে পড়াবেন না। এই শিক্ষিকা আওয়ামী লীগ আমলে চাকরি পেয়েছেন। তার পরিবারের সকল সদস্য বিএনপির সঙ্গে জড়িত। তারপরেও আওয়ামীপন্থি ব্যক্তিরা তদবির করে তাকে চাকরি দিয়েছেন। এখন তিনি তার মুখোশ খুলে ফেলেছেন। শুধু এই শিক্ষিকা একা নন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আওয়ামী লীগের আমলের চাকরি পাওয়া অনেকেই এবার বিশ্ববিদ্যালয়ে তাদের স্বরূপ উন্মোচন করেছেন। তারা আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহণ করেছেন। 

কোটা আন্দোলনের সাথে সাথে শুরু হয়েছিল প্রত্যয় স্কিম নিয়ে শিক্ষকদের আন্দোলন। সেই শিক্ষকদের আন্দোলনে এক শিক্ষক দম্পতিকে দেখা গেছে যে শিক্ষক একদা বাকশালে ছিলেন, পরবর্তীতে তিনি আওয়ামী শিক্ষকদের নেতা হয়েছেন। একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য তাকে করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি এখন কিছু পাওয়ার আশায় সরকার বিরোধী অবস্থান গ্রহণ করেছেন। আরও বেশ কিছু শিক্ষককে দেখা গেছে যারা আওয়ামী লীগের আমলে বিভিন্ন ধরনের সুবিধা বাগিয়ে নিয়েছেন। এখন কোটা সংস্কারের পক্ষে অবস্থান নিয়ে সরকারকে বিব্রত করার চেষ্টা করছেন। 

শুধু শিক্ষকদের মধ্যে নয়, বিভিন্ন ক্ষেত্রে একই জিনিস দেখা গেছে। শোবিজের তারকাদের নিয়ে আওয়ামী লীগের নেতাদের দহরম মহরম নতুন নয়। প্রায় নির্বাচনী প্রচারণা সহ বিভিন্ন জায়গায় শোবিজের তাদেরকে সরব দেখা যায়। তারা আওয়ামী লীগের চেয়েও বড় আওয়ামী লীগার হয়ে উঠেছিলেন। কিন্তু এবার কোটা সংকটের সময় দেখা গেল শোবিজের কিছু কিছু তারকার আসল চেহারা। 

মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ফেসবুক স্ট্যাটাসে যে বক্তব্য দিয়েছেন তা সুস্পষ্টভাবে সরকারের অবস্থানের বিরুদ্ধে এবং উস্কানিমূলক। অথচ এই মোস্তফা সরয়ার ফারুকী সরকারের কাছ থেকে কম সুযোগ সুবিধা গ্রহণ করেননি। 

জাকিয়া বারী মম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের পক্ষে। এ রকম বেশ কিছু তথাকথিত শিল্পীদের শনাক্ত করা হয়েছে, যারা বিভিন্ন সময় আওয়ামী লীগার সেজে সরকারের কাছ থেকে অনুদান সহ নানা রকম সুবিধা নিয়েছেন। এখন তারা কোটা সংস্কারের জন্য আর্তনাদ করছেন। 

সংস্কৃতি জগৎ ছাড়াও প্রশাসনের মধ্যেও এক ধরনের ভিন্ন অবস্থা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আমলাদের মধ্যে অনেকেই এই সংকটে হঠাৎ নিরপেক্ষ অবস্থান গ্রহণ করে ফেলেছেন। অতি আওয়ামী লীগ হয়ে যাওয়া আমলারা যারা এই সরকারের আমলে সুযোগ সুবিধা নিয়েছেন তারা সচিবালয়ে আলোচনায় সরকারের সমালোচনায় মুখর হয়েছেন। এমনকি লেখক বুদ্ধিজীবীদের অনেকে যারা আওয়ামী লীগের কাছ থেকে নানা রকম সুযোগ সুবিধা নিয়েছেন তারা এখন কোটা সংস্কার নিয়ে মুখরোচক বক্তব্য দিচ্ছেন এবং সরকারকে বিব্রতকর পরিস্থিতির মধ্যে ফেলছেন। কেউই সত্যি কথা বলছেন না। 

মূল বিষয়টি হল সরকারও কোটার সংস্কার করতে চায়। সাধারণ শিক্ষার্থীরাও কোটা সংস্কার চায়। দুই পক্ষের মধ্যে মৌলিক কোন পার্থক্য নেই। বিষয়টি হল শুধুমাত্র আদালতের নিষ্পত্তির। যে জায়গায় দু পক্ষ আটকে আছে তা হল সরকার চায় আদালত আগে নিষ্পত্তি করুক। তারপর সমাধান। অন্যদিকে শিক্ষার্থীরা চাইছে আদালত পর্যন্ত অপেক্ষা করার দরকার নাই। তার আগে সংকটের সমাধান করতে হবে। এখন আলোচনার মাধ্যমে নিশ্চিয়ই সমস্যার সমাধান হতে পারে। কিন্তু এই সংকটের অন্ধকারে বিদ্যুতের ঝলকানিতে কিছু কিছু মানুষের মুখোশ দেখা গেল।

কোটা আন্দোলন   হাইব্রিড   অনুপ্রবেশকারী  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন