ইনসাইড বাংলাদেশ

জাতিসংঘের বিশেষ দূতদের মন্তব্যকে ‘মিথ্যা ও বানোয়াট’ বলল সরকার

প্রকাশ: ০৭:৩৫ পিএম, ২১ নভেম্বর, ২০২৩


Thumbnail

বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে জাতিসংঘের তিন বিশেষজ্ঞ সম্প্রতি যে বিবৃতি দিয়েছেন, সেটির প্রতিবাদ জানিয়েছে সরকার। 

প্রতিবাদে সরকার বলেছে, জাতিসংঘের স্বতন্ত্র তিনজন মানবাধিকার বিশেষজ্ঞের বিবৃতি একপেশে ও অসৎ উদ্দেশ্যে  দেওয়া। মঙ্গলবার (২১ নভেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জাতিসংঘের বিবৃতির প্রতিক্রিয়া জানায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

এর আগে ১৪ নভেম্বর জাতিসংঘের মতপ্রকাশের স্বাধীনতার প্রচার ও সুরক্ষাবিষয়ক স্পেশাল র‍্যাপোর্টিয়ার আইরিন খান, শান্তিপূর্ণ সমাবেশ ও সংগঠনের অধিকারবিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধি ক্লিমেন্ট ভোলে ও মানবাধিকারকর্মীদের পরিস্থিতিবিষয়ক স্পেশাল র‍্যাপোর্টিয়ার মেরি ললর যৌথ বিবৃতি দেন। 

ওই তিন বিশেষজ্ঞ জাতীয় নির্বাচনের প্রাক্কালে রাজনৈতিক সহিংসতা বৃদ্ধি, বিরোধী জ্যেষ্ঠ নেতাদের গ্রেপ্তার ও কয়েক হাজার রাজনৈতিক কর্মী গ্রেপ্তারের বিষয়ে বিরক্তি প্রকাশ করেন। কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে মাত্রাতিরিক্ত বল প্রয়োগ, বিক্ষোভ দমনে ইন্টারনেটসেবা বন্ধ, দমনপীড়ন ও বেআইনি আটকের বিষয়েও উদ্বেগ জানান তারা। 

এছাড়া ন্যূনতম মজুরির দাবি করা শ্রমিক এবং আগামী সংসদ নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের দাবি করা রাজনৈতিক কর্মীদের ব্যাপকহারে গ্রেপ্তারের অভিযোগ করেন। বিচারব্যবস্থার মাধ্যমে সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মী, নাগরিক সমাজের নেতাদের হয়রানি এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে ক্ষুণ্ন করে এমন আইন সংস্কার করতে না পারার ব্যর্থতায় উদ্বেগ জানান তারা। তারা বাংলাদেশে মানবাধিকার পরিস্থিতিকে অবনতিশীল হিসেবে অভিহিত করেন। 

একই সঙ্গে জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদে মানবাধিকার পরিস্থিতি পর্যালোচনাকে সুযোগ হিসেবে নিতে বাংলাদেশের প্রতি আহ্বান জানানো হয়। 

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, ‘মনে হচ্ছে, জাতিসংঘ নিযুক্ত বিশেষ প্রতিনিধিরা বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি সম্পর্কে মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য দিয়ে সরকারকে হেয় করার ইচ্ছার দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিল। বিশেষকরে  তাদের সঙ্গে সরকারের সক্রিয় সম্পৃক্ততার প্রেক্ষাপটে বিবৃতিতে উল্লিখিত একতরফা পর্যবেক্ষণগুলো অসৎ উদ্দেশ্যমূলক হিসেবে প্রতীয়মান হয়।’

প্রতিবাদে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, ‘মানবাধিকার বিশেষজ্ঞদের মন্তব্য ও সম্ভাব্য উদ্দেশ্যপূর্ণ ওই বিবৃতির সময়টি প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। তারা যেদিন বিবৃতি দেন, তার আগের দিন– অর্থাৎ ১৩ নভেম্বর জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদে বাংলাদেশের সর্বজনীন পর্যায়ক্রমিক পর্যালোচনা (ইউপিআর) হয়েছে। সেখানে অধিকাংশ দেশ আইন ও নীতির জন্য বাংলাদেশের প্রশংসা করেছে।’


বাংলাদেশ   মানবাধিকার পরিস্থিতি   জাতিসংঘে   বিশেষ দূত   পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি, ক্যাম্পাসে উত্তেজনা

প্রকাশ: ১১:৫৩ এএম, ১৫ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

সরকারি চাকরিতে কোটা ব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে আজ সোমবার (১৫ জুলাই) দুপুর ১২ টায় বিক্ষোভের ডাক দিয়েছেন কোটা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। অন্যদিকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে অপমনা করার প্রতিবাদে বিকেল ৩টায় অবস্থান কর্মসূচীর ডাক দিয়েছে ছাত্রলীগ। ঘোষণা অনুযায়ী, দুটি কর্মসূচিই হবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে।

চলমান কোটাবিরোধী আন্দোলন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন থেকে আসা বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় গতকাল রাত ১০টা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন আবাসিক হলে বিক্ষোভ শুরু হয়। পরে মধ্যরাতে শিক্ষার্থীরা জড়ো হন টিএসসির রাজু ভাস্কর্যে। রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে জড়ো হয়ে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী নানা স্লোগান দেন। জমায়েতে শিক্ষার্থীরা চেয়েছিলাম অধিকার, হয়ে গেলাম রাজাকার, তুমি কে আমি কে, রাজাকার রাজাকারসহ নানা স্লোগান দেন।

কোটাব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনের প্ল্যাটফর্ম বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, গতকাল প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন থেকে আসা বক্তব্য আজ দুপুর ১২টার মধ্যে প্রত্যাহার না করলে তারা আন্দোলনে নামবেন।

এদিকে গতকাল রাতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের সরব ভূমিকা লক্ষ্য করা গেছে। ছাত্রলীগের একাংশ রাতে মধুর ক্যান্টিনে অবস্থান নিয়েছিলেন। এছাড়াও ছাত্রলীগের ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ শাখার নেতা-কর্মীরাও অবস্থান নেন শাহবাগ এলাকায়। পাশাপাশি আওয়ামী লীগ, যুবলীগ স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা-কর্মীরাও সেখানে ছিলেন।

এরপর রাত ৩টায় বিক্ষোভ মিছিল বের করে ছাত্রলীগ। মিছিলে তুমি কে আমি কে, বাঙালি বাঙালি, তোমার আমার ঠিকানা, পদ্মা মেঘনা যমুনা প্রভৃতি স্লোগান দেওয়া হয়। পরে রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে ছাত্রলীগ সমাবেশ করে।

ছাত্রলীগের সমাবেশে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেন বলেন, ‘সোমবার থেকে বাংলাদেশের রাজপথে আর কোনো রাজাকার থাকবে না। প্রতিটি জেলা, মহানগর, বিশ্ববিদ্যালয়সহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নেতাদের প্রতি সুস্পষ্ট নির্দেশনা, দেশে যারা নৈরাজ্য তৈরি করতে চায়, যারা লাখো শহীদের রক্ত নিয়ে তামাশা করবে, রাজপথেই এর ফয়সালা হবে। সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সমতাধর্মী, অন্তর্ভুক্তিমূলক যৌক্তিক রাষ্ট্রনীতি প্রণয়নের অঙ্গীকারের কথা বলেছেন। যারা প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যকে বিকৃত করার চেষ্টা করে, তাদের জবাব দেওয়ার জন্য ছাত্রলীগ পুরোদমে প্রস্তুত রয়েছে।’

সাদ্দাম আরও বলেন, ‘আজকে যারা নিজেরা বলছে আমি রাজাকার, তাদের জন্য ছাত্রলীগ রাজাকার কোটা চালু করল। যারা রাজাকার কোটার আওতাধীন, তাদের পাকিস্তানে পাঠিয়ে দিয়েই ছাত্রলীগ ক্ষান্ত হবে। যেখানেই রাজাকারদের দেখা যাবে, সেখানেই প্রতিবাদ গড়ে তুলে তাদের আপন ঠিকানায় পাঠিয়ে দিতে হবে।’

এসময় লাখো শহীদের রক্তকে অবমাননা মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে অপমান করার প্রতিবাদে আজ বেলা তিনটায় রাজু ভাস্কর্যে প্রতিবাদী অবস্থান কর্মসূচির ঘোষণা দেন সাদ্দাম।

অন্যদিকে ভোর চারটায় এক ভিডিও বার্তায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘তারা স্পষ্টভাবে বলতে চান, শিক্ষার্থীদের জন্য যে অপমানজনক মন্তব্য করা হয়েছে, তা অবশ্যই সোমবার দুপুর ১২টার মধ্যে প্রত্যাহার করতে হবে।’

বক্তব্য প্রত্যাহার না হলে সারা দেশের সব শিক্ষার্থীকে সোমবার দুপুর ১২টায় দেশের সব স্থানে বিক্ষোভ মিছিল পালনের আহ্বান জানান তিনি।


কোটা আন্দোলন   ছাত্রলীগ   কর্মসূচী   রাজু ভাস্কর্য  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

মধ্যরাতে ক্যাম্পাসে ইবি শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ


Thumbnail

মধ্যরাতে কোটা সংস্কারের পক্ষে বিভিন্ন স্লোগানে উত্তাল হয়ে উঠেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) ক্যাম্পাস। সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর উক্তি ঘিরে বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা।

রোববার (১৪ জুলাই) রাত সাড়ে ১১ টার দিকে বিভিন্ন হল থেকে ক্যাম্পাসের জিয়া মোড় এলাকায় সমবেত হন শিক্ষার্থীরা। পরে সেখান থেকে বিক্ষোভ শুরু করে তারা। বিক্ষোভ মিছিলে কোটা সংস্কারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন শিক্ষার্থীরা।

বিক্ষোভ শেষে শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসের প্রধান ফটক সংলগ্ন মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিব ম্যুরালের সামনে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সমাবেশ করে শিক্ষার্থীরা। সমাবেশে তারা বলেন, আমরা ন্যায্য অধিকারের জন্য আন্দোলনে নেমেছি, আমরা বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়ে যাচ্ছি। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী আমাদেরকে নিয়ে যে মন্তব্য করেছেন, তা আমরা প্রত্যাশা করি না। সাধারণ শিক্ষার্থীরা এই মন্তব্য ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করছে। আমরা অতি শিগগিরই এই মন্তব্য প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি। আর আমাদের এক দফা কোটা সংস্কারের দাবি মেনে নিয়ে বৈষম্য থেকে আমাদের মুক্তি দেবেন সেই প্রত্যাশা করি।

প্রসঙ্গত, রোববার (১৪ জুলাই) এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, 'মহান মুক্তিযুদ্ধ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে এত ক্ষোভ কেন? মুক্তিযোদ্ধার নাতি-নাতনিরা কোটা পাবে না, তাহলে কি রাজাকারের নাতিরা কোটা পাবে? তা তো আমরা দিতে পারি না।' প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েই রাতে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করেছেন।


কোটা আন্দোলন   ইবি   মধ্যরাত   বিক্ষোভ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

পাবনায় মোটরসাইকেল কিনে না দেয়ায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

প্রকাশ: ১১:১২ এএম, ১৫ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

সপ্তম শ্রেণীর ছাত্র মারুফ। ১৩ বছর বয়সে বাবার কাছে আবদার করে মোটরসাইকেল কিনে দিতে হবে। বাবা কিনে না দেয়ায় অভিমান করে কীটনাশক বিষপানে আত্মহত্যা করেছে সে।

রোববার (১৪ জুলাই) সকালে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় মারুফ। এর আগে গত শুক্রবার (১২ জুলাই) রাতে বিষপান করেছিল সে।

মৃত মারুফ পাবনার বেড়া উপজেলার ঢালারচর ইউনিয়নের গোয়ালনগর পুলিশ ফাঁড়ি এলাকার আতিকুল ব্যাপারীর ছেলে এবং ঢালারচর উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণীর শিক্ষার্থী ছিল।

ঢালারচর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড সদস্য মিন্টু চৌধুরী জানান, বাবার কাছে ছেলেটি জিক্সার মোটরসাইকেল কেনার আবদার করেছিল। দুর্ঘটনার আশঙ্কায় অল্প বয়সী ছেলেকে মোটরসাইকেল কিনে দেননি তার বাবা। আর তাতেই বাবার উপর অভিমান করে শুক্রবার রাতে বিষপান করে মারুফ।  

পরিবারের লোকজন প্রথমে তাকে বেড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। শনিবার তাকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হয়। এরপর উন্নত চিকিৎসার জন্য মারুফকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার সকালে মারা যায় মারুফ।

আমিনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হরুন অর রশিদ বলেন, ঘটনায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়না তদন্ত শেষে পরিবারের কাছে মরদেহ বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে।


শিশু   শিক্ষার্থী আত্মহত্যা   মোটরসাইকেল  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

‘রাজাকারের সন্তান বলে শ্লোগান দিতে লজ্জা করে না’

প্রকাশ: ১০:৫৬ এএম, ১৫ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিলের দাবিতে গত কয়েকদিন থেকেই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে আন্দোলন করে আসছে শিক্ষার্থীরা। এর মধ্যে গতকাল রোববার (১৪ জুন) মধ্যরাতে উত্তাল হয়ে উঠে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। মিছিল নিয়ে রাস্তায় নামেন শিক্ষার্থীরা। স্লোগান দিতে থাকেতুমি কে আমি কে, রাজাকার-রাজাকার

 তাদের এমন বিক্ষোভের পরিপ্রেক্ষিতে ডাক, টেলিযোগাযোগ তথ্য প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক এক ফেসবুক পোস্টে লিখেন, যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৫ শে মার্চ ছাত্র শিক্ষকদেরকে গণহত্যা করেছে রাজাকাররা, সেই রাজাকারের পক্ষে রাজাকারের সন্তান বলে শ্লোগান দিতে লজ্জা করে না?

বিষয়টি ঘিরে আরও পোস্ট করেন পলক। তিনি লিখেন, তুমি কে? আমি কে? বাঙালি, বাঙালি, তোমার আমার ঠিকানা পদ্মা-মেঘনা-যমুনা স্লোগান লিখে পোস্ট দেন তিনি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করেন সংক্রান্ত একটি পোস্টারও।

এরপর রাত সোয়া ১টা ফেসবুকে আরেকটি পোস্টে তিনি লিখেন, একাত্তরের হাতিয়ার গর্জে উঠুক আরেকবার, তোরা যারা রাজাকার এই মুহূর্তে বাংলা ছাড়।

তবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ গভীর রাতে ফেসবুকে দেওয়া এক বার্তায় দাবি করেছেন, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভে তুমি নই, আমি নই রাজাকার রাজাকার স্লোগান দিয়েছিলেন। অর্থাৎ আমি কিংবা তুমি কেউই রাজাকার নই।

উল্লেখ্য, রোববার (১৪ জুলাই) বিকেলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবনে সম্প্রতি নিজের চীন সফর নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন। সেখানে প্রসঙ্গক্রমে কোটা সংস্কার আন্দোলনের বিষয়টিও উঠে আসে। ওই সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে এত ক্ষোভ কেন? মুক্তিযোদ্ধার নাতি-নাতনিরা কোটা পাবে না, তাহলে কি রাজাকারের নাতিরা কোটা পাবে? তা তো আমরা দিতে পারি না।

সরকারপ্রধানের এমন বক্তব্যের প্রতিবাদে কোটা এদিন রাতেই বিক্ষোভে নামেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালসহ অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।


কোটা আন্দোলন   পলক   মন্তব্য   রাজাকার  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেল রেলওয়ে ঠিকাদারের

প্রকাশ: ১০:৩৭ এএম, ১৫ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

পাবনার ঈশ্বরদীতে রেলওয়ের প্রথম শ্রেণীর ঠিকাদার আব্দুর রহমান (৫৭) ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ হারিয়েছেন। 

 

রোববার (১৪ জুলাই) বিকেলে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা টোল প্লাজার কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে। পরে রাত নয়টার দিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান তিনি। 

 

নিহত আব্দুর রহমান পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশী ইউনিয়নের বাঘ‌ইল সরদারপাড়া গ্রামের মৃত হাজী নবির উদ্দিন বিশ্বাস এর ছেলে।

 

তিনি বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রথম শ্রেণীর ঠিকাদার ও পাকশী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ছিলেন।

 

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায, আব্দুর রহমান বিশ্বাস ব্যক্তিগত কাজে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা গিয়েছিলেন। মোটরসাইকেলে বাড়ি ফেরার পথে ভেড়ামারা টোল প্লাজা এলাকায় পৌঁছামাত্রই বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাক সজোরে ধাক্কা দিলে তিনি মারাত্মক আহত হন।

 

এলাকাবাসী তাৎক্ষণি আহত অবস্থায় আব্দুর রহমানকে উদ্ধার করে প্রথমে ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে দ্রুত রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসক রাত ৯ টার দিকে আব্দুর রহমানকে মৃত ঘোষণা করেন।

 

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 


সড়ক দুর্ঘটনা   ট্রাকের ধাক্কা  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন