ইনসাইড বাংলাদেশ

ভাষা আন্দোলন দমিয়ে রাখতে বঙ্গবন্ধুকে কারান্তরীণ রাখা হয়: জয়

প্রকাশ: ১০:২০ পিএম, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

ভাষা আন্দোলন দমিয়ে রাখতে পাকিস্তান সরকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে কারান্তরীণ রেখেছিল বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় তিনি তার ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট করেন। যেখানে এসব কথা বলেন সজীব ওয়াজেদ জয়।

ফেসবুক পোস্টে জয় লিখেন, ‘পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠীর দুঃশাসন ও শোষণের শৃঙ্খল ভেঙে বাঙালি জাতিসত্তা বিনির্মাণের প্রথম সোপান। ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শৃঙ্খল থেকে মুক্ত হতে না হতেই পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী আমাদের মুখের ভাষা বাংলা কেড়ে নিতে চায়। মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ঘোষণা দিলেন উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা। এই ঘোষণার বিরুদ্ধে সর্বপ্রথম জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলার ছাত্রসমাজ ঐক্যবদ্ধভাবে সোচ্চার হয়ে ওঠে। বিক্ষোভে ফেটে পড়ে পূর্ববাংলার ছাত্র-জনতা।’

‘১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে সর্বাত্মক সাধারণ ধর্মঘট ও হরতালের আহ্বান করা হয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই হরতাল কর্মসূচির নেতৃত্ব দেন। যার ফলে তার ওপর পুলিশি নির্যাতন চালানো হয় এবং ওই দিনই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বঙ্গবন্ধুর গ্রেপ্তারের পর ছাত্রলীগের নেতৃত্বে সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা পরিষদ গঠন করা হয়। সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় ১৯৪৯ সালের এপ্রিল মাসে রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন তীব্র আকার ধারণ করে। এই আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়ার ফলে বঙ্গবন্ধুসহ ২৪ জন নেতাকে জননিরাপত্তা আইনে গ্রেপ্তার করা হয়।’

‘১৯৫২ সালের জানুয়ারি মাসে বঙ্গবন্ধু আটক থাকা অবস্থায় গোপনে বৈঠক করে ২১ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রভাষা দিবস পালন ও সর্বদলীয় সংগ্রাম পরিষদ গঠনের নির্দেশনা দেন। পাশাপাশি ১৯৫২ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু জেল হাসপাতালে থেকে নেতাদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে ২১ফেব্রুয়ারি হরতাল ডেকে গণপরিষদ ঘেরাও করার পরামর্শ দেন।’

তিনি আরও লিখেন, ‘বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা প্রতিষ্ঠার দাবিতে এই আন্দোলন দমনের লক্ষ্যে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী ২১ ফেব্রুয়ারি ১৪৪ ধারা জারি করে। কিন্তু বাঙালি জাতীয়তাবোধে উজ্জীবিত সংঘবদ্ধ ছাত্র-জনতাকে কোনোভাবেই দাবিয়ে রাখা যায়নি। ‘রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই’ স্লোগানে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে বাংলার আকাশ-বাতাস। ঢাকার রাজপথ রঞ্জিত হয় রফিক, শফিক, সালাম, বরকত, জব্বারসহ নাম না জানা অগণিত শহীদের রক্তে। ভাষা আন্দোলনের গতিবেগ দমিয়ে রাখতে পাকিস্তান সরকার বঙ্গবন্ধুকে কারান্তরীণ রাখে। তবে জেলে অবস্থানকালেই বঙ্গবন্ধু রাষ্ট্রভাষা বাংলার প্রতিষ্ঠা ও রাজবন্দিদের মুক্তির দাবিতে ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে এক সপ্তাহের অনশন করেছিলেন। মায়ের ভাষার অধিকার ও রাষ্ট্রভাষা প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম ছিল বীর বাঙালি জাতির লড়াই-সংগ্রাম আর বীরত্বের গৌরবগাঁথা অধ্যায়। শহীদের রক্তে রঞ্জিত অমর একুশে ফেব্রুয়ারি বাঙালি জাতির আত্মপ্রতিষ্ঠা, আত্মবিকাশ ও আত্ম-বিশ্লেষণের দিন।’

শেষে ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি-আমি কি ভুলিতে পারি?’ লিখেই ভাষাশহীদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানান সজীব ওয়াজেদ জয়।

ভাষা আন্দোলন   বঙ্গবন্ধু  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

ঈদে অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু ২ জুন

প্রকাশ: ১২:৫৯ পিএম, ২৮ মে, ২০২৪


Thumbnail

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে আগামী ২ জুন থেকে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুর হবে ঘোষণা দিয়েছেন রেলমন্ত্রী জিল্লুর হাকিম।

মঙ্গলবার (২৮ মে) দুপুরে রেলমন্ত্রী ঘোষণা দিয়েছেন।

এসময় মন্ত্রী বলেন, ‘শতভাগ টিকিট অনলাইনে বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী ১৭ জুনকে ঈদের দিন ধরে আগামী জুন আন্তঃনগর ট্রেনের অগ্রিম ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু হবে।‘

ঈদুল আজহায় আগামী ১৬-১৮ জুন সরকারি ছুটি। এর আগে ১৪ ১৫ জুন শুক্র শনিবার। সে হিসেবে এবারের ঈদে সব মিলিয়ে ৫ দিনের ছুটি পাবে কর্মজীবিরা।

এর আগে আন্তঃমন্ত্রণালয়ের এক সভায় আগামী জুন থেকে অগ্রিম টিকিট বিক্রির প্রস্তাব দেয়া হয়। প্রস্তাব অনুযায়ী, এবার ঈদের আগে দিন ট্রেনযাত্রা ধরা হতে পারে। একজন যাত্রী সর্বোচ্চ চারটি টিকিট অনলাইনে সংগ্রহ করতে পারবেন।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, এবার ঈদে পশ্চিমাঞ্চল পূর্বাঞ্চল মিলে সক্ষমতা অনুযায়ী মোট ১০ জোড়া বিশেষ ট্রেন চালানো হতে পারে।

রেলওয়ের কর্ম পরিকল্পনা অনুযায়ী, ঈদের আগে আন্তঃনগর ট্রেনের ১২ জুনের আসন বিক্রি হতে পারে জুন; ১৩ জুনের আসন বিক্রি হতে পারে জুন; ১৪ জুনের আসন বিক্রি হতে পারে জুন; ১৫ জুনের আসন বিক্রি হতে পারে জুন; ১৬ জুনের আসন বিক্রি হতে পারে জুন।


ঈদ যাত্র   ট্রেন   অগ্রিম টিকেট  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবসের কর্মসূচি ঘোষণা

প্রকাশ: ১২:৪৬ পিএম, ২৮ মে, ২০২৪


Thumbnail

আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস (আগামী বুধবার,২৯ মে) উপলক্ষে কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। এদিন শান্তিরক্ষীদের স্মরণে সকালে 'শান্তিরক্ষী দৌড়-২০২৪' এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবসের কর্মসূচি শুরু হবে। 

এরপর, বেলা ১১টায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শহীদ শান্তিরক্ষীদের নিকটাত্মীয় ও আহত শান্তিরক্ষীদের জন্য সংবর্ধনা এবং জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের ওপর বিশেষ উপস্থাপনার আয়োজন করা হবে। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শান্তিরক্ষায় বাংলাদেশের কার্যক্রমের ওপর নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ অন্যান্য বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে ইতোমধ্যে প্রচারের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে শহীদ ও আহত শান্তিরক্ষীদের সম্মানে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে মন্ত্রিপরিষদের সদস্যগণ, বাংলাদেশে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত বা হাইকমিশনারগণ, বাংলাদেশে নিযুক্ত জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী, তিন বাহিনী প্রধানগণ, সংসদ সদস্যরা, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও), পুলিশের মহাপরিদর্শক, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ এবং গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বসহ ঊর্ধ্বতন সামরিক ও অসামরিক কর্মকর্তাগণ উপস্থিত থাকবেন বলেও জানা গেছে।


জাতিসংঘ   শান্তিরক্ষী দিবস   কর্মসূচি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া ঘাটে স্বাভাবিক ফেরি ও লঞ্চ চলাচল

প্রকাশ: ১২:৩৭ পিএম, ২৮ মে, ২০২৪


Thumbnail

দীর্ঘ ৩৬ ঘণ্টা পর দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল ও ৪৮ ঘণ্টা পর লঞ্চ চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ মে) ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাব কেটে গেলে সকাল ৯ টা থেকে ওই নৌরুটে ফেরি ও সকাল ১০ টা থেকে লঞ্চ চলাচল স্বাভাবিক হয়।

এর আগে রোববার (২৬ মে) বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে পদ্মা নদী উত্তাল হতে শুরু করলে নৌ-দুর্ঘটনা এড়াতে সকাল ৯ টা থেকে সব ধরনের লঞ্চ এবং রাত ৯ টা থেকে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেয় বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্পোরেশন বিআইডব্লিউটিসি কর্তৃপক্ষ।

বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাটের ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মোঃ সালাহউদ্দিন বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে পদ্মা নদী উত্তাল ছিল। যার কারণে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছিল। নদী স্বাভাবিক হলে প্রায় ৩৬ ঘণ্টা পর আজ সকাল ৯টা থেকে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। বর্তমানে ১০টি ফেরি চলাচল করছে।

দৌলতদিয়া লঞ্চ ঘাট ম্যানেজার নুরুল আনোয়ার মিলন বলেন, ‘দুর্ঘটনা এড়াতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ২৬ মে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে সব ধরনের লঞ্চ চলাচল বন্ধ রাখা হয়। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মোতাবেক মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে আবারও লঞ্চ চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।’


ফেরী চলাচল   স্বাভাবিক   লঞ্চ   দৌলদিয়া-পাটুরিয়া  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

ঘূর্ণিঝড় রেমাল: রাজধানীতে উর্ধ্বমুখী কাঁচা বাজার

প্রকাশ: ১২:০৩ পিএম, ২৮ মে, ২০২৪


Thumbnail

ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে সোমবার (২৯ মে) দিনব্যাপী অতি ভারী বৃষ্টি হয়েছে রাজধানী জুড়ে। আবহাওয়া অফিসের তথ্য মতে ঢাকায় ২৪ ঘণ্ঠায় বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে ১৫৭ মিলিমিটার। টানা বৃষ্টির এ প্রভাব দেখা গিয়েছে রাজধানীর কাঁচা বজারে। সরবরাহ কম থাকায় প্রায় সব ধরনের সবজির দামই উর্ধ্বমূখী। রাতারাতি দাম বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ ক্রেতারা পড়েছেন অস্বস্তিতে।

মঙ্গলবার (২৮ মে) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে সবজির এমন বাড়তি দাম লক্ষ্য করা গেছে। তবে, ব্যবসায়ীদের দাবি ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে সব ধরনের সবজির দাম বেড়েছে।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, রাজধানীর কাঁচা বাজারে শসা প্রতি কেজি ৬০ থেকে ৭০ টাকা, বেগুন প্রতি কেজি ৬০ থেকে ৭০ টাকা, ঢেঁড়স প্রতি কেজি ৬০ টাকা, পটল বিক্রি ৫০ থেকে ৬০, ঝিঙা প্রতি কেজি ৬০ থেকে ৭০ টাকা, কাঁকরোল ১০০ টাকা, কচুর লতি প্রতি কেজি ৬০ টাকা, করলা প্রতি কেজি ৬০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া প্রতি কেজি ৪০ টাকা টাকা, টমেটো প্রতি কেজি ৬০ টাকা, গাজর প্রতি কেজি ৮০ টাকা, ধুন্দল প্রতি কেজি ৫০ থেকে ৬০ টাকা, বরবটি প্রতি কেজি ৬০ টাকা এবং কাঁচা মরিচ মানভেদে প্রতি কেজি ২০০ থেকে ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ব্যবসায়ীদের দাবি, আজ সবজির পাইকারি বাজার কাওরান বাজারেই পাইকারি দামি বেশি। এর কারণ ঘূর্ণিঝড়ের কারণে গতকাল সারা দিন বৃষ্টি হয়েছে, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কৃষকরা ফসল তুলতে পারেনি। সে কারণে আজকে ঢাকায় ফসলের সরবরাহ একেবারেই কম।

তবে, আজ যেহেতু বৃষ্টি নেই, হয়তোবা আগামীকাল থেকে রাজধানীতে সবজি সরবরাহ ঠিক হয়ে যাবে। সে কারণে কালকে থেকে সবজির দাম কিছুটা কমে আসবে বলে জানায় তারা। 


কাঁচা বাজার   রাজধানী   রেমাল   দাম  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

বৃহস্পতিবার জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবসে যোগ দেবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশ: ১১:১৩ এএম, ২৮ মে, ২০২৪


Thumbnail

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী আন্তর্জাতিক দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (৩০ মে) যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘের অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। পাশাপাশি দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশের স্থায়ী দূতাবাস আয়োজিত অস্ট্রিয়ার সঙ্গে যৌথ অনুষ্ঠানেও যোগ দেবেন তিনি।

তিনদিনের নিউইয়র্ক সফরে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস, শান্তিরক্ষা কার্যক্রম বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল, মিয়ানমারে জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ দূত, জাতিসংঘের ৭৮তম সাধারণ পরিষদের প্রেসিডেন্টের স‌ঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পাশাপাশি নিউইয়র্কে ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা-ওআইসিভুক্ত দেশগুলোর রাষ্ট্রদূতদের উদ্দেশে রোহিঙ্গা পরিস্থিতি নিয়ে বক্তৃতা দেবেন তিনি।

নিউইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি মোহাম্মদ আবদুল মুহিত ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উত্তর আমেরিকা অনুবিভাগের মহাপরিচালক খন্দকার মাসুদুল আলম প্রতিনিধি দলের সদস্য হিসেবে এসব বৈঠকে থাকবেন।


জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস   পররাষ্ট্রমন্ত্রী   ড. হাছান মাহমুদ  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন