ক্লাব ইনসাইড

ইবিতে বৃক্ষ নিধনে ক্ষিপ্ত শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীরা

প্রকাশ: ১১:৩২ এএম, ০৪ মার্চ, ২০২৪


Thumbnail

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) তে একাধিক পুরোনো গাছ কেটে ‘বৈশাখী মঞ্চ’ তৈরির পরিকল্পনা করছে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ। এ লক্ষ্যে রবিবার (০৩ মার্চ) থেকে কর্তৃপক্ষের নির্দেশে বৃক্ষ কাটা শুরু হয়। মঞ্চটি ঠিক দুই একাডেমিক ভবনের মাঝে হওয়ায় বিভিন্ন অনুষ্ঠান হলে শিক্ষার্থীদের ক্লাস-পরীক্ষা ব্যাহত হতে পারে।

এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় অঙ্গনের অন্যত্র ফাঁকা জায়গা থাকা সত্ত্বেও বৃক্ষ কেটে এমন স্থানে মঞ্চ নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়ায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সচেতন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ ভবন এবং ফলিত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ভবনের মাঝে ‘বৈশাখী মঞ্চ’ তৈরির পরিকল্পনা করছে কর্তৃপক্ষ। ইতোমধ্যে ওই মঞ্চ তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। ফলে তিনটি পুরোনো গাছ কাটা হচ্ছে। দুই যুগ আগে নিজস্ব অর্থায়নে সেই গাছগুলোসহ প্রায় ১১০০ গাছ লাগিয়েছিলেন অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মুঈদ রহমান। তিনিও বিষয়টি তাঁর জন্য বিব্রতকর বলে জানিয়েছেন।

এদিকে গাছ কাটার কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাদের দাবি, দুই একাডেমিক ভবনের মাঝে মঞ্চ হলে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের কারণে ক্লাস-পরীক্ষা চরমভাবে ব্যাহত হবে। কর্তৃপক্ষ চাইলে ভিন্ন কোনো জায়গায় এই মঞ্চ করতে পারতো।

এছাড়া মঞ্চ তৈরির জন্য পুরোনো গাছগুলো কাটার কোনো মানে হয় না। প্রশাসন এর আগেও উন্নয়নের নামে অনেক গাছ কর্তন করেছে। গাছ কাটলেও পরবর্তীতে আর নতুন করে পর্যাপ্ত গাছ লাগানো হয় না।

এদিকে গাছ না কাটার অনুরোধ জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ, প্রকৌশল অফিস ও প্রক্টরের কাছে লিখিত আবেদন দিয়েছেন ক্যাম্পাসের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন অভয়ারণ্য’র সদস্যরা। সংগঠনটির সভাপতি ইশতিয়াক ফেরদৌস ইমন বলেন, ‘প্রশাসনের এমন সিদ্ধান্ত আমাদের মর্মাহত করেছে। আমরা এ বিষয়ের তীব্র নিন্দা জানাই।’

পরিবেশবাদী সংগঠন ‘গ্রীণ ভয়েস’-এর সাধারণ সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ ইমন বলেন, ‘আমরা প্রক্টর অফিসে কথা বলেছি। আমাদের বলেছে মৃতপ্রায় গাছ কাটা হচ্ছে। কিন্তু আমরা গিয়ে দেখলাম সবগুলো গাছ জীবিত। গাছ কেটে মঞ্চ তৈরি করা কোনোভাবে সুখকর নয়। অনেকস্থানে ফাঁকা জায়গা আছে সেখানেও মঞ্চ তৈরি করা যায়।’

ইবি শাখা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি মামুন অর রশীদ বলেন, ‘একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য হলো লেখাপড়ার সঠিক মান নির্ধারণের মাধ্যমে ও গবেষণার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদেরকে দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করা। কিন্তু আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার চেয়ে নাটক বেশি হয়। এজন্য হয়তো বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এতো এতো মঞ্চ তৈরি করছে। আমরা বৃক্ষ নিধন করে নাটকের এমন মঞ্চ চাই না। আমরা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ বৃক্ষ নিধনের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।’

অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মুঈদ রহমান বলেন, ‘২৪ বছর আগে নিজস্ব অর্থায়নে এই গাছগুলো লাগিয়েছিলাম। বিষয়টি শুনে আমার খুব কষ্ট লেগেছে। ব্যাপারটা আমার জন্য বিব্রতকরও। গাছ না কেটে ভিন্ন কোনো ফাঁকা স্থানে মঞ্চ করতে পারতো।’

ধর্মতত্ব অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সিদ্দিকুর রহমান আশ্রাফী বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড আমি নিরুৎসাহিত করছি না। তবে ক্লাস-পরীক্ষার সময়ে এসব জায়গায় অনুষ্ঠান করা উচিত না। এছাড়া একাডেমিক ভবনগুলোকে ঘিরে না করে অন্য স্থানে করা উচিত।’

এই বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রকৌলশী (ভারপ্রাপ্ত) কে এম শরীফ উদ্দীন বলেন, ‘ওই জায়গায় মঞ্চ করলে গাঠ কাটা ছাড়া উপায় ছিল না। গাছগুলো মরা। যেকোনো সময় ডাল ভেঙ্গে পড়তে পারতো। এছাড়া গাছ জীবিত থাকলেও মঞ্চ করলে শিকড়ের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. আলমগীর হোসেন ভূঁইয়া বলেন, ‘ডিন, শিক্ষক সমিতির সভাপতিসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সাথে কথা বলেই গাছ কাটা হয়েছে। কোনো কাজের প্রয়োজন হলে গাছ কাটাই লাগে।’

তিনি আরও জানান, প্রয়োজনে পরবর্তীতে সারি সারি গাছ লাগিয়ে দেওয়া হবে।


ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়   শিক্ষক   শিক্ষার্থীরা  


মন্তব্য করুন


ক্লাব ইনসাইড

জবির মসজিদে ঘুমন্ত নারী শিক্ষার্থী, খতিবের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন

প্রকাশ: ১০:৫৭ এএম, ২৮ মে, ২০২৪


Thumbnail

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে ঘুমন্ত অবস্থায় এক নারী শিক্ষার্থীকে পাওয়ার ঘটনায় মসজিদের খতিব সালাহউদ্দীন আহমেদের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

 

সোমবার (২৭ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. আইনুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে ৫ সদস্য বিশিষ্ট এ কমিটি গঠন করা হয়। 

 

আদেশে বলা হয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন নারী শিক্ষার্থী রাত ১১ টা ২০ মিনিট পর্যন্ত অবস্থান ও ঘুমানো এবং ইমামের দায়িত্ব অবহেলার তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন দাখিল করতে ৫ জনকে দায়িত্ব দেয়া হলো। এতে রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. আবুল কালাম মো. লুৎফর রহমানকে আহবায়ক ও সহকারী প্রক্টর খালিদ সাইফুল্লাহকে সদস্য সচিব করা হয়েছে। সদস্য হিসেবে বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. পারভীন আক্তার জেমী, আইসিটি সেলের পরিচালক ড. আমিনুল ইসলাম ও একাউন্টিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. এএনএম আসাদুজ্জামান ফকিরকে রাখা হয়েছে। 

 

বিস্তারিত ঘটনার বিষয়ে জানতে প্রশ্ন করা হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, মসজিদের খতিব সালাহউদ্দীনের বিরুদ্ধে মসজিদের 'স্পর্শকাতর' একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে এ তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে তদন্ত চলমান থাকায় সহকারী ইমামকে নামাজ পড়ানোর দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। 

 

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি মসজিদে এক ছাত্রীকে একা রাত ১১ টার দিকে শুয়ে পড়ে থাকতে দেখা যায়। প্রক্টরিয়াল বডি বিষয়টি জানার পর তারা আসলে যেন ওই ছাত্রীকে ছাড়তে বলেন। তবে খতিব সালাহউদ্দীন অসুস্থ অবস্থায় থাকা ওই ছাত্রীকে তড়িঘড়ি করে বের করে দেন। এবিষয়ে প্রক্টর পরেরদিন ঘটনা জানতে খতিবকে অফিসে তলব করলেও তিনি আসেন নি। 

 

এর আগে খতিব সালাহউদ্দীনের বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ দেখা যায়। ২০১৩ সালে খতিব সালাহউদ্দিন আহমেদ তারাবী নামাজের ইমামতি করার সময় কোরআন তেলাওয়াতের ভুল ধরার জন্য অপবাদ দিয়ে সহকারি ইমাম আনোয়ার হোসেন ও মুয়াজ্জিন ইমদাদুল হককে অন্য দপ্তরে বদলি করিয়ে দেন। ওই সহকারী ইমাম ও মুয়াজ্জিন ১১ বছর ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ দপ্তরে রয়েছেন।

 

অন্যদিকে সেই সময় থেকে মসজিদের সহকারী ইমাম হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের সেকশন অফিসার (পদোন্নতি পেয়ে বর্তমানে সহকারি লাইব্রেরিয়ান) শেখ মো. সালাহ উদ্দিনকে মুয়াজ্জিন হিসেবে বাসের হেলপার মোঃ হাসানকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে ভুক্তভোগী সহকারী ইমাম আনোয়ার মুয়াজ্জিন ইমদাদুল হক তাদের প্রতি খতিবের এমন আচরণের বিষয়টি জানান। 


জবি   নারী শিক্ষার্থী   খতিব   তদন্ত কমিটি  


মন্তব্য করুন


ক্লাব ইনসাইড

ডাইনিংয়ের খাবারে সিগারেট, রাবিতে হলের গেটে তালা

প্রকাশ: ১০:২০ এএম, ২৮ মে, ২০২৪


Thumbnail

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) নবাব আব্দুল লতিফ হলের ডাইনিংয়ের খাবারের মধ্যে সিগারেট পাওয়ার অভিযোগে হল গেটে তালা দিয়ে হলে ভাঙচুর করেছে কিছু শিক্ষার্থী। এঘটনায় জড়িতদের হল থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নিয়ে়ছে হল প্রশাসন।

 

সোমবার (২৭ মে) রাতে প্রাধ্যক্ষ পরিষদের এক জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

 

সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায়, হল থেকে বহিষ্কারের পাশাপাশি হলে ভাঙচুর চালানোর মতো 'সন্ত্রাসী' কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হওয়ায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণেরও সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাধ্যক্ষ পরিষদ।

 

প্রাধ্যক্ষ পরিষদের একটি সূত্র জানিয়েছে, লতিফ হলে ভাঙচুরের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ইমরান হোসেন, লতিফ হল শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি এবং শাখা ছাত্রলীগের সভাপতির পক্ষে হলে দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা তাসকিফ আল তৌহিদ এবং হল শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের পক্ষে হলে দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা মাসুদুর রহমানকে চিহ্নিত করেছে হল প্রশাসন। এদের মধ্যে তাসকিফ আল তৌহিদকে শিক্ষার্থী নির্যাতনের ঘটনায় পূর্বেই হল থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছিল।

 

জানতে চাইলে হল প্রাধ্যক্ষ পরিষদের আহ্বায়ক অধ্যাপক এএইচএম মাহবুবুর রহমান বলেন, আজকে আমাদের একটি জরুরী সভা ডাকা হয়েছিলো। সেখানে হল প্রাধ্যক্ষকে হেনস্তার জন্য প্রাধ্যক্ষ পরিষদ নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে জড়িতদের হল থেকে বহিষ্কার এবং ভাঙচুরের মতো 'সন্ত্রাসী' কর্মকাণ্ড পরিচালনা করায়, জড়িতদের বিরুদ্ধে হল প্রশাসন আইনগত ব্যবস্থা নিবে এই মর্মে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

 

এর আগে, সোমবার (২৭ মে) দুপুরে নবাব আব্দুল লতিফ হলের ডাইনিংয়ের খাবারে সিগারেট পাওয়ার অভিযোগে শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা হলের অতিথি কক্ষ, প্রাধ্যক্ষ ও আবাসিক শিক্ষকদের কক্ষের নামফলক ভাঙচুরসহ হলগেটে তালা দিয়ে আন্দোলন শুরু করেন। আন্দোলনের এক পর্যায়ে হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক এএইচএম মাহাবুবুর রহমান ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন৷ এসময় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের 'অকথ্য' ভাষায় গালিগালাজ শুনে ও তাদের আন্দোলনের মুখে হলে ঢুকতে না পেরে ফিরে যান তিনি। 

 

পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলম সাউদ ও সহকারী প্রক্টর ড. জাকির হোসেন ও আল মামুন ঘটনাস্থলে আসলে তারাও ফিরে যান। এরপর শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক আসাদুল্লা-হিল-গালিব হলে আসেন। পরে প্রক্টর অধ্যাপক আসাবুল হক এসে শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নেয়ার আশ্বাস দিলে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন থেকে সরে যান। 

এ ঘটনায় হলের দায়িত্বপ্রাপ্ত ছাত্রলীগ নেতাদের দুই পক্ষকে ১০টি করে জার্সি না দেওয়ায় 'পরিকল্পিতভাবে' এই আন্দোলনটি করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেন হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক এএইচএম মাহবুবুর রহমান।


রাবি   খাবারে সিগারেট   হল   তালা  


মন্তব্য করুন


ক্লাব ইনসাইড

ইবিতে যৌন নিপীড়ন প্রতিরোধে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন


Thumbnail

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) যৌন নিপীড়ন প্রতিরোধে শিক্ষার্থীদের মাঝে সচেতনতামূলক লিফলেট ও বই বিতরণ করা হয়েছে। শনিবার (২৫ মে) দুপুরে খালেদা জিয়া হলে এই ক্যাম্পেইন করে ইউজিসি কর্তৃক অনুমোদনকৃত বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন নিপীড়ন প্রতিরোধ সেল।

এ সময় খালেদা জিয়া হলের প্রভোস্ট এবং যৌন নিপীড়ন প্রতিরোধে গঠিত অভিযোগ কমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর ড. ইয়াসমিন আরা সাথী, কমিটির সদস্য সচিব এবং উপ-রেজিস্টার (প্রশাসন) আলমগীর হোসেনসহ হলের কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

জানা গেছে, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রায়সই যৌন নিপীড়নের ঘটনা ঘটে। এ বিষয়ে যৌন নিপীড়ন প্রতিরোধ কমিটিকে জানালে সাথে সাথে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে। কারও সঙ্গে এমন ঘটনা ঘটলে নির্ভয়ে অভিযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে কমিটি। কারোর বিরুদ্ধে অভিযোগ আসলে তদন্ত পূর্বক যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।

যৌন নিপীড়ন প্রতিরোধে গঠিত অভিযোগ কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. ইয়াসমিন আরা সাথী বলেন, ইবির যৌন নিপীড়ন প্রতিরোধে গঠিত অভিযোগ কমিটি ইউজিসি কর্তৃক অনুমোদিত। ক্যাম্পাসে অনেক সময় অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। এগুলো সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের মাঝে সচেতনা সৃষ্টিতে এই প্রোগ্রামের আয়োজন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ছাত্রীরা তাদের নিজেদের অধিকার এবং ঘটনাগুলোর বিষয়ে সচেতন হতে পারে। কেউ এ ধরণের ঘটনার সম্মুখীন হলে আমাদের জানালে সাথে সাথে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


ইবি   যৌন নিপীড়ন   ক্যাম্পেইন  


মন্তব্য করুন


ক্লাব ইনসাইড

বাঙলা কলেজে সিরাজগঞ্জ জেলা ছাত্রকল্যাণের কমিটি

প্রকাশ: ০৫:১০ পিএম, ২৫ মে, ২০২৪


Thumbnail

রাজধানীর সরকারি বাঙলা কলেজে আগামী এক বছরের জন্য সিরাজগঞ্জ জেলা ছাত্র কল্যাণের কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে ইতিহাস বিভাগের ২০১৮-১৯ বর্ষের আসাদুল ইসলাম নিরবকে। এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে ব্যবস্থাপনা বিভাগের ছাত্র মোঃ জাহিদুল ইসলাম জাহিদকে।

গত ১৭ মে সংগঠনটির উপদেষ্টাদের স্বাক্ষরে এ কমিটি গঠন করা হয়। 

কমিটির নবনির্বাচিত সভাপতি আসাদুল ইসলাম নিরব বলেন, ‘সিরাজগঞ্জ জেলার শিক্ষার্থীদের কল্যাণে আমরা সবসময় কাজ করবো। তাদের রক্তদানে উদ্বুদ্ধ করবো। আমাদের সংগঠনের স্বাস্থ্যবান সকল শিক্ষার্থী রক্তদান করবে জরুরি মুহুর্তে। যারা আর্থিকভাবে দুর্বল তাদের পাশে দাঁড়াবো। ভর্তি ফি বা পরীক্ষার ফি দিতে না পারলে তাদের যথাসাধ্য সাহায্য করবো।’


কমিটির নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘সিরাজগঞ্জ থেকে বাঙলা কলেজে পড়ালেখা করতে আসা শিক্ষার্থীদের কল্যাণে আমাদের এ সংগঠন। সকলের কল্যাণে আমরা সবাই সম্মিলিতভাবে পাশে থাকার চেষ্টা করব। গরীব মেধাবী শিক্ষার্থীদের সকল বিপদে আপদে আমরা পাশে থাকবো।’

উল্লেখ্য, সরকারি বাঙলা কলেজস্থ রাজশাহী বিভাগীয় ছাত্রকল্যাণ পরিষদের আওতায় এ কমিটি গঠন করা হয়েছে। 


বাঙলা কলেজ   সিরাজগঞ্জ জেলা ছাত্র কল্যাণ  


মন্তব্য করুন


ক্লাব ইনসাইড

জবির নতুন ক্যাম্পাসের অনিয়ম তদন্তে উচ্চতর কমিটি গঠন

প্রকাশ: ০৩:৪০ পিএম, ২৫ মে, ২০২৪


Thumbnail

গণমাধ্যমে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) নতুন ক্যাম্পাসের নানা অনিয়মের সংবাদ প্রকাশের পর তা তদন্তে উচ্চতর কমিটি গঠন করা হয়েছে।

 

আজ শনিবার (২৫ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. আইনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। রেজিস্ট্রার স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. শওকত জাহাঙ্গীরকে আহবায়ক ও উপ-প্রধান প্রকৌশলী (সিভিল) মো. আমিরুল ইসলামকে সদস্য সচিব করে ৭ সদস্য বিশিষ্ট এ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। 

 

কমিটির সদস্যরা হলেন, পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ আশরাফ-উল-আলম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভূতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন ভূঁঞা, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) একজন প্রতিনিধি, বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মনিরা জাহান সুমি, ইউজিসি পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) মোশারফ হোসেন। 

এর আগে নানা জাতীয় গণমাধ্যমে জবির নতুন ক্যাম্পাসের ৫ তলা বিশিষ্ট প্রকৌশলী ও প্লানিং ভবনের পাইলিং ৪০ ভাগ কম দেয়া, ভবনের পাইল ভেঙ্গে পুকুরের ঘাটে ঢালাই দেয়াসহ ঠিকাদার ওমর ফারুক রুমির সঙ্গে প্রধান প্রকৌশলী হেলাল উদ্দিন পাটোয়ারীর স্বজনপ্রীতি ও যোগসাজশের বিষয়টি উঠে আসে। এছাড়া নতুন ক্যাম্পাস ঘিরে একটি টেন্ডার চক্র গড়ে উঠেছে বলেও জানা যায়।


জবি   নতুন ক্যাম্পাস   তদন্ত কমিটি  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন