ক্লাব ইনসাইড

হিযবুত তাহরীর ও শিবির যেভাবে কাজ করছে বুয়েটে

প্রকাশ: ০৬:০০ পিএম, ০১ এপ্রিল, ২০২৪


Thumbnail

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় দেশের সেরা বিদ্যাপীঠ। সেখানে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ করার জন্য আন্দোলনকারী ছাত্রদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। অন্যদিকে ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে, ছাত্ররাজনীতি বিশ্ববিদ্যালয়ে বন্ধ করা যাবে না। বুয়েটের উপাচার্য বলেছেন, শিক্ষক, শিক্ষার্থীরা চাইলে আবার চালু হতে পারে ছাত্ররাজনীতি। 

আজ বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত বলেছে, বুয়েটে ছাত্ররাজনীতি কোন বাধা নেই। সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠে কেন রাজনীতি থাকবে না সেটি একটি বড় প্রশ্ন বটে। ছাত্ররাজনীতি যারা বন্ধ করতে চাইছে, তারা আসলে কারা? তারা কি আসলে সাধারণ ছাত্রছাত্রী, নিরীহ নাকি তার পিছনে অন্য কোন রাজনৈতিক অভিপ্রায় রয়েছে। 

বাংলা ইনসাইডারের অনুসন্ধানে দেখা যাচ্ছে, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে যারা ছাত্ররাজনীতির বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহণ করেছেন তাদের সঙ্গে জামায়াত এবং হিজবুত তাহরীর গোপন সম্পর্ক রয়েছে। সরেজমিন অনুসন্ধানে দেখা যায়, সামনে নেতৃত্বে রাখা হয়েছে একেবারে সমস্ত ছাত্ররাজনীতির সঙ্গে সম্পর্কহীন নিরীহ মেধাবী শিক্ষার্থীদের। যাদের সাথে কোনো রাজনৈতিক দল এমনকী জামায়াত বা হিযবুত তাহরীরের সম্পর্ক নেই। কিন্তু তাদেরকে নেতৃত্বের সামনে এনেছে কারা? তাদেরকে নেতৃত্বের সামনে এনেছে হিযবুত তাহরীর এবং এবং ছাত্রশিবির। 

ছাত্রশিবির এবং হিজবুত তাহরীরের কর্মীরা, নেতারা এমন সব ছাত্রদেরকে আন্দোলনকারী শক্তি হিসেবে সামনে এনেছে, যারা আসলে ছাত্রদের মাঝে নিরপেক্ষ এবং মেধাবী হিসেবে পরিচিত। সেই সমস্ত শিক্ষার্থীদেরকেই আনা হয়েছে, যাদের আওয়ামী বিরোধী একটি রাজনৈতিক পরিচয়ও রয়েছে। পারিবারিক সূত্রে তারা আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে বিরোধপূর্ণ অবস্থানে রয়েছেন, তাদেরকেই বাছাই করা হয়েছে। 

গত ১০ বছর ধরে হিযবুত তাহরীর প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের নিবিড়ভাবে কাজ করছে বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে। প্রতিটি হলে হিযবুত তাহরীর একাধিক কমিটির খবরও পাওয়া গেছে। এই সমস্ত কমিটি গুলো কাজ করছে মূলত ছাত্ররাজনীতির বিরোধী একটি নেতিবাচক মনোভাব তৈরি করার জন্য। হিযবুত তাহরীর পাশাপাশি ইসলামী ছাত্রশিবিরও হিযবুত তাহরীর ছায়াতলে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে সংগঠন তৈরি করছে। হিজবুত তাহরীর এবং ইসলামি ছাত্রশিবিরের মধ্যে এক ধরনের ঐক্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, যে ঐক্য অনুযায়ী তারা হলগুলোতে আসন ভিত্তিক আসন বণ্টন করেছে। প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি হলে হিযবুত তাহরীর তাদের নিয়মিত লিফলেট বিতরণ করছে। নামাজের দাওয়াত দিচ্ছে এবং প্রতি বৃহস্পতিবার অন্তত চারটি হলে হিযবুত তাহরীর তাদের ইসলামি চিন্তাভাবনা প্রচারের জন্য জলসার মতো বৈঠকের আয়োজন করছে। এই বৈঠকগুলোতে উগ্র ইসলামি চিন্তা ভাবনা শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। 

বিশ্ববিদ্যালয়ের চত্বরে ঘুরে দেখা যায়, প্রতিটি হলে এবং প্রতিটি কক্ষে নামাজ পড়া এবং নামাজের নিয়ম এবং নামাজ না পড়লে কী ধরনের শাস্তি হবে ইত্যাদি নানা রকম বক্তব্য এবং প্রচারণা বা দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি প্রতিটি হলে ছাত্ররাজনীতির অপকর্ম এবং ছাত্ররাজনীতির বিরুদ্ধে নানারকম বক্তব্য বিবৃতি সম্পর্কিত অবস্থান দেয়া হচ্ছে।  

হিযবুত তাহরীর প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে দু ধরনের কাজ করছে। প্রথমত তারা হিযবুত তাহরীরের পক্ষে নীরবে প্রচার প্রচারণা করছন এবং সাধারণ ছাত্রছাত্রীদেরকে তারা বুঝাতে চাচ্ছেন যে, ধর্ম ভিত্তিক ন্যায় সঙ্গত জীবন যাপনই হলো শিক্ষা জীবনের শ্রেষ্ঠ অর্জন। পাশাপাশি তারা ছাত্রলীগ সহ বিভিন্ন সংগঠনের বিরুদ্ধে নেতিবাচক বক্তব্য প্রচার করছে যাতে ছাত্রদের মধ্যে ছাত্ররাজনীতি সম্পর্কে খারাপ ধারণা তৈরি হচ্ছে। সবকিছু মিলিয়ে শিবির এবং হিযবুত তাহরীর সিটি করে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়কে দখল করে ফেলেছে। এখনই তাদের প্রতিরোধ করা না গেলে সামনের দিনগুলোতে বড় ধরনের সঙ্কট তৈরি হবে দেশ সেরা এই বিশ্ববিদ্যালয়ে।

হিযবুত তাহরীর   শিবির   বুয়েট   ছাত্রলীগ  


মন্তব্য করুন


ক্লাব ইনসাইড

ইবি ক্যাম্পাসে জুয়ার আসর, আটক ৪ বহিরাগত


Thumbnail

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) কেন্দ্রীয় ক্রিকেট মাঠে জুয়ার আসর থেকে চার বহিরাগতকে আটক করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর প্রভাষক ইয়ামিন মাসুম ও নাসির মিয়ার উপস্থিতিতে তাদেরকে আটক করা হয়। পরে তাঁরা আর এমন কাজে লিপ্ত না হওয়ার মর্মে অঙ্গীকার করিয়ে মুচলেকা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।

মঙ্গলবার (২১ মে) সন্ধ্যায় ক্রিকেট মাঠের পশ্চিম পাশে এই ঘটনা ঘটে।

আটককৃতরা হলেন, শৌলকুপার পদমদী গ্রামের নজরুল শাহের ছেলে আশিকুর রহমান, উকিল উদ্দিনের ছেলে তানজিল ও মোকাদ্দেসের ছেলে সাগর হোসেন। এছাড়াও অন্যজন হলেন শেখপাড়া গ্রামের আব্দুল আজিজের ছেলে রাকিব হোসেন।

এই বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর ইয়ামিন মাসুম বলেন, ‘প্রক্টর স্যার গোপন সংবাদ পেয়ে আমাদেরকে ঘটনাস্থলে পাঠান। আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের পাওয়ার পর জিজ্ঞাসাবাদ করি। পরে ভবিষ্যতে এ ধরণের কাজে জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে মর্মে সতর্ক করে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেই।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহাদৎ হোসেন আজাদ বলেন, ‘আমি তথ্য পাওয়ার সাথে সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থান করা সহকারী প্রক্টরদের জানায়। এছাড়া তাদেরকে প্রয়োজনে পুলিশেরও সহযোগিতা নিতে বলি। পরে তাঁরা গিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদেরকে আটক করে। পরে মুচলেকা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জেনেছি৷’


ইবি   জুয়া   বহিরাগত  


মন্তব্য করুন


ক্লাব ইনসাইড

ইবিতে র‌্যাগিং কাণ্ড: তদন্তে সত্যতা মিললেও ব্যবস্থা নিতে গড়িমসি


Thumbnail

তিনমাস আগে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) লালন শাহ হলে এক নবীন ছাত্রকে বিবস্ত্র করে র‌্যাগিং ও নির্যাতনের ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিয়ে হল কর্তৃপক্ষ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কর্তৃক পৃথক দুইটি তদন্ত কমিটি করা হয়।

তদন্তে ঘটনার সত্যতা পায় কমিটি। গত এপ্রিলে কর্তৃপক্ষের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয় তারা। একইসঙ্গে শাস্তির সুপারিশও করা হয়। তবে প্রতিবেদন জমা দেয়ার চার সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি কর্তৃপক্ষ। ঘটনা ধামাচাপা দিতে কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্তে ঢিলেমি করছে বলে অভিযোগ সচেতন শিক্ষার্থীদের।

সূত্র মতে, চলতি বছরের ৭ই ফেব্রুয়ারি লালন শাহ হলের গণরুমে (১৩৬ নম্বর কক্ষে) নবীন ছাত্রকে র‌্যাগিংয়ের অভিযোগ উঠে। ভুক্তভোগী আল-ফিকহ অ্যান্ড লিগ্যাল স্টাডিজ বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। ওইদিন রাত সাড়ে ১২ টা থেকে ভোর সাড়ে ৪টা পর্যন্ত দফায় দফায় তার উপর নির্যাতন চালানো হয় এবং ভয় দেখিয়ে বার বার বেড-পত্র বাইরে ফেলে দেয়া হয় বলে জানায় ভুক্তভোগী। নির্যাতনের সময় উলঙ্গ করে বেঞ্চের উপর দাঁড় করিয়ে রাখা, বারংবার রড দিয়ে আঘাত, অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও নাকে খত দেয়া হয় বলেও অভিযোগ করে সে।

ঘটনা প্রকাশ্যে এলে ১৩ই ফেব্রুয়ারি পৃথকভাবে তদন্ত কমিটি করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট হল কর্তৃপক্ষ। পরে র‌্যাগিংয়ের ঘটনায় কোনো প্রত্যক্ষদর্শী থাকলে মৌখিক বা লিখিতভাবে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য পৃথকভাবে গণবিজ্ঞপ্তি দেয় তদন্ত কমিটি। বিজ্ঞপ্তিতে তথ্য দাতার নাম ও পরিচয় শতভাগ গোপন রাখা হবে বলেও জানানো হয়। পরে ভুক্তভোগী ও অভিযুক্ত শিক্ষার্থী এবং সংশ্লিষ্ট হলে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের বক্তব্য শুনে তদন্ত কমিটি।

সব তথ্য যাচাই বাছাই শেষে এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে প্রশাসনের তদন্ত কমিটি ও ২২শে এপ্রিল হল কর্তৃপক্ষ থেকে গঠিত তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন জমা দেয়। তদন্তের প্রতিবেদনে ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায় বলে জানায় সূত্র। ফলে জড়িতদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।

তবে এখন পর্যন্ত বিষয়টি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। এতে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে শিক্ষার্থী ও সচেতন মহল। দ্রুত বিষয়টির সুরাহা করার দাবি তাদের। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে র‌্যাগিংয়ের ঘটনায় গুরুতর অভিযুক্ত হিসেবে শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়াবিজ্ঞান বিভাগের মুদাচ্ছির খান কাফী ও ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের মোহাম্মদ সাগরের নাম উঠে আসে। এছাড়া ইতিহাস বিভাগের উজ্জ্বল হোসেনের কম সংশ্লিষ্টতা ছিল বলে জানা যায়। তারা সবাই ২০২১-২২ সেশনের শিক্ষার্থী।

এই বিষয়ে প্রশাসন কর্তৃক গঠিত তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. দেবাশীষ শর্মা বলেন, গত ঈদের ছুটির আগেই আমরা ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদন কর্তৃপক্ষের নিকট জমা দিয়েছি। সিদ্ধান্তের বিষয়ে কর্তৃপক্ষ ভালো বলতে পারবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহাদৎ হোসেন আজাদ বাংলা ইনসাইডারকে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষাসহ নানাবিধ ব্যস্ততায় বিষয়টা একটু পিছিয়ে গেছে। তবে হয়তো খুব দ্রুত এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) এইচ এম আলী হাসান বাংলা ইনসাইডারকে বলেন, এখনও ছাত্র-শৃঙ্খলা কমিটির সভা হয়নি। কিছুদিনের মধ্যে শৃঙ্খলা কমিটির সভা ডাকা হবে। সেখানে তদন্ত রিপোর্টের আলোকে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।


র‌্যাগিং   তদন্তে গড়িমসি   ইবি  


মন্তব্য করুন


ক্লাব ইনসাইড

মধ্যরাতে জাবির জাহানারা ইমাম হলের ছাত্রীদের আন্দোলন

প্রকাশ: ০৪:০৮ পিএম, ২০ মে, ২০২৪


Thumbnail

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) জাহানারা ইমাম হলের আবাসিক ছাত্রীরা হল প্রাধ্যক্ষের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতা ও স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে আপন বোনকে হল সুপার হিসেবে নিয়োগ দেয়ার অভিযোগসহ কয়েক দফা দাবিতে মধ্যরাতে আন্দোলন করেছে৷ 

 

সোমবার (২০ মে) রাত ১ টার দিকে হলের ছাত্রীরা আন্দোলন শুরু করে৷ পরে আবাসিক শিক্ষকদের আশ্বাসে রাত ৩ টার দিকে আল্টিমেটাম দিয়ে হলে ফিরে যান আন্দোলনকারী ছাত্রীরা৷ 

 

শিক্ষার্থীদের অভিযোগগুলো হলো, স্বজন প্রীতির মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়া হল সুপার শিক্ষার্থীদের সাথে অশোভন আচরণ করেন, হলে নিম্নমানের খাবার পরিবেশন, হল স্টাফদের দুর্ব্যবহার, হলের সিট সংকট, হলের অপরিচ্ছন্নতা, হল সংলগ্ন লেক পরিস্কার না করা ইত্যাদি।

 

এবিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ছাত্রী বলেন, ‘আমরা প্রতিনিয়ত হলে খারাপ আচরণের শিকার হচ্ছি৷ হল সুপার থেকে শুরু স্টাফরা আমাদের সাথে খারাপ আচরণ করে অথচ প্রাধ্যক্ষ ম্যামের নিকট এসব এবিষয় নিয়ে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও উনাকে পাওয়া যায় না৷’

 

ছাত্রীদের অভিযোগ ও আন্দোলনের ব্যাপারে জানতে চাইলে প্রাধ্যক্ষ মুরশেদা বেগম বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের খবর পেয়ে আমি আবাসিক শিক্ষকদের ঘটনাস্থলে পাঠিয়েছি। ছাত্রীরা যে সমস্যা গুলো নিয়ে আন্দোলনে নেমেছেন সেগুলো লিখিত আকারে আমার কাছে তারা কখনো জানান নি। তবে যেহেতু তারা সমস্যার কথা এখন বলেছেন আমরা আজকে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যাগুলো সমাধান করার চেষ্টা করবো।’ 

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় হল প্রভোস্ট কমিটির সভাপতি অধ্যাপক নিগার সুলতানা বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে শুনেছি হল প্রভোস্টের সাথে এই বিষয়ে কথা বলবো।’


জাবি   ছাত্রী   আন্দোলন   প্রাধ্যাক্ষ  


মন্তব্য করুন


ক্লাব ইনসাইড

প্রধানমন্ত্রীকে স্মারকলিপি দিবে ঢাবি শিক্ষক সমিতি

প্রকাশ: ০৩:৫০ পিএম, ২০ মে, ২০২৪


Thumbnail

অর্থ মন্ত্রণালয় কর্তৃক সর্বজনীন পেনশনের প্রত্যয় স্কিমে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অন্তর্ভুক্তি বাতিলের দাবিতে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দিবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি।

এ ছাড়া আগামী রবিবার (২৬ মে) একই দাবি নিয়ে একটি মানববন্ধন আয়োজন করবে এবং এই সময়ের মধ্যে তাদের দাবি না মানলে কর্মবিরতিসহ কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করবে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।

গতকাল রোববার (১৯ মে) অনুষ্ঠিত ঢাবি শিক্ষক সমিতির এক সাধারণ সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আজ সোমবার সংগঠনটির সভাপতি অধ্যাপক ড. নিজামুল হক ভূঁইয়া ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. জিনাত হুদা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়ে জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সভায় সর্বজনীন পেনশনের প্রত্যয় স্কিমে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অন্তর্ভুক্তি বাতিলের দাবিতে মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রেরণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সভায় আরও সিদ্ধান্ত হয় আগামী ২৬ মে রবিবার সকাল ১১:৩০ মিনিটে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে একটি মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হবে এবং এই সময়ের মধ্যে প্রত্যয় স্কিমে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অন্তর্ভুক্তকরণ বাতিল না হলে ওই মানববন্ধন থেকে কর্মবিরতিসহ কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

এতে আরও বলা হয়, গত ১৩ মার্চ ২০২৪ তারিখে জারিকৃত এসআরও নং ৪৭-আইন/২০২৪ এর মাধ্যমে সর্বজনীন পেনশনের প্রত্যয় স্কিমে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অন্তর্ভুক্ত করায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে এটি প্রত্যাখ্যান করে ১৯ মার্চ ২০২৪ তারিখে প্রেস বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়। পরবর্তীকালে ৩ এপ্রিল ২০২৪ তারিখে শিক্ষক সমিতির সাধারণ সভায় উপস্থিত শিক্ষকরা এই পেনশন স্কিমে অন্তর্ভুক্তি প্রত্যাখ্যানপূর্বক তীব্র প্রতিবাদ করেন।

এক মাস অতিক্রান্ত হলেও প্রত্যয় স্কিমে শিক্ষকদের অন্তর্ভুক্তিকরণ বাতিলের কোনো উদ্যোগ না নেওয়ায় ২৯ এপ্রিল ২০২৪ তারিখে শিক্ষক সমিতির কার্যকর পরিষদের জরুরি সভায় ৩০ এপ্রিল ২০২৪ থেকে ৭ মে ২০২৪ পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের স্বাক্ষর সংগ্রহ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। ওই কর্মসূচিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৬১ জন শিক্ষক স্বাক্ষর করে সর্বজনীন পেনশনে শিক্ষকদের অন্তর্ভুক্তি বাতিলের পক্ষে মতামত প্রদান করেন।


প্রধানমন্ত্রী   স্মারকলিপি   ঢাবি শিক্ষক সমিতি  


মন্তব্য করুন


ক্লাব ইনসাইড

লেখাপড়া শিখে অকেজো থাকা যাবে না: ইবি ভিসি


Thumbnail

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ভিসি অধ্যাপক . শেখ আবদুস সালাম বলেছেন, লেখাপড়া তো করতেই হবে। কিন্তু লেখাপড়া শিখে অকেজো থাকা যাবে না। বাজারে অবস্থান তৈরি করার জন্য নিজেকে যোগ্য করে তুলতে হবে। আর এজন্য জ্ঞান, প্রশিক্ষণ এবং প্রযুক্তির সঠিক সমন্বয় ঘটিয়ে যোগ্য তৈরি হতে হবে। 

 

রোববার (১৯ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের পরমাণু বিজ্ঞানী ড. এম. এ. ওয়াজেদ মিয়া বিজ্ঞান ভবনে অনুষ্ঠিত ডিজিটাল স্কিলস ফর স্টুডেন্ট ট্রেনিং প্রোগ্রামে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভিসি এসব কথা বলেন। সকাল সাড়ে ১০টায় এই অনুষ্ঠানটি শুরু হয়।

 

অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার হিসেবে ছিলেন আইসিটি ডিভিশনের ইডিজিই (এনহেন্সিং ডিজিটাল গাভার্ণমেন্ট এন্ড ইকোনমি) প্রজেক্টের পরিচালক এবং যুগ্ম-সচিব সাখাওয়াত হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রো-ভিসি . মাহবুবুর রহমান, ট্রেজারার . আলমগীর হোসেন ভূঁইয়া, ডিজিটাল স্কিলস ফর স্টুডেন্ট ট্রেনিং প্রোগ্রামের সমন্বয়ক . ফারুকুজ্জামান খান এবং ইডিজিই প্রজেক্টের স্মার্ট লিডারশীপ একাডেমির স্পেশালিস্ট . মাজহারুল হক। ইবি ডিজিটাল স্কিলস ফর স্টুডেন্ট ট্রেনিং প্রোগ্রামের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি . রবিউল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সফট বিডি লিমিটেডের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার আতিকুল ইসলাম খান স্পেশালিস্ট হিসেবে বক্তব্য রাখেন।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের ইডিজিই (এনহেন্সিং ডিজিটাল গাভার্ণমেন্ট এন্ড ইকোনমি) প্রোজেক্টের অধীনে ৮০ হাজার শিক্ষার্থীকে এমপাওয়ারড্ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এই ট্রেনিংয়ের মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীরা জরুরি বিভিন্ন কম্পিউটার প্রোগ্রামিংয়ে দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি জব মার্কেট, কার্যকরী ব্যবসায়িক যোগাযোগ, প্রফেশনাল ওয়ার্কপ্লেস নর্মস সম্পর্কে জানবে।


ইবি   ডিজিটাল স্কিলস ফর স্টুডেন্ট ট্রেনিং প্রোগ্রাম   প্রশিক্ষণ এবং প্রযুক্তি  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন