ইনসাইড বাংলাদেশ

সিরাজগঞ্জের মহাসড়ক ড্রোন দিয়ে মনিটরিং হবে: ডিআইজি

প্রকাশ: ০৩:৩২ পিএম, ০৩ এপ্রিল, ২০২৪


Thumbnail

সিরাজগঞ্জের মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলো ঈদ যাত্রায় ড্রোন দিয়ে মনিটরিং করা হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশের রাজশাহী রেঞ্জের উপ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মো. আনিসুর রহমান। 

তিনি বলেন, মহাসড়কে কোনো প্রকার থ্রি হুইলার (তিন চাকার যান) ও ফিটনেসবিহীন গাড়ি চলতে দেওয়া হবে না। এগুলো নিয়ে আমরা খুব শক্ত অবস্থানে আছি। কেউ চালানোর চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যদিও সংযোগ সড়কগুলো সিল (বন্ধ) করে দেওয়ায় থ্রি হুইলার ঢুকতেই পারবে না। 

বুধবার (৩ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে মহাসড়ক পরিদর্শনে এসে হাটিকুমরুল গোলচত্বর এলাকায় সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

ডিআইজি বলেন, ‘এবার মহাসড়কও যেকোনো সময়ের চেয়ে ভালো আছে। আমি মনে করছি এবারের ঈদ যাত্রা অন্যান্য যেকোনো বছরের চেয়ে স্বস্তির ও সুন্দর হবে। আমি ইতোমধ্যেই বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম থেকে চান্দাইকোনা পর্যন্ত মহাসড়কটি কয়েকবার ঘুরে দেখেছি ও গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলো চিহ্নিত করেছি। সেই অনুযায়ী জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে, ৭০০ পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে যার তদারকিতে থাকবেন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এছাড়াও মোবাইল টিম, ক্রস পেট্রোলিং, যাত্রাপথে কোনও গাড়ি নষ্ট হলে তা দ্রুত সরিয়ে নিতে ৬টি রেকারসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা থাকবে। ঈদযাত্রায় সিরাজগঞ্জের মহাসড়কে বালুবাহী ট্রাক বা এই জাতীয় কোনো পরিবহন চলতে দেওয়া হবে না’। 

এক প্রশ্নের উত্তরে ডিআইজি আনিসুর বলেন, ‘ঈদকে সামনে রেখে অজ্ঞান পার্টি, মলম পার্টির প্রাদুর্ভাব ঘটে। এটা নিয়ে আমরা গত ৫-৭ বছরের তালিকা নিয়ে কাজ শুরু করেছি। শুধু সিরাজগঞ্জ নয় রাজশাহী বিভাগের সব জেলাতেই একযোগে ঈদ পরবর্তী পর্যন্ত এটা নিয়ে বিশেষ অভিযান চলছে। যার ফলে যতপ্রকার প্রতারক পার্টি আছে তারা কেউই এবার ঈদে সুবিধা করতে পারবে বলে মনে করি না’। 

অন্য প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘আমাদের পরামর্শ থাকবে চালক যেন খুবই সতর্কতার সঙ্গে গাড়ি চালান। কেউ যেন ড্রাইভিং লাইসেন্স ব্যতীত গাড়ির স্টিয়ারিংয়ে হাত না দেন এবং ফিটনেস বিহীন গাড়ি চালানোর চেষ্টা না করেন। নাহলে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা যাত্রা নিরাপদ, সুন্দর ও যানজটমুক্ত রাখতে সব ধরনের পদক্ষেপ নেব’। 

এসময় সিরাজগঞ্জের পুলিশ সুপার আরিফুর রহমান মন্ডল ছাড়াও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সকল সার্কেলের অতিরিক্ত ও সহকারী পুলিশ সুপার, সকল থানার ওসি, ট্রাফিক বিভাগের পরিদর্শক, হাইওয়ে থানা পুলিশের পরিদর্শকগণ ছাড়াও জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকতারা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে সাউথ এশিয়ান সাব-রিজিওনাল ইকোনমিক কো-অপারেশন (সাসেক-২) এর প্রকল্প ব্যবস্থাপক মাহবুবুর রহমান রাসেল বলেন, ‘ইতোমধ্যেই সিরাজগঞ্জের বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম থেকে চান্দাইকোনা পর্যন্ত পুরো মহাসড়কেই চার লেন চালু করে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ঈদযাত্রায় ঘরে ফেরা মানুষের যাতায়াতে যেন বিঘ্ন না ঘটে এ জন্য হাটিকুমরুল গোলচত্বর এলাকায়, যেখানে ইন্টারচেঞ্জ হবে সেখানে কংক্রিটের রাস্তা ঢালাই করে দেওয়া হয়েছে’।

তিনি আরও বলেন, ‘বিশেষ করে কড্ডার মোড় ও নলকার মোড়ে প্রতিবছর যানজট বেশি দেখা গেলেও এবার এ জায়গাগুলোতে আন্ডারপাস খুলে দেওয়ায় দূরপাল্লার গাড়িগুলো ওপর দিয়ে চলে যাবে। আর অন্যান্য গাড়িগুলো আন্ডারপাসের নিচ দিয়ে চলাচল করলে আশা করছি এ বছর যানজট হবে না। এবারের ঈদযাত্রা অন্যান্য বছরের চেয়ে অনেকটা স্বস্তিদায়ক ও ভোগান্তিমুক্ত হবে’। 

সিরাজগঞ্জ ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক (প্রশাসন) মো. জাফর উল্লাহ রুবেল বলেন, আমরা ঈদে ঘরে ফেরা মানুষের ঈদযাত্রা নিরাপদ ও নির্বিগ্ন করতে সর্বোচ্চ কাজ করে যাব। এবার মহাসড়কের অবস্থা ভালো আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আলাদা আলাদা টিম করে কাজ করা ছাড়াও মোবাইল টিম কুইক রেসপন্সে কাজ করবে। আমরা মহাসড়ক যানজটমুক্ত রাখা ছাড়াও মানুষের জান-মালের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাজ করে যাব। 

হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, হাইওয়ে থানার আওতাধীন মহাসড়ক নিরাপদ রাখতে ও ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে আমরা ইতোমধ্যেই ব্যাপক প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। মহাসড়কে শুধু হাইওয়ে পুলিশের পক্ষ থেকেই আগামী বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল) বিকেল ৫টা থেকে ১৭টি টিম কাজ করবে। এছাড়াও ৭টি মোটরসাইকেল মোবাইল টিম ও দুইটি পেট্রোলিং মোবাইল টিম জরুরিভাবে সার্বক্ষণিক কাজ করবে। হাটিকুমরুল গোলচত্বর এলাকায় নির্মাণ করা হবে ওয়াচ টাওয়ার, যেখান থেকে সবকিছু মনিটরিং করা হবে। 

তিনি বলেন, হাইওয়ে পুলিশের প্রায় ১৫০ জন সদস্যের বাইরেও মহাসড়কের পাশে অবস্থিত ইউপির চেয়ারম্যানদের সঙ্গে কথা বলে ৬০ জন কমিউনিটি পুলিশের ব্যবস্থা করা হয়েছে। যারা ৩০ জন করে দুই শিফটে পুলিশকে সহায়তায় কাজ করবে। এছাড়া আমরা রেকারসহ অন্যান্য সুবিধার পাশাপাশি অস্থায়ী ভিত্তিতে মেকার পর্যন্ত নিয়োগ দিয়েছি। যারা কোনও গাড়ির সমস্যা হলে সমাধানে কাজ করবে। মহাসড়কের অবস্থাও ভালো আছে, যার ফলে এবার যানজটের সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। মহাসড়ক নিরাপদ ও যানজটমুক্ত রাখতে সবধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। 

সিরাজগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. সামিউল আলম বলেন, ‘ঈদযাত্রায় মানুষের নিরাপদে ঘরে ফেরা, নিশ্চিন্তে যাতায়াত ও মহাসড়ক যানজটমুক্ত রাখতে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে ৭০১ জন পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হবে। এরমধ্যে ৫০টি পিকেট টিম, ২০ মোটরসাইকেল মোবাইল টিম, ২টি পেট্রোলিং (গাড়ি) মোবাইল টিম, ৭টি নৌ টহল, ৭টি রেলস্টেশন পিকেট টিম, একটি কুইক রেসপন্স টিম (কিউআরটি) থাকবে। এছাড়া মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে ২৪ ঘণ্টা পুলিশ পরিদর্শকদের নেতৃত্বে ৬টি তদারকি মোবাইল টিম কাজ করবে। আগামী বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল) দুপুর ২টা থেকে জেলা পুলিশ ঈদ উপলক্ষ্যে মহাসড়কে কাজ শুরু করবে বলেও জানান এই কর্মকর্তা’। 


ডিআইজি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

নীলফামারীতে ফেন্সিডিলসহ র‌্যাবের হাতে আটক-৩


Thumbnail

নীলফামারীর জলঢাকায় ৮৪২ বোতল ফেন্সিডিল সহ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-১৩ (র‌্যাব)।

বৃহস্পতিবার (৩০ মে) ভোরে র‌্যাব-১৩, ক্রাইম প্রিভেনশন কোম্পানী-২ নীলফামারীর একটি আভিযানিক দল উপজেলার শৈলমারী ইউনিয়নের মনিগঞ্জ গ্রামের এক বসতবাড়ি থেকে ফেন্সিডিল সহ তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

 

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, একই এলাকার মফেল উদ্দিনের ছেলে মোঃ হাসানুর রহমান (২১), মোঃ জিয়ারুল হক (৩৩) ও মোঃ ছবিদুল ইসলামের ছেলে মোঃ আব্দুল মালেক (২০) ।

 

র‌্যাব জানায়, 'আসামীরা দীর্ঘদিন ধরে আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে মাদকের বড় বড় চালান পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে নিয়ে এসে নীলফামারী জেলা সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে ৮৪২ বোতল ফেন্সিডিলের একটি চালান উদ্ধার করা হয়।'

তথ্যটি নিশ্চিত করে র‌্যাব-১৩ এর উপ-পরিচালক (মিডিয়া) স্কোয়াড্রন লীডার মাহমুদ বশির আহমেদ বলেন,'প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মাদক কারবারিরা পাশ্ববর্তী দেশ থেকে মাদক নিয়ে এসে নীলফামারী সহ দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করার কথা স্বীকার করেন। তাদের নামে জলঢাকা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মাদক মামলা করে থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।'


ফেন্সিডিল   মাদক   আটক   র‌্যাব  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

জাইকার সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্টের সাথে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রীর সাক্ষাত

প্রকাশ: ০৩:৫৩ পিএম, ৩০ মে, ২০২৪


Thumbnail

জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সির (জাইকা) সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট কাওয়ামুরা কেনিচির সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী র.আ.ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি প্রতিনিধি দল। এসময় বাংলাদেশে ভূমিকম্প সহনশীল নগর অবকাঠামো উন্নয়নে জাপানের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতাকে কাজে লাগাতে জাইকার সহায়তা কামনা করেন মন্ত্রী।

বৃহস্পতিবার (৩০ মে) টোকিওতে জাইকা’র সদর দপ্তরে এ সাক্ষাতের সময় অন্যান্যের মধ্যে জাপানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত শাহাবুদ্দিন আহমদ, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ নবীরুল ইসলাম এবং দূতাবাসের ইকোনমিক মিনিস্টার সৈয়দ নাসির এরশাদ উপস্থিত ছিলেন।

সাক্ষাৎকালে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী স্বাধীনতার পরপরই বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়া দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম জাপানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। মন্ত্রী বলেন, ১৯৭৩ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জাপান সফরের মধ্য দিয়ে দুই বন্ধুপ্রতীম দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক দৃঢ় ভিত্তি পায়। 

এসময় দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিভিন্ন সময়ে জাপান সফরের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ২০২৩ সালের এপ্রিলে প্রধানমন্ত্রীর সর্বশেষ জাপান সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্ক কৌশলগত অংশীদারিত্বে উন্নীত হয়েছে।

গণপূর্ত মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়নে জাইকার সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তিনি ভূমিকম্প সহনশীল নগর অবকাঠামো উন্নয়নে জাপানি মডেলের কথা উল্লেখ করেন এবং বাংলাদেশের আবাসন খাত ও নগর উন্নয়নে জাপানের এ অভিজ্ঞতা ও দক্ষতাকে কাজে লাগাতে জাইকার সহায়তা কামনা করেন।

জাইকা’র সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট কাওয়ামুরা কেনিচি সংস্থাটির দপ্তরে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রীকে স্বাগত জানান। তিনি নাগাসাকিতে শান্তি স্মৃতিস্তম্ভ স্থাপনের জন্য বাংলাদেশ সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এ উদ্যোগ পারমাণবিক অস্ত্রবিহীন একটি শান্তিপূর্ণ বিশ্ব প্রতিষ্ঠায় দুদেশের অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

এছাড়া বাংলাদেশে চলমান জাইকা’র প্রকল্পগুলো সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন কাওয়ামুরা কেনিচি। বৈঠকে বাংলাদেশ দূতাবাস ও জাইকার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জাইকার সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট   গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী   র.আ.ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

শাহীনকে ধরতে ভারতের সাহায্য চেয়েছে বাংলাদেশ: হারুন

প্রকাশ: ০৪:০১ পিএম, ৩০ মে, ২০২৪


Thumbnail

সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনার হত্যা মামলার কুলকিনারা করতে যৌথভাবে কাজ করছেন বাংলাদেশ ও ভারতের গোয়েন্দারা। তদন্তের কাজ এরই মধ্যে অনেকটা এগিয়েছে। হত্যার মোটিভ জানা না গেলেও শনাক্ত করা গেছে মূল পরিকল্পনাকারীকে।

আনার হত্যা মামলার তদন্তে কলকাতা গিয়েছিলেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দাপ্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ। সেখানে হত্যার ঘটনাস্থল সঞ্জিবা গার্ডেসহ ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত বিভিন্ন এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (৩০ মে) ঢাকায় ফেরার আগে কলকাতার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ডিবিপ্রধান। তিনি বলেন, আনার হত্যার অন্যতম দুই আসামি ফয়জুল ওরফে সিয়াম ও আখতারুজ্জামান শাহীন পলাতক রয়েছেন। সিয়াম নেপালে ও শাহীন পালিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রে। তাদের ধরতে নেপাল ও ভারত সরকারের কাছে সাহায্য চাওয়া হয়েছে।

চারদিনের কলকাতা সফরে তদন্তে অগ্রগতি নিয়ে হারুন অর রশীদ জানান, এখন পর্যন্ত মাংসের টুকরো উদ্ধার করা হয়েছে। ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য তা ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয়েছে।

ডিএনএ টেস্ট করার পর জানা যাবে মাংসের টুকরো আনারের দেহের কিনা। যদি এটি আনারের হয় তাহলে এই মামলায় আরও কিছু তথ্য সামনে উঠে আসতে পারে।

গত ২৬ মে ডিবিপ্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি দল কলকাতায় যায়। পরদিন ২৭ মে সকালে মামলার অন্যতম আসামি কসাই জিহাদকে সঙ্গে নিয়ে সঞ্জিবা গার্ডেনের আলোচিত সেই ফ্ল্যাটে যায় ডিবির ওই দল।

এছাড়াও জিহাদকে নিয়ে বাগজোলা খালের বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করেন তারা। পশ্চিমবঙ্গ সিআইডির হেডকোয়ার্টার অবনীভবনে ভারতীয় গোয়েন্দাদের সাথেও একাধিকবার বৈঠক করেন ডিবি প্রতিনিধিরা।

ঢাকায় রওনা দেওয়ার আগে ডিবিপ্রধান সাংবাদিকদের আরও বলেন, কলকাতার সিআইডি আধিকারিকরা মামলা তদন্তে যেভাবে সহায়তা করেছেন, তাতে আগামীতে বাংলাদেশের কোন আসামি ভারতের মাটিতে এই ধরনের অপকর্ম করার সাহস পাবে না।


শাহীন   ভারত   বাংলাদেশ   হারুন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

লাখাইয়ে ভাইস চেয়ারম্যান পদে আরিফ নির্বাচিত

প্রকাশ: ০৩:৪৪ পিএম, ৩০ মে, ২০২৪


Thumbnail

হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলা নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন আরিফ মিয়া। 

বুধবার (২৯ মে) ভোটগ্রহণ শেষে বিকেলে বেসরকারিভাবে ফলাফল ঘোষণা করা হয়। 

আরিফ মিয়া টিয়া পাখি প্রতীকে পেয়েছেন ২৩ হাজার ৩৭৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিন্দ্বন্দ্বি রাসেল আহমেদ চশমা প্রতীকে পেয়েছেন ১৪২৫৭ ভোট, রাজিব কান্তি রায় তালা প্রতীকে পেয়েছেন ১১০২১ ভোট, কাওসার আহমেদ মাইক প্রতীকে পেয়েছেন ৭ হাজার ৯৯৬ ভোট, মানিক মোহন দাস টিউবওয়েল প্রতীকে পেয়েছেন ৫ হাজার ৬১১ ভোট, আব্দুল মতিন বই প্রতীকে পেয়েছেন ৪ হাজার ৬৯২টি ভোট, হাজী নোমান মোল্লা উড়োজাহাজ প্রতীকে পেয়েছেন ২ হাজার ৮০০ ভোট। 

উল্লেখ্য, লাখাই উপজেলার মোট ভোটের সংখ্যা ৬৯ হাজার ৮১৩টি, বাতিল ভোটের সংখ্যা ২৬৮৪টি, প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ৭২৪৯৭টি, ভোটের হার ৫৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ।

হবিগঞ্জ   লাখাই   উপজেলা নির্বাচন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

জয়পুরহাটে নির্বাচনের ২০ দিন পর ব্যালট উদ্ধার

প্রকাশ: ০৩:৫০ পিএম, ৩০ মে, ২০২৪


Thumbnail

চলতি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রথম ধাপে জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনের ঠিক ২০ দিন পর একটি ভোটকেন্দ্র থেকে ২১০০ টি ব্যালট পেপার উদ্ধারের ঘটনা ঘটেছে।


বৃহস্পতিবার (২৯ মে) এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট প্রিসাইডিং কর্মকর্তাা ও সরকারি ছাঈদ আলতাফুন্নেছা কলেজের প্রভাষক তানজির আহমেদ সাকিবকে শোকজ নোটিশ পাঠানো হয়েছে। নোটিশে আগামী সাত দিনের মধ্যে তাঁকে এ ঘটনার ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়।

জেলা নির্বাচন ও রিটার্নিং কর্মকর্তা ফজলুল করিম এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।


উপজেলা নির্বাচন   ব্যালট   উদ্ধার   শোকজ  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন