ইনসাইড গ্রাউন্ড

টাইগারদের জ্বলে উঠার মঞ্চ আইসিসি টুর্নামেন্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১১:০৮ পিএম, ১২ Jun, ২০১৭


Thumbnail

চার, দুই, এক যাই হোক ব্যাটে-বলে সংযোগ হলেই করতালি আর সাবাস টাইগার সাবাস বলে গ্যালারিতে আনন্দ-উল্লাস। এভাবেই বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে উৎসাহ যোগায় ১৬ কোটি টাইগার সমর্থকরা। আর সাম্প্রতিক সময়ের বাংলাদেশ ক্রিকেট দল তাদের এই সমর্থনের প্রতিদান খুব ভালোভাবেই দিয়ে যাচ্ছে। যার বড় প্রমাণ ২০১৭ আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফির সেমিতে টিম টাইগার।

অথচ সেরা আটের জায়গা না হওয়ায় এই টুর্নামেন্টের গত দুই আসরে খেলারই সুযোগ পায়নি বাংলাদেশ। কিন্ত এবার র‌্যাংকিংয়ের সেরা আট দলের এই টুর্নামেন্টে সেই বাংলাদেশ সেরা চার দলের একটি। সেমির ম্যাচটি দিচ্ছে চ্যাম্পিয়ন বা রানার্সআপ হওয়ার হাতছানিও! তিন দশকের ওয়ানডে-যাত্রায় বড় কোনো শিরোপার এতটা কাছাকাছি এই প্রথম বাংলাদেশ। তবে আইসিসির টুর্নামেন্টে এটিই সর্বোচ্চ হলেও এশিয়া কাপে বাংলাদেশ দল ফাইনালও খেলেছে। দ্বিপক্ষীয় সিরিজ বাদ দিলে ত্রিদেশীয় টুর্নামেন্টেও সাফল্য আছে বাংলাদেশের। সেই সাফল্যের স্মৃতি রোমন্থন হোক এই আনন্দক্ষণে। 

আইসিসি ট্রফি-১৯৯৭
আইসিসি আয়োজিত টুর্নামেন্টে এটিই বাংলাদেশের প্রথম সাফল্য, এই আসরে চ্যাম্পিয়ন হয়ে বাংলাদেশ ১৯৯৯ বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পায়। `আইসিসি ট্রফি` নামের এ টুর্নামেন্টটি আয়োজিত হতো শুধু সহযোগী দেশগুলোকে নিয়ে। ফাইনালে কেনিয়াকে হারায় বাংলাদেশ। ওই ট্রফি জয়ের পর বাংলাদেশের ক্রিকেটযাত্রা বড় ধরনের গতি পায়। যার ধারাবাহিকতায় আসে টেস্ট স্ট্যাটাস এবং আজকের বাংলাদেশ  হয়ে ওঠা।



আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপ-১৯৯৯
তিনটি আসর পর বিশ্বকাপ আবারও ফিরে আসলো ইংল্যান্ডে। তবে, বাংলাদেশ বিশ্বকাপকে মনে রাখে অন্য একটা কারণে। সেবারই যে প্রথম বিশ্বকাপের মত বড় আসরে অনশগ্রহন করে টাইগাররা।

প্রথম অংশগ্রহণে কিন্তু হতাশ করেনি বাংলাদেশ। প্রথম দুই খেলায় নিউ জিল্যান্ড ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে হারে আমিনুল ইসলাম বুলবুলের দল। তবে তৃতীয় ম্যাচে আইসিসির সহযোগী সদস্য হিসেবে তখনকার সতীর্থ স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে পায় প্রত্যাশিত জয়। আগে ব্যাটিং করে ৫০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৮৫ রান তোলে বাংলাদেশ। মিনহাজুল আবেদীনের অপরাজিত ৬৮ রান বাংলাদেশের ইনিংসটি টেনে নেয় অতদূর। এরপর স্কটল্যান্ডকে ১৬৩ রানে অলআউট করে ২২ রানের জয় পায় বাংলাদেশ। বিশ্বকাপের প্রথম জয়।

দ্বিতীয় জয়টি আরো বিখ্যাত। গ্রুপের শেষ ম্যাচে তখনও পর্যন্ত অপরাজিত পাকিস্তানকে যে হারিয়ে দেয় বাংলাদেশ! নিজেরা ৯ উইকেট ২২৩ রান তোলার পর পাকিস্তানকে ১৬১ রানে অলআউট করে ৬২ রানের সেই ঐতিহাসিক জয়। ১০ ওভারে ৩১ রান দিয়ে তিন উইকেট নেওয়ায় ম্যান অব দ্য ম্যাচ খালেদ মাহমুদ সুজন।

আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপ-২০০৭
২০০৭ বিশ্বকাপে ক্রিকেটের বিস্ময় হয়ে আবির্ভূত হয় বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচেই সৌরভ গাঙ্গুলীর ভারতকে ৫ উইকেটে হারিয়ে দেয় হাবিবুল বাশার সুমনের দল। ভারতের ১৯১ রান তাড়া করার পথে তিনটি ফিফটি করেন তিন তরুণ। সে তিনজনই এখন বাংলাদেশের ক্রিকেটে বড় ভরসা- সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল আর মুশফিকুর রহিম।



গ্রুপের পর্বে ভারতের পাশাপাশি বারমুডাকে হারিয়ে বাংলাদেশ উঠে যায় সুপার এইট পর্বে। এ পর্যায়ে বাংলাদেশ আবারও ক্রিকেট বিশ্বকে চমকে দেয়। শন পোলক, জ্যাক ক্যালিস আর গ্রায়েম স্মিথদের দক্ষিণ আফ্রিকা হেরে যায় ৬৭ রানে। বাংলাদেশের ২৫১ রানের জবাবে প্রোটিয়ারা অলআউট হয় ১৮৪ রানে।



আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০১১
বিশ্বকাপ নিয়ে এবার অনেক আগে থেকেই আলোচনা শুরু হয়। লাহোরে ২০০৯ সালে শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটারদের উপর বোমা হামলার জের ধরে পাকিস্তান হারায় তাদের আয়োজক হওয়া যোগ্যতা। তাদের যে ১৪ টি ম্যাচ আয়োজনের কথা ছিল সেসব পরে ভাগাভাগি হয়ে যায় বাংলাদেশ, ভারত ও শ্রীলঙ্কার মধ্যে। মনোরম উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধু জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে পর্দা উঠে বিশ্বকাপে।

বাংলাদেশের জন্য টুর্নামেন্টটা হয়ে আছে হতাশার এক ইতিহাস হয়ে। দেশের মাটিতে বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের ছয়টি ম্যাচের মধ্যে তিনটিতে জিতেছিল সাকিব আল হাসানের দল। সমান ম্যাচ জিতেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজও।



কিন্তু কোয়ার্টার ফাইনালে যাওয়ার জন্য বাংলাদেশের সামনে দেয়াল হয়ে দাঁড়ায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে যথাক্রমে ৫৮ ও ৭৮ রানে অল আউট হওয়ার স্মৃতি। নেট রান রেটে এগিয়ে থেকে শেষ আটে চলে যায় ক্যারিবিয়রা।

আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০১৫
শুধু ঘরের মাটিতে নয়, ওয়ানডে ফরম্যাটে বাংলাদেশ যে বিদেশের প্রতিকূল কন্ডিশনেও যে কাউকে হারিয়ে দিতে পারে তা প্রমাণের বড় মঞ্চ ছিল অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ডের মাটিতে হওয়া ২০১৫ বিশ্বকাপ। সেই আসরে বাংলাদেশের গ্রুপে ছিল ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, শ্রীলংকা, আফগানিস্তান আর স্কটল্যান্ড। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচ ছিল কিউইদের বিপক্ষে। মাহমুদুল্লাহর সেঞ্চুরিতে ম্যাচে বেশ ভালোমতোই ছিল বাংলাদেশ। তবে শেষ পর্যন্ত ৩ উইকেটে হেরে যেতে হয়। তাতে অবশ্য সমস্যা হয়নি।



কিউইদের বিপক্ষে ম্যাচের আগে অ্যাডিলেডে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে দেয় মাশরাফির দল। মাহমুদুল্লাহর সেঞ্চুরি আর শেষদিকে রুবেল হোসেনের পেসে ভর করে বাংলাদেশ জয় পায় ১৫ রানে, নিশ্চিত করে ফেলে প্রথমবারের মতো কোয়ার্টার ফাইনাল। এ পর্যন্ত খেলা পাঁচ ক্রিকেট বিশ্বকাপের মধ্যে এটিই বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সাফল্য। বাংলাদেশ যেভাবে খেলছিল, সেমিফাইনালও সম্ভব ছিল। কিন্তু কোয়ার্টারে ভারতের বিপক্ষে বাজে আম্পায়ারিংয়ের শিকার হয়ে ম্যাচ হেরে যায় বাংলাদেশ। শেষটা মনমতো না হলেও মাথা উঁচু করেই বিশ্বকাপ শেষ করেছিল মাশরাফির দল।

চ্যাম্পিয়নস ট্রফি-২০১৭
এবারের আসরে বাংলাদেশ দল র‌্যাংকিংয়ের ছয় নম্বর দল হয়ে খেলতে নেমেছে ঠিকই; কিন্তু অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড আর নিউজিল্যান্ডের গ্রুপ থেকে রানার্সআপ হয়ে যাবে- এমনটা অনেকেই ভাবতে পারেনি। কিন্তু সেমিফাইনালে খেলাটা অসম্ভবও ছিল না। এই গ্রুপকে বলা হচ্ছিল `গ্রুপ অব ডেথ`।



এই গ্রুপ থেকে বিদায় নিল অস্ট্রেলিয়া আর নিউজিল্যান্ড। এর মধ্যে নিউজিল্যান্ডকে ৫ উইকেটে হারিয়েই সেমির পথে এগিয়েছে বাংলাদেশ। তার আগে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাচটি পরিত্যক্ত হয়েছিল বৃষ্টিতে। তবে বৃষ্টি নয়, বাংলাদেশ সেমিতে জায়গা করেছে নিজের কৃতিত্বেই। `এ` গ্রুপে ইংল্যান্ডের ৬ পয়েন্টের পর বাংলাদেশের পয়েন্ট। অজি আর কিউইদের অর্জন ছিল মোটে ২ আর ১ পয়েন্ট।

এই হচ্ছে আইসিসি আয়োজিত টুর্নামেন্টগুলোতে আমাদের ক্রিকেটের সাফল্যগাথা। আমরা পরাজয়ে মুষড়ে পড়ি না, তা থেকে সাহস ও শক্তি সঞ্চয় করি, ফিরে আসি অগ্নিমূর্তি ধারণ করে।

আমরা কোটি সমর্থক বাংলাদেশের কাছে থেকে ভালো খেলাটা পেতে চাই। জয়টা আমাদের উপরি পাওনা। আর জয় কি সত্যিই কি আমাদের সমর্থনে ভাটা দেয়। বাংলাদেশ হারুক কিংবা জিতুক, এটা তো আমার বাংলাদেশ। জিতলে উল্লাসে ফেটে পড়ি আমরা। আর হেরে গেলে মন খারাপ হয়ে যায় আমাদের। কিন্তু তারপরেও আমরা টাইগারদের সাপোর্ট করা বন্ধ করি না, বরং আমরা পরাজয়ে ভুলে সামনে এগুবে টাইগাররা। কারণ এইটা তো আমার দেশ, আমার দেশের ছেলেরাই খেলছে। আর নিজের দেশকে না ভালবেসে কোথায় যাব আমারা। এ যে আমার প্রিয় জন্মভূমি, আমার প্রাণের বাংলা। ক্রিকেট-ফুটবল কিংবা অন্য যে কোন পর্যায়ে, যেখানেই বাংলাদেশ সেখানেই লাল-সবুজ পতাকা হাতে আমরা। খেলায় জয় যেমন প্রত্যাশিত, তেমনি পরাজয়কেও মেনে নেওয়াটাও প্রকৃত সমর্থকের কাজ।


বাংলা ইন্সাইডার/ডিআর



মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

লাটভিয়াকে ২০ গোলে বিধ্বস্ত করলো ইংল্যান্ডের মেয়েরা

প্রকাশ: ০৭:০৫ পিএম, ০১ ডিসেম্বর, ২০২১


Thumbnail

বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে ইউরোপ অঞ্চলের বাছাইপর্বে অনন্য রেকর্ড গড়েছে ইংল্যান্ড নারী ফুটবল দল। লাটভিয়াকে ২০-০ গোলে বিধ্বস্ত করেছে তারা। এর আগে নারীদের ফুটবলে এত বড় ব্যবধানে কোন দলই কোন প্রতিযোগিতায় জিততে পারেনি।

এ ম্যাচে হ্যাটট্রিক করে ইংল্যান্ডের নারী ফুটবলে সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় সবার উপরে উঠে এসেছেন ম্যানচেস্টার সিটির স্ট্রাইকার এলেন হোয়াইট। এ রেকর্ড গড়ার পথে কেলি স্মিথকে পিছনে ফেলেছেন তিনি।

জাতীয় দলের জার্সিতে এলেন হোয়াইটের গোল সংখ্যা ৪৮। ম্যাচে তিন গোল করে কেলি স্মিথকে পিছনে ফেলেছে হোয়াইট। কালকের ম্যাচের বিরতির পরপরই তিনি হ্যাটট্রিক পূরণ করেন।

এলেন হোয়াইট ছাড়াও আরো হ্যাটট্রিক করেছেন লুরেন হেম্প, বেথ মিড ও বদলি ফুটবলার আলেসিয়া রুসে। এর মধ্যে হেম্প হ্যাটট্রিকসহ চার গোল করেছেন। স্কোরশিটে নাম লেখানো অন্য খেলোয়াড়রা হলেন এলা টুনে, জর্জিয়া স্ট্যানওয়ে, জেস কার্টার, জিল স্কট ও জর্ডান নোবস।

এর আগে ২০০৫ সালে হাঙ্গেরিকে ১৩-০ গোলে বিধ্বস্ত করেছিল থ্রি লায়ন্সরা। কাল সেই রেকর্ডকেও ছাড়িয়ে গেল হোয়াইট বাহিনী। 

এর আগে এ বাছাইপর্বে রিগাতে স্বাগতিক লাটভিয়াকে ১০-০ গোলে পরাজিত করেছিল ইংল্যান্ড। এ নিয়ে ডি-গ্রুপে ছয় ম্যাচে ষষ্ঠ জয় তুলে নিল ইংল্যান্ড। এ ম্যাচগুলোতে ইংল্যান্ড ৫৩ গোল করলেও একটি গোলও হজম করেনি। বাছাইপর্বে তারা অস্ট্রিয়া ও নর্দান আয়ারল্যান্ডকে পাঁচ পয়েন্টের ব্যবধানে পিছনে ফেলে শীর্ষে রয়েছে।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

রাতে পিএসজির মাঠে মেসির ব্যালন ডি’অর প্রদর্শন

প্রকাশ: ০৫:৫১ পিএম, ০১ ডিসেম্বর, ২০২১


Thumbnail

ফরাসি ক্লাব পিএসজির প্রথম ফুটবলার হিসেবে ব্যালন ডি’অর জিতেছেন লিওনেল মেসি। ব্যক্তিগত অর্জনে এটি তার সপ্তম ব্যালন ডি’অর হলেও ক্লাবের জন্য প্রথম। আর তাই ক্লাবের কাছে এর গুরুত্ব অনেক বেশি। তাই বুধবার রাতে (বাংলাদেশ সময় রাত ২টা) নিসের বিপক্ষে ম্যাচের আগে ব্যালন ডি’অরটি প্রদর্শন করবেন মেসি।  

লিগ ওয়ানে নিসের বিপক্ষে ম্যাচটির জন্য ইতোমধ্যে ২২ সদস্যের স্কোয়াড ঘোষণা করেছে পিএসজি। ইনজুরিতে পড়া নেইমার জুনিয়র নেই স্কোয়াডে। স্কোয়াডে রয়েছে সদ্য ব্যালন ডি’অরজয়ী লিওনেল মেসি। তবে  গত ম্যাচে ক্লাবটির হয়ে অভিষেক হওয়া সার্জিও রামোস নেই এই ম্যাচের স্কোয়াডে।

উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের প্রথম রাউন্ডে রানারআপ হওয়া পিএসজি লিগে দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছে। এখন পর্যন্ত ১৫ ম্যাচ খেলে ১৩টিতে জিতেছে পিএসজি। অন্যদিকে, নিস তাদের ১৫ ম্যাচের ৮ জিতেছে, ৪টিতে হেরেছে, বাকি ৩টি ম্যাচ করেছে। পয়েন্ট তালিকায় পিএসজি শীর্ষে, নিস তিনে।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

জয়ের ধারা অব্যাহত বাংলাদেশের যুবাদের

প্রকাশ: ০৫:৩১ পিএম, ০১ ডিসেম্বর, ২০২১


Thumbnail

অনূর্ধ্ব-১৯ ত্রিদেশীয় সিরিজে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে জয় পেয়ে জয়ের ধারা অব্যাহত রেখেছে বাংলাদেশের যুবারা। ভারতের ‘এ’ দলের পর ‘বি’ দলকেও হারাল বাংলাদেশ। বুধবার (১ ডিসেম্বর) কলকাতার ইডেন গার্ডেনসে ১১৩ রানের বিশাল জয় পেয়েছে রাকিবুল হাসানের দল। ১০১ রান করে বাংলাদেশের জয়ের ভিত গড়ে দেওয়া প্রান্তিক নওরোজ নাবিল হয়েছেন ম্যাচসেরা। আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২ ডিসেম্বর) ভারতের যুব ‘এ’ দলের বিপক্ষে তৃতীয় ম্যাচ খেলবে সফরকারীরা।

টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ ৫০ ওভারে ৬ উইকেটে ৩০৫ রান করে। জবাবে অসহায় আত্মসমর্পণ করে ভারতের যুব ‘বি’ দল। ৪৫.৩ ওভারে ১৯২ রানে অলআউট তারা।

প্রান্তিকের সেরা ইনিংস ১০৮ বলে ১৪ চারে সাজানো ছিল। ওপেনার ইফতেখার হোসেন করেন ৫৭ রান। শেষ দিকে মেহরব হাসানের ৪৮ বলে ৭০ রানের সুবাদে তিনশ পেরোয় সফরকারীরা। তার ইনিংসে ছিল ৬ চার ও ২ ছয়। ভারতের পক্ষে কৌশল এস তাম্বে সর্বোচ্চ দুটি উইকেট নেন।

লক্ষ্যে নেমে ৯১ রানে ৪ উইকেট হারানোর ধাক্কা কাটাতে পারেনি ভারত। ৬৩ রানের ব্যবধানে শেষ ৬ উইকেট তারা হারায়। মিডল অর্ডারে ভাঙন ধরিয়ে ভারতের ব্যাটিং ধসে গুরুত্বপূর্ণ অবদান আরিফুল ইসলামের। চার উইকেট নেন তিনি। তাম্বে ভারতের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪২ রান করেন।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে লিড পেলো ক্যারিবিয়রা

প্রকাশ: ০৫:০২ পিএম, ০১ ডিসেম্বর, ২০২১


Thumbnail

শ্রীলঙ্কার গালে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে লিড পেয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। শ্রীলঙ্কা প্রথম ইনিংসে ২০৪ রানে অল আউট হলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সামনে সুযোগ ছিল বড় লিড নেয়ার। কিন্তু সেই সুযোগ পুরোপুরিভাবে কাজে লাগাতে পারেনি তারা। শ্রীলঙ্কার বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে প্রথম ইনিংসে ২৫৩ রানে গুটিয়ে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ফলে, ৪৯ রানের লিড নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয় তাদের। 

এদিকে, নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসেও শুরুটা ভালো হয়নি শ্রীলঙ্কার। নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে দলীয় ৭ রানেই করুণারত্নের উইকেট হারায় শ্রীলঙ্কা। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত শ্রীলঙ্কার সংগ্রহ ১ উইকেট হারিয়ে ৯ রান। 

এর আগে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে ব্যাট হাতে সর্বাধিক রান করেন ক্রেইগ ব্র্যাথওয়েট। ব্র্যাথওয়েটের ৭২, ব্ল্যাকউডের ৪৪ ও মায়ার্স এর অপরাজিত ৩৬  রানের উপর ভর করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ তাদের প্রথম ইনিংসে ২৫৩ রান করে। 


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

অ্যাশেজ নিয়ে রোমাঞ্চিত বাটলার

প্রকাশ: ০৪:৪৭ পিএম, ০১ ডিসেম্বর, ২০২১


Thumbnail

আর কিছুদিন পরই মাঠে গড়াচ্ছে ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার ঐতিহ্যবাহী  অ্যাশেজ সিরিজ। আসন্ন অ্যাশেজে ভয়ডরহীন ক্রিকেট খেলতে চান ইংলিশ অধিনায়ক জশ বাটলার। বাটলার আরও জানান, ইতিমধ্যেই অ্যাশেজ নিয়ে রোমাঞ্চিত তিনি। 

এ বছর ইংল্যান্ডের বেশ কয়েকটি টেস্ট ম্যাচে খেলেননি বাটলার। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ ও  ওভালে ভারতের বিপক্ষে টেস্টটি খেলেননি তিনি। আইপিএলের কারনে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে খেলা হয়নি তার। ভারতের বিপক্ষে পাঁচ ইনিংসে মাত্র ৭২ রান করেছিলেন তিনি। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজটি চ্যালেঞ্জিং হবে বলে মনে করেন বাটলার। তবে ভয়ডরহীন ক্রিকেট খেলতে চান তিনি।

তিনি বলেন, ‘একজন খেলোয়াড় হিসেবে এই মুহূর্তে আমি ভয়ডরহীন থাকার এবং সুযোগটি লুফে নেওয়ার চেষ্টা করছি। জানি, নিজের  সেরার কাছাকাছিও পৌঁছাতে পারি তাহলে ভালো কিছু হতে পারে।’

গেল মাসে শেষ হয়েছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। কোয়ারেন্টিন শেষে ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়দের দ্বিতীয় গ্রুপের স্কোয়াডে যোগ দিয়েছেন বাটলার। তবে ইংল্যান্ডের প্রস্তুতি ভালো হচ্ছে না। বৃষ্টির কারনে নিজেদের মধ্যে প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচে মাত্র ২৯ ওভার খেলা হয়।

তবে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অ্যাশেজ নিয়ে রোমাঞ্চিত বাটলার। কারন প্রথমবারের মত অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট খেলবেন বাটলার। তিনি বলেন, ‘সত্যি বলতে, আমার হারানোর কিছু নেই। গত বছর (মৌসুম) এখন অতীত। ভালো-খারাপ  সময় সবার ক্যারিয়ারেই থাকে। এই প্রথম আমি অস্ট্রেলিয়ায় অ্যাশেজ সিরিজ খেলতে যাচ্ছি, তাই সব রকম চ্যালেঞ্জ নেওয়ার জন্য আমি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। ভালো-খারাপ যাই হোক না কেন, আমি রোমাঞ্চিত।’

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এখন পর্যন্ত ১০টি টেস্ট খেলেছেন বাটলার। সবগুলো ঘরের মাটিতে। কিন্তু পারফরমেন্স ভালো করতে পারেননি তিনি। ১৮ ইনিংসে ২০ দশমিক ৫০ গড়ে ৩৬৯ রান করেছেন বাটলার। মাত্র একটি হাফ-সেঞ্চুরি করেছেন তিনি।


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন