ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

কেনো থামছে না ইয়েমেনের মৃত্যুযজ্ঞ?

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১১:০০ এএম, ১৯ অক্টোবর, ২০২১


Thumbnail

মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইয়েমেনে প্রায় ছয় বছরের বেশি সময় ধরে যুদ্ধ চলছে। গৃহযুদ্ধে দেশটি পুরোপুরি বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। গত দুদিনেই সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের একাধিক বিমান হামলায় ইয়েমেনের বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুতির অন্তত ৪০০ জন সদস্য নিহত হয়েছেন। এর আগে গত কয়েক বছর ধরে চলা গৃহযুদ্ধে হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু কেন ইয়েমেনে দিনের পর দিন ধরে চলছে এই যুদ্ধ? আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শক্তিগুলোই বা কেন উচ্চবাচ্য করছে না? 

ইয়েমেনের লড়াইয়ের শুরুটা হয় আরব বসন্ত দিয়ে। ২০১১ সালে প্রবল বিক্ষোভের মুখে দেশটির দীর্ঘদিনের প্রেসিডেন্ট আলি আবদুল্লাহ সালেহকে তার ডেপুটি আবদারাবুহ মানসুর হাদির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে বাধ্য করা হয়েছে। কিন্তু প্রেসিডেন্ট হাদিকে অনেকগুলো সংকটের মুখোমুখি হতে হয়। আগের প্রেসিডেন্টের প্রতি নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের আনুগত্য ছিল বিব্রতকর। দুর্নীতি, খাদ্যাভাব ও বেকারত্বের উচ্চ হারের মতো বহুবিধ সমস্যায় জর্জরিত হয়ে পড়ে ইয়েমেন। 

এরই মধ্যে শিয়া ধর্মাবলম্বী হুতিরা নতুন করে বিদ্রোহ শুরু করে। নতুন প্রেসিডেন্ট হাদির দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে উত্তর ইয়েমেনের সাদা প্রদেশ এবং এর আশপাশের এলাকা দখল করে নেয় হুতিরা। এরপর তারা পুরো দেশের নিয়ন্ত্রণ নেয়ার চেষ্টা করে। তাদের পেছনে ইরান সমর্থন জুগিয়ে যাচ্ছে বলে ধারণা করা হয়। পরবর্তীতে হাদি দেশের বাইরে পালিয়ে যান। কিন্তু হাদিকে ফের ক্ষমতায় আনতে সৌদি আরব আর অন্য আটটি সুন্নি দেশ একজোট হয়ে ইয়েমেনে অভিযান শুরু করে। এই জোটকে সহায়তা করে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য আর ফ্রান্স।

২০১৫ সালের মার্চ মাসে সৌদি আরব নেতৃত্বাধীন জোট ইয়েমেনে বোমাবর্ষণ শুরু করে। আবদ রাব্বু মনসুর হাদির সমর্থনে এই বিমান হামলা শুরু হয়। নির্বাসনে থেকেই ইয়েমেনের প্রেসিডেন্ট হাদি এই অভিযানে সমর্থন দেন। হুতি বিদ্রোহীদের ইরান সমর্থন দিচ্ছে বলে বিশ্বাস করে সৌদি আরব। কারণ ইরান ও হুতি বিদ্রোহী দুই পক্ষই শিয়া ধর্মাবলম্বী। এদিকে যুক্তরাষ্ট্র প্রকাশ্যে সমর্থন দিচ্ছে সৌদিকে। কারণ ইরান, রাশিয়া ও চীনকে মধ্যপ্রাচ্যে ঠেকাতে মরিয়া যুক্তরাষ্ট্র। মনে করা হয়, ইয়েমেনের যুদ্ধের আড়ালে আদতে লড়াই চলছে সৌদি আরব ও ইরানের মধ্যে। ওদিকে সৌদি আরব ও ইরানের পেছনে কলকাঠি নাড়ছে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও চীনের মতো পরাশক্তিরা।

ইয়েমেনে চলা গৃহযুদ্ধ আরব বিশ্বে অস্থিরতার অন্যতম প্রধান কারণ। দেশটিতে চলা সংঘাত-সহিংসতার কারণে সেখানে ঘাঁটি গেড়েছে আল-কায়েদা ও ইসলামিক স্টেটের (আইএস) মতো সন্ত্রাসী সংগঠনগুলো। এখান থেকেই পশ্চিমা বিশ্বে হামলা চালানোর নীল নকশা হচ্ছে। তাই ইয়েমেনের যুদ্ধ পশ্চিমা বিশ্বের জন্যও হুমকি হিসেবে দেখা দিয়েছে।

এছাড়াও দরিদ্র দেশ ইয়েমেনের সংকট নিয়ে হেভিওয়েট রাষ্ট্রগুলোর আকৃষ্ট হওয়ার মূল কারণ হল এডেন উপসাগর। লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরের মাঝখানে দেশটির অবস্থান। এই নৌপথ দিয়েই বিশ্বের সিংহভাগ তেলবাহী জাহাজ চলাচল করে। তাই ইয়েমেন যার নিয়ন্ত্রণে থাকবে, তার পক্ষে তেলসম্পদের ওপর খবরদারি করাও সহজ হবে। ঠিক এই কৌশলগত কারণেই ইয়েমেন সবার কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ইয়েমেন সংকটের আরেকটি অলিখিত কারণ হলো ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধে সৌদি আরবের অংশগ্রহণের ফলে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র বিক্রি বেড়েছে। সৌদি আরব হয়ে উঠেছে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রের প্রধান ক্রেতা। তাছাড়া বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক আধিপত্যবাদ আবর্তিত হয় সৌদি আরবকে কেন্দ্র করে। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবকও সৌদি আরব। ফলে, নিজেদের আধিপত্যবাদ বজায় রাখতেই ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধে সৌদি আরবের দিকে ঝুঁকেছিল যুক্তরাষ্ট্র।

যেকোনো সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানে ভূমিকা রাখতে পারে বৈশ্বিক পরাশক্তিগুলো। ইয়েমেনে চলা বর্তমান সংকটকে জাতিসংঘ আখ্যায়িত করেছে বর্তমান পৃথিবীতে সবচেয়ে ভয়াবহ মানবিক সংকট হিসেবে। হাজারো বেসামরিক নাগরিকের মৃত্যু, শিশুদের চরম অপুষ্টিতে ভোগা, আর জীবনধারণের মৌলিক প্রয়োজনগুলোর সংকটে ইয়েমেনিদের জন্য প্রয়োজন ছিল সংকট সমাধানে বৈশ্বিক উদ্যোগ। তবে ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধ যতদিন সবগুলো পক্ষকে লাভবান করবে, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক রাজনৈতিক নেতৃত্ব ততদিন পর্যন্ত সংকট সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার সম্ভাবনা কম।


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

ওমিক্রন ১৩ দেশে শনাক্ত হয়েছে

প্রকাশ: ০৫:৫৯ পিএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail

বিশ্বের ১৩টি দেশে করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রন শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্তদের বেশির ভাগ সম্প্রতি দক্ষিণ আফ্রিকা বা অন্য কোনো দেশে গিয়েছিলেন। ওমিক্রন শনাক্ত হওয়ার পরই এর প্রভাব ও ভয়াবহতা নিয়ে এখনো নিশ্চিত করে কিছু জানা যায়নি। ওমিক্রন টিকার সুরক্ষা ভেদ করতে পারে এমন উদ্বেগ থেকে অনেক দেশ দক্ষিণ আফ্রিকা ও আশপাশের দেশগুলোর ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে।

ওমিক্রন যেসব দেশে শনাক্ত হয়েছে

দক্ষিণ আফ্রিকা: রাজধানী জোহানেসবার্গ নিয়ে গঠিত দক্ষিণ আফ্রিকার একটি প্রদেশে পিসিআর পরীক্ষায় পাওয়া নমুনায় দেখা গেছে যে এ সপ্তাহের মাঝামাঝি দক্ষিণ আফ্রিকায় মোট করোনা শনাক্ত ১ হাজার ১০০ রোগীর মধ্যে ৯০ শতাংশ ওমিক্রন ধরনে আক্রান্ত।

বতসোয়ানা: দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে সীমান্ত লাগোয়া দেশ বতসোয়ানায় কমপক্ষে ১৯ জনের ওমিক্রন শনাক্ত হয়েছে।

যুক্তরাজ্য: দেশটিতে তিনজন ওমিক্রন ধরনে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন। আক্রান্তদের সবাই দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট।

জার্মানি: দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে মিউনিখ বিমানবন্দরে যাওয়া দুজনের ওমিক্রন শনাক্ত হয়েছে। আঞ্চলিক কর্মকর্তাদের বরাতে এ খবর জানিয়েছে এএফপি।

নেদারল্যান্ডস: দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে নেদারল্যান্ডসে যাওয়া কয়েক শ যাত্রীর ৬১ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ১৩ জন ওমিক্রন ধরনে আক্রান্ত।

ডেনমার্ক: দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে যাওয়া দুজনের শরীরে ওমিক্রন শনাক্ত হয়েছে।

বেলজিয়াম: একজনের ওমিক্রনে আক্রান্ত হওয়ার কথা জানা গেছে। ইউরোপের প্রথম দেশ হিসেবে বেলজিয়ামে ওমিক্রন ধরন শনাক্ত হয়।

ইসরায়েল: ২৭ নভেম্বর ইসরায়েলে একজন নতুন এই ধরনে আক্রান্ত হন। আরও একজন ওমিক্রনে আক্রান্ত বলে ধারণা করছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।

ইতালি: ইতালিতে একজনের ওমিক্রন শনাক্ত হয়েছে। ওই ব্যক্তি আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হওয়ার আগে গোটা দেশ ঘুরে বেরিয়েছেন।

চেক প্রজাতন্ত্র: স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী দেশটিতে একজনের ওমিক্রনে আক্রান্ত হওয়ার কথা নিশ্চিত হওয়া গেছে।

হংকং: সন্দেহভাজন আক্রান্ত হিসেবে হোটেলে কোয়ারেন্টিনে থাকা দুজনের ওমিক্রন শনাক্ত হয়েছে।

অস্ট্রেলিয়া: দেশটির নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যে ওমিক্রনে আক্রান্ত দুজন শনাক্ত হয়েছেন। তারা উভয়ই সম্প্রতি দক্ষিণ আফ্রিকা গিয়েছিলেন।

কানাডা: সম্প্রতি নাইজেরিয়া সফর করা দুই ব্যক্তির দেহে ওমিক্রন ধরনের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে।

মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

ওমিক্রন: ভারতের ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ দেশের তালিকায় বাংলাদেশ

প্রকাশ: ০৫:৪৭ পিএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail

বাংলাদেশে এখনো করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রন শনাক্ত হয়নি। এরপরও দেশটিকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করে ভ্রমণে অতিরিক্ত কড়াকড়ি আরোপ করেছে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ। এমনকি পূর্ণডোজ টিকা নেওয়া ভ্রমণকারীদের জন্য যে ছাড় দেওয়া হচ্ছিল, সেটিও বাতিল করা হয়েছে। গত রোববার (২৮ নভেম্বর) নতুন এসব নির্দেশনা জারি করেছে ভারত সরকার।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের খবর অনুসারে, করোনাভাইরাসের ওমিক্রন ধরন প্রতিরোধে এসব পদক্ষেপ নিয়েছে ভারত। দীর্ঘ ২০ মাসেরও বেশি সময় পর গত ২৬ নভেম্বর আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক ফ্লাইট ফের শুরুর ঘোষণা দিয়েছিল ভারতীয় প্রশাসন। আগামী ১৫ ডিসেম্বর থেকে এসব ফ্লাইট চলাচল স্বাভাবিক হওয়ার কথা ছিল। বর্তমানে দ্বিপাক্ষিক এয়ার বাবল চুক্তির আওতায় বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশের সঙ্গে সীমিত সংখ্যক ফ্লাইট চালু রয়েছে ভারতের।

‘ঝুঁকিপূর্ণ’ দেশ কারা?
চলতি মাসের শুরুর দিকে ওমিক্রন প্রথম শনাক্ত হয় দক্ষিণ আফ্রিকায়। এরপর তা ছড়িয়ে পড়েছে আরও কয়েকটি দেশে। ওমিক্রন ধরা পড়া দেশগুলোর পাশাপাশি আরও কয়েকটি দেশকে আন্তর্জাতিক ভ্রমণের ক্ষেত্রে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে ভারত।

ভারত সরকারের নির্দেশনা অনুসারে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ দেশের তালিকায় রয়েছে, যুক্তরাজ্য, গোটা ইউরোপ এবং আরও ১১টি দেশ বা অঞ্চল; সেগুলো হলো- বাংলাদেশ, দক্ষিণ আফ্রিকা, ব্রাজিল, বতসোয়ানা, চীন, মরিশাস, নিউজিল্যান্ড, জিম্বাবুয়ে, সিঙ্গাপুর, হংকং ও ইসরায়েল।

‘ঝুঁকিপূর্ণ’ দেশের ভ্রমণকারীদের জন্য নিয়ম
ভারতীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুসারে, ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ দেশগুলো থেকে ভ্রমণকারী অথবা ট্রানজিটগ্রহীতাদের ভারতে পৌঁছানোর পরপরই আরটি-পিসিআর টেস্ট করাতে হবে এবং এর ফলাফল আসা পর্যন্ত বিমানবন্দরেই অপেক্ষা করতে হবে।

ভ্রমণকারীদের কেউ করোনা পজিটিভ শনাক্ত হলে ভারত সরকার নির্ধারিত জায়গায় আইসোলেশনে নিয়ে যাওয়া হবে এবং নেগেটিভ শনাক্ত না হওয়া পর্যন্ত তাদের সেখানেই থাকতে হবে। এক্ষেত্রে ভ্রমণকারী ওমিক্রন বা করোনার অন্য যেকোনো ধরনেই আক্রান্ত হোন না কেন, সবারই আইসোলেশনে যেতে হবে এবং চিকিৎসকের ছাড়পত্র পাওয়ার পরেই কেবল তারা ছাড়া পাবেন।

‘ঝুঁকিপূর্ণ’ দেশগুলো থেকে যাওয়া ভ্রমণকারীরা করোনা নেগেটিভ শনাক্ত হলেও তাদের হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা এবং অষ্টম দিনে করোনা টেস্ট করানো বাধ্যতামূলক। ওই পরীক্ষায় তারা করোনা নেগেটিভ শনাক্ত হলে ভারত সরকারের কোভিড-১৯ হেল্পলাইনে তা জানাতে হবে। এছাড়া, ভ্রমণকারীদের সবশেষ ১৪ দিনের ভ্রমণ বৃত্তান্তও জমা দিতে হবে।


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগে মামলা করবে আর্জেন্টিনা

প্রকাশ: ০৪:২৬ পিএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail

রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে চলমান গণহত্যার বিষয়ে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দেয়ার পদক্ষেপ নিয়েছে আর্জেন্টিনার বিচার বিভাগ। এ তথ্য জানিয়েছে বার্মিজ রোহিঙ্গা অর্গানাইজেশন ইউকে (বিআরওইউকে)।

আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিআরওইউকে জানিয়েছে, গত ২৬ নভেম্বর বুয়েনস আয়ার্সের ফেডারেল ফৌজদারি আদালতের দ্বিতীয় চেম্বার নিশ্চিত করেছে যে, তারা সার্বজনীন এখতিয়ারের নীতির অধীনে মিয়ানমারের সিনিয়র কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে একটি মামলা শুরু করবে।

আরও বলা হয়েছে, রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে কিছু অপরাধ এতটাই ভয়াবহ যে সেগুলোর বিচার যে কোনো জায়গায় করা যেতে পারে। উল্লেখ্য, বিআরওইউকে ২০১৯ সালের নভেম্বরে প্রথমে আর্জেন্টিনার বিচার বিভাগের কাছে মিন অং হ্লাইং এবং বর্তমান জান্তার ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বসহ মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে এই ধরনের মামলার জন্য আবেদন করেছিল।


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

ওমিক্রন: বিদেশিদের জন্য সীমান্ত বন্ধ করছে জাপান

প্রকাশ: ০৪:১০ পিএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail

বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে দক্ষিণ আফ্রিকায় করোনাভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্টওমিক্রন ইতোমধ্যে এক ডজন দেশে এই ভ্যারিয়েন্ট পৌঁছে যাওয়ায় অনেক দেশ আতঙ্কিত হয়ে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা এবং বিমান চলাচলে বিধি-নিষেধ আরোপ করছে।

সোমবার জাপান বলেছে, তারা বিদেশিদের জন্য সীমান্ত বন্ধ করছে। বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির এই দেশটি করোনাভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া ইসরায়েলের পথে হেঁটেছে। অন্যদিকে, অস্ট্রেলিয়ার পুনরায় খুলে যাওয়ার পরিকল্পনা নিয়ে দেখা দিয়েছে শঙ্কা।

আগের সব ভ্যারিয়েন্টের তুলনায় সম্ভাব্য অতি-সংক্রামক ওমিক্রন গত বুধবার দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রথম শনাক্ত হয়। এরপর থেকে এই ভ্যারিয়েন্ট অস্ট্রেলিয়া, বেলজিয়াম, বতসোয়ানা, ব্রিটেন, কানাডা, ডেনমার্ক, ফ্রান্স, জার্মানি, হংকং, ইসরায়েল, ইতালি এবং নেদারল্যান্ডসেও শনাক্ত হয়েছে।


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

শ্রেণিকক্ষে গান ছেড়ে ধূমপান, চার ছাত্রছাত্রী বহিষ্কার

প্রকাশ: ০৪:০৬ পিএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail

শ্রেণিকক্ষে সিগারেট টানছে শিক্ষার্থীরা। এক ছাত্রী ধোঁয়া দিচ্ছে আরেক ছাত্রের মুখে। সুখটানের পাশাপাশি অশ্লীল অঙ্গিভঙ্গি চলছে। মোবাইলে বাজছে পছন্দের গান। হাসাহাসি, খুনসুঁটির সেই ভিডিওই এখন ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়।

শুক্রবার এমনই একটি ভিডিও পশ্চিমবঙ্গের চন্দ্রকোনা এলাকায় ভাইরাল হয়েছে। নিন্দার ঝড় ওঠতেই চার শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করেছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

তবে এর আগেও স্কুলের ভেতরে ক্লাস চলাকালীন ছাত্রীদের মদপানের বিষয়ও প্রকাশ্যে এসেছিল। বার বার এমন ঘটনা শিক্ষকদের গাফিলতির কারণেই ঘটছে বলে মনে করছেন অভিভাবকরা।

পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার চন্দ্রকোনা নম্বর ব্লকের জাড়া হাইস্কুলে শুক্রবার ক্লাস ইলেভেনের ছাত্র-ছাত্রীদের ধূমপানসহ অশ্লীল আচরণের ছবি ভাইরাল হতে শনিবার থেকে এলাকায় দেখা দিয়েছে চরম ক্ষোভ।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, এই ঘটনায় ক্লাস ইলেভেন টুইলেভ মিলিয়ে জন ছাত্রছাত্রী যুক্ত রয়েছে। করোনা লকডাউনে দীর্ঘদিন স্কুল বন্ধ থাকার পরেও স্কুল খুললে ছাত্র-ছাত্রীরা এখনও উশৃঙ্খল জীবনযাপন থেকে স্বাভাবিক ছন্দে ফিরতে পারেনি বলে মনে করছেন একাংশ।

তারপরও বিষয়টাকে ছোট করে দেখতে চায়নি বিদ্যালয়ের পরিচালন কমিটি। শনিবারই পরিচালন কমিটির বৈঠকে বসে এক বছরের জন্য ওই ছাত্র-ছাত্রীদের বহিষ্কার করার কথা ঘোষণা করেছে। তবে তাদের ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে যেন পরীক্ষা দিতে পারে সেদিকে লক্ষ্য রাখা হয়েছে।

এরই মধ্যে গ্রামবাসীর ক্ষোভের মুখে পড়ে ওই ছাত্রদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করলেও এতে খুশি নয় শাসকদলের নেতাকর্মী থেকে শুরু করে অভিভাবকরা। সবাই চাচ্ছেন এই ঘটনা প্রথম নয় এর আগেও অনেক ঘটনা ঘটেছে শুধুমাত্র এর জন্য দায়ী স্কুলের শিক্ষকরা।

ঘটনার কথা স্বীকার করে নিয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বলেন, খারাপ এই ঘটনাটি ঘটেছে বিদ্যালয়ের মধ্যে। এটা অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই। আমরা আরও সতর্ক হবো যেন ভবিষ্যতে ধরনের ঘটনা পুনরায় না ঘটে। একইসঙ্গে ওই ছাত্র-ছাত্রীদের বিরুদ্ধে শাস্তিযোগ্য ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন