ইনসাইড গ্রাউন্ড

২০২৩ এশিয়া কাপে আসছে বড় পরিবর্তন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০১:২২ পিএম, ১৯ অক্টোবর, ২০২১


Thumbnail

পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড চেয়ারম্যান রমিজ রাজা সোমবার বলেছেন, পাকিস্তানে ২০২৩ সালের এশিয়া কাপ হবে ৫০ ওভারের। দুবাই থেকে ফিরে এসে পিসিবি ডিজিটালকে এই কথা জানান। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ভেন্যুতে বিসিসিআই কর্মকর্তাদের সঙ্গেও কথা হয়েছে তার। সবশেষ ২০১৮ সালের আসরটি হয়েছিল ওয়ানডে ফরম্যাটে, তার দুই বছর আগের প্রতিযোগিতা হয় টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে।

এই বছরের এশিয়া কাপ হওয়ার কথা ছিল পাকিস্তানে। কিন্তু ভারত যেতে রাজি না হওয়ায় তা শ্রীলঙ্কায় নেওয়া হয়। পরে করোনাভাইরাসের কারণে স্থগিত করে নেওয়া হয়েছে ২০২৩ সালে, আয়োজক পাকিস্তান। একই বছরে ওয়ানডে বিশ্বকাপ থাকায় এশিয়া কাপ ৫০ ওভারের হবে বলে রমিজ জানান, ‘পাকিস্তানে ২০২৩ সালের ইভেন্ট হবে ৫০ ওভারের, এই ব্যাপারে এসিসি রাজি এবং অনুমোদন দিয়েছে। এটি হবে সেপ্টেম্বরে। অক্টোবর-নভেম্বরে হতে যাওয়া পুরুষদের ২০২৩ বিশ্বকাপের সঙ্গে এই সূচি দারুণ সামঞ্জস্যপূর্ণ।’

রমিজ আরো বলেন, ‘পাকিস্তানে এই টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে মুখিয়ে আমরা এবং আমি আত্মবিশ্বাসী যে এটা হবে খুব গোছানো ইভেন্ট কারণ ভক্তরা এটাই চায়।’ ২০২২ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ মাথায় রেখে শ্রীলঙ্কায় আগামী বছরের এশিয়া কাপ ২০ ওভারের ফরম্যাটে হবে নিশ্চিত করেছেন পিসিবি প্রধান।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

রোনালদোদের নতুন কোচ রাংনিক

প্রকাশ: ০৮:৪৬ পিএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail

কয়েকদিন আগে ইউরোপের বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে খবর এসেছিল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের কোচ হচ্ছেন রাশিয়ান ক্লাব লোকোমোতিভ মস্কোর ‘স্পোর্টস অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট’-এর প্রধান রালফ রাংনিক। এবার বিষয়টি সত্যি করে অফিসিয়ালি ইউনাইটেডের দায়িত্ব নিলেন জার্মান এ কোচ।

সোমবার (২৯ নভেম্বর) এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করে রেড ডেভিলসরা। চলতি মৌসুমসহ ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সঙ্গে দুই বছরের চুক্তি করেছেন রাংনিক।  

এর আগে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন ক্লাবটির সাবেক কিংবদন্তি ফুটবলার ওলে গুনার সুলশার। তবে দলের টানা ব্যর্থতার কারণে গত রোববার (২১ নভেম্বর) চাকরি হারান তিনি। ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে জোসে মরিনহোর বিদায়ের পর অন্তর্বর্তীকালীন কোচ হিসেবে দলটির হাল ধরেছিলেন নরওয়ের সাবেক এই ফুটবলার।

মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

শেষ দিনে ঘুরে দাঁড়াবে বাংলাদেশ, আশা ডমিঙ্গোর

প্রকাশ: ০৮:৩৭ পিএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail

চট্টগ্রাম টেস্টে পাকিস্তানকে ২০২ রানের লক্ষ্য দিয়েছে বাংলাদেশ। এরই মধ্যে এক সেশন ব্যাট করে ১০৯ রান তুলে চতুর্থ দিন শেষ করেছে সফরকারীরা। স্কোরবোর্ড বলছে জয়ের প্রহর গুনছে পাকিস্তান। যদিও এখনও জয়ের আশা ছাড়ছেন না বাংলাদেশের প্রধান কোচ রাসেল ডমিঙ্গো।

তিনি শেষ তিন চমকের অপেক্ষায় আছেন। মূলত প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ যেভাবে লড়াইয়ে ফিরেছে সেটাই আত্মবিশ্বাস যোগাচ্ছে টাইগার কোচকে। তিনি বেশ ভালো ভাবেই অনুধাবন করতে পেরেছেন শেষ দিনে জিততে হলে তার শিষ্যদের দারুণ কিছু করতে হবে।

ডমিঙ্গো বলেন, ‘ম্যাচ যেভাবে এগিয়েছে, প্রথম সেশনেই সব উইকেট গিয়েছে। আমি সত্যিই ছেলেদের নিয়ে বেশ গর্বিত যেভাবে তারা প্রথম ইনিংসে লড়াই করেছে। নিজেদের সামর্থ্য দারুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছে। পাকিস্তান নির্দ্বিধায় আমাদের থেকে এগিয়ে আছে। জিততে আরও ৯৩ রান করতে হবে। ফল আমাদের পক্ষে আনতে বিশেষ কিছু করতে হবে। টেস্ট ক্রিকেটে যে কোনো কিছুই হতে পারে। আমাদেরকে আগামীকাল সকালের এসে আবার সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। আমরা যদি প্রথম আধাঘণ্টায় এক বা দুটি উইকেট নিতে পারি তাহলে যেকোনো কিছুই হতে পারে।’

প্রথম ইনিংসে ৪৪ রানের লিড নিয়েও ব্যাটারদের ব্যর্থতায় বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংস থমকে গেছে ১৫৭ রানে। প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয় ইনিংসও ব্যর্থ হয়েছে বাংলাদেশের টপ অর্ডার। প্রথম ইনিংসে ৪৯ রানে ৪ উইকেট হারালেও দ্বিতীয় ইনিংসে ২৫ রানে ৪ উইকেট হারিয়েছে বাংলাদেশ। 

লিটন দাস, ইয়াসিল আলী রাব্বি ও নুরুল হাসান সোহান চেষ্টা করলেও তাদের রান যথেষ্ঠ ছিল না বাংলাদেশের লড়াইয়ের পুঁজি এনে দেয়ার জন্য। তাই চতুর্থ দিন শেষে ডমিঙ্গো কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন টপ অর্ডার ব্যাটারদের। তার ভাষ্য, ‘আমরা প্রথম দুদিন ভালো অবস্থায় ছিলাম। তৃতীয় দিনের বেশিরভাগ সময়ই নিজেদের নিয়ন্ত্রণে ম্যাচ রেখেছি।’

শেষ সেশনে পাকিস্তানের উইকেট তুলে নিতে না পারার আক্ষেপের কথা জানিয়ে টাইগার কোচ বলেন, 'শেষ সেশনটি আমাদের পক্ষে আসেনি। ওখানে আমরা চাপে পড়ে যাই। এটা দেখা সত্যিই হতাশার। শেষ সেশনে ব্যাটিং ব্যর্থতার আগ পর্যন্ত আমরা দারুণ ক্রিকেট খেলেছি। আমরা প্রথম ইনিংসে প্রতিদ্বন্দ্বীতাপূর্ণ স্কোর পেয়েছিলাম। স্পিনার ও পেসাররা দারুণ বোলিং করে আমাদের লিড এনে দিয়েছেন। কিন্তু গতকাল আমাদের একটি ভয়ানক শেষ সেশন ছিল যা আমাদের খেলায় অনেক চাপের মধ্যে ফেলেছিল। আমি মনে করি ২৫০-২৮০ রানের মধ্যে স্কোর পেলে আমরা ভালো অবস্থানে থাকতে পারতাম।’ যোগ করেন তিনি।

মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

ত্রিদেশীয় সিরিজে ভারতকে হারাল বাংলাদেশ যুবারা

প্রকাশ: ০৮:২৩ পিএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail

ভারতের মাটিতে চলমান ত্রিদেশীয় সিরিজে নিজেদের প্রথম ম্যাচে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল। রোববার ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ ‘এ’ দলকে ২ উইকেটে হারিয়েছে রাকিবুল হাসানের নেতৃত্বাধীন যুবারা।

কলকাতার ইডেন গার্ডেনসে হওয়া ম্যাচটিতে আগে ব্যাট করে ভারতের দলটি ৪৮.১ ওভারে অলআউট হওয়ার আগে করে ২৪৫ রান। জবাবে ৮ উইকেট হারালেও দশ বল হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে গেছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল।

কলকাতার ইডেন গার্ডেনসে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন রাকিবুল। ভারত যুব দলকে আগে ব্যাটিংয়ে পাঠানোর পর প্রথম ব্রে-থ্রু আসে দলীয় ৪৭ রানে। ওপেনার হারনুরের সঙ্গে ছোট জুটি গড়তে থাকেন ভারতীয় যুব দলের ব্যাটসম্যানরা। রাকিবুল, প্রান্তিকের বোলিংয়ে সেসব জুটি বড় না হলেও ব্যক্তিগত স্কোর বড় করেন হারনুর।

ব্যাট হাতে সেঞ্চুরি হাঁকানোর পর ১১১ রানে থামে হারনুরের ইনিংস। তাঁর ব্যাটে ভর করে ২৪৫ রান সংগ্রহ করে ভারত অনূর্ধ্ব-১৯ ‘এ’ দল। বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন সাকিব এবং দুটি করে উইকেট লাভ করেন আশিকুর জামান, মুশফিক হাসান ও রাকিবুল হাসান।

ভারত যুবাদের দেওয়া লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশকে দারুণ শুরু এনে দেন দুই ওপেনার মাহফিজুল ও ইফতেখার। উদ্বোধনী জুটিতে যোগ করেন ৮৫ রান। প্রান্তিকের সঙ্গেও বড় জুটি গড়েন মাহফিজুল। দলীয় ১৬৪ রানে আউট হন সাজঘরে ফিরেন প্রান্তিক।

প্রান্তিকের পর সাজঘরে ফিরেন আইচ মোল্লাও। তবে লড়াই করেও সেঞ্চুরি থেকে বঞ্চিত হয়েছেন ওপেনার মাহফিজুল। ৯১ রানে আউট হন তিনি। মাহফিজুল আউট হলে ম্যাচ থেকে অনেকটাই ছিটকে যায় বাংলাদেশ।

এক পর্যায়ে ২৩২ রানে ৮ উইকেট পড়লে ম্যাচ অনেকটাই চলে যায় ভারত যুবাদের দখলে। তবে মেহরবের সঙ্গে সাহসীকতার পরিচয় দেন অধিনায়ক রাকিবুল। মেহরবের অপরাজিত ৩৩ বলে ৩৮ এবং রাকিবুলের যোগ্য সঙ্গ-এ ভারত যুবাদের ২ উইকেটে হারায় বাংলাদেশ। ত্রিদেশীয় সিরিজের নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচটি খেলবে আগামী ১ ডিসেম্বর, প্রতিপক্ষ ভারত অনূর্ধ্ব-১৯ ‘বি’ দল।

মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

ব্রাজিলিয়ান সুন্দরীকে 'ব্লক মেরে'ও শান্তিতে নেই মেসি

প্রকাশ: ০৭:২৪ পিএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail

আর্জেন্টাইন ফুটবল সুপারস্টার লিওনেল মেসির অন্ধভক্ত হিসেবেই পরিচিত সুজি কর্টিজ। ব্রাজিলিয়ান মডেল হিসেবে লিওনেল মেসি তার চিরশত্রু হওয়ার কথা। কিন্তু অনেক ব্রাজিলিয়ান মেসিভক্তের মতো তিনিও একজন। ইতোমধ্যেই নিজের শরীরে মেসির একাধিক ট্যাটু এঁকেছেন। কিছুদিন আগে আর্জেন্টিনা কোপা জয়ের পর এঁকেছেন আরেকটি। তবে এবার যা করলেন, তাতে মেসির সহধর্মীনী আন্তোনেল্লা রোকুজ্জো রেগে যেতে বাধ্য।

মেসির প্রতি 'ভালোবাসা' প্রদর্শনে তিনি অনেকদিন ধরেই নানা কাণ্ড কারখানা ঘটাতেন। নিজের দেহের বিশেষ স্থানে মেসির ট্যাটু আঁকা থেকে শুরু করে মেসির জার্সিতে 'বডি পেইন্টিং'- সবই করেছেন। একটা সময় মেসিকে এসব ছবি তিনি সোশ্যাল সাইটে ট্যাগও করতেন। এমন কাণ্ডে অতিষ্ঠ হয়ে মেসি এবং তার স্ত্রী আন্তোনেল্লা রোকুজ্জো সোশ্যাল সাইটে সুজি কর্টিজকে ব্লক মেরে দেন বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ গণমাধ্যম 'ডেইলি স্টার'।

এতেও দমে যাননি সুজি কর্টিজ। আজ সোমবার ব্যালন ডি'অর বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হবে। লিওনেল মেসি যদি এই পুরস্কার জিতে যান, তাহলে প্যারিসের রাস্তায় বিবসনা হয়ে উল্লাস করার ঘোষণা দিয়েছেন ৩১ বছর বয়সী সুজি! তিনি বলেছেন, 'আমার স্বপ্ন মেসির জন্য নগ্ন হওয়া। মেসি আমার কাছে সব কিছু।' মেসির চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে নিয়ে সুজি বলেন, 'তাকে খারাপ লাগে না। কিন্তু মাঠের খেলায় মেসি তার থেকে অনেক অনেক ভালো। পাশপাশি আমি কল্পনায় যা দেখি, তাতেও মেসি অনেক এগিয়ে।'

মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

ভ্যাকসিন না নিয়ে বিপাকে জকোভিচ

প্রকাশ: ০৬:৫০ পিএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail

নতুন বছরের প্রথম মাস জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিতব্য বছরের প্রথম গ্র্যান্ড স্ল্যাম অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে নাও খেলতে পারেন বিশ্বের এক নম্বর তারকা নোভাক জকোভিচ। আসরে খেলতে হলে অবশ্যই ভ্যাকসিন দেওয়া থাকতে হবে। অস্ট্রেলিয়া সরকারের এমন বাধ্যবাধকতায় ভ্যাকসিনের ব্যাপারে অনীহা প্রকাশ করা জকোভিচ পড়েছেন মহা বিপাকে।

মেলবোর্নে রেকর্ড ২১তম গ্র্যান্ড স্ল্যাম শিরোপা জয়ের লক্ষ্যে কোর্টে নামার কথা রয়েছেন এ সার্বিয়ান তারকার। তবে অস্ট্রেলিয়া ওপেনে জকোভিচের না খেলার বিষয়ে ইঙ্গিত দিয়েছেন তার বাবা সারজান জকোভিচ।

জকোভিচের বাবা বলেছেন, ‘অবশ্যই সে মন থেকেই মেলবোর্নে যেতে চায়। কারণ, সে একজন ক্রীড়াবিদ এবং সার্বিয়াসহ তার ভক্তরা অবশ্যই গ্র্যান্ড স্ল্যামে তার অংশগ্রহণ আশা করে। কিন্তু আমি জানি না আদৌ কী হতে যাচ্ছে।’'

তিনি আরও বলেন, ‘এমনও হতে পারে সে না খেলার সিদ্ধান্ত শেষ পর্যন্ত নিতে পারে। কারণ, এভাবে একজন খেলোয়াড়কে জোড় করে কিছু করানো ঠিক হচ্ছে কি-না আমি বলতে পারবো না।’

বিষয়টি একান্তই জকোভিচের ব্যক্তিগত ব্যাপার বলে মনে করেন সারজান। এ ক্ষেত্রে তিনি কার্যত ছেলের পক্ষ নিয়েই কথা বলেছেন। এমনকি জকোভিচ ভ্যাকসিন নিবেন কি-না এ ব্যপারে সারজান নিজেও কিছুই জানেন না।

এদিকে, টুর্নামেন্ট পরিচালক ক্রেইগ টিলে জানিয়েছেন, ‘জকোভিচকে আমরা সবাই এখানে দেখতে চাই। তবে এখানে খেলতে হলে তাকে অবশ্যই ভ্যাকসিনেটেড হতে হবে।’

মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন