কালার ইনসাইড

মিশন “স্ট্যান্টবাজি”

প্রকাশ: ১০:০০ পিএম, ০৫ ডিসেম্বর, ২০২১


Thumbnail মিশন “স্ট্যান্টবাজি”

আজ আপনাদের একটি মিশনের গল্প শোনাব। যে গল্পটি রোলার কোস্টারের মতো গতিময়।

পাঠক!! তাহলে নিজ দায়িত্বে বেধে নিন আপনাদের সিটবেল্টগুলো। চলুন ভেতরে ঢোকা যাক একটি শ্বাসরুদ্ধ মিশনের।

কয়েক বছর আগের কথা। কোনো এক বাংলা সিনেমার গ্রুপে একজনের একটি ফেসবুক পোস্ট দেখেছিলাম। সেখানে তিনি মুক্তির দৌড়ে থাকা বেশ কয়েকটি বাংলাদেশী সিনেমার পোস্টারের একটি কোলাজ দিয়েছিলেন। যেখানে সাম্প্রতিককালের দুর্দান্ত পোস্টার ডিজাইনারদের বদৌলতে অসাধারণসব পোস্টারের কল্যাণে মনে হচ্ছিলো আহা এই বুঝি বদলে যেতে শুরু করলো আমাদের বাংলা সিনেমা। আমরা আবারো হয়তো ফিরে পাবো আমাদের হারানো সেই স্বর্ণযুগ। ততদিনে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত দুই সিনেমা অমিতাভ রেজা চৌধুরীর “আয়নাবাজী”, দীপঙ্কর দীপনের “ঢাকা অ্যাটাক” আর রায়হান রাফীর “পোড়ামন ২” সহ বেশ কয়েকটি সিনেমা দর্শকদের ভালোবাসায় সিক্ত হওয়াতে দর্শকেরাও খুব বেশি আশাবাদী হতে শুরু করেছিলো মুক্তি পেতে চলা সিনেমাগুলো নিয়ে। এরপরে আঘাত হানলো বৈশ্বিক মহামারী করোনা। বন্ধ হয়ে গেলো হলগুলো। ধুকতে থাকা ঢাকাই সিনেমা ইন্ড্রাস্ট্রির অবস্থা চলে যেতে শুরু করলো আরো তলানির দিকে।

করোনা মহামারীর ধাক্কা সামলে উঠলো বাংলাদেশ। ধীরে ধীরে খুলতে শুরু করলো প্রেক্ষাগৃহগুলো। করোনা ঝড় কিছুটা কাটিয়ে ঊনপঞ্চাশ বাতাস দিয়ে শুরু হয়ে একে একে মুক্তি পেতে শুরু করলো চন্দ্রাবতী কথা, নোনা জলের কাব্য, রেহানা মরিয়ম নূর, পদ্মাপুরানের মতো সিনেমাগুলো। কিন্তু তারপরেও কিছু একটা যেন জমছিলোনা। কারণ ঢাকাই সিনেমাতে অনেক রঙয়ের অনেক ঢঙয়ের গল্প বলা হলেও বাণিজ্যিক বা মাসালা সিনেমাই যে দর্শকদের হলমুখী করতে বড় একটা অবদান রাখে সেটি কারো অজানা না।

চলুন এবার মূলগল্পে ঢোকা যাক।

দীপঙ্কর দীপনের প্রথম সিনেমা “ঢাকা অ্যাটাকের” একদম শেষভাগে পর্দায় লেখা উঠেছিলো “ঢাকা অ্যাটাক এক্সট্রিম” আসছে। যদিও অজানা কারনে সেই সিনেমা আর আলোর মুখ দেখেনি। কিন্তু আগের সিনেমার কাহিনীকার সানী সানোয়ার ও প্রধান সহকারী পরিচালক ফয়সাল আহমেদ এবার একসাথে বসলেন পরিচালকের সিটে। ঘোষণা এলো আরো একটি পুলিশ অ্যাকশন থ্রিলার যার নাম হবে “মিশন এক্সট্রিম”। প্রথমে দর্শক হিসাবে এটা বেশ ভালো লেগেছিলো, কারন আগের সিনেমা থেকে ঢাকা অ্যাটাক ফেলে মিশন শব্দটি যোগ করে হয়ে গেলো সিনেমার নাম। ঢাকাই সিনেমার বর্তমান সময়ের সুপারস্টার আরেফিন শুভ থাকায় দর্শক উৎসাহী হয়ে উঠতে শুরু করলো, কারণ নাম যা ই হোক ঢাকা অ্যাটাকের কারনে আরেফিন শুভর উপরে এতোদিনে ভরসা এসেছে মানুষের যে শুভ আছে তাই ভালো কিছু সম্ভব।

করোনার কারনে কয়েকবার সিনেমাটির মুক্তি পিছিয়ে গেলো। অবশেষে ঘোষণা এলো ডিসেম্বরের ৩ ডিসেম্বর মুক্তি পাবে সিনেমাটি। এবার বুঝি অপেক্ষার পালা শেষ হলো! এরমাঝে মিশন এক্সট্রিমের জন্য আরেফিন শুভর শরীর গঠনের ভিডিও সাড়া ফেলেছিলো বেশ। সিনেমা মুক্তির আগে সিনেমাটির প্রিমিয়ারে নায়ক এলেন তার নির্মিতব্য সিনেমা বঙ্গবন্ধুর লুক নিয়ে। সাংবাদিকদের ক্যামেরার সামনে বললেন “মিশন এক্সট্রিম সিনেমাটি অনেক পরিশ্রম করে করেছি। যেখানে একটি সিনেমা এক মাসে কাজ সম্পন্ন করা যায়, সেখানে আমরা ‘মিশন এক্সট্রিম’ দেড় বছরেরও বেশি সময় নিয়ে কাজ করেছি”। তিনি আরো যুক্ত করলেন “মুখে বড় বড় কথা বলার চেয়ে, ‘আন্তর্জাতিক-আন্তর্জাতিক মুখ দিয়ে বলার থেকে একবার করে দেখালাম আন্তর্জাতিক মানে কি। সংজ্ঞা ও উদাহরণসহ”। নায়কের এই আকাশচুম্বী আত্মবিশ্বাস দেখে আশার পারদ তুঙ্গে নিয়ে দর্শকেরা অপেক্ষায় বসলো ৩ ডিসেম্বরের।

অবশেষে মুক্তি পেলো সিনেমাটি। সিনেমার এই দুর্দিনে আর দর্শক ক্ষরার এই সময়ে প্রথমেই ৫০টি হল পাওয়া যেন ছিলো গোটা টিমের জন্য ঈদের মতোই খুশীর উপলক্ষ্য। কারণ সাম্প্রতিককালে ঈদের সময়টাতেই ২০০ হল বিষয়ে সিনেমাপাড়ায় কথা শোনা যায়। 
তবে আসলে কেমন হলো এই বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমাটি? কেমন হলো নায়ক আরেফিন শুভর দ্বিতীয় পুলিশ থ্রিলার অ্যাকশন ইন্টারন্যাশনাল। নামেই বুঝাচ্ছিলো এটি একটি মিশনকে নিয়ে তৈরী গল্পের সিনেমা। হ্যা “মিশন এক্সট্রিম” সত্যিই একটি মিশনের গল্প, তবে গল্পের ভাজে ভাজে আপনি থাকবেন ধোঁয়াশায় পূর্ণ একটি মিশনের গল্পে। হতে পারে এটি একটি হতে চলা জঙ্গি গোষ্ঠীর জঙ্গি দল হয়ে ওঠার গল্পের মিশন। হতে পারে সানী সানোয়ার ও ফয়সাল আহমেদের পরিচালক হয়ে ওঠার মিশন, অথবা এমনও হতে পারে হারাতে বসা বাংলা সিনেমাকে খানিকটা অক্সিজেন দিয়ে আবার বাঁচিয়ে তোলার মিশন।

যদিওবা গল্পের ভাজে ভাজে এতোটাই অগোছালো আর বেক্ষাপ্পা চিত্রনাট্যের খেলা চলছিলো যে দর্শকমাত্রই মিশনের গল্পে চলতে থাকা বড় পর্দার বাম কোনায় কিছুক্ষন পর পর উঠতে থাকা “দিন ৩০০”, “দিন ৬৫” বা “দিন ৯৫” এর চক্করে পড়ে গল্পে মনোযোগ হারেতে হারাতে হিসাব মেলাতে পারেন। ঠিক যখন আপনার মনে হবে ধুর ছাই সময় বাড়ছে না কমছে অথবা আপনার মনে হবে সিনেমাটা হয়তো ৪ ঘন্টার তাই কেটে অর্ধেক করে দেয়াতে সামনের দৃশ্যেই হয়তো মিলে যাবে এই সংখ্যা সাংঘাতিকের হিসাব। না হিসাব মিলে না মধ্যবিরতিতেও। আপনার বিরক্তি কাটাতে ভরে দেওয়া হবে বাংলা সিনেমার সিগনেচার কল্পনার স্বপ্নে চলে যাবার গান। যদিও আরেফিন শুভ আর নায়িকা ঐশীর পরিচয় (একজন পুলিশ আরেকজন সাংবাদিক এই পরিচয় বাদে) নিয়ে কনফিউশনে পড়লেও পড়তে পারেন দর্শকেরা। কখনো মনে হবে তারা ছোটকালের খালাতো ভাইবোন, আবার মনে হবে পাশের ফ্ল্যাটের দুষ্টু মেয়েটা।

ওদিকে এ সময়ের দেশসেরা অভিনেতা ফজলুর রহমান বাবু হয়তো গল্প আর পরিচালকের কথায় বিদেশে বসে নায়কের ফোনের ইন্সট্রাকশনেই কাজ করছেন কিন্তু এই কাজের কোনো শেষ নেই। মুখ বুজে পর্দায় এলেন দেশসেরা আরেক অভিনেতা শহিদুজ্জামান সেলিম। পর্দায় এলেন একসময়ের জনপ্রিয় অভিনেতা শামস সুমন। সেইসাথে এই সময়ের জনপ্রিয় হতে থাকা দ্বীপ, সুমিত, পরীক্ষিত অভিনেতা রাশেদ মামুন অপু সহ নাটকের পরিচিত অনেক অনেক জনপ্রিয় মুখ। যারা এক একজন চাইলেই অভিনয়গুনে এক একটা সিনেমা টেনে নেবার যোগ্যতা হয়তো রাখতে শুরু করেছেন। ঠিক যেমন পর্দায় দর্শক দেখলো সৈয়দ নাজমুস সাকিবের অসাধারণ অভিনয়। গল্পে এতো এতো চরিত্র দেখে দর্শকরা হয়তো প্রায় ভেবেই ফেলছিলো যে এই বুঝি বর্তমানের দর্শকপ্রিয় অভিনেতা খায়রুল বাশার চলে আসবেন পর্দায়। তবে কোথা থেকে এলেন কিভাবে গল্পে চরিত্র হয়ে আগালেন সেটি কাহিনী যিনি লিখেছিলেন তিনি ছাড়া অনেকের পক্ষেই হয়তো বলা খানিকটা কঠিন। কারণ এক দৃশ্যে সীমান্তবর্তী এক রেলস্টেশনে দুজন অভিনেতা নামার পরেই আবার তাদের দেখা গেলো ঢাকা শহরেই । হয়তো সিনেমার এডিটর এবং পরিচালক ভেবেছিলেন গল্প ঠিকঠাকই আছে। পরের সিকুয়ালে আছে বলে এডিটর ভুলে গিয়েছিলেন পুরো সিনেমা তিনি কেটেছেন বলে তিনি নিজে গল্প জানলেও দর্শক কিন্তু গল্প জানে না পুরোটা। তাই সিনেমাকে সেভাবে এগিয়ে নিতে হবে যেভাবে দর্শক পরের কিস্তি ছাড়াই গল্প বুঝতে পারেন।

জঙ্গিবাদ বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বেশ পুরনো একটি বিষয়। কারন এদেশের মানুষ ১৯৯৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়া জামাআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ বা জেএমবির কথা জেনেছিলো ২০০৪ সালের ১৭ আগস্ট দেশের ৬৪ জেলায় একযোগে সিরিজ বোমা হামলার মাধ্যমে। বর্তমানের বাংলাদেশে জঙ্গিদের ঠাই নেই। বর্তমান সরকারের কঠোর পদক্ষেপে এখন জঙ্গিবাদের ঘটনা শোনা যায় কালেভদ্রে। আর গুলশান অ্যাটাকের সময়ের পরে এই ডিজিটাল যুগে এসে তরুণ প্রজন্মকে কি এভাবেই ব্রেইনওয়াশ করা যায় কিনা তা কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের সদস্যরাই হয়তো ভালো বলতে পারবেন। কিন্তু সিনেমাতে রাইসুল ইসালাম আসাদকে জঙ্গি কোনো গোষ্ঠী মেরে ফেললো। হ্যা মেরে ফেলার দৃশ্য থাকতেই পারে কিন্তু নাস্তিক এই শিক্ষকের টকশোতে কথা বলায় মেরে ফেলার ভুল ঢাকতেই কি নাস্তিক লেখকের ফাঁসি চাই লেখা পোস্টারের ইনসার্ট শট ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছিলো কিনা তা পরিচালক সাহেব ও এডিটর ভালো বলতে পারবেন।

ট্রাই নাইট্রো টলুইন (TNT) একটি শক্তিশালী এক্সপ্লোসিভ, যার গাঠনিক সংকেত C6H2(NO2)3CH3। জঙ্গি গোষ্ঠী এটা দিয়েই হয়তো জাতীয় সংসদ ভবনে থার্টি ফাস্ট নাইটে হামলা চালাবার পরিকল্পনা করেছিলেন কিন্তু সিনেমার পর্দায় নায়ক যেভাবে ডিফিউজ না করেই ফাকা মাঠে ছুড়ে দিলেন তাতে টিএনটির শক্তিমত্তার উপরে বিজ্ঞানীদের বিশ্বাস উঠে যাবার কথা। হ্যা আমাদের দেশের সিনেমায় হয়তো পাশের দেশ ভারতের রোহিত শেট্টি নির্মিত “সুরিয়াভানসির” মতো বাজেট নেই যা দিয়ে অনেকগুলো হেলিকপ্টার এনে মিশন এক্সট্রিমে দেখানো সেই থার্টি ফার্স্ট নাইটেই পার্টির বিল্ডিংটি তুলে নেওয়া সম্ভব নয়। কিন্তু সংসদের পরিকল্পনা পাল্টে গুলশানের এক ক্লাবে শিফট হওয়া প্ল্যান বি এর গল্পের গাঁথুনিটা একটু মজবুত হলেই লোকের বলতে হতো না আমরা কি আর অতো বাজেট পাই নাকি। দেশীয় প্রেক্ষাপটে বিশ্বমানের সিনেমা এটাই অথবা বলতে শোনা যেতনা যে ইহাই ইন্টারন্যাশনাল কিন্তু মুখে বললাম না। শুধু একটু মনে করতে হবে তারেক মাসুদের “রানওয়ে” সিনেমাটির কথা। যারা বলছেন যে জঙ্গিবাদ নিয়ে যেহেতু সিনেমাটি তাই প্রশংসা পাবে মিশন এক্সট্রিম, তাদের “রানওয়ে” সিনেমাটি দেখে নেওয়ার অনুরোধ রইলো।


তবে পরিচালক এবং এই সিনেমা সংশ্লিষ্ট কারো ফোনে যদি কোনো ওটিটি প্ল্যাটফর্ম সাবস্ক্রাইব করা থাকে এবং ওবেব সিরিজ নামক টার্মের সাথে যদি পরিচিত হয়ে থাকেন তাহলে হয়তো কোনো একতা দিন কোনো একটা সময় তারা নিজে বসে চা খেতে খেতে ভাববেন ওয়েব সিরিজের মতো বিশাল গল্পকে মধ্য থেকে কেটে দিয়ে দুইভাগ করে দিয়ে ইহাই ইন্টারন্যাশনাল বলে গলা ফাটালেই তা ইন্টারন্যাশনাল হয়ে ওঠে না।

আমাদের এই ছোট ও মৃতপ্রায় সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতে কালেভদ্রে দর্শকেরা যে কয়জন মানুষের উপরে আশা নিয়ে বসে থাকেন তাদের মধ্যে আরেফিন শুভ অন্যতম একজন। হয়তো অচিরেই আরেফিন শুভ তার অসাধারণ অভিনয় নিয়ে হাজির হবেন জাতির পিতার উপরে শ্যাম বেনেগালের নির্মিত “বঙ্গবন্ধু” সিনেমা দিয়ে। কিন্তু গল্পে ভরসা না থাকলে শুধু মুখে মুখে সিনেমার ব্যবসার স্বার্থে দর্শকদের সাথে এ ধরনের প্রতারণা আরেফিন শুভর জন্য অবশ্যই মানানসই নয়।

পরিশেষে পরিচালক ও প্রযোজকদেরকে “ মিশন স্ট্যান্টবাজি” শিরোনামের ওবেব সিরিজ নির্মানের আহ্বান জানিয়ে মিশন এক্সট্রিম জার্নি শেষ করছি। কারণ হয়তো ওটিটি প্ল্যাটফর্মের এই যুগে ওয়েব সিরিজে চার পাচ ঘন্টার বড় বড় গল্পে কাজ করা হয় যেখানে ছোট ছোট চরিত্রগুলোও ফুটিয়ে তোলা যায় সময় নিয়ে, কিন্তু পরিচালকের মনে রাখতে হবে এটা সিনেমা!!!! এটা “বিগ স্ক্রিন”।

মিশন এক্সট্রিম   আরিফিন শুভ  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

প্রথমবার কান উৎসবে পুরস্কার জিতল পাকিস্তানের সিনেমা

প্রকাশ: ০৫:৫৭ পিএম, ২৮ মে, ২০২২


Thumbnail প্রথমবার কান উৎসবে পুরস্কার জিতল পাকিস্তানের সিনেমা

প্রথমবার কান চলচ্চিত্র উৎসবের মতো বিশ্বমঞ্চে স্থান করে নিয়েছে পাকিস্তানি ছবি। তরুণ নির্মাতা সায়েম সাদিকের ‘জয়ল্যান্ড’ যেন পাকিস্তানিদের আনন্দে ভাসাল।

শুক্রবার বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাতে পালে দে ফেস্টিভাল ভবনের সাল ডুবুসিতে ‘আঁ সার্তে রিগা’ বিভাগের বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। এই বিভাগে জুরি প্রাইজ জিতে নেয় পাকিস্তানের ছবি ‘জয়ল্যান্ড’। নাম ঘোষণার পরপরই সায়েম সাদিককে অভিনন্দন জানানোর হিড়িক পড়ে যায়।  

বাংলাদেশি নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীও ফেসবুকে সায়েম সাদিককে মেনশন করে অভিনন্দন জানান। পাকিস্তানের ‘জয়ল্যান্ড’ ছাড়াও ‘আঁ সার্তে রিগা’ বিভাগে সেরা ছবির পুরস্কার জিতেছে ফ্রান্সের ছবি ‘দ্য ওয়ার্স্ট ওয়ান্স’, পরিচালনা করেছেন লিজ আকোকা ও রোমান গ্যুরে। ‘মেট্রোনম’ ছবির জন্য সেরা পরিচালকের পুরস্কার জিতে নিয়েছেন আলেকসান্দ্রু বেল্ক।  

ফিলিস্তিনের ছবি ‘মাহা হাজ’-এর জন্য সেরা চিত্রনাট্যের পুরস্কার জিতেছেন মেডিটেরানিয়ান ফিভার। বেস্ট পারফর্মারের পুরস্কার জিতে নিয়েছেন ভিকি ক্রিপস (করসেজ) এবং অ্যাডাম বেসা (হারকা)। ফেভারিট অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন রোডিও (লোলা কিভোরন)।

‘জয়ল্যান্ড’ সিনেমাটি পাকিস্তানের লিঙ্গবৈষম্য দূর করার গল্পে নির্মিত। কানে ‘জুরি পুরস্কার’জয়ী এই সিনেমার মতোই গত বছর একই বিভাগে বাংলাদেশ থেকে প্রথমবারের মতো অংশ নেয় আবদুল্লাহ মোহাম্মদ সাদ পরিচালিত বহুল আলোচিত ছবি ‘রেহানা মরিয়ম নূর’।


কান   চলচ্চিত্র  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

একাত্তরে বিমান ছিনতাই নিয়ে সিনেমা ‘জেকে ১৯৭১’র টিজার প্রকাশ

প্রকাশ: ০৫:২৩ পিএম, ২৮ মে, ২০২২


Thumbnail একাত্তরে বিমান ছিনতাই নিয়ে সিনেমা ‘জেকে ১৯৭১’র টিজার প্রকাশ

প্রকাশ হলো বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে প্রথম আন্তর্জাতিক সিনেমা ‘জেকে ১৯৭১’-এর টিজার। শুক্রবার বিকেলে গড়াই ফিল্মসের ইউটিউব চ্যানেল ও ফেসবুক পেইজে টিজারটি প্রকাশ করেন নির্মাতা ফাখরুল আরেফিন খান।  

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের মানুষকে সহায়তার জন্য ফরাসি যুবক জ্যঁ কুয়ে ছিনতাই করেছিলেন ‌পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইনসের [পিআইএ] একটি বিমান। তার দাবি ছিল, বাংলাদেশের স্বাধীনতাকামী মানুষের জন্য ২০ টন ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রী ওই বিমানে তুলে দিতে হবে এবং তাহলেই কেবল মুক্তি পাবে বিমানের সব যাত্রী।

এই ঘটনা নিয়েই নির্মিত হয়েছে ছবিটি।  ছবিটি নির্মাণ করেছেন ‘ভুবন মাঝি’ ও ‘গণ্ডি’র নির্মাতা ফাখরুল আরেফীন খান। সম্প্রতি সিনেমাটির দৃশ্যধারণ, সম্পাদনা, ডাবিং, কালার কারেকশন, ভিএফএক্সের কাজ শেষে গতকাল প্রকাশ হলো টিজার। জানা গেছে, ধীরে ধীরে ছবির অফিশিয়াল ট্রেলার ও পোস্টার প্রকাশ হবে।  

‘জেকে ১৯৭১’ প্রসঙ্গে পরিচালক ফাখরুল আরেফিন খান বলেন, ‘আমরা প্রথম বিশ্বযুদ্ধের, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের, আফগান যুদ্ধ, এমনকি সোমালিয়ার যুদ্ধ নিয়ে নির্মিত সিনেমা দেখি। কিন্তু আন্তর্জাতিক দর্শকদের দেখানোর জন্য ইংরেজিতে আমাদের দেশের মুক্তিযুদ্ধের কোনো সিনেমা নেই। তাই আমরা এই সিনেমাটি বানানোর সিদ্ধান্ত নিলাম। এরই মধ্যে আমরা ছবির সব কাজ শেষ করেছি। তারই ধারাবাহিকতায় আমরা ছবির টিজার প্রকাশ করলাম। আশা করছি খুব শিগগিরই ছবিটির মুক্তির বিষয়েও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারব। ’

গড়াই ফিল্মসের ব্যানারে নির্মিত ‘জেকে ১৯৭১’ ছবির নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন পশ্চিমবঙ্গের সৌরভ শুভ্র দাশ। এ ছাড়া বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অভিনেতা ফ্রান্সিসকো রেমন্ড এবং রাশিয়ান অভিনেত্রী ডেরিয়া গভ্রুসেনকো ও অভিনেতা নিকোলাই নভোমিনাস্কি, পশ্চিমবঙ্গের সব্যসাচী চক্রবর্তী, ইন্দ্রনীলসহ আরো প্রায় ৩৬ জন অভিনয়শিল্পী।



একাত্তর   বিমান   ছিনতাই  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

‘কেজিএফ ৩’এ থাকছেন হৃতিক রোশন!

প্রকাশ: ০৪:৫২ পিএম, ২৮ মে, ২০২২


Thumbnail ‘কেজিএফ ৩’এ থাকছেন হৃতিক রোশন!

‘কেজিএফ: চ্যাপ্টার ২’ সিনেমার নামটি শুনেনি কিংবা এখনো ছবিটি দেখেই এমন লোক খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। কন্নড় ভাষায় নির্মিত এই সিনেমাটি গোটা বিশ্বে সুনামি ফেলে দিয়েছে। ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে নতুন অধ্যায় রচনা করছে এটি। ‘কেজিএফ–২’ মুক্তির পর ইতোমধ্যে ১ হাজার ২২৭ কোটি রুপির মেগাক্লাবে প্রবেশ করেছে ছবিটি।

বক্স অফিসে দাপট অব্যাহত রেখেছে কন্নড় ছবিটি। ভারতে ছবিটি দুর্দান্ত ব্যবসা করেছে আগেই। তবে সাত সমুদ্র তেরো নদী পেরিয়ে কানাডাতেও এই প্যান ইন্ডিয়া ছবি এখনো দারুণ ব্যবসা করছে। কানাডা তেলেগু মুভিজের সঙ্গে হাত মিলিয়ে মাইশোর স্টুডিও হাউস কানাডা ‘কেজিএফ–চ্যাপ্টার২’ মুক্তি পেয়েছে দেশটিতে। মুক্তির পর একের পর এক রেকর্ড ভেঙেছে ছবিটি। কানাডার প্রেক্ষাগৃহে সবচেয়ে বেশি দিন ধরে চলেছে প্রশান্ত নীলের ছবিটি। ‘কেজিএফ –২’ প্রথম ছবি, যা কানাডাতে একাধিক শো পেয়েছে। দেশটিতে বিভিন্ন ভাষায় মুক্তি পাওয়া প্রথম ছবিও এটি। এখানেই শেষ নয়, উত্তর আমেরিকার দেশটিতে সবচেয়ে বেশি আয় করা কন্নড় ছবির রেকর্ডও গড়েছে ‘কেজিএফ–২’।

‘কেজিএফ–২’ মুক্তির পর শোনা যাচ্ছে আসবে ‘কেজিএফ ৩’। আর এতে থাকবেন বলিউডের সুপারস্টার অভিনেতা হৃতিক রোশন।

ভারতীয় গণমাধ্যম কইমইডটকম বলছে, ‘কেজিএফ’ প্রোডাকশন হাউজ হাম্বলে ফিল্মসের সহ-প্রতিষ্ঠাতা বিজয় কিরাগান্দুর ফ্র্যাঞ্চাইজির তৃতীয় কিস্তি নিয়ে আসতে চান। আর সেখানে হৃতিক রোশন রাখার কথা ভাবা হচ্ছে। ছবিটির দর্শককে স্পেশাল উপহার দিতেই প্রিয় এই তারকার কথা ভাবছেন তিনি।

এ প্রযোজকের বরাতে বলা হয়েছে, ‘কেজিএফ ৩’ এ বছর হবে না। কিছু পরিকল্পনা আছে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের। তবে পরিচালক প্রশান্ত নীল এই মুহুর্তে ‘সালার’ নিয়ে ব্যস্ত থাকায় আপাতত কিছু হচ্ছে না। তবে তারা অনেক চমক নিয়ে হাজির হবে।

‘কেজিএফ ২’- তে যশ ছাড়াও বলিউড অভিনেতা সঞ্জয় দত্ত, রাভিনা ট্যান্ডন এবং শ্রীনিধি শেঠি ছিলেন। প্রশান্ত নীল সিনেমাটি লিখেছেন এবং পরিচালনা করেছেন।


কেজিএফ: চ্যাপ্টার ২   রেকর্ড   সঞ্জয়   যশ   হৃতিক রোশন  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

গায়েব হয়ে গেলো শাহরুখের মান্নাতের ২৫ লাখ টাকার নামফলক !

প্রকাশ: ০৪:০২ পিএম, ২৮ মে, ২০২২


Thumbnail গায়েব হয়ে গেলো শাহরুখের মান্নাতের ২৫ লাখ টাকার নামফলক !

মুম্বাইয়ে বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খানের স্বপ্নের বাসভবন ‘মান্নাত’ এর কথা কে না জানেন। বান্দ্রা পশ্চিমের ব্যান্ডস্ট্যান্ডের প্রায় শেষ প্রান্তে বলিউডের কিং খানের ঠিকানা মান্নাত। মুম্বাই আসলে মান্নাত দর্শন করে না, এ রকম মানুষের সংখ্যা নেই বললেই চলে। মুম্বাইয়ে একটি ঐতিহ্যবাহী ভবন এবং পর্যটন স্থান হিসেবে পরিচিত মান্নাত।

প্রতিদিনই বলিউড বাদশাহর কয়েকশো ভক্ত তাদের প্রিয় এই বলিউড তারকার এক ঝলক পাওয়ার আশায় মান্নাতের সামনে হাজির হয়ে থাকেন। শাহরুখকে এক ঝলক দেখার সৌভাগ্য না হলে, অন্তত তার বাড়ি সামনে সেলফি তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেন ভক্তরা।

গত মাসে শাহরুখ তার বাড়ির পুরোনো নামফলক পরিবর্তন করে নতুন নামফলক লাগান। প্রায় ২৫ লাখ টাকা ব্যয়ে নতুন নামফলক লাগানোর ঘটনায় সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রেন্ডিং হয় শাহরুখ খান এবং তার বাড়ির নাম।

তবে নতুন লাগানো সেই নামফলক হঠাৎ গায়েব হয়ে গেছে। বেশ কিছুদিন ধরেই শাহরুখের বাড়ির সামনে গিয়ে হতাশ হয়ে ফিরছেন ভক্তরা। এর আগে নামফলক ছাড়া ‘মান্নাত’ কখনও দেখা যায়নি।

নামফলক গায়েব হয়ে যাওয়ার ব্যাপারটা সোশ্যাল মিডিয়ায় তুলে ধরেছেন কিং খানের ভক্তরাই। কেননা শাহরুখকে না পেলেও, তার বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে নামফলকের সঙ্গে সেলফি তোলার ব্যাপারটা চলতেই থাকে। গত কয়েকদিন ধরে টুইটারে অনেকেই উল্লেখ করছেন, ‘এই প্রথম মুম্বাই গেলাম। শাহরুখ খানের বাড়ির সামনে ছবি তুলতে গিয়ে দেখি মান্নাত নামফলকটাই নেই।’ বহুমূল্য নামফলকটি চুরি হয়ে গেল কিনা- এমন সংশয় প্রকাশ করছেন কেউ কেউ।

তবে দুশ্চিন্তার কিছু নেই। হিন্দুস্তান টাইমস সিটির খবরে বলা হয়েছে, আসলে নামফলকে মেরামতের কাজ চলছে। তাই ওটাকে রাখা হয়েছে বাড়ির বাগানে। একবার ঠিক হয়ে গেলে ফের সেটাকে বাড়ির সামনে লাগিয়ে দেওয়া হবে।

নতুন নামফলকটি লাগানোর পরেই জানা গিয়েছিল শাহরুখের স্ত্রী গৌরী খান, যিনি একজন বিখ্যাত ডিজাইনার তিনিই বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বসে এটার ডিজাইন করেছেন। গৌরী চেয়েছিলেন এমন একটা লুক যা খুব ক্লাসি হবে ও খান পরিবারের স্বাদকে একদম ঠিকভাবে ফুটিয়ে তুলবে।

সংবাদমাধ্যম হোক কিংবা সোশ্যাল মিডিয়া, শিরোনামে থাকেন বলিউডের বাদশা। দু’দিন আগেই পরিচালক-প্রযোজক করন জোহরের জন্মদিনে ব্লকবাস্টার সিনেমা ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’-এর গানের সঙ্গে নেচে তুমুল প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন শাহরুখ। ৫৬ বছর বয়সেও পুরো একটা পার্টির সব আকর্ষণ কেড়ে নিতে পারেন তিনিই। সে জন্যই তিনি কিং খান।


বলিউড   বাদশাহ   শাহরুখ খান   মান্নাত  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

শাকিব বললেন, শুরুতে জানতাম না আমার ক্যারিয়ার কোন দিকে যাচ্ছে

প্রকাশ: ০৩:৩৪ পিএম, ২৮ মে, ২০২২


Thumbnail শাকিব বললেন শুরুতে জানতাম না আমার ক্যারিয়ার কোন দিকে যাচ্ছে

ঢাকাই সিনেমার নির্মাতা, প্রযোজকদের আস্থার প্রতীক শাকিব খান। যার বড় পর্দায় যাত্রা শুরু ১৯৯৯ সালে। ১৯৯৯ সালের ২৮ মে মুক্তি পায় তাঁর অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র ‘অনন্ত ভালোবাসা’। সে হিসেবে চলচ্চিত্রে তার ২৩ বছরের ভ্রমণ। নারায়ণগঞ্জের তরুণ মাসুদ রানা এই সিনেমায় নাম পরিবর্তন করে ‘শাকিব খান’ নামে পর্দায় হাজির হন। প্রথম সিনেমা ব্যবসা সফল না হলেও নজর কাড়েন শাকিব। একটু একটু করে নিজেকে নিয়ে যান অনন্য উচ্চতায়। আজ তিনি ঢালিউডের এই সময়ের সবচেয়ে সফল নায়ক। ভক্তের দল যাকে ‘কিং খান’ নামে ডাকতে পছন্দ করে।



বিশেষ দিনটিকে স্মরণ করে শাকিব খান তার ফেসবুক পেইজে লিখেন, শুরুতে জানতাম না আমার ক্যারিয়ার কোন দিকে যাচ্ছে। প্রথমদিকে আমার অভিনীত চলচ্চিত্রগুলোও খুব বেশি সাফল্য পায়নি, তারপরও হাল ছাড়িনি। ভুল থেকে শিক্ষা নিয়েছি, ব্যর্থতাকে সাফল্যের মতো প্রাধান্য দিয়েছি। আমি সবসময় কঠোর পরিশ্রম, কাজের প্রতি আন্তরিকতা ও সততায় বিশ্বাসী। হয়তো এ কারণেই আজ এই অবস্থানে পৌঁছেছি। আমি আনন্দিত এই ভেবে যে, আমার কাজের মাধ্যমে মানুষকে বিনোদিত করতে পেরেছি এবং তাদের খুশি করতে পেরেছি।

তিনি আরও লিখেন, অভিনয় জীবনে আজ পর্যন্ত যেসব পরিচালক, প্রযোজক, সহশিল্পী এবং ক্যামেরার পেছনে থাকা কলাকুশলীর সঙ্গে কাজ করেছি সবাইকে ধন্যবাদ। আমার ২৩ বছরের ক্যারিয়ারে তাদের অবদান অসামান্য! বিশেষভাবে আমি আমার দর্শকদের কাছে কৃতজ্ঞ; যারা আমার সকল শক্তি ও অনুপ্রেরণার উৎস, তারা আমাকে এতোগুলো বছর ভালবাসা এবং সম্মান দিয়ে যাচ্ছে। আমার পরিবারের কাছেও কৃতজ্ঞ, তাদের চিরস্থায়ী সমর্থনের জন্য। সবার জন্য হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসা।



উল্লেখ্য, নৃত্যপরিচালক আজিজ রেজার সঙ্গে ১৯৯৫ সালে পরিচয় হয় নারায়ণগঞ্জে বেড়ে ওঠা মাসুদ রানার। তার মাধ্যমেই এফডিসিতে প্রবেশ করেন মাসুদ রানা। পরিচিত হন বেশ কয়েকজন চিত্রনির্মাতার সঙ্গে। ওই সময় শাকিল খানের সঙ্গে বিরোধের কারণে নতুন নায়ক খুঁজছিলেন পরিচালক সোহানুর রহমান সোহান। কাকতালীয়ভাবে পেয়ে যান মাসুদ রানাকে। চুক্তিবদ্ধ করেন ‘অনন্ত ভালোবাসা’ সিনেমায়। এ সিনেমার শুটিংয়ে মাসুদ রানার নাম বদলে দেন পরিচালক সোহান। মাসুদ রানা হয়ে যান শাকিব খান। ১৯৯৯ সালের ২৮ মে মুক্তি পায় শাকিব অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র 'অনন্ত ভালোবাসা'। প্রথম সিনেমা ব্যবসা সফল না হলেও নজর কাড়েন তিনি।

সেই মাসুদ রানাই ধীরে ধীরে হয়ে উঠেছে সুপারস্টার, মেগাস্টার, কিং খান শাকিব খান। দীর্ঘ এই পথচলায় অভিনেতা থেকে হয়েছেন প্রযোজক। ছিলেন চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি। অভিনয় করেছেন কলকাতার সিনেমায়। কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ চারবার পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। এছাড়াও পেয়েছেন মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার, বাচসাস পুরস্কার ও সিজেএফবি পারফরম্যান্স পুরস্কার। এখন শাকিব খান অভিনীত মুক্তির অপেক্ষায় আছে  
 লিডার- আমিই বাংলাদেশ ও অন্তরাতা সিনেমা।
 


শাকিব খান   চলচ্চিত্র  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন