প্রেস ইনসাইড

প্রথম আলোর নিবন্ধন বাতিলের দাবিতে শহীদ মিনারে মানব-বন্ধন

প্রকাশ: ০৫:০৪ পিএম, ০৬ এপ্রিল, ২০২৩


Thumbnail প্রথম আলোর নিবন্ধন বাতিলের দাবিতে শহীদ মিনারে মানব-বন্ধন

প্রথম আলো পত্রিকার নিবন্ধন বাতিল ও চক্রান্তকারীদের শাস্তি চেয়ে মানব-বন্ধন করেছে স্বাধীনতা-সচেতন নাগিরক সমাজ। বৃহস্পতিবার (৬ এপ্রিল) সকাল ১১ টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এ প্রতিবাদ কর্মসূচি পালিত হয়।

এতে বিনোদন জগতের অনেকের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সাতবারের মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার জয়ী চিত্রনায়ক রিয়াজ, তিন বার এই পুরস্কার পাওয়া অভিনেত্রী তারিন জাহান ও অভিনেত্রী তানভিন সুইটিসহ আরও বেশ কয়েকজন।

এতে সংহতি জানিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতাজ্জামান বলেন, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশ অভাবনীয় উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে পরিচিত। উন্নত দেশগুলোতে বাংলাদেশের নাম উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে বারবার উচ্চারিত হয়। একই সঙ্গে একটি নির্বাচিত সরকারের নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হয়ে নির্বাচন এগিয়ে আসছে। এ সময়ে নানা অপকৌশল শুরু হয়েছে। এদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া সাংস্কৃতিক অঙ্গনের মৌলিক দায়িত্ব। একটি বিশেষ পটভূমির উদ্দেশ্যে আমাদের স্বাধীনতাকে কটাক্ষ করা হয়েছে। যেসব পত্রিকা এসব অপকর্মে যুক্ত আছে, তাদের বিরুদ্ধে সবার সম্মিলিত সোচ্চার হওয়াই সময়ের দাবি।

উপাচার্য বলেন, ‘একটি বিশেষ পটভূমির উদ্দেশে আমাদের স্বাধীনতাকে কটাক্ষ করা হয়েছে। যেসব পত্রিকা এসব অপকর্মে যুক্ত আছে, তাদের বিরুদ্ধে সবার সম্মিলিত সোচ্চার হওয়াই সময়ের দাবি। মহান স্বাধীনতার মর্যাদা সমুন্নত রাখতে এ ধরনের প্রয়াস অব্যহত থাকবে।’

উপাচার্য প্রথম আলোর নাম না উল্লেখ করলেও বক্তব্যে দৈনিকটির শাস্তি দাবি করেন। মহান স্বাধীনতার মর্যাদা সমুন্নত রাখতে এ ধরনের প্রয়াস অব্যহত থাকবে বলে জানান ঢাবি উপাচার্য।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক নিজামুল হক ভূইয়া বলেন, ‘প্রথম আলো এখন স্বাধীনতা বিরোধীদের মুখপত্র। তারা আমাদের নাম ছাপায় না। যেখানে অন্য পত্রিকায় আমাদের বিবৃতি ছাপায়। খলনায়ক হওয়ার চেষ্টা করবেন না।’

তিনি বলেন, ‘প্রথম আলো  তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাস করে না। তাদের এসব উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তারা স্বাধীনতা বিরোধীদের একত্রিত করার চেষ্টা করেছে।’

সাধারণ সম্পাদক জিনাত হুদা বলেন, বাংলাদেশ বিরোধী যে অপশক্তি তাদেরকে জানিয়ে দেওর জন্য এখানে সমবেত হয়েছি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমাজ স্বাধীনতা বিরোধী শক্তিকে কোনোভাবেই মেনে নেবে না।

নাট্যব্যক্তিত্ব পীযূষ বন্দোপাধ্যায় বলেন, বঙ্গবন্ধুর সময়ে বাসন্তীকে জাল পরিয়ে মিথ্যা তথ্য প্রচার করেছিল তৎকালীন জাতীয় দৈনিক। ঠিক তেমনি স্বাধীনতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে প্রথম আলোর অর্বাচীন সাংবাদিক ষড়যন্ত্রের জাল তৈরি করল। এটি হঠাৎ করেই হয়নি। একজন মফস্বল সাংবাদিক সংবাদ পাঠাল, এটি হঠাৎ করেই পাবলিশড হয়ে গেছে এরকম না। ওই গোষ্ঠি সুপরিকল্পিতভাবে এটি করেছে। এসময় তিনি প্রতিবাদ জানানোর পাশাপাশি সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান।

ঘাতক দালাল নিমূল কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবির বলেন, ‘এত বড় সাহস কারোরই হওয়া উচিত না যে, দেশের স্বাধীনতাকে কটাক্ষ করবে। যারা আমাদের স্বাধীনতাকে অবমাননা করবে তাদের সবাইকে শাস্তির আওতায় আনতে হবে। প্রয়োজনে এর জন্য আইন করতে হবে।’

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, ‘আজকে আমরা সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করছি না বরং পাক হানাদার বাহিনীর প্রেতাত্মাদের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করছি। প্রথম আলো ২৬ মার্চ যে সংবাদ প্রচার করেছে তা স্বাধীনতা বিরোধী। এটা আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রেরই অংশ। এর জন্য প্রথম আলোর নিবন্ধন বাতিল করতে হবে।’

প্রথম আলোর বিরুদ্ধে রমনা থানায় করা মামলার বাদী আইনজীবী মশিউর মালেক প্রথম আলো পত্রিকাকে কালো তালিকাভুক্ত করে পত্রিকা বাতিলের দাবি জানান।

কর্মসূচিতে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক গোষ্ঠী, জোট ও সংগঠন অংশ নেয়। সেগুলো হলো- স্লোগান ৭১, বঙ্গবন্ধু লেখক পরিষদ, জাতীয় ওলামা সমাজ, জয় বাংলা সাংস্কৃতিক জোট, আন্তর্জাতিক শিল্পী সাহিত্যিক সম্মিলিত পরিষদ, বাংলার মুখ, বিজ্ঞানী ড. ওয়াজেদ মিয়া স্মৃতি পাঠাগার, বঙ্গবন্ধু জন্মশতবর্ষ আন্তর্জাতিক পরিষদ, বাংলাদেশ চারুশিল্পী সংঘ, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মাইম ব্রিগেড, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বৌদ্ধ ছাত্র সংসদ, বিচ্চু বাহিনী, মুক্তিযোদ্ধা ঐক্যমঞ্চ, বৃত্তান্ত ৭১ ফাউন্ডেশন।

এছাড়াও মানব-বন্ধনে উপস্থিত হয়ে বক্তব্য রেখেছেন কবি, সাহিত্যিক, বুদ্ধিজীবি, সাংবাদিক, আইনজীবী,  বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, আভিনেতা, অভিনেত্রী, বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রমুখ ব্যক্তিবর্গ। মানব-বন্ধনে বক্তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরোধী সংবাদপত্র প্রথম আলোর নিবন্ধন বাতিল এবং বাংলাদেশের বিরুদ্ধে হীন চক্রান্তের বিচার দাবি করেন। 


প্রথম আলো   নিবন্ধন বাতিল   শহীদ মিনার   মানব-বন্ধন  


মন্তব্য করুন


প্রেস ইনসাইড

সাংবাদিকদের নামে অপপ্রচার ও হুমকির প্রতিবাদে রাজশাহীতে মানববন্ধন


Thumbnail

গণমাধ্যমের কণ্ঠ রোধ, সাংবাদিকদের নামে অপপ্রচার ও হুমকির প্রতিবাদে রাজশাহীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাজশাহীর সাংবাদিক সমাজের ব্যানারে আয়োজিত মানববন্ধন থেকে যমুনা টেলিভিশনের সাংবাদিক শিবলী নোমানের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও হত্যার হুমকি বন্ধ, দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশ নিয়ে বিভিন্ন সংস্থার আপত্তিকর বিবৃতি প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়।

সোমবার (২৪ জুন) সকাল ১০টায় নগরীর সাহেববাজার জিরোপয়েন্টে সিনিয়র সাংবাদিক আনিসুজ্জামানের  সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন রাজশাহী রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক জামাত খান, সিনিয়র সাংবাদিক আজিজুল ইসলাম, আবদুস সাত্তার ডলার, শেখ রহমতুল্লাহ, শামীউল আলীম।

রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি কাজী শাহেদের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন ফটোজার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শরিফুল ইসলাম তোতা ও সাধারণ সম্পাদক সামাদ খান, বিএফইউজের সাবেক সদস্য জাবীদ অপু, আরটিজেএ কোষাধ্যক্ষ মাহফুজুর রহমান রুবেল, নির্বাহী কমিটির সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান সোহান, রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান টুকু, কোষাধ্যক্ষ সরকার দুলাল মাহবুব, সিনিয়র সাংবাদিক আবুল কালাম আজাদ, রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের সভাপতি শামসুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম প্রমুখ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, প্রভাবশালীদের লুটপাটের চিত্র উন্মোচনে গণমাধ্যমের গুটি কয়েককর্মী কাজ করছেন। তাদের সেই কণ্ঠ রোধ করতে প্রভাবশালীরা নানা তৎপরতা চালাচ্ছেন। সাংবাদিকদের নামে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার ও হত্যার হুমকিও দেয়া হচ্ছে। আবার দুর্নীতির পক্ষে অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন সংস্থা বিবৃতি দিয়ে স্বাধীন সাংবাদিকতাকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করছে। ভয়ভীতি দেখিয়ে কণ্ঠরোধের চেষ্টা করছে। সাংবাদিকরা গণমাধ্যমে সাধারণ মানুষের অধিকার, দুর্নীতি, অনিয়মের চিত্র তুলে ধরতে কাজ করেন। সেই লেখনি কোনো অপশক্তি বন্ধ করতে পারবে না।


সাংবাদিক   অপপ্রচার   মানববন্ধন  


মন্তব্য করুন


প্রেস ইনসাইড

পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের বিবৃতি ব্যক্তিগত দুর্নীতি উৎসাহিত করবে: ডিআরইউ

প্রকাশ: ০৭:৪৮ পিএম, ২৩ জুন, ২০২৪


Thumbnail

সাংবাদিকদের নিয়ে পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের (বিপিএসএ) বিবৃতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ)। 
রোববার (২৩ জুন) ডিআরইউ সভাপতি সৈয়দ শুকুর আলী শুভ ও সাধারণ সম্পাদক মহি উদ্দিন এক বিবৃতিতে বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে দেশের কয়েকজন বর্তমান ও সাবেক সরকারি কর্মকর্তাদের অস্বাভাবিক সম্পদের মালিক হওয়ার সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। কোনো বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে এই সংবাদ প্রকাশ হয়েছে বলে আমরা মনে করি না।

বিবৃতিতে সাংবাদিক নেতারা বলেন, যাদের নামে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে তাদের কাজ হচ্ছে প্রকাশিত তথ্যগুলো সঠিক কিনা তা প্রমাণ করা। কোনো কর্মকর্তা দুর্নীতি করে থাকলে এটি তার ব্যক্তিগত বিষয়, এ নিয়ে পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সংবাদ মাধ্যমকে দোষারোপ করা শোভনীয় নয়। বরং এর মধ্যে দিয়ে ব্যক্তিগত দুর্নীতি উৎসাহিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এসব বিষয় নিয়ে পারস্পরিক দোষারোপ করা যৌক্তিক নয়। দেশের স্বার্থে সাংবাদিক-পুলিশ দীর্ঘ দিন ধরে দুর্নীতি এবং অনিয়মের বিরুদ্ধে একসঙ্গে কাজ করে আসছে। আগামী দিনেও একইসঙ্গে কাজ করবে সাংবাদিক ও পুলিশ।

তারা আরও বলেন, সাংবাদিকরা সবসময় দায়িত্বশীল এবং তথ্য ভিত্তিক সংবাদ প্রকাশ করে থাকেন। সম্প্রতি পুলিশের সাবেক ও বর্তমান কয়েকজন কর্মকর্তাকে নিয়ে এ সকল সংবাদ তারই ধারাবাহিকতা। সংবাদ প্রকাশের পর কোনো কোনো মহল এবং সংগঠন যে ভাষায় প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করছেন তা স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিপন্থি। আমরা বলতে চাই, সব তথ্যই গণমাধ্যমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু সাংবাদিকদের বড় কাজটি হচ্ছে বিভিন্ন বিষয়ে অনুসন্ধানী সংবাদ পরিবেশন করা। সাংবাদিকরা অনুসন্ধান করে তথ্য উপাত্ত বের করে থাকেন এবং পেশাদারিত্বের সঙ্গে প্রকাশ করেন। ইতোমধ্যে এ ধরনের কিছু তথ্যভিত্তিক খবর বিভিন্ন পত্রিকা এবং টেলিভিশনে প্রকাশিত হয়েছে।

ডিআরইউ নেতারা বলেন, বাধা বিপত্তির মুখেও সাংবাদিক সমাজ তাদের পেশাগত দায়িত্ব পালন করে যাবেন। স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ বিঘ্নিত হয় এমন বক্তব্য প্রদান থেকে সবাইকে বিরত থাকার আহ্বান জানায় ডিআরইউ। কারণ মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার অধিকার বাংলাদেশের সংবিধানেই স্বীকৃত।

পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন   বিবৃতি   দুর্নীতি   ডিআরইউ  


মন্তব্য করুন


প্রেস ইনসাইড

পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের বিবৃতিতে বিএফইউজে ও ডিইউজের উদ্বেগ

প্রকাশ: ০৫:২৫ পিএম, ২২ জুন, ২০২৪


Thumbnail

সম্প্রতি সাংবাদিকতা নিয়ে পুলিশ সার্ভিস এসোসিয়েশনের বিবৃতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে)।

শনিবার (২২ জুন) বিএফইউজে’র থেকে দেয়া বিবৃতিতে এই উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।

বিএফইউজে’র সভাপতি ওমর ফারুক, মহাসচিব দীপ আজাদ ও ডিইউজের সভাপতি সোহেল হায়দার চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক আকতার হোসেন বিবৃতিতে বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে দেশের কিছু ক্ষমতাধর বর্তমান ও সাবেক সরকারি কর্মকর্তাদের বিপুল ও অস্বাভাবিক সম্পদের বিবরণ সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।

কোন বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে নয়, দায়িত্বশীল সাংবাদিকরা প্রাপ্ত তথ্য, দলিল যাচাই বাছাই করে, প্রমাণযোগ্য বিষয়গুলোই প্রকাশ করছেন বলে আমরা বিশ্বাস করি। কিন্তু এ সকল সংবাদ প্রকাশের পর কোন কোন নেতা এবং কোন কোন সংগঠন যে ভাষায় প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করছেন তা স্বাধীন সাংবাদিকতার প্রতি হুমকি বলে আমরা মনে করি।

সাংবাদিক নেতারা বলেন, আমরা স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই, সরকারি বিবৃতি, ভাষ্য, ওয়েব সাইটে প্রকাশিত তথ্য বা সাংবাদিক সম্মেলনে পাওয়া সব তথ্যই গুরুত্বপূর্ণ। এই তথ্য থেকেই সাংবাদিকরা সংবাদ তৈরি করেন। কিন্তু সাংবাদিকদের বড় কাজটি হচ্ছে, প্রভাবশালীরা যে তথ্য গোপন রাখতে চান তা অনুসন্ধান করে বের করা এবং পেশাদারিত্বের সাথে জনগণকে বিস্তারিত জানানো। আশার কথা, ইতোমধ্যে প্রভাবশালী মহল সম্পর্কে কিছু তথ্যভিত্তিক খবর প্রকাশিত হয়েছে।

যৌথ বিবৃতিতে তারা বলেন, আমরা এতে কারো উত্তেজিত হওয়ার কোনো কারণ দেখছি না। এ ক্ষেত্রে যারা এসব খবর প্রকাশ করেছেন তাদের দায়িত্ব এ সকল বিষয় প্রমাণ করা এবং যাঁদের নামে প্রকাশিত হয়েছে তাদের কাজ হচ্ছে প্রকাশিত তথ্যগুলো সঠিক নয় তা প্রমাণ করা। এ ক্ষেত্রে সরকার ও সংশ্লিষ্ট মহলের দায়িত্ব প্রকাশিত তথ্য নিয়ে তদন্ত করা এবং দোষীদের শান্তি নিশ্চিত করা। এসকল বিষয় নিয়ে পারস্পরিক দোষারোপ করা কোন শোভন কাজ নয়। তারপরও কেউ সংক্ষুব্ধ হলে প্রেস কাউন্সিলে যেতে পারেন। কোন কর্মকর্তা দুর্নীতি করে থাকলে এটি তার ব্যক্তিগত বিষয়, কোনো বাহিনীর বিষয় নয়।

বিবৃতিতে নেতারা উল্লেখ করেন, বিএফইউজে ও ডিইউজে স্পষ্টভাবে জানাতে চায়, শত হুমকি ও ধমকের মুখেও প্রামাণিক তথ্যের ভিত্তিতে সাংবাদিক সমাজ তাদের পেশাগত দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখবেন। সংশিষ্ট সব মহল স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ বিঘ্নিত হয় এমন বক্তব্য প্রদান থেকে বিরত থাকবেন। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার অধিকার সংবিধানেই স্বীকৃত।

পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন   বিবৃতি   বিএফইউজ   ডিইউজ  


মন্তব্য করুন


প্রেস ইনসাইড

চাটমোহর উপজেলা প্রেসক্লাবের নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা

প্রকাশ: ০৫:২৯ পিএম, ০৩ জুন, ২০২৪


Thumbnail

পাবনার চাটমোহর প্রেসক্লাবের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন আগামী ২৯ জুন (শনিবার) অনুষ্ঠিত হবে। লক্ষ্যে নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। রোববার (০২ জুন) বিকেলে প্রেসক্লাব চত্বরে এক অনুষ্ঠানে তফসিল ঘোষণা করেন চাটমোহর প্রেসক্লাব নির্বাচনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার এম জিন্নাহ।

সময় প্রেসক্লাব নির্বাচন কমিশনের সদস্য বিপ্লব আচার্য্য, জাহাঙ্গীর আলম মধু, জ্যৈষ্ঠ সাংবাদিক আব্দুল মান্নান পলাশ, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি রকিবুর রহমান টুকুন, হেলালুর রহমান জুয়েল, সাবেক সহ-সভাপতি ইশারত আলীসহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ জুন, খসড়া ভোটার তালিকা আপত্তি গ্রহণ নিরসন জুন, চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ জুন, মনোনয়নপত্র উত্তোলন জমা জুন থেকে ১১ জুন, মনোনয়নপত্র বাছাই ১২ জুন, মনোনয়নপত্র আপত্তি নিরসন ১৪ জুন, মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার ১৯ জুন, চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ২১ জুন এবং নির্বাচন ২৯ জুন।

নির্বাচনে ৯টি পদে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। পদগুলো হলো সভাপতি, সহ-সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, সহ-সাধারণ সম্পাদক, অর্থ সম্পাদক, দপ্তর সম্পাদক, প্রচার সম্পাদক, সাহিত্য প্রকাশনা সম্পাদক এবং কার্যকরী সদস্য।

উল্লেখ্য, ১৯৯০ সালে চাটমোহর প্রেসক্লাবের যাত্রা শুরু হয়।


প্রেসক্লাব   নির্বাচন   তফসিল   কমিটি  


মন্তব্য করুন


প্রেস ইনসাইড

মুকসুদপুর প্রেসক্লাবের নতুন কমিটি ঘোষণা

প্রকাশ: ০৬:০৩ পিএম, ০২ জুন, ২০২৪


Thumbnail

গোপালগঞ্জ এর মুকসুদপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী সাংবাদিক সংগঠন মুকসুদপুর প্রেস ক্লাবের ২০২৪-২০২৬ মেয়াদের নতুন কার্যকরি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

শনিবার (১ জুন) রাতে মুকসুদপুর প্রেসক্লাব ভবনে অনুষ্ঠিত এক সমাবেশে ক্লাবের উপস্থিত সদস্যদের কণ্ঠভোটে এই নতুন কমিটি গঠন করা হয়।কমিটিতে দৈনিক নবরাজ প্রতিনিধি হুজ্জাত হোসেন লিটুকে সভাপতি এবং মুকসুদপুর সংবাদ সম্পাদক হায়দার হোসেনকে সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়। 

২১সদস্য বিশিষ্ট এই কার্যকরি কমিটিতে দৈনিক যায়যায়দিনের মোহাম্মদ ছিরু মিয়া, দৈনিক আমার সংবাদ এর সরদার মজিবুর রহমান সহ-সভাপতি এবং দৈনিক ভোরের কাগজ এর কাজী ওহিদুল ইসলাম এবং দৈনিক নবরাজ এর হাদীউজ্জামান হাদী এবং দৈনিক বাঙ্গালীর কণ্ঠ এর শরীফুল রোমান যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। এছাড়া দৈনিক ঢাকা প্রতিদিন এর হাফিজুর রহমান লেবু সাংগঠনিক সম্পাদক, দৈনিক আমাদের সময় এর দেলোয়ার হোসেন দপ্তর সম্পাদক, দৈনিক ভোরের পাতা’র হুসাইন কবির প্রচার সম্পাদক, দৈনিক মাতৃভুমি’র লুৎফর রহমান মোল্যা অর্থ সম্পাদক, সিএনএন বাংলা টিভি’র  সামচুল আরেফিন মুক্তা তথ্য প্রযুক্তি সম্পাদক, মুকসুদপুর সংবাদের কামরুজ্জামান কামাল ক্রীড়া সম্পাদক, দৈনিক গণজাগরন রবিউল খন্দকার ধর্ম সম্পাদক নির্বাচিত হন।

এছাড়াও নির্বাহী সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন সময় এর তৌহিদুল হক বকুল, বাংলার নয়ন এর মহিউদ্দীন আহম্মেদ মুক্ত, বঙ্গটিভি সাব্বির মিয়া, দৈনিক জনকণ্ঠ এর মেহের মামুন, দৈনিক কালেরকণ্ঠ এর পরেশ বিশ্বাস এবং মধুমতি কণ্ঠ এর আবুবক্কর মিয়া নির্বাচিত হয়েছেন।

এর আগে সন্ধ্যায় মুকসুদপুর প্রথম অধিবেশনে বার্ষিক সাধারণ সভায় মোহাম্মদ ছিরু মিয়ার সভাপতিত্বে ওই সভায় পুরোনো কমিটি বিলুপ্ত করে দেওয়া হয়।

২য় অধিবেশনে প্রবীণ সদস্য তৌহিদুল হক বকুলের সভাপতিত্বে উম্মুক্ত এবং প্রকাশ্য কণ্ঠভোটে আগামী ২ বছরের জন্য কার্যকরি কমিটি গঠন করা হয়।


প্রেসক্লাব   নতুন কমিটি  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন