প্রেস ইনসাইড

সাংবাদিকদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০২:৫২ পিএম, ২১ অক্টোবর, ২০২১


Thumbnail

জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট (এনআইএমসি) এবং বাংলাদেশ ইন্টারনেট গভর্নেন্স ফোরাম (বিআইজিএফ) যৌথভাবে এনআইএমসি প্রশিক্ষণ কক্ষে ইন্টারনেট গভর্নেন্স, ডিজিটাল সেইফটি এন্ড সিকিউরিটি, ফ্যাক্ট-চেকিং এবং ভেরিফিকেশন কৌশল বিষয়ে সাংবাদিকদের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য আয়োজিত প্রশিক্ষণ কর্মশালা গত ১৯ অক্টোবর (মঙ্গলবার) অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক জনাব শাহিন ইসলাম, এনডিসি।প্রশিক্ষণের গুরুত্ব উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের দৃষ্টিভঙ্গি, প্রেক্ষাপট এবং প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তনের সাথে নিজেদের অভিযোজনের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করেন। বর্তমান প্রেক্ষাপটে সাংবাদিকতায় ফ্যাক্ট-চেকিং এবং ভেরিফিকেশন কৌশল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত ভুল তথ্যের মোকাবেলার জন্য তথ্য যাচাইকরণ এবং সোশ্যাল মিডিয়ার নিবিড় পর্যবেক্ষণ অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।

তিনি আরও বলেন, প্রশিক্ষণের আয়োজকের অংশ হতে পেরে আমরা অত্যন্ত খুশি। অংশগ্রহণকারীরা সাংবাদিকতায় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক যোগাযোগ বৃদ্ধির মাধ্যমের পাশাপাশি ভুল তথ্য, মিথ্যা তথ্য বা অপতথ্য, প্রতিবেদনে উপস্থাপিত ভুল তথ্য প্রতিরোধের গুরুত্ব এবং কৌশল সম্পর্কে সম্যক ধারণা পাবার সুযোগ আছে। ভুল তথ্য, মিথ্যা তথ্য বা অপতথ্য, প্রতিবেদনে উপস্থাপিত ভুল তথ্য মোকাবেলার জন্য আজকাল সত্য-যাচাই করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ডিজিটাল বাংলাদেশকে ত্বরান্বিত করার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। প্রশিক্ষণটি ডিজিটাল নিরাপত্তা এবং তথ্যের সত্যতা যাচাই, এবং ভেরিফিকেশন কৌশল সম্পর্কে জানার সুযোগ তৈরি করবে।

প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীদের স্বাগত জানিয়ে জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের প্রোগ্রাম কোঅর্ডিনেটর এবং পরিচালক (প্রশিক্ষণ ও প্রকৌশল) জনাব মো. নজরুল ইসলাম বলেন, এনআইএমসি সারাদেশে সাংবাদিকদের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য কাজ করছে। কিন্তু চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের যুগে সাংবাদিকগণ কিভাবে ইন্টারনেট এবং আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে নিজ নিজ প্রতিবেদন তৈরি করবে তা নিয়ে ভাবা উচিত। কোভিড-১৯ মহামারি সময় আমরা নতুন স্বাভাবিক পরিস্থিতির সাথে পরিচিত হয়েছি। আমরা অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে প্রশিক্ষণের আয়োজন করেছি। ডিজিটাইজেশন আমাদের নতুন প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করার সুযোগ করে দিয়েছে এবং সাংবাদিকতার অনেক নতুন বিষয় জানতে সাহায্য করছে। এই ধরনের প্রশিক্ষণ আয়োজন আমাদের জন্য প্রথম। আমরা ভবিষ্যতেও এ বিষয়ে প্রশিক্ষণে বিআইজএফ এর সাথে কাজ করতে আগ্রহী।

বিআইজিএফ-এর সেক্রেটারি জেনারেল জনাব মোহাম্মদ আবদুল হক অনু বলেন, বিআইজিএফ ইন্টারনেট গভর্নেন্স ফোরামের (ইউএনআইজিএফ) সঙ্গে এক সাথে যাত্রা শুরু করে। বিআইজিএফ, ইন্টারনেট গভর্নেন্স নিয়ে কাজ করার জন্য একটি বহুমাত্রিক অংশীজনদের প্ল্যাটফর্ম। এর লক্ষ্য হল নতুন প্রজন্মকে ইন্টারনেট গভর্নেন্স ও টেকসই ভবিষ্যতের জন্য গঠনমূলক অংশগ্রহণ এবং ক্ষমতায়নের জন্য অনুপ্রাণিত করা। বিআইজিএফ সরকারের সাথে এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নীতি পরিবর্তনসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিভিন্ন সংলাপ, আলোচনা সভা আয়োজন করে ডিজিটাল বাংলাদেশের কার্যক্রমকে ত্বরান্বিত করার জন্য সরকারের সাথে কাজ করছে।

কর্মশালায় প্রশিক্ষক হিসেবে ছিলেন- এম এইচ মাসুম, ফেলো, এশিয়া প্যাসিফিক রিজিওনাল ইন্টারনেট গভর্নেন্স ফোরাম (এপিআরআইজিএফ) এপিআইজিএ ও মার্কেটিং প্রমোশন কোঅর্ডিনেটর ফাইবার এট হোম লিমিটেড, বিএনএনআরসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও মিডিয়া ইন দ্য ফোর্থ ইন্ডাস্ট্রিয়াল রেভোলিউশন এর পলিসি রিসার্চ ফেলো এ এইচ এম বজলুর রহমান, বাংলাভিশন এর সিনিয়র নিউজ এডিটর আবু রুশদ মোঃ রুহুল আমিন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ এর সহকারি অধ্যাপক মিনহাজ উদ্দিন।

অনলাইনে কর্মরত সাংবাদিকদের সক্ষমতা বৃদ্ধি করা বিশেষ করে আধুনিক ফ্যাক্ট চেকিংয়ের মাধ্যমে নির্ভরযোগ্য প্রতিবেদন তৈরি করা এবং ইন্টারনেট গভর্নেন্স, ডিজিটাল নিরাপত্তা এবং কিভাবে ডিজিটাল হুমকি থেকে সাংবাদিকদের রক্ষা করা যায় সেগুলো নিয়ে আলোচনা করা এবং দক্ষতা অর্জনের জন্য উৎসাহিত করাই ছিল কর্মশালার উদ্দেশ্য। ৮ বিভাগের মোট ২৪ জন সাংবাদিক এই প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেন। অংশগ্রহণকারীদের সার্টিফিকেট বিতরণের মধ্যদিয়ে প্রশিক্ষণ শেষ হয়। উদ্বোধনী ও সমাপনী অধিবেশন পরিচালনা করেন জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের মোঃ আব্দুস সালাম এবং মোঃ সোহেল পারভেজ।



মন্তব্য করুন


প্রেস ইনসাইড

শুধু ভুলত্রুটি নয়, জাতির অর্জনের চিত্র ঠিকভাবে প্রকাশ গণমাধ্যমের দায়িত্ব: তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৬:১৫ পিএম, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail শুধু ভুলত্রুটি নয়, জাতির অর্জনের চিত্র ঠিকভাবে প্রকাশ গণমাধ্যমের দায়িত্ব: তথ্যমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, উন্নয়ন-অগ্রগতি এবং একইসাথে ভুলত্রুটি দু’টিই তুলে ধরা গণমাধ্যমের দায়িত্ব। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে সেটি না হয়ে একপেশে হয়ে যায়। সেটি দেশ ও সমাজকে উপকৃত করে না। যখন জাতির কোনো অর্জন হয়, সেই অর্জনের চিত্রটি যেন সঠিকভাবে প্রকাশিত হয় তা লক্ষ্য রাখা গণমাধ্যমের দায়িত্ব।

বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর তোপখানা রোডে জাতীয় প্রেসক্লাবে দৈনিক নতুন আশা পত্রিকা নবআঙ্গিকে উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ সব কথা বলেন। সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও দৈনিক নতুন আশা পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক অধ্যক্ষ রওশন আরা মান্নান এমপির সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে গাজী মোহাম্মদ শাহনওয়াজ এমপি, আহসান আদেলুর রহমান এমপি, বেগম অপরাজিতা হক এমপি,  জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ফিরোজ আলম মিলন এবং পত্রিকার ব্যবস্থাপনা সম্পাদক অধ্যাপক মোমেনা মান্নান সভায় বক্তব্য দেন। 

ড. হাছান বলেন, করোনা মহামারির মধ্যে আইএমএফের প্রাক্কলন অনুযায়ী ২০২১ সালে আমরা মাথাপিছু আয়ের ক্ষেত্রে ভারতকে ছাড়িয়েছি, পাকিস্তানকে ছাড়িয়েছি বহু আগেই। সেই রিপোর্ট যখন বিশ্ব গণমাধ্যম তথা ভারত ও  পাকিস্তানের গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলো, সেখানে শেখ হাসিনার নেতৃত্ব নিয়ে আলোচনা আর সেখানকার নেতৃত্ব নিয়ে সমালোচনার ঝড় বয়ে গেল। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, আমাদের নিজেদের দেশে প্রশংসার ঝড় বয়ে যায়নি। এই দায়িত্ব গণমাধ্যমের, কিন্তু সেটি হয়নি। 

আমাদের নারী ফুটবল দল, ক্রিকেট দল, যুবদলগুলো যেভাবে বিশ্বের বিভিন্ন পর্যায়ে শিরোপা অর্জন করেছে এগুলোর পেছনে সরকারের অবদানের কথা স্মরণ করিয়ে দেন তথ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, আজকে আমাদের দেশ থেকে নানা পণ্য বিদেশে রপ্তানি হয়। সে জন্য যে বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি, অবকাঠামো, নীতি, প্রণোদনা লাগে সরকারই সেগুলো যোগায়। আমার অনুরোধ, যখন জাতির কোনো অর্জন হয়, সেই অর্জনের চিত্রটা যেন গণমাধ্যমে সঠিকভাবে প্রকাশিত হয়।

হাছান মাহমুদ বলেন, কোনো কোনো প্রচার মাধ্যম কিংবা টেলিভিশনেও দেখা যায় যে, অনেক সময় ছোট বিষয়কে বড় করে দেখানো হয় কিন্তু অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় দেখানো হয় না। আবার সরকারের অনেক অর্জন ছাপা হয় তৃতীয় পাতায় আর ভুলত্রুটি স্থান পায় প্রথম পাতায়। সেটি দেশ ও সমাজকে উপকৃত করে না। এজন্য সবার সচেতন থাকা দরকার। মানুষের কাছে শুধু হতাশার চিত্র উপস্থাপন করা হলে জাতি হতাশ হবে। সে ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়া সম্ভবপর নয় যা আশাবাদী হলে সম্ভব। 

নতুন আঙ্গিকে প্রকাশিত নতুন আশা পত্রিকা মানুষের মধ্যে আশা জাগাবে, শুধুমাত্র হতাশার চিত্র তুলে ধরবে না আশা ব্যক্ত করে ড. হাছান বলেন, ‘আমাদের সরকার গণমাধ্যমবান্ধব সরকার। জননেত্রী শেখ হাসিনা মনে করেন, গণমাধ্যমের বিকাশের মাধ্যমে বহুমাত্রিক গণতান্ত্রিক সমাজের ভিত মজবুত হয়, সে কারণে গণমাধ্যমের বিকাশের স্বার্থে যা কিছু করা দরকার আমাদের সরকার করছে।’ তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরে মন্ত্রী হাছান বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০৯ সালে সরকার গঠনের সময় দেশে দৈনিক পত্রিকা ছিল সাড়ে ৪শ’, আজকে সেটি সাড়ে ১২শ’র উপরে। বেসরকারি টেলিভিশনের যাত্রাও শুরু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ১৯৯৬ সালে। ২০০৯ সালে আবার তিনি সরকার গঠনের সময় বেসরকারি টিভি ছিল ১০টি। আজকে ৪৬টি লাইসেন্স দেওয়া আছে। অনলাইন পত্রিকা রেজিস্ট্রেশনের জন্য ৫ হাজার আবেদন পড়েছে। আগে হাতেগোনা কয়েকটি ছিল। এভাবে গত প্রায় চৌদ্দ বছরে গণমাধ্যমের ব্যাপক বিকাশ ঘটেছে।

শুধুমাত্র গণমাধ্যমের বিকাশই নয়, সাংবাদিকদের জন্য তার গঠিত কল্যাণ ট্রাস্ট আজকে সমগ্র দেশের সাংবাদিকদের একটি ভরসার জায়গা হয়ে দাঁড়িয়েছে উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, কোনো সাংবাদিক মৃত্যুবরণ করলে ৩ লাখ টাকা পান, অসুস্থ হলে অনুদান পান। ট্রাস্ট থেকে অসচ্ছল সাংবাদিকদের ছেলেমেয়েরা যাতে পড়াশোনার জন্য সহায়তা পায়, আমরা সেই ব্যবস্থা করতে যাচ্ছি। করোনার তীব্র প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ঢেউয়ের সময় উপমহাদেশে সাংবাদিকরা শুধু মৃত্যুবরণ করলে ভারতে সহায়তা দেয়া হয়েছে। আমাদের দেশে আমরা হাজার হাজার সাংবাদিককে করোনাকলীন এককালীন সহায়তা দিয়েছি, এখনও তা চলমান।

আমরা যে জাতীয় প্রেসক্লাবে বসে আজকে কথা বলছি এই জায়গাটিও প্রধানমন্ত্রীর  পিতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিনামূল্যে বরাদ্দ দিয়েছিলেন স্মরণ করিয়ে সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী জাতীয় প্রেসক্লাবের ২১ তলা ভবন নির্মাণের জন্য ইতিমধ্যেই নির্দেশনা দিয়েছেন এবং প্রাথমিক নকশাও চূড়ান্ত করেছেন। এভাবে গণমাধ্যমের বিকাশে আমাদের সরকার নানাবিধ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।


মন্তব্য করুন


প্রেস ইনসাইড

পটুয়াখালীতে সাংবাদিকের ওপর সন্ত্রাসী হামলা

প্রকাশ: ০৮:৪২ এএম, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail পটুয়াখালীতে সাংবাদিকের ওপর সন্ত্রাসী হামলা

পটুয়াখালীর সিনিয়র সাংবাদিক এবং নিউজ টোয়েন্টিফোর, বাংলাদেশ প্রতিদিন ও বিডিনিউজের জেলা প্রতিনিধি সঞ্জয় দাস লিটুর উপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে।

মঙ্গলবার (২০ সেপ্টেম্বর) রাতে পটুয়াখালী ব্রিজের উত্তরপাড় শিয়ালীবাজারে ঢাকা থেকে পটুয়াখালীর উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া মেঘনা পরিবহনের বাসে  এ হামলার ঘটনা ঘটে। 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঢাকায় একটি কর্মসূচি শেষে মঙ্গলবার বিকালে লিটু মেঘনা পরিবহনের একটি বাসে পটুয়াখালী রওনা হন। এ সময় একজন সন্ত্রাসী তাকে অনুসরণ করে এবং পটুয়াখালীর কাছাকাছি পৌঁছালে তার ওপর হামলা করে পালিয়ে যায়। পরে বরগুনার একজন সাংবাদিক তাকে উদ্ধার করে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।

সাংবাদিক লিটুর ওপর হামলার নিন্দা জানিয়েছেন পটুয়াখালী জেলায় কর্মরত গণমাধ্যমকর্মীরা। তারা অবিলম্বে হামলায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িতদের খুঁজে বের করে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান জানায় , আমরা আহত সাংবাদিকের খোঁজ-খবর নিয়েছি। হাসপাতালে ফোর্সসহ আমি তার কথা শুনেছি। প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে আমরা আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ ও ঘটনার সাথে জড়িতদের খুঁজে বের করতে কাজ শুরু করেছি।

পটুয়াখালী   সাংবাদিক   সন্ত্রাসী হামলা  


মন্তব্য করুন


প্রেস ইনসাইড

অনেক ব্যবধানে বাংলাদেশ প্রতিদিন সর্বাধিক প্রচারিত দৈনিক

প্রকাশ: ০৮:১১ পিএম, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail অনেক ব্যবধানে বাংলাদেশ প্রতিদিন সর্বাধিক প্রচারিত দৈনিক

বর্তমানে সারাদেশে সর্বাধিক প্রচারিত দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন। বাংলাদেশ প্রতিদিনের প্রচার সংখ্যা ৫ লাখ ২১ হাজার ২১১টি। ২য় অবস্থানে থাকা প্রথম আলোর প্রচার সংখ্যা ৩ লাখ ২১ হাজার ৮৪১টি। হিসেব অনুযায়ী বাংলাদেশ প্রতিদিন প্রায় ২ লাখ কপি বেশি প্রচারিত হয়।

গত বৃহস্পতিবার (৮ সেপ্টেম্বর) চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর থেকে প্রকাশিত তথ্য এটি জানানো হয়।

চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছে যুগান্তর যেটির প্রচার সংখ্যা ২ লাখ ৯০ হাজার ২৫০টি। চতুর্থ স্থানে রয়েছে আমাদের সময়, ইত্তেফাক এবং জনকণ্ঠ যেগুলোর প্রচার সংখ্যা ২ লাখ ৯০ হাজার ২০০টি। পঞ্চম স্থানে রয়েছে কালের কণ্ঠ এবং সংবাদ যেগুলোর প্রচার সংখ্যা ২ লাখ ০১ হাজার ১০০টি।



মন্তব্য করুন


প্রেস ইনসাইড

সাংবাদিককে হুমকি ও জিডির ঘটনায় ডিইউজে-ডিআরউর উদ্বেগ-নিন্দা

প্রকাশ: ০৪:০২ পিএম, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail

সংবাদ প্রকাশের জেরে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সদস্য ও রাইজিংবিডির সিনিয়র রিপোর্টার মো. রাহাত মিয়া (রাহাত সাইফুল) এর বিরুদ্ধে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে), ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) ও বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতি (বাচসাস)। 

শনিবার ডিইউজের সভাপতি সোহেল হায়দার চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক আকতার হোসেন এক বিবৃতিতে অবিলম্বে এ ধরণের উদ্দেশ্যে প্রণোদিত সাধারণ ডায়েরি প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, সংবাদ প্রকাশ করা একজন সাংবাদিকের পেশাগত দায়িত্ব। সে দায়িত্ব পালনে যে কোনো ঘটনা একজন সাংবাদিক তুলে ধরতে পারেন। হুমকি-ধামকি দিয়ে সাংবাদিককে তার পেশাগত দায়িত্ব পালন থেকে বিরত রাখা যাবে না।

নেতৃবৃন্দ উদ্দেশ্যে প্রণোদিত হয়ে সাংবাদিক রাহাত সাইফুলের বিরুদ্ধে যে সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে তা অবিলম্বে প্রত্যাহারে দাবি জানান।

এদিকে একই দিনে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি’র (ডিআরইউ) সদস্য ও রাইজিংবিডির সিনিয়র রিপোর্টার মো: রাহাত মিয়া (রাহাত সাইফুল) এর বিরুদ্ধে সাধারণ ডায়েরি করায় উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছে ডিআরইউ। 

১০ সেপ্টেম্বর, ২০২২ শনিবার এক বিবৃতিতে ডিআরইউ সভাপতি নজরুল ইসলাম মিঠু ও সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম হাসিব অবিলম্বে এই সাধারণ ডায়েরি প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন। 

ডিআরইউ নেতৃবৃন্দ এ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে এ ধরণের জিডি কোনভাবেই কাম্য নয়। দ্রুত এ সাধারণ ডায়েরি প্রত্যাহারেরও দাবি জানান তারা। 

উল্লেখ্য, সম্প্রতি 'ভাইয়ারে' নামের সিনেমা মুক্তি পায়। মুক্তির পর অভিনয় শিল্পী রাসেল মিয়া গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে সিনেমাটিকে ‘পাপমুক্ত সিনেমা’ দাবি করেন। এর মধ্যেই রাসেল মিয়ার শুটিংয়ের দুটি স্থিরচিত্র প্রকাশ্যে আসে। এগুলো নাটকের দৃশ্য এবং তিনি নিজেই সামাজিক মাধ্যমে আপলোড করেছেন বলে দাবি করেন। এ নিয়ে গত ৬ সেপ্টেম্বর “পাপমুক্ত সিনেমা’ বলা শিল্পীর শুটিংয়ের দৃশ্য প্রকাশ্যে” শিরোনামে রাইজিং বিডিতে একটি খরব প্রকাশ হয়। সংবাদ প্রকাশের সূত্র ধরে রাজধানীর শাহাবাগ থানায় সাধারণ ডায়েরিও করেন রাসেল মিয়া। 

এছাড়াও একজন বাউল শিল্পীর নামে মামলা এবং সাজাপ্রাপ্ত যুদ্ধাপরাধীর মুক্তির দাবি করে তার বক্তব্য নতুন বিতর্কের সৃষ্টি করে। সেই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, নারীর প্রতি সহিংসতা উসকে দেয় এমন দৃশ্যে অভিনয় করার।


ডিইউজে   ডিআরউ   সাংবাদিক  


মন্তব্য করুন


প্রেস ইনসাইড

অমিত হাবিবের নিবেদিতপ্রাণ সাংবাদিকতা স্মরণীয় হয়ে থাকবে: তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৭:৫৫ পিএম, ০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail অমিত হাবিবের নিবেদিতপ্রাণ সাংবাদিকতা স্মরণীয় হয়ে থাকবে: তথ্যমন্ত্রী

প্রয়াত সাংবাদিক অমিত হাবিবের আদর্শ ও নিবেদিতপ্রাণ সাংবাদিকতা দেশের গণমাধ্যমের পাতায় স্মরণীয় হয়ে থাকবে বলেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ। 

শনিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমির চিত্রশালা মিলনায়তনে দৈনিক দেশ রূপান্তরের সদ্যপ্রয়াত প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক অমিত হাবিব স্মরণে 'অসীমে অমিত' সভায় তিনি একথা বলেন। আগত অতিথিরা সভায় এক মিনিট নিরবতা পালনের সময় 'অসীমে অমিত' স্মারক প্রকাশনাটি হাতে তুলে ধরেন।  

তথ্যমন্ত্রী বলেন, 'প্রতিটি মানুষের জীবনের একটা গল্প থাকে। রাস্তার ধারে বিড়বিড় করে চলা পাগল বলে আখ্যায়িত মানুষেরও বেদনার গল্প থাকে। যেদিকে সমাজ-রাষ্ট্র তাকানোর ফুরসৎ পায় না, সেই সব গল্প তুলে এনে যে সাংবাদিকরা আমাদের দৃষ্টি খুলে দেয়, অমিত হাবিব শুধু তাদেরই একজন নন, তিনি ছিলেন তেমন সাংবাদিক তৈরির কারিগরও।'

ড. হাছান বলেন, মানুষের জীবন বুদবুদের মতো হলেও কিছু কিছু মানুষ তাদের কর্ম দিয়ে জগত-সমাজকে সমৃদ্ধ করে যান, অমিত হাবিব তাদেরই একজন। অমিত হাবিব আমাদের সাংবাদিকতাকে সমৃদ্ধ করেছেন, সংবাদজগতের প্রেরণা ছিলেন, প্রেরণা হয়েই থাকবেন। আমরা তার আত্মার শান্তি কামনা করি।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ তার বক্তৃতায় বলেন, তরুণ সাংবাদিকরা অমিত হাবিবের কর্মনিষ্ঠার পদাঙ্ক অনুসরণ করলে সাংবাদিক জগত আরো সমৃদ্ধ হবে। 

বিশিষ্ট নাট্যজন মামুনুর রশীদ, চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদফতরের মহাপরিচালক স. ম. গোলাম কিবরিয়া, সাংবাদিকনেতা মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক সুকান্ত গুপ্ত অলক, দেশ রূপান্তরের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মোস্তফা মামুন, প্রকাশক মাহির আলী খাঁন রাতুল, অমিত হাবিবের ছোটভাই ফয়জুল হক রাঙা প্রমুখ সভায় অমিতের স্মৃতিচারণ করেন। 

১৯৬৩ সালে জন্মগ্রহণকারী ঝিনাইদহের সন্তান অমিত হাবিব ২৫ বছরের নিবেদিতপ্রাণ সাংবাদিকতার জীবন শেষে গত ২৮ জুলাই ৫৯ বছর বয়সে ধরাধাম থেকে অসীমের পথে পাড়ি দেন। ১৯৮৭ সালে খবর গ্রুপ অব পাবলিকেশন্সে একই সঙ্গে রিপোর্টার ও সাব-এডিটর হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন অমিত হাবিব। দেশ রূপান্তরের সম্পাদকের দায়িত্ব নেওয়ার আগে তিনি কালের কন্ঠ, সমকাল, যায়যায়দিন, আজকের কাগজ, ভোরের কাগজ, সাপ্তাহিক পূর্বাভাস পত্রিকায় তার কর্মদক্ষতার স্বাক্ষর রাখেন।

অমিত হাবিবের কবিতা 'একজন মানুষ আনো' দিয়ে শুরু হওয়া স্মারক প্রকাশনা 'অসীমে অমিত'র পাতায় স্থান পেয়েছে আনিসুল হক, মুন্নী সাহা, আন্দালিব রাশদী, মোস্তফা মামুন, রাজেকুজ্জামান রতন প্রমুখ লেখক ও সাংবাদিকের নিবন্ধ ও স্মৃতিকথা।

তথ্যমন্ত্রী   ড. হাছান মাহমুদ  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন