টেক ইনসাইড

প্রযুক্তির উৎকর্ষতা, লন্ডন থেকে নিউইয়র্ক যাওয়া যাবে দেড় ঘন্টায়

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৮:৪০ এএম, ১৮ অক্টোবর, ২০২১


Thumbnail

আকাশ ভ্রমণে মানুষের স্বপ্ন দিনকে দিন যেনো বড়ই হচ্ছে। মানুষ যেখানে ভ্রমণ করতে মহাকাশে পাড়ি জমাচ্ছে সেখানে সাধারণ বিমান সেবায় যদি দ্রুত গতি না আসে তবে সেটি সত্যিই বেমানান। একসময় যাত্রীবাহী বিমান পরিসেবার সবচেয়ে বড় নাম ছিলো কনকর্ড, ব্রিটেইন ও ফ্রান্সের যৌথ উদ্যোগে তৈরি এই ফ্ল্যাগ শিপ দ্রুত গতির উড়োজাহাজে চড়ে নিউইয়র্ক থেকে লন্ডন পাড়ি দিতে সময় লাগতো তিন ঘণ্টা। কিন্তু এয়ারলাইনসগুলো তাতে সন্তুষ্ট নয়। তারা চাইছে হাইপারসনিক গতির উড়োজাহাজ। এ ধরনের একটি উড়োজাহাজে নিউইয়র্ক থেকে লন্ডন পাড়ি দিতে দেড় ঘণ্টা লাগতে পারে। এই দুই শহরের দূরত্ব ৩ হাজার ৪৭০ মাইল। 

হাইপারসনিক ভ্রমণের ক্ষেত্রে উড়োজাহাজের গতি দাঁড়ায় ম্যাক ৫। লন্ডন নিউইয়র্ক এর এই পথ পাড়ি দিতে সেখানে সাধারণ যাত্রীবাহী জেট বিমানে ছয় থেকে সাত ঘণ্টা সময় লাগে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, হাইপারসনিক এই উড়োজাহাজ কি তৈরি করা করা যাবে এবং তাতে ভ্রমণ করা কি সম্ভব?

মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএন বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টাভিত্তিক উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান বা স্টার্টআপ হার্মিউসের লক্ষ্য হচ্ছে হাইপারসনিক উড়োজাহাজ তৈরি করা। তারা মনে করছে, শব্দের চেয়ে পাঁচ গুণ দ্রুতগতিতে ছুটতে পারে, এমন উড়োজাহাজ তৈরি করা সম্ভব। তারা নতুন ধরনের ইঞ্জিন নিয়ে ইতিমধ্যে পরীক্ষা–নিরীক্ষা চালিয়েছে। এই ইঞ্জিনের ম্যাক ৫ (ঘণ্টায় তিন হাজার কিলোমিটারের বেশি) পর্যন্ত পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছে। এই ইঞ্জিনের নকশা করা হয়েছে ছোট ও মনুষ্যবিহীন উড়োজাহাজের জন্য।

হার্মিউস বর্তমানে মার্কিন বিমানবাহিনীর জন্য এ ধরনের ইঞ্জিন তৈরির কাজ করছে। তাদের দাবি, ইঞ্জিনের আকার বড় করা হলেই তা যাত্রীবাহী বিমান চালাতে সক্ষম হবে।

সিএনএন বলছে, এ ধরনের হাইপারসনিক যাত্রীবাহী উড়োজাহাজের নাগাল পেতে এখনো অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে। তবে হার্মিউস আশা করছে, এই দশক শেষ হওয়ার আগেই তারা হাইপারসনিক উড়োজাহাজের পরীক্ষা শুরু করতে পারবে। তার জন্য ২০২৯ সাল পর্যন্ত লেগে যেতে পারে। ওই সময়ের মধ্যে প্রযুক্তি পুরোপুরি প্রস্তুত হয়ে যাবে। হার্মিউস বাণিজ্যিকভাবে উড়োজাহাজ তৈরির পরিকল্পনা ঠিক করে রেখেছে।

শুরুতে বর্তমান এয়ারলাইনসগুলোকে ব্যবহৃত উড়োজাহাজের চেয়ে অনেক ছোট হবে হার্মিউসের উড়োজাহাজ। এমনকি তা ১০০ যাত্রী পরিবহনে সক্ষম কনকর্ডের চেয়ে আকারে ছোট হবে। হার্মিউসের প্রধান নির্বাহী এ জে পিপলিকা বলেন, ‘উড়োজাহাজের আকার নির্ধারণ করার জন্য আমরা মূলত একটি বিমান সংস্থার জন্য ব্যবসায়িক মডেল তৈরি করেছি। আমরা ব্যবসায়ী শ্রেণি এবং প্রথম শ্রেণির ভ্রমণকারীদের ওপর গুরুত্ব দিয়েছি। এরপর আমরা গতি ও পরিচালনা ব্যয়ের বিষয়গুলোর মতো কিছু পরিমিতি নির্ধারণ করেছি। তা থেকে আমরা বুঝতে পেরেছি, এমন একটি উড়োজাহাজ প্রয়োজন, যাতে ২০ যাত্রীর একটি কেবিন থাকে।’

অর্থাৎ একটি উড়োজাহাজে কেবল একটি শ্রেণি থাকবে। পিপলিকা বলেন, ‘আমরা আশা করি, এটি আজকের ব্যবসায়িক শ্রেণির দামে লাভজনক হবে। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, পাঁচ গুণ দ্রুতগতিতে ওড়ার জন্য মানুষ কত টাকা দিতে প্রস্তুত হবে, তার হিসাব করা কঠিন।’

সিএনএন বলছে, প্লেনের পরিসীমা হবে প্রায় চার হাজার নটিক্যাল মাইল। এটি নিউইয়র্ক থেকে প্যারিসের মতো ট্রান্স অ্যাটলান্টিক পথের জন্য যথেষ্ট হবে। কিন্তু লস অ্যাঞ্জেলেস থেকে টোকিওর মতো ট্রান্স প্যাসিফিক পথের জন্য এটি যথেষ্ট নয়। এ পথে বিরতির প্রয়োজন পড়বে।

যাত্রীবাহী ম্যাক ৫ উড়োজাহাজের গতি কেমন হবে, তা বুঝতে উড়োজাহাজের গতির রেকর্ডের দিকে নজর দেওয়া যায়। এখন পর্যন্ত সবচেয়ে দ্রুতগতির উড়োজাহাজের ইঞ্জিনের গতি উঠেছিল ম্যাক ৯ দশমিক ৬ (ঘণ্টায় প্রায় ৬ হাজার ৮০০ মাইল)। নাসার এক্স-৪৩এ নামের একটি মনুষ্যহীন উড়োজাহাজে ওই গতি ওঠে। এ উড়োজাহাজের দৈর্ঘ্য ছিল ১২ ফুট।

তবে ওই ফ্লাইটের স্থায়িত্ব ছিল মাত্র কয়েক সেকেন্ড। তবে ম্যাক ৫ গতি সবচেয়ে বেশিক্ষণ ধরে রেখেছিল বোয়িং এক্স-৫১ নামের একটি মনুষ্যবিহীন পরীক্ষামূলক উড়োজাহাজ। ২০১৩ সালে ওই উড়োজাহাজটি ম্যাক ৫ দশমিক ১ (ঘণ্টায় প্রায় ৩ হাজার ৪০০ মাইল) গতিতে তিন মিনিট উড়েছিল। দুটি উড়োজাহাজকেই বি-৫২ বোম্বার নামের একটি উড়োজাহাজ থেকে নির্দিষ্ট উচ্চতা থেকে ছাড়া হয়েছিল।

যাত্রীবাহী উড়োজাহাজের ক্ষেত্রে গতির রেকর্ড হচ্ছে ম্যাক ৬ দশমিক ৭ (ঘণ্টায় ৪ হাজার ৫২০ মাইল)। এক্স-১৫ নামের একটি উড়োজাহাজ এই গতি তুলতে সক্ষম হয়। এটি ছিল মূলত একট রকেট, যার সঙ্গে আসন বসানো ছিল। রকেট ছাড়া জেট ইঞ্জিনচালিত উড়োজাহাজের ক্ষেত্রে গতির রেকর্ড সর্বোচ্চ ম্যাক ৩ দশমিক ৩, যা ১৯৭৬ সালে একটি সামরিক গোয়েন্দা বিমান এসআর-৭১ ব্ল্যাকবার্ড তুলতে সক্ষম হয়েছিল।

কনকর্ডের ক্ষেত্রে দুটি যাত্রীবাহী সুপারসনিক উড়োজাহাজের একটি বাণিজ্যিকভাবে ওড়ার সময় ম্যাক ২ দশমিক ০৪ (ঘণ্টায় ১ হাজার ৩৫০ মাইল) গতি তুলতে সক্ষম হয়।

হার্মিউসের প্রস্তাবিত উড়োজাহাজ প্রকল্প সফল হলে তা কনকর্ডের গতি সহজেই পেরিয়ে যাবে। এটি শব্দের চেয়ে পাঁচ গুণ বেশি গতিতে উড়তে সক্ষম হবে।

তাই হার্মিউসের নির্মাতারা এখন ইঞ্জিনের ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। নতুন ধরনের ইঞ্জিন নিয়ে পরীক্ষা শুরু হয়েছে গত বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে। জেনারেল ইলেকট্রিকের তৈরি ফাইটার উড়োজাহাজের মডেলের ওপর ভিত্তি করে এ ইঞ্জিন তৈরির কাজ চলছে। এটি হবে প্রচলিত দুই ধরনের প্রযুক্তির হাইব্রিড মডেল। একটি হচ্ছে প্রচলিত এয়ারলাইনসগুলোর ব্যবহৃত টার্বোজেট ও সুপারসনিক গতির জন্য ব্যবহৃত র‌্যামজেট প্রযুক্তি। শুরুতে মার্কিন বিমানবাহিনীর সঙ্গে যৌথভাবে ছয় কোটি মার্কিন ডলারের হাইপারসনিক ড্রোন কোয়ার্টারহাউসে এটি ব্যবহৃত হবে।



মন্তব্য করুন


টেক ইনসাইড

টিকটকের নতুন ক্যাম্পেইন ‘সাবধানে অনলাইনে’

প্রকাশ: ১০:৫০ এএম, ০১ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

শীর্ষস্থানীয় শর্ট ভিডিও প্ল্যাটফর্ম টিকটক বাংলাদেশের তরুণদের মধ্যে অনলাইনে নিরাপত্তা নিশ্চিতের লক্ষ্যে জাগো ফাউন্ডেশনের সঙ্গে ‘সাবধানে অনলাইনে’ নামে নতুন ক্যাম্পেইন চালু করেছে। ছয় মাসব্যাপী এই ক্যাম্পেইনের লক্ষ্য দেশের তরুণদের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করা এবং প্ল্যাটফর্মটির দায়িত্বশীল ব্যবহার নিশ্চিত করা।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হয়রানি, কেলেঙ্কারি, জালিয়াতিসহ সাইবার অপরাধের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং অনলাইন নিরাপত্তা সম্পর্কে তরুণদের আরও বেশি জানাতে, টিকটক ও জাগো ফাউন্ডেশন রাজশাজী ও রংপুর বিভাগের ১৬ জেলায় স্থানীয় সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার ও তরুণদের নিয়ে দিনব্যাপী কর্মশালা আয়োজন করবে।

কর্মশালার পাশাপাশি অনলাইন নিরাপত্তা সেশনের মাধ্যমে স্থানীয় যুব সম্প্রদায়কে তথ্যও দেওয়া হবে। এই ইন্টারেক্টিভ সেশনে ইন্টারনেটের নিরাপদ ব্যবহার, সোশ্যাল মিডিয়ার নানামুখী ব্যবহার, সাইবার বুলিং থেকে কীভাবে নিরাপদ থাকা যায় এবং যুব উন্নয়নে ইতিবাচক কনটেন্ট তৈরির গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করা হবে। সেসব জেলায় অনলাইন নিরাপত্তা সেশনের অংশ হিসেবে, অংশগ্রহণকারীদের তাদের সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইল থেকে ভিডিও কনটেন্ট তৈরি এবং শেয়ার করার দায়িত্ব দেওয়া হবে। মূলত এর মাধ্যমে সোশ্যাল মিডিয়ার ইতিবাচক নিরাপদ ব্যবহারের প্রতি উৎসাহিত করা হবে।

এই কর্মশালায় অংশ নিতে নিবন্ধন করতে ভিজিট করুন https://www.jaago.com.bd/shabdhane-online এই ওয়েবসাইটে। ক্যাম্পেইনটি ১৬ জেলা থেকে কয়েক’শ তরুণ সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার এবং কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের ক্ষমতায়ন করবে; সেই সঙ্গে প্রকল্পটির মাধ্যমে তাদের বৃহৎ পরিসরে সেগুলো প্রচার করবে।


টিকটক   ক্যাম্পেইন   অনলাইন নিরাপত্তা  


মন্তব্য করুন


টেক ইনসাইড

তথ্য চুরি করছে ভুয়া হোয়াটসঅ্যাপ

প্রকাশ: ০৮:৫১ এএম, ৩০ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

কাওকে মেসেজ করা কিংবা কল করার জন্য অত্যান্ত জনপ্রিয় অ্যাপ হোয়াটসঅ্যাপ। কিন্তু কিছু প্রতিষ্ঠান ভুয়া হোয়াটসঅ্যাপ তৈরি করে সাধারণ মানুষের তথ্য চুরি করছে। এ ব্যাপারে ইতিমধ্যে সবাইকে সতর্ক করেছে হোয়াটসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষ।

তৃতীয় পক্ষের তৈরি এই ভুয়া হোয়াটসঅ্যাপগুলো দেখতে আসল হোয়াটসঅ্যাপের মত হওয়ায় অনেকেই সেগুলো নামিয়ে ব্যবহার করেন। ফলে তাদের ইন্টারনেট পাসওয়ার্ড, ব্যাংক একাউন্ট নম্বরসহ বিভিন্ন তথ্য চুরি হয় যা চলে যায় সাইবার অপরাধীদের হাতে। অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমে চলা মুঠোফোনের পাশাপাশি আইফোনের তথ্যও চুরি করতে পারে ভুয়া হোয়াটসঅ্যাপগুলো।

হোয়াটসঅ্যাপ জানিয়েছে, ভুয়া হোয়াটসঅ্যাপগুলো ব্যবহারকারীদের অতিরিক্ত সুবিধা ব্যবহারের প্রলোভন দেখায়। ফলে অনেকেই নতুন সংস্করণ ভেবে অ্যাপগুলো নামিয়ে ব্যবহার করেন। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের তৈরি অ্যাপগুলো হোয়াটসঅ্যাপের নীতিমালা বা নিরাপত্তাব্যবস্থা সমর্থন করে না। ফলে এগুলো ব্যবহার করলে তথ্যের গোপনীয়তা ও নিরাপত্তাব্যবস্থা ঝুঁকির মধ্যে পড়ে।

ভুয়া হোয়াটসঅ্যাপ থেকে রক্ষা পেতে শুধু হোয়াটসঅ্যাপের অফিশিয়াল সংস্করণগুলো ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছে হোয়াটসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষ। ব্যবহারকারীদের মুঠোফোন থেকে ভুয়া হোয়াটসঅ্যাপগুলো দ্রুত মুছে ফেলারও অনুরোধ করেছে তারা।


ভুয়া হোয়াটসঅ্যাপ   তথ্য চুরি  


মন্তব্য করুন


টেক ইনসাইড

নিজেদের দেউলিয়া ঘোষণা করছে ক্রিপ্টো ঋণদাতা ব্লকফাই

প্রকাশ: ১২:৩৪ পিএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

ক্রিপ্টোকারেন্সি প্রতিষ্ঠান এফটিএক্স-এর পর এবার নিজেদের দেউলিয়া ঘোষণার জন্য আদালতে আবেদন করল আরেক ক্রিপ্টো ঋণদাতা সংস্থা ব্লকফাই।

আটটি সহযোগী সংস্থাকে সঙ্গে নিয়ে সোমবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির একটি আদালতে এই আবেদন করে ব্লকফাই।

ব্লকফাই এমন একটি কোম্পানি যা প্রচলিত ব্যাংকের অনুরূপ পদ্ধতিতেই কাজ করে, সঞ্চয়ের সুদ পরিশোধ করে এবং গ্রাহকের আমানত ব্যবহার করে ঋণের তহবিল দেয়।

সংস্থাটি দেউলিয়াত্বের আবেদনে জানিয়েছে, বর্তমানে তাদের হাতে ২৫৬.৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার নগদ রয়েছে। আদালতের নথি অনুসারে, এর পাওনাদারদের মধ্যে এফটিএক্সও রয়েছে। এর কাছে ২৭৫ মিলিয়ন ডলার পাওনা রয়েছে। এছাড়া ইউএস সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের কাছে পাওনা রয়েছে ৩০ মিলিয়ন ডলার।



মন্তব্য করুন


টেক ইনসাইড

ডিলিট করা ম্যাসেজ পড়া যাবে আইফোনে

প্রকাশ: ০৮:৫৪ এএম, ২৮ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

ভুলে ডিলিট করে ফেলা গুরুত্বপূর্ণ ম্যাসেজ আবারও পড়া যাবে আইফোনে। সর্বোচ্চ ৩০ দিন আগে মুছে ফেলা বার্তাগুলো উদ্ধার করে পড়া যাবে আইওএস ১৬ অপারেটিং সিস্টেমে চলা যেকোনো আইফোনে। চাইলে এসব বার্তা মেসেজ অপশনে সংরক্ষণও করা যাবে।

ডিলিট করে ফেলা ম্যাসেজ পুনরুদ্ধার করতে আইফোনের সেটিংসের জেনারেল অপশন থেকে সফটওয়্যার আপডেট নির্বাচন করতে হবে। এবার ওপরের বাঁ পাশে থাকা এডিট অপশন ট্যাপ করলেই শো রিসেন্টলি ডিলিটেড – অপশনটি দেখা যাবে। আইফোনের মডেলভেদে এ সুবিধা ফিল্টার সেকশনেও থাকতে পারে।

রিসেন্টলি ডিলিটেড অপশনে ক্লিক করলে গত ৩০ দিনের মধ্যে মুছে ফেলা সব বার্তা দেখা যাবে। বার্তাগুলো থেকে একা বা একাধিক বার্তা নির্বাচন করলেই সেগুলো আইফোনের মেসেজ অপশনে জমা হবে। মুছে ফেলার সময় দেখার সুযোগ থাকায় ব্যবহারকারীরা সহজেই প্রয়োজনীয় বার্তা খুঁজে নিতে পারবেন।


আইফোন   ডিলিট করা ম্যাসেজপুনরুদ্ধার  


মন্তব্য করুন


টেক ইনসাইড

হোয়াটসঅ্যাপ: ৪৯ কোটি ব্যবহারকারীর তথ্য চুরি, রয়েছে বাংলাদেশও

প্রকাশ: ০৯:২৬ পিএম, ২৭ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

সম্প্রতি ৪৮ কোটি ৭০ লাখেরও বেশি হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীর ফোন নম্বর চুরি হয়ে গেছে। এর মধ্যে বাংলাদেশের ৩৮ লাখ হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীর তথ্যও রয়েছে বলে জানিয়েছে, গবেষণা-ভিত্তিক অনলাইন প্রকাশনা সাইবারনিউজ।

সাইবারনিউজ লিথুনিয়াভিত্তিক একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান, যারা সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করে থাকে। প্রতিষ্ঠানটির কর্মীরা বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে যুক্ত হয়ে গবেষণায় কাজ করেন।

সাইবারনিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ১৬ নভেম্বর হ্যাকিং কমিউনিটি ফোরামে একটি বিজ্ঞাপন পোস্ট করা হয়েছে। বিজ্ঞাপনে বলা হয়, তাদের কাছে ৪৮৭ মিলিয়ন হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীর মোবাইল নম্বরের তথ্য রয়েছে। এগুলো বিশ্বের ৮৪টি দেশের হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীর বলে বিজ্ঞাপনে দাবি করা হয়।

বর্তমানে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারী ২০০ কোটি। এর মধ্যে এক চতুর্থাংশ ব্যবহারকারীর হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর সাইবার অপরাধীরা চুরি করেছে বলে সাইবারনিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

ধারণা করা হচ্ছে, যেসব হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীর ফোন নম্বর অপরাধীদের হাতে গেছে, তারা ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁসের ঝুঁকিতে রয়েছেন।

এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ৩২ মিলিয়ন, যুক্তরাজ্যের ১১ মিলিয়ন, রাশিয়ার ১০ মিলিয়ন, ইতালির ৩৫ মিলিয়ন, সৌদি আরবের ২৯ মিলিয়ন, মিশরের ৪৫ মিলিয়ন, ফ্রান্স ও তুরস্কের ২০ মিলিয়ন করে, মালয়েশিয়ার ১১ মিলিয়ন, ভারতের ৬ মিলিয়ন এবং বাংলাদেশের ৩.৮ বিলিয়ন ব্যবহারকারী রয়েছেন।

বিশ্বের এই বিপুল সংখ্যক সক্রিয় হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীর ফোন নম্বর কীভাবে ফাঁস হয়েছে, তা সাইবার নিউজের রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়নি। তবে রিপোর্টে বলা হয়েছে, সাইবার অপরাধীরা স্ক্র্যাপিং নামক একটি প্রক্রিয়ার সাহায্য নিয়ে পুরো ডেটাবেজ প্রকাশ্যে এনেছেন। এই পদ্ধতিতে বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে ডেটা সংগ্রহ করা হয়।

ফাঁস হওয়া ফোন নম্বর কাজে লাগিয়ে স্প্যাম মেইল পাঠানোর পাশাপাশি ফিশিং আক্রমণ চালাতে পারে হ্যাকাররা। শুধু তাই নয়, এর মাধ্যমে হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণও নিতে পারে। এর পাশাপাশি ব্যবহারকারীদের কার্যক্রমের ওপর নজরদারি করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

হোয়াটসঅ্যাপ  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন