টেক ইনসাইড

প্রযুক্তির উৎকর্ষতা, লন্ডন থেকে নিউইয়র্ক যাওয়া যাবে দেড় ঘন্টায়

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৮:৪০ এএম, ১৮ অক্টোবর, ২০২১


Thumbnail

আকাশ ভ্রমণে মানুষের স্বপ্ন দিনকে দিন যেনো বড়ই হচ্ছে। মানুষ যেখানে ভ্রমণ করতে মহাকাশে পাড়ি জমাচ্ছে সেখানে সাধারণ বিমান সেবায় যদি দ্রুত গতি না আসে তবে সেটি সত্যিই বেমানান। একসময় যাত্রীবাহী বিমান পরিসেবার সবচেয়ে বড় নাম ছিলো কনকর্ড, ব্রিটেইন ও ফ্রান্সের যৌথ উদ্যোগে তৈরি এই ফ্ল্যাগ শিপ দ্রুত গতির উড়োজাহাজে চড়ে নিউইয়র্ক থেকে লন্ডন পাড়ি দিতে সময় লাগতো তিন ঘণ্টা। কিন্তু এয়ারলাইনসগুলো তাতে সন্তুষ্ট নয়। তারা চাইছে হাইপারসনিক গতির উড়োজাহাজ। এ ধরনের একটি উড়োজাহাজে নিউইয়র্ক থেকে লন্ডন পাড়ি দিতে দেড় ঘণ্টা লাগতে পারে। এই দুই শহরের দূরত্ব ৩ হাজার ৪৭০ মাইল। 

হাইপারসনিক ভ্রমণের ক্ষেত্রে উড়োজাহাজের গতি দাঁড়ায় ম্যাক ৫। লন্ডন নিউইয়র্ক এর এই পথ পাড়ি দিতে সেখানে সাধারণ যাত্রীবাহী জেট বিমানে ছয় থেকে সাত ঘণ্টা সময় লাগে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, হাইপারসনিক এই উড়োজাহাজ কি তৈরি করা করা যাবে এবং তাতে ভ্রমণ করা কি সম্ভব?

মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএন বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টাভিত্তিক উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান বা স্টার্টআপ হার্মিউসের লক্ষ্য হচ্ছে হাইপারসনিক উড়োজাহাজ তৈরি করা। তারা মনে করছে, শব্দের চেয়ে পাঁচ গুণ দ্রুতগতিতে ছুটতে পারে, এমন উড়োজাহাজ তৈরি করা সম্ভব। তারা নতুন ধরনের ইঞ্জিন নিয়ে ইতিমধ্যে পরীক্ষা–নিরীক্ষা চালিয়েছে। এই ইঞ্জিনের ম্যাক ৫ (ঘণ্টায় তিন হাজার কিলোমিটারের বেশি) পর্যন্ত পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছে। এই ইঞ্জিনের নকশা করা হয়েছে ছোট ও মনুষ্যবিহীন উড়োজাহাজের জন্য।

হার্মিউস বর্তমানে মার্কিন বিমানবাহিনীর জন্য এ ধরনের ইঞ্জিন তৈরির কাজ করছে। তাদের দাবি, ইঞ্জিনের আকার বড় করা হলেই তা যাত্রীবাহী বিমান চালাতে সক্ষম হবে।

সিএনএন বলছে, এ ধরনের হাইপারসনিক যাত্রীবাহী উড়োজাহাজের নাগাল পেতে এখনো অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে। তবে হার্মিউস আশা করছে, এই দশক শেষ হওয়ার আগেই তারা হাইপারসনিক উড়োজাহাজের পরীক্ষা শুরু করতে পারবে। তার জন্য ২০২৯ সাল পর্যন্ত লেগে যেতে পারে। ওই সময়ের মধ্যে প্রযুক্তি পুরোপুরি প্রস্তুত হয়ে যাবে। হার্মিউস বাণিজ্যিকভাবে উড়োজাহাজ তৈরির পরিকল্পনা ঠিক করে রেখেছে।

শুরুতে বর্তমান এয়ারলাইনসগুলোকে ব্যবহৃত উড়োজাহাজের চেয়ে অনেক ছোট হবে হার্মিউসের উড়োজাহাজ। এমনকি তা ১০০ যাত্রী পরিবহনে সক্ষম কনকর্ডের চেয়ে আকারে ছোট হবে। হার্মিউসের প্রধান নির্বাহী এ জে পিপলিকা বলেন, ‘উড়োজাহাজের আকার নির্ধারণ করার জন্য আমরা মূলত একটি বিমান সংস্থার জন্য ব্যবসায়িক মডেল তৈরি করেছি। আমরা ব্যবসায়ী শ্রেণি এবং প্রথম শ্রেণির ভ্রমণকারীদের ওপর গুরুত্ব দিয়েছি। এরপর আমরা গতি ও পরিচালনা ব্যয়ের বিষয়গুলোর মতো কিছু পরিমিতি নির্ধারণ করেছি। তা থেকে আমরা বুঝতে পেরেছি, এমন একটি উড়োজাহাজ প্রয়োজন, যাতে ২০ যাত্রীর একটি কেবিন থাকে।’

অর্থাৎ একটি উড়োজাহাজে কেবল একটি শ্রেণি থাকবে। পিপলিকা বলেন, ‘আমরা আশা করি, এটি আজকের ব্যবসায়িক শ্রেণির দামে লাভজনক হবে। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, পাঁচ গুণ দ্রুতগতিতে ওড়ার জন্য মানুষ কত টাকা দিতে প্রস্তুত হবে, তার হিসাব করা কঠিন।’

সিএনএন বলছে, প্লেনের পরিসীমা হবে প্রায় চার হাজার নটিক্যাল মাইল। এটি নিউইয়র্ক থেকে প্যারিসের মতো ট্রান্স অ্যাটলান্টিক পথের জন্য যথেষ্ট হবে। কিন্তু লস অ্যাঞ্জেলেস থেকে টোকিওর মতো ট্রান্স প্যাসিফিক পথের জন্য এটি যথেষ্ট নয়। এ পথে বিরতির প্রয়োজন পড়বে।

যাত্রীবাহী ম্যাক ৫ উড়োজাহাজের গতি কেমন হবে, তা বুঝতে উড়োজাহাজের গতির রেকর্ডের দিকে নজর দেওয়া যায়। এখন পর্যন্ত সবচেয়ে দ্রুতগতির উড়োজাহাজের ইঞ্জিনের গতি উঠেছিল ম্যাক ৯ দশমিক ৬ (ঘণ্টায় প্রায় ৬ হাজার ৮০০ মাইল)। নাসার এক্স-৪৩এ নামের একটি মনুষ্যহীন উড়োজাহাজে ওই গতি ওঠে। এ উড়োজাহাজের দৈর্ঘ্য ছিল ১২ ফুট।

তবে ওই ফ্লাইটের স্থায়িত্ব ছিল মাত্র কয়েক সেকেন্ড। তবে ম্যাক ৫ গতি সবচেয়ে বেশিক্ষণ ধরে রেখেছিল বোয়িং এক্স-৫১ নামের একটি মনুষ্যবিহীন পরীক্ষামূলক উড়োজাহাজ। ২০১৩ সালে ওই উড়োজাহাজটি ম্যাক ৫ দশমিক ১ (ঘণ্টায় প্রায় ৩ হাজার ৪০০ মাইল) গতিতে তিন মিনিট উড়েছিল। দুটি উড়োজাহাজকেই বি-৫২ বোম্বার নামের একটি উড়োজাহাজ থেকে নির্দিষ্ট উচ্চতা থেকে ছাড়া হয়েছিল।

যাত্রীবাহী উড়োজাহাজের ক্ষেত্রে গতির রেকর্ড হচ্ছে ম্যাক ৬ দশমিক ৭ (ঘণ্টায় ৪ হাজার ৫২০ মাইল)। এক্স-১৫ নামের একটি উড়োজাহাজ এই গতি তুলতে সক্ষম হয়। এটি ছিল মূলত একট রকেট, যার সঙ্গে আসন বসানো ছিল। রকেট ছাড়া জেট ইঞ্জিনচালিত উড়োজাহাজের ক্ষেত্রে গতির রেকর্ড সর্বোচ্চ ম্যাক ৩ দশমিক ৩, যা ১৯৭৬ সালে একটি সামরিক গোয়েন্দা বিমান এসআর-৭১ ব্ল্যাকবার্ড তুলতে সক্ষম হয়েছিল।

কনকর্ডের ক্ষেত্রে দুটি যাত্রীবাহী সুপারসনিক উড়োজাহাজের একটি বাণিজ্যিকভাবে ওড়ার সময় ম্যাক ২ দশমিক ০৪ (ঘণ্টায় ১ হাজার ৩৫০ মাইল) গতি তুলতে সক্ষম হয়।

হার্মিউসের প্রস্তাবিত উড়োজাহাজ প্রকল্প সফল হলে তা কনকর্ডের গতি সহজেই পেরিয়ে যাবে। এটি শব্দের চেয়ে পাঁচ গুণ বেশি গতিতে উড়তে সক্ষম হবে।

তাই হার্মিউসের নির্মাতারা এখন ইঞ্জিনের ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। নতুন ধরনের ইঞ্জিন নিয়ে পরীক্ষা শুরু হয়েছে গত বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে। জেনারেল ইলেকট্রিকের তৈরি ফাইটার উড়োজাহাজের মডেলের ওপর ভিত্তি করে এ ইঞ্জিন তৈরির কাজ চলছে। এটি হবে প্রচলিত দুই ধরনের প্রযুক্তির হাইব্রিড মডেল। একটি হচ্ছে প্রচলিত এয়ারলাইনসগুলোর ব্যবহৃত টার্বোজেট ও সুপারসনিক গতির জন্য ব্যবহৃত র‌্যামজেট প্রযুক্তি। শুরুতে মার্কিন বিমানবাহিনীর সঙ্গে যৌথভাবে ছয় কোটি মার্কিন ডলারের হাইপারসনিক ড্রোন কোয়ার্টারহাউসে এটি ব্যবহৃত হবে।



মন্তব্য করুন


টেক ইনসাইড

চরমপন্থা ঠেকাতে বাংলাদেশে বিশেষজ্ঞ নিয়োগ দিয়েছে ফেসবুক

প্রকাশ: ০৯:৩৩ পিএম, ২৭ Jun, ২০২২


Thumbnail চরমপন্থা ঠেকাতে বাংলাদেশে বিশেষজ্ঞ নিয়োগ দিয়েছে ফেসবুকে

ফেসবুকে চরমপন্থী চিন্তাধারার প্রচার মোকাবিলা করতে বাংলা ভাষা, সংস্কৃতি বোঝেন এমন বাংলাদেশি বিশেষজ্ঞদের নিয়োগ দিয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমটি। 

মেটা এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের সন্ত্রাসবিরোধী ও বিপজ্জনক সংগঠনবিষয়ক প্রধান নাওয়াব ওসমান সোমবার (২৭ জুন) এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে নাওয়াব ওসমান বলেন, ‌‘আমাদের প্ল্যাটফর্মে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে যা দেখা যাচ্ছে তা এখানকার (বাংলাদেশের) অফলাইন বাস্তবতার প্রতিফলন।’

ব্যবহারকারীদের মধ্যে সহনশীলতা বাড়াতে মেটা নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে এবং সুশীল সমাজও এর অন্তর্ভুক্ত আছে বলে জানান তিনি।

একই সঙ্গে মেটার নিজস্ব প্রযুক্তি ও অ্যালগরিদম এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলেও দাবি করেন তিনি। পাশাপাশি, ফেসবুকে বাংলাদেশের অফলাইন বাস্তবতার প্রতিফলন ঘটছে বলেও জানান ওসমান। 

ফেসবুক  


মন্তব্য করুন


টেক ইনসাইড

ভিডিও সেলফিতে বয়স যাচাই করবে ইনস্টাগ্রাম

প্রকাশ: ০৮:৩৬ পিএম, ২৫ Jun, ২০২২


Thumbnail ভিডিও সেলফিতে বয়স যাচাই করবে ইনস্টাগ্রাম

ইনস্টাগ্রামে সহজে ছবি ও ভিডিও বিনিময়ের সুযোগ থাকায় কিশোর-কিশোরীদের কাছে এটি খুবই জনপ্রিয়। ফলে ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারী বৃদ্ধির তালিকায় বরাবরই প্রাধান্য থাকে কিশোর-কিশোরীদের।

ছবি ও ভিডিও বিনিময়ের সামাজিক মাধ্যমটির নীতিমালা অনুযায়ী, অ্যাকাউন্ট খোলার সর্বনিম্ন বয়স ১৩ বছর। কিন্তু ভুয়া জন্মতারিখের মাধ্যমে ১৩ বছরের কম বয়সী অনেকেই অ্যাকাউন্ট খুলে থাকে ইনস্টাগ্রামে। শুধু তা–ই নয়, নিজেদের প্রাপ্তবয়স্ক হিসেবে পরিচয়ও দেয় তারা।

কিশোর-কিশোরীদের প্রকৃত বয়স জানতে এবার তাদের কাছ থেকে ভিডিও সেলফি সংগ্রহের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইনস্টাগ্রাম। নতুন এ উদ্যোগের আওতায় সংগ্রহ করা ভিডিও সেলফি চেহারা বিশ্লেষণ সফটওয়্যারের মাধ্যমে পর্যালোচনা করে ব্যবহারকারীদের বয়স যাচাই করা হবে। এর ফলে কিশোর-কিশোরীদের প্রকৃত বয়স সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাবে। বর্তমানে নতুন এ পদ্ধতির কার্যকারিতা পরখ করা হচ্ছে।

নতুন এ উদ্যোগের আওতায় মূলত কিশোর-কিশোরীদের বয়স যাচাই করা হবে। ভিডিও সেলফিগুলো বয়স যাচাইয়ের পর মুছে ফেলা হবে বলে জানিয়েছে ইনস্টাগ্রামের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা।

বর্তমানে পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে বা অ্যাকাউন্ট উদ্ধারের জন্য ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে ভিডিও সেলফি সংগ্রহ করে ইনস্টাগ্রাম কর্তৃপক্ষ।

কিশোর-কিশোরীদের ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারের সময় নিয়ন্ত্রণের জন্য গত মার্চে অভিভাবকদের জন্য নতুন টুল চালু করে ইনস্টাগ্রাম কর্তৃপক্ষ। টুলটি কাজে লাগিয়ে অভিভাবকেরা তাঁদের সন্তান কতক্ষণ ইনস্টাগ্রাম ব্যবহার করছে, তা জানতে পারেন। চাইলে সন্তানের জন্য ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারের সময়ও নির্ধারণ করে দিতে পারেন তাঁরা।

সূত্র: বিবিসি

ইনস্টাগ্রাম  


মন্তব্য করুন


টেক ইনসাইড

টিকটককে টেক্কা দিতে নতুন ফিচার নিয়ে আসছে মেটা

প্রকাশ: ০১:১৮ পিএম, ১৮ Jun, ২০২২


Thumbnail টিকটককে টেক্কা দিতে নতুন ফিচার নিয়ে আসছে মেটা

বর্তমান সময়ে সব থেকে জনপ্রিয় ভিডিও প্ল্যাটফর্ম টিকটক। জনপ্রিয়তার তুঙ্গে থাকা এই সাইটটি বিশ্বের কয়েকটি দেশে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তারপরও মেটার মতো সংস্থাকে অস্বস্তিতে রেখে হু হু করে জনপ্রিয়তা বেড়েই চলেছে ভারতে নিষিদ্ধ অ্যাপ টিকটকের।

সংবাদ মাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, বছরের প্রথম তিন মাসের হিসাবে জনপ্রিয়তায় শীর্ষেই রয়েছে টিকটক। স্বাভাবিক ভাবেই এই পরিসংখ্যানে একেবারেই খুশি নয় মেটা। তাই টিকটককে টেক্কা দিতে মরিয়া হয়েই ফেসবুকে বড় পরিবর্তন আনতে চাইছে মেটা।

এর আগে মেটা ২০২০ সালে টিকটকের মতো রিলস ফিচার যুক্ত করেছিল ইনস্টাগ্রামে। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ফেসবুকেও দেখা মিলেছে শর্ট ভিডিওর। তারপরও টিকটককে ছাড়িয়ে যেতে পারছে না মেটা। এবার বড় পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে মেটা।

প্রযুক্তিবিষয়ক সাইট দ্য ভার্জের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টিকটকের বাড়তে থাকা জনপ্রিয়তায় অস্বস্তিতে মেটা। তাই এবার ফেসবুক তার অ্যালগরিদম বদলানোর পরিকল্পনা করেছে। যার সাহায্যে ইউজারদের বেশি পরিমাণে কন্টেট সরবরাহ করা হবে।

এমনকি যে কন্টেন্টের সঙ্গে কোনো যোগসূত্র নেই, সেই কনটেন্টও ফুটে উঠবে ফেসবুকের টাইমলাইনে। অর্থাৎ টিকটকের ‘ফর ইউ’-এর মতোই এবার ফেসবুকে এমন কনটেন্টও দেখা যাবে যেটি আপনার ফ্রেন্ড লিস্টের বাইরে থাকা ইউজারের।

এছাড়া ফেসবুক ও মেসেঞ্জার আর আলাদা আলাদা অ্যাপ থাকছে না বলেও দাবি রিপোর্টের। সব মিলিয়ে ফেসবুককে একটি ‘ডিসকভারি ইঞ্জিন’ হিসেবে গড়ে তুলতে চায় মেটা।

এর আগে এই শব্দবন্ধ শোনা গিয়েছিল মার্ক জুকেরবার্গের মুখেও। সব মিলিয়ে মেটা ফেসবুককে এগিয়ে নিয়ে যেতে যে তিনটি বিষয়কে মাথায় রেখেছে তা হল রিলকে সফল করে তোলা, মেসেজ-নির্ভর শেয়ারিংকে আনলক করা এবং বিশ্বমানের টেকনোলজি ব্যবহার করা।

সূত্র: দ্য ভার্জ

টিকটক   টেক্কা   নতুন ফিচার   নিয়ে আসছে   মেটা  


মন্তব্য করুন


টেক ইনসাইড

বন্ধ হচ্ছে ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার

প্রকাশ: ০৪:৩৯ পিএম, ১৩ Jun, ২০২২


Thumbnail বন্ধ হচ্ছে ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার

ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। ১৯৯৫ সালে যাত্রা শুরু আইকনিক এই ওয়েব ব্রাউজিং সাইটটি আর ব্যবহার করা যাবে না ১৫ জুনের পর। সম্প্রতি মাইক্রোসফট কর্তৃপক্ষ এমন তথ্যই জানিয়েছেন। প্রতিষ্ঠানটির নতুন ব্রাউজার ‘এজ’ এরই মধ্যে জায়গা নিয়ে নিয়েছে ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারের।

প্রথমে ৯৫ অপারেটিং সিস্টেমের সঙ্গে অ্যাড অন প্যাকেজ হিসেবে লঞ্চ হলেও পরে বিনামূল্যে ডাউনলোডের সুযোগ করে দেয় মাইক্রোসফট। ২০০৩ সালে সাফল্যের শিখরে পৌঁছায় ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার। তখন বিশ্বব্যাপী ব্যবহৃত সব ইন্টারনেট ব্রাউজারের ৯৫ শতাংশই ধরে রেখেছিল এক্সপ্লোরার। তবে ফায়ার ফক্স, ক্রোমের এই যুগে ধীরে ধীরে জনপ্রিয়তা হারাতে থাকে ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার।

২০১৬ সালেই ব্রাউজারটির ফিচার ডেভেলপমেন্টের কাজ বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয় মাইক্রোসফট। এরপর ২০২০ সালের নভেম্বর মাসে মাইক্রোসফট টিম থেকে বন্ধ করা হয় ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার সাপোর্ট। ২০২১ সালের আগস্ট মাসে মাইক্রোসফট ৩৬৫ থেকে ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার সাপোর্ট বন্ধ হয়।

এদিকে মাইক্রোসফট এজ এর প্রোগ্রাম ম্যানেজার শন লিন্ডারস এক বিবৃতিতে জানান, উইন্ডোজ-১০ এ ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারের ভবিষ্যৎ মাইক্রোসফট এজের উপর নির্ভর করছে। মাইক্রোসফট এজে'র মধ্যেই রয়েছে ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারের মুড। ফলে সব লেগাসি ওয়েবসাইট সরাসরি এজে ব্রাউজার ব্যবহার করে খোলা যাবে।

ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার   মাইক্রোসফট  


মন্তব্য করুন


টেক ইনসাইড

গুগুল ও মজিলায় বেশ কিছু ভুল-ত্রুটি, ব্যাবহারে সতর্কতা

প্রকাশ: ০৯:৫৪ এএম, ১২ Jun, ২০২২


Thumbnail গুগুল ও মজিলায় বেশ কিছু ভুল-ত্রুটি, ব্যাবহারে সতর্কতা

গুগল ক্রোম ও মোজিলা ফায়ারফক্সে ফের কিছু ভুল ত্রুটি ধরা পড়েছে। ভারত সরকারের কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম (সিইআরটি-ইন) ব্রাউজার দুটির সেই ভুলগুলো চিহ্নিত করেছে। একইসঙ্গে ইউজারদের সতর্কও করা হয়েছে।

সিইআরটি-ইন দাবি, ক্রোম ও মোজিলার এই ভুলগুলো আসলে গ্রাহকের ডিভাইসে আক্রমণ করতে হ্যাকারদের সুবিধা করে দিচ্ছে। সাথে নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে বাইপাস করে নির্বিচারে কোড চালিয়ে যাচ্ছে হ্যাকাররা।

গুগল ক্রোম ও মোজিলা ফায়ারফক্সের এই ভুলগুলোকে ‘হাই-রিস্ক’ বলে চিহ্নিত করেছে সিইআরটি-ইন। ভারতীয় সরকারি এই সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ক্রোম ওএস ভার্সন মূলত 96.0.4664.209-এর ক্ষেত্রেই এই ভুলটি পরিলক্ষিত হয়েছে। এর ভেতরে চিহ্নিত ভুলগুলোর মধ্যে রয়েছে গুগলের VE-2021-43527, CVE-2022-1489, CVE-2022-1633, CVE-202-1636, CVE-2022-1859, CVE-2022-1867, এবং CVE-2022-23308।

এই বাগস সম্পর্কে টেক জায়ান্টটি স্বীকার করে জানিয়েছে, সমস্ত বাগ সংশোধন করা হবে। তবে তার আগে ইউজারদের কাছে সংস্থাটি সতর্কবার্তা দিয়ে বলছে, ক্রোম ওএস-এর লেটেস্ট ভার্সনটি গ্রাহকদের ডাউনলোড করতে হবে।

এদিকে মোজিলা ফায়ারফক্সেরও একাধিক ভার্সন সম্পর্কে সতর্ক করেছে সিইআরটি-ইন। মোজিলা ফায়ারফক্স iOS ভার্সন 101, মোজিলা ফায়ারফক্স থান্ডারবার্ড ভার্সন 91.10, মোজিলা ফায়ারফক্স ESR ভার্সন 91.10 এবং মোজিলা ফায়ারফক্স 101-এর ক্ষেত্রেই মূলত সতর্কবার্তা জারি করেছে সরকারি ওই সংস্থাটি।

মোজিলা বলছে, দূরবর্তী স্থান থেকে আক্রমণকারী সংবেদনশীল তথ্য প্রকাশ করতে, নিরাপত্তা বিধিনিষেধ বাইপাস করতে, নির্বিচারে কোড কার্যকর করতে, স্পুফিং আক্রমণ করতে এবং টার্গেট করা সিস্টেমে ডিনায়াল-অব-সার্ভিস (DoS) আক্রমণ করার অনুমতি দেয়।

এদিকে যে সব ব্রাউজার ইতোমধ্যেই এই আক্রমণ দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত, তাদের জন্য একাধিক আপডেটও রিলিজ করেছে মোজিলা। ইউজারদের বলা হয়েছে, মোজিলা ফায়ারফক্স ভার্সন iOS 101, মোজিলা ফায়ারফক্স থান্ডারবার্ড ভার্সন 91.10, মোজিলা ফায়ারফক্স ESR ভার্সন 91.10 এবং মোজিলা ফায়ারফক্স 101 ডাউনলোড করলে আক্রমণগুলো থেকে সুরক্ষিত থাকা যাবে।

সার্ট-ইন দাবি করেছে, যে পরিষেবাগুলো সাধারণত এ ধরনের আক্রমণের টার্গেট হয়ে ওঠে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে ই-মেইল, ওয়েবসাইট, অনলাইন অ্যাকাউন্ট ইত্যাদি।

ভারতীয় সংস্থাটি দাবি করেছে, লক্ষ্যবস্তু সিস্টেমে নির্বিচারে কোড চালানোর জন্য আক্রমণকারীর দ্বারা দুর্বলতাগুলোকে কাজে লাগানো যেতে পারে। একটি অফিসিয়াল পোস্টে সিইআরটি-ইন এই বিষয়ে ব্যাখ্যা করে বলছে, “V8 ইন্টারনালাইজেশনে হিপ বাফার ওভারফ্লো হওয়ার কারণে এই দুর্বলতাগুলো গুগল ক্রোম ওএস-এ বিদ্যমান। বিনামূল্যের শেয়ারশিট, পারফরম্যান্স ম্যানেজার, পারফরম্যান্স API-এ ব্যবহার করুন। dev-libs/libxml2-তে রিপোর্ট করা দুর্বলতা। ডেটা ট্রান্সফারে অবিশ্বস্ত ইনপুটের অপর্যাপ্ত বৈধতা এবং UI শেল্ফের সীমার বাইরে মেমোরি অ্যাক্সেস।”

গুগুল   মজিলা   ভুল-ত্রুটি   সতর্কতা  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন