ইনসাইড টক

‘ভ্যাকসিন ইন্সটিটিউট প্রতিষ্ঠায় দুর্নীতির ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে’


Thumbnail

প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ বলেছেন, আমি আগেও বলেছি আমাদের দেশে ভ্যাকসিন ইন্সটিটিউট প্রতিষ্ঠা করা যায়। ভ্যাকসিন ইন্সটিটিউট প্রতিষ্ঠা করা উচিত। আমরা সক্ষম। আমাদের অবকাঠামো আছে, সক্ষমতা আছে। শুধু কিছু টেকনোলজি এবং র-মেটারিয়্যাল সাপ্লাই করা হয়, তাহলে বাংলাদেশ টিকা তৈরি অবশ্যই করতে পারে। আমি কিন্তু বিভিন্ন সময় দাবি জানিয়ে আসছি। বাংলাদেশে টিকা তৈরির ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। তাহলে অন্যদের উপর আমদানি নির্ভর যেন আর না হতে হয়। তাতে আমরা নিজেরাই টিকা তৈরি করতে পারবো এবং নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে প্রয়োজনে আমরা বিদেশে রপ্তানি করবো।

ভ্যাকসিন ইন্সটিটিউট প্রতিষ্ঠা সহ নানা বিষয় নিয়ে বাংলা ইনসাইডারের সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় এসব কথা বলেছেন অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ। পাঠকদের জন্য অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ এর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বাংলা ইনসাইডারের নিজস্ব প্রতিবেদক মাহমুদুল হাসান তুহিন।

অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ বলেন, শুধু তাই না, অনেক গরীব দেশ যারা টিকা পায় না, তাদেরকেও প্রয়োজনে টিকা দিয়ে সাহায্য-সহযোগিতাও করতে পারবো। আমাদের প্রধানমন্ত্রী যা বলেছেন, তা যথাযথ এবং ঠিকই বলেছেন। আমাদের প্রথম অগ্রগতি হলো, এটি তৈরি হওয়াটাই এটিই তো অগ্রগতি। অন্যদেশ থেকে আনা লাগবে না, এটিও তো অগ্রগতি। এই যে ইন্ডিয়া হঠাৎ করে বন্ধ করে দিয়েছে। হঠাৎ করে বন্ধ করে দিলে আপনি তো পাবেন না। সুতরাং আমরা আত্মনির্ভরশীল হবো, এটাও তো অগ্রগতি। যদি আমরা প্রচুর টিকা উৎপাদন করতে পারি, চাহিদা মেটাতে পারি, এটাও অগ্রগতি। চাহিদা মিটিয়ে রপ্তানি করতে পারলে এটাও অগ্রগতি। পাশাপাশি গরীব দেশগুলোকে যদি সাহায্য করতে পারি, সব মিলেয়ে এগুলো সবই অগ্রগতি। শুধু করোনার টিকাই নয়, আমরা ইচ্ছা করলে অন্যান্য ভ্যাকসিনও তৈরি করতে পারবো। অনেক টিকা তৈরি হয়ও আমাদের দেশে।

এ প্রকল্পে দুর্নীতির কোনো বিষয় থাকবে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। যেহেতু দুর্নীতির অভিযোগ আছে, এখানে যাতে না হয়, তার জন্য আগে থেকেই সতর্ক থাকতে হবে, পদক্ষেপ নিতে হবে। আমরা যদি চেষ্টা না করি, গা ছাড়া দিয়ে থাকলে তো আর হবে না। দুর্নীতির অভিযোগের তো কোনো শেষ নাই।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড টক

‘আগামী পাঁচ বছর বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের ওপর সায়মার তীক্ষ্ণ দৃষ্টি থাকবে’

প্রকাশ: ০৪:০০ পিএম, ২৪ জানুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক ও চক্ষু বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. দীন মোহাম্মদ নূরুল হক বলেছেন, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার স্বাস্থ্য খাতের দায়িত্ব পেয়েছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কন্যা সায়মা ওয়াজেদ পুতুল। গতকাল তিনি আনুষ্ঠানিক ভাবে এই দায়িত্ব ভার গ্রহণ করেছেন। এর আগে বাংলাদেশের কেউই এই দায়িত্বে ছিলেন না। আমরা খুবই সৌভাগ্যবান যে, আমরা সায়মা ওয়াজেদকে আঞ্চলিক পরিচালক হিসেবে পাচ্ছি। এটা বাংলাদেশ তথা এদেশের জনগণের জন্য একটি বিরাট প্রাপ্তি। সায়মা ওয়াজেদ স্বাস্থ্য খাতে খুব অভিজ্ঞ একজন ব্যক্তিত্ব। আমরা জানি সে অনেক দিন ধরে সারা বিশ্বে অটিজম এবং নিউরোডেভেলপমেন্টাল ডিসঅর্ডার নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষজ্ঞ উপদেষ্টা প্যানেলেরও সদস্য। তাছাড়া ডব্লিউএইচওর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলে ‘অটিজম-বিষয়ক শুভেচ্ছা দূত’ হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করছেন।

গতকাল মঙ্গলবার সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সদর দপ্তরে সংস্থাটির দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কন্যার সায়মা ওয়াজেদ পুতুল। তার এই দায়িত্ব গ্রহণ বাংলাদেশের তথা এই অঞ্চলের স্বাস্থ্য খাতকে কিভাবে এগিয়ে নিয়ে যাবে তা নিয়ে বাংলা ইনসাইডারের সাথে আলাপচারিতায় অধ্যাপক ডা. দীন মোহাম্মদ নূরুল হক এসব কথা বলেছেন।  

অধ্যাপক ডা. দীন মোহাম্মদ নূরুল হক বলেন, কমিউনিটি লেভেলে কাজ করার একটা বড় অভিজ্ঞতা সায়মার রয়েছে। তিনি কমিউনিটি লেভেলে স্বাস্থ্যের যে বিভিন্ন সমস্যা এগুলোর ব্যাপারে তার স্বচ্ছ এবং যথেষ্ট অভিজ্ঞতা রয়েছে। আমাদের দেশের জনগণের স্বাস্থ্যের যে সমস্যাগুলো রয়েছে সেগুলোর ব্যাপারে তিনি অবহিত আছেন। তিনি নারী ও শিশু নিয়ে অনেক গবেষণা করেছেন এবং এখনো করে যাচ্ছেন। আঞ্চলিক পরিচালক হিসেবে তিনি তার মেধা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশে একটি লক্ষণীয় পরিবর্তন আনবেন এটা বলার অপেক্ষা রাখে না।

তিনি বলেন, সায়মার অধীনে এই অঞ্চলে ১১ টি দেশ রয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ একটি। প্রত্যেক আঞ্চলিক পরিচালকেরই নিজস্ব কিছু অগ্রাধিকার ভিত্তিক কর্মপন্থা থাকে। তিনি প্রত্যেক দেশের সাথে কথা বলে আলাদা আলাদা চাহিদা অনুসারে একটি কর্মপন্থা তৈরি করবেন। বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের সমস্যাগুলো সম্পর্কে যেহেতু তিনি অবহিত আছেন সেজন্য তিনি হয়তো বাংলাদেশের জন্য অগ্রাধিকারের বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিবেন। বাংলাদেশে মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করার অনেক সুযোগ আছে। মানসিক স্বাস্থ্য নিয়েও কাজ করার সুযোগ রয়েছে। 

তিনি আরও বলেন, অটিজম এবং নিউরোডেভেলপমেন্টাল ডিসঅর্ডার শুধু বাংলাদেশেই নয়, এটা বৈশ্বিক সমস্যা। এটাকে যে ম্যানজে করা যায়, এটি যে ভয়ের কোনো বিষয় নয়, এই বাচ্চারাও যে সমাজে অবদান রাখতে পারে সেটি সায়মা ইতোমধ্যে প্রমাণ করেছেন এবং মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য করে তুলেছেন। এছাড়া নন কমিউনিকেবল ডিজিজ নিয়েও কাজ করার ব্যাপক সুযোগ রয়েছে। আমাদের দেশে স্বাস্থ্য খাতে প্রশাসনিক দিকটা এখনো অনেক দুর্বল সেখানে ডব্লিউএইচওর মাধ্যমে সায়মা বাংলাদেশে বড় অবদান রাখতে পারেন। কমিউনিটি ক্লিনিক মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে। এটাকে এখন মানুষের কাছে স্থায়ী রূপ দেওয়ার দাবিদার রাখে। এটিকে আরও বেশি জনবান্ধব করা, সেবার মানকে উন্নত করার ক্ষেত্রে ডব্লিউএইচওর আঞ্চলিক অফিস অবদান রাখতে পারে।

ডা. দীন মোহাম্মদ বলেন, ডব্লিউএইচও প্রত্যেকটা সদস্য রাষ্ট্রের টেকনিক্যাল পার্টনার হিসেবে কাজ করে। তাদের নিজস্ব কিছু কর্মসূচি থাকে আর কিছু কর্মসূচি থাকে সরকারের লাইন ডিরেক্টরের মাধ্যমে করে থাকে। তারা দ্বি-বার্ষিক পরিকল্পনা গ্রহণ করে থাকে। ডব্লিউএইচওর কাছে সরকার যেকোনো টেকনিক্যাল সাহায্য চাইতে পারে। এক্ষেত্রে ডব্লিউএইচও তখন সরকারকে সাহায্য করে। ডব্লিউএইচও অফিস বাংলাদেশে আছে, যেটি আঞ্চলিক অফিসের অধীনে। আঞ্চলিক অফিসের আলাদা বাজেট থাকে। আঞ্চলিক পরিচালকের কিছু এখতিয়ারভুক্ত থাকে। আঞ্চলিক পরিচালক চাইলে একটি দেশের সমস্যাগুলো দূর করতে পারে। আমি মনে করি এ ব্যাপারে আগামী পাঁচ বছর বাংলাদেশের ওপর সায়মার তীক্ষ্ণ দৃষ্টি থাকবে এবং স্মার্ট বাংলাদেশ করার ক্ষেত্রেও স্বস্থ্যের যে একটা বড় বূমিকা রয়েছে সেখানে সায়মা ওয়াজেদ বেশি দৃষ্টি দিবে।


 


মন্তব্য করুন


ইনসাইড টক

‘টিআইবি এখন রিজভীর ভূমিকা পালন করছে’

প্রকাশ: ০৪:৩৪ পিএম, ১৮ জানুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন বলেছেন, টিআইবি এখন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর ভূমিকা পালন করছে। টিআইবি এবং সিপিডি যারা করে এরা একই ঘরানার। বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা যখন পদ্মা সেতু জনগণের অর্থায়নে করার ঘোষণা করেন সে সময় এরা বলেছিল বাংলাদেশে এটা অসম্ভব। নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু করলে অর্থনীতির একটা ধস নামবে, অর্থের অপচয় হবে। টিআইবি তো কোন সময় বাংলাদেশের অর্থনীতিকে ভালো চোখে দেখে না। টিআইবি’র এখানে (বাংলাদেশ) যারা নেতৃত্ব দেন তারা শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত রুমে বসে মনগড়া বিবৃতি দেয়। তারা জনগণের চোখের ভাষা বুঝে না বরং তারা পিছনের দরজা দিয়ে কোনো রকম নিজের গাড়িতে একটি পতাকা লাগানো যায় কিনা সেই ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকে এবং এই স্বপ্নে বিভোর থাকে। গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারের বিরুদ্ধে টিআইবি মনগড়া তথ্য-উপাত্ত জাতির সামনে হাজির করে জাতিকে বিভ্রান্তি করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে টিআইবি’র ব্যাখ্যা, নির্বাচন পরবর্তী ষড়যন্ত্র এবং দলের সাংগঠনিক অবস্থান ইত্যাদি নিয়ে বাংলা ইনসাইডারের সাথে আলাপচারিতায় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন এসব কথা বলেছেন। 
নির্বাচন ঘিরে ষড়যন্ত্র এখনো অব্যাহত রয়েছে কিনা—এমন প্রশ্নের উত্তরে এস এম কামাল হোসেন বলেন, ষড়যন্ত্রকারীরা সবসময় ষড়যন্ত্র করতে থাকে। দেশ স্বাধীন হওয়ার বঙ্গবন্ধু যখন দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করার আহ্বান জানালেন তখন একটা অংশ ১০ টাকার কাগজ খুলে ২০০ টাকার জাল পরিয়ে বাসন্তীর নাটক সাজিয়েছিল। তাদের আন্তর্জাতিক মোড়লরা তখন বিদ্রুপ করে বাংলাদেশকে তলাবিহীন ঝুড়ি বলেছিল। এখন আবার সেই শক্তি এবং দেশের সেই এজেন্ডরাই আজকে নতুন করে যখন বঙ্গববন্ধু তনয়া ২০৪১ সালে স্মার্ট, উন্নত এবং সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখছেন সেই মুহুর্তে আবার এই শক্তি ষড়যন্ত্র অব্যাহত রাখবে। এবং তারই অংশ হচ্ছে টিআইবির এই বক্তব্য।

নির্বাচনের পরবর্তীতে বেশ কিছু পরাজিত প্রার্থী টিআইবি’র মতোই নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ করার প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের এই সাংগঠনিক সম্পাদক বলেন, নির্বাচনে যারা হারে বা পরাজিত হন তারা সবসময় কোন না কোন মন্তব্য করেন। আমি মনে করি আমাদের দলের ভেতর থেকে যারা নির্বাচন করেছে তারা যখন এই মন্তব্য করে তখন আসলে তারা তাদের বিবেকের সাথে প্রতারণা করে আবেগ তাড়িত হয়ে এ ধরনের মন্তব্য করে। আমি মনে করি এখন তারা এই বক্তব্যের সাথে একমত হবে না।

নির্বাচন নিয়ে নেতিবাচক প্রচারণার বিরুদ্ধে জনগণের কাছে আওয়ামী লীগের বক্তব্য কি জানতে চাইলে কামাল হোসেন বলেন, এটা জনগণ নির্ধারণ করবে যে বাংলাদেশে এবার কেমন নির্বাচন হয়েছে। সুশীল সমাজ বা টিআইবি এদের কথায় জনগণ রাস্তায় নামে না। বিএনপির কথাও জনগণ বিশ্বাস করে না। অতীতের সকল নির্বাচনই কোন না কোন ভাবে প্রশ্নবিদ্ধ ছিল, ত্রুটিপূর্ণ ছিল। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর দেশে যতগুলো নির্বাচন হয়েছে সব নির্বাচনই প্রশ্নবিদ্ধ ছিল। কিন্তু এই নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হয়নি। হয়তো কোন কোন ক্ষেত্রে ত্রুটি থাকতে পারে কিন্তু তুলনামূলক ভাবে অতীতের সকল নির্বাচনের চেয়ে এই নির্বাচনে জনগণ স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে ভোট দিয়েছে এবং সংঘাতের ঘটনা কম হয়েছে, নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ভাবে হয়েছে।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড টক

‘মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতকে আরও যুগোপযোগী করাই আমার প্রধান চ্যালেঞ্জ’

প্রকাশ: ১০:০৪ পিএম, ১২ জানুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

সদ্য দায়িত্বপ্রাপ্ত মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আব্দুর রহমান বলেছেন, মৎস এবং প্রাণিসম্পদ খাতে আরও যুগোপযোগী করে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে এই খাতগুলোকে কাজে লাগানোই আমার প্রধান দায়িত্ব। বাংলা ইনসাইডারের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন। 

আজ শ্রক্রবার রাতে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আব্দুর রহমান বলেছেন, আমি খুব শীঘ্রই পর্যায়ক্রমে এই মন্ত্রণালয়ের সকলের সঙ্গে কথা বলবো এবং একটি কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করব। তিনি বলেন, জাতির পিতার স্বপ্ন ছিল যে বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করবে। সেই স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের ক্ষেত্রে মৎস এবং প্রাণিসম্পদ খাতটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। 

প্রথম বারের মন্ত্রী হওয়ার অনুভূতি ব্যক্ত করে আব্দুর রহমান বলেন, আমি আমার রাজনৈতিক জীবনে নানা ঘাত প্রতিঘাতের মধ্য দিয়ে অতিক্রান্ত হয়েছি। জাতির পিতার আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে ত্যাগ স্বীকার করেছি, সংগ্রাম করেছি। আর সে কারণেই এখন যখন মন্ত্রীর দায়িত্ব আমাকে দেওয়া হয়েছে, সেটি আমার কাজের স্বীকৃতি বলেই আমি মনে করি। 

তবে বিলম্বে তিনি মন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন কিনা—এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে যখন যে দায়িত্ব দিয়েছে সেই দায়িত্ব আমি নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করেছি। আমি মনে করি না যে আমি আওয়ামী লীগের যে সমস্ত দায়িত্ব পালন করেছি সে সমস্ত দায়িত্ব একজন মন্ত্রীর দায়িত্ব চেয়ে কম। এখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মনে করছেন যে, আমার সরকারে অবদান রাখার দরকার, এজন্য তিনি আমাকে দায়িত্ব দিয়েছেন। এজন্য তার প্রতি আমার কৃতজ্ঞতা। 

তিনি বলেন, রাজনৈতিক জীবনে একজন রাজনীতিবিদকে নানা চড়াই উতরাইয়ের মধ্যে দিয়ে পার হতে হয়। তবে তাকে তার আদর্শে অটুট থাকতে হয়। আমি সেই আদর্শে অটুট থাকার চেষ্টা করেছি।

নতুন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গ্রহণ সম্পর্কে তিনি বলেন, এই মন্ত্রণালয়টি অনেক সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র। বিশেষ করে গত ১০ বছরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মৎস এবং প্রাণিসম্পদ খাত একটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় পরিণত হয়েছে। তিনি বলেন, দেশে খাদ্য নিরাপত্তা এবং খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের ক্ষেত্রে এই মন্ত্রণালয়ের ভূমিকা অত্যন্ত বেশি। দেশের জিডিপিতে এই মন্ত্রণালয়ের অবদান অনেক বেশি। তবে আমাদের আরও অনেক কাজ বাকি আছে। আমি এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গ্রহণ করার পর সকলের পরামর্শ নিয়ে, সকলের সঙ্গে কথা বলে একটি কর্ম পরিকল্পনা চূড়ান্ত করবো।

আব্দুর রহমান আশা করেন যে, প্রধানমন্ত্রী তার ওপর যে আস্থা রেখেছেন সেই আস্থার প্রতিদান তিনি দিবেন নিষ্ঠা এবং সততার সাথে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে। তিনি বলেন, রাজনীতিবিদদেরকে সবসময় আদর্শের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হয়। মন্ত্রিত্ব কোনো চাকরি নয়, এটি রাজনৈতিক দায়িত্ব হিসেবে মনে করেন আওয়ামী লীগের এই প্রেসিডিয়াম সদস্য এবং এই দায়িত্ব যথাযথ ভাবে নিষ্ঠার সাথে তিনি পালন করলেই আওয়ামী লীগ এবং দেশ উপকৃত হবে বলে তিনি মনে করেন।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড টক

‘আমরা কিছুটা বিব্রতকর অবস্থাতেই আছি’

প্রকাশ: ০৪:০০ পিএম, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৩


Thumbnail

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনু বলেছেন, ‌‌‘আদর্শিক ১৪ দলের জোটের প্রার্থী হিসেবে আমরা মনে করি, আওয়ামী লীগের নেতা হয়ে জোটের শরিক দলের কোন প্রার্থীর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা উচিৎ নয়। তাতে আওয়ামী লীগ বনাম সেই দলের বিরুদ্ধে রাজনীতি হয়ে যায়, যা জোটের মৌলিক নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক। সেই হিসেবে আমরা কিছুটা বিব্রতকর অবস্থাতেই আছি।’ 

১৪ দলের আসন সমঝোতা নিয়ে দফায় দফায় আলাপ-আলোচনা হচ্ছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি আসনে জোটভুক্ত কয়েকজন হেভিওয়েট প্রার্থীদের সবুজ সংকেত দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে কুষ্টিয়া-২ আসনে রয়েছেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনু। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থী এবং সমসাময়িক ভাবনা নিয়ে বাংলা ইনসাইডারকে একান্ত সাক্ষাৎকার দিয়েছেন তিনি। আজ বৃহস্পতিবার (১৪ ডিসেম্বর) সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন বার্তা সম্পাদক প্রসেনজিৎ হালদার।

জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু বলেন, ‘আমি আদর্শিক জোট ১৪ দলের প্রার্থী হিসেবে বিগত তিনটি নির্বাচন করেছি। এবার জোটের প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত তালিকায় যদি আমার নাম থাকে তাহলে এই আসনে (কুষ্টিয়া-২) আদর্শিক জোট ১৪ দলের প্রার্থী হিসেবে নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করবো।’ 

তিনি আরও বলেন, ‘এই আসনে আওয়ামী লীগের জনৈক নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন প্রদান করেছেন এবং নির্বাচনে অংশগ্রহণের ইচ্ছা ব্যাক্ত করেছেন। জোটের প্রার্থী হিসেবে আমরা মনে করি, আওয়ামী লীগের নেতা হয়ে জোটের শরিক দলের কোন প্রার্থীর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা উচিৎ নয়। তাতে আওয়ামী লীগ বনাম সেই দলের বিরুদ্ধে রাজনীতি হয়ে যায়, যা জোটের মৌলিক নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক। সেই হিসেবে আমরা কিছুটা বিব্রতকর অবস্থাতেই আছি।’ 

হাসানুল হক ইনু আরও বলেন, ‘আমরা আশা করছি যোগ্য নেত্রী শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের কোন নেতাকে এই আসনে দেবেন না। এর বাইরে অন্য স্বতন্ত্র প্রার্থী থাকলে তাতে কোন অসুবিধা নেই।’


মন্তব্য করুন


ইনসাইড টক

‘তফসিল পেছানোর সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ’

প্রকাশ: ০৪:০৩ পিএম, ২০ নভেম্বর, ২০২৩


Thumbnail

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য এবং বিশিষ্ট রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. হারুন-অর-রশীদ বলেছেন, নির্বাচনের তফসিল পেছানোর সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ। আমি এর কোনো সম্ভাবনা দেখি না। কারণ রাজনৈতিক দলগুলোর যে সন্দেহের প্রাচীর তৈরি হয়েছে তাতে সে সম্ভাবনা নেই। তবে এক দফা আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে কোনো কোনো রাজনৈতিক দল শেষ চেষ্টা হিসেবে তফসিল পেছানোর জন্য তৎপরতা চালাতে পারে। কিন্তু তফসিল পেছানোর নামে যদি আবার সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতাকে কেউ প্রশ্ন বিদ্ধ করে ফেলে তাহলে আরেকটা অরাজকতার পরিবেশ সৃষ্টি হবে। কাজেই নির্বাচন কমিশন এবং সরকারকে সে ব্যাপারে সতর্ক থাকবে। নির্বাচনী রোডম্যাপ বিপন্ন হয় এমন কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে। তবে তফসিল পেছানোর সম্ভাবনা দেখি না।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। ইতোমধ্যে কোনো কোনো মহল বিশেষ করে জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে তফসিল পেছানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এ রকম পরিস্থিতি নির্বাচনের তফসিল পেছানোর কোনো সম্ভাবনা রয়েছে কিনা তা নিয়ে বাংলা ইনসাইডার এর সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতা করেন বিশিষ্ট রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. হারুন-অর-রশীদ। পাঠকদের জন্য অধ্যাপক ড. হারুন-অর-রশীদ এর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বাংলা ইনসাইডার এর নিজস্ব প্রতিবেদক শান্ত সিংহ। 

বিএনপিকে ছাড়া নির্বাচন কতটুকু গ্রহণযোগ্যতা পাবে—এমন প্রশ্নে বিশিষ্ট এই রাষ্ট্রবিজ্ঞানী বলেন, শেষ পর্যন্ত বিএনপি নির্বাচনে না আসলেও কোনো সমস্যা হবে না যদি নির্বাচন সুষ্ঠু হয়। নির্বাচন যদি অবাধ ও সুষ্ঠু হয় এবং ভোটাধিকার প্রয়োগের ক্ষেত্রে যদি কোনো ধরনের প্রভাব বিস্তার করা না হয় তাহলে নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকবে না।


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন