লিট ইনসাইড

বইমেলা: ৭০ টি নতুন বই নিয়ে প্রথমা প্রকাশনী

প্রকাশ: ০৯:০৩ এএম, ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

করোনা পরিস্থিতির কারণে দু’সপ্তাহ দেরিতে গতকাল মঙ্গলবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) থেকে শুরু হয়েছে অমর একুশে বইমেলা। এখনো মেলায় অনেক স্টলের কাজ অসম্পূর্ণ কিন্তু মেলায় মানুষের আনাগোনা ছিলো বেশ ভালো। বইমেলায় মানুষের উপস্থিতি, পাঠকের চাহিদা, প্রকাশনী গুলোর প্রত্যাশা ইত্যাদি বিষয় নিয়ে প্রতিদিন বিভিন্ন প্রকাশনীর আশা-আকাঙ্ক্ষা এবং নতুন কি বই আসছে তা পাঠকদের জানাতে বাংলা ইনসাইডারের এই আয়োজন। ধারাবাহিক প্রতিবেদনের প্রথম পর্বে কথা হয় প্রথমা প্রকাশনীর সাথে।

প্রথমা প্রকাশনীর ব্যবস্থাপক জাকির হোসেন বাংলা ইনসাইডারকে বলেন, অনেক মেলার কাজ বাকি থাকলেও আমরা প্রস্তুত। ক্রেতারা স্টলে আসলে আমরা সেবা দেওয়ার জন্য প্রস্তুত। ক্রেতারা আসলে আমরা সেবা দিতে পারবো। করোনাকালীন বইমেলা। এই বইমেলাতে আমরা সবচেয়ে গুরুত্ব যে বিষয়টির উপর দিচ্ছি সেটা হলো স্বাস্থ্যবিধি। আমাদের কর্মীরা এবং আমরা যারা থাকবো সবাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে বইমেলায় অংশগ্রহণ করবো এবং সবাই মিলে কাজ করবো। 



তিনি আরও বলেন, আমাদের প্রকাশনী থেকে ৭০ টি নতুন বই এসেছে, এর মধ্যে ৫০ টি বইয়ের অধিক নতুন বই চলে এসেছে, আর বাকি বইগুলো আসছে। আমাদের মোট বইয়ের সংখ্যা ৮০০ টি। ৮০০ ধরনের বই আছে আমাদের প্রথমা প্রকাশনীতে।

মেলার সময় আরও বাড়ানো হবে কিনা জানতে চাইলে জাকির হোসেন বলেন, সময় স্বল্প সেটা ঠিক আছে, বাংলা একাডেমি এবং প্রশাসন থেকে আমরা একটা আশ্বাস পেয়েছি যে, যদি করোনা এইরকম থাকে বা করোনা কমতে থাকে এবং এখন কমতির দিকে আছে এরকম থাকলে মেলার সময় বাড়ানো হবে। আমরা আশাবাদী এবং আমাদের একটা প্রস্তাবও ছিলো এই সময়টা মার্চের ১৭ তারিখ পর্যন্ত বাড়ানোর এরকম একটা দাবি ছিলো আমাদের। আমরা আশা করছি বাংলা একাডেমি এবং প্রশাসন আমাদের এই দাবিটা মেনে নিবে। গত বছর আপনারা জানেন , মেলা হয়েছে, আসলে মেলা হয় নি। এটা মেলার মত মেলা না, শুধু লকডাউন মেলা খোলা, যানবাহন বন্ধ কিন্তু মেলা খোলা। আসলে এটাকে মেলা বলে না। যদি মেলাটা ১৭ তারিখ পর্যন্ত বর্ধিত করে তাহলে প্রকাশকরা গতবছরের ক্ষতিটা কিছুটা হলেও পুষিয়ে নিতে পারবে।

প্রথমা প্রকাশনী   করোনা  


মন্তব্য করুন


লিট ইনসাইড

কবিতা

প্রকাশ: ০২:০৩ পিএম, ২৩ মার্চ, ২০২৪


Thumbnail




মন্তব্য করুন


লিট ইনসাইড

বিশ্বের সেরা এবং আকর্ষণীয় পাচ মসজিদ

প্রকাশ: ১১:০২ এএম, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

বিশ্বের এমন পাঁচটি মসজিদ সম্পর্কে জেনে নিন:


১. মসজিদুল হারাম, মক্কা, সৌদি আরব:

বিশ্বের সবচেয়ে বেশি মানুষ দেখতে যায়, এমন মসজিদের তালিকায় সবার প্রথমে আছে পবিত্র নগরী মক্কার মসজিদুল হারাম। প্রতিবছর প্রায় ৮০ লাখ মানুষ এই মসজিদে যান। এটিই বিশ্বের সবচেয়ে বড় মসজিদ। একসঙ্গে ১৫ লাখ মানুষ এখানে প্রবেশ করে ঘুরে দেখতে পারেন। মুসলমানদের কাছে সবচেয়ে পবিত্র তিন স্থানের একটি এই মসজিদুল হারাম। মুসলমানদের কিবলা পবিত্র কাবাশরিফ এখানেই অবস্থিত।

তবে যে কেউ চাইলেই মসজিদুল হারামে প্রবেশ করতে পারেন না। অমুসলিমদের জন্য মক্কা নগরীতে প্রবেশ পুরোপুরি নিষিদ্ধ।


২. শেখ জায়েদ মসজিদ, আবুধাবি, সংযুক্ত আরব আমিরাত:

২০০৭ সালে স্থাপিত এই মসজিদ পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মসজিদগুলোর একটি। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ঝাড়বাতি ও সবচেয়ে বড় গালিচাও আছে এই মসজিদে।

আরব আমিরাতে বসবাসকারীদের বেশির ভাগই প্রবাসী, যাঁরা মূলত শ্রমজীবী হিসেবে বিভিন্ন দেশ থেকে সেখানে যান। এই বৈচিত্র্যময়তাই মসজিদটির নকশার মূল ভিত্তি। ব্রিটিশ, ইতালীয় ও আমিরাতি স্থপতিরা মিসর, মরক্কো, তুরস্ক, পাকিস্তানসহ বিশ্বের বিভিন্ন মুসলিম দেশের মসজিদের নকশা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে শেখ জায়েদ মসজিদের নকশা এঁকেছেন।

প্রতিবছর মসজিদটি দেখতে প্রচুর দর্শনার্থী আসেন। শুধু ২০১৭ সালেই এসেছেন প্রায় ৫৮ লাখ দর্শনার্থী। নামাজের সময় ছাড়া অন্য সময় অমুসলিম দর্শনার্থীরাও মসজিদ ঘুরে দেখতে পারেন। তবে শুক্রবার অমুসলিম দর্শনার্থীদের এই মসজিদে প্রবেশ নিষেধ।


৩. আয়া সোফিয়া, ইস্তাম্বুল, তুরস্ক:

ইউরোপের সবচেয়ে আকর্ষণীয় শহরগুলোর একটি তুরস্কের রাজধানী ইস্তাম্বুল। আর ইস্তাম্বুল বা গোটা ইউরোপের অন্যতম সুন্দর মসজিদ আয়া সোফিয়া। ৩৬০ খ্রিষ্ট-পূর্বাব্দে স্থাপিত এ স্থাপনা শুরুতে মসজিদ ছিল না। ১৪৬৩ সালে সুলতান মেহমেদ এটিকে মসজিদ হিসেবে স্বীকৃতি দেন।

১৯৩৪ সালে এটিকে জাদুঘরে রূপান্তরিত করে তৎকালীন তুরস্ক সরকার। কিন্তু ২০২০ সালে তুরস্কের রাষ্ট্রপতি রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান এটিকে আবার নামাজ আদায়ের জন্য মুসল্লিদের কাছে উন্মুক্ত করে দেন। ১৯৮৫ সালে আয়া সোফিয়াকে বিশ্ব ঐতিহ্যর স্বীকৃতি দেয় ইউনেসকো।


৪. আল–আকসা মসজিদ, পূর্ব জেরুজালেম, ইসরায়েল:

মুসলিম স্থাপত্যশৈলীর শুরুর দিককার অন্যতম নিদর্শন জেরুজালেমের আল–আকসা মসজিদ।

বলা হয়ে থাকে, খোলাফায়ে রাশিদিনের অন্যতম খলিফা হজরত উমর (রা.)–র শাসনামলে ৬৩৭ খ্রিষ্টাব্দে শুরু হয় মসজিদটির নির্মাণকাজ। তবে বর্তমানে আল-আকসা বলতে পুরো চত্বরটাকেই বোঝানো হয়। ‘হারাম আল শরিফ’ নামে পরিচিত এই চত্বরের চার দেয়ালের মধ্যে আছে কিবলি মসজিদ, কুব্বাতুস সাখরা (ডোম অব দ্য রক) ও বুরাক মসজিদ। মূল আল–আকসা বা কিবলি মসজিদ হলো ধূসর সীসার পাতে আচ্ছাদিত গম্বুজওয়ালা একটি স্থাপনা। তবে পর্যটকের কাছে আল–আকসা নামে বেশি প্রসিদ্ধ সোনালি গম্বুজের স্থাপনা কুব্বাতুস সাখরা।

জেরুজালেমের সবচেয়ে দৃষ্টিনন্দন এই মসজিদ ইউনেসকোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের তালিকায় উঠে আসে ১৯৮১ সালে। এখানে প্রায় চার লাখ মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারেন । তবে ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে দখলকৃত পূর্ব জেরুজালেমে অবস্থিত আল-আকসা মসজিদ বন্ধ করে দিয়েছে ইসরায়েলি পুলিশ। কোনো মুসল্লিকে তারা মসজিদ প্রাঙ্গণে ঢুকতে দিচ্ছে না। পবিত্র স্থানটির দায়িত্বে থাকা ইসলামিক ওয়াক্‌ফ বিভাগ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।


৫. দ্বিতীয় হাসান মসজিদ, কাসাব্লাঙ্কা, মরক্কো:

আলজেরিয়ার জামা এল জাযের মসজিদের মিনার সবচেয়ে উঁচু, ৮৭০ ফুট। তারপরেই কাসাব্লাঙ্কার দ্বিতীয় হাসান মসজিদের মিনার, উচ্চতা ৬৮৯ ফুট। মরক্কোর বাদশাহ দ্বিতীয় হাসানের তত্ত্বাবধানে নির্মিত মসজিদটির নকশাকার ফরাসি স্থপতি মিশেল পিনসু।

আটলান্টিক মহাসাগরের একটি শৈলান্তরীপের মাথায় মসজিদটির অবস্থান। মেঝের একটা অংশ স্বচ্ছ কাচের বলে আটলান্টিকের নীল পানি দেখতে পান নামাজে যাওয়া মুসল্লিরা। দেয়ালে মার্বেলের চোখধাঁধানো কারুকাজ। ছাদ অপসারণযোগ্য বলে নামাজ পড়তে যাওয়া মুসল্লিরা রাতের আকাশও দেখতে পান।

দ্বিতীয় হাসান মসজিদের মিনার থেকে একটি লেজাররশ্মি মুসলমানদের কিবলা কাবাঘরের দিকে তাক করা। অনন্য স্থাপত্যশৈলীর জন্য জগৎ–খ্যাত এই মসজিদে একসঙ্গে ১ লাখ ৫ হাজার মুসল্লির নামাজ আদায় করার সুবিধা আছে।


মসজিদ   সেরা  


মন্তব্য করুন


লিট ইনসাইড

মুখের ঠিকানা

প্রকাশ: ১২:১৬ পিএম, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail




মন্তব্য করুন


লিট ইনসাইড

স্পর্শে তুমি

প্রকাশ: ০৪:৪৫ পিএম, ১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail




মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন