ইনসাইড পলিটিক্স

স্বাস্থ্যখাত হচ্ছে দুর্নীতির বড় আখড়া: জিএম কাদের

প্রকাশ: ০৭:৩৬ পিএম, ২৩ মার্চ, ২০২৩


Thumbnail জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান ও বিরোধীদলীয় উপনেতা গোলাম মোহাম্মদ কাদের।

জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান ও বিরোধীদলীয় উপনেতা গোলাম মোহাম্মদ কাদের বলেছেন, ‘স্বাস্থ্যখাত হচ্ছে দুর্নীতির বড় আখড়া। দুর্নীতির কারণে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে চিকিৎসকরা। স্বাস্থ্যখাতের সাথে সংশ্লিষ্ট আমলা ও ব্যবসায়ীরা লক্ষ-কোটি টাকা লুটপাট করে বিদেশে পাচার করছে। করোনা মোকাবেলায় সাফল্যের চেয়ে দুর্নীতি বেশি হয়েছে। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল দুর্নীতির তথ্য প্রকাশ করেছে। কোভিড মোকাবেলায় আমরা নাকি প্রাইজ পেয়েছি। বিদেশ থেকে পুরুস্কার কীভাবে আসে আমরা তা জানি। দেশের মানুষ কী আপনাদের পুরুস্কার দিয়েছে? বিদেশি প্রাইজের কথা বলে দেশের মানুষকে আর বোকা বানানো যাবে না।’

তিনি বলেন, ‘দুঃখজনক হলো, কোভিডের কথা বলেও কিছু মানুষ হাজার-হাজার কোটি টাকা পাচার করেছে। সকল খাত থেকেই লুটপাটের টাকা বিদেশে পাচার করা হচ্ছে। স্বাস্থ্যখাতে জড়িত ব্যবসায়ীরা আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ নয়, বটগাছ হয়েছে। দুর্নীতিরোধে কোন ব্যবস্থা নেই। হাসপাতালে নির্ধারিত কোটা অনুযায়ী ডাক্তার নেই এই কথা সংসদে বললে ঐ হাসপাতালে ডাক্তারের সংখ্যা আরো কমে যায়। বাথরুমের সামনেও রোগী থাকে যেনো নারকীয় পরিবেশ।’   

বৃহস্পতিবার (২৩ মার্চ) বিকেলে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান এর বনানীর কার্যালয় মিলনায়তনে চিকিৎসা বিজ্ঞানী ডা. জাহিদুল বারীর নেতৃত্বে শতাধিক চিকিৎসক জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদেরের হাতে ফুল দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পার্টিতে যোগ দেন। এ সময় ‘জাতীয় চিকিৎসক পরিষদ’নামে একটি সংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘটে। জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান দলে যোগ দেয়া চিকিৎসকদের স্বাগত জানিয়ে দেয়া বক্তব্যে এসব কথা বলেন। 

জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান এর উপদেষ্টা ও জাতীয় পার্টি রিচার্স এন্ড ডেভেলপমেন্ট উইং এর আহবায়ক মনিরুল ইসলাম মিলনের সভাপতিত্বে যোগদান অনুষ্ঠানে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের আরও বলেন, ‘দেশের চিকিৎসা খাতে হ-য-ব-র-ল চলছে। দেশের মানুষ কখনোই চিকিৎসা সেবা নিয়ে সন্তুষ্ট হতে পারেনি। দেশের বেশির ভাগ মানুষের চিকিৎসার জন্য একমাত্র ভরসা সরকারি হাসপাতাল। হাসপাতালে ডাক্তার নেই, সেবা নেই, যন্ত্রপাতি নেই। দেশের চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নেই। সংখ্যা কম থাকায় চিকিৎসকদের ওপর বাড়াবাড়ি রকমের দাবি থাকে সাধারণ মানুষের। যেটা অনেক সময় চিকিৎসকরা ম্যানেজ করতে পারে না। এ কারণেই অনেক সময় সংঘাত সৃষ্টি হয়। প্রয়োজনীয় ডাক্তার, নার্স এবং যন্ত্রপাতি থাকেনা হানপাতালে। যন্ত্রপাতি যা দেয়া হচ্ছে তা চলছে না।’

তিনি বলেন, ‘বড় বড় অবকাঠামো বা বিল্ডিং বানানো হচ্ছে। মুষ্টিমেয় কিছু মানুষের ব্যক্তিগত স্বার্থ রক্ষায় উন্নয়ন করা হচ্ছে। সকল উন্নয়নের পেছনে কিছু মানুষের ব্যক্তিগত স্বার্থ আছে। জনগণের স্বার্থের কথা বিবেচনা করে কোন উন্নয়ন করা হচ্ছে না। ডাক্তার দেয়া হলে তাদের সাহ্যায্য করার লোক নেই। যারা দায়িত্বে আছেন তাদের একটাই লক্ষ্য কি করে ব্যক্তিগতভাবে লাভবান হওয়া যায়। যার কারণে বেশির ভাগ মানুষ চিকিৎসা সহায়তা পাচ্ছে না। চিকিৎসা খাতে কোন সাফল্য নেই।’ 

জিএম কাদের বলেন, ‘বাংলাদেশে কারো নিরাপত্তা নেই। বাবা তার ছেলেকে বা স্বামী তার স্ত্রীকে নিরাপত্তা দিতে পারছে না। মানুষের জীবনের, সম্পদের, ইজ্জতের নিরাপত্তা নেই। পুরো সমাজই নিরাপত্তাহীন হয়ে পড়েছে। এক শ্রেণীর মানুষ যা খুশি তাই করছে, কোন জবাবদিহিতা নেই।’ 

জাতীয় পার্টিতে যোগ দিতে আসা চিকিৎসকদের বিভিন্নভাবে বাঁধা দেয়া হয়েছে একথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সংবিধান রাজনীতির অধিকার দিয়েছে। স্বাধীনভাবে মতামত প্রকাশের অধিকার হচ্ছে সাংবিধানিক অধিকার। এই সংবিধান অর্জনের জন্য জীবন দিয়ে মানুষ দেশ স্বাধীন করেছে। ক্ষমতায় থাকার জন্য সংবিধান ব্যবহার করা হচ্ছে। ক্ষমতায় থেকে অবৈধভাবে টাকা উপার্জন করে সেই টাকা বিদেশে পাচার করাই এখন কালচার হয়ে গেছে। আমরা এমন বাস্তবতা থেকে দেশকে উদ্ধার করতে চাই।’ 

অনুষ্ঠানে জাতীয় পার্টি মহাসচিব মো. মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের চেয়ে প্রতিটি উপজেলায় বিশেষায়িত হাসপাতাল জরুরি। বর্তমানে সরকার সংবিধানের প্রতি খুবই শ্রদ্ধাশীল। সংবিধানের বাইরে নির্বাচন তারা চায় না। একইভাবে বিএনপিও এক সময় সংবিধানের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে তত্বাবধায়ক সরকারের বিরোধীতা করেছিলো। এখন বিএনপি তত্বাবধায়ক সরকারের জন্য আন্দোলন করছে। আসলে তত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা কোন সমাধান নয়। অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য নির্বাচনের পদ্ধতি পরিবর্তন করতে হবে। আনুপাতিক হারে নির্বাচন করতে পারলেই নির্বাচন অবাধ ও নিরপেক্ষ হবে।’ 

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু, কো-চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা , প্রেসিডিয়াম সদস্য আলহাজ্ব শফিকুল ইসলাম সেন্টু, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ডা. মোস্তাফিজুর রহমান আকাশ, কেন্দ্রীয় নেতা লে কর্ণেল তসলিম উদ্দিন, ড. জাফর সিদ্দিকী, যোগদানকারীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আন্তর্জাতিক চিকিৎসা বিজ্ঞানী ডা. জাহিদুল বারী, ডা. মোস্তাকিমুল ইসলাম, ডা. খালেদ সুফিয়ান প্রমুখ।


জাতীয় পার্টি   চেয়ারম্যান   বিরোধীদল   উপনেতা   গোলাম মোহাম্মদ কাদের  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

কেন্দ্রীয় নেতাদের নিয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করলেন ওবায়দুল কাদের

প্রকাশ: ০৩:৪৭ পিএম, ১৫ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

দেশের চলমান নানা পরিস্থিতি নিয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেছেন আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা। বৈঠকে দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সভাপতিত্ব করেন। এছাড়া ছাত্রলীগ, যুবলীগসহ সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ নেতারাও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

সোমবার (১৫ জুলাই) দুপুরে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ের কনফারেন্স কক্ষে এই বৈঠক হয়। 

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কামরুল ইসলাম, মির্জা আজম, বাহাউদ্দিন নাছিম, মাহবুবুল হক হানিফসহ শীর্ষ নেতারা। এছাড়া ছাত্রলীগ-যুবলীগসহ ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের সভাপতি-সম্পাদক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

জানা যায়, সাড়ে ১০টার দিকে এই কার্যালয়ে আসেন ওবায়দুল কাদের। সাধারণত কার্যালয়ের নিচের কক্ষে বৈঠক হলেও আজকের বৈঠকটি কনফারেন্স কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রুদ্ধদ্বার বৈঠক   ওবায়দুল কাদের   আওয়ামী লীগ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

অপশক্তিকে ছাড় দেওয়া হবে না, আন্দোলনের কুশীলব বিএনপি-জামায়াত: কাদের

প্রকাশ: ০৩:৪৭ পিএম, ১৫ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার ইস্যুতে চলমান আন্দোলনে বিএনপির সংশ্লিষ্টতা রয়েছে অভিযোগ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের জানিয়েছেন, আন্দোলনকারীদের জবাব দিতে ছাত্রলীগসহ স্বাধীনতার পক্ষের সবাই প্রস্তুত আছেন। সোমবার (১৫ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

কাদের উল্লেখ করেন, কোটা সংস্কার আন্দোলনের নামে সরকারবিরোধী আন্দোলনের প্রচেষ্টা চলছে এবং এতে বিএনপির সমর্থন ও সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। গতকাল রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দেশের অস্তিত্বকে আঘাত করে মুক্তিযুদ্ধবিরোধী স্লোগান দিয়ে এ আশঙ্কা প্রমাণিত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, “এ দেশের মাটিতে রাজাকারের জায়গা নেই, প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্য যথার্থ। পরাজিত শক্তির আস্ফালন মেনে নেওয়া হবে না। যারা দেশের গৌরবকে অস্বীকার করে রাজাকার পরিচয় দেয়, তারা কিভাবে নিজেদের মেধাবী পরিচয় দেয়?”

কাদের সতর্ক করে বলেন, রাজাকারের চেতনা ধারণকারীরাও রাজাকার। আত্মস্বীকৃত রাজাকারদের জবাব ছাত্রলীগই দেবে।

 তিনি আরও বলেন, অপশক্তিকে ছাড় দেওয়া হবে না। আন্দোলনের কুশীলব বিএনপি-জামায়াত। সরকারের বিরুদ্ধে আল্টিমেটাম দেওয়া দৃষ্টতা। কোটা সংস্কার নিয়ে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। জনদুর্ভোগ মেনে নেওয়া হবে না। কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের জবাব দিতে ছাত্রলীগসহ স্বাধীনতার সপক্ষের সবাই প্রস্তুত।



ওবায়দুল কাদের   কোটা আন্দোলন   বিএনপি-জামায়াত  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে ভেসে যাবে সরকার: রিজভী

প্রকাশ: ১২:৫১ পিএম, ১৫ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনের স্রোতে সরকার ভেসে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। সোমবার (১৫ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর মগবাজারে কারাবন্দি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের আহ্বায়ক খন্দকার এনামুক হক এনামের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

এসময় বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক আন্দোলনের বিষয় নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অহেতুক মন্তব্য করেছেন। ঢালাওভাবে আন্দোলকারী শিক্ষার্থীদের ‘রাজাকারের নাতি’ বলে নিন্দা করেছেন।

‘রাগ করে ২০১৮ কোটা বাতিল করেছি- প্রধানমন্ত্রীর এমন বক্তব্য প্রমাণ করে তিনি সংবিধান লঙ্ঘন করেছেন, শপথ ভঙ্গ করেছেন। দেশের আদালত আজ প্রধানমন্ত্রীর শাড়ির আঁচলে বন্দি’ বলেও মন্তব্য করেন রিজভী।

শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগকে সরকার লেলিয়ে দিয়েছে অভিযোগ করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ‘এ আন্দোলনে ক্ষমতাসীনরা ভেসে যাবে, তাদের সিংহাসন উড়ে যাবে।’

গণতন্ত্র ফিরে না আসা পর্যন্ত বিএনপি রাজপথে থাকবে বলেও জানান রুহুল কবির রিজভী। 


বিএনপি   রাজনীতি   রুহুল কবির রিজভী   আন্দোলন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

হাসপাতালে খালেদা জিয়া, দেখতে আসেনি পরিবারের কেউ

প্রকাশ: ১২:৫৬ পিএম, ১৪ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

সাত দিন ধরে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। তার শারীরিক অবস্থার তেমন কোনও উন্নতি হয়নি বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

বিএনপির নেতারা বলছেন, বারবার অসুস্থ হয়ে পড়ার কারণে দলীয় প্রধান খালেদা জিয়াকে গত কয়েক মাসে একাধিকবার হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। টানা ১০ দিনের বেশি সময় হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে গত ২ জুলাই বাসায় নিয়ে আসা হয় তাকে। কিন্তু ৫ দিনের ব্যবধানে আবারও অসুস্থ হয়ে পড়লে ৮ জুলাই ভোর রাতে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীকে আবারও হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। এখন পর্যন্ত তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

এদিকে তাকে দেখতে দুই সন্তানের পরিবারের কেউ দেশে আসেনি। তবে নিয়মিত পরিবারের সদস্যরা ভার্চুয়ালি তার চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যের খোঁজ-খবর নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।

খালেদা জিয়ার দুই সন্তান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পরিবার ও ছোট ছেলে প্রয়াত আরাফত রহমান কোকোর পরিবার লন্ডনে থাকেন। খালেদা জিয়া কারাগারে থাকাকালে এবং বিভিন্ন সময় অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে থাকলে তাকে দেখতে দেশে আসতেন কোকোর স্ত্রী ও দুই মেয়ে। এবার এখন পর্যন্ত তাদের কেউ দেশে আসেনি।


হাসপাতাল   খালেদা জিয়া   দেশে   পরিবার  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

‘কোটা নিয়ে সংসদে বিল আনা হলে জাতীয় পার্টি ভূমিকা রাখবে’

প্রকাশ: ১১:২৪ এএম, ১৪ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু বলেছেন, শিক্ষার্থীদের কোটা বাতিল আন্দোলনের যৌক্তিকতা আছে। কোটা যেভাবে আছে তা চলতে পারে না। সংসদে বিল আনা হলে জাতীয় পার্টি ভূমিকা রাখবে। রোববার (১৪ জুলাই) রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

সময় সরকারের সমালোচনা করে চুন্নু বলেন, বর্তমান সরকারের ব্যর্থতায় দুর্নীতির বিস্তার হয়েছে দেশে।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের কোটা বাতিল আন্দোলনের যৌক্তিকতা আছে। কোটা যেভাবে আছে তা চলতে পারে না। সংসদে বিল আনা হলে জাতীয় পার্টি ভূমিকা রাখবে।

এদিকে সরকারি চাকরিতে সব গ্রেডে সর্বোচ্চ শতাংশ কোটা রেখে, বাকি কোটা বাতিল করে সংসদে আইন পাসের এক দফা দাবিতেবৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারেশিক্ষার্থীরা আন্দোলন করছেন।

গত জুলাই প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে ছয় বিচারপতির আপিল বেঞ্চ সরকারি চাকরির প্রথম দ্বিতীয় শ্রেণিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা পদ্ধতি বাতিলের সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেয়া রায় আপাতত বহাল রাখার নির্দেশ দেন। পরে ১০ জুলাই হাইকোর্টের দেয়া রায়ে চার সপ্তাহের জন্য স্থিতাবস্থা দেন আপিল বিভাগ।

এর আগে ২০১৮ সালের অক্টোবর সরকারি চাকরিতে প্রথম দ্বিতীয় শ্রেণির পদে সরাসরি নিয়োগে বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি তুলে দিয়ে পরিপত্র জারি করেছিল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।


কোটা   সংসদ   বিল   জাতীয়   পার্টি   ভূমিকা  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন