ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

তালিবানদের ছাড়িয়ে জঙ্গিবাদে দ. এশিয়ায় প্রথম স্থানে ইসলামাবাদ

প্রকাশ: ১১:০৩ এএম, ১৭ মার্চ, ২০২৩


Thumbnail

আর্থিক সঙ্কটে বিদীর্ণ পাকিস্তানে আরও বাড়ছে সন্ত্রাসবাদের ঘটনা। ২০২২ সালে সে দেশে ঘটনা নাশকতামূলক ঘটনার নিরিখে আফগানিস্তানও হার মেনেছে। সন্ত্রাসবাদের ঘটনায় তালিবান শাসিত আফগানিস্তানকেও পিছনে ফেলেছে পাকিস্তান। মঙ্গলবার প্রকাশিত এক আন্তর্জাতিক রিপোর্টে উঠে এসেছে এই তথ্য।

বার্ষিক গ্লোবাল টেররিজম ইন্ডেক্স (জিটিআই) রিপোর্টে পাকিস্তানে সন্ত্রাসবাদের জেরে মৃত্যুর ঘটনা বৃদ্ধির বিষয়টি উঠে এসেছে। অস্ট্রেলিয়া নির্ভর সংস্থা ইনস্টিটিউট অব ইকোনমিক্স অ্যান্ড পিস (আইইপি) এই রিপোর্ট তৈরি করেছে বলে জানা গিয়েছে। সেই রিপোর্টে দেখা গিয়েছে, ২০২২ সালে পাকিস্তানে সন্ত্রাসবাদের জেরে মৃতের সংখ্যা বেড়েছে ১২০ শতাংশ। গত এক বছরে সেখানে সন্ত্রাসের ঘটনায় ৬৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। তার আগের বছর এই সংখ্যা ছিল ২৯২।

আফগানিস্তানে জঙ্গি কার্যকলাপের বিষয়টি গোটা বিশ্বের কাছেই পরিচিত। তালিবান ক্ষমতায় আসার পর থেকেই একাধিক নাশকতার ঘটনা ঘটেছে আফগানিস্তানে। সন্ত্রাস হামলায় মৃত্যু নিরিখে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ২০১৭ সাল থেকেই শীর্ষে ছিল আফগানিস্তান। সেই আফগানিস্তানকেও টপকে গেল পাকিস্তান।

এক বছরে পাকিস্তানে ঘটা নাশকতার ঘটনায় সাধারণ মানুষের পাশাপাশি মৃত্যু হয়েছে পুলিশেরও। পাকিস্তানের গত এক বছরে ঘটা নাশকতার ঘটনার ৩৬ শতাংশ ঘটিয়েছে বালুচিন্তান লিবারেশন আর্মি (বিএলএ)। তেহরিক-ই-তালিবান, যা পাকিস্তানি তালিবান নামে কুখ্যাত। সেই জঙ্গি গোষ্ঠীর থেকে বেশি নাশকতার ঘটনা ঘটিয়েছে বালুচিস্তান লিবারেশন আর্মি। গ্লোবাল টেররিজম ইন্ডেক্সের রিপোর্ট বলছে, বিএলএ-র প্রতি হামলায় ৭.৭ জন করে মানুষের মৃত্যু হয়েছে। ২০২১-এ এই হার ছিল ১.৫। ২০২২ সালে ২৩৩ জনের মৃত্যু হয়েছে বিএলএ-র আক্রমণে। মৃতদের মধ্যে ৯৫ শতাংশ নিরাপত্তারক্ষী।

এমনকি পাকিস্তান ও আফগানিস্তান সীমান্ত এলাকায় সন্ত্রাসবাদের ঘটনা সবথেকে বেশি বলে উল্লেখিত হয়েছে রিপোর্টে। এই সব ঘটনার পিছনে পাকিস্তান তালিবানেরও ভূমিকা রয়েছে। ভারত বরাবরই পাকিস্তানের বিরুদ্ধে জঙ্গি কার্যকলাপ এবং জঙ্গিদের মদত দেওয়ার অভিযোগ তুলে আসছে। অতীতেও একাধিক জঙ্গিকে আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। দেশকে জঙ্গিদের আশ্রয়স্থল বানানোর পরিণতি এখন হারে হারে টের পাচ্ছে ইসলামাবাদ।



মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই ইসরায়েলে হামলা চালাতে পারে ইরান

প্রকাশ: ০২:১০ পিএম, ১২ এপ্রিল, ২০২৪


Thumbnail

আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ইসরায়েলের মাটিতে ইরান সরাসরি হামলা চালাতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন মার্কিন এক কর্মকর্তা।

গোয়েন্দা তথ্যের বরাত দিয়ে মার্কিন ওই কর্মকর্তা এ আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ইসরায়েলের মাটিতে সরাসরি হামলা করতে পারে ইরান।

গত ১ এপ্রিল ইসরায়েল ইরানের কনস্যুলেট ভবনে হামলা চালিয়ে দেশটির দুই জেনারেলসহ অন্তত সাতজনকে হত্যা করে। এরপরই মূলত ইসরায়েলে হামলার চূড়ান্ত অঙ্গীকার করে ইরান। দেশটির শীর্ষ নেতারা ধারাবাহিকভাবে প্রতিশোধের হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন।

ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল জানায়, দক্ষিণ অথবা উত্তর ইসরায়েলে ইরানের সম্ভাব্য হামলা মোকাবিলায় প্রস্তুতি নিচ্ছে তেল আবিব। তবে তেহরান এখনও এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি।

এর আগে পশ্চিমা গণমাধ্যমের প্রতিবেদনগুলোতে দাবি করা হয়, সরাসরি ইসরায়েল অথবা ইসরায়েলের স্বার্থ রয়েছে এমন স্থাপনায় ইরানের হামলা আসন্ন।

ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্র তাদের কর্মকর্তাদের সেন্ট্রাল ইসরায়েলের বাইরে ভ্রমণের ব্যাপারে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে।

এদিকে ইসরায়েল সব ফ্রন্টে হামলার জন্য প্রস্তুত বলেও মন্তব্য করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা আনাদোলু।

আনাদোলু বলছে, ইসরায়েলের দূরপাল্লার হামলায় প্রাথমিক অস্ত্র হচ্ছে এফ-১৫ যুদ্ধবিমান। নেতানিয়াহু তার বক্তৃতার জন্য এই ঘাঁটিকে বেছে নেওয়ায় এটিকে ইরানকে লক্ষ্য করার হুমকির একটি ইচ্ছাকৃত ইঙ্গিত বলে মনে করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে নেতানিয়াহু বলেন, ‘ইসরায়েলি সেনাবাহিনী অন্যান্য ফ্রন্ট থেকে চ্যালেঞ্জের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। আমাদের সাধারণ একটি নীতি আছে: যারা আমাদের আঘাত করবে, আমরা তাদের আঘাত করব।’


ইসরায়েল   হামলা   ইরান  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

দালালদের খপ্পরে পড়ে ইউক্রেন যুদ্ধে, ভয়াবহ অভিজ্ঞতা শোনালেন দুই ভারতীয়

প্রকাশ: ০১:০৯ পিএম, ১২ এপ্রিল, ২০২৪


Thumbnail

দালালদের খপ্পরে পড়ে রুশ বাহিনীর হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে লড়াই করতে হচ্ছে অনেক ভারতীয়দের। এদের মধ্যে আবার অনেকে হতাহতের শিকার হয়েছেন। তবে কৌশলে দেশে ফিরে আসা দু'জন শোনালেন ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা।

গত বছরের অক্টোবর মাসে ফেসবুকে রাশিয়ায় নিরাপত্তারক্ষী নিয়োগের একটি বিজ্ঞপ্তি  চোখে পড়ে ভারতের কেরালা রাজ্যের বাসিন্দা ডেভিড মুথাপ্পানার। বেতন মাসে ২ লাখ ৪ হাজার রুবল।

এমন সুযোগ আসায় চাকরিতে রাজি হয়ে যান মুথাপ্পান। কয়েক সপ্তাহ বাদেই ২৩ বছর বয়সী মুথাপ্পানের জায়গা হয় ইউক্রেনের দোনেৎস্ক অঞ্চলের যুদ্ধক্ষেত্রে। সে সময় দিনগুলোর কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘সব জায়গায় ছিল মৃত্যু আর ধ্বংসের ছায়া।’

দিন কয়েক আগে মুথাপ্পান ও কেরালার আরেকজন ভারতে ফিরতে পেরেছেন। দেশে ফিরলেও যুদ্ধের ময়দানে থাকার দিনগুলোর কথা ভুলতে পারছেন না মুথাপ্পান।

তিনি বলেন, মানুষের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে ছিল। এটা দেখে তিনি বমি করতে করতে প্রায় অচেতন হয়ে পড়েছিলেন। পরে তাদের নেতৃত্বে থাকা রুশ কমান্ডার তাকে চৌকিতে ফিরে যেতে বলেন।

গত মার্চ মাসে এক দল ভারতীয় মুথাপ্পানকে মস্কোয় ভারতের দূতাবাসে যেতে সহায়তা করেন। পরে দূতাবাসের সহায়তায় ভারতে ফেরেন তিনি।

একইভাবে ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্র থেকে ভারতে ফিরতে পেরেছেন প্রিন্স সেবাস্তিয়ান। স্থানীয় এক দালালের খপ্পরে পড়ে সেবাস্তিয়ানকে যেতে হয়েছিল পূর্ব ইউক্রেনে মস্কো নিয়ন্ত্রিত লিসিচানস্ক শহরে। মাত্র তিন সপ্তাহের প্রশিক্ষণের পর তাকে যুদ্ধে পাঠানো হয়েছিল।

যুদ্ধের সম্মুখসারিতে পৌঁছানোর পর কাছ থেকে ছোড়া একটি গুলি এসে সেবাস্তিয়ানের বাঁ কানের নিচে লাগে। তিনি পড়ে যান। পরে বুঝতে পারেন, শরীরের নিচে রয়েছে এক রুশ সেনার মরদেহ।

সেবাস্তিয়ান বলেন, ‘আমি বড় ধাক্কা খেয়েছিলাম। নড়াচড়া করতে পারছিলাম না। এক ঘণ্টা পর রাত নামলে আরেকটি বোমার বিস্ফোরণ হলো। এতে আমার বাঁ পায়ে বেশ আঘাত পেলাম।’

সেই রাতটা একটি পরিখায় কাটান সেবাস্তিয়ান। পরদিন সকালে তিনি সেখান থেকে পালিয়ে যান। এরপর বেশ কয়েক সপ্তাহ ভর্তি থাকতে হয় হাসপাতালে। বিশ্রামের জন্য ছুটি পান এক মাস। এই সময়টাতে ভারতীয় দূতাবাসের সহায়তায় দেশে ফেরেন তিনি।

সেবাস্তিয়ান জানান, তার সঙ্গে রাশিয়ায় গিয়েছিলেন আরও দুই বন্ধু। তাদের খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। কয়েক সপ্তাহ ধরে তাদের খোঁজখবর পাচ্ছে না তাদের পরিবারও।

দালালের খপ্পরে পড়ার গল্প জানান সেবাস্তিয়ান। ইউরোপে চাকরির খোঁজে তিনি ও তার বন্ধুরা স্থানীয় এক দালালের কাছে গিয়েছিলেন। ওই দালাল বলেছিলেন, রাশিয়ায় নিরাপত্তারক্ষী হিসেবে কাজ করাটা তাদের জন্য একটি ‘সুবর্ণ সুযোগ’ হবে। বেতন পাওয়া যাবে মাসে ২ লাখ রুপি। দালালের কথায় সঙ্গে সঙ্গে রাজি হয়ে যান তারা। এ বছরের ৪ জানুয়ারি তারা মস্কো পৌঁছান। নিজেকে অ্যালেক্স পরিচয় দেওয়া একজন ভারতীয় দালাল সেখানে তাদের স্বাগত জানিয়েছিলেন।

সে রাতটা একটি বাসায় কাটিয়েছিলেন সেবাস্তিয়ান ও তার বন্ধুরা। পরদিন এক ব্যক্তি তাদের রাশিয়ার কস্ত্রোমা শহরে একজন সেনা কর্মকর্তার কাছে নিয়ে যান। সেখানে তিন বন্ধুর সঙ্গে যোগ দেন শ্রীলঙ্কার তিন নাগরিক। তারপর ছয়জনকে নিয়ে যাওয়া হয় ইউক্রেন সীমান্তের রোস্তভ অঞ্চলের একটি সামরিক ক্যাম্পে। নিয়ে নেওয়া হয় পাসপোর্ট ও মুঠোফোন। ১০ জানুয়ারি থেকে শুরু হয় তাদের প্রশিক্ষণ। কয়েক দিনের মধ্যে তারা শিখে যান, কীভাবে ট্যাংকবিধ্বংসী গ্রেনেড ব্যবহার করতে হয়। আর আহত হলে কী করতে হবে, তা-ও শেখানো হয়।

এরপর ছয়জনকে অ্যালাবিনো পলিগন নামের আরেকটি ঘাঁটিতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাদের টানা ১০ দিন প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। সেবাস্তিয়ান বলেন, ‘সেখানে আমাদের জন্য সব ধরনের অস্ত্র ছিল। সেগুলো নিয়ে খেলনার মতো মজা করা শুরু করলাম।’ তবে সে আনন্দ বেশিক্ষণ থাকেনি। যুদ্ধক্ষেত্রে তাদের জন্য অপেক্ষা করছিল নিষ্ঠুর এক বাস্তবতা।


ইউক্রেন যুদ্ধে   ভারতীয়  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

পাকিস্তানের পরিস্থিতি আরেকটি ‘ঢাকা ট্র্যাজেডি’ ঘটাতে পারে, হুঁশিয়ারি ইমরানের

প্রকাশ: ১১:২৬ এএম, ১২ এপ্রিল, ২০২৪


Thumbnail

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পিটিআইয়ের চেয়ারম্যান ইমরান খান হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, পাকিস্তানের বর্তমান পরিস্থিতি আরেকটি ‘ঢাকা ট্র্যাজেডি’র জন্ম দিতে পারে। একইসঙ্গে ইমরান খান দেশটির চলমান অর্থনৈতিক সংকটের কথা উল্লেখ করে বলেন, স্থিতিশীল অর্থনীতি ছাড়া কোনো দেশ টিকে থাকতে পারে না।

ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকটে ভুগছে পাকিস্তান। একইসঙ্গে চলছে রাজনৈতিক সংকট। গত ফেব্রুয়ারি মাসে দেশটিতে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও সংকটের কোনো সমাধান হয়নি। নির্বাচনে এককভাবে সবচেয়ে বেশি আসনে জয়লাভ করেও সরকার গঠন করতে পারেনি পিটিআই।

কারাগারে ইমরান খানের সঙ্গে দেখা করে আসা পিটিআই নেতাদের বক্তব্যের বরাত দিয়ে বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম দ্য ডন।

ইমরান খানের বক্তব্য উদ্ধৃত করে পিটিআই নেতা সালমান আকরাম রাজা বলেন, ‘আপনি যখন জনগণকে তাদের অধিকার দেবেন না, তখন আপনি বলতে পারবেন না অর্থনীতি এগিয়ে যাবে। ১৯৭০ সালে সেনাপ্রধান ইয়াহিয়া খান ঝুলন্ত সংসদ চেয়েছিলেন কিন্তু শেখ মুজিবুর রহমানের দল যখন স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেল, তখন সেনাবাহিনী জালিয়াতি করে উপনির্বাচন করে, যাতে ইয়াহিয়া খান প্রেসিডেন্ট হতে চেয়েছিলেন। আর এর মাধ্যমে আওয়ামী লীগের ৮০টি আসন ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছিল।’

ইমরান খানকে উদ্ধৃত করে ব্যারিস্টার রাজা আরও বলেন, ‘আমি হামুদুর রহমান কমিশনের রিপোর্টের কথা মনে করিয়ে দিতে চাই, আমরা অতীতে যে ভুলগুলো করেছিলাম, এখনো সেই একই ভুলের পুনরাবৃত্তি করতে যাচ্ছি। ১৯৭০ সালেও লন্ডন পরিকল্পনা ছিল এবং আজ আবারও লন্ডন পরিকল্পনার মাধ্যমে (জনগণের ওপর) সরকার চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে।’

তবে তিনি বলেছেন, ইমরান খান বারবার ইঙ্গিত দিয়েছেন- তিনি সামরিক বাহিনীর সঙ্গে কথা বলতে প্রস্তুত। তার (ইমরানের) দাবি, এটিই দেশের স্বার্থে সবচেয়ে ভালো পদক্ষেপ হবে।

পিটিআই নেতা ইন্তাজার পাঞ্জুথা বলেন, ইমরান খান পাকিস্তানের বর্তমান পরিস্থিতিকে ১৯৭১ সালের সঙ্গে তুলনা করেছেন। খান সতর্ক করে বলেছেন, পাকিস্তানের বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশের অর্থনৈতিক পতন ঘটবে এবং যখন অর্থনীতি ভেঙে পড়বে তখন দেশ ও প্রতিষ্ঠানগুলোও টিকে থাকবে না।


পাকিস্তান   ঢাকা ট্র্যাজেডি   ইমরান খান  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

গাজায় নিহতের সংখ্যা সাড়ে ৩৩ হাজার ছাড়াল

প্রকাশ: ১১:০০ এএম, ১২ এপ্রিল, ২০২৪


Thumbnail

অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় হঠাৎ করেই হামলার তীব্রতা ব্যাপক হারে বাড়িয়েছে ইসরাইল। এতে গত ২৪ ঘণ্টায় ৬৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে আহত হয়েছেন আরো ৪৫ জন। এ নিয়ে গাজায় নিহত বেড়ে সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৩ হাজার ৫৪৫ জনে। এছাড়া আহত হয়েছেন আরো ৭৬ হাজার ৯৪ জন।

বৃহস্পতিবার উপত্যকাজুড়ে ব্যাপক বোমাবর্ষণ করে ইসরাইলি সেনারা।

আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরাইলের বর্বরতা রুখতে যুক্তরাষ্ট্রসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় যখন জোর তৎপরতা চালাচ্ছে, এমন সময়ই সংঘাত উসকে দিচ্ছে ইসরাইল। হামাসের শীর্ষ নেতা ইসমাইল হানিয়ার পরিবারের সদস্যদের টার্গেট করার পর এবার হঠাৎ করে উপত্যকাজুড়ে আগ্রাসনের মাত্রা বাড়িয়েছে নেতানিয়াহু প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার গাজা সিটি মার্কেটে বোমাবর্ষণ করে ইসরাইলি সেনারা। এতে হামাস নেতাসহ বেশ কয়েকজন হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।

এছাড়া হামাস সদস্যদের হত্যার অজুহাতে মধ্যাঞ্চলের বুরেইজ শরণার্থী শিবির এবং উত্তরাঞ্চলের জাবালিয়া ক্যাম্পে তাণ্ডব চালাচ্ছে দখলদাররা। ভয়াবহ হামলায় এলাকাগুলোতে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। আরো অসংখ্য বেসামরিকের প্রাণহানির আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার হামাস নিয়ন্ত্রিত গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় গত ২৪ ঘণ্টায় গাজায় আরো ৬৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া একই সময়ের মধ্যে আহত হয়েছেন আরো ৪৫ জন। এ নিয়ে গাজায় মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৩ হাজার ৫৪৫ জনে। অপরদিকে আহত হয়েছেন আরো ৭৬ হাজার ৯৪ জন।

এদিকে হামলার পাশাপাশি ত্রাণ সহায়তা বাধাগ্রস্ত করতেও সবরকম চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরাইল। বিভিন্ন সংস্থাকে টার্গেট করে হামলা অব্যাহত রেখেছে তারা।

খাবারের অভাবে উত্তরাঞ্চলে এরই মধ্যে দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছেন ইউএসএইডের পরিচালক সামান্তা পাওয়ার। উত্তরাঞ্চলে পর্যাপ্ত খাবার এবং সুপেয় পানি সরবরাহ হচ্ছে না বলেও জানান তিনি। এই প্রথম মার্কিন কোনো কর্মকর্তা অঞ্চলটিতে দুর্ভিক্ষের বিষয়টি স্বীকার করলো।

এমন পরিস্থিতিতে খাবারের অভাবে সামনের দিনগুলোতে বিপুল প্রাণহানি এড়াতে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি কার্যকরের আহ্বান জানিয়েছেন বিশ্লেষকরা।


গাজা   নিহত   সাড়ে ৩৩ হাজার  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

ইরানের প্রত্যাঘাতের শঙ্কায় মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে উত্তেজনা

প্রকাশ: ১০:৪৯ এএম, ১২ এপ্রিল, ২০২৪


Thumbnail

সিরিয়ায় ইরানি কনস্যুলেটে ইসরায়েলি হামলার প্রতিশোধের ঘোষণা দিয়ে রেখেছে ইরান। ঘটনার পর থেকে ধারাবাহিকভাবে প্রত্যাঘাতের হুমকি দিচ্ছেন ইরানের শীর্ষ নেতারা। বলা হচ্ছে, এবার সরাসরি ইসরায়েলের ভূখণ্ডে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে তেহরান। যেকোনও সময় সেই প্রত্যাঘাত চালাতে পারে দেশটি- এমন আশঙ্কায় মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের মিশন জানিয়েছে, নিরাপত্তা পরিষদ যদি ইসরায়েলি হামালার নিন্দা জানাতো তাহলে হয়তো ইরানের প্রতিশোধমূলক হামলা এড়ানো যেত।

পশ্চিমা গণ্যমাধের প্রতিবেদনগুলোতে দাবি করা হয় সরাসরি ইসরায়েল অথবা ইসরায়েলের স্বার্থ রয়েছে এমন স্থাপনায় ইরানের হামলা আসন্ন। এরপরই ইরানের পক্ষ থেকে এমন বিবৃতি এল।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করা এক বার্তায় ইরানের মিশন জানায়, সিরিয়ায় ইরানের কনস্যুলেটে আগ্রাসনের নিন্দা যদি নিরাপত্তা পরিষদ করত তাহলো হয়তো হামলার অপরিহার্যতা থেকে সরে আসা যেত।

গত ১ এপ্রিল ইসরায়েলের চালানো ওই হামলায় ইরানের দুই জেনারেলসহ অন্তত সাতজন নিহত হন। এরপর ইসরায়েলে হামলার চূড়ান্ত অঙ্গীকার করে ইরান।

এদিকে, মধ্যপ্রাচ্যে বিরাজমান পরিস্থিতির কারণে ইরানের রাজধানী তেহরানে ফ্লাইট পরিচালনা স্থগিতের সময় বাড়িয়েছে জার্মান বেসামরিক বিমান পরিবহন সংস্থা লুফথানসা।

লুফথানসা বৃহস্পতিবার বলেছে, ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত তেহরানের সব ফ্লাইট স্থগিত করেছে তারা। এর মধ্য দিয়ে ফ্লাইট স্থগিতের সময় দুই দিন বাড়িয়েছে তারা। লুফথানসার একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, উড়োজাহাজের ক্রুদের যাতে তেহরানে রাতযাপনের জন্য অবতরণ করতে না হয়, সে জন্য গেল সপ্তাহান্ত থেকে ফ্রাঙ্কফুর্ট থেকে তেহরানে ফ্লাইট না চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা।

পশ্চিমা বিমান সংস্থাগুলোর মধ্যে শুধু লুফথানসা ও এর সহযোগী বিমান পরিবহন সংস্থা অস্ট্রিয়ান এয়ারলাইনসই তেহরানে ফ্লাইট পরিচালনা করে। টার্কিশ এয়ারলাইনস ও মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক বিমান পরিবহন সংস্থাগুলোই সাধারণত সেখানে যাত্রী পরিবহন করে।

লুফথানসার মালিকানাধীন অস্ট্রিয়ান এয়ারলাইনস সপ্তাহে ছয়বার ভিয়েনা থেকে তেহরানে যাত্রী পরিবহন করে। সংস্থাটি বলেছে, তারা এখনো বৃহস্পতিবার তেহরানে ফ্লাইট পরিচালনার পরিকল্পনা করছে। তবে রাতে তেহরানে অবস্থান এড়ানোর চেষ্টা করছে।

তেহরানে ফ্লাইট পরিচালনা করা অন্যান্য বিমান পরিবহন সংস্থার বক্তব্য জানা যায়নি। এমিরেটস ও কাতার এয়ারওয়েজের উত্তর আমেরিকার ফ্লাইটের জন্যও ইরানের আকাশসীমা গুরুত্বপূর্ণ।
এদিকে, এমন উত্তেজনার মধ্যেই ইসরায়েল সফরে গেছেন মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান জেনারেল মাইকেল কুরিলা।

কুরিলা ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের সঙ্গে বৈঠক করবেন। তাদের আলোচনায় গুরুত্ব পাবে ইরানের সম্ভাব্য হামলা।
গত কয়েক দিন ধরেই ইরানের প্রতিশোধমূলক হামলার ব্যাপারে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের মধ্যে যোগাযোগ হচ্ছে। মূলত তেহরানের হামলা প্রতিহত করতে তারা উদ্বিগ্ন।


ইরান   প্রত্যাঘাত   শঙ্কা   মধ্যপ্রাচ্য   উত্তেজনা  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন