ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

সুদানে সামরিক-বেসামরিক সেনা সংঘর্ষ, নেপথ্যে কি?

প্রকাশ: ১১:১৬ এএম, ১৭ এপ্রিল, ২০২৩


Thumbnail

ক্ষমতার লড়াইয়ে সেনা-আদা সেনা লড়াই চলছে সুদানে। শনিবার শুরু হওয়া এ সংঘর্ষ রাজধানী খার্তুমসহ অন্যান্য শহরেও এর উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে। তবে কেন দেশটিতে এই সেনা-আধা সেনা সংঘর্ষ? বেশির ভাগ রাজনৈতিক বিশ্লেষক বলছেন, সুদানে যে লড়াই শুরু হয়েছে তা দেশটির সামরিক নেতৃত্বে থাকা আধা-সামরিক বাহিনীর সদস্য র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ) এবং নিয়মিত সৈন্যদের সামরিক শত্রুতার প্রত্যক্ষ ফলাফল। বিবিসি। 

সংঘর্ষের পটভূমি 

সুদানে ২০২১ সালে অক্টোবরেও একটি সামরিক অভ্যুত্থান হয়। এর পর থেকেই দেশটি ট্রানজিশনাল সার্বভৌমত্ব কাউন্সিল দ্বারা পরিচালিত হয়ে আসছে। বর্তমান বিরোধের কেন্দ্রেও দুজন সামরিক ব্যক্তি রয়েছেন। প্রেসিডেন্ট ও সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান জেনারেল আবদেল ফাত্তাহ আল-বুরহান এবং হেমেদতি নামে পরিচিত আরএসএফ নেতা জেনারেল মোহাম্মদ হামদান দাগালো। এক লাখ শক্তিশালী আরএসএফ মূল সেনাবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা। এরপর নতুন বাহিনীকে নেতৃত্বদানে কে নিযুক্ত হবেন। বেসামরিক শাসনের দিকে প্রস্তাবিত পদক্ষেপসহ আরও কিছু রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিষয় নিয়ে উভয়ের মধ্যে মতোবিরোধ নিয়েই মূলত এই সংঘর্ষ।  

কেন শনিবারই শুরু হলো সংঘর্ষ?

সম্প্রতি আরএফএস সদস্যদের সারা দেশে পুনরায় মোতায়েন করা হয়। সুদানের নিয়মিত সেনাবাহিনী এটিকে তখন থেকেই একটি হুমকি হিসাবে দেখে। আলোচনার মাধ্যমে সেনা মোতায়েন প্রত্যাহারের বিষয়টি সমাধান করার চেষ্টাও করা হয়। তবে কোনো লাভ হয়নি। মূলত এর জের ধরেই শনিবার সকালে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। তবে কোন বাহিনী প্রথম হামলা শুরু করে তা এখন পর্যন্ত স্পষ্ট নয়। আশঙ্কা করা হচ্ছে এটি সুদানের পরিস্থিতিকে অধিকতর খারাপের দিকে নিয়ে যাবে। কারণ ইতোমধ্যেই অনেক সাধারণ মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। কূটনীতিকরা উভয়পক্ষকে লড়াই বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন। 

আরএসএফ বাহিনী আসলে কারা?

২০১৩ সালে গঠিত হয়েছিল আরএসএফ বাহিনী। এর উৎপত্তি কুখ্যাত জানজাউইদ মিলিশিয়া (সুদানি আরব মিলিশিয়া গ্রুপ) থেকে যারা সুদানের দারফুরে বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিল। তার পর থেকেই জেনারেল দাগালো এদের নিয়ে একটি শক্তিশালী বাহিনী গড়ে তোলেন; যারা ইয়েমেন এবং লিবিয়ার সংঘাতেও হস্তক্ষেপ করেছিল। এছাড়াও বাহিনীটি সুদানে ২০১৯ সালের জুনে ১২০ জনেরও বেশি বিক্ষোভকারীকে হত্যা করায় তাদের মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়। 

সংঘর্ষে কেন সামরিক বাহিনী দায়ী? 

২০১৯ সালে সুদানে প্রায় তিন দশক ক্ষমতায় থাকা প্রেসিডেন্ট ওমর আল-বশিরকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়। দেশটিতে সেই সময়ের বিক্ষোভের পর এটিই সর্বশেষ সংঘর্ষ। সেই সময়েও সেনাবাহিনীই ওমর আল-বশিরের অপসারণের জন্য অভ্যুত্থান করেছিল। কিন্তু দেশটির সুশীলরা গণতান্ত্রিক শাসন শুরু করার দাবি জানাতে থাকে। এর পর আরও একটি যৌথ সামরিক-বেসামরিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। কিন্তু ২০২১ সালের অক্টোবরে আরেকটি অভ্যুত্থানে সেই সরকারকেও উৎখাত করা হয়। সে সময় থেকেই জেনারেল বুরহান ও জেনারেল দাগালোর মধ্যে সম্পর্কের বৈরিতা বাড়তে থাকে। বেসামরিকদের হাতে ক্ষমতা দেওয়ার জন্য গত ডিসেম্বরে একটি কাঠামোগত চুক্তিতেও সম্মত হয় তারা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত চুক্তিটির কোনো সুরাহা হয়নি। তাই ধারণা করা হচ্ছে সেনাবাহিনী কখনোই বেসামরিকদের হাতে ক্ষমতা না দিতেই এই সংঘর্ষের সৃষ্টি করেছে। 

কোনো দিকে যেতে পারে সংঘর্ষের ভবিষ্যৎ?

সুদানের রাজনৈতিক ব্যক্তি, কূটনৈতিক বিশ্লেষকসহ আন্তজার্তিক মহল মনে করছে সংঘর্ষ নিয়মিত চলতে থাকলে দেশ আরও ভাগ হবে। যেমন দক্ষিণ সুদান ভাগ হয়েছিল। এ ছাড়াও রাজনৈতিক অস্থিরতা বৃদ্ধিসহ অবকাঠামোগত ক্ষতি ও ব্যাপক প্রাণহানি হতে পারে। ইতোমধ্যে সহিংসতাটি সাধারণ সুদানিজদের একটি অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলে দিয়েছেন। 

এছাড়া যেসব কূটনীতিক সুদানের বর্তমান সরকারকে বেসামরিক শাসনে ফিরে আসার আজ্বান করেছিলেন তারাই সামরিক সেনাবাহিনী ও আধা সামরিক আরএসএসের দুই জেনারেলের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি শান্ত করতে বলতে পারেন।



মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

সৌদির কাছে অস্ত্র বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশ: ১০:২৮ পিএম, ২৬ মে, ২০২৪


Thumbnail

সৌদি আরবের কাছে প্রাণঘাতী অস্ত্র বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেবে যুক্তরাষ্ট্র। রোববার (২৬ মে) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফিনান্সিয়াল টাইমস। 

এ বিষয়ে জানাশোনা আছে এমন একজন ব্যক্তির বরাতে ফিনান্সিয়াল টাইমস বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র যে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে প্রস্তুত, সে বিষয়ে ওয়াশিংটন ইতিমধ্যে সৌদি আরবকে ইঙ্গিত দিয়েছে। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে এই ঘোষণা আসতে পারে। 

২০২১ সালে আমেরিকার দায়িত্ব নেয়ার পর সৌদি আরবের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান গ্রহণ করেন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। বিশেষ করে ইয়েমেনে ইরানপন্থী হুতি বিদ্রোহীদের ওপর সৌদি সামরিক অভিযানে ব্যাপক প্রাণহানি এবং রিয়াদের মানবাধিকার রেকর্ড নিয়ে নাখোশ ছিলেন বাইডেন। এ ছাড়া ২০১৮ সালে ওয়াশিংটন পোস্টের সাংবাদিক ও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ জামাল খাশোগির হত্যাকাণ্ড ঘিরেও সৌদির বিরুদ্ধে সরব ছিল মার্কিন প্রশাসন।

বাইডেন সরকারের এমন অবস্থানের জেরে মার্কিন অস্ত্রের সবচেয়ে বড় ক্রেতা সৌদি আরবের কাছে বেশ কয়েক ধরনের অস্ত্র বেচার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। যদিও যুগের পর যুগ ধরে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম মিত্র সৌদির কাছে এসব অস্ত্র বেচে আসছিল আগের মার্কিন সরকার।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন বুধবার বলেছেন, পারমাণবিক শক্তি, নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা এবং রিয়াদ ও তেল আবিবের সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে একগুচ্ছ চুক্তির খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে যুক্তরাষ্ট্র এবং সৌদি আরব।

তবে ফিনান্সিয়াল টাইমস জানিয়েছে, প্রাণঘাতী অস্ত্র বিক্রির ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার সরাসরি এই আলোচনার সঙ্গে সম্পর্কিত না।

এসব বিষয়ে কথা বলতে হোয়াইট হাউস এবং সৌদি সরকারি যোগাযোগ অফিসের সঙ্গে রয়টার্সের পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হলে তারা তাৎক্ষণিক কোনো সাড়া দেয়নি।

সৌদি আরব   অস্ত্র বিক্রি   যুক্তরাষ্ট্র  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

কলকাতায় পৌঁছে আনার হত্যাকাণ্ড তদন্তে যা যা করলেন ডিবিপ্রধান

প্রকাশ: ০৯:০৬ পিএম, ২৬ মে, ২০২৪


Thumbnail

সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার হত্যাকাণ্ড তদন্তে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ প্রধান হারুন অর রশিদের নেতৃত্বে ৪ সদস্যর একটি প্রতিনিধি দল কলকাতায় যান। তদন্ত দলের অন্য সদস্যরা হলেন আব্দুল আহাদ, সাহেদুর রহমান এবং সাহিন ব্যাপারী। হত্যাকাণ্ডের মোটিভ ও প্রয়োজনীয় তথ্য উদঘাটনে জিহাদ হাওলাদার ওরফে কাসাই জিহাদসহ গ্রেপ্তার অন্য আসামীদের জিজ্ঞাসাবাদ করবেন তারা। 

রোববার (২৬ মে) বেলা সাড়ে ১১ নাগাদ কলকাতার নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামে ডিবির তদন্তকারী দল। সেখান থেকে নিউটাউনের একটি পাঁচ তারকা হোটেলে যান তারা। সেখানে কিছুক্ষণ কাটিয়ে ডিবিপ্রধান ও তদন্ত দলের অন্য সদস্যরা বাংলাদেশের উপ-দূতাবাসের কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিউটাউন থানায় যান। নিউটাউন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কল্লোল কুমার ঘোষের সঙ্গে কথা বলেন তারা।

নিউটাউন থানায় প্রায় ২০ মিনিট কাটিয়ে সঞ্জীবা গার্ডেনসে পৌঁছান ডিবিপ্রধান। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন কলকাতা পুলিশের কর্মকতারাও। সঞ্জীবা গার্ডেনসে ঘণ্টাখানেক ছিলেন তারা। সেখান থেকে বিকেল ৫টা ৪০ মিনিট নাগাদ রাজ্য পুলিশের সদরদপ্তর ভবানী ভবনে পৌঁছান ডিবিপ্রধান।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ভবানী ভবনেই গ্রেপ্তার রয়েছেন হত্যা মামলার অন্যতম আসামি জিহাদ হাওলাদার। ডিবিপ্রধান হারুন আর রশিদসহ চার সদস্যের তদন্তকারী দল কসাই জিহাদ ওরফে জিহাদ হাওলাদারকে জিজ্ঞাসাবাদ করবেন।

এছাড়া, যে গাড়িতে করে আনোয়ারুল আজীম আনারের খণ্ডিত দেহাংশ কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় ফেলা হয়েছিল, সেই গাড়ির চালক মোহাম্মদ জুবেরকেও জিজ্ঞাসাবাদ করবেন তদন্তকারীরা।

এদিন, রাজ্য পুলিশের তদন্তকারী সংস্থা সিআইডির কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ডিবিপ্রধান হারুন আর রশিদ, আব্দুল আহাদ, সাহেদুর রহমান ও সাহিন ব্যাপারী। সন্ধ্যা পর্যন্ত রাজ্য পুলিশের সদর দপ্তরে ছিলেন ডিবিপ্রধান।

কলকাতা পুলিশ   আনোয়ারুল আজীম আনার   ডিবিপ্রধান  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

১৮ হলেই সরকারি চাকরি দেয়ার প্রতিশ্রুতি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশ: ০৮:৪৫ পিএম, ২৬ মে, ২০২৪


Thumbnail

আগামী ৪ জুলাই যুক্তরাজ্যে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটার টানতে দুই বড় দল- কনজারভেটিভ পার্টি ও লেবার পার্টি একের পর এক প্রতিশ্রুতি দিয়ে যাচ্ছে। তারই অংশ হিসেবে, দেশের ১৮ বছর বয়সীদের বাধ্যতামূলক সরকারি চাকরি দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে কনজারভেটিভ পার্টি। সামরিক কিংবা বেসামরিক চাকরিতে যোগদান করতে পারবে তরুণরা। 

রোববার (২৬ মে) দলের তরফ থেকে এই ঘোষণা দেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক। খবর রয়টার্স  

সুনাক বলেন, ১ বছর প্রতি মাসের প্রত্যেক সপ্তাহের শেষ দিন স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করতে পারবেন তরুণরা। তারা চাইলে সশস্ত্র বাহিনীতেও এক বছর কাজ করতে পারবেন। তাদের জন্য সেখানে ৩০ হাজার পদ রাখা হবে।

তিনি বলেন, ব্রিটেন আজ এমন একটি ভবিষ্যতের মুখোমুখি যা আরও বিপজ্জনক ও বিভক্ত। আমাদের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ যে হুমকির মুখে রয়েছে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। সে জন্য আমরা ১৮ বছর বয়সীদের জন্য জাতীয় সেবার (সরকারি চাকরি) একটি সাহসী নতুন মডেল চালু করব।

এর আগে ২৫ মে দেশের ১৬ ও ১৭ বছর বয়সীদের ভোট দেওয়ার পক্ষে মত দেন লেবার পার্টির নেতা কেয়ার স্টারমার। তার এই ঘোষণার পরই সুনাক সরকারি চাকরি দেয়ার প্রস্তাব নিয়ে এলেন। 

১৪ বছর ধরে যুক্তরাজ্যের সরকারে রয়েছে কনজারভেটিভ পার্টি। তবে এবার তাদের হটিয়ে বিরোধী দল লেবার পার্টির ক্ষমতায় ফেরার সম্ভবনা প্রবল। ইতিমধ্যে জনমত জরিপে প্রায় ২০ পয়েন্ট বেশি নিয়ে এগিয়ে রয়েছে তারা। এমনকি আগাম নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েও জনমত নিজেদের পক্ষে আনতে পারেনি সুনাক সরকার।


সরকারি চাকরি   ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী   ঋষি সুনাক  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

এমপি আনার হত্যাকাণ্ডে কলকাতায় গোপন আলাপের তথ্য ফাঁস

প্রকাশ: ০৮:০১ পিএম, ২৬ মে, ২০২৪


Thumbnail

ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) আনোয়ারুল আজীম আনার কলকাতায় খুনের ঘটনায় আটক গাড়িচালকের দেয়া তথ্যে গড়মিল পাওয়া গেছে।

তবে রোববার (২৬ মে) বাংলাদেশি এমপি আনারের খণ্ডিত দেহ কোথায় ফেলা হবে সে বিষয়ে চলন্ত গাড়িতে গোপন আলাপচারিতা হয়েছে বলে নতুন তথ্য দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের গোয়েন্দা সংস্থা সিআইডির কর্মকর্তারা।

এমপি আনারের খণ্ডিত দেহ বহনকারী গাড়ির চালক জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন, গত ১৪ মে এক নারী ও দুই ব্যক্তিকে সুটকেসসহ কলকাতা শহরের এক্সেস মলের সামনে নামান তিনি। অন্যদিকে, সিসিভিটি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে পশ্চিমবঙ্গ সিআইডি জানতে পেরেছে, এক্সেস মলে নামানোর আগে কলকাতার নজরুল তীর্থের কাছে গাড়িটি ১৫ মিনিট দাঁড়িয়ে ছিল। সেই সময় এমপির খণ্ডিত দেহ কোথায় ফেলা হবে তা নিয়ে আলাপচারিতা হয় গাড়ির মধ্যে। এমনটি জানতে পেরেছেন সিআইডি কর্মকর্তারা। এরপর তাদের এক্সেস মলের সামনে নামিয়ে দেয় চালক। ফলে সিআইডি মনে করে চালক গোপন আলাপ সম্পর্কে অনেক কিছুই জানেন যা তিনি গোপন করছেন না। তদন্তের স্বার্থে ওই চালককে আটক করলেও তাকে গ্রেপ্তার দেখায়নি পুলিশ।

ভাড়ায় চালিত ওই ক্যাব চালককের নাম জুবের। তাকে গ্রেপ্তার করেনি তবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে রেখেছে নিউ টাউন থানার পুলিশ। জুবেরকে এখন নিউ টাউন থানার লকআপে রাখা হয়েছে।

বাংলাদেশি এমপির খুনের ঘটনা অনেক আগে থেকেই পরিকল্পিত ছিল। এমনই তথ্য সিআইডির হাতে এসেছে। সূত্রের খবর, যে গাড়ি আটক করা হয়েছে সেই গাড়িটি ৩০ এপ্রিল অনলাইন রেন্টালের মাধ্যমে ভাড়া করে আততায়ীরা। এমপি বাংলাদেশ থেকে কলকাতায় আসেন ১২ মে। তাকে খুন করা হয় ১৩ মে। এরপর ১৪ মে এমপির দেহাংশ সুটকেসে করে ফ্ল্যাট থেকে বের করে ভাড়ায় চালিত ওই গাড়িতে তোলা হয়। 

এদিকে, এমপি আনোয়ারুল আজীম আনার খুনের ঘটনা তদন্ত করতে কলকাতায় পৌঁছেছে বাংলাদেশের গোয়েন্দা প্রতিনিধি দল। ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (গোয়েন্দা) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি তদন্ত দল ২৬ মে সকাল সাড়ে ১১টার দিকে কলকাতার নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামেন। এর প্রতিনিধি দলের অন্য সদস্যরা হলেন আব্দুল আহাদ এবং সাহেদুর রহমান। 


এমপি আনার   হত্যাকাণ্ড   কলকাতা   ঝিনাইদহ-৪   সংসদ সদস্য  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

তেল আবিবে মুহুর্মুহু রকেট হামলা

প্রকাশ: ০৭:৫৫ পিএম, ২৬ মে, ২০২৪


Thumbnail

ইসরায়েলের তেল আবিব এলাকায় রকেট হামলা চালিয়েছে ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস। হামাসের ছোড়া রকেটের শব্দে কেঁপে ওঠে তেল আবিবসহ আশপাশের অঞ্চল।

রোববার (২৬ মে) প্রায় চার মাসের মধ্যে প্রথমবারের মতো এই হামলা চালালো ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ যোদ্ধাদলটি। খবর বিবিসি

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল জানিয়েছে, গত ছয় মাসের মধ্যে আজই প্রথমবারের মতো মধ্যাঞ্চলে রকেট ছুড়েছে হামাস।

অপর সংবাদমাধ্যম জেরুজালেম পোস্ট জানিয়েছে, এসব রকেট ছোড়া হয়েছে গাজার দক্ষিণের অঞ্চল রাফা থেকে।

হামাস রকেট ছোড়ার পর তেল আবিব, পেটাহ তিকবা, হার্জলিয়া এবং রামাত হাসারোনে বিকট শব্দ শোনা গেছে বলেও জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমটি।

তেলআবিবসহ অন্যান্য জায়গায় রকেট ছোড়ার তথ্য নিশ্চিত করেছে হামাস। ম্যাসেজিং অ্যাপ টেলিগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে হামাসের সামরিক শাখা আল-কাসেম ব্রিগেডস বলেছে, “আমাদের জনগণের ওপর ইহুদিবাদীদের গণহত্যার প্রতিবাদে বড় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে।”

ইসরায়েলের স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, তেল আবিবে অন্তত ১৫টি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।

ইসরায়েলি আর্মি রেডিও জানিয়েছে, রাফার যে স্থান থেকে রকেটগুলো ছোড়া হয়েছে সেখান থেকে মাত্র কয়েকশ মিটার দূরে অবস্থান করছে ইসরায়েলি সেনারা। আর তাদের ফাঁকি দিয়েই সেখান থেকে হামলা চালাতে সমর্থ হয়েছে হামাসের যোদ্ধারা।

সংবাদমাধ্যম জেরুজালেম পোস্ট জানিয়েছে, তেল আবিবে কয়েকটি রকেট আঘাত হানার তথ্য জানা গেছে। এসব রকেটের আঘাতে কোনো ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কিনা সেটি দেখা হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত কেউ হতাহত হওয়ার খবর জানা যায়নি বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি পুলিশ।


তেল আবিব   রকেট   হামলা  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন